রোববার, ৩ মার্চ ২০২৪

রহস্যে ঘেরা মরিয়ম মান্নানের মায়ের হারিয়ে যাওয়া

মা রহিমা বেগম (বাঁয়ে), মায়ের সন্ধান চেয়ে মরিয়ম মান্নানের কান্নার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশিত
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৯:৪৪

খুলনার মহেশ্বরপাশা থেকে নিখোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুরে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মায়ের নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার সন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছবি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

মরিয়ম মান্নানের মায়ের এই ঘটনা রহস্যের জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এ নিয়ে কৌতূহলের সীমা নেই। এর মধ্যেই রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর পুলিশ বলছে, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার তাকে উদ্ধারের বিষয়টি দৈনিক বাংলাকে নিশ্চিত করেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

পুলিশের একটি দল রাত ২টার দিকে রহিমা বেগমকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

খুলনা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন দৌলতপুর থানায় রহিমা বেগমকে নিয়ে আসার পর উদ্ধার অভিযান বিষয়ে কথা বলেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে যান এবং সেখানেই ছিলেন।

মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, 'আপাতত তাকে ভিকটিম সেন্টারে রাখবো, এবং পিআইবি চাইলে তাদের কাছে হস্তান্তর করব। রহিমা বেগম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। উনি আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। কথা বললে হয়তো আমরা জানতে পারতাম তিনি কীভাবে সেখানে গেলেন বা কী ঘটনা ঘটেছে। আরো জিজ্ঞাসা করে ঘটনার আদ্যপ্রান্ত জানা যাবে।'

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৮ বছর আগে খুলনার সোনালী জুট মিলে চাকরি করতেন কুদ্দুস মোল্লা। তখন তিনি পরিবার নিয়ে রহিমার বাসায় ভাড়া থাকতেন। ওই সময় রহিমার পরিবারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে কুদ্দুসের পরিবারের। কয়েক বছর আগে কুদ্দুস পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তাদের মধ্যে মাঝেমধ্যে যোগাযোগ হতো।
পুলিশ রহিমা বেগমের নিখোঁজ হওয়ার আগের কল রেকর্ডের সূত্র ধরেই তদন্তে নামে। সেখান থেকেই জানতে পারে কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে তার অবস্থান। তবে এই সময় তিনি পরিবারের কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।

দৌলতপুর থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অপহরণের নাটক সাজান। রহিমা আত্মগোপনে যাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় যেকোনো নারীর মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করার পরিকল্পনাও সাজিয়ে রেখেছিলেন তার মেয়েরা।’

এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা একটি মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিখোঁজ হন রহিমা। সে সময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই অপহরণ মামলা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরী।

খোঁজ না পাওয়ায় পরদিন রহিমার ছেলে মো. মিরাজ আল সাদী দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

রহিমা অপহৃত হয়েছেন দাবি করে ১ সেপ্টেম্বর খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা।

রহিমার সঙ্গে জমি নিয়ে স্থানীয়দের মামলা চলছে বলেও সে সময় জানানো হয়েছিল। রহিমার করা সেই মামলায় আসামিরা হলেন প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিুকল ইসলাম পলাশ, মোহাম্মাদ জুয়েল ও হেলাল শরীফ।

আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিমা অপহরণ মামলা পিবিআইতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন তার মেয়েরা। এদিন রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম মান্নান ফেসবুক এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মায়ের লাশ পেয়েছি আমি এই মাত্র।’

পরদিন সকালে নিখোঁজ রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার ফুলপুর থানায় পৌঁছান।

এ সময় পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় ওই নারীর ছবিসহ পরনে থাকা আলামতগুলো মেয়েদের দেখান। মরিয়ম মান্নান তার মায়ের ছবিসহ সালোয়ার-কামিজ দেখে দাবি করেন, এটিই তার মায়ের মরদেহ।

মরিয়ম মান্নান সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘২৭ দিন ধরে আমার মা নিখোঁজ। আমরা প্রতিনিয়ত মাকে খুঁজছি। এরই মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফুলপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও ছবিতে আমার মায়ের শরীর, কপাল ও হাত দেখে মনে হয়েছে এটাই আমার মা।’

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মরিয়মকে জানানো হয়, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ফুলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মোতালেব চৌধুরী শুক্রবার বলেন, ‘মরিয়মের মায়ের বয়স ৫৫ বছর। আমরা যে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করেছি, তার আনুমানিক বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছর মনে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনায় মরদেহটি তার মায়ের নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।’

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির পরনে তখন গোলাপি রঙের সালোয়ার; গায়ে সুতির ছাপা গোলাপি, কালো-বেগুনি ও কমলা রঙের কামিজ এবং গলায় গোলাপি রঙের ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে না পেরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর দাফন করা হয়। ডিএনএ টেস্ট করতে প্রয়োজনীয় আলামতও সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘মরিয়ম মান্নান ওই মরদেহটি তার মা রহিমার দাবি করলেও নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। চূড়ান্তভাবে মরদেহ শনাক্তে মরিয়মের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন।’


নওগাঁয় সড়কের পাশ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ২ মার্চ, ২০২৪ ১৬:২৪
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মহাদেবপুরে সড়কের পাশ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রাইগাঁ-পত্নীতলা সড়কের বিষ্ণুপুর মোড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, নিহত ওই ব্যক্তির নাম মন্টু হোসেন (৪৫)। উপজেলার জোয়ানপুর গ্রামের রকিব উদ্দিনের ছেলে তিনি।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, সকালে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহালের সময় শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

বিষয়:

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আপডেটেড ২ মার্চ, ২০২৪ ১৪:৩০
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মন্ত্রিপরিষদের নতুন সাত প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এক মিনিট নিরবতা পালন করেন তারা।

এ দিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান জাতির বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নতুন সাত প্রতিমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। পরে একেএকে তারা স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।


মুন্সীগঞ্জে আলুর আবাদ কমেছে

‘ইতিবাচক’ বলছে কৃষি অফিস
আপডেটেড ২ মার্চ, ২০২৪ ১০:৩৭
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

লোকসান-উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং অন্য ফসলের দিকে আগ্রহ তৈরি হওয়ায় মুন্সীগঞ্জে কৃষকদের আলু আবাদে আগ্রহ কমেছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত ছয় বছরে জেলায় ধারাবাহিকভাবে আলু চাষ কমেছে। অন্যদিকে তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় আলু উৎপাদন-পরিবহন ও সংরক্ষণে কৃষকের খরচ বেড়েছে। কৃষি অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মুন্সীগঞ্জে প্রতিবছর গড়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়। যেখানে জেলার ৬৮টি কোল্ডস্টোরেজের ধারণক্ষমতা প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মেট্রিক টন, সেখানে উৎপাদিত বাকি আলু নিয়ে প্রতিবছরই কৃষকের হিমশিম খেতে হয়। আবার কোল্ডস্টোরেজে সংরক্ষণে খরচ বাড়ায় কম লাভে খেত থেকেই আলু বিক্রি করে দেন তারা। এতে লোকসানে পড়তে হয়।

জেলায় ২০১৯ সালে ৩৮ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হতো। ২০২৪ সালে এসে দেখা গেছে ৪ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে এখন আর আলু চাষ হচ্ছে না। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রতিনিয়ত আলুর আবাদ কমলেও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে কৃষি অধিদপ্তর। তারা বলছে, যেহেতু কৃষক প্রতিবছরই বলছে আলুতে তাদের লোকসান হচ্ছে তাই তাদের বিকল্প হিসেবে ভুট্টা ও সরিষা চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে তারা সেটি অনুসরণ করছেন। জেলা কৃষি অফিস জানায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলাতে এবছর ৩৪ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ করেছেন কৃষকরা। এর মধ্যে সদর, টংগিবাড়ী ও সিরাজদিখানে বেশি চাষ হয়েছে। আর দুই সপ্তাহের মধ্যেই জেলাজুড়ে পুরোদমে শুরু হবে আলু উত্তোলন।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তেলের দাম বাড়ায় গত বছরের তুলনায় আলু পরিবহনে কৃষকের দেড় গুণ খরচ বেড়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎতের দাম বাড়ায় বস্তাপ্রতি কোল্ডস্টোরেজ ভাড়াও বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। কোল্ডস্টোরেজে প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে কৃষকের ব্যয় হবে ২৫০-২৭০ টাকা। বাজার ঘুরে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি আলু বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। টংগিবাড়ী উপজেলার হাসাইল এলাকার কৃষক আহসান জমাদ্দার জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর খেত থেকে কোল্ডস্টোরেজে আলু পরিবহনের খরচ দেড় গুণ বেড়েছে। দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাড়তি খরচ বহন করতে হবে কৃষকের। এ ছাড়া গত বছর কোল্ডস্টোরেজ মালিকরা প্রতি বস্তায় ২৬০ টাকা রেট নির্ধারণ করেছিলেন। এ বছর দর আরও বাড়বে। আবির অ্যাগ্রো কোল্ডস্টোরেজের স্বত্বাধিকারী মোশাররফ হোসেন পুস্তি জানান, বিদ্যুৎতের দাম বাড়ায় বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে গত বছর ২৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ বছর এই রেট আরও বাড়তে পারে।

মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি এলাকার আলুচাষি খোরশেদ ব্যাপারী বলেন, ‘৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ বছর ২০ কানি জমিতে আলু আবাদ করেছি। আলুর পাশাপাশি জমির আইলে সামান্য পরিমাণ সরিষার আবাদ করেছি। ভালো দামে বিক্রি হলে সামনের বছর আলুর আবাদ কমিয়ে সরিষা করব।’

সিরাজদিখানের রশুনিয়া এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছর আমি ৪০ শতাংশ জমিতে আলুর আবাদ করেছি। বাকি ২০ শতাংশ জমিতে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে সরিষা চাষ করেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমার মতো এই এলাকার অনেক কৃষক আলুর আবাদ কমিয়ে বিকল্প সবজি চাষ করেছে।’ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. আব্দুল আজিজ বলেন, সার্বিকভাবে যদিও জেলায় আলুর আবাদ কমছে কিন্তু বিষয়টি ইতিবাচক। যেহেতু কৃষকও বলছে, আলুতে তাদের প্রতিবার লোকসান হচ্ছে তাই তাদের আলুর বিকল্প সরিষা, ভুট্টা ও শাকসবজি চাষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষককে বুঝিয়েছি, মুন্সীগঞ্জ আলুর রাজধানী হলেও লোকসান দিয়ে তো আর ব্যবসা করা যাবে না। আলু আবাদ কমে আসছে এটি অবশ্যই ইতিবাচক।’

রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাত উপযোগী আলুর জাত ছাড়করণ ও কৃষকপর্যায়ে জনপ্রিয় করার বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জে বেশি চাষ হওয়া আলুর জাতের মধ্যে একটি হচ্ছে ডায়মন্ড। এ ছাড়া অরিকো, মালতা ও পেরটোনাইস জাতের আলু বেশি চাষ হয় এখানে। অন্যদিকে বিদেশে রপ্তানিযোগ্য যে জাতগুলো রয়েছে যেমন বিএডিসির সানশাইন, কুইন এনি, বারী আলু-৬২ সেগুলো সম্পর্কে আমরা কৃষককে জানাচ্ছি। উৎপাদন প্রক্রিয়া সেখানোর চেষ্টা করছি। এই জাতগুলোর উৎপাদন বাড়ানো গেলে আলুচাষিরা বেশি লাভবান হবে। অন্যদিকে বিদেশে আলু রপ্তানি অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।’


কথা রাখতে পারেননি মেয়র, উচ্ছেদ হয়নি হকার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২ মার্চ, ২০২৪ ০৩:৫২
দেবাশীষ দেবু, সিলেট

১ মাসের মধ্যে নগরের ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসা হকারদের উচ্ছেদ করা হবে- গত ১৬ জানুয়ারি এমন আশ্বাস দিয়েছিলেন সিলেট সিটি মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তবে নির্ধারিত ১ মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখতে পারেননি মেয়র। এখনো নগর সড়ক আর ফুটপাতগুলো দখল করে আছে হকাররা।

হকারদের কারণে ফুটপাত দিয়ে হাঁটাচলার জো নেই পথচারীদের। আর সড়কের অনেকাংশ দখল করে রাখার কারণে তীব্র যানজট লেগেই থাকে। ফলে সিলেট নগরের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে উঠেছে হকার। প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে হকারদের সড়ক থেকে সরাতে না পেরে এবার মেয়র আনোয়ারুজ্জামান বলছেন, রমজানের আগেই হকারদের পুনর্বাসন করা হবে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

সিসিক কর্তৃপক্ষ বলছে, নগরের লালদিঘীরপাড়ে স্থায়ী পুনর্বাসন করা হবে হকারদের। তাদের গলি ও শেড তৈরি করে দেওয়া হবে। এ কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। রমজানের মধ্যে হকারদের পুরোপুরি সেখানে পুনর্বাসন করা হবে।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি সিলেট মেট্টোপলিটন চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে সিলেটের রাস্তাঘাট হকারমুক্ত করা হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সাথে তার আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে হকারদের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা চলছে। বিষয়টা আমাদেরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ নিয়ে আমরা কাজ করতে শুরু করেছি। হকার নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সাথে আলোচনা হচ্ছে।

এ অনুষ্ঠানে মেয়র আরও বলেছিলেন, বিষয়টির সাথে অনেক কিছু জড়িয়ে আছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। রাজপথে হকার থাকার কারণে যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে। ইনশাল্লাহ আগামী একমাসের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। সিলেটের রাজপথ অবশ্যই হকার মুক্ত করতে বা রাখতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবকিছু করা হবে।

জানা যায়, সিলেট নগরের অন্যতম প্রধান সমস্যা হকার। নগরের প্রথম মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান থেকে শুরু করে সদ্য সাবেক আরিফুল হক চৌধুরীর সময়েও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল- হকার উচ্ছেদ। কিন্তু কেউই সমাধান করতে পারেননি। অবশ্য আরিফুল হক চৌধুরী নগরভবনের পেছনের লালদিঘীর পাড়ে ‘হলিডে’ মার্কেট চালু করেছিলেন। সেখানে হকারদের পুনর্বাসনও করা হয়। কিন্তু কয়েক মাসের মাথায় তারা চলে আসেন ফের সড়ক ও ফুটপাতের ওপর। আরিফের দায়িত্ব পালনের শেষ সময় থেকে সড়ক ও ফুটপাতে হকারদের উৎপাত আরও বেড়ে যায়। বর্তমান মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের নির্বাচনী ইশতেহারেও হকার উচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আগের তুলনায় হকারের সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।

প্রতিদিনই সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মহানগরের প্রাণকেন্দ্র বন্দরবাজার-জিন্দাবাজার-চৌহাট্টার বিভিন্ন সড়কে ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়কের অর্ধেকেরও বেশি অংশ হকারদের দখলে থাকে। ভ্রাম্যমাণ কাপড় বিক্রেতা ছাড়াও মাছ ও সবজি বিক্রেতারাও বসেন সড়ক-ফুটপাতে। খোদ নগরভবনের সামনের অংশ সবজি ও মাছ বিক্রেতারা দখল করে রাখে প্রতিদিন। রাতের বেলা বিদ্যুতের আলোরও সুবিধা পান এসব অবৈধ ব্যবসায়ী। তবে আসন্ন রমজান মাস চলাকালেই মহানগরের সব হকার ফের লালদিঘীর পাড়ের ‘হলিডে’ মার্কেটে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

মেয়র বলেন, ‘এর আগে বহুবার হকারদের পুনর্বাসনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যত কোন কাজে আসেনি। আমি নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এ সমস্যার সমাধানের জন্য প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। তারই প্রেক্ষিতে হকারদের নির্ধারিত স্থানে পুনর্বাসন করে নগরবাসীকে যানজট ও ফুটপাত মুক্ত শহর উপহার দিব।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে লালগিঘির পাড়ে হকারদের জন্য শেড নির্মাণে ইতিমধ্যে ১০টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, কিছুদিনের মধ্যে এই সমস্যা সমাধান হবে এবং সিলেটবাসীর দুর্ভোগ লাঘব হবে। তিনি বলেন, লালগিঘিরপাড়ে যাতে বৃষ্টিতে ক্রেতা-বিক্রেতাদরে ভোগান্তি পোহাতে না হয় সেজন্য মাটি দিয়ে গলিগুলো উঁচু করে শেড বানিয়ে দেওয়া হবে। আশা করছি- রমজানে বিনা ভোগান্তিতে ফুটপাত ও সড়কে নগরবাসী ও পথচারীরা হাঁটতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার জিন্দাবাজার ও বন্দরবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বন্দরবাজার-জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা সড়কের দু’পাশে শত শত হকার বিভিন্ন পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন। ফুটপাত দিয়ে হাঁটার সুযোগ না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে যানবাহন ঘেঁষে হাঁটছেন পথচারীরা। এ ছাড়া নগর ভবনের সামনের অংশ থেকে প্রধান ডাকঘর পর্যন্ত সবজি বিক্রেতা ও মাছ ব্যবসায়ীরা দখল করে রেখেছেন। প্রতিদিন দুপুর গড়ালেই ফুটপাত চলে যায় হকারদের দখলে। মধ্যরাত পর্যন্ত হয় বিকিকিনি।

অভিযোগ রয়েছে, সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, কর্মচারী, কতিপয় পুলিশ সদস্যরা টাকা নিয়ে ফুটপাতে ব্যবসা করার সুযোগ করে দেন। যার কারণে ফুটপাতে বসে যারা ব্যবসা করেন, তারা সন্ধ্যায় বিদ্যুতের আলোরও সুবিধা পান। এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, যানজট নিরসন ও হকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সম্প্রতি সিসিকের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। যদিও হকার উচ্ছেদের বিষয়টি আমাদের না। তবে সড়কে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে সে হকার হোক আর যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মেয়র কোনো আলটিমেটাম দিলে সেটা তার বিষয়। তবে সিটি করপোরেশন আমাদের কাছে সহযোগিতা চাইলে আমরা সহযোগিতা করব।


মহেশপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের মহেশপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার সস্তার বাজার ও গয়েশপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো, উপজেলার যোগিহুদা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে জিসান (২৩) ও যাদবপুর ইউনিয়নের বড়বাড়ি গ্রামের রবিউল্যার ছেলে মমিনুর রহমান (২৮)।

মহেশপুর থানার ওসি মাহাব্বুর রহমান জানান, সকালে যোগিহুদা গ্রাম থেকে ইজিবাইক চালক জিসান মোটরসাইকেল যোগে পার্শ্ববর্তী লেবুতলা গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে সস্তার বাজারে পৌঁছালে বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি আলমসাধুর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জিসান গুরুতর আহত হয়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একই উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের মোড়ে বাশ বোঁঝাই ভ্যানকে পেছন দিক থেকে ধাক্কায় দেয় একটি মোটরসাইকেল। এতে মোটরসাইকের আরোহী বড়বাড়ি গ্রামের মমিনুর রহমান ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আহত হয় আলী হোসেন নামের আরেকজন। লাশ উদ্ধার করে মহেশপুর থানায় রাখা হয়েছে।


নওগাঁয় আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর বদলগাছীতে আগুনে পুড়ে আলতাফ হোসেন (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত আলতাফ হোসেন উপজেলার গোড়শাহী মধ্য পাড়া গ্রামের মৃত তছির উদ্দিনের ছেলে।

খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় এমপির প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতের কোনো এক সময় নিজ বসতবাড়ীতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত আলতাফ হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাবা আমাদের বাড়ির আঙিনার সামনে আলাদা একটি ঘরে বসবাস করত। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হঠাৎ করেই বাবার ঘরে আগুন লাগা দেখতে পায় স্থানীয় এক বাসিন্দা। তিনি চিৎকার শুরু করলে আমরা আগুন লাগার বিষয়টি দেখতে পাই। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভানো হয়। কিন্তু আগুন নেভানোর আগেই আমার বাবা আগুনে পুড়ে মারা যায়। এবং একইসাথে দুটি ছাগল পুড়ে গেছে। পাশাপাশি ঘরের সকল আসবাবপত্র পুড়ে যায়।

নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী সৌরেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ খবর নিয়ে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৃপ্তি কণা মন্ডল বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরে শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এরই মধ্যে নিহতের পরিবারের মাঝে ৩০ হাজার টাকা সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। এবং কিছু শুকনা খাবার দেয়া হয়েছে।’

বিষয়:

কচুরিপানায় আটকে ছিল মরদেহ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর মালিরপাথর এলাকায় কচুরিপানার মধ্যে ভাসমান অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। নিহত ব্যক্তি ছাই কালারের সেন্টু গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট পরিহিত ছিলেন। সাথে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র সূত্রে তার নাম-ঠিকানা জানা গেছে।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধলেশ্বরী নদীর মালিরপাথর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত মোহাম্মাদ কামাল হোসেন (৪৫) ফরিদপুরের বোয়ালমারি পৌরসভার পশ্চিম কামারগ্রাম এলাকার মোহাম্মাদ আলী আবজালের পুত্র।

তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। চেহারাও ছিল স্পষ্ট। এমনটা জানিয়েছে নৌ পুলিশ।

মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাজ্জাদ করিম এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় থানা-পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করা গেলে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা যাবে।


‘বলেছিল তুমি বাবার বাড়ি যাও আমি আমি আসবো, সেই ভাই আর এল না’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মধ্যে একজন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের আয়নাল মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান।

শুক্রবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, চলছে শোকের মাতম। মা ও বোন বারবারই মুর্ছা যাচ্ছেন। মেহেদীর অকাল মৃত্যু এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছে না। ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগল প্রায় বাবা আয়নাল মিয়া।

বোন সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘আমার ভাই গতকাল ফোন দিয়ে বলছে, তুমি বাবার বাড়ি যাও আমি আমি আসবো। আমার সেই ভাই আর এল না। আমার ভাই রেস্টুরেন্টে চাকরি করত। আমার ভাইয়ের আয় দিয়ে সংসার চলতো, মাসে ২০ হাজার টাকা বেতন পাইত, আজকে আসার কথা ছিল, আর আসলো না আমার ভাই।’

বাবা আয়নাল মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলেকে হারিয়ে সব শেষ হয়ে গেল, আমার পোলাডা মইরা গেল, আমার আর কিছুই রইলো না।’

স্থানীয় নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মেহেদী খুব ভালো ছেলে ছিল। অকাল মৃত্যুতে এলাকাবাসী খুবই শোকাহত।’

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, ‘মেহেদীর পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সব সময় থাকবে। এই পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।’


‘বাবা, আমাদের বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল আমার দুই মেয়ে’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের চরবাড়িয়া এলাকার হাজী কোরবান আলীর মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ফৌজিয়া আফরিন রিয়া এবং ঢাকার ভিকারুননিসা স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন আলিশা।

এ সময় কোরবান আলীর ভায়রা ভাই কুমিল্লা সদর উপজেলার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুসের মেয়ে সিটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান নিমুও (১৮) মারা যায়।

শুক্রবার সকালে তিনজনের মরদেহ ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় নিয়ে আসে স্বজনরা। এ সময় স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ।

দুই মেয়ে হারিয়ে পাগল প্রায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ী কোরবান আলী। শুক্রবার দুপুরে কোরবান আলীর বাড়ি কুমিল্লা লালমাই উপজেলার চরবাড়িয়া গিয়ে দেখা যায় আত্মীয় স্বজনরা বিলাপ করছেন।

কোরবান আলী জানান, তার বড় মেয়ে ফৌজিয়া আফরিন রিয়া (২৩) মালেয়শিয়া ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ ফাইনাল পরীক্ষার্থী ছিল।

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সে আমার সাথেই বাংলাদেশে আসে। শনিবার তার মালেয়শিয়া ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।’

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন কোরবান আলী। তিনি জানান, ‘তার মেয়ে মালেয়শিয়া ফিরে যাবেন। তাই তারা দুবোন এবং আমার ভায়রা ভাইয়ের মেয়েসহ প্রথমে পিজা হাটে যায়। সেখানে কার্ড পাঞ্চ করে। আগুনের ঘটনা শুনে প্রথমে আমরা নিশ্চিত হই আমার মেয়েরা ভালো আছে। পরে হঠাৎ ফোন আসে। মেয়েরা চিৎকার করতে করতে বলে বাবা আমরা বেইলি রোডে কাচ্চি ভাইয়ে আছি। এখানে আগুন লাগছে। আমাদের বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল। দৌড়ে সেখানে গিয়ে দেখি আমার দুই মেয়েসহ আমার ভায়রা ভাইয়ের মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। আমি এ শোক কেমনে সইবো।’

চাচা লোকমান হোসেন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি প্রথমে যারা বেঁচে ছিলেন তাদের বিল্ডিং থেকে নামানো হচ্ছে। যখন জীবিতদের নামানো শেষ হয়েছে, তখন কলিজা মোচড় দিয়ে উঠে। আমার ভাতিজিরা আর বেঁচে নেই।’

বিষয়:

জাতীয় বিমা দিবস-২০২৪ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিমার ধারণা প্রসারের লক্ষ্যে জাতীয় বিমা দিবস-২০২৪ উদ্বোধন করেছেন।

তিনি আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) দিবসটির উদ্বোধন করেন।

একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ব্যাঙ্কাস্যুরেন্স সেবারও উদ্বোধন করেন। যা সরাসরি ব্যাংক থেকে বিমার প্রিমিয়াম দেওয়ার সুবিধা প্রদান করে।

অর্থমন্ত্রণালয় এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) যৌথভাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

জাতীয় বিমা দিবস-২০২৪ এই বছরের প্রতিপাদ্য ‘করবো বিমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ’ এই শ্লোগান নিয়ে সারাদেশে যথাযোগ্যভাবে জাতীয় বিমা দিবস উদযাপিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী দু’টি গ্রুপে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

লাইফ ও নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি উভয় ক্ষেত্রে বিমা শিল্পের বিকাশে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দু’টি করে সম্মানসূচক ক্রেস্ট পেয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফটো সেশনে অংশ নেন।

দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ, আইডিআরএর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিমা খাতের ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তাই সরকার প্রতি বছর ১ মার্চকে জাতীয় বিমা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে সরকার জাতীয় বিমা দিবসকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে।


চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন ভবনে আগুন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের সময় আগুনের সূত্রপাত হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি।

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুম সূত্র জানিয়েছে, চন্দনপুরা ও আগ্রাবাদের ৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এক্সেস রোড এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের ৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।’

আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

বিষয়:

ঈদযাত্রায় রেলপথে থাকবে না ভোগান্তি, বাড়বে বগি

আপডেটেড ১ মার্চ, ২০২৪ ১৬:০৮
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেছেন, ‘আসন্ন ঈদযাত্রায় রেলপথে ভোগান্তি লাঘবে বিশেষ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গসহ দেশের সব রেলরুটে ট্রেন ও বগি সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।’

শুক্রবার সকালে ট্রেনযোগে দুই দিনের সফরে ঢাকা থেকে রাজবাড়ী এসে রাজবাড়ী রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে রেলপথমন্ত্রী একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে শুধু অনলাইনে নয় স্টেশনেও পর্যাপ্ত টিকেট বিক্রি করা হবে। প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করতে ট্রেনে বসে এবং দাঁড়িয়েও গন্তব্যে যেতে পারবে মানুষ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সারাদেশে যেসকল স্টেশনে স্টেশন মাস্টার নেই তাদের নিয়োগ কার্যক্রম ও চলমান আছে। অচিরেই সেই সমস্যার সমমাধান হবে।’

পরে রাজবাড়ীর সার্কিট হাউজে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিমকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিমসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

রাতে বাকবিতণ্ডা, সকালে মিলল মেস পরিচালিকার মরদেহ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পাওনা টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডার ঘটনার আট ঘণ্টা পর এক মেস পরিচালিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার গায়ের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন থাকায় ধারণ করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।

নিহত ওই মেস পরিচালিকার নাম মাবিয়া খাতুন (৫৫)। তিনি খুলনা জেলার তেরোখাদা উপজেলার ছাগলাদহ ইউনিয়নের হিন্দু কুশলা গ্রামের আব্দুল গাফফার মোল্লার স্ত্রী বলে জানা গেছে। গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে একটি বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকতেন তিনি।

নিহতের স্বামী আব্দুল গাফফার মোল্লা জানান, ২০১৩ সালের দিকে জীবন জীবিকার তাগিদে তারা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় চলে আসেন। স্থানীয় আবুল কাশেমের বাড়িতে ভাড়া থেকে একটি মেস পরিচালনা করতেন মাবিয়া খাতুন। বার্ধক্য জনিত কারণে অন্য কোনো কাজ করতে না পারায় স্ত্রীকে সহযোগিতা করতেন তিনি। ৩০-৪০ জন শ্রমিক তাদের মেসে খাবার খেতেন। তবে খাবার খেয়ে দীর্ঘদিন ধরে টাকা না দেওয়ায় বিল্লাল নামে এক শ্রমিকের সাথে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বাকবিতণ্ডা হয় মাবিয়ার। এ সময় বিল্লাল টাকা দিবেন না বলে জানিয়ে মাবিয়া খাতুনকে উল্টো দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনার কিছু সময় পরে পারিবারিক কাজকর্ম শেষ করে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। প্রতিদিন ভোরে মাবিয়া খাতুন মেসে রান্না করতে যান, তবে আজকে না যাওয়ায় মেসের লোকজন ভোর ৫টার দিকে তাকে ডাকতে আসে। এ সময় তাকে ঘরে না দেখতে পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুর করেন তিনি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাদের বসতঘরের অদূরে একটি শৌচাগারের পেছনে মাবিয়ার মরদহ দেখতে পান তারা। গামছা দিয়ে মরদেহটির মুখ প্যাচানো ছিল মাথায়-সহ গায়ের বিভিন্ন জায়গায় ইট জাতীয় কোন কিছুর আঘাত রয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশে খবর দেন তিনি। বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে এ ঘটনার দোষীদের বিচার দাবি করেছেন তিনি।

ঘটনার পর থেকে বিল্লাল নামে ওই শ্রমিক পলাতক রয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।

বিল্লালের সহকর্মী প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘বিল্লাল হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতো। শুনেছি তার বাড়ি বরিশাল। এর বেশি কিছুই জানি না। তবে বিল্লালের স্বভাব চরিত্র ভালো ছিল না সে মাদকাসক্ত ছিল।’

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাজিব খান বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিষয়টি আমাদের কাছে হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানাতে পারবো।’


banner close