বুধবার, ২২ মে ২০২৪

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিস্তলসহ আটক ১

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১১ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৭:১৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৭:০৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ২১ রাউন্ড গুলিসহ এনামুল হক (৫৬) নামে একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

এনামুল শাহবাজপুর ইউনিয়নের উপর চকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে র‌্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এনামুল হকের বাড়িতে বুধবার রাতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ২১ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।

শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর এনামুল হককে থানা পুলিশের কাছে হস্তাক্ষর করেছে র‌্যাব।

বিষয়:

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনের সাজা  

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মতিঝিল থানার নাশকতার মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় সাতজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।

এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আজহারুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আর সাজাপ্রাপ্ত ১০ আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে নাশকতার অভিযোগে মতিঝিল থানায় মামলাটি করা হয়।

বিষয়:

মিল্টনের আশ্রম থেকে কন্যাকে ফেরত পেতে আদালতে বাবা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিল্টন সমাদ্দারের চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার থেকে শিশুকন্যা তাইবাকে (৮) নিজের হেফাজতে নিতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বাবা তোফাজ্জল হোসেন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার এবং সাধারণ সম্পাদক মিতু হালদারকে বিবাদী করে গত ২৪ মার্চ এ মামলা করেন তিনি। বর্তমানে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতে মামলাটি বিচারাধীন আছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী হাসান আল জাবির তালুকদার সনি আজ মঙ্গলবার বলেন, ‘মামলার পর আদালত বাবা এবং সন্তান তাইবার ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে বিবাদীদের শিশু তাইবাকে নিয়ে আজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু মিল্টন সমাদ্দার জেলে থাকায় বর্তমানে শামসুল হক ফাউন্ডেশন চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ারের দায়িত্বে থাকায় ডিএনএ পরীক্ষা হয়নি। আর এ কারণে শিশু তাইবাকেও আদালতে হাজির করা হয়নি। এ জন্য আমরা তাইবাকে হাজির করতে শামসুল হক ফাউন্ডেশনকে আদেশ দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছি।’

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদী ২০১২ সালের ১৬ নভেম্বর মোসা. সুরমা আক্তারকে বিয়ে করেন। ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর কন্যা তাইবার জন্ম হয়। স্ত্রীর অসুস্থ অবস্থায় ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর তাইবা হারিয়ে যায়। এরপর খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে বাদী চাইল্ড অ্যান্ড এইজ কেয়ার নামীয় প্রতিষ্ঠানের ফেজবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে নিজের মেয়েকে দেখতে পান।

এরপর ২০২৩ সালের ৪ মে বিবাদীর কাছে গিয়ে নিজের কন্যাসন্তানকে চিহ্নিত করেন। ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট বিবাদীরা বাদীর কন্যাকে দেবেন না বলে জানিয়ে দেয়। ২০২৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনের মধ্যে নিজের কন্যাকে ফেরত দেওয়ার জন্য লিগ্যাল নোটিশ দেন তোফাজ্জল হোসেন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১ মে রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার বিরুদ্ধে জাল মৃত্যু সনদ তৈরি, টর্চার সেলে নির্যাতন ও মানবপাচারের অভিযোগে তিনটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

বিষয়:

ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল

অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল থাকবে এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ভর্তির সময় হওয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। কমিটিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের একজন প্রতিনিধি এবং বুয়েটের একজন আইটি এক্সপার্টকে রাখতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে আদালত বলেছেন, ১৬৯ শিশুর ভর্তি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে অভিভাবকরা দায় এড়াতে পারেন না।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও আইনজীবী শামীম সরদার। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ বিষয়ে একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই স্মারক মতে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ১ জানুয়ারি ২০১৭ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। এভাবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫৯ জন এবং ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ জন। মোট ১৬৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়।

মাউশির নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। এরপর গত ৬ মার্চ হাইকোর্ট আদেশ দেন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নেওয়া হোক।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিল বিভাগ গত ২০ মার্চ হাইকোর্টের জারি করা রুলটি ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন।

রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেওয়ার মাধ্যমে আজ ওই স্থিতাবস্থা কেটে গেল। এখন হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ।


নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বললেন জেনারেল আজিজ

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ মে, ২০২৪ ১৭:১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনিয়ম ও দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আজিজ জানান, শাস্তি পাওয়ার মতো কোনো কাজ তিনি করেননি। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তা অসত্য এবং সঠিক নয়। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে তার জন্য প্রযোজ্য নয় বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সেনাপ্রধান হিসেবে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ভাই বা আত্মীয়দের কন্ট্রাক্ট দিয়েছি- কেউ সেটা প্রমাণ করতে পারলে যে কোনো কনসিকোয়েন্স বা পরিণতি আমি মেনে নিতে প্রস্তুত।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে জানতে চাইলে আজিজ আহমেদ বলেন, ‘আমি অবাক হয়েছি। আমি এখানে দেখতে পাচ্ছি, “অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন” অনুষ্ঠানে যে অভিযোগ দুটি আনা হয়েছিল, সেটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। যদিও এখানে এত কিছু বিস্তারিত বলা হয়নি, কিন্তু একই জিনিস।’

তিনি বলেন, ‘প্রথম অভিযোগ হলো- আমি আমার ভাইকে বাংলাদেশের প্রচলিত যে আইন আছে, তার অপরাধ কর্মকাণ্ড থেকে সে যেন এড়িয়ে চলতে পারে সেজন্য আমি আমার পদ-পদবি ব্যবহার করে তাকে সহযোগিতা করে দুর্নীতি করেছি। দ্বিতীয়ত হলো- আমি সেনাপ্রধান হিসেবে আমার ভাইকে সামরিক কন্ট্রাক্ট দিয়ে ঘুস নিয়েছি; আমি আরেকটি দুর্নীতি করেছি।’

‘প্রথম অভিযোগের বিষয়ে বলবো আমার সেই ভাই, যদিও এখানে নাম উল্লেখ করা হয়নি, আমি জেনারেল হওয়ার অনেক আগে থেকে বিদেশে এবং নিশ্চয়ই সে বৈধ পাসপোর্ট নিয়েই বিদেশে গিয়েছে। সেখানে দেশ থেকে চলে যাওয়ার বা দেশের প্রচলিত আইন ফাঁকি দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি আমার পদ-পদবি ব্যবহার করেছি এই অভিযোগ আমি মেনে নিচ্ছি না। মেনে নিতে পারি না, এটি সঠিক না।’

‘দ্বিতীয় অভিযোগের ক্ষেত্রে বলবো, আমি চার বছর বিজিবি প্রধান এবং তিন বছর সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কেউ যদি একটা প্রমাণ দিতে পারে আমি আমার ভাই বা আত্মীয়কে বিজিবি বা সেনাবাহিনীতে কোনো কন্ট্রাক্ট দিয়েছি, আমি যে কোনো কনসিকোয়েন্স মেনে নিতে প্রস্তুত আছি। আমি আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন বা ভাইকে কোনো কন্ট্রাক্ট দেইনি।’

গণমাধ্যমকর্মীদের খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ভাইদের কারও বিজিবি বা সেনাবাহিনীতে ঠিকাদারি করার জন্য কন্ট্রাক্ট নেওয়ার কোনো ধরনের লাইসেন্স আছে কি না খোঁজ নিলেই পেয়ে যাবেন।

আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আজিজ আহমেদ কোনো প্রতিক্রিয়া জানাবেন কি না- জানতে চাইলে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমার জানানোর কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি দুটি প্রশ্নের জবাব দিয়েছি। আমার মনে হয়, আর কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কিছু নেই।’

গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার কারণে সাবেক জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদকে আগে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ফরেন অপারেশন অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্টের ৭০৩১ (সি) ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর। ফলে আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অযোগ্য হবেন।’

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের অবমূল্যায়ন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা কমেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি এড়াতে সহযোগিতা করেন। এটি করতে গিয়ে তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। এ ছাড়া অন্যায্যভাবে সামরিক খাতে কন্ট্রাক্ট পাওয়া নিশ্চিত করতে তিনি তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি নিজের স্বার্থের জন্য সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুস নিয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসন শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনরায় নিশ্চিত করা হলো।


গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে হামলা

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গোলাম মাওলা রনির গাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ মে, ২০২৪ ১৬:০৩
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন নেতার মাজার এলাকায় পটুয়াখালী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে হামলা করে পালিয়ে যান তারা। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত না হলেও তার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতার মাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোলাম মাওলা রনি নিজে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গোলাম মাওলা রনি নিজ বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় তার গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতার মাজার এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অবস্থান করা কয়েকজন এসে গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এতে তিনি বা চালক আঘাত না পেলেও তার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হামলা প্রসঙ্গে গোলাম মাওলা বলেন, ‘আমি বেলা ১১টার দিকে বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-দোয়েল চত্বর হয়ে অফিসে যাচ্ছিলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতার মাজার এলাকার পুষ্টি ইন্সটিটিউটের উল্টো পাশের ইউটার্নের কাছে গাড়ি পৌঁছালে সেখানে দাঁড়ানো তিন থেকে চারজন ছেলে হঠাৎ আমার গাড়িতে হামলা করে। তাদের সবার হাতে হাতুড়ি ছিল। তারা আমার গাড়ির উইন্ড স্ক্রিন ভেঙে ফেলে। পরে হামলাকারীরা পেছন দিকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা শুরু করলে ড্রাইভার গাড়ি চালিয়ে সেই জায়গা দ্রুত ত্যাগ করে। আমরা গাড়িতে অবস্থান করায় আমাদের কেউ আহত হইনি।’

থানায় অভিযোগ করা হয়েছে কি না জানতে রনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমি লিখিত অভিযোগ করিনি। তবে প্রস্তুতি চলছে। দ্রুতই থানায় লিখিত অভিযোগ করব।’

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান বলেন, ‘দুপুরের দিকে গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে হামলার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। উনি লিখিত অভিযোগ করেননি তবে, তিনি আমাদের ফোনে বিস্তারিত জানিয়েছেন। কে বা কারা এই হামলায় জড়িত আমরা বিস্তারিত তদন্ত করছি।’


অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, সমাজে অপরাধের ধরন পাল্টেছে। তাই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানী সুত্রাপুরের আলোচিত আশিকুর রহমান অপু হত্যা মামলার আপিল শুনানির এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

এ সময় বেঞ্চের অপর তিন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সমাজে অপরাধের ধরন পাল্টেছে। এখন আগের সেই সামাজিক অবস্থা নেই। তাই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন (ক্রাইম কন্ট্রোল ম্যাকানিজম ডেভেলপ) করতে হবে।’

এ সময় কিশোর-গ্যাং প্রসঙ্গ টেনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সমাজে বেপরোয়া ‘কিশোর গ্যাং’ নিয়ে খবর হয়েছে। এক্ষেত্রে শিশুকে শিশু বললেই হবে না। একসময় এরাই অপরাধে জড়ায়।’

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সারোয়ার আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।


অপুর অভিযোগে তিন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে সতর্ক করল সিটিটিসি

আপডেটেড ২০ মে, ২০২৪ ২০:৩৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস সম্প্রতি অরুচিকর, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। যেখানে ব্যক্তি, ব্লগার ও ফেসুবক-ইউটিউব চ্যানেলসহ ৩৪টি নামে অভিযোগ দেন তিনি।

অপু বিশ্বাসের সেই অভিযোগের তদন্তে নামে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন সিটিটিসি। এরই মধ্যে একজন পুরুষ ও দুজন নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে ডেকে সর্তক করেছে সিটিটিসি।

সিটিটিসি’র ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পেজ থেকে অপু বিশ্বাসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে লেখা হয় - সামাজিক যোগাযোগেরমাধ্যমগুলোতে এখন নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন নেটিজেনরা। ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, টুইটার, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির মাধ্যমে তারা সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে সিটিটিসি প্রাপ্ত অভিযোগগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোস্টিং এর নামে সংস্কৃতিকর্মীদের টার্গেট করে অনবরত বুলিং করছেন এবং কুৎসা রটনা করে চলেছেন।

সম্প্রতি অভিনয় শিল্পী অপু বিশ্বাসও এ ধরনের অপরাধের শিকার হন, তার জিডি ও অভিযোগের ভিত্তিতে একজন পুরুষ ও দুইজন নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে অপপ্রচার বিষয়ে নিউট্রালাইজ করা হয়েছে এবং অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

সাইবার স্পেসে হেয় করা হলে এ ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে লেখা হয়- একটা সুস্থ ও রিজিলিয়েন্ট সাইবার স্পেস আমাদের সবার কাম্য। আমরা বিশ্বাস করি সবাই আইন মানবে ও সাইবার ইথিক্সগুলো মেনে চলে নিরাপদ সাইবার ভুবন গড়তে সহায়তা করবে। সাইবার স্পেসে যে কাউকে হেয় করা অপরাধ ও তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সংস্কৃতিকর্মী বা সাধারণ ভিক্টিম সবার জন্য আমাদের সাইবার সেবা উম্মুক্ত থাকবে।


বিচারের আগে মিডিয়া ট্রায়াল অমানবিক: আইজিপি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট ব্যুরো

বিচারের আগে মিডিয়া ট্রায়ালকে অমানবিক বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন। আজ রোববার দুপুরে সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আইজিপি বলেন, বিচারের আগে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ আইনিভাবে বন্ধ থাকার কথা থাকলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে এখন আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। বিচারের আগে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ অমানবিক। তারপরও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আটক বা অভিযানের বিষয়গুলো এখনো ছড়িয়ে পড়ে। বিচারের আগে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ পুরোপুরি বন্ধ করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে জঙ্গিবাদ পুরোপুরিভাবে নির্মূল করা সম্ভব না হলেও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীপ্রধান। তিনি বলে, ‘জঙ্গিরা দেশের শৃঙ্খলা নষ্ট করার পরিকল্পনা করার আগেই আমরা সেখানে অভিযান দিচ্ছি, তাদের গ্রেপ্তার করছি। দেশে বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গি দমনে বিশেষ সাফল্য দেখাতে পেরেছে। পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের নাগরিকদের সেবা দিয়ে আসছে পুলিশ।’

আইজিপি বলেন, যারা অনেক কাজ করে তাদের ভুলত্রুটি ও বেশি হয়। বাংলাদেশ পুলিশ যে কোনো উদ্দেশ্যমূলক ভুলত্রুটির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য স্মাট পুলিশের প্রয়োজন হবে। আর এই স্মার্ট পুলিশ গড়ে তোলার জন্য আধুনিকায়নের কাজ চলছে। বাহিনীতে প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্বকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, পুলিশ বাহিনীতে ভর্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও আধুনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। একইভাবে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদনোন্নতিতের স্বচ্ছতা আনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও মেধাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. জাকির হোসেন খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সিলেট সফরে আইজিপি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, সুধিজন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

বিষয়:

রাজধানীর ডেমরা থেকে বিদেশী মদসহ গ্রেপ্তার ৩ মাদক ব্যবসায়ী

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে আনুমানিক ৬ কোটি টাকা মূল্যমানের ৮ হাজার ৬শ লিটার বিদেশ মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০।

গতকাল শনিবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে র‌্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকার একটি কেমিকেল ফ্যাক্টরি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রপ্তাররা হলেন- চক্রের অন্যতম মূলহোতা মো. দ্বীন ইসলাম (৪৮), তার প্রধানসহযোগী মো. আনিসুর রহমান রিপন (৫১) এবং আব্দুল হাদী (২০)।

র‌্যাব-১০ এর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রপ্তারকৃতরা জানান, দ্বীন ইসলাম চীন থেকে পলি এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড নামক পানি পরিষ্কার করার কেমিকেল আমদানি করে ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকার একটি গোডাউন মজুদ করতেন। পরবর্তীতে সেগুলো ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন। উক্ত ব্যবসার আড়ালে তিনি ও তার প্রধানসহযোগী মো. আনিসুর রহমান রিপনসহ ৪ থেকে ৫ জন মিলে স্বল্প সময়ে অধিক অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে একটি মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। যার অংশ হিসেবে দ্বীন ইসলাম চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে উল্লেখিত কেমিকেলের সঙ্গে কেমিকেলের জারিকেনে করে কৌশলে বিদেশী বিভিন্ন ব্রান্ডের মদ দেশে নিয়ে আসতেন। এরপর তা ডেমরা এলাকায় তাদের গোডাউনে মজুদ করতেন। পরবর্তীতে সেই বিদেশী মদ দ্বীন ইসলাম ও মো. আনিসুর রহমান রিপন ও আব্দুল হাদী পলাতক মনু ও ফিরোজদের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট সরবরাহ করতেন। প্রতিটি জারিকেনে ২৫ লিটার করে বিদেশী রাখা যায় এবং প্রতি জারিকেন ১ লক্ষ ৭৫ হাজার করে তারা বিক্রি করতেন।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, দ্বীন ইসলামের নেতৃত্বে চক্রটি কেমিকেল ব্যবসার আড়ালে প্রায় দেড় বছর যাবৎ এই মাদক ব্যবসায়ী পরিচালনা করে আসছেন। এ ছাড়া গ্রেপ্তার দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অর্থ জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

বিষয়:

এনবিআর চেয়ারম্যানকে আদালত অবমাননার নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের রায় ও আদেশ প্রতিপালন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে আবু হেনা মোস্তফা মো. রহমাতু্ল মুনিমকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ই-মেইলে মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে এই নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ম্মোহাম্মদ হুমায়ন কবির (পল্লব) ও ব্যারিস্টার মো. কাউছার।

নোটিশে এনবিআরের চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ করে বলা হয়, ‘আপনি সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ পেয়েছেন এবং আদালতের আদেশ সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত। আদালতের আদেশ মেনে চলতে আপনি বাধ্য। কিন্তু এখনও দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ আমলে নেননি। আদালতের আদেশ গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা এবং অবমাননার জন্য আপনাকে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।’

আগামী ১০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টের রায়ে দেওয়া নির্দেশনা না মানলে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মামলা করা হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ম্মোহাম্মদ হুমায়ন কবির (পল্লব) নোটিশের বিষয়ে বলেন, ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট তার রায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, ইয়াহু, আমাজনসহ অন্যান্য ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, ডোমেইন বিক্রি, লাইসেন্স ফিসহ সব রকমের লেনদেন থেকে মূসক, টার্নওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক, ধারা ১৫ এর অধীন আরোপিত মূল্য সংযোজন কর এবং আয়কর প্রদানসহ সব ধরনের বকেয়া রাজস্ব আদায়ের বিবরণী হলফনামা আকারে হাইকোর্টে দাখিল করার নির্দেশ দেন। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড হাইকোর্টের আদেশ প্রতিপালন করেনি যা আদালত অবমাননার শামিল। ফলে রায় প্রতিপালন না করায় এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা মো. রহমাতু্ল মুনিমকে ই-মেইলে আদালত অবমাননার অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির (পল্লব), ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউসারসহ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবী জনস্বার্থে ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি রিট করেন। রিটে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, গুগল, ফেইসবুক, ইয়াহুসহ ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়।

পরে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআরসহ সব বিবাদীকে গুগল, ফেসবুক, অ্যামাজনসহ সব অনলাইন কোম্পানির কাছ থেকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ট্যাক্স ও ভ্যাট আদায়ের নির্দেশ দেন। অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পর বেশ কিছু অনলাইন কোম্পানি বাংলাদেশ ভ্যাট দেওয়া শুরু করে। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে কিছু নির্দেশনাসহ রায় ঘোষণা করেন আদালত।


‘ন্যায়বিচার পাওয়া সবার সাংবিধানিক অধিকার’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ন্যায়বিচার প্রাপ্তি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি বলেছেন, প্রতিটা মানুষ বিচার পাবেন। বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ন্যায়কুঞ্জ-বিশ্রামাগারের নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ন্যায়কুঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালতে বিচারপ্রার্থী মানুষ ও সাক্ষীদের বিশ্রাম বা বসার তেমন ব্যবস্থা থাকে না। সাবেক প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহে দেশের প্রতিটি আদালতে বিচারপ্রার্থী মানুষদের বসার জন্য বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে বিচারপ্রার্থী মানুষদের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

মাদক চোরাচালানের জন্য আলোচিত এলাকা কক্সবাজার। কক্সবাজার আদালতে মাদকের মামলা আছে প্রায় দুই হাজার। কয়েকটি আদালতে মাদকের মামলার বিচার চলছে। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতা ও ধীরগতির কারণে বিচারপ্রার্থীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মাদকের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা প্রদানের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, মাদকের মামলাগুলো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জজ সাহেবরা তৎপর আছেন। তারপরও এ ক্ষেত্রে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

ন্যায়কুঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী, কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মুনসী আবদুল আজিজ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান, কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ। এরপর প্রধান বিচারপতি আদালত ভবনের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন।

কক্সবাজার জেলা জজ আদালত ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের মধ্যবর্তী জায়গায় ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণ করা হচ্ছে। গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচএম কনস্ট্রাকশন।

গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমান বলেন, ন্যায়কুঞ্জের আয়তন এক হাজার বর্গফুট। এখানে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৭০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকবে। ওয়াশরুম, ব্রেস্টফিডিং কর্নার, ফাস্ট ফুডের দোকান, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষে বসার ব্যবস্থাসহ বহুমুখী সুবিধা রাখা হচ্ছে। প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ন্যায়কুঞ্জের কাজ আগামী দুই মাসের মধ্যে শেষ করার প্রস্তুতি আছে।

টেকনাফে রিসার্চ সেন্টারের জমি পরিদর্শন

ওবায়দুল হাসান দুই দিনের সফরে গতকাল শুক্রবার কক্সবাজার আসেন। শুক্রবার বিকেলে তিনি কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারপতি, রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের আরও ৪ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

রিসার্চ সেন্টারের জন্য ভূমি বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভূমি উন্নয়নসহ সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্মাণকাজ শুরু হবে। কাজের সফল বাস্তবায়নে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে।


দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: পুলিশপ্রধান

আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৮ মে, ২০২৪ ২০:২৬
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করে দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।

আজ শনিবার মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক টেরাকোটা ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ এবং জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধন শেষে আইজিপি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘দেশে একসময় জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের উত্থান হয়েছিল। আজ সকলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশ দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সক্ষম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আহবানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে তৎকালীন বাঙালি পুলিশ সদস্যগণ শুধুমাত্র ‘থ্রি নট থ্রি’ রাইফেল দিয়ে আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্য মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জাকির হোসেন খান, মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মো. মনজুর হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

তাপপ্রবাহ কমে যাওয়ায় আইনজীবীদের কালো গাউন পরার নির্দেশ

হাইকোর্ট। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে মামলা শুনানিকালে আইনজীবীদের কালো গাউন পরিধানের বাধ্যবাধকতা শিথিলের কার্যকারিতা রহিত করা হয়েছে। এখন থেকে আবার মামলার শুনানিকালে কলো গাউন পরতে হবে।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে মামলা শুনানিতে আইনজীবীবদের কালো গাউন পরিধানের আবশ্যকতা শিথিল করে গত ২০ এপ্রিল জারি করা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা রহিত করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের রুলসে উল্লেখিত পরিধেয় পোশাক বিষয় থাকা সংশ্লিষ্ট বিধানাবলী অনুসরণ করে আইনজীবীবৃন্দ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে মামলা শুনানিতে অংশগ্রহণ করবেন। ১৯ মে থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল শনিবার প্রধান বিচারপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী চলমান তাপপ্রবাহের কারণে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত হয় যে- সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে মামলা শুনানিকালে আইনজীবীদের গাউন পরিধানের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে।

বিষয়:

banner close