মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

মা-ছেলেসহ চারজনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন  

জমি নিয়ে বিরোধ
টঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত
টঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৪:৪৭

টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ মা, দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে।

৯৯৯-এ কল করে নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরা মুক্ত হন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মধুপুর পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, নির্যাতনের শিকাররা হলেন ওই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোসনা বেগম। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলমগীরকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে এবং শাফিয়া ও জ্যোসনাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, পুন্ডুরার মৃত নুরুল ইসলামের দুই ছেলে আলমগীর, জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী কালু মিয়া সেখসহ তার ভাইদের সঙ্গে ১.১৯ একর জমি নিয়ে বিরোধ বহুদিন থেকে। দুই পক্ষের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা চলছে। মঙ্গলবার সকালে কালু মিয়া গং বিবদমান ৬০ শতক জমিতে গিয়ে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। আলমগীর, জুব্বাররা বাধা দিতে গেলে তাদের প্রথমে পিটিয়ে পরে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে তারা। মা শাফিয়া ফেরাতে গেলে প্রতিপক্ষ তাকেও গাছে বেঁধে ফেলে। পরে নির্যাতিতদের পক্ষে ৯৯৯-এ কল করে সাহায্য চাওয়া হলে মধুপুর থানা পুলিশ এসে বাঁধা অবস্থা থেকে তাদের উদ্ধার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হারুন অর রশীদ ও স্থানীয় মাতাব্বররা ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। মধুপুর থানাকে ফোন করে জানানো হয়।

এ বিষয়ে মধুপুর থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, দুই পক্ষকে ডেকে এনে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তি রক্ষায় জমিতে যেতে বারণ করা হয়েছে।


'বঙ্গবন্ধু বিচ' নয়,সৈকতের নাম সুগন্ধাই থাকছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ ও কলাতলী ও সুগন্ধা বিচের মাঝখানের এলাকাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা বিচ’ নামকরণের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণনালয়। সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ ও ‘মুক্তিযোদ্ধা বিচ’ নামের আরেকটি নতুন নামকরণের সিদ্ধান্ত দিয়ে নানান আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।

গতকাল রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব মোঃ সাহেব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পূর্বে পাঠানো নির্দেশনার উপর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশনাক্রমে অনুরোধ করা হলো। একই সাথে পূর্বে পাঠানো পত্রটি বাতিল বলে গণ্য করা হলো।

উল্লেখ্য, সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের জন্য মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সোলায়মান মিয়া এ বিষয়ে আবেদন করেছিলো। পরে তা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির ১৩ তম সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হলে মন্ত্রণালয় সেটি বাস্তবায়নের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলো।


পটুয়াখালীতে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ মার্কার মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে। পলিথিন মোড়ানো পোষ্টার টানানোর ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না তিনি। অন্যান্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করলেও মেয়র মহিউদ্দিন সেটি করছেন।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সকল প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী পোষ্টার ব্যবহার করছেন। তবে এরইমধ্যে নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করে শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ মার্কার মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে। যা নিয়ে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র ২এর ২১নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার প্রচালনা পরিচালনায় এবং নির্বাচনী প্রচারনায় পোষ্টার ব্যবহারে প্লাষ্টিক দিয়ে মোড়ানো বা পোষ্টার প্লাষ্টিক পলিথিন লেমেনিটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে’। এই ধারা উল্লেখ করে প্রতিক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিসার পলিথিন মোড়ানো পোস্টার না লাগাতে নির্দেশনা দেন ’।

কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোববার রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোষ্টার সাঁটিয়েছেন গোটা শহরে। বিষয়টি অন্যান্য সকল প্রার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে গত রাত পর্যন্ত অন্যান্য প্রার্থীদের পলিথিন ছাড়া টানানো পোষ্টার গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার। অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ মার্কার মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, সকালে পোস্টার লাগানো হলেও বিকালে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ার কারনে সেই পোষ্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরেরদিন সকালে আবার পোষ্টার লাগাই, তবুও নির্বাচন কমিশনের আইন মেনে পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি। কিন্তু একজন প্রার্থী কেন তার পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করবে? এগুলো কি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? আমার মতে, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।

পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ জাহিদ হোসেন জানান, প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবেনা। পোষ্টারে পলিথিন লাগানো আইনগত দন্ডনীয় অপরাধ। যে কারণে আমরা পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।

৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোষ্টারে পলিথিন লাগাইনি। দেযালে পোষ্টার আঠা পলিথিন লাগানো সম্পূর্ন নিষেধ।

এ ব্যাপারে জগ মার্কার মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাচনী আচরণবিধিতে বলা হয়েছে কোন প্রার্থী তাদের পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবে না। যদি কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকে তবে আমাদের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।


 গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে কনেকে চুমু, ‘প্রেমিক’ গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথির সামনে কনেকে চুমু দেয়ায় ‘প্রেমিক’কে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়ে‌ছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় দরিদ্র পরিবারের বাবাহারা মেয়েটির বিয়ে ভেঙে গেছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওই কিশোরী স্কুলে পড়ার সময় উজিরপুর উপজেলার ছত্তার হাওলাদারের ছেলে জিহাদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর জিহাদ হাওলাদার অন্যত্র বিয়ে করেন।

এদিকে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে ওই কিশোরীর বিয়ে ঠিক হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে কনের বাড়িতে গায়ে-হলুদ দিতে আসে বর পক্ষের লোকজন। অনুষ্ঠান চলাকালে জিহাদ ওই বাড়িতে এসে উপস্থিত লোকজনের সামনে ওই কিশোরীকে চুমু দেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয়রা ‘প্রেমিক’ জিহাদকে ধরে মারধর করে ওই রাতেই আগৈলঝাড়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

এদিকে এ ঘটনার পর বর পক্ষ বেঁকে বসে। তারা এই বিয়েতে রাজি নয় বলে মেয়ের পরিবারকে জানিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় কনের মা বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ওই ‘প্রেমিক’কে গ্রেপ্তার করে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

ওই কিশোরীর মা বলেন, ‘আমাদের জায়গা-জমি নেই। আমার স্বামী একজন দরিদ্র কৃষক ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর ৯ বছর ধরে অন্যের সাহায্যে এক ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে চারজনের সংসার কষ্টের মধ্যে চালিয়ে আসছি। এখন মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় মহাবিপদে পড়েছি।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত যুবক জিহাদকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর বরপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ভেঙে যাওয়া বিয়ে পুনরায় আয়োজনের চেষ্টা করছি।’


নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল শিশুর মরদেহ

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:০৮
রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের পীরগাছায় নিখোঁজের দুই দিন পর উম্মে হাবিবা (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সকালে উপজেলার চালুনিয়া বিলের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হাবিবা উপজেলার চালুনিয়া পানাতিপারা গ্রামের আব্দুল হাকিমের মেয়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় উম্মে হাবিবা। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাননি পরিবারের লোকজন। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের চালুনিয়া বিলের একটি পুকুরে শিশু উম্মে হাবিবার মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

বিষয়:

পাবনায় বিদেশি অস্ত্রসহ ৫ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:৫৮
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় বিদেশি অস্ত্রসহ পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পাবনা সদর থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ বেশকিছু ধারাল অস্ত্র জব্দ করা হয়।

সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী।

এর আগে রোববার রাতে শহরের দক্ষিণ রামচন্দ্রপুরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, পাবনা পৌর এলাকার দিলালপুর আফনান আহমেদ আবির (২০), শালগাড়িয়া শাপলা প্লাস্টিক গলি এলাকার ইসতিয়াক জামান নূর (২০), দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর পলিথিন রোড এলাকার মিজানুর রহমান নাঈম (২০), আবু হুরায়রা জনি (২০) এবং শান্তিনগর এলাকার রাফসান আবির (২৪)।

ওসি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাবাজার পলিথিন মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে বিদেশি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি, হাত কুড়াল, দুইটা টিপ চাকু জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশ একাধিক মামলার আসামি। তারা শহরে প্রায় সময়ই বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত করে থাকে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।’

বিষয়:

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:৫২
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। মৃত ওই কয়েদি ঝিনাইদহ জেলা শহরের পরবহাটি গ্রামের আতিয়ার লস্করের ছেলে মিলন লস্কর।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের জেলার মহিউদ্দিন হায়দার।

তিনি জানান, কারাগারেরর চিত্রা ৩নং ওয়ার্ডের কয়েদি ছিলেন মিলন। ফজরের নামাজ শেষে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত ২ জানুয়ারি মিলনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। সেই থেকে কারাগারের চিত্রা ৩ নং ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল তাকে। হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিষয়:

২ সন্তানসহ সৎ খালাকে হত্যার দায়ে এক জনের মৃত্যুদণ্ড

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:৪৯
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে সৎ খালা ও তার দুই ছেলেকে হত্যার দায়ে আইয়ুব আলী নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে আরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফজলে খোদা মো. নাজির এ আদেশ দেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টোনোগ্রাফার রাশিদুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে আইয়ুব আলী তার সৎ খালা রওশন আরার বাড়িতে যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়া তাঁত শ্রমিক আইয়ুব আলী রওশন আরার কাছে টাকা ধার চায়। পরে ধার না পেয়ে গভীর রাতে রওশন আরার ঘরে থাকা চারটি ট্রাংক খুলে টাকা চুরির চেষ্টা করে সে। পরে রওশন আরা ঘুমের মধ্যে নড়ে উঠলে চুরির বিষয়টি বুঝতে পেরেছে ধারণা করে তার বুকে শিল পাথর দিয়ে আঘাত করে আইয়ুব। এরপর গলাটিপে তাকে হত্যা করে। এসময় রওশন আরার পাশে ঘুমিয়ে থাকা তার তিন বছরের শিশু মাহিন কান্নাকাটি শুরু করলে তাকেও গলাটিপে হত্যা করে আইয়ুব। তখন রওশন আরার অপর সন্তান জিহাদ জেগে উঠলে তাকেও গলাটিপে হত্যা করে ঘরের দরজা লাগিয়ে পালিয়ে যায় আইয়ুব। ঘটনার তিনদিন পর ১ অক্টোবর বিকেলে নিজ ঘর থেকে সুলতান আলীর স্ত্রী রওশন আরা, তার দুই শিশু সন্তান মাহিন ও জিহাদের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওইদিন রাতেই নিহতের ভাই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও বেলকুচি থানা পুলিশ চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম রোববার (২ অক্টোবর) দিনগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উল্লাপাড়ার নন্দিগাতি গ্রাম থেকে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা আইয়ুব আলীকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে আলামত উদ্ধার করা হয়। পরে আইয়ুব আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত শেষে আইয়ুব আলীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মোট ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামীর উপস্থিতিতে আজ আদালত এ রায় দেন। রায়ের পর আসামীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়:

২ সন্তানসহ মায়ের মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:৫৬
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বসতঘর থেকে শিশু ছেলে-মেয়েসহ প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামে নিজ বসতবাড়ি থেকে ওই তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তারা হলেন, সৌদি আরব প্রবাসী আলী মিয়ার স্ত্রী সায়মা বেগম (৩৩), তার মেয়ে ছাইমুনা (১১) ও ছেলে তাওহীদ (৭)।

প্রাথমিক ধারণার ভিত্তিতে পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, ঋণগ্রস্থ ছিল পরিবারটি। সেই চাপ সইতে না পেরে বিষ খাইয়ে ছেলে-মেয়েকে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নারী।

আলী মিয়ার বড় বোন বলেন, ‘আমার ভাই ঋণগ্রস্থ ছিল। এ নিয়ে ভাবির ওপর চাপ ছিল। সেসব বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে।’

সিরাজদিখান সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান রিফাত জানান, ‘উদ্ধার তিন জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।’


চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগ কমিটিতে সভাপতি-সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ১৪০০ জন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরই মধ্যে গঠন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। এ দুটি পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন ১৪০০ জন। তারা পদে আসতে নানাভাবে চেষ্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি নগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ করা হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি ছিল শেষদিন। পরে সময় বাড়িয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়।

জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে নগর ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ এমইএস এবং সিটি কলেজ বলয়কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। এবারও নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে এই দুটি কলেজের ছাত্রদের আধিক্য বেশি। তবে এবার নতুন কমিটির শীর্ষ দুটি পদের একটি এই দুই কলেজের বলয়ের বাইরে যেতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার ১৪০০টি জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়লেও আলোচনায় আছে ১৫ থেকে ২০ জন। এদের মধ্যে থেকেই শীর্ষ পদে আসতে পারেন। তাদের বেশির ভাগই নগরের এমইএস, সিটি ও ইসলামিয়া কলেজকেন্দ্রিক ছাত্রলীগ নেতা। তবে এবার তিন কলেজকে ডিঙিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ সরকারি মহসীন কলেজ। ১৯৮২ সাল থেকে সাড়ে তিন দশক ধরে ছাত্রশিবিরের দখলে ছিল চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসীন কলেজ। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে শিবিরের দখলমুক্ত করে নগর ছাত্রলীগ। এরপর থেকে ছাত্রলীগের কার্যক্রম শক্তভাবে চলে আসছে। এ কারণে এ দুই কলেজকে প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নগর ছাত্রলীগের কমিটির জন্য পদপ্রত্যাশী নেতা-কর্মীরা মূলত দুটি বলয়ে বিভক্ত। তাদের একটি পক্ষ হচ্ছে প্রয়াত সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। এই পক্ষ বর্তমানে মহিউদ্দিনপুত্র শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী বলে নিজেদের পরিচয় দেন। অন্য পক্ষটি হলো নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলয়ের।

ছাত্রলীগের নতুন কমিটির পদ ভাগিয়ে নিতে নওফেল ও নাছির অনুসারীদের মধ্যে স্নায়ু লড়াই চলছে। নগর যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির শীর্ষ পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন নওফেল অনুসারীরা। ছাত্রলীগের কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও কী নওফেল অনুসারীরা প্রাধান্য পাবে- তা এখন বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং নগর কমিটির সভাপতি পদপ্রত্যাশী মাহমুদুল করিম বলেন, ‘আমি সিভি জমা দিয়েছি। চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ শিবিরমুক্ত করতে আমরা কি করেছি সেটা সবাই জানে।

আমাদের প্রত্যাশা, ত্যাগী ও কর্মঠ কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে।’

নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু বলেন, ‘নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের জানিয়েছি। তারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করেই দ্রুত কমিটি ঘোষণা করবেন বলে আশা করি।’

নগর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নূরুন নবী সাহেদ, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হায়দার, কোতোয়ালি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিন্দ্য দেব, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পলাশ, মহসিন কলেজের মায়মুন উদ্দীন, ওমরগণি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হানিফ, সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রলীগের আশীষ সরকার, মুহাম্মদ তাসিন, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের মীর মুহাম্মদ ইমতিয়াজ, শাহাদাত হোসেন হীরা, ইমন হোসেন, আজিজুর রহমান, মিজানুর রহমান, নগর ছাত্রলীগের উপ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী, উপ-ছাত্রবৃত্তিবিষয়ক সম্পাদক এস এম হুমায়ন কবির আজাদ, নগর ছাত্রলীগ নেতা ফাহাদ আনিস ও খালেকুজ্জামান, কলেজ ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।

এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি এম এ আহাদ চৌধুরী রায়হান বলেন, চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে স্থান পেতে ১ হাজার ৪০০ বায়োডাটা জমা পড়েছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেবেন কি করা যায়। কেন্দ্রের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সেটা সিদ্ধান্ত নেবেন।

২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর ইমরান আহমেদ ইমুকে সভাপতি ও নুরুল আজিম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে নগর ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন নুরুল আজিম রনি। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীরকে।


বাংলাদেশের সীমান্তে ভাসছিল বিএসএফ সদস্যের মরদেহ

শনিবার সকালে ইছামতি নদীর চর থেকে বিএসএফ সদস্যর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে বিজিবি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৮:৫১
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার হাড়দ্দহায় ইছামতি নদীর চর থেকে এক ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) সদস্যর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার সকালে বিএসএফ সদস্যের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বিজিবিকে খবর দেন স্থানীয়রা।

সাতক্ষীরার শাখরা বিওপি ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নায়েক সুবেদার আনিসুর রহমান জানান, নিহত বিএসএফ সদস্যের নাম মোহাম্মাদ রিয়াজ উদ্দীন (৩০)। তিনি ভারতের ৮৫ বিএসএফ ব্যাটেলিয়নের আওতাধীন সোবাহাম বিএসএফ ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নদী ইছামতিতে টহলে বের হন। ওই সময় ঝড় ও বৃষ্টির কবলে পড়ে নৌকাটি উল্টে যায়। টহলে থাকা অন্য তিন সদস্য সাঁতার কেটে কুলে উঠতে পারলেও রিয়াজ ডুবে মারা যান। পরবর্তীতে ইছামতির বাংলাদেশ সীমান্তের পাড়ে মরদেহ ভাসতে থাকে। বিজিবি ও বিএসএফের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিএসএফ সদস্যদের কাছে মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সানবির হাসান মজুমদারও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিষয়:

গজারিয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় নারী পথচারী নিহত

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৩৮
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলা সড়কের গজারিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিয়াদ হোসেন।

নিহতের নাম সীমা আক্তার (২৮)। তিনি গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল গাফফার মিয়ার মেয়ে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দ্রুত গতির একটি অটোরিকশা পথচারী সীমা আক্তারকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই রিয়াদ বলেন, ‘মরদেহ বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আমরা অটোরিকশাটি শনাক্তের চেষ্টা করছি।’


নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় শারমীন আক্তার (৩০) নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাটুরিয়ার ধানকোড়া ইউনিয়নে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শারমিন আক্তার সাটুরিয়ায় ধানকোড়া ইউনিয়নের বরুন্ডি এলাকার মো. মনোয়ার হোসেনের মেয়ে।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১২টার দিকে সাটুরিয়া কৃষি ইনস্টিটিউটের পাশে শারমীন আক্তারের গলাকাটা মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের গলায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও পুলিশ জানায়।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্যা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তাকে জবাই করে হত্যা করা হতে পারে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিষয়:

মোংলায় ৯৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ডুবোচরে আটকা লাইটার জাহাজ

আপডেটেড ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:২৪
বাগেরহাট প্রতিনিধি

মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া এলাকায় ৯৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে তলা ফেটে ডুবোচরে আটকা পড়েছে এমভি ইশরা মাহমুদ নামক একটি লাইটার জাহাজ।

জাহাজটি কয়লা বোঝাই করে শনিবার সকালে যশোরের নোয়াপাড়ায় যাওয়ার পথে মোংলার পশুর নদীর কানাইনগর এলাকায় এ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসময় জাহাজটির চালক নৌযানটিকে নদীর তীরে উঠিয়ে দেয়ায় জাহাজটি পুরোপুরি ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়।

বাংলাদেশ লাইটার শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের মোংলা শাখার সহ-সভাপতি মাইনুল হোসেন মিন্টু জানান, মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া-৬ নম্বর এলাকায় অবস্থানরত এমভি পারস নামক একটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ৯৫০ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে এমভি ইশরা মাহমুদ লাইটারটি। শনিবার সকালে লাইটারটি ছেড়ে যায় নোয়াপাড়ার উদ্দেশে। পশুর চ্যানেলের কানাইনগর এলাকায় ডুবোচরে আটকে তলা ফেঁটে যায় লাইটারটির। দ্রুত চালক নৌযানটিকে নদীর তীরে উঠিয়ে দেয়। এতে লাইটারটি ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপটেন শাহীন মজিদ জানান, লাইটার জাহাজটি পশুর নদীর জাহাজ চলাচলের মূল চ্যানেলের বাইরে থাকায় অন্যান্য জাহাজ বা নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বিষয়:

banner close