রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বেশি দামে আলু বিক্রি করতে নানা কৌশল ব্যবসায়ীদের

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বাজার তদারক করতে গিয়ে দেখেন ফাঁকা পড়ে আছে নরওয়েস্ট কোল্ড স্টোরেজের শেড। ছবি: দৈনিক বাংলা
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০০:১০

৮৫ হাজার বস্তা ধারণক্ষমতা জয়পুরহাটের কালাই পৌর শহরের নরওয়েস্ট কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের। গত রোববার বিকেলে জেলার বিভিন্ন হিমাগারে আলু বেচাকেনা হলেও বন্ধ ছিল কালাই পৌর শহরের নরওয়েস্ট হিমাগার। শুধু তাই নয়, ফাঁকা ছিল শেড। হিমাগারের মূল ফটকে ঝুলছিল তালা। অথচ এখনো ওই হিমাগারে মজুত আছে ৩৬ হাজার ৭০০ বস্তা আলু।

সরকারের বেঁধে দেয়া দরে হিমাগারগুলোতে আলু বিক্রি হচ্ছে কি না, তা তদারকি করছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর। নরওয়েস্ট হিমাগারে এমন দৃশ্য দেখে হতবাক বাজার তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা।

তবে হিমাগারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ীরা যদি তাদের আলু বিক্রি না করে, তাহলে হিমাগার কর্তৃপক্ষের কিছু করার নেই। তারা সর্বোচ্চ ব্যবসায়ীদের তালিকা দিতে পারেন।

আর ভোক্তা অধিকারের নির্দেশ, আগামী ২-১ দিনের বেঁধে দেয়া দরে আলু বিক্রি শুরু করতে হবে। তা না হলে হিমাগার সিলগালা করে সরকারের বেঁধে দেয়া দরে আলু বিক্রি করে ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক দিনে ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে হিমাগার গেটে পাইকারি ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে আলু বেচাকেনা হচ্ছে। সেই আলু খুচরা বাজারে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকার হিমাগার গেটে আলু পাইকারি সর্বোচ্চ ২৭ টাকা কেজি বিক্রির জন্য দর বেঁধে দেয়। কিন্তু সরকারের বেঁধে দেয়া দর মানছেন না ব্যবসায়ীরা। উল্টো প্রশাসনের বাজার তদারকি জোরদার হওয়ায় হিমাগারগুলোতে আলু বেচাকেনা বন্ধ রয়েছে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, ‘বিগত বছরের লোকসানের ভার থেকে আজও মুক্ত হতে পারেননি তারা। ব্যাংকের ঋণ আজও জট বেঁধে আছে। তা ছাড়া হিমাগারে আলু সংরক্ষণের সময়ও আছে। এ অবস্থায় প্রশাসন এভাবে চাপাচাপি করলে ব্যবসায়ীরা আলু বিক্রি বন্ধ রাখবেন।’

বেচাকেনা বন্ধ এবং শেড ফাঁকা কেন- জানতে চাইলে নরওয়েস্ট কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মুক্তার হোসেন বলেন, ‘যেদিন থেকে আলুর দর বেঁধে দেয়া হয়েছে, সেদিন থেকেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আলু বিক্রি না করলে আমাদের করার কী আছে। আলু বিক্রি বন্ধ থাকায় শেড ফাঁকা পড়ে আছে। তা ছাড়া আলু সংরক্ষণের মেয়াদও আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত আছে। সে কারণে আমরা ব্যবসায়ীদের চাপও দিতে পারছি না। এই হিমাগারে রোববার বিকেল পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৭০০ বস্তা আলু ছিল।’

বগুড়া জেলা ও জয়পুরহাট জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই মূলত আলুর দাম এত বেশি। হিমাগারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলু সংরক্ষিত আছে, এমন তথ্য আমাদের কাছে আছে। সরকার নির্ধারিত ২৭ টাকা কেজির বিপরীতে বেশি দরে আলু বিক্রি করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। প্রথম পর্যায়ে জরিমানাসহ তাদের সতর্ক করা, এরপর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিষয়:

নির্বাচিত

কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে কৃষকদের ক্ষোভ, গুদাম ভেঙে নিয়ে গেল ১৯৭ বস্তা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সার না পেয়ে কৃষকরা জোট বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মুকুল হাজীর মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩টি বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করেন। তার বরাদ্দ ছিল এক হাজার ৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুত ছিল ৩৪০ বস্তা সার।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে ২ শতাধিক কৃষক সারের জন্য একত্রিত হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ৫০ কেজি ওজনের ১৯৭টি বস্তার ৯ হাজার ৮৫০ কেজি ইউরিয়া সার নিয়ে যেতে থাকে। এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকি সার রক্ষা করে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজিমুদ্দিন বলেন, ‘ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কায় গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার বলেন, ‘আমাদের উপজেলায় চলতি আগস্ট মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৬৮০ মেট্রিক টন। সেটি আমরা পেয়েছি এবং বিতরণও চলছে। উপজেলায় ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই। কৃষক আতঙ্কে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। লুট হওয়া বাকি সারগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেবনাথ বলেন, ‘শিংখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গার একটি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কৃষি কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে সার বিতরণ চলছিল। এ সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষ সার লুট করে নিয়ে গেছে।’


নির্বাচিত

নাতিকে টাকা ধার না দিতে নরসিংদীতে দাদার মাইকিং

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় নাতিকে টাকা ধার না দিতে এলাকাবাসীকে মাইকিং করে সতর্ক করেছেন দাদা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের পাইকান ব্যাপারীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। দাদা করম আলী ব্যাপারী ওই এলাকার বাসিন্দা। তার নাতির নাম মো. মাহাবুব মিয়া।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাইকিংয়ে বলা হয়, দাদা করম আলী ব্যাপারীর পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হচ্ছে, এলাকাবাসী লক্ষ্য করে শুনুন- নাতি মো. মাহাবুব মিয়ার সঙ্গে কোনো দোকান বাকি, লেনদেন বা টাকা ধার দেবেন না। নিষেধ করার পরও কেউ লেনদেন করলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাহাবুব বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে পরে সেই টাকা পরিশোধের দায় দাদা করম আলী ব্যাপারীর ওপর দিতেন। এ কারণে অতিষ্ঠ হয়ে দাদা মাইকিং করে নাতির সঙ্গে লেনদেন না করার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

স্থানীয় বড়চাপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান উদ্দিন জানান, মাহবুবের মাদকাসক্তির বিষয়ে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্য তার জানা নেই।


নির্বাচিত

অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পুলিশের ৫ কর্মকর্তা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর গ্রেড-২ অনুযায়ী পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন— ঢাকার রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক (ডিআইজি) মো. সায়েদুর রহমান; ঢাকার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (চলতি দায়িত্বে) মো. মাইনুল হাসান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. ইসরাইল হাওলাদার; বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি ও বর্তমানে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. ইকবাল হোসেন এবং পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. কামরুল আহসান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশের ভিত্তিতে এসব কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ কর্মকর্তাদের যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।


নির্বাচিত

জামালপুরে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে একটি আবাসিক ভবন থেকে ইসরাত জাহান (৩৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে জামালপুর পৌর শহরের পাঁচরাস্তা মোড়ের কলাবাগান এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের পাঁচতলার এক ফ্ল্যাট থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত ইসরাত জাহান দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার গাড়িয়াডাঙ্গা এলাকার কাওসার আহমেদ শাওনের স্ত্রী। তাদের ৬ বছর বয়সি একটি ছেলে ও ১০ বছর বয়সি একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহত ইসরাত জাহানের বাড়ি জামালপুর পৌর শহরের পাথালিয়া এলাকায়।

জানা গেছে, ইসরাত জাহান ও কাওসার আহমেদ শাওন দম্পতি প্রায় এক মাস ধরে পাঁচরাস্তা মোড়ের কলাবাগান এলাকায় বাবুল মিয়ার ছয়তলা বাসার পাঁচতলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। কাওসার আহমেদ শাওন শহরের বাগেরহাটা বটতলা এলাকায় মুদি দোকান করেন। ইসরাত জাহান ও কাওসার আহমেদ শাওন দম্পতির মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কলহ ছিল।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে কাওসার আহমেদ শাওন বাসায় আসার পর ইসরাত জাহানের সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে কাওসার তার দুই সন্তানকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে ইসরাতকে মারধর করে।

পরে রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে কাওসার তার দুই সন্তানকে আটকে রাখা কক্ষের দরজা খুলে দিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। বের হওয়ায় সময় ফ্ল্যাটের সদর দরজায় বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যায় কাওসার আহমেদ শাওন। পরে ওই দুই শিশু সন্তান তার মাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ফ্ল্যাটের পাঁচতলার জানালা দিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করে। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে দরজার তালা ভেঙে দুই শিশুকে উদ্ধার করে। এ সময় পাশের কক্ষ থেকে তাদের মা ইসরাত জাহানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী কাওসার আহমেদ শাওন পলাতক রয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ওসি নাজমুস সাকিব বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হতে পারে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।’


নির্বাচিত

বাগেরহাটে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পেলেন ১৩ জন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাচ্চু মল্লিক, বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলা পরিষদের উদ্যোগে ১৩ জন অসহায় ও অসচ্ছল রোগীকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন সুবিধাভোগীদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

এসময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মো. আবু রিয়াদ, সহকারী প্রকৌশলী (চঃদাঃ) মো. শহীদুল আলম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ মো. আবু সাঈদ শুনু, সহসভাপতি এসএম রাজ, নির্বাহী সদস্য সোহেল রানা বাবুসহ বাগেরহাটে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

‎জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে আয়োজিত আর্থিক সহায়তা বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, জেলা পরিষদের এই আর্থিক সহায়তার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রকৃতপক্ষে যারা এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য এবং সঠিক সুবিধাভোগীরা যাতে এই সহায়তা পায় তা লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরে জেলা পরিষদ প্রশাসনের নজরে আনার আহ্বান জানান তিনি।


নির্বাচিত

খুন করে ভারতে পালানোর সময় ২ ভাইকে আটক করল বিএসএফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক জিতেন মণ্ডল (৫৮)-কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে নিহতের দুই চাচাতো ভাই।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) ভোরে ভারতের বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার আমুদিয়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলদল তাদের আটক করে বলে সীমান্তের একাধিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আটকৃতরা হলেন, গড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের পাঁচু মণ্ডলের ছেলে তপন মণ্ডল (৩০) ও ভগেন মণ্ডল (৩৫)। জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জিতেন মণ্ডলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জিতেন মণ্ডলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে তার চাচাতো দুই ভাই তপন ও ভগেন। ওই সময় গুরতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, নিজেদের মধ্যে জমিজমাসংক্রান্ত সহিংসতায় কৃষক জিতেন মণ্ডল চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তার হত্যাকারী তপন ও ভগেন ভারতে পালানোর সময় বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানান তিনি।

সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, বিএসএফের হাতে আটক হত্যা মামলার দুই আসামিকে ফেরত দেওয়ার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আটকৃতদের ফেরত পাঠানো হলে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে।


নির্বাচিত

সিরাজগঞ্জে হারানো মোবাইল পেয়ে ৫৩ পরিবারের মুখে হাসি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

হারিয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন প্রিয় মোবাইল ফোনটি আর হয়তো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। কারও মোবাইলে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ছবি ও স্মৃতি, কারও ছিল প্রয়োজনীয় তথ্য, আবার কারও কাছে ফোনটিই ছিল প্রতিদিনের কাজের অন্যতম ভরসা। সেই হতাশার মাঝেই সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের তৎপরতায় ফিরে এলো ৫৩টি হারানো মোবাইল ফোন। স্বজন হারানোর মতো কষ্টের পর প্রিয় ফোন ফিরে পেয়ে মালিকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) বিকালে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উদ্ধার হওয়া ৫৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে মালিকদের অনেকেই পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের ভাষায়, হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়া শুধু একটি মূল্যবান জিনিস ফিরে পাওয়া নয়, এর সঙ্গে ফিরে এসেছে প্রয়োজনীয় তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি, যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এবং অনেক স্মৃতি।

মোবাইল হাতে পেয়ে হানিফ বাবু বলেন, ‘হারানোর পর মোবাইলটি ফিরে পাবেন এমনটা ভাবেননি।’ পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সেটি ফিরে পাওয়ায় তিনি জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. নাজরান রউফ জানান, পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের সাইবার ইউনিট ও থানা পুলিশের সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়।

পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও মালিকানা নিশ্চিত করে ৫৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

হারানো মোবাইল উদ্ধারের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে জেলা পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো সম্পদ উদ্ধারে পুলিশের এমন তৎপরতা সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান, শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ জানান, একটি হারানো ফোন যখন ফিরে আসে, তখন শুধু একটি ডিভাইস নয়—ফিরে আসে মানুষের আস্থা। ৫৩টি ফোন উদ্ধারের এই উদ্যোগে সেই আস্থারই প্রতিফলন ঘটেছে।


নির্বাচিত

রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ইস্যু, সমাধানের দায়িত্ব তাদেরই: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। এটি সমাধানে আন্তর্জাতিক আইন ও সংবিধান মেনে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ইস্যু, সেজন্য এটির সমাধানের দায়িত্ব তাদেরই।

রোববার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার পক্ষে নয়। বলতে চাই, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি নয়, তারা এই ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠী নয়। রোহিঙ্গাদের আন্তর্জাতিকভাবে যেভাবে দেখা হচ্ছে, আমরাও ঠিক একইভাবে দেখছি যে, এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে। রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তখন বিষয়টি আর শুধু মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মানবিক মূল্যবোধের জায়গা থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার আইন মেনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সরকার আন্তর্জাতিকভাবে যে পদক্ষেপ নিতে চায়, সেই পদক্ষেপের পক্ষে দেশের সাধারণ মানুষের সমর্থন আছে—এমন জনমত তৈরি করতে হবে।


নির্বাচিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়েই হবে: মঈন খান

এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জানিয়েছেন সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার নিয়মকানুন মেনে বিএনপি সরকার যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করবে। রবিবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, আমাদের এই মন্ত্রণালয় একটি ব্যতিক্রমধর্মী মন্ত্রণালয়। জনগণকে সরাসরি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অগ্রগণ্য। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সঠিকভাবে কাজ করলে পুরো দেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। কারণ, এ মন্ত্রণালয় সরাসরি তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে কাজ করে। মন্ত্রণালয় সফল হলে সরকারও সফল হবে।

তিনি বলেন, সরকার সব মানুষের সেবা করবে। তবে দরিদ্র মানুষের সেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিগত ১৭ বছরে ধনিক শ্রেণিকে সেবা দিতে গিয়ে দরিদ্র মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দরিদ্র মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করেছেন। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন মেটানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে। দেশের জনগণই তার অগ্রাধিকার।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়নি। দীর্ঘদিন পর ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এক বছর দীর্ঘ সময়। সংবিধানের নিয়মকানুন মেনে, সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব নির্বাচনে সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিরাই নির্বাচিত হবেন।

ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, শুধু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নয়, সরকারের সব পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে। বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; তারা আইনের শাসনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। সরকার সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিগত সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে ঘিরে লুটপাট ও দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসতে তারা কাজ করছেন।


নির্বাচিত

নওগাঁয় এবার ১৫১ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা

* চিকিৎসাসেবায় আসছে বড় পরিবর্তন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সবুজ হোসেন, নওগাঁ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রত্যেকটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আমরা ৫০ এবং জেলা সদর হাসপাতালের জন্য ১০ শয্যা করে ডায়ালাইসিস প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছি। যাতে করে টারশিয়ারি লেভেলে রোগীদের ঢাকায় যেতে না হয়। ডিস্ট্রিক্ট লেভেলে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন থাকবে। আমরা আশা করি ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন ডেইলি যদি ৩ রাউন্ডও করে, ১৮০টা রোগীকে ডায়ালাইসিস করতে পারবে। এটি স্থাপন করতে আমাদের আর ৩ মাসও সময় লাগবে না ইনশাল্লাহ, আমাদের মেশিন টেন্ডার হয়ে গেছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১২ টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে মন্ত্রী হাসপাতালটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা আগামী দুই বছরের মধ্যে উপজেলা লেভেলে ১০টি করে ডায়ালাইসিস বেড স্থাপন করবো। বিল্ডিংয়ের কাজ অলরেডি ডিপিপি হয়ে গেছে, টেন্ডারে চলে যাবে, বিল্ডিং হবে। শুধু ডায়ালাইসিস না, দোয়া করবেন আমাদের জন্য, আমরা ৫০ থেকে প্রথম ১০১ শয্যা ঘোষণা করেছি। গত সপ্তাহে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সামনে আরও ভিশনকে বৃদ্ধি করতে হবে, ৫০ বছরের চিন্তা করে করব। ১০১ থেকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট করে করতেছি আমরা এখন। নতুনভাবে আবার ডিপিপি করে এটা একেবারেই টেন্ডার হয়ে যাবে। ১৫১ শয্যার ভেতরে ২৫টা সিট থাকবে মহিলাদের জন্য, মায়ের সেবার জন্য, যাতে আমাদের মেয়েদের কষ্ট না হয়। ২০টা সিট আমাদের শিশুদের জন্য আলাদা থাকবে। ফিজিওথেরাপির জন্য একটা মহিলা ওয়ার্ড থাকবে, একটা পুরুষ ওয়ার্ড থাকবে। দুইজন ডাক্তার থাকবে, মহিলাদের মহিলারা ফিজিওথেরাপি দেবে, পুরুষদের পুরুষরা ফিজিওথেরাপি দেবে।

মন্ত্রী বলেন, অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব তৈরি করা হবে, অত্যাধুনিক প্যাথলজি সেবা দেওয়া হবে। আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন থেকে সকল মেশিন দিয়ে এগুলিকরা হবে, ৯ তলা বিল্ডিং হবে যেটা খালি জায়গায় হবে। আর যেটা আগে থেকে আছে যদি ফাউন্ডেশন থাকে ভার্টিক্যালি উপরে উঠবে। এভাবে আমরা স্বাস্থ্যসেবাটাকে উপজেলা লেভেলে নিয়ে যাচ্ছি।

সারাদেশের হাসপাতালগুলোর জনবল সংকট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে কোনো নতুন ডাক্তার নিয়োগ হয়নি, যেই পরিমাণ আমাদের দরকার। ২০ কোটি মানুষ! ডাক্তার আছে আমাদের কয়জন? কয়জন ডাক্তার নেওয়া হয়েছে? এখন আমরা ৫ হাজার ডাক্তার নিতে যাচ্ছি, সকল ফরমালিটিজ শেষ হয়ে গেছে। আড়াইহাজার নার্স এবং আড়াইহাজার ফার্মাসিস্ট নিতে যাচ্ছি। পিএসসিতে আরও ডাক্তারদের ইন্টারভিউ চলছে। আমরা আশা করি আগামী এক বছরের ভেতরে উই উইল হ্যাভ আ ভেরি গুড বাঞ্চ অফ ডক্টরস। আমরা অনেক ডাক্তার পেয়ে যাব ইনশাল্লাহ। তখন ডাক্তারের অসুবিধাটা থাকবে না।

​​মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে ব্যাঙের ছাতার মতন প্রাইভেট ক্লিনিক-হাসপাতাল উঠেছে। গত ১৭ বছর এদের কোনো অ্যাকাউন্টেবিলিটি সৃষ্টি করা হয়নি, তারা কারও কাছে জবাবদিহি না। আমি যতখানি যাচ্ছি, দুই-একটা করে দেখতেছি, বন্ধ করতেছি, লাইসেন্স না থাকলে বন্ধ করতেছি। আমাদের ডিসি সাহেবরা সিভিল সার্জনদের নিয়ে মোবাইল কোর্ট করতেছে, জরিমানা করতেছে, চেষ্টা করতেছে। এখন অবশ্য তারা অনেকে হুঁশিয়ার। আমাদের তো মাত্র ৬টা মাস হলো, আরেকটু সময় দেন। কারণ ১৮-২০টা বছর তো এ দেশে কোনো অ্যাকাউন্টেবিলিটি ছিল না। আপনারাও কথা বলতে পারতেন না। আজকে যেভাবে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন, আগে কিন্তু পারতেন না। আগে এমপি সাহেবরা আইসা এইভাবে বইসা দেখত না, মন্ত্রী সাহেবরা আসত না। এমন একটা সিচুয়েশন গেছে যেখানে কারও কাছে জবাবদিহিতা ছিল না। আমরা শুরু করেছি, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত সিরিয়াস। দোয়া করবেন, আশা করি আমরা এই স্বাস্থ্য খাতকে অনেক উন্নত করব।

এ সময় নওগাঁ -৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.আ. ম. আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

তালাবদ্ধ বাড়িতে মিলল একই পরিবারের চারজনের লাশ

গণপতি চক্রবর্তীসহ নিহতরা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৫৫
রংপুর প্রতিনিধি

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়ির ভেতরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। নিহতরা হলেন—রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাঁদের মাস্টার্স সম্পন্ন করা কন্যা আগামী চক্রবর্তী এবং কনিষ্ঠ পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী, যে জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চারজনকেই অত্যন্ত নৃশংসভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বাড়ির বিভিন্ন স্থানে মরদেহগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির ছাদে স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামী'র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে, ছাদের ভিন্ন এক প্রান্তে পাওয়া যায় গণপতি চক্রবর্তীর নিথর দেহ। সবার ছোট সন্তান প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ঘরের খাটের নিচ থেকে।

এই চাঞ্চল্যকর গণহত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মাছুয়াপাড়া এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সময় কয়েকজন যুবককে ওই বাড়ি থেকে তড়িঘড়ি করে বের হয়ে যেতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করেছেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর নেপথ্যে থাকা খুনিদের শনাক্ত করতে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালী থানার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নৃশংস এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।


নির্বাচিত

সিলেট তেলবাহী ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট ব্যুরো

সিলেটের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু ও নারীসহ ৪ জনের প্রাণহানির ঘটেছে। এতে আহত তিনজনকে ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও তেলবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

নিহতদের নাম পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে, একজন শিশু এবং একজন নারী, দুইজন পুরুষ বলে জানা গেছে।

সিলেটের ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকাগামী তেলবাহী ট্রাক ওসমানীনগরের ব্রাক্ষ্মণগ্রাম (কসরতল) পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

দুর্ঘটনায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার ৫ জন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করেন। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ৭ আগস্ট শুক্রবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে ৯ জনের প্রাণহানি ঘটে।


নির্বাচিত

সিলেটে তেলবাহী ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্রাক এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রাম নামক স্থানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি দ্রুতগতির তেলবাহী ট্রাক ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রী বোঝাই একটি অটোরিকশার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার ভেতরে থাকা সাতজন যাত্রীই গুরুতরভাবে আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে পৌঁছানোর পূর্বেই ২ জন মারা যান। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ২ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী রয়েছেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

হাইওয়ে পুলিশের শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় আহত আরও ৩ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, যাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পুলিশ ইতোমধ্যেই ঘাতক তেলবাহী ট্রাক ও দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া অটোরিকশাটি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, মাত্র ১৫ দিন আগেই গত ৭ আগস্ট এই একই মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই পুনরায় একই অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কে বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।


নির্বাচিত

banner close