বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

প্রবাসী শ্রমিক হেলালের মৃত্যু ও একটি মর্মান্তিক গল্প

নিহত হেলাল উদ্দিন
আপডেটেড
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৯:৪১
প্রতিনিধি, আনোয়ারা ও বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, আনোয়ারা ও বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)
প্রকাশিত : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৯:১৪

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মালয়েশিয়া প্রবাসী মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের (২৬) সঙ্গে বিয়ে হয় জান্নাতুল ফেরদৌসের। কিন্তু কে জানত তাদের সুখের ব্যাপ্তিটা হবে মাত্র কয়েক মাসের!

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ইউনিয়নের গুইল্লাখালী গ্রামের মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে হেলাল উদ্দিন মালয়েশিয়ায় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাহাড় ধসে তার মৃত্যু হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অভাব অনটনের সংসারে তারা চার বোন ও দুই ভাই। পরিবারের ২য় পুত্র সন্তান হেলাল। অভাবের সংসার সামাল দিতে গিয়ে পিতা ছৈয়দ আহমদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। সংসারের এই অবস্থায় ১৬ বছর বয়সে হেলাল সংসারের বিশাল দায়িত্ব সামাল দেয়া ও চার বোনকে পাত্রস্থ করতে অনন্যোপায় হয়ে সাগর পথে দালালের হাত ধরে মালেশিয়া পাড়ি জমান। এত ছোট বয়সে আদরের সন্তানকে এমন অনিশ্চিত প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাঠাতে হেলালের বাবা আরও ভেঙে পড়েন। মানসিকভাবে দিগ্বিদিক ছুটতে থাকেন। এদিকে হেলালের শুরু হয় এক মানবেতর জীবন। পরিবারের সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। পুত্রশোকে পাগল প্রায় ছৈয়দ আহমদ জীবিকার তাগিদে একদিন সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তাদের সংসারে অভাবের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। বাবার মৃত্যুর দেড় বছরের মাথায় মারা যান হেলালের মা আমেনা বেগমও। এদিকে দীর্ঘদিন প্রবাসে মানবেতর জীবন কাটান হেলার। বছর দুয়েক পর আস্তে আস্তে সেখানে কাজের সুযোগ পান তিনি। একে একে বিয়ে দেন চার বোনের। চলতি বছর মালয়েশিয়ার ভিসা পান (বৈধ হোন)। পরে দেশে এসে বিয়ে করে আবার মালয়েশিয়ায় ফিরে যান। কিন্তু সুখের সময় শুরু হতেই তাকে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হলো।

নিহতের চাচাতো ভাই রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ভাইয়ের পরিবার মাটিতে মিশে গেল। সদ্য স্বামী হারানো ভাবিকে কীভাবে সান্ত্বনা দেবো জানা নেই। ভাইটা সারা জীবন অমানুষিক পরিশ্রমই করে গেল। ভাইয়ের লাশটা আনতে পারব কিনা অনিশ্চয়তাই আছি। চোখের সামনেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল পরিবারটি।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (ইউপি মেম্বার) মহিউদ্দিন বলেন, ‘ছেলেটা অনেক শান্তশিষ্ট ছিল। অনেক সংগ্রাম করে পরিবারের হাল ধরেছে। এমন মৃত্যু সত্যিই একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দেয়।’


মাদারীপুরের বাক প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরে শিশু ধর্ষণের আসামি সুমন বেপারীকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।

গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে পিরোজপুর সার্কিট হাউস এলাকা হতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মো. মুকিত হাসান খাঁন এর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, আসামি সুমন বেপারী এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করলে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় তিনি বলেন, তার দুলাভাই শংকরপাশা ইউনিয়নের মেম্বার। তিনি তার বাসায় বেড়াতে এসেছেন। পরে পুলিশ তার দুলাভাইয়ের ফোন নম্বর জানতে চাইলে তিনি নম্বর দিতে পারেননি। পরে পুলিশ তাকে আটক করে ওই মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ওই মেম্বার জানান, আসামি সুমন তার বাড়িতে বেড়াতে আসেননি। পরে পুলিশ আসামির জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে। এরপর পুলিশ মাদারীপুর থানায় যোগাযোগ করলে জানা যায়, আসামি সুমন মাদারীপুর জেলায় এক বাক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ করে পালিয়ে এসেছেন।

পুলিশ আরও জানায়, এঘটনায় আসামি সুমনের নামে মাদারীপুর সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে মাদারীপুর থানা থেকে আসা মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অখিল রায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


চুয়াডাঙ্গায় ফসলি মাঠ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:৫৪
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় একটি ফসলি মাঠ থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম মজনু খাঁ ওরফে ফজলু মিয়া (২৮)।

আজ বুধবার সকালে উপজেলার কাবলেরচারা মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে সন্তোষপুর ও ধোপাখালী এই দুই গ্রামের মাঝে কাবলেরচারা নামক মাঠে এক যুবকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, নিহত ফজলু মিয়ার সঙ্গে থাকা তার ফুফাতো ভাই জব্বার আলীও নিখোঁজ রয়েছেন।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম জাবীদ হাসান বলেন, ‘নিহত ফজলু মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে।’


শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১০

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৩:৫১
শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের শ্রীবরদীতে বাস ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ হলে ট্রলিটি পাশের একটি ক্ষেতে পড়ে যায়। আর বাসটি একটি বাড়িতে ঢুকে যায়।

উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের কুরুয়া এলাকায় বুধবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ট্রলির সহকারী হামিদুর রহমান (২৬)। তিনি শ্রীবরদী উপজেলার বড়পোড়াগড় এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে। অপরজন পার্শ্ববর্তী জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার পাখিমারা এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে গোলাম ফারুক লিটন (৫০)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস বকশিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। পথে ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ট্রলিটি পাশের একটি ক্ষেতে পড়ে যায়। আর বাসটি একটি বাড়িতে ঢুকে যায়। এসময় ঘটনাস্থলে ট্রলির সহকারী হামিদুর রহমান মারা যান। আহত হন ট্রলির চালক ও বাসের যাত্রীসহ অন্তত ১০ জন। আহতদের মধ্যে গোলাম ফারুক লিটনকে শেরপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পরিবারের লোকজন তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান।

ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিক জানান, দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে পাঠায়। একাধিক আহত লোক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিষয়:

সাত টাকায় ব্যাগভর্তি সবজি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে গরিব ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে সাত টাকায় ব্যাগভর্তি সবজি বিক্রি করছে ফাইট আনটিল লাইট নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ।

জেলার সদর উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা এবং রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এই সাত টাকার সবজি বিক্রির কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানান সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের।

উদ্বোধনী দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক দরিদ্র মানুষের মধ্যে এক কেজি করে শিম, এক কেজি আলু, এক কেজি বেগুন, একটি ফুলকপি, দুই আঁটি করে ধনেপাতা, পালংশাক এবং একটি করে ডিম দেওয়া হয়। পুরো প্যাকেজটির বাজারমূল্য ৩০০ টাকার বেশি হলেও দরিদ্র মানুষ পেয়েছেন মাত্র সাত টাকায়।

সাত টাকার বাজার কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন, ফুলবাড়ী উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব হোসেন লিটু এবং ফুল সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের।

সাত টাকার বাজারে সবজি কিনতে আসা রানী আক্তার বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত দাম বাড়ায় কৃষক স্বামীর পক্ষে একসঙ্গে এত বাজার করা অসম্ভব। মাত্র সাত টাকায় ৩০০ টাকার কাঁচাবাজার পেলাম। পরিবারে চারজন সদস্য নিয়ে এই বাজার দিয়ে পাঁচ দিন নিশ্চিন্তে খাইতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সংগঠন রিলিফ দেয় নাই, তারা কম দামে বিক্রি করল আর হামরা কিনি নিলাম। কমদামে এত বাজার পেয়ে আমার খুব উপকার হইল।’

আরেকজন ক্রেতা রিনা রানী বলেন, ‘হামার স্বামীর কোনো আবাদি জমাজমি নাই, হাতের কামাই দিয়ে কোনো রকমে চাল কিনে ভাত খাই। বাজারে সবজির দাম চড়া, ভালোমন্দ সবজি, মাছ, ডিম খামো তার সামর্থ্য নাই। আজ সাত টাকা দিয়ে এক কেজি শিম, এক কেজি আলু, এক কেজি বেগুন, একটি ফুলকপি, এক কেজি বেগুন, দুই আঁটি ধনেপাতা, দুই আঁটি পালংশাক এবং একটি ডিম কিনেছি। আমার ছাওয়াটা ডিম পায়া খুব খুশি হবে।’

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ বলেন, ‘বেসরকারি সংগঠন ফুলের অর্থায়নে উপজেলার অভাবী মানুষ মাত্র সাত টাকায় ব্যাগভর্তি বাজার করার সুযোগ পেল। ফুল সংগঠন ত্রাণ না দিয়ে নামমাত্র টাকায় গরিব মানুষের বাজারের সুযোগ দিয়েছে। সংগঠনটির এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) সংগঠন গরিব মানুষের জন্য বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে আসছে। আমরা ত্রাণপ্রথা থেকে মানুষকে বেরিয়ে এসে সম্মানের সঙ্গে বাঁচার জন্য সাত টাকা করে নিচ্ছি। এ ছাড়া আমাদের সংগঠন নাগেশ্বরী উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা, রাজারহাট উপজেলায় গরিব ও অসহায় মানুষের মধ্যে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।’

বিষয়:

নেত্রকোনায় জমে উঠেছে উপজেলা নির্বাচন

চেয়ারম্যান পদে প্রচারে নেমেছেন হাফ ডজন প্রার্থী
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সালাহ উদ্দীন খান রুবেল, নেত্রকোনা

জেলার নেত্রকোনা সদর উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পোস্টার, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে সদর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এ ছাড়া হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও বিভিন্ন মহলের আড্ডায় জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ।

নেত্রকোনা সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা গণসংযোগের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে নানান প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

তবে জাতীয় পার্টি, বিএনপিসহ অন্য দলের নেতারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণায় নেই।

জানা গেছে, আসন্ন নেত্রকোনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থীর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান মানিক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল আলম ফারাস হীরা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান খান অভ্র, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তুহিন আক্তার, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম খান পাঠান বিমল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এ কে এম আজহারুল ইসলাম অরুণ প্রমুখ।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নেত্রকোনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আতাউর রহমান মানিক দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চলতি মেয়াদে দৃশ্যমান কাজ করেছি। আগামী দিনে সদর উপজেলায় যেসব কাজ অসমাপ্ত রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চাই।’

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল আলম ফারাস হীরা ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সাবেক ছাত্রনেতা। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে একাধিকবার হামলা-মামলাসহ নির্যাতনের শিকার হন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মজিবুল আলম ফারাস হীরার এ উপজেলার প্রতিটি এলাকায় পরিচিতি রয়েছে। তার ক্লিন ইমেজও রয়েছে।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান খান অভ্র সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খানের ছেলে। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

মারুফ হাসান খান অভ্র দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘মরহুম পিতা অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খানের রেখে যাওয়া অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা প্রার্থনা করি।’

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নেত্রকোনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম খান পাঠান বিমল তিন দশকের বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দৈনিক বাংলাকে জানান, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে জি এম খান পাঠান বিমলের পরিচিতি রয়েছে। তিনি একজন দক্ষ আওয়ামী সংগঠক হিসেবে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক তুহিন আক্তার বিগত ২০০৯ এবং ২০১৪ সালের সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী ও ২০১৯ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

তুহিন আক্তার দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘টানা তিন মেয়াদে নেত্রকোনা সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে জনগণের পাশে রয়েছি। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নেত্রকোনা সদর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ আমার পাশে থাকবেন আশা করছি।’

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নেত্রকোনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান। তিনি ১৯৭৮ সালে নেত্রকোনা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৭৯ সালে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা শাখার সহ-সভাপতি, ১৯৯০ সালে জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ১৯৯৫ সালে জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৮ সালে জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক-বিষয়ক সম্পাদক ও ২০১৭ সালে জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এ কে এম আজহারুল ইসলাম অরুণ নেত্রকোনা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেপ্রার্থী হওয়ায় সর্বত্রই আলোচনা রয়েছে।

এ কে এম আজহারুল ইসলাম অরুণ দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নেত্রকোনা সদর উপজেলার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ভিশন উপজেলায় দৃশ্যমান করতে চাই।’

বিষয়:

হারিয়ে যাচ্ছে শেরপুরের সাত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর ভাষা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শাহরিয়ার শাকির, শেরপুর

হারিয়ে যাচ্ছে শেরপুরের সাত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি। গারো, কোচ, হাজং, বানাই, বর্মণ, হদি ও ডালু সম্প্রদায়ের মাতৃভাষা আজ বিলুপ্তির পথে।

এদের মধ্যে গারো ও কোচরা তাদের পরিবারে টিকিয়ে রেখেছে মাতৃভাষা। কিন্তু তাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে বাংলা ভাষায়। কেননা, বিদ্যালয়গুলোতে এদের নিজ ভাষার দুয়েকটি পাঠ্যবই থাকলেও তা পড়ানোর জন্য নেই কোনো শিক্ষক। নিজস্ব ভাষা রক্ষার্থে তাদের দরকার প্রতিটি স্কুলে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিক্ষক ও একটি সাংস্কৃতিক একাডেমি।

বেসরকারি সংস্থা আইইডির আদিবাসী সক্ষমতা উন্নয়ন প্রকল্পের পরিসংখ্যানে উল্লেখ আছে, বর্তমানে শেরপুর জেলায় গারো ২৬ হাজার, বর্মণ ২২ হাজার, কোচ ৪ হাজার, হাজং ৩ হাজার, হদি ৩ হাজার ৫০০, ডালু ১৫০০, বানাই ১৫০ জনের বসবাস। শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তজুড়ে সাতটি সম্প্রদায়ের ৬০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস। এরমধ্যে গারো, বর্মণ, কোচ ও হদি সম্প্রদায়ের সংখ্যাই বেশি।

এক সময় সমৃদ্ধ ভাষা ও সংস্কৃতি থাকলেও, সময়ের সঙ্গে ভিন্ন এক সংস্কৃতিতে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে চর্চা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ভুলতে বসেছে নিজস্ব মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি। এদের একটি অংশ শিক্ষিত হচ্ছে আধুনিক শিক্ষায়; আর অল্প কিছু স্কুলে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ধরে রাখার চেষ্টা করা হলেও শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের।

স্থানীয় ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর ক্লোডিয়া নকরেক কেয়া বলেন, ‘আমরা এক সময় আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলতাম। কিন্তু এখন বাংলাভাষায় কথা বলি। আমাদের আগের ঐতিহ্যগুলো আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে। স্কুল, কলেজে আমাদের ভাষার কোনো চর্চাই নাই। আমরা শুনেছি, স্কুলে আমাদের ভাষার বই দেওয়া হয়েছে; কিন্তু কোনো শিক্ষক দেওয়া হয়নি। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই আমাদের ভাষার শিক্ষক দেওয়ার জন্য।’

শিউলি মারাক বলেন, আমাদের ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের ভাষায় কথা বলতে চাই।

সুকেশ বলেন, ‘আমরা বর্মণ। অথচ আমরা বর্মণ ভাষায় কথা বলার পারি না। আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি। সরকার আমাদের ভাষার বই চালু করলে আমাদের ভাষাটা টিকে থাকত।’

শেরপুর আইইডি আদিবাসী সক্ষমতা উন্নয়ন প্রকল্পর আদিবাসী নেতা সুমন্ত বর্মণ বলেন, এক সময় শেরপুর জেলায় সব আদিবাসীদের নিজস্ব মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি ছিল। এদের জন্য একটি সাংস্কৃতিক একাডেমি না থাকায় জেলায় আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার পথে। তবে ইতোমধ্যে গারো ভাষা পাঠ্যবইয়ে লিপিবদ্ধ হয়েছে; কিন্তু স্কুলে বইয়ের পাশাপাশি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষক সংকটের কারণে গারো ভাষার বইটা পড়ানো হচ্ছে না। আমরা শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।

শিক্ষক সংকটের কথা স্বীকার করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ভাষাভিত্তিক শিক্ষক তৈরি প্রচেষ্টা আছে সরকারের। আপাতত আমরা একটু সংকটে আছি।’

আর ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বলেন, শেরপুর জেলার সাত ধরনের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর জন্য ইতোমধ্যেই সাংস্কৃতিক একাডেমি স্থাপনের প্রস্তাব সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তাদের ভাষা সংরক্ষণের জন্য আমরা আমাদের যে জাতীয় গণ গন্থাগার আছে সেটির মাধ্যমে উদ্যোগ নিচ্ছি।

বিষয়:

উখিয়ায় নিখোঁজের ১৭ দিন পর জেলের লাশ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়ায় নাফ নদী থেকে মোস্তাফিজুর রহমান (৪৭) নামে এক জেলের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়া পালংখালী নাফ নদীর মোহনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মোস্তাফিজুর রহমান উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়ন এর ৯ নম্বর ওয়ার্ড বটতলী এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুস ছালামের ছেলে। তিনি পেশায় জেলে ও দিনমজুর।

তার পরিবারের দাবি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাত চলাকালে গত ১ ফেব্রুয়ারি বিজিপির সদস্যরা নাফ নদী থেকে মোস্তাফিজুরকে আটক করে নিয়ে যায়।

মোস্তাফিজুরের আত্মীয় জয়নাল আবেদীন বলেন, মোস্তাফিজুর নাফ নদীতে মাছ শিকার করে। সীমান্তে উত্তেজনা চলাকালে সে নদীতে মাছ শিকারে গেলে মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকায় করে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা তার কোনো খোঁজ-খবর পাইনি। রোববার রাতে জেলেরা তার মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে।

নিহতের ছোট ভাই মো. আমির হোসেন জানান, ১ ফেব্রুয়ারি সকালে নাফ নদীতে মাছ ধরতে যান মোস্তাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন জেলে। একপর্যায়ে সশস্ত্র আরাকান আর্মির সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ওই দিন ঘটনাস্থলের আশপাশের থাকা অন্য জেলেরা বিষয়টি তাদের জানান।

আমির হোসেন আরও জানান, বিষয়টি বিজিবিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে জানানো হয়। নিখোঁজের পর থেকে নানাভাবে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। স্থানীয় চিংড়ি চাষিদের কাছ থেকে খবর পেয়ে রবিবার রাত ১১টার দিকে বিজিবির সহায়তায় পুলিশ বেড়িবাঁধে পড়ে থাকা অবস্থায় মোস্তাফিজের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

পাংলখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাফরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে নাফ নদী থেকে কে বা কারা জেলে মোস্তাফিজুর অপহরন করে নিয়ে গিয়েছিল। এতদিন তার খোঁজ-খবর মেলেনি। রবিবার রাতে তাকে নদীতে ভাসতে দেখতে পান জেলেরা। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নাসির উদ্দিন মজুমদার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতাহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


মুন্সিগঞ্জে ১০ কোটি টাকার পানি শোধনাগার পড়ে আছে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ২০:৫৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তিন দফা মেয়াদ বাড়িয়ে গত বছর শেষ করা হয়েছিল মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার ভূপৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার প্রকল্পের কার্যক্রম। কয়েক মাস পরীক্ষামূলকভাবে পানি শোধনের কাজও চলে। তবে প্রকল্পটি হস্তান্তর নিয়ে ঠিকাদার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও পৌরসভার মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে সোয়া ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি।

প্রকল্পের ঠিকাদার ও মুন্সিগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পের অধীনে ২০১৮ সালের ১১ এপ্রিল ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মুন্সিগঞ্জ শহরের হাটলক্ষীগঞ্জ এলাকায় পানি শোধনাগার নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয় ১০ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকা। ২০১৯ সালের মে মাসে কাজ শেষে প্রকল্পটি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। তবে জমি নিয়ে জটিলতার কারণে ঠিকাদার কাজই শুরু করেন ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। পরবর্তী সময়ে আরও ১৩ মাস বাড়িয়ে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। তবে নির্মাণের শুরুতেই নিম্নমানের পাইপ ব্যবহার করা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

পরে আরেক দফা বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত সময় নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অবশেষে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। সে বছর আগস্ট থেকে পানির নমুনা পরীক্ষার জন্য পরবর্তী তিন মাস সচল ছিল। তবে ঠিকাদারদের থেকে প্রকল্পের কাজ বুঝে না নেওয়ায় বন্ধ পড়ে আছে পানি বিশুদ্ধকরণ কার্যক্রম।

হাটলক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার সাকিব আহমেদ বলেন, ‘কয়েক মাস পানি শোধনাগারটি চালিয়েছিল। আমরা বিশুদ্ধ পানির পাব আশা করছিলাম। এখন আবার বন্ধ, তাহলে এত টাকা দিয়ে এটি করে লাভ কী?’

গত বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, ৩৩০০ বগর্ফুট জায়গাজুড়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শোধনাগারটি পড়ে থাকায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কাঠামো ও পানিতে ভারী শ্যাওলা জমে আছে। পানিতে ব্যাঙ দৌড়াচ্ছে।

শোধনাগার দেখভালের দায়িত্বে থাকা পাহারাদার অনিল বর্মণ জানান, কয়েক মাস আগে পরীক্ষামূলক পানি ওঠানো হয়েছিল। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বুঝে না নেওয়ায় ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছেন। তাই হাউসের পানিতে ব্যাঙ, শ্যাওলা জন্মেছে।

পরিকল্পনা ছিল শোধনাগারটির মাধ্যমে পাশের ধলেশ্বরী নদী থেকে পানি উত্তোলন করে প্রতি ঘণ্টায় ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি বিশুদ্ধ করা হবে, যা সরবরাহ করা হবে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভায়।

হাটলক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, ৮–১০ বছর আগে নদী ও অগভীর নলকূপের পানি দিয়ে গৃহস্থালির কাজ চলত। কয়েক বছর ধরে ধলেশ্বরী তীরের সিমেন্ট কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দূষণে নদীর পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। নলকূপেও ঠিকমতো পানি পাওয়া যাচ্ছে না। নলকূপে পানি উঠলেও অসহনীয় মাত্রায় আর্সেনিক থাকে। তাই পানি শোধনাগারটি পৌরবাসীর জন্য খুব প্রয়োজনীয়।

মুন্সিগঞ্জ নাগরিক সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক সুজন হায়দার বলেন, ‘প্রকল্পটি পৌরবাসীর কোনো কাজে লাগছে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর খামখেয়ালিপনার নিরসন করে প্রকল্পের সেবা শহরবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পানি শোধনাগারটি শুরু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

প্রকল্পটির কাজ করতে গিয়ে অনেক ভুগতে হয়েছে মন্তব্য করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ মাসুদুর রশিদ বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে কাজ বুঝে নিতে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানালেও তারা জানিয়েছে পৌরসভা প্রকল্পটি নিতে চাইছে না। জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরও প্রকল্পটি নিচ্ছে না। এমনিতেই এ কাজে দেড় কোটি টাকার বেশি লোকসান হয়েছে। এক মাস পানি শোধন করতে এক লাখ টাকা খরচ হয়। তাই কাজ বন্ধ রেখেছি।’

ঠিকাদারের অভিযোগ, পৌরসভার কয়েকজন প্রভাবশালী এ কাজটি করতে চেয়েছিলেন। কাজটি তাঁরা না পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের সঙ্গে যোগসাজশ করে পৌর কর্তৃপক্ষ প্রকল্প বুঝে নিচ্ছে না।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। তবে মুন্সিগঞ্জ জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী এস এম আবদুর রহমান বলেন, প্রকল্পটি যৌথভাবে পৌরসভাকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের। পৌরসভা কাজটি বুঝে নিচ্ছে না, এ জন্য তারাও ঠিকাদারের কাছ থেকে নিতে পারছে না।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র সোহেল রানা বলেন, ‘কাজ নিম্নমানের ছিল। এ জন্য সাবেক মেয়র কাজটি বুঝে নেননি। তবে আমরা শিগগিরই পানি শোধনাগারের কাজটি বুঝে নেব। এ বিষয়ে আমাদের আলাপ-আলোচনা চলছে।’


প্রবাসী শ্বশুরকে আনতে যাচ্ছিলেন জামাই, দুর্ঘটনায় নিহত দু’জনেই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৮:৩০
বন্দর (নারায়নগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার সময় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় জামাই-শ্বশুরের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বন্দর উপজেলার কেওঢালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার বাড়িপাড়া গ্রামের মৃত রনি মেম্বারের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান (৫৫) ও কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার বারপাড়া গ্রামের মোবারক সিকদারের ছেলে মোহাম্মদ উল্যাহ সিকদার (৩৫)।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হক জানান, এয়ারপোর্ট থেকে মালেশিয়া প্রবাসী শ্বশুরকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদ উল্যাহ প্রাইভেটকার ভাড়া করে শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিলেন। এসময় গাড়িটি কেওঢালা এলাকায় আসলে অজ্ঞাত একটি গাড়ি চাপ দিলে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের পিলারে সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এঘটনায় মোহাম্মদ উল্যাহ সিকদার মারা যান ও সিদ্দিকুর রহমানের ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দুপুরে কাঁচপুর হাইওয়ে থানায় মোহাম্মদ উল্যাহ সিকদারের চাচা মজিদ সিকদার একটি মামলা দায়ের করেছেন।


ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

আপডেটেড ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:১৬
ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহে ট্রেনের তিনটি বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর জোড়া লাগিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি জামালপুরের তারাকান্দির উদ্দেশে ছেড়ে আসে। দুপুর সোয়া ১টার দিকে গফরগাঁও-আওলিয়া নগরের মাঝামাঝি বালিপাড়া এলাকা পর্যন্ত আসতেই চলন্ত অবস্থায় পেছন থেকে তিনটি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ‘রেলওয়ের কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে বিশ মিনিটের চেষ্টায় বগি জোড়া লাগালে এই পথে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।’

বিষয়:

নড়াইলে অস্ত্রের কোপে বৃদ্ধের হাত-পা বিচ্ছিন্ন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:৫৩
নড়াইল প্রতিনিধি 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের কোপে বাবুল খান (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ডান হাত ও ডান পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের হামারোল গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহত বাবুল খান উপজেলার হামারোল গ্রামের মৃত রিজাউল খাঁনের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের হামারোল গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কাশেম খাঁন সমর্থিত লোকজনদের সঙ্গে একই গ্রামের আজাদ মোল্যা সমর্থিত লোকজনদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলছিল। রোববার বিকেলে ওই গ্রামের বাবুল খাঁন নড়াইল জেলা শহরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমাদা বাজার এলাকায় পৌঁছান। এ সময় প্রতিপক্ষ আজাদ মোল্যা সমর্থিত লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাবুলকে ধাওয়া করলে তিনি প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী আমাদা গ্রামের জামাল শেখের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবুল খানকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। অস্ত্রের কোপে বাবুলের ডান হাত এবং ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওসি কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, ‘বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘাত এড়াতে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

বিষয়:

চলন্ত অবস্থায় ট্রেনের ৩ বগি বিচ্ছিন্ন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:৪১
ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহে চলন্ত অবস্থায় ট্রেনের তিনটি বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে গফরগাঁও-আওলিয়া নগরের মাঝামাঝি বালিপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার নাজমুল হক বলেন, ‘ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি জামালপুরের তারাকান্দির উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথিমধ্যে বালিপাড়া এলাকা পর্যন্ত আসতেই পেছন থেকে তিনটি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রয়েছে। অল্প সময়ের মাঝেই ওই ট্রেনের সঙ্গে পেছনের তিনটি বগি জোড়া লাগিয়ে রওনা দেবে।’

বিষয়:

টাঙ্গাইলে কুকুরের কামড়ে আহত ১৬

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:০৫
ভুঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে একটি কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ ১৬ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ভুঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ ও বীরহাটি এলাকা এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, ভুঞাপুর পৌর শহরের বীরহাটি গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্দুল হালিম (৩৮), বামনা হাটা গ্রামের কোরবান শেখের ছেলে জহুরুল ইসলাম (২৩), ফসলান্দি গ্রামের হাসান আলীর ছেলে আতিকুর রহমান (৩৮), পশ্চিম ভ‚ঞাপুর গ্রামের সুজনের স্ত্রী লিলি বেগম (৩০), ফলদা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের কেরামত আলী (৬৫), আহত আইয়ুব আলী, স্কুলছাত্রী জুই খাতুন (৯), পৌরসভার বেতুয়া এলাকার আতোয়ার রহমানের স্ত্রী জহুরা (৫০) এবং নিকরাইল এলাকার মঈন উদ্দিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম (৪৫)। অন্য সাত জনের পরিচয় জানা যায়নি।

আহত জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ইবরাহীম খাঁ মাজারের কাছে একটি পাগলা কুকুর লাফ দিয়ে আমার উপর এসে পড়ে এবং পায়ে কামড়ে দেয়। এরপরই সেখা‌নে থাকা আরো ক‌য়েকজন‌কে কামড়ে দি‌য়ে‌ছে।’

অপর আহত উপ‌জেলার কষ্ট‌াপাড়া ফা‌জিল মাদরাসার সি‌নিয়র শিক্ষক আতিকুর রহমান ব‌লেন, ‘বাসা থে‌কে বের হ‌য়ে পরীক্ষা কে‌ন্দ্রে খোঁজ নি‌তে যাওয়ার সময়ই দৌ‌ড়ে এসে কুকু‌র কামড়ে দি‌য়ে‌ছে। প‌রে হাসপাতা‌লে এসে চি‌কিৎসা নি‌তে এসে দে‌খি ভ‌্যাক‌সিন নেই। বাইরে থে‌কে ভ‌্যাক‌সিন কি‌নে এনে দি‌তে হ‌য়ে‌ছে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মে‌ডি‌কেল অ‌ফিসার ডা. ইফাত ফারজানা জানান, ‘কুকুরের আক্রমণে শিকার হয়ে ১৬ জন হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা নি‌য়ে‌ছেন। এদের ম‌ধ্যে গুরুতর ৪ জনকে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতালে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে। ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় বাইরে থে‌কে রোগী‌দের কি‌নে আন‌তে হ‌য়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিষয়:

banner close