সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১১ ফাল্গুন ১৪৩২

তিন শান্তিরক্ষী সামরিক মর্যাদায় সমাহিত

শান্তিরক্ষী মিশনে নিহত সেনা সদস্যদের পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সেনা প্রধান। ছবি: দৈনিক বাংলা
প্রতিবেদক,
প্রকাশিত
প্রতিবেদক,
প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:০০

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনার সময় ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণে নিহত তিনজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, আজ শনিবার ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি অ্যাভিয়েশন হ্যাঙ্গারে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদসহ ঢাকা সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সব পদবির সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সেনাপ্রধান নিহত শান্তিরক্ষীদের সম্মানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে সেনাসদস্যদের মরদেহ আর্মি অ্যাভিয়েশনের হেলিকপ্টারযোগে নিজ নিজ গ্রামে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী) পাঠানো হয় এবং সেখানে সম্পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় নিহতদের দাফন করা হয়।

গত ৩ অক্টোবর সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনার সময় বাংলাদেশি আইইডি বিস্ফোরণে পড়লে তিনজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন।

প্রয়াত সেনাসদস্যদের মরদেহ ১৪ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায়।

এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১২৯ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী মারা গেছেন।



সমবেত প্রার্থনা ও সংগীতে শেষ হলো নিরালার ৩ দিনের ধর্মীয় সম্মেলন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নিরালা পুঞ্জিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্রীমঙ্গল–বড়লেখা প্রেসবিটারিয়ান মো.খ্রিস্টীয় মণ্ডলীর ৫৫তম বার্ষিক ধর্মীয় সভা। তিন দিনব্যাপী এ আধ্যাত্মিক আয়োজন গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সমবেত প্রার্থনা ও বিদায়ী সংগীতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

নিরালা পুঞ্জি এলাকায় আয়োজিত এ ধর্মীয় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় নিরালা খাসিয়া পুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে। এতে সহযোগিতা করে শ্রীমঙ্গল–বড়লেখা প্রেসবিটারি ও সিলেট প্রেসবিটারিয়ান সিনড। আয়োজন করে নিরালা প্রেসবিটারিয়ান মণ্ডলী।

গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এই ধর্মীয় সভায় সভাপতিত্ব করেন মডারেটর পালক রেভা. এবরিসন পতাম। সম্মেলনের প্রধান আকর্ষণ ছিল খাসিয়া সম্প্রদায়ের প্রায় পাঁচ হাজার ভক্তের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। প্রার্থনা, ধর্মীয় উপদেশ ও সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নেয়।

ধর্মীয় আলোচনায় বিশেষ অতিথি তেনজিং ঘোষ যিশুখ্রিষ্টের প্রেম, ত্যাগ ও প্রার্থনার গুরুত্ব তুলে ধরে ভক্তদের নৈতিক ও আত্মিক জীবন গঠনে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পালক রেভা. জি. রাজমুসেন, রেভা. এব্রিংটন পি. লং, মণ্ডলীর ডিকন সামুয়েল ধার, আরন মানার, শাকিল পামথেত, লবিং সাআট এবং খাসি প্রেসবিটারিয়ান ট্রাস্টের সম্পাদক লুকাস রংসাইসহ মণ্ডলীর অন্যান্য নেতারা।

ধর্মীয় আলোচনার পাশাপাশি ১০টি সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনায় সংগীত সভায় ভিন্নমাত্রা যোগ করে। ভক্তদের অংশগ্রহণে প্রার্থনা ও গানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

সমাপনী বক্তব্যে নিরালা পুঞ্জি প্রেসবিটারিয়ান মণ্ডলীর পক্ষ থেকে এলভিস পতাম আগত অতিথি ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে ৫৫তম বার্ষিক ধর্মীয় সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


টঙ্গীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা, গুলি বর্ষণে আহত ৬

আপডেটেড ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:০৩
টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলায় ৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়। একপর্যায়ে গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফাঁকা গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটলে এলাকা জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন (২৮), ফিরোজ মিয়া (২৭),পথচারী রোহান (২১), রবিউল ইসলাম (৩৬), নয়ন ইসলাম রাজ (৩৩) ও সাফি মিয়া (৩২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তারই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা চালায় একটি পক্ষ। এতে আহত হন রবিউল, সাফি ও নয়ন নামে তিন যুবক আহত হন। এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের এর পর গত রোববার দুপুরে ওই দোকানে আবারও হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে দুই ব্যবসায়ীসহ অন্তত তিন জনক আহত করে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে তারা। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। তবে হামলাকারীদের সনাক্ত করতে পারেনি ভুক্তভোগীরা।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংঘটিত একটি মারামারির ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তার ধারাবাহিকতায় গত রোববার বিকেলে হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারী তদন্ত করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ার খবর পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।


মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় নারীসহ আহত ৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় নারীসহ ৪ জনকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠেছে। আহতদের মধ্যে সবুজ মিয়া (৫০) গুরুতর আহত অবস্থায় ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের দেয়ালিয়াপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত সবুজ মিয়া ভালুকা মডেল থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চললেও তিনি এর প্রতিবাদ করে আসছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একই এলাকার আলাল উদ্দিন (৪৫), দুলাল মিয়া (৫০), শাকিল মিয়া (২২), রবিন মিয়া (২০) সহ অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সবুজ মিয়াকে একা পেয়ে অভিযুক্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর করে, এতে নারীসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

ভালুকা মডেল থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


নকলায় দুই ট্রাক অবৈধ সার জব্দ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নকলায় অবৈধভাবে পাচারকালে বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন বা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ৯৮০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ।

গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার উত্তর বাজারে পৃথক দুই স্থানে সৃজন এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স খন্দকার শহীদুল ইসলাম নামের ডিলার পয়েন্ট থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুই ট্রাক অবৈধ সার জব্দ করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণাত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। উপস্থিত হয়ে অবৈধ সার ভর্তি ট্রাক নকলা থানা পুলিশের সহায়তায় আটকের নির্দেশ দেয়।

অভিযুক্ত ডিলাররা বলেন, আমরা সার ক্রয় বাবদ ডিও করেছি, যার প্রেক্ষিতে ঝিনাইগাতী বাফার জোন সার প্রেরণ করেছে, কোথা থেকে প্রেরণ করেছে আমরা জানতাম না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, আশুগঞ্জ যমুনা সার কারখানা থেকে সার ভর্তি ট্রাক শেরপুর বাফার জোন ঝিনাইগাতী পয়েন্ট মজোত হওয়ার কথা ছিল কিন্তু ঝিনাইগাতী বফার জোনের ইনচার্জ এর যুকসাজসে নকলা ডিলার পয়েন্ট সার স্থানান্তরের উদ্দ্যোগ নেয়, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। যার প্রেক্ষিতে সার ভর্তি ট্রাক নকলা থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


ইফতারি শেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামে ইফতারি শেষ করার পর ১৫ বছর বয়সী রুবাইয়া খাতুন নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

নিহত রুবাইয়া খাতুন গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়নের হাড়াভাঙ্গা গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মেয়ে এবং হাড়াভাঙ্গা ডিএইচএস সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।

জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে ইফতার ও মাগরিবের নামাজের পর তিনি আত্মহত্যা করেন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন‍্য বামন্দী ক্লিনিকে নিয়ে যান।

পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. বিডি দাস জানান, হাসপাতালে পৌছানোর আগেই রুবাইয়া খাতুনের মৃত্যু হয়।

গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনে উঠান-বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বোয়ালখালীতে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন বিষয়ক উঠান-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সারোয়াতলি ইউনিয়নের খিতাপচর এলাকায় বৈঠকে ২০ জন কৃষাণ-কৃষাণী অংশ নেন।

উপস্থিত কৃষকদের পুষ্টি বাগান স্থাপন, সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার বিষয়ে কারিগরি পরামর্শ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহানুর ইসলাম। তিনি জানান, পুষ্টিকর শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি সম্ভব। এ ধরনের সরকারি উদ্যোগ প্রান্তিক কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে।

বৈঠকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিবু কান্তি নাথ ও লক্ষণ কুমার কারণ উপস্থিত ছিলেন।


স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী পেলেও এবারই প্রথম মন্ত্রীবিহীন গাজীপুরবাসী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রত্যেক মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় স্থান পেয়েছেন গাজীপুরের গর্বিত সন্তানরা। কিন্তু স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম রাজধানীর অদূরে শিল্পঅধ্যুষিত গুরুতপূর্ণ জেলা গাজীপুর থেকে মন্ত্রিসভায় কারও স্থান হয়নি। দেশ স্বাধীন, অর্থনীতি, রাজনীতি ও শিল্প খাতে অত্যন্ত গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী এ জেলার কারও সদ্য মন্ত্রিসভায় স্থান না থাকায় ক্ষোভ ও হতাশায় ভুগছেন বাসিন্দারা। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও।

গাজীপুরবাসী, দলীয় নেতা-কর্মী ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭১ সালে ১৯ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা ও বাঙালি সৈনিকরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গাজীপুর থেকে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। আর স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন গাজীপুরের কাপাসিয়ার গর্বিত সন্তান তাজউদ্দিন আহমদ। শুধু মুক্তিযুদ্ধই নয়, রাজধানীর অদূরে শিল্পঅধ্যুষিত জেলা গাজীপুর দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, শিল্প খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তৈরি পোশাকশিল্প, ভারী ও মাঝারি শিল্পকারখানা, কৃষি উৎপাদন ও দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়ণের কারণে জাতীয়ভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে এই জেলা। স্বাধীনতার পর সব সময় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে গাজীপুরের ৫টি আসনের কেউ না কেউ প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেও জেলার অনেক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী। বেগম খালেদা জিয়ার আমলে গাজীপুর থেকে আ স ম হান্নান শাহ ও এম এ মান্নান মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলেও মন্ত্রিসভায় স্থান ছিল এ জেলার একাধিক প্রতিনিধি। অতীতে বিভিন্ন সরকারের আমলে গাজীপুর থেকে অন্তত একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন- গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর ও সিটির একাংশ) আসনে মেয়র মজিবুর রহমান, গাজীপুর-২ (সদর ও টঙ্গী) আসনে এম মঞ্জুরুল করিম, গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর ও সদরের একাংশ) আসনে এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও গাজীপুর-৫ (কালিগঞ্জ ও সদরের একাংশ) আসনে এ কে এম ফজলুল হক মিলন। কিন্তু এবার বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভায় তাদের কারও স্থান হয়নি। এদের মধ্যে গাজীপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মেয়র মজিবুর রহমানের নাম মন্ত্রিসভায় গুঞ্জন ওঠলেও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী তালিকায় তারও নাম নেই। এদিকে গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুর থেকে মন্ত্রিসভায় কারও নাম না থাকায় জেলা-উপজেলা, মহানগর, পৌর বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ এ জেলার কেউ না থাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও।

তাদের ভাষ্য, মন্ত্রিসভা গঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্য, অভিজ্ঞতা ও দলীয় কৌশল বিবেচনায় নেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে গাজীপুরের মতো শিল্পসমৃদ্ধ ও জনবহুল জেলা থেকে কাউকে অন্তর্ভুক্ত না করায় আলোচনা তৈরি হওয়াটা স্বাভাভিক। মন্ত্রী হওয়া শুধু রাজনৈতিক পদ নয়, এটি উন্নয়নের একটি মাধ্যম। গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় বাসিন্দারা হতাশ হয়েছেন। তাই মন্ত্রী হলে এখানকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতো। তবে উন্নয়নের লক্ষ্যে গাজীপুরের কাউকে মন্ত্রিসভায় রাখার দাবি জানিয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মীসহ এখানকার সর্বস্তরের মানুষ।

গাজীপুর জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবি ও কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন খাঁন বলেন, ‘গাজীপুরে পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এদের মধ্যে গাজীপুর-১ আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বিএনপি প্রার্থী মেয়র মজিবুর রহমান। আমরা আশা করেছিলাম, মন্ত্রিসভায় তার ডাক পড়বে। কিন্তু ঘোষিত মন্ত্রিসভায় গাজীপুর থেকে কারও নাম নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের দাবি, তিনি যেন গাজীপুরবাসীর এ প্রত্যাশা পূরণ করেন।’

এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) কাজী ছায়েদুল আলম বাবুল বলেন, ‘দল সরকার গঠন করেছে, এতে আমরা আনন্দিত। কিন্তু গাজীপুর থেকে কেউ মন্ত্রিসভায় না থাকায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের আক্ষেপ কাজ করছে। আমরাও করছি, ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হলে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন।’


বাবার মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ দুই শিশুপুত্র

একদিন পরেই দুই ভাইকে নতুন পাঞ্জাবি কিনে দেওয়ার কথা ছিল
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় তামাক খেত থেকে এক মাংস ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কাকারা শাহ ওমর মাজার-সংলগ্ন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো সামনে তামাক খেত থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহতদের চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুজিবুর রহমান নামে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। সরেজমিনে নিহত আব্দুল মজিদের বাড়িতে পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী ওঠার দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় অশ্রুসিক্ত নয়নে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় নিহত আব্দুল মজিদের দুই শিশুপুত্র আট বছরের আব্দুর রহমান ও ছয় বছরের মোহাম্মদ মাহিমের সাথে।

একটু এগিয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গিয়ে তাদের চোখের কোনে জমে থাকা পানি মুছে কাছে আসল। জানতে চাইলাম তাদের পিতাকে কে মেরেছে?! কান্না জড়িতকণ্ঠে শিশুপুত্র আব্দুর রহমান বললেন, ‘ইফতারের পর আমার বাবা বের হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর খবর আসে বাবাকে মেরে ফেলেছে। কারা মেরেছে জানতে চাইলে শিশু মাহিম বলে ওঠে; জানি না। যারা মেরেছে তাদের ফাঁসি চাই, শাস্তি চাই আমার বাবা আমাদের কাল নতুন কাপড় নিয়ে দেবে বলেছিল। এখন আমার বাবা মারা গেছে নতুন পাঞ্জাবি কে নিয়ে দেবে? কে নিয়ে দিবে নতুন কাপড়? এ কথা বলতেই চোখে পানি চলে আসে তাদের।’

নিহত মাংস ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান (৪২) চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ফকির আহমদের ছেলে। তিনি সংসার জীবনে পাঁচ মেয়ে দুই সন্তানের জনক। টানাপোড়েনের এই সংসারের হাল ধরবে কে বলে বিলাপ ধরতে দেখা যায় তার স্ত্রীকে।

নিহত মুজিবের স্ত্রী আনোয়ারা জানান, প্রতিবেশী আরিফ ইফতারের আগে বাডি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে নিহত মুজিব বাড়ি ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে পড়ে এবং তাকেসহ আরও কয়েকজনকে মারধর করে তামাক খেতে ফেলে দেয়। ঘটনায় যে জড়িত থাকুকনা কেন আমি তার শাস্তি চাই। আমার এই টানাপোড়েনের সংসার এখন কে দেখবে?

অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম (২২) ওই এলাকার জহির আহমদের ছেলে। আরিফকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চকরিয়া থানা পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আরিফের মা শারমিনা আক্তার (৪৮) বলেন, ‘আমার ছেলে ঘটনাস্থলের পাশে স্ত্রী নিয়ে ঘর করে থাকছে কিছুদিন ধরে। সে বাড়িতে আসার পথে মুজিবসহ কয়েকজনকে হাতমুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে তাদের পরিবারকে খবর দেয়। নিহত আব্দুল মজিদের সাথে আট বছর আগে আমাদের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। আমার ছেলে যদি হত্যাকারী হতো তাহলে সে বাড়িতে বসে থাকত না পালিয়ে যেত। আমার ছেলে তাদের উদ্ধার করেছে এখন পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার ছেলে হত্যাকারী বানানোর চেষ্টা করছে। আমি আইনের কাছে সঠিক তদন্ত অনুযায়ী বিচার চাই।’

ঘটনায় আহত মোজাম্মেল হক (৪৮) বলেন, ‘আব্দুল মজিদসহ আমরা কয়েকজন একটা দাওয়াতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে তামাক খেত থেকে ওঠে এসে ১৫-২০ জন লোক আমাদের ওপর হামলা করে হাত পা বেঁধে ফেলে রাখে। প্রায় ১৫ মিনিট পর আরিফ আমাদের হাত পা খোলে দিয়ে উদ্ধার করে। আমি তাকে হত্যাকারী বলতে পারব না। তবে যেই হোক সঠিক তদন্তে আসল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার দাবি রইল প্রশাসনের প্রতি।’

ওসি মনির হোসেন বলেন, ‘নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’


চিংসা প্রু কেসিকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করার দাবি বান্দরবান সুশীল সমাজের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বান্দরবান প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পাহাড়ি-বাঙালিসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের সম্প্রীতি ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে চিংসা প্রু কেসিকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বান্দরবানের অধিকাংশ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য এ জেলায় অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের সম্প্রসারণ এবং দুর্গম এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ও দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাদের মতে, চিংসা প্রু কেসি সামাজিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষাবিস্তারে ভূমিকা এবং পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার কারণে এ দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন।

বান্দরবানের সার্বিক উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান প্রয়োজন, যিনি পাহাড়-সমতল সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে পারবেন। তারা মনে করি, চিংসা প্রু কেসি সেই যোগ্যতা রাখেন।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, ‘ব্যক্তি নয়—যোগ্যতা, সততা ও উন্নয়নমুখী চিন্তাধারাই হওয়া উচিত নেতৃত্ব নির্বাচনের মূল মানদণ্ড।’ তারা আশা করছেন, বান্দরবানের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত আসবে।’

দলিয় সূত্রে জানা যায়, চিংসা প্রু কেসি বান্দরবান জেলা বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা। যিনি, ১৯৯২ সাল থেকে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে বান্দরবান জেলা বিএনপির অবিসংবাদিত নেতা জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপির ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থেকে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০০৯ সালে সাচিং প্রু জেরীর নির্দেশনায় রোয়াংছড়ি, রুমা এবং থানছি উপজেলায় বিএনপির রাজনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। এ সমস্ত, ত্যাগ, তিতিক্ষার করেও তাকে সদ্য ঘোষিত বান্দরবান জেলা বিএনপির ৪৬ বিশিষ্ট কমিটি হতে বঞ্চিত করা হয়েছে।

দলের ত্যাগী নেতার মূল্যায়নের দাবিতে এই নেতাকে আগামী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত করার জোর দাবি জানান তারা।

এ ছাড়া তিনি একসময় সফলভাবে জেলা পরিষদের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছে বলে জানায় স্থানীয়রা। বান্দরবান দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি অং চ মং জানান, বান্দরবান জেলার সকল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে জেলা পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ পালন করে থাকে। এই পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির পক্ষ থেকে চিংসা প্রু কেসিকে নির্বাচিত করা হলে জনগণ সুফল পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

সমাজকর্মী মং ক্য শৈ নেভী বলেন, ‘জনকল্যাণে নিজেকে নিযুক্ত রাখবেন এমন চেয়ারম্যান আদিষ্ট হোক সকলেরই প্রত্যাশা। এরই পরিপ্রেক্ষীতে আগামীতে দলীয় ও সামাজিক আলোচনায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে আসার সম্ভাব্য যে বা যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে চিংসা প্রু কেসিকে নির্বাচিত করা হলে জনগণের প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হবে’ বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

এবিষয়ে চিংসা প্রু কেসি মন্তব্য করতে রাজি না হলেও দলীয় সিদ্ধান্ত ও জনগণের প্রত্যাশাকে মূল্যায়ন করবেন বলে জানান তিনি।


তিস্তা নদীতে বিচ্ছিন্ন কোনো প্রকল্প নয়: ত্রাণ মন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রংপুর জেলা প্রতিনিধি

তিস্তা নদীর নাব্যতা রক্ষা ও পাড়ের মানুষের জানমাল রক্ষায় কোনো ধরনের বিচ্ছিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। একটি পূর্ণাঙ্গ ও সমন্বিত মহাপরিকল্পনার আওতায় নদীর শাসন ও খনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সোমবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান। রংপুর বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে, অতীতে তিস্তা অববাহিকায় বিক্ষিপ্তভাবে নেওয়া নানা প্রকল্পের কারণে এই অঞ্চলের মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুফল পায়নি। তাই নতুন করে যেন কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ না নেওয়া হয়, সে বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই জোরালো অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

রংপুর অঞ্চলের উন্নয়ন ও বাজেটে বৈষম্য নিরসনে নিজের বিশেষ দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বিগত সরকারের সময় এই অঞ্চলের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়েছে। এই বৈষম্যের কারণে স্থানীয় মানুষের মনে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রংপুরের সন্তান হিসেবে তিনি আগামী বাজেটে এই বিভাগের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। এই অঞ্চলের প্রতিটি প্রকল্প যেন ন্যায্যতার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হয় এবং রংপুর বিভাগ যেন উন্নয়নের মূলধারায় শামিল হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। সরকারি দপ্তরগুলোতে বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনকে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাই এখন প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের জনজীবন যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ প্রদান করেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মানুষের চাহিদামাফিক প্রশাসনিক সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তাদের আরও বেশি আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।

মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনরায় ব্যক্ত করেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি মনে করেন, সমাজ থেকে এসব ব্যাধি নির্মূল করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। আজকের এই মতবিনিময় সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি পরবর্তীতে নিয়মিত তদারকি বা ফলোআপ করা হবে। এর আগে মন্ত্রী তাঁর দুই দিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে লালমনিরহাটে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বর্তমান সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ের এই প্রশাসনিক তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল গ্রেপ্তার

মাইনুল আহসান নোবেল। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ডেমরা প্রতিনিধি

কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করে পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, এক তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটকে রাখেন নোবেল। এ সময় জোর করে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী গত বছরের ১৩ আগস্ট আদালতে মামলা করেন। পরে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন–কে। ২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের এসআই নুরুজ্জামান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। একই দিন আদালত মাইনুল আহসান নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং ডেমরা থানা পুলিশকে আসামিদের আইনের আওতায় এনে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।

ডেমরা থানার অপারেশন অফিসার মো. মুরাদ বলেন, ‘আদালত থেকে নোবেলসহ ৪ জনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে ডেমরা থানা পুলিশকে অবহিত করলে থানা পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল করে প্রধান আসামি নোবেলকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’


বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মাতৃভাষা দিবস পালন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন করেছে রাজধানীর বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজ। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল প্রভাতফেরি, দেয়ালিকা উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অমর একুশের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে কলেজ প্রাঙ্গণ সাজানো হয়েছিল বর্ণিল সাজে। একুশের প্রথম প্রহরে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে বের করা হয় এক বিশাল প্রভাতফেরি। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ এই কালজয়ী গানের সুরে সুরে নগ্ন পায়ে সবাই কলেজের শহীদ মিনারে উপস্থিত হন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

দিবসটি যথাযথভাবে পালন উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয় বিশেষ আলোচনা সভার। কলেজের রেক্টর প্রফেসর তরুণ কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সঞ্জয় কুমার ধর এবং মাতৃভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে তথ্যবহুল বক্তব্য দেন শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তাকিয়া মাহমুদা পারভীন ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. শাফাকাত চৌধুরী সায়াদ।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যেখানে ছিল দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা আবৃত্তি। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কলেজে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক রতন কুমার ধর এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক রানজুনি চাকমা। উল্লেখ্য যে, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।


গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন শওকত হোসেন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজিপুর জেলা প্রতিনিধি

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকারকে এই সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। গত রবিবার প্রকাশিত এই আদেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশনেও নতুন প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী নতুন পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

সিটি করপোরেশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিরবচ্ছিন্ন সেবা পৌঁছে দেওয়াই এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য। অভিজ্ঞ এই রাজনীতিককে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে নগরের প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর শওকত হোসেন সরকার তাঁর প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা প্রদান করেছেন। তিনি প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর মতে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

নতুন প্রশাসক হিসেবে তাঁর অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে নগরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা এবং মশা নিধনে কার্যকরী ও ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা। এছাড়া শিল্পনগরী গাজীপুরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে তিনি বিশেষ নজর দেবেন। তিনি উল্লেখ করেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য শহর উপহার দিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণেরও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে গাজীপুর নগরীর সেবামূলক কার্যক্রমগুলো নতুন প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


banner close