বেদখল হতে হতে আইলে পরিণত হওয়া হালিশহরের গাজী হালদা সড়ককে ২৮ ফুট চওড়া করা হয়েছে। ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি গত শনিবার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
এর আগে মেয়র ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের মতি তালুকদার বাড়ি রোডের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল, মো. ইলিয়াছ, কাজী নুরুল আমিন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হুরে আরা বেগম ও নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন। বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় কর্মরত সকল তফসিলি ব্যাংকের সহযোগিতায় গত ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে চুয়াডাঙ্গা জেলা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে 'স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স-২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি লিড ব্যাংক হিসেবে বর্ণাঢ্য এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
উক্ত স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক হাসান কাজী তৌফিকুর রহমান এবং উপ-পরিচালক মো. মাহবুব-উল আলম। এছাড়া শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নারায়ণগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক এস. এম. রাশেদুল করিম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আবু সায়েম। সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে আসা প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করেন এবং সঞ্চয় কীভাবে ভবিষ্যৎ জীবনে একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়ায় তা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ের মানসিকতা তৈরি করার লক্ষ্যে স্টুডেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। ব্যাংকিং খাতে ছাত্র-ছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমানত বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আলোচকবৃন্দ তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানস্থল এক উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেবার প্রতি আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি সঞ্চয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
ঈদুল আজহা বা কোরবানি ঈদ উপলক্ষে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেলের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’। প্রতিবারের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও মার্সেল পণ্যের গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। এই ঈদে মার্সেল পণ্য কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও রয়েছে আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাকসহ লক্ষ লক্ষ টাকার নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। চলতি বছরের ঈদুল আজহা পর্যন্ত দেশজুড়ে মার্সেল পণ্য ক্রয়ে এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।
সম্প্রতি রাজধানীর মার্সেল কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সিজন-২৪ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। সেসময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল, অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ, মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসাইন মো. রুহিন সাব্বির প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “প্রতিটি বড় উৎসবকে সামনে রেখে মার্সেল সর্বদা ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পণ্য ক্রয়ে গ্রাহকদের ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পূর্বের মতো মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের এই সিজনও গ্রাহকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শতভাগ সফল হবে বলে আমি আশাবাদী।”
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ চলাকালীন ক্রেতারা দেশজুড়ে মার্সেল ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন অথবা সিলিং ফ্যান কেনার পর ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বার কোড দিয়ে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করবেন। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে মার্সেলের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতাদের ১০ লাখ টাকা, আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাক বা নিশ্চিত উপহার পাওয়ার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মার্সেল শোরুম কর্তৃপক্ষ ক্রেতাদের সেসব উপহার বুঝিয়ে দেবেন।
উল্লেখ্য, বিক্রয়োত্তর সেবা কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনতে ‘ডিজিটাল কাস্টমার ডাটাবেজ’ গড়ে তুলছে মার্সেল। সেজন্য দেশব্যাপী মার্সেল পণ্য কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশব্যাপী বিস্তৃত মার্সেলের যেকোনো সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে, সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এই কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রাহকদের নানা সুবিধা দিয়ে আসছে মার্সেল।
গ্রাহকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষে ‘ভিসা ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ড’ চালু করেছে জনতা ব্যাংক পিএলসি। গত ১২ এপ্রিল, রোববার এক জমকালো ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে জনতা ব্যাংকের এই আধুনিক কার্ডটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবদুলাল রায়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব ও চিফ ইনোভেশন অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান। অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংকের ডিএমডি কাজী আব্দুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম এবং আইসিটি ডিভিশনের জিএম মোহাম্মদ আনিসসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি ব্যাংকের সকল কার্যালয় ও শাখা প্রধানগণ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নাজমা মোবারেক তার বক্তব্যে এই বিশেষ কার্ডের উদ্বোধনকে জনতা ব্যাংকের পথচলায় একটি স্মরণীয় মাইলফলক বলে উল্লেখ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সেবার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে জনতা ব্যাংকের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে। জনতা ব্যাংকের এই নতুন ভিসা ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা দেশীয় ব্যবহারের পাশাপাশি পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট সাপেক্ষে বিদেশেও লেনদেন করতে পারবেন। এর মাধ্যমে অনলাইনে কেনাকাটা, দেশি-বিদেশি ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং, মোবাইল রিচার্জ এবং ভিসা নেটওয়ার্কভুক্ত যেকোনো এটিএম বুথ থেকে স্থানীয় মুদ্রায় অর্থ উত্তোলনসহ বিভিন্ন ধরনের আধুনিক পেমেন্ট সুবিধা উপভোগ করা যাবে। প্রযুক্তিনির্ভর এই সেবাটি গ্রাহকদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং লেনদেনকে আরও সহজ ও গতিশীল করবে বলে মনে করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে বর্ণিল এক আয়োজন হাতে নিয়েছে ঢাকার এয়ারপোর্ট সংলগ্ন আন্তর্জাতিক হোটেল ক্রাউন প্লাজা। আগামী ১২ এপ্রিল হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে হোটেল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই পর্বের বিশেষ উৎসব। এই আয়োজনে থাকছে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক মেলা ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমারোহ নিয়ে খাদ্য উৎসব ‘ঢাকাইয়া রসনা বিলাস’। মূলত দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার এক অনন্য সমন্বয় ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
আগামী ১৪ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পুরো হোটেল প্রাঙ্গণ সেজে উঠবে বৈশাখী আমেজে। উৎসবের আমেজ বাড়িয়ে দিতে দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে নাগরদোলা ও চু-চু ট্রেনের রাইড। শিশুদের বিনোদনের জন্য থাকছে জাম্পিং ক্যাসেল, বাবল হাউস, ক্যারোজেল এবং বেলুন শ্যুটিংয়ের মতো আকর্ষণীয় ব্যবস্থা। মেলার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে হারানো দিনের বায়োস্কোপ, পুতুলনাচ, জাদুর আসর এবং লোকগানের সরাসরি পরিবেশনা। এছাড়া দর্শনার্থীরা ক্রিয়েটিভ কর্নারগুলো থেকে আলপনা, ফেস পেইন্টিং বা মেহেদি দিয়ে নিজেকে রাঙিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং মেলার স্টলগুলোতে পাবেন রকমারি বৈশাখী খাবার।
উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে ভোজনরসিকদের জন্য থাকছে বিশেষ বুফে ব্রাঞ্চ ও ডিনারের আয়োজন ‘ঢাকাইয়া রসনা বিলাস’। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের অনুপ্রেরণায় সাজানো এই মেন্যুতে থাকবে সরিষা ইলিশ, ইলিশ পোলাও, ঐতিহ্যবাহী কাচ্চি, কাবাব এবং কাঠি রোলের মতো জিভে জল আনা সব পদ। মিষ্টিমুখের জন্য নকশি পিঠা, ভাপা পিঠা ও গুড়ের রসগোল্লাসহ হরেক পদের মিষ্টির পাশাপাশি থাকছে বিশেষ চমক ‘আগুন পান’। উৎসবকে আরও আনন্দদায়ক করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডধারীদের জন্য থাকছে ‘১টি কিনলে ৩টি ফ্রি’ আকর্ষণীয় অফার।
এই আয়োজন সম্পর্কে ক্রাউন প্লাজা-এর জেনারেল ম্যানেজার অশ্বিনী নায়ার জানান, ‘এসো হে বৈশাখ’-এর মতো দেশীয় উৎসবের মাধ্যমে তারা স্থানীয় মানুষদের আরও কাছে পেতে চান। আন্তর্জাতিক মানের সেবার পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া ক্রাউন প্লাজার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যেরই একটি অংশ। বর্ণাঢ্য এই উৎসব সফল করতে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ব্যাংক এশিয়া, এয়ার অ্যাস্ট্রা, স্ন্যাপঅ্যান্ডকিপ, সেভেনআপ, বেলিসিমো এবং টিঙ্কারস টি। পহেলা বৈশাখের এই আনন্দ আয়োজনে পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে অংশ নিতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সামুদা গ্রুপের সাথে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সমন্বিত ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা প্রদান করবে ব্যাংকটি। সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
চুক্তির আওতায় সামুদা গ্রুপ প্রাইম ব্যাংকের ওমনিচ্যানেল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাইমপে’ ব্যবহার করে সকল ধরনের দেশীয় পেমেন্ট ও ডিসবার্সমেন্ট সম্পন্ন করবে। পাশাপাশি, তাদের বিক্রয় সংগ্রহ ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাংকের সারাদেশব্যাপী শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবে। ব্যাংকের উন্নত এমআইএস রিপোর্টিং ব্যবহারের মাধ্যমে সামুদা গ্রুপের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ হবে।
অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল রহমান এবং কর্পোরেট ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিংয়ের এরিয়া হেড সাজিদ রহমান এবং সামুদা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আকরামুজ্জামান এ সম্পর্কিত চুক্তিপত্র বিনিময় করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাইমপে হলো প্রাইম ব্যাংকের একটি আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা গ্রাহকদের সহজে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট সম্পন্ন করার সুযোগ দেয় এবং উচ্চমানের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরটিজিএস, বিএফটিএন, ফান্ড ট্রান্সফার, এনপিএসবি, এমএফএস সহ ইলেকট্রনিক ও কাগজভিত্তিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এছাড়াও ডিজিটাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে চেক ও পে-অর্ডার ইস্যু করা যায় এবং গ্রাহকরা সহজেই শুল্ক, কর, ভ্যাট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করতে পারেন।
বৈদেশিক রেমিট্যান্স সংগ্রহে অনবদ্য ভূমিকা রাখায় পূবালী ব্যাংক পিএলসি-কে ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর ব্র্যান্ডিং পদক’ সম্মাননা প্রদান করেছে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিস (এনআরবি)। রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি কর্তৃক আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্টটি তুলে দেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এমপি উপস্থিত ছিলেন।
বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী। সেন্টার ফর এনআরবি-র চেয়ারম্যান এমএস সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। মূলত প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বৈধ পথে দেশে আনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাংকটির সামগ্রিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।
আজ ১২ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো: আবদুস সালাম (এফসিএ, এফসিএস), রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক এস. এম. আবদুল হামিদ (এফসিএ) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো: হাবিবুর রহমান সভায় যোগদান করেন। পর্ষদ সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ ব্যবসায়িক ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) এনেছে নতুন সমন্বিত ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘ইউসিবি ওয়ান।’ এর মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে মিলবে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা। পাশাপাশি কেনাকাটা, ভ্রমণের টিকিট বুকিং, ইউটিলিটি বিল প্রদানসহ, অফার উপভোগ করার মাধ্যমে ‘ইউসিবি ওয়ান’ ব্যবহারকারীরা দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করতে পারবেন।
গতকাল ১২ এপ্রিল, রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ‘ইউসিবি ওয়ান।’ অনুষ্ঠানের উপস্থিত থেকে ‘ইউসিবি ওয়ান’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউসিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শরীফ জহীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ। পাশাপাশি নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, স্টেকহোল্ডার এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ইউসিবি ওয়ানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যাংকখাতে বিরাজমান বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে নানা উদ্যোগের কথা ভাবছে। এরমধ্যে অন্যতম হলো আর্থিক ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজ করা, প্রত্যেক নাগরিকের একটি করে ব্যাংক একাউন্ট খোলা। এর মাধ্যমে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা দূর হবে, একইসঙ্গে অন্তর্ভূক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে আমি সকল ব্যাংকের সহযোগিতা কামনা করছি।’
ইউসিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শরীফ জহীর বলেন, ‘সুশাসন, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ফলে ইউসিবি গত দুই বছরে ক্রমাগত ভালো করছে। আগামীতে অন্তর্ভূক্তিমূলক এবং ক্যাশলেস ব্যাংকিং ব্যবস্থা জোরদার করতে আমরা কাজ করছি। কেননা ডিজিটাল ব্যবস্থাই ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত। আজকের অ্যাপ উদ্বোধন সে লক্ষ্যেই আমাদের যাত্রা শুরু।’
ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, ‘এটি শুধু একটি নতুন অ্যাপ নয়। এর মাধ্যমে সব সেবাকে একসঙ্গে যুক্ত করে আমরা গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা দিতে চাই। তরুণ ও প্রযুক্তি-সচেতন গ্রাহকদের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী হবে এবং দেশে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন অ্যাপের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ইউনেট আপের মাধ্যমে এতদিন গ্রাহকরা ডিজিটাল সেবা নিতে পেরেছেন। এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই আপটি ইউসিবি ওয়ানে বদলে যাবে। ইউসিবি ওয়ান হলো ব্যাংকের নতুন সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে এক জায়গায় পাওয়া যাবে নানা ধরনের ব্যাংকিং সেবা। এতে রয়েছে তাৎক্ষণিক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, কার্ড ব্যবস্থাপনা, কিউআর পেমেন্ট, ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন নেওয়ার সুবিধা। ব্যাংকিংয়ের বাইরে এই অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড, খাবার অর্ডার, পেমেন্ট, ভ্রমণ বুকিং, টিকিটিং সুবিধা এবং বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন। এসব ফিচার গ্রাহকদের সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ এবং যুগোপযোগী ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। অ্যাপটিতে থাকছে বায়োমেট্রিক সুবিধা। আমরা চাই গ্রাহকরা বলুক, অ্যাপ একটাই- ইউসিবি ওয়ান।’
এই প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে আগামী দিনে আরো ফিচার যুক্ত হবে বলেও জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউসিবিই প্রথম ওরাকলের ওপেন এপিআই এর সর্বাধুনিক সংষ্করণ ১৪.৭ ব্যবহার শুরু করে। এর মাধ্যমে অ্যাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হয়েছে। ব্যাংকটি ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (আইএমএস) জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও/আইইসি ২৭০০১: ২০২২ (ISO/IEC 27001:2022) সনদও অর্জন করেছে।
দেশজুড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ওষুধ কেনা ও মেডিকেল টেস্টে বিকাশ পেমেন্টে থাকছে মোট ৩৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ। নিজের ও প্রিয়জনের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় এই অফারগুলো চালু থাকবে ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত।
মেডিনোভা, ব্র্যাক হেলথকেয়ার সহ ৯৮৭টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেডিকেল টেস্ট করতে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা বিকাশ পেমেন্ট করার সময় ‘H2’ কোড দিয়ে পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট। দিনে ১ বার এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ২ বার ডিসকাউন্ট পাবেন গ্রাহকরা। অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে https://www.bkash.com/campaign/healthcare-offer-H2-Mar26।
এদিকে, ওষুধ কিনতে লাজ ফার্মা, হামদার্দ, তামান্না ফার্মেসি, একেএস ফার্মেসি, আকিজ ফার্মেসি সহ দেশজুড়ে ৫২৬টি ফার্মেসিতে বিকাশ পেমেন্ট করার সময় ‘H1’ কোড দিয়ে পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫% করে ২৫ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। দিনে ১ বার এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৪ বার ডিসকাউন্ট পাবেন গ্রাহকরা। অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে https://www.bkash.com/campaign/healthcare-offer-H1-Mar26।
এছাড়া, ১০ হাজারেরও বেশি স্থানীয় ফার্মেসিতে ন্যূনতম ৫০০ টাকা বিকাশ পেমেন্ট করার সময় ‘H3’ কোড দিয়ে পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ২৫ টাকা ডিসকাউন্ট। দিনে ১ বার এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ২ বার ডিসকাউন্ট পাবেন গ্রাহকরা। অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে https://www.bkash.com/campaign/healthcare-offer-H3-Mar26।
ব্যাংক এশিয়ার ১৩তম বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব রোমো রউফ চৌধুরী।
অনলাইনে আয়োজিত এই সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ‘ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড’-এর বাংলাদেশ অংশের ব্যবসায়িক কার্যক্রম অধিগ্রহণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন করেন। এই প্রক্রিয়ার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের যাবতীয় সম্পদ, দায়-দেনা এবং সকল অধিকার ও বাধ্যবাধকতা ব্যাংক এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে এই সিদ্ধান্তটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হওয়ার বিষয়টি দেশের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা সমূহের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব জাকিয়া রউফ চৌধুরী এবং পরিচালকবৃন্দের মধ্যে জনাব রোমানা রউফ চৌধুরী, জনাব ফারহানা হক, জনাব এনাম চৌধুরী, জনাব নাফিস খুন্দকার, জনাব সাবেত নাঈম চৌধুরী, জনাব ফারজানা খান ও জনাব মোঃ আতাউর রহমান (এনডিসি)।
এছাড়া ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সোহেল আর কে হোসেন, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা টিমের সদস্যবৃন্দ এবং ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি সচিব জনাব জাহিদ হাসান সভায় অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই সভায় যুক্ত হয়ে নিজেদের মতামত প্রদান করেন।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ৯২তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে। সভায় খন্দকার শাকীব আহমেদকে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। একই অনুষ্ঠানে মহিউদ্দিন আহমেদকে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে পুনর্নির্বাচিত এবং মোঃ জাফর ছাদেক, এফসিএ-কে নতুন ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান খন্দকার শাকীব আহমেদ ১৯৭৫ সালে ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এই দক্ষ ব্যক্তিত্ব শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের একজন স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক। তিনি ওউন দ্য ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেড, ওউন দ্য ওয়ার্ল্ড হজ অ্যান্ড ওমরাহ লিমিটেড এবং ইনটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি একুয়া কনসালট্যান্টস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের পরিচালক এবং ইনোভিভ আইটির অংশীদার। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে জড়িত শাকীব আহমেদ ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ও হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুলসহ বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সাথেও যুক্ত রয়েছেন।
পুনর্নির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ১৯৫৫ সালে ঢাকার বংশালে জন্মগ্রহণ করেন। প্রায় চার দশকের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই উদ্যোক্তা রূপসা ট্রেডিং কর্পোরেশন ও মহিউদ্দিন অটো হাউসের স্বত্বাধিকারী। বর্তমানে তিনি শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান এবং প্যাসিফিক অটোমোবাইলসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ অবদান রাখা মহিউদ্দিন আহমেদ সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান এবং বিসিআই-এর সাবেক পরিচালক ছিলেন।
নবনির্বাচিত অপর ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ জাফর ছাদেক বর্তমানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) এবং প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তিনি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)-এর একজন ফেলো সদস্য। ২০০২ সালে হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং-এর মাধ্যমে পেশাগত জীবন শুরু করা এই ব্যাংকার ২০১৫ সালে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের সিএফও নিযুক্ত হন। আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও শেয়ার বাজার বিষয়ে গভীর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জাফর ছাদেক দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে তিনি দেশে ও বিদেশে আয়োজিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডার গ্রোসারি সেবা ‘প্যান্ডামার্ট’ পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বিশেষ এক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে।
উৎসবের এই আবহে গ্রাহকদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অফারটি আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত উপভোগ করা যাবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ ইলিশ মাছের পাশাপাশি মুরগি, গরুর মাংস, চিনিগুঁড়া চাল এবং বিভিন্ন ধরনের দেশি নাস্তা মিলবে সাশ্রয়ী মূল্যে। শুধু তাই নয়, রান্নার জরুরি উপকরণ যেমন—গুঁড়া দুধ, ঘি, চিনি, তাজা শাকসবজি ও মশলার ওপরও দেওয়া হচ্ছে বিশেষ ছাড়। এছাড়া দৈনন্দিন ব্যবহার্য সাবান, বডি ওয়াশ ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্যসহ ঘর পরিষ্কারের বিভিন্ন সামগ্রীতেও এই বিশেষ অফার কার্যকর থাকবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
দেশের বাজারে মোট ৪৮টি মডেলের রেফ্রিজারেটর নিয়ে ‘ঈদ উৎসব সুপার সেভেন কার্নিভাল’ ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সনি-র্যাংগস।
রাজধানীর বাংলামোটরের সোনারতরী টাওয়ারে অবস্থিত সনি-র্যাংগসের নিজস্ব শোরুমে জমকালো এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিলেটে অবস্থিত নিজস্ব হাই-টেক পার্কে উৎপাদিত সনি-র্যাংগস, কেলভিনেটর ও দাইওয়ু ব্র্যান্ডের নতুন ২৫টি মডেলের রেফ্রিজারেটর বাজারে আনা হয়েছে। ১৭০ থেকে ৩৭৭ লিটার ধারণক্ষমতার এই আধুনিক ফ্রিজগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে আকর্ষণীয় মিরর ও ম্যাট ফিনিশ ডিজাইন এবং সুবিশাল স্টোরেজ সুবিধা। এছাড়া ওষুধ ও প্রসাধনী রাখার জন্য এতে রয়েছে বিশেষ প্রোভিশন ও কসমেটিক বক্সের ব্যবস্থা। ইউনিক এই ফিচারগুলো নিয়ে সনি-র্যাংগসই প্রথম বাংলাদেশে নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত রেফ্রিজারেটর গ্রাহকদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
আগের ২৩টি মডেলের সঙ্গে নতুন ২৫টি যুক্ত হওয়ায় এখন মোট ৪৮টি মডেলের ডিরেক্ট কুল, ফ্রস্ট ফ্রি ও সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটর নিয়ে এবারের ঈদ আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রাহকদের জন্য বরাবরের মতো সেরা মানের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের নিশ্চয়তার পাশাপাশি থাকছে আকর্ষণীয় উপহার ও বিশেষ মূল্যছাড়। এই ক্যাম্পেইনের বড় আকর্ষণ হিসেবে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল্যের যেকোনো পণ্য কিনলে ক্রেতারা উপভোগ করতে পারবেন ‘সুপার সেভেন’ অফার। অফারের বিশেষ সাতটি সুবিধা:
অফার-০১: ইন্সট্যান্ট ক্যাশ ডিসকাউন্ট।
অফার-০২: এক্সচেঞ্জ অফ।
অফার-০৩: সাপ্তাহিক র্যাফেল ড্র-তে হয়ে বিজয়ী।
অফার-০৪: লাইফটাইম মেম্বারশিপ ডিসকাউন্ট কার।
অফার-০৫: ৫০০/- ক্যাশ ভাউচার।
অফার-০৬: ফ্রি গিফট/ইন্সটলেশন।
অফার-০৭: ফ্রি হোম ডেলিভারি।
সনি-র্যাংগসের ভাইস চেয়ারপারসন মিসেস সাচিমি হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব একরাম হোসেন যৌথভাবে ‘ঈদ উৎসব সুপার সেভেন কার্নিভাল’ ক্যাম্পেইনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের দিন থেকেই সারা দেশের সনি-র্যাংগস শোরুমগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। দেশজুড়ে বিস্তৃত সকল শোরুমের পাশাপাশি সনি-র্যাংগসের অনলাইন স্টোর (shop.rangs.com.bd) থেকে আগামী ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত এই অফারগুলো গ্রহণ করা যাবে। উল্লেখ্য, গত ৪০ বছর ধরে অত্যন্ত সুনাম ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স পণ্য বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ করে আসছে সনি-র্যাংগস।