বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সাঈদীর মৃত্যুতে স্ট্যাটাস: জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ ১৩ জন বহিষ্কার

ছাত্রলীগ
আপডেটেড
২০ আগস্ট, ২০২৩ ১৬:৫১
প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রকাশিত : ২০ আগস্ট, ২০২৩ ১৪:৩০

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় এবং এ নিয়ে তর্কে জড়ানোয় লালমনিরহাটের ১৩ ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে সংগঠনের জেলা শাখা।

গত শনিবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেদ জামান বিলাশ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সাময়িক বহিষ্কারের তথ্য জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. হুমাউন কবির হিরুসহ মোট ১৩ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্য ১২ নেতা হলেন—কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম সুমন, হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডীমারী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান ভূঁইয়া, গোতামারী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোনাব্বেরুল হক মিশেল, টংভাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন সাগর, বড়খাতা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রলীগ নেতা মানুনুর রশীদ লিওন খান, সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আমিনুর ইসলাম রানা, মোগলহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, মোগলহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবিন, লালমনিরহাট পৌর ছাত্রলীগের ৪নং সহ-সভাপতি শ্রাবণ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা ইসমাঈল হোসেন আদর, পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সহিদ এবং পাটগ্রাম পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইবনে রুশদ।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেদ জামান বিলাশ দৈনিক বাংলাকে বলেন, সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকা, তথা যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন পদধারী ১২ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফের সঙ্গে ঢাকায় প্রকাশ্যে এসব বিষয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হুমাউন কবির হিরুকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কার হওয়া নেতাদের স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানান রাশেদ জামান বিলাশ।

তিনি আরও বলেন, আমরা এমন ছাত্রলীগের নেতা চাই না যারা যুদ্ধাপরাধী সাঈদীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে পোস্ট দেয়। এরা লেবাসধারী, তাই তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

জামালপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন রোববার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে আগামী ২৩ আগস্ট জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ উদ্বোধন করা হবে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছে জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়া সংস্থার মিডিয়া কমিটির আহবায়ক খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আরমান বলেন, আগামী ২৩ আগস্ট দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আব্দুল হাকিম স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করবেন জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন।

উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহন করবেন জামালপুর সদর উপজেলা বনাম মাদারগঞ্জ উপজেলা। এছাড়াও খেলায় মেলান্দহ উপজেলা, ইসলামপুর উপজেলা, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, বকশীগঞ্জ উপজেলা, সরিষাবাড়ী উপজেলা ও জামালপুর পৌরসভাসহ মোট ৮ টি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। তবে টুনামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ কবে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়টি এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান আহম্মেদ খান লোটন, শহর বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

খুলনায় নৌযান শুমারি উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমানায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযানের ডাটাবেইজ প্রবর্তনের লক্ষ্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট সময়ে নৌযান শুমারি, ২০২৬ পরিচালিত হবে। নৌযান শুমারির এবারের প্রতিপাদ্য ‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নৌযান শুমারি উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো: আরিফুল ইসলাম। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয় এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে।

শোভাযাত্রায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা, জেলা পরিসংখ্যান দপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো: আইয়ুব হোসেন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে জেলখানা ঘাট হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

নৌযান শুমারি, ২০২৬ এর উদ্দেশ্য নৌপরিবহন খাতে নৌযানের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনা হ্রাস, নৌপরিবহন খাতে নিয়োজিত জনবলের জীবনমান এবং নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করা। বাংলাদেশে সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযান বা ইঞ্জিনচালিত নয়, তবে অন্য কোন যন্ত্রচালিত নৌযান দ্বারা টেনে বা ধাক্কায় চালিত হয়, এরূপ নৌযানসমূহের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে নৌযান শুমারি পরিচালনা করা এবং নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন ও পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক তথ্য নিশ্চিত করা, সরকারি-বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট অভ্যন্তরীণ নৌযানের কোন নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকা; নৌযানের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনা হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, নৌপরিবহন খাতে নিয়োজিত মালিক ও শ্রমিকদের নির্ভুল ডাটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে নৌদুর্ঘটনা পরবর্তী প্রকৃত ভুক্তভোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং স্বচ্ছতার সাথে আর্থিক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতকরণ; নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান; নৌপরিবহন ব্যবস্থার নীতি নির্ধারণ ও পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি সমন্বিত ডাটাবেইজ তৈরি এবং শুমারির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ডাটাবেইজ বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক ন্যাশনাল ডাটা হিসেবে ব্যবহার।


নির্বাচিত

মাগুরায় দুই বছরেও চালু হয়নি আড়াই কোটি টাকার মার্কেট

* সন্ধ্যা হলেই বসে মাদকসেবীদের আড্ডা * দোকান বরাদ্দে ধীরগতি, ব্যবসায়ীদের মাঝে বাড়ছে ক্ষোভ
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 শিউলি আফরোজ সাথী, মাগুরা

বিগত সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনায় ভুল স্থানে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় গ্রামীন বাজার উন্নয়ন মার্কেট। মাগুরার ভাবনাটি বাজার সংলগ্ন ফটকি নদীর নাভ্যতা সংকট এবং মৃত প্রায় এই বাজারে বর্তমান দোকান ভাড়ার অধিক মূল্যে সরকারি ভাড়া নির্ধারিত হওয়ায় বরাদ্দ নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

মার্কেটের দোকান বরাদ্দ না হওয়ায় দুই বছর ধরে অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মার্কেটটি।

সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের এক সময়ের জমজমাট ভাবনহাটি বাজারে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যায়ে চারতলা ফাউন্ডেশনে দুই তলা বিশিষ্ট আধুনিক গ্রামীন বাজার উন্নয়ন মার্কেট নির্মাণ করে মাগুরা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি)।

নির্মাণের প্রায় দুই বছর পরেও উদ্বোধন কিংবা দোকান বরাদ্দের কার্ক্রম না থাকায় দিন দিন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে ভবনের অনেক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। ব্যবহারহীন এই মার্কেটে নিয়মিত স্থানীয় বখাটেদের মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় ঔষধ ব্যবসায়ী রেজা হোসেন বলেন, ভাবনহাটি বাজারে নির্মিত কয়েক কোটি টাকার সরকারি মার্কেটটি দ্রুত বাজার মূল্যে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হোক। এই বাজারের সাথে নবনির্মিত ব্রীজটির একটি সংযোগ সড়ক করে দেয়া হলে বাজারটি আবার পুনরায় জমজমাট হবে।

এক সময় এই ভাবনহাটি বাজার সংলগ্ন ফটকি নদীর ঘাটে কয়েকশত ধান, চাল, পাট বোঝায় নৌকা ভিড়তো। ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বাইরে থেকেও অনেক ব্যবসায়ী এই বাজার থেকে ধান পাট কিনে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেত। নদীর নাব্যতা হারিয়ে যাওয়ায় এখন আর কোন নৌকা আসে না। এখন শুধু প্রতি রবিবার এবং বৃহস্পতিবার হাট বসে। হাটবারে বাজার জমজমাট হলেও অন্য দিনগুলোতে ওষুধ এবং কয়েকটি চায়ের দোকান ব্যতীত সব দোকানপাট বন্ধ থাকে।

মাগুরা এলজিইডির মাধ্যমে ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৪ টাকায় ২০২২ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে এই মার্কেট ভবনটি মাগুরার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিতোষ এন্টারপ্রাইজ নির্মাণ কাজ শেষ করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ভবনটির নিচতলায় চারটি দোকান ও চারটি বড় চান্দিনা এবং দ্বিতীয় তলায় ১৮টি দোকান থাকলেও সবই তালাবদ্ধ। সিঁড়ি ও বারান্দায় জমেছে ময়লা-আবর্জনা, ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল। সন্ধ্যার পর ভবনটি পরিণত হয় বখাটে ও মাদকসেবীদের আড্ডা খানায়। এতে করে একদিকে যেমন ভবনের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা অশোক সাহা জানান, এক সময়ের যৌলুসের এই বাজারটি এখন মৃতপ্রায়, বাজারে নির্মিত আধুনিক মার্কেট ভবনটি বরাদ্দ দেওয়া হলে বাজারটা পুনরায় ফিরে পাবে তার হারানো যৌলুস।

তিনি আরো বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী মার্কেটটি চালু হলে আমিও দোকান বরাদ্দ নিয়ে ব্যবসা করতে পারব। বাজারটি চালু হলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় বাড়বে সুবিধা।

মাগুরা সদর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শোয়েব মোহাম্মদ জানান, গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভাবনহাটি মার্কেট নির্মাণে চুক্তিমূল্য ছিল ২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা। মার্কেটটি চতুর্থ তলা হওয়ার কথা থাকলেও প্রথম ধাপে দ্বিতীয় তলা মার্কেট তৈরি সম্পন্ন হয়েছে । পাশাপাশি ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে হস্তান্তরের কথা জানান এই কর্মকর্তা।

মঘি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, এলজিড এর মাধ্যমে আড়াই কোটি টাকা ব্যয় ভাবনহাটি মার্কেট করা হয়েছে। দোকান ঘরগুলো বরাদ্দ দেয়ার জন্য প্রায় দুই বছর ধরে চেষ্টা করা হচ্ছে। দোকান বরাদ্দের জন্য মাইকিংসহ বিভিন্নভাবে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পড়ে থাকাই বিল্ডিংটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। ঠিকাদারের মাধ্যমে তৈরি করা বিভিন্ন সরকারি ভবন হস্তান্তর না করেও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেরুন্নাহার-এ বিষয়ে জানতে চাইলে জানান, বাজারের ভবন নির্মাণের বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর আমরা দেখতে পেয়েছি এটি কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। মার্কেটটি বন্দোবস্ত দিতে মাইকিং করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আবেদন জমা হলে যাচাই বাছাই শেষে বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে ব্রিটিশ শাসনকাল থেকে ভাবনহাটি বাজার ছিল এ অঞ্চলে ফটকি নদী কেন্দ্রিক একটি ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যকেন্দ্র। বাজারের আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে নির্মিত ভবনটি প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। দ্রুত দোকান বরাদ্দ দিয়ে ভবনটি চালু না করলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি অবকাঠামোটির আরও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।


নির্বাচিত

রাজশাহীতে ‘জনসেবার জন্য প্রশাসন’ গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক

* তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমিনুল ইসলাম বনি, রাজশাহী

“জনসেবার জন্য প্রশাসন” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়মিত গণশুনানির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রতি বুধবার (১৯ আগস্ট) ১১ টার সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতার ব্যবস্থা করছেন।

গণশুনানিতে জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যা, চিকিৎসা ব্যয় ও চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষাভাতা, ঘর মেরামতসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আসছেন মানুষ। অনেকেই বলছেন, সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারায় তারা স্বস্তি ও আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

গণশুনানিতে স্বামীর চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাইতে আসেন শামীমা সুলতানা। তিনি বলেন, “আমি ভাবতেই পারিনি এত সহজে ডিসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করা যায়। তিনি আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন। এতে আমি খুবই উপকৃত হয়েছি।”

নিজের বসতঘরের সমস্যার কথা জানাতে আসেন মো. শাহজাহান আলী। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার ঘরের বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ছিল। বিষয়টি নিয়ে অনেক জায়গায় যোগাযোগ করেও কোনো সহযোগিতা পাননি। পরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে এসে বিষয়টি জানালে তার ঘর মেরামতের জন্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়।

একজন শিক্ষার্থী বই কেনার জন্য সহযোগিতা চাইতে জেলা প্রশাসকের কাছে আসে। ওই শিক্ষার্থী বলেন, “আমি বইয়ের জন্য এসেছিলাম। কিন্তু ভাবতে পারিনি স্যার আমার কথা শুনে আমাকে বই কেনার জন্য সহযোগিতা করবেন। তিনি ভবিষ্যতে কোনো প্রয়োজন হলে যোগাযোগ রাখতেও বলেছেন।”

গণশুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের সরাসরি কথা শোনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তাদের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়ছে। তারা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, “সরকারি কর্মকর্তাদের মূল দায়িত্ব হলো সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করা। একজন মানুষ যখন তার সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের কাছে আসেন, তখন তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিধি অনুযায়ী যতটা সম্ভব দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। গণশুনানির মাধ্যমে মানুষ সরাসরি তাদের সমস্যার কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

জেলা প্রশাসকের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন গণশুনানিতে আসা সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এভাবে সরাসরি মানুষের কথা শুনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ধারা অব্যাহত থাকবে।

আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আব্দুল হাই সমাজসেবা কোন কথা বিন্দু।


নির্বাচিত

ইমাম-ওলামাদের আপত্তিতে কিশোরগঞ্জে অ্যাশেজের কনসার্ট স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে আজ ১৯ আগস্ট ব্যান্ড ‘অ্যাশেজ’-এর কনসার্ট হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয় ইমাম-উলামা পরিষদ ও ধর্মীয় নেতাদের আপত্তির পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

কনসার্ট বন্ধের দাবিতে সদর উপজেলা ইমাম-উলামা পরিষদের নেতারা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন। সেখানে তারা দাবি করেন, কনসার্টে গান-বাজনার আয়োজন ইসলামী শরিয়তবিরোধী কর্মকাণ্ডের শামিল।

এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, অতীতে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন মাঠে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ ও আলেমদের বিরোধিতার কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।

এবারও পুরাতন স্টেডিয়ামে কনসার্ট আয়োজন না করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান তারা।

ইমাম-উলামা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্মারকলিপির অনুলিপি পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে। এরপর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কনসার্টটি স্থগিত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছে ‘অ্যাশেজ’। সেখানে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘প্রিয় কিশোরগঞ্জ! প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে আজকে পুরাতন স্টেডিয়ামে কনসার্ট স্থগিত করা হয়েছে। আশা করি আবার দেখা হবে। তবে কনসার্টটি নতুন করে কবে আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।


নির্বাচিত

চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম মহানগরের আতুরের ডিপো এলাকায় বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ বিবিধ দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ইত্যাদি জিন্স কারখানার শত শত শ্রমিক।

আজ বুধবার সকালে শ্রমিকরা কারখানার সম্মুখস্থ প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন। এর ফলে ওই গুরুত্বপূর্ণ রুটে দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। হঠাৎ এই অবরোধের কারণে সকালে কর্মস্থলগামী সাধারণ মানুষ ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের পাওনা বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে না। বকেয়া বেতনের পাশাপাশি শ্রমিকদের অন্যান্য ন্যায্য দাবিদাওয়ার বিষয়েও ম্যানেজমেন্ট উদাসীনতা দেখাচ্ছে। শ্রমিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মালিকপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, যার ফলে নিরুপায় হয়েই তাঁরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দ্রুত বকেয়া পরিশোধ করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরতরা।

শ্রমিকদের এই অবরোধ ও উত্তেজনার খবর পেয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এই বিষয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাহমুদা বেগম গণমাধ্যমকে জানান, বকেয়া বেতনের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ এবং স্থানীয় থানা পুলিশ একযোগে কাজ করছে। শ্রমিক প্রতিনিধি ও কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে বলে তিনি অবহিত করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যানজট নিরসনে কাজ চলছে।


নির্বাচিত

চান্দিনায় ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে হাফেজ মো. মনির হোসেন (৩২) নামের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদে ওই ঘটনা নিয়ে গ্রাম্য সালিশ চলাকালে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাতে স্থানীয় নবাবপুর মারকাযুন নূর মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের এক শিক্ষার্থীর ওপর এই পাশবিক আচরণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হাফেজ মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের পুত্র বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছে, শিক্ষক মনির হোসেন সোমবার রাতে তাকে মাথা ও পা মালিশ করে দেওয়ার কথা বলে নিজের কক্ষে ডেকে নেন এবং সেখানে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিত ছাত্রটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাছে বিস্তারিত বর্ণনা করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা ওই শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে প্রহার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাটি আপস-মীমাংসার উদ্দেশ্যে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করেন। তবে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।

বলাৎকারের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ করার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, "দুই পক্ষ আমার পরিষদে এসে মীমাংসা করতে চাইলে আমরা গ্রাম্য সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।"

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা প্রসঙ্গে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, "স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।" ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


নির্বাচিত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরার প্রথম দিনেই ৪২৯ মামলা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটার এলাকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক নজরদারি শুরু হতেই আইন ভঙ্গের অসংখ্য চিত্র উঠে এসেছে। এই আধুনিক প্রযুক্তি চালুর প্রথম মাত্র সাত ঘণ্টাতেই নিয়ম অমান্য করায় ৪২৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম আজ বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাইওয়ে পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো শনাক্ত করা হয়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ৪৯০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোট এক হাজার ৪২৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বর প্লেট রিড করতে সক্ষম। ফলে অতিরিক্ত গতি, ভুল লেনে গাড়ি চালানো, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, উল্টো পথে চলাচল এবং অবৈধ পার্কিংয়ের মতো অপরাধগুলো নিমিষেই ধরা পড়ছে এবং সাথে সাথে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে হাইওয়ের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, "এখন থেকে মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম, অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে যানবাহন চালানোসহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই ক্ষেত্রে চালকরা ট্রাফিক আইন মেনে চলবে। এতে মহাসড়কে বাড়বে শৃঙ্খলা, কমবে দুর্ঘটনাও। মূলত মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।"

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আইন অমান্যকারী যানবাহন শনাক্ত হওয়ার সাথে সাথেই সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল ফোনে মামলার বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর আগে গত শনিবার হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছিল যে, ১৮ আগস্ট থেকে এই প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা কার্যকর হবে। গণমাধ্যমকে দেওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মামলার তথ্য পাওয়ার পর যানবাহনের মালিকরা বিকাশ বা নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। এই নতুন উদ্যোগের ফলে মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


নির্বাচিত

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চৈঃস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘাতের ঘটনায় পুলিশ সদস্য এবং মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় অবস্থিত পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক ও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফরকে কেন্দ্র করে ওই রাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার পরেও সেখানে মাইকে বিকট শব্দে গান বাজানো অব্যাহত থাকে।

পুলিশ লাইন্সের অতি সন্নিকটে অবস্থিত দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পরবর্তী দিন পরীক্ষা থাকায় উচ্চশব্দের কারণে তাদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছিল বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। এমতাবস্থায় পরিস্থিতি বিবেচনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী গান থামানো বা অন্তত শব্দ কমানোর অনুরোধ নিয়ে পুলিশ লাইন্সে যান।

সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অনুরোধের বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তপ্ত এই অবস্থা সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে শিক্ষার্থীরাও পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ত্রিমুখী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩০ জন জখম হন।

দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার একদল শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, পরীক্ষার পূর্বরাত্রে প্রচণ্ড শব্দে গান বাজার কারণে তারা একাগ্রচিত্তে পড়াশোনা করতে পারছিলেন না। তারা কেবল শান্তিপূর্ণভাবে শব্দ হ্রাসের অনুরোধ জানাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাদের ওপর অতর্কিত চড়াও হয়ে লাঠিচার্জ করে। তারা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রার্থনা করেছেন এবং বিচার না পেলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।


নির্বাচিত

সারের কোনো ঘাটতি নেই, সংকট তৈরি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র: কৃষিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও সার নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে, তা ‘প্ল্যান ওয়াইজ’ ষড়যন্ত্রের অংশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত ৬ মাসে আশা অনুযায়ী সুন্দরভাবে কাজ করতে পেরেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সবজি ও ফুড রপ্তানিকারকদের নিয়ে বৈঠক করেছি। সমস্যা জেনেছি, আশা করি দ্রুততম সময়ে সমস্যা শেষ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল রপ্তানি শুরু করতে যাচ্ছি। বড় পরিমাণে রপ্তানি হবে। আমসহ অন্যান্য ফল রপ্তানি করতে প্যাকেজ ইউনিট স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। জাপান থেকে আন্তর্জাতিক মানের এ ইউনিট আনা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে কৃষি শক্তিশালী করলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। কৃষকের নায্য দাম প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে দেশের পাশাপাশি রপ্তানির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। আগে সমস্যা ছিল পেয়াজ নষ্ট হয়ে যেতো। এখন ৬ মাস পর্যন্ত স্টোরেজ করা সম্ভব হচ্ছে। আগামীতে ৩ লাখ টন পেয়াজ স্টোরেজ করা সম্ভব হবে। গত ৬ মাসে টার্গেট ২৫ লাখের মধ্যে ২৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা সম্ভব হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্ষায় কাঁচামরিচ আমদানি করতে হয়। এ বছরে প্রচণ্ড দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। এর ফলে ২ দিনের মধ্যে বাজার ঠিক হয়। আগামী বছর থেকে যেন কাঁচামরিচ আমদানি না করতে হয়, সে চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষিভিত্তিক দেশ, কোনো কৃষিপণ্য আমদানি করা হবে না। এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। আগামী সিজন থেকে নতুন জাত- বিরি ১১৮ দেওয়া হবে। বন্যার আগেই ফসল তোলা যাবে। হাওরাঞ্চলে দেওয়া হবে এসব বীজ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সব পাম্পকে সোলারে কনভার্ট করতে চায় সরকার। এতে ডিজেল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং পরিবেশের জন্য ভালো হবে। দাতা সংস্থা এবং সরকার মিলে করতে চাচ্ছে। সম্ভব হলে কৃষকের কাছে এজন্য অর্থ দিতে হবে না, আর অর্থ দিতে হলেও সেটির পরিমাণ খুব সামান্য হবে।

তিনি বলেন, এখন বর্ষার সময়, এ সময়ে সবজি উৎপাদন সহজ নয়। এ ছাড়া উৎপাদন খরচ বেশি থাকে। বাজারে যে দাম আছে, সেটি ৮০-১০০ টাকা। কৃষকেরও সংসার আছে। ৮০ টাকায় এক কেজি করোলা ফলাতে তার কতো টাকা খরচ হয়, সেটি দেখতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু কৃষিপণ্য, এক্সাক্টলি বাজার কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। এজন্যই কৃষক কার্ডে যাওয়া হচ্ছে। উৎপাদন ও চাহিদার সঠিক ক্যালকুলেশন এখন নাই। কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোর কনসেপ্ট নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।

আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে সব কৃষককে কার্ড দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।


নির্বাচিত

আশুলিয়ায় পাওনা পরিশোধের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চুক্তি অনুযায়ী পাওনা পরিশোধে বিলম্বের প্রতিবাদ এবং দ্রুত বকেয়া বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধের দাবিতে আশুলিয়ায় দুটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে বাইপাইল মোড় এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে ইনজেনিটেক্স বিডি লিমিটেড ও ইনজেনিটেক্স অ্যাকটিভ লিমিটেডের শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধন থেকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওনা পরিশোধ না হলে শ্রম মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

শ্রমিকদের অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী পাওনা পরিশোধে কারখানা কর্তৃপক্ষ বিলম্ব করছে। এতে শ্রমিক ও তাদের পরিবার আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। তারা দ্রুত পাওনা পরিশোধ, বিলম্বের কারণ জানানো, আইনি অধিকার নিশ্চিত করা, হয়রানি বন্ধ এবং শ্রমিক প্রতিনিধি ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর আলোচনার দাবি জানান।

শ্রমিকরা জানান, গত মার্চে ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর এপ্রিল মাসে কারখানা দুটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে শিল্প পুলিশ ও কলকারখানা অধিদপ্তরের সহায়তায় শ্রমিকদের বোনাস এবং এক মাসের বকেয়া বেতনের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করা হয়। তবে বেতনের বাকি অংশ, সার্ভিস বেনিফিটসহ অন্যান্য পাওনা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।

ইনজেনিটেক্স বিডি লিমিটেডের মানবসম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সমস্যা সমাধানে মালিকপক্ষের সঙ্গে কয়েক দিন আগে বৈঠক হলেও এরপর আর দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্টাফদেরও কয়েক মাসের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা বকেয়া রয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশ ১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা একই। কিছু শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করা হলেও অধিকাংশের বকেয়া রয়েছে। শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য মালিকপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে।


নির্বাচিত

ডিএনসিসি কর্মকর্তারা পেলেন করপোরেট সিম

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে কর্মরত নবম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব সব কর্মকর্তাদের টেলিটক করপোরেট সিম বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ষষ্ঠ তলার হলরুমে কর্মকর্তাদের মাঝে সিম বিতরণ করেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

এ সময় শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দেওয়া টেলিটক করপোরেট সিম আজ বুধবার থেকে সব কর্মকর্তা চালু করবেন এবং এ সিমের মাধ্যমে সব কর্মকর্তা যোগাযোগ রাখবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিক সেবা প্রদানের পথ এ সিমের মাধ্যমে আরও সুগম হবে।’

অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে চুয়েট ভিসির মতবিনিময়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ভাইস চ্যান্সেলর চুয়েট এর শিক্ষা, গবেষণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পানি সম্পদ খাতে চুয়েট-এর বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। মতবিনিময়কালে আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়। বিশেষ করে, চুয়েট এর ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাথে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কোলাবোরেশান গড়ে তোলা, বিভাগের উন্নয়ন, গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়ার প্রভৃতি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।


নির্বাচিত

banner close