বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
১১ আষাঢ় ১৪৩৩

তিন শান্তিরক্ষী সামরিক মর্যাদায় সমাহিত

শান্তিরক্ষী মিশনে নিহত সেনা সদস্যদের পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সেনা প্রধান। ছবি: দৈনিক বাংলা
প্রতিবেদক,
প্রকাশিত
প্রতিবেদক,
প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:০০

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনার সময় ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণে নিহত তিনজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, আজ শনিবার ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি অ্যাভিয়েশন হ্যাঙ্গারে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদসহ ঢাকা সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সব পদবির সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সেনাপ্রধান নিহত শান্তিরক্ষীদের সম্মানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে সেনাসদস্যদের মরদেহ আর্মি অ্যাভিয়েশনের হেলিকপ্টারযোগে নিজ নিজ গ্রামে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী) পাঠানো হয় এবং সেখানে সম্পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় নিহতদের দাফন করা হয়।

গত ৩ অক্টোবর সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনার সময় বাংলাদেশি আইইডি বিস্ফোরণে পড়লে তিনজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন।

প্রয়াত সেনাসদস্যদের মরদেহ ১৪ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায়।

এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১২৯ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী মারা গেছেন।



ফরিদা বিদ্যায়তনে এইস-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
তরিকুল ইসলাম তরুণ, কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি

পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠসংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

অ্যালায়েন্স ফর কেয়ার অ্যান্ড ইক্যুইটি (এইস)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির সমন্বয় করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, ফরিদা বিদ্যায়তনের গভর্নিং কমিটির সভাপতি নাজমা আক্তার, প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ মজুমদার, ফেস দ্য পিপল-এর উপদেষ্টা মো. শাহ আলম, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান খালেদ সাইফুল্লাহ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোশাররফ হোসাইন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক শামীম আহমেদ, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরুণ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল হাসান, দৈনিক আমার দেশের কুমিল্লা প্রতিনিধি এম. হাসান, কুমিল্লা ডিবেট ফেডারেশনের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ এবং এইস-এর রিসার্চ কোঅর্ডিনেটর হাসান মাহমুদ তারেক।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অর্জুন, নিম, কৃষ্ণচূড়া, জলপাই, বরই, আম, পেয়ারাসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সবুজায়ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।


লামা পৌরসভার ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবান জেলার লামা পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ১১ কোটি ২৩ লাখ ৩ হাজার ৬১৩ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এ বাজেট ঘোষণা করেন, পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন। এতে পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেন, থানা পুলিশের অফিসার ভারপ্রাপ্ত কায়সার হামিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রব, প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া, উপজেলা প্রকৌশলী আবু হানিফ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও চিকিৎসক মো. ফরহাদ উদ্দিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমীর কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা রুইপ্রু অং মারমা অতিথি ছিলেন।

বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৩৩ লাখ ৬৩ হাজার ৭২২ টাকা। মোট রাজস্ব ব্যয় ২ কোটি ১৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সমাপনী স্থিতি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭২২ টাকা। এ খাতে উল্লেখযোগ্য ব্যয়ের মধ্যে সাধারণ সংস্থাপন শাখার জন্য ১ কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা, স্বাস্থ্য ও পয়ঃপ্রণালি খাতে ২৫ লাখ ২০ হাজার, শিক্ষা খাতে ২ লাখ টাকা। এ ছাড়া পানি সরবরাহ ব্যয়সহ প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উন্নয়ন খাতে মোট আয় ও ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আয় বিবরণে সরকার প্রদত্ত উন্নয়ন সহায়তা মঞ্জুরি ১ কোটি টাকা, কোভিড-১৯ রিকভারি প্রজেক্ট বাবদ ৩ কোটি টাকা, জলবাযু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ৫০ লাখ টাকা, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রদত্ত মঞ্জুরি ৫০ লাখ টাকা, লামা পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (সরকার কর্তৃক বিশেষ বরাদ্দ) হতে ২০ লাখ টাকা, পৌর ভবন সম্প্রসারণ ৫০ লাখ টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৩ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। ব্যয় বিবরণে অবকাঠামো উন্নয়ন ৫ কোটি ৪০ লাখ, পৌর ভবন সম্প্রসারণ ও সংস্কার, স্টাফ ডরমেটরি নির্মাণ, পৌর ভবনের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ, মার্কেট নির্মাণ বাবদ ১ কোটি ৩০ লাখ, অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভা প্রশাসকের কর্মসম্পাদনে সহায়তা প্রদান কমিটির সদস্য, পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, লামা পৌর এলাকার বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ও সাংবাদিক প্রমুখ।


নকল নয়, এখন লক্ষ্য শিক্ষার মানোন্নয়ন: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ‘দেশে নকলের প্রবণতা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তাই সরকারের বর্তমান লক্ষ্য শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা। বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কাজ করছে সরকার।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল; বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নকল এখন আর হচ্ছে না। আমরা এখন শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। শিক্ষকদের কী কী অসুবিধা রয়েছে, কোন কোন কারণে শিক্ষার মানোন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করছি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার নির্ধারণ করা হচ্ছে।’

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা প্রসঙ্গে মন্ত্রী কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস হতে দেওয়া যাবে না। যদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা সারাজীবন বাংলাদেশ মনে রাখবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। শিক্ষায় কোনো ধরনের চালাকি চলবে না। পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সচিব, শিক্ষক, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষাব্যবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বিভাগীয় কমিশনার খলিলুল আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি, উজিরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এস এম সরফুদ্দিন সন্টু, বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ইউনুসসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা।


ভোলাকে জ্বালানি ও ব্লু-ইকোনমির কেন্দ্র গড়তে একগুচ্ছ প্রস্তাব হাফিজ ইব্রাহিমের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে উপকূলীয় ও চরাঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, নদীভাঙন রোধ, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একাধিক প্রস্তাব তুলে ধরেন।

‎‎বাজেট বক্তৃতার শুরুতে তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

‎‎সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, ‘দেশের উপকূলীয় অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে প্রতি বছর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে অনেক পরিবার বসতভিটা ও জীবিকার উৎস হারাচ্ছে।’‎

‎তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকার অন্তত ১০টি ইউনিয়ন নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ কারণে নদীভাঙন প্রতিরোধ, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং চরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানান তিনি।‎

‎বক্তৃতায় তিনি দেশের চরাঞ্চলগুলোতে কৃষি উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ‘এগ্রি-সোলার’ নীতি প্রণয়নের প্রস্তাব দেন। তার মতে, একই জমিতে কৃষি উৎপাদন ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

‎‎এ ছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম জোরদারে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট কোস্টাল গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

‎‎হাফিজ ইব্রাহিম সংসদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নদী অববাহিকা ও বদ্বীপ অঞ্চলের জন্য পৃথক তহবিল গঠনের উদাহরণ তুলে ধরে বাংলাদেশের সব চরাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য একটি পৃথক ‘চরাঞ্চল উন্নয়ন তহবিল’ গঠনের জোর দাবি জানান।

‎‎জলবায়ু পরিবর্তন ও ব্লু-ইকোনমিকে ভবিষ্যতের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত উল্লেখ করে তিনি ভোলায় একটি ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও ব্লু-ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও দেন।

‎‎জ্বালানি খাতে ভোলার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, ‘নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও গ্যাসভিত্তিক শিল্পায়নের মাধ্যমে ভোলাকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।’ এ লক্ষ্যে বোরহানউদ্দিনে একটি এনার্জি টার্মিনাল ও দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান তিনি।‎

‎স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য তিনি বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানের ১০০ শয্যা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বৃদ্ধির আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রস্তাবিত ভোলা মেডিকেল কলেজ বোরহানউদ্দিন ও লালমোহনের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের দাবি জানান।

‎‎তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ভোলা-২ আসনে একটি আধুনিক মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং কৃষি উন্নয়নের জন্য আধুনিক হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাবও দেন তিনি।

‎‎বক্তৃতার সমাপনী অংশে হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, ‘দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য উপকূলীয় ও চরাঞ্চলকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে।’ তিনি প্রস্তাবিত বাজেটে উপকূলীয় উন্নয়ন, জলবায়ু অভিযোজন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে বাজেট প্রণয়নের জন্য অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

‎‎ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে হাফিজ ইব্রাহিম বর্তমানে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।


নীলফামারীর আলোচিত মা হত্যা মামলার প্রধান আসামি আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন, নীলফামারী

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বহুল আলোচিত মা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. মাজহারুল আনোয়ার রুবেলকে (ছদ্মনাম নয়) ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেনের সার্বিক নির্দেশনা এবং কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে গত ২৪ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত রুবেল নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ থানায় দায়ের করা বহুল আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ৪ জুন মাকে হত্যার পর মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা নং-০২, পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই প্রধান আসামি আত্মগোপনে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আশুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

গ্রেফতারের পর আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হবে।


নদীভাঙনে কৃষিজমি হারানোর শঙ্কা, দ্রুত সংস্কারের দাবি কৃষকদের

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারত সীমান্তঘেঁষা গোমড়া গ্রাম ইতোমধ্যেই ‘সবজি গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। গ্রামের প্রায় শতভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতির মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন।

এ গ্রামের প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে শিম, কাঁকরোল, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, ধুন্দল, করলাসহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজি। স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত এসব সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হয়।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামটি নানা অবকাঠামোগত সমস্যায় ভুগছে। শুকনো মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে ফসলি জমি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া নদীভাঙনের কারণে কৃষিজমি হারানোর আশঙ্কাও বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘কৃষিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করতে হলে গোমড়া গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, ভাঙনরোধ এবং প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ জরুরি।’

গোমড়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বসতভিটার আঙিনা ছাড়া প্রায় সব জমিই চাষাবাদের আওতায়। তাই ভাঙনরোধ ও রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।’

কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার কৃষিবান্ধব হলেও আমাদের এলাকার কৃষিজমি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত তাই সামগ্রিক উন্নয়নের উদ্যোগ প্রয়োজন।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘গোমড়া গ্রামের সর্বত্র কৃষির বিস্তার রয়েছে। রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, ভাঙনরোধ এবং প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ করা গেলে এ এলাকার কৃষকরা জাতীয় কৃষি উৎপাদনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।’


কুমিল্লা নগরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইথান আহমেদ প্রেম নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৪ জুন) রাত থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়।

রাতের ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালেও দুই গ্রুপ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় গুলিবর্ষণের ঘটনায় পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইথান আহমেদ প্রেম।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


মেহেরপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মরেছে ৩ বিঘা পুকুরের মাছ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জুগিন্দা গ্রামের একটি মাছ চাষের পুকুরের ২০ লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা গেছে। পুর্বশত্রুতার জের ধরে অজ্ঞাত কেউ বিষ ঢেলে মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ মাছ চাষী কামরুজ্জামানের।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরে মাছ মরে ভেসে উঠলে বিষয়টি তার নজরে আসে।

জানা গেছে, কামরুজ্জামান ৩ বিঘা পুকুরে মাছ চাষ করেছেন। দুই বছর ধরে পাঙ্গাস জাতীয় মাছ চাষ করছেন । একেকটি মাছ ৭-১২ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়েছে। কয়েকদিন পরেই মাছ বিক্রি করতেন তিনি।

অথচ আজ সকালে স্থানীয়রা পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন। পুকুর মালিক লোকজন নিয়ে মাছ তুলে বিক্রির চেষ্টা করেছেন। তবে বিষে আক্রান্ত নেই বেশিরভাগ মাছে পচন ধরেছে। এতে তার ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান মাছ চাষী কামরুজক্জামান।

দ্রুততম সময়ে বিষয়টির তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


ভাঙ্গুড়ায় “ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা সভা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের সার্বিক প্রস্তুতি, শিশুদের মাঝে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণের কার্যক্রম, মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক উদ্যোগ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার পরিকল্পনা টিএইচ এ ডা হালিমা খানম লিমা, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মিজানুর রহমান এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা.সাব্বির রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনে ব্যর্থ বিএসএফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর পাতাড়ী সীমান্তে পুশইন চেষ্টার শিকার হওয়া ৯ নারী-শিশুকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ফিরিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নওগাঁ-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এক প্রেস নোটের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। প্রেস নোটে বলা হয়, গতকাল সারাদিন সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে প্রায় ১০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল ওই ৯ জন।

তবে বর্তমানে তাদের কোনো অবস্থান বা চলাচল দেখা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময়ে বিএসএফ তাদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় নওগাঁর সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা বাড়িয়েছে বিজিবি। জেলার প্রতিটি সীমান্ত চৌকিতে (বিওপি) টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।


আষাঢ়-শ্রাবণে চালিতা ফুলের স্নিগ্ধতায় মুখর শরণখোলা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 

আষাঢ় মাসের বর্ষণমুখর প্রকৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে চালিতা ফুল। উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের শরণখোলার গ্রামের রাস্তার ধারে, খালের পাড়ে এবং বসতভিটার আশপাশে ফুটে থাকা সাদা রঙের এই ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বর্ষার আগমনী বার্তার সঙ্গে প্রকৃতিকে স্নিগ্ধ ও মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে চালিতা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য।

স্থানীয়রা জানান, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে চালিতা গাছে ফুল ফোটে। ফুলের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক আবহ পরিবেশকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে ফুলের সৌন্দর্য বেশি উপভোগ করা যায়।

প্রকৃতিপ্রেমী টিকেন্দ্রনাথ মাঝি বলেন, ‘বর্ষা এলেই চালিতা ফুলের জন্য অপেক্ষা করি। সাদা রঙের ফুলগুলো প্রকৃতির মাঝে এক অন্যরকম সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। ফুলগুলো দেখলে মন ভালো হয়ে যায়।’

ষাটোর্ধ্বো তাফালবাড়ি বাজারের স্থানীয় বাসিন্দা মন্নান হাওলাদার বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই চালিতা ফুল দেখে আসছি। বর্ষাকালে গাছে যখন অসংখ্য ফুল ফোটে, তখন চারপাশের পরিবেশ অনেক সুন্দর লাগে।’

এদিকে প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, অপরিকল্পিতভাবে গাছ কাটা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের কারণে অনেক দেশীয় গাছ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই চালিতাসহ দেশীয় বৃক্ষ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


খুলনায় আড়াই হাজার কেজি পলিথিন জব্দ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা নগরীর বড় বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি গোডাউন থেকে ২ হাজার ৫৪২ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। গত বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উত্তম এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউনে অভিযান চলাকালে মালিক পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের উপস্থিতিতে গোডাউন দুটির তালা ভেঙ্গে ২ হাজার ৫৪২ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে উত্তম এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মোঃ হারুন-অর-রশীদ ও পরিদর্শক মোঃ আসিফ আলম এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র কেমিস্ট তানভীর হায়দার, পরিদর্শক মারুফ বিল্লাহ।


হালুয়াঘাটে মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সুমন আহম্মেদ, হালুয়াঘাট প্রতিনিধি

"যুব সমাজ জাগো, মাদককে না বলো" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা বাজারে মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর আড়াইটায় ধারা বাজার মাদকমুক্ত যুব সমাজ সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ধারা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসমাজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদক ও জুয়া বর্তমানে সমাজের অন্যতম বড় ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম মাদকের ছোবলে বিপথগামী হচ্ছে, যা পরিবার ও সমাজের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, “মাদক ও জুয়া পরিহার করুন, নিজে বাঁচুন এবং আগামী প্রজন্মকে বাঁচতে দিন।” তারা যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

‘চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা মাদকের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সমাজ থেকে মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ড নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।


banner close