বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

৫১৭ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিন গেল ‘বার আউলিয়া’

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১২:৪৫

দীর্ঘ ছয় মাস পর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে ৫১৭ জন পর্যটক নিয়ে ‘বার আউলিয়া’ নামের একটি জাহাজ। বুধবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজটি যাত্রা করে। বেলা ১২টার পরে জাহাজটি দ্বীপে পৌঁছবে।

বুধবার সকাল থেকে জেটি ঘাটে ভিড় করেন ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। এ সময় কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশসহ বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা তদারকির দায়িত্বে ছিলেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চট্রগ্রামের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা নয়ন শীল জানান, কোনো জাহাজ যাতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করতে না পারে সেজন্য আমরা তদারকি করছি। প্রথম দিন ৫১৭ জন যাত্রী নিয়ে ‘বার আউলিয়া’ জাহাজ সেন্টমার্টিন রওনা করে। এ জাহাজে সাড়ে আট শ যাত্রী ধারণের ক্ষমতা আছে।

ভ্রমণে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমির হামজা জানান, দ্বিতীয় বারের মতো প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে ঘুরতে এসেছি, খুব আনন্দ লাগছে। আমাদের দলে ২০ জন রয়েছে।

কক্সবাজার ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের (টুয়াক) সিনিয়র সহ-সভাপতি হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর বলেন, জেলা প্রশাসকের ছাড়পত্র নিয়ে প্রথম দিন আমাদের জাহাজ ৫১৭ জন পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে রওনা দিয়েছে। সমুদ্রের পরিবেশ শান্ত দেখা গেছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনানা চৌধুরী জানান, বুধবার সকালে ওই পর্যটকবাহী জাহাজে করে ৫০০ এর বেশি ভ্রমণকারী সেন্টমার্টিন দ্বীপে রওনা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ জাহাজগুলো চলাচল শুরু করেছে। পর্যটকদের যাতে সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

কোস্ট গার্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সনদ পেলেন ১৮০ জন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৭
​গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (বিসিজিটিআই) দক্ষতা উন্নয়ন, জাপানি ভাষা শিক্ষা, পেশাগত প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বিষয়ে ‘টুডেস ট্রেনিং, টুমোরোস জার্নি টু জাপান’ শীর্ষক সেমিনার এবং সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং হার্টফুল লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে এবং সিজিকেএফটিসিএল ও হাইটেক করপোরেশনের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

হাইটেক করপোরেশনের সিইও ইউশিদা তোমোহিরোর সভাপতিত্বে ​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পরিচালক (লজিস্টিকস) ও কোস্ট গার্ড কল্যাণ ফাউন্ডেশন ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের (সিজিকেএফটিসিএল) পরিচালক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ হাবিবুল বিল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুকুজাওয়া জুন। এ ছাড়া অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রশিক্ষক মাসাকি সাকুতা, ইয়োকো খান ও আকারি চৌধুরীসহ জাপানি প্রতিনিধিদলের সদস্য ইয়োশিদা তোমোহিরো, কিওআকি তোয়োদা, রিউসুকে সেকিনে, রিউতারো হিরাই, ইউইচি সুজুকি ও ইউজি কোমাগাতা উপস্থিত ছিলেন।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘জাপান-স্ট্যান্ডার্ড নির্মাণ কৌশল ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে এ দেশের তরুণরা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত হবে। এ ধরনের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের বাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

তার বক্তব্যে হার্টফুল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরাদ হাসান জেনিথ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সফলতার জন্য কেবল কারিগরি প্রশিক্ষণই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ এবং জাপানি কর্মসংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আজকের এই প্রশিক্ষিত তরুণরা ভবিষ্যতে দক্ষ জনশক্তি ও কর্মসংস্থানে সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার সম্পর্কের সেতুবন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পরিচালক (লজিস্টিকস) ও কোস্ট গার্ড কল্যাণ ফাউন্ডেশন ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের (সিজিকেএফটিসিএল) পরিচালক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ।

​অনুষ্ঠান শেষে সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারী ৩টি ব্যাচের ১৮০ জন প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা।


নির্বাচিত

চাকসুর উদ্যোগে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডুকেশন এক্সপো উদ্বোধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)-এর আয়োজনে এবং অ্যাডুম্যাক্স কনসালটেন্সির সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডুকেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বুদ্ধিজীবী চত্বরে শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চবির উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য ফিতা কেটে দুই দিনব্যাপী এ শিক্ষামেলার শুভ সূচনা করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের সুযোগ সহজ করার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, ‘এই অ্যাডুকেশন এক্সপোর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে—কীভাবে তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে পারে, কোথায় একাডেমিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সুযোগ রয়েছে, কোন কোন স্কলারশিপ পাওয়া যেতে পারে, নিজস্ব অর্থায়নে কোন কোন দেশে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে এবং কোন বিষয়ে বা কোন ক্ষেত্রে তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সুযোগ রয়েছে। এই ধরনের তথ্য ও দিকনির্দেশনা আমাদের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা চাই, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং জ্ঞান অর্জন, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের একটি প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠুক।’

উচ্চশিক্ষায় ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি এ এক্সপোতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, ভর্তি প্রক্রিয়া এবং ক্যারিয়ার কাউন্সিলিংসংক্রান্ত তথ্য প্রদান করা হয়। মেলায় স্থাপিত বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীরা সরাসরি অভিজ্ঞ পরামর্শকদের সাথে কথা বলেন এবং উচ্চশিক্ষার সার্বিক নির্দেশনা গ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে চবি শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য ও স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।


নির্বাচিত

শ্যামনগরে চাঁদাবাজি মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

শ্যামনগর জামায়াত নেতা হাজী মো. নজরুল ইসলাম । ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

জাইকার অর্থায়নে বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরের জামায়াত নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সাতক্ষীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে উচ্চ আদালত থেকে হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগী ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন।

জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তারা সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করেন প্রতিষ্ঠানের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে।

মামলায় তার ছেলে আব্দুর রহমান, স্থানীয় বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন।

অভিযোগ করা হয়, গত বছরের আগস্ট থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে চাঁদা দাবি এবং কাজ বন্ধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে হাজী নজরুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যার হুমকি দেন।

এরপর ২৩ মে দুপুরে হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করেন। তাকে বাধা দিতে গেলে কিউরিং ম্যান ফেরদৌসকেও মারধর করা হয়। এ সময় প্রকৌশলী জাহিদের একটি অ্যাপল স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


নির্বাচিত

দীর্ঘদিন অব্যবহৃত পঞ্চগড়ের হেলিপ্যাড, নষ্ট হচ্ছে সম্ভাবনা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মিজানুর রহমান, পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ে হেলিপ্যাডের জায়গা নির্ধারণ করা থাকলেও নেই কোনো কার্যক্রম। ফলে অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে প্রায় ৩ থেকে ৪ একর জায়গা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হেলিকপ্টারের জন্য পঞ্চগড়ে নির্ধারিত স্থান রয়েছে। পঞ্চগড়ে হেলিপ্যাড নির্ধারণ করার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ উদ্বোধন করেন। সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে দেশের বিভিন্ন হেলিকপ্টার অবতরণ করার জন্য এ স্থান তৈরি করা হয়।

হেলিপ্যাড জায়গাটি পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে, কোনো ধরনের কার্যক্রম চলমান নেই। যদিও দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হেলিকপ্টার অবতরণ করার কথা এই জায়গায়। নির্ধারিত সেই স্থানে অবতরণ না করে পঞ্চগড়ের চিনিকল মাঠ, পঞ্চগড় জেলা স্টেডিয়াম, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন জায়গায় হেলিকপ্টার অবতরণ করতে দেখা যায়। নির্ধারিত স্থানে হেলিকপ্টার অবতরণ না করার কারণে স্থানটি পড়ে রয়েছে, প্রায় ৩ থেকে ৪ একর জায়গা।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন থেকে পড়ে রয়েছে জায়গাটি। জায়গাটি যদি সরকারি বা বেসরকারি কোনো কার্যক্রম চলমান থাকত তাহলে সরকার সেখান থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা পেত।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল ইমরান জানান, হেলিপ্যাড জায়গাটি সরকারি খাজ-খতিয়ান আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন থেকে পড়ে রয়েছে, কোনো কার্যক্রম চলমান নেই।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা জানান, যাওয়ার পথে আমার চোখে পড়ে হেলিপ্যাড, কোন দপ্তরের আওতায় রয়েছে জায়গাটি সে ব্যাপারে আমি অবগত না, জেলা প্রশাসক মহোদয়কে হেলিপ্যাড বিষয়ে অবগত করব, যদি হেলিকপ্টার অবতরণ করা হয় তাহলে ভালো হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘পুনরায় এই স্থানটি পর্যবেক্ষণ করে উপযুক্ত হেলিপ্যাড তৈরি করা যায় কিনা, বা সম্ভব না হলে অন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করব।’


নির্বাচিত

হালুয়াঘাটে ৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনন্দময় শিক্ষা ক্যাম্প

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সেন্ট এন্ড্রুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শিখন উৎসব গ্লোবাল ফান্ড ফর চিলড্রেনের আর্থিক সহায়তায় পার্টনারশিপ টু অ্যাডুকেট অল কিডস (PEAK-3) প্রকল্পের আওতায় একমাত্রা সোসাইটি উপজেলার ৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘আনন্দময় শিক্ষা ক্যাম্প’ আয়োজন করেছে যা শিখন উৎসব নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

ইতোমধ্যে কুমারগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষীকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাজিরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাতুগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গোবরাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-ছাত্রছাত্রী-অভিভাবকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আনন্দময় শিক্ষা ক্যাম্প বা শিখন উৎসব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

একমাত্রা ডাচ্ বাংলা ব্যাংক একাডেমির অধ্যক্ষ আবু কাউছার সরকার বলেন, ‘শিশুরা শিখবে আনন্দের মধ্য দিয়ে, শিখবে খেলতে খেলতে, শিখবে বিভিন্ন আনন্দময় কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। তারা শিখবে বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে- যেখানে শুধু মুখস্থ করার ব্যাপার থাকবে না, কোনো চাপ থাকবে না বরং থাকবে নতুন কিছু করার আনন্দ, নতুন কিছু শেখার আনন্দ এবং থাকবে শিশুদের নিজেদের মেধা, আগ্রহ ও সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ।’

একমাত্রা সোসাইটির পরিচালক শুভাশীষ রায় বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিজেরাই শিক্ষকদের সহায়তায় একমাত্রার বিশেষজ্ঞ দলের তত্ত্বাবধানে চমৎকার সব মডেল তৈরি করেছে, তারা নিজেরাই মডেলগুলো নিয়ে কাজ করতে করতে এবং খেলতে খেলতে তাদের পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন বিষয় শেখার চেষ্টা করেছে এবং এগুলো সকলের সামনে উপস্থাপন করেছে, আর এই পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, অংশগ্রহণমূলক ও আনন্দময়। আর এই আনন্দময় শিক্ষা কার্যক্রমকে সহায়তা করার জন্যই কাজ করছে গ্লোবাল ফান্ড ফর চিলড্রেন এবং একমাত্রা সোসাইটি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত যে একমাত্রা সোসাইটি প্রাইমারি লেভেলের শীক্ষার্থীদের নিয়ে এসো শিখি আনন্দে নামে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আনন্দ নিয়ে যেন শেখা যায়, আগ্রহ নিয়ে যেন শেখা যায় এই রকম একটি পরিবেশ তারা তৈরি করেছে। বাচ্চারা এত সহজে কঠিন কঠিন বিষয়গুলো আনন্দের মাধ্যমে আয়ত্ত করছে, শিখছে এবং সমাধান করছে।’


নির্বাচিত

নিষেধাজ্ঞা শেষে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু, ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য

* প্রথম দিনেই ২৮.৮৬৬ টন মাছ অবতরণ, রাজস্ব আদায় সোয়া ৬ লাখ হাজার টাকা
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিন পর রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও শুরু হয়েছে মৎস্য আহরণ। সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে রাঙামাটির ফিসারী ঘাট ও কাপ্তাইয়ের জেটিঘাটে অবস্থিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোতে। দীর্ঘদিন পর মাছ নিয়ে জেলেদের বোট ভিড়তে শুরু করায় কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের মধ্যে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কাপ্তাই হ্রদের বিভিন্ন এলাকা, বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, বিলাইছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে জেলেরা নানা প্রজাতির মাছ নিয়ে আসতে থাকেন।

এদিন বেলা ১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৮৬৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবতরণ হয়েছে। এসব মাছের বিপরীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা শুল্ক পরিশোধের পর মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর জেলে, ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের ব্যস্ততায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি যেন ফিরে পেয়েছে পুরোনো প্রাণচাঞ্চল্য।

কাপ্তাইয়ের মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউল হক জিয়া, সাজ্জাদ, মাইনুদ্দীন এবং ঘাট শ্রমিক আজগর আলীসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলেরা ইঞ্জিনচালিত বোটে করে মাছ নিয়ে আসছেন। প্রথম দিন কাচকি, চাপিলা, টেংরা, বাচা, আইড়, কালিগুনিয়া, পাবদা ও বাইম মাছ বেশি ধরা পড়েছে। লেকের পানি কমে এলে ধীরে ধীরে বড় আকারের মাছও বেশি ধরা পড়বে বলে তারা জানান।

তারা আরও জানান, কাপ্তাই হ্রদ থেকে আহরিত এসব মাছ চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।

এদিকে, কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন, সহ-সভাপতি আলতাফ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেন জানান, দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিন পর নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনি, বরকলের শুভলং, বিলাইছড়ির গাছকাটা ছড়া, রাইংখং খালসহ হ্রদের বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলেরা মাছ ধরে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। এসব মাছের শুল্ক পরিশোধের পর চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া হ্রদের ওপর নির্ভরশীল মানুষের মধ্যেও কর্মচাঞ্চল্য বাড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন উপকেন্দ্রের প্রধান জসিম উদ্দিন জানান, সকাল থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ অবতরণ শুরু হয়।
এদিকে, রাঙামাটি ফিসারী ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান বলেন, হ্রদে মাছ আহরণের প্রথম দিকে মাছের আকার কিছুটা ছোট থাকে। পরে বড় আকারের মাছ পাওয়া যায়। মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান আরও বলেন, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাঙামাটি ফিসারী ঘাটে কাচকি, চাপিলা, আইড়সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আসছে।

রাঙামাটি ফিসারী ঘাটের আরেক মাছ ব্যবসায়ী মো. করিম বলেন, প্রথম দিনেই প্রচুর মাছ ঘাটে এসেছে। তবে মাছের আকার অনেকটা ছোট। তিনি বলেন, আজকের ঘাটে কাচকি মাছের চেয়ে চাপিলা মাছ বেশি জালে ধরা পড়েছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোহাম্মদ ফয়েজ আল করিম বলেন, প্রায় সাড়ে ৩ মাস পর আজ থেকে মৎস্য আহরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম দিন হিসেবে দুপুর পর্যন্ত তাদের অবতরণ ঘাটে প্রচুর পরিমাণে মাছ আসছে।
তিনি বলেন, চাপিলা মাছের আকার নিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ীরা একটু চিন্তিত হতে পারেন। তবে তিনি আশা করছেন, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিন পর মাছের আকার আরও বড় হবে। যদিও এ বছর আবহাওয়া কিছুটা প্রতিকূল ছিল। ঝড় ও বন্যার কারণেও পরিস্থিতি কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে।

কমান্ডার মোহাম্মদ ফয়েজ আল করিম বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মৎস্য আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মাছ আহরণ করা হয়েছে। এতে ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গতবারের মতো এবারও পূর্বের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি বছর ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ আহরণ, বাজারজাত ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। পরে হ্রদের পানির পরিস্থিতি বিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়।
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার মধ্যরাত থেকে পুনরায় কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসের অপেক্ষার পর আবারও কর্মচাঞ্চল্যে ফিরেছে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্যনির্ভর জনপদ।


নির্বাচিত

সংস্কারকাজে মহাসড়কে নাকাল কুমিল্লা, ১০ কিলোমিটার যানজটে ভোগান্তি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থেমে থেমে চলছে যানবাহন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে যাত্রী-চালক
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংস্কারকাজ ও খানাখন্দের একাংশ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সড়ক সংস্কারকাজ ও খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়তই বাড়ছে যানজট। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে জেলার আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় সংস্কারকাজ চলায় আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি ও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মহাসড়কে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে যাত্রী ও চালকদের।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকেই মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় মেরামতকাজ চলায় একাধিক পয়েন্টে যান চলাচল সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে এর প্রভাব পড়ে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকায়। ধীরে ধীরে যানজট দীর্ঘ হয়ে আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়নামতি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম দৈনিক কুমিল্লার কাগজ ও দৈনিক বাংলাকে বলেন, মহাসড়কের আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় সংস্কারকাজ চলমান থাকায় যানবাহনের গতি কমে গেছে। এ কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।

দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান যোগাযোগপথ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস—প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন এই মহাসড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন স্থানে সড়কের বেহাল দশা, খানাখন্দ ও সংস্কারকাজের কারণে প্রতিনিয়তই দুর্ভোগে পড়ছেন মহাসড়কের ব্যবহারকারীরা।

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও উঠে গেছে সড়কের কার্পেটিং। এর মধ্যে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের বিভিন্ন অংশের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলাচল করতে না পারায় তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রতিদিন ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। জেলার প্রায় ১০৪ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ থাকায় যানবাহনের গতি কমে যাচ্ছে। তার ওপর বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে সংস্কারকাজ চলায় যানজটের মাত্রা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যানজটে আটকে ছিলেন ব্যবসায়ী আরাফাত ইসলাম। তিনি দৈনিক কুমিল্লার কাগজকে বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এক ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। এর আগেও একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। মহাসড়কে একটু পরপর যানজটের কারণে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া দৈনিক কুমিল্লার কাগজ ও দৈনিক বাংলাকে বলেন, “আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় সকাল থেকে মেরামতকাজ চলমান রয়েছে। এ কারণে মহাসড়কে যান চলাচল কিছুটা ধীরগতি হয়েছে।”

এদিকে মহাসড়কের নিয়মিত ব্যবহারকারী চালক ও যাত্রীরা দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করার পাশাপাশি কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হওয়া খানাখন্দ দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে দীর্ঘস্থায়ী যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে পরিকল্পিতভাবে সংস্কারকাজ সম্পন্ন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৭৯

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৭৯ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর প্রাণহানি ঘটলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৮২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯৮টি শিশু।

সব মিলিয়ে গত পৌনে পাঁচ মাসে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৮০টি শিশুর মৃত্যু হলো। প্রতিদিন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশু নতুন করে আক্রান্ত হতে থাকায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।


নির্বাচিত

ব্যবসায়ীরা যাতে ‘লাল খাতায়’ না ওঠেন সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের শিল্পখাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও নগদ প্রবাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে ব্যবসায়ীরা যাতে ব্যাংকের ‘লাল খাতায়’ (খেলাপি তালিকা) না ওঠেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট: সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, ব্যাংকের খেলাপি তালিকায় নাম উঠলে একজন উদ্যোক্তাকে যে ধরনের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেই অভিজ্ঞতা তার নিজেরও রয়েছে। তাই কোনো ব্যবসায়ী যেন বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের কারণে এই বিপদে না পড়েন, সরকার সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক।

শিল্পখাতের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বিগত সরকারের অবকাঠামোগত ঘাটতিকে দায়ী করে তিনি বলেন, আগের সরকার টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি না করে কেবল সুবিধাজনক জায়গায় কাজ করেছে, যার ফলে আজ সারা দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এ সংকট কাটিয়ে উঠতে দ্রুতই একটি বয়লার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা চালু হলে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

শিল্প উদ্যোক্তাদের সংকট নিরসনে সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন।

শিল্প খাতের বর্তমান সমস্যা ও সমাধান নিয়ে উদ্যোক্তা, বুদ্ধিজীবী ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আরেকটি বৈঠকের প্রস্তাব দেবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া দেশের শিল্পায়নে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও একটি পুরোপুরি শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এবং উদ্যোক্তাদের কম ঝুঁকির মধ্যে রেখে দেশের উৎপাদন ও বিনিয়োগ ব্যবস্থা সচল রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।


নির্বাচিত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটে আটকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, ভোগান্তিতে যাত্রী-চালক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে তীব্র যানজটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা। ভোরে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়া বাস, ট্রাক ও পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহন ঢাকামূখী লেনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে মহাসড়কে আটকে রয়েছে। এতে অবর্ণনীয় ভোগান্তিতে পড়েছেন নারী, শিশু ও বয়স্কসহ সাধারণ যাত্রীরা।

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চলমান সংস্কারকাজ, ভাঙাচোরা সড়ক ও খানাখন্দের কারণে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। এর সঙ্গে বৃষ্টি হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও সংস্কারকাজের কারণে সড়ক সরু হয়ে যাওয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে।

ট্রাকচালক আরফান হোসেন বলেন, ভোরে চট্টগ্রাম থেকে রওনা দিয়েছি। স্বাভাবিক সময়ে এই পথ অনেক আগেই পার হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু কুমিল্লায় এসে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে আছি। সামনে গাড়ির লম্বা সারি, একটুও ঠিকমতো এগোতে পারছি না। সড়কের অবস্থা খারাপ, আবার বিভিন্ন জায়গায় সংস্কারকাজ চলছে। এতে সময় ও জ্বালানি দুটোই নষ্ট হচ্ছে।

বাসচালক ইয়াসির আরাফাত বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছি। ভোরে রওনা হয়েছি, কিন্তু কুমিল্লা পার হতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে। যাত্রীরা বারবার জানতে চাইছেন কখন গন্তব্যে পৌঁছাবেন। কিন্তু চালক হিসেবে আমাদেরও কিছু করার নেই। রাস্তার অবস্থা ও যানজটের কারণে গাড়ি চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।

পিকআপচালক মনির হোসেন বলেন, মহাসড়কের অনেক জায়গায় ভাঙাচোরা। কোথাও গর্ত, কোথাও আবার সংস্কারকাজের কারণে রাস্তা সরু হয়ে গেছে। একটি গাড়ি একটু ধীরে চললেই পেছনে লাইন লেগে যাচ্ছে। এভাবে প্রতিদিন চলাচল করা খুব কষ্টকর। দ্রুত সড়ক সংস্কার করে যান চলাচলের উপযোগী করা দরকার।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী বাসের যাত্রী সাজনজিদা বলেন, “ভোরে বাসে উঠেছি। ভেবেছিলাম সময়মতো ঢাকায় পৌঁছাব। কিন্তু কুমিল্লায় এসে দীর্ঘ সময় ধরে বসে আছি। বাসের মধ্যে গরমে শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা খুব কষ্ট পাচ্ছেন। কখন যানজট ছাড়বে, সেটিও কেউ বলতে পারছেন না।

আরেক যাত্রী রুবাইয়া বেগম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে রওনা হওয়ার পর এতটা দুর্ভোগ হবে ভাবিনি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসের মধ্যে বসে থাকতে হচ্ছে। রাস্তার অবস্থা খারাপ, আবার যানজটও রয়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য এই দীর্ঘ সময় বাসে আটকে থাকা খুবই কষ্টকর।

চালক ও যাত্রীরা বলছেন, মহাসড়কের সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করা গেলে যানজট অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা অংশগুলো দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন। তা না হলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, মহাসড়কের সংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে চলছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ হবে। তবে এর মধ্যে বৃষ্টি হলে হয়তো সময়টা আরও বাড়তে পারে।


নির্বাচিত

রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ের ৩০০ বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

রাঙ্গামাটি জেলার অতি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ৩৮৯টি বিদ্যুৎবিহীন বিদ্যালয় রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০০টি বিদ্যালয় অতি দুর্গম এলাকায়। বিদ্যুৎবিহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নবায়নযোগ্য জ্বালানি অধিশাখা এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বিত এই উদ্যোগের ফলে পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাঙ্গামাটির ১০টি উপজেলার এই ৩৮৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৩০০টি বিদ্যালয় অত্যন্ত দুর্গম ও যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এলাকায় অবস্থিত। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাস কিংবা ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় চলতি বছরের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক এই সোলার প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব করেন, যার প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগ নীতিগতভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।

প্রকল্পের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের তালিকা তৈরির পর তা বিদ্যুৎ বিভাগে জমা দেওয়া হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। বর্তমানে এটি ‘সবুজ পাতা প্রকল্প’ বা প্রাথমিক তালিকায় নথিভুক্ত হয়েছে, যা পরবর্তীতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) স্থান পাবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির ৫৫০টি বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে মাল্টিমিডিয়া ও টিভি সংযোগ রয়েছে এবং ১৪৯টি বিদ্যালয় ই-লার্নিং প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় এই সোলার প্রকল্পের মাধ্যমে তারা আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একইসাথে এই উদ্যোগ পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও বিশেষ অবদান রাখবে। বিদ্যুৎ বিভাগ ও পার্বত্য মন্ত্রণালয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে পাহাড়ের শিক্ষার পরিবেশ ত্বরান্বিত করতে বদ্ধপরিকর।


নির্বাচিত

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ঝরল ৩ প্রাণ, আহত ১৫

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩২
চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কের শাহরাস্তি বানিয়াচোঁ এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মধ্যে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে সংঘটিত এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৩ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন এবং অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শাহরাস্তির বানিয়াচোঁ পাটোয়ারী বাড়ির সামনে ঢাকাগামী আল-আরাফাহ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বালুভর্তি একটি হাইড্রোলিক ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। একটি যান অন্যটিকে ওভারটেক করতে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। দুর্ঘটনার বিষয়ে শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মাহবুবুর রহমান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে তাদেরকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়। ওভারটেক করতে গিয়ে বাস ও ট্রাক সড়কের উপর ছিটকে পড়েছে।’ বর্তমানে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


নির্বাচিত

মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয়, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

* সবচেয়ে বেশি ধস ইংরেজি-গণিতে  বোর্ডওয়ারি পাসের হার: * ঢাকা বোর্ড ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ * যশোর ৬৬ দশমিক ২৭ * কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ * রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ * বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ * চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ * সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ * দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ * মাদ্রাসা বোর্ডে  ৫৫ দশমিক ৪৯  * কারিগরিতে ৫৮ দশমিক ২০
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

টেস্ট পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে তিন মাসের দীর্ঘ প্রস্তুতি শেষে একবুক প্রত্যাশা নিয়ে এসএসসির লড়াইয়ে নেমেছিল ১৮ লাখেরও বেশি প্রাণ। কিন্তু চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সেই সব প্রস্তুতি আর স্বপ্নের বিপরীত এক বিবর্ণ ছবি ফুটে উঠল দেশজুড়ে। উল্লাসের বদলে ছড়িয়ে পড়ল গভীর হতাশা; সবচেয়ে বেশি ধস নেমেছে ইংরেজি ও গণিতে। বিগত প্রায় দুই দশকের সব রেকর্ড ভেঙে দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা খাত মুখ থুবড়ে পড়ল এবার। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ফল বিপর্যয়ের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়ায়নি, বরং পুরো দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরের জরাজীর্ণ কঙ্কালটিকে আবার উন্মোচিত করে দিয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার এই ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এসময় তিনি বলেন, এবার উত্তরপত্র পুনঃপরীক্ষা বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। এত দিন ফলাফল প্রত্যাশিত না হলে পুনর্নিরীক্ষণ করা হতো, যেখানে কেবল উত্তরপত্রে প্রাপ্ত নম্বরের যোগ-বিয়োগে কোনো ভুল বা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুতর কোনো ভুল ছিল নাকি সেটা দেখা হতো। নতুন করে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হতো না।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০০৭ সালের পর এবারই প্রথম পাসের হার এতটা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ২০০৭ সালে যেখানে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ২০২১ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশে। কিন্তু সেখান থেকে ধারাবাহিক পতনে এবার মাধ্যমিক পেরোনোর সূচক নেমে এসেছে অর্ধেকের কিছুটা ওপরে। একই সঙ্গে ধস নেমেছে সর্বোচ্চ মেধা তালিকার সূচক জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও।

বিভাগভিত্তিক চিত্রে দেখা গেছে, বরাবরের মতোই ফলাফলে আধিপত্য বজায় রেখেছে মেয়েরা। পাসের হার ও সর্বোচ্চ নম্বর—উভয় ক্ষেত্রেই তারা ছেলেদের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে। অন্যদিকে বোর্ডগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা, আর ফলাফলের তালিকায় সবার নিচে ঠেকেছে ময়মনসিংহ। এছাড়া সাধারণ বোর্ডের তুলনায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অবস্থান ছিল আরও করুণ। এমনকি শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শতকের ঘর পেরিয়ে গেছে, যেখানে বিদেশে থাকা কেন্দ্র থেকেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বিশেষ করে কারিগরি বোর্ডে আগের বছর কোনো শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান না থাকলেও এবার সেখানেও বড় ধস নেমেছে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার অংশ নেয় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পাস করাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।

ছাত্রীদের গড় পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এবার ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিসহ প্রায় সব ক্ষেত্রে এগিয়ে ছাত্রীরা।

১১টি বোর্ডের ফলাফলে সবার ওপরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এবং তলানিতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। তবে শুধু সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের হিসাব কষলে ফলাফলে সবার নিচে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ও ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

এছাড়া বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে মোট পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। আর অকৃতকার্য হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন।

ফলাফলের এই সূচক কেবল এক বছরের নম্বরপত্র নয়, বরং দেশের শিক্ষা খাতের ভিত্তি কতটা মজবুত—তা নিয়ে নতুন করে ভাবনার তাগিদ দিচ্ছে। এই চরম পর্যুদস্ত অবস্থার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে গণহারে ফেল করা। বিষয়টি নিয়ে এখন চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে।

শিক্ষাবিদদের মতে, প্রতি বছরই শিক্ষার্থীদের বড় অংশ এই দুটি বিষয়ে আটকে যায়। তবে উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোরতা কিংবা প্রশ্নপত্রের কাঠিন্য দিয়ে এত বিশালসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করার দায় এড়ানো যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) সাবেক পরিচালক এবং বর্তমান সৃজনশীল কারিকুলামের অন্যতম রূপকার অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান এই সংকটকে শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরের দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে নির্বাচনি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ফরম পূরণ করলো। এরপর আরও তিন মাস সে প্রস্তুতি নিল। কিন্তু বোর্ড পরীক্ষায় এসে এক-দুই বা তার বেশি সাবজেক্টে ফেল করলো? কেন ফেল করলো, কীভাবে এটা সম্ভব?

তিনি শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে শিক্ষকদের অবহেলা ও প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করে আরও যোগ করেন, কারিকুলামে যেভাবে শেখানোর কথা, সেভাবে শেখালে কেউ ফেল করার কথা নয়। প্রথমত, কারিকুলাম নামমাত্র মানে; দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। তারা মানসম্মত উপায়ে ক্লাসে পড়াতে পারেন না। আর সবশেষ যে সমস্যা তা হলো শিক্ষকরা বেতন-ভাতা কম পাওয়ায় নিজ পেশায় মনোযোগ কম দেন। এতে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের পড়াতেও তারা অবহেলা করেন। এ কারণে প্রস্তুতির ব্যাপক ঘাটতি নিয়েই এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় বসে হোঁচট খাচ্ছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা ফেল করে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। থেমে যাচ্ছে তাদের শিক্ষাজীবন।

বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণিতের শিক্ষক আশরাফ উদ্দীন তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে তুলে ধরেন শ্রেণিভিত্তিক দুর্বলতার চিত্র। তিনি বলেন, আর্টসের শিক্ষার্থীরা বরাবরই গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বল থাকে। এটা আমার শিক্ষকজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। তবে এবার খুব বেশি খারাপ করেছে। এর নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করে এই শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার বাইরে বেশি সময় কাটাচ্ছে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন ব্যবহারে তাদের সময় বেশি কাটছে। এ কারণে গণিত ও ইংরেজির মতো তুলনামূলক কঠিন বিষয়ে তারা মনোযোগ দিয়ে পড়ছে না। মানবিক বিভাগের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর টার্গেটই থাকে কোনোমতে এ দুটি বিষয়ে পাস করা। ভয় ও আতঙ্ক নিয়ে এ দুটি বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। অনেকটা সেই প্রবাদের মতো, যেখানে বলা হয়েছে, পচা শামুকে পা কাটে বেশি।

সামগ্রিক এই বিপর্যয়ের বিষয়টি স্বীকার করে নিচ্ছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, এবার তো মানবিকে সমস্যাটা বেশি। ব্যবসায় শিক্ষার ছাত্র-ছাত্রীদেরও সমস্যা আছে। আর সবচেয়ে বেশি সমস্যা হলো মাদ্রাসায়। যারা খারাপ করলো, তারা ইংরেজি ও গণিতে দুর্বল কেন তা খতিয়ে দেখা হবে। কীভাবে মানবিকের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

banner close