বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাভারে লরি উল্টে ৫ যানে আগুন: নিহত ১, আহত ৩

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২ এপ্রিল, ২০২৪ ১০:৫২

ঢাকার সাভারে তেলবাহী লরি উল্টে প্রাইভেটকার ও ট্রাকসহ মোট পাঁচটি যানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জোড়পুল এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মহাসড়কের আইল্যান্ডে ধাক্কা খেয়ে তেলবাহী লরিটি উল্টে যায়। এ সময় পেছনে থাকা প্রাইভেটকার ও ট্রাকসহ চারটি যানের সঙ্গে সংঘর্ষে আগুন ধরে যায়। পুড়ে যায় দুর্ঘটনাকবলিত লরি, দুটি মালবাহী ট্রাক, একটি প্রাইভেটকার ও কাভার্ডভ্যান। তবে হতাহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা ৪ নম্বর জোনের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আলাউদ্দিন খোকন জানান, ঢাকা থেকে নবীনগরগামী একটি তেলবাহী লরি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জোড়পুল এলাকায় আইল্যান্ডের সাথে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এসময় একইমুখী পেছনে থাকা চলন্ত তরমুজ ও সিমেন্টবাহী দুটি ট্রাক দুর্ঘটনাকবলিত তেলবাহী লরিতে ধাক্কা খায়। একই সময় পেছনে থাকা আরও একটি পিকআপ ভ্যান ও প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে দুর্ঘটনাকবলিত পাঁচটি গাড়িতেই আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাভার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবুল আহমেদ বলেন, তেলবাহী লরি উল্টে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আগুন লেগে পাঁচটি যানবাহন পুড়ে গেছে। এঘটনায় মহাসড়কে সৃষ্ট যানজট নিরসনে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন গুলোকে র‌্যাকারের সাহায্যে সড়ক থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। তবে হতাহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে চুরি হওয়া তামার তারও উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র এবং ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলাম। পুলিশ জানিয়েছে, চুরি করা মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির এই স্পর্শকাতর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।

ঘটনার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ এই তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রঞ্জন চন্দ্রকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে চুরির কথা স্বীকার করে। রঞ্জন চন্দ্র জানায়, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে ওই তার চুরি করে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনের একটি ভাঙারি দোকানে তা বিক্রি করে দেন।

পরবর্তীতে রঞ্জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর চকবাজার থানার হোসেনী দালান রোডের একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তের পর সিটিটিসি ধারণা করছে, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত এবং এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


কুমিল্লায় ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, কিশোর গ্যাং প্রধান গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরীর অশোকতলায় এক অসহায় ভিক্ষুককে কুপিয়ে আহত করে তার সর্বস্ব ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এক কিশোর গ্যাং লিডারকে আটক করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

গত ৩১ মে রবিবার সন্ধ্যায় অশোকতলা এলাকায় ওত পেতে থাকা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ওই ভিক্ষুকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং তার সারাদিনের ভিক্ষা করা মাত্র ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই নির্মম ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পর তা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অভিযুক্তদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে অশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’কে শনাক্ত ও আটক করা হয়।

গত বুধবার (৩ জুন) বিকেলে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ারের নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃত সামিরকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু জানান যে, নগরীতে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।


বড়াইগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রকৌশলীর দুই শিশু নিহত, আহত ৩

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রয়না এলাকায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক প্রকৌশলীর দুই শিশু সন্তান নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রকৌশলী, তার স্ত্রী ও মা আহত হয়েছেন। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা প্রকৌশলী আকিব পরিবারসহ মাইক্রোবাসে করে রাজশাহী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে বড়াইগ্রাম উপজেলার রয়না এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে তাদের মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই আকিবের ৪ মাস বয়সী ছেলে ইজাজ নিহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আকিব, তার স্ত্রী এ্যানী, ৪ বছর বয়সী ছেলে ইহান এবং আকিবের মা কনাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইহানের মৃত্যু হয়।

বর্তমানে আহত আকিব, তার স্ত্রী এ্যানী ও মা কনা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত ও আহতদের সকলের বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।


যাত্রী সেজে রিকশায় উঠে বোয়ালখালীতে চালককে কুপিয়ে রিকশা ছিনতাই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে দিনদুপুরে এক রিকশাচালককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে এক দুবৃর্ত্ত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কধুরখীল ইউনিয়নের জলিল আম্বিয়া কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত আবদুল নবী (৫০) পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী মুন্সিপাড়ার মৃত আবদুর ছবুরের ছেলে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আয়েশা বলেন, দুপুর পৌনে ২টার দিকে আবদুল নবী নামে এক ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

আহত আবদুল নবী জানান, এক ব্যক্তি উপজেলা সদর থেকে কধুরখীলের লালার দিঘির পাড়ে যাওয়ার কথা বলে তার ব্যাটারিচালিত রিকশা ভাড়া করেন। খোকার দোকান এলাকা পার হওয়ার পর ওই ব্যক্তি হঠাৎ পিছন থেকে ধারালো ধামা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে ওই ব্যক্তি তার রিকশা নিয়ে পালিয়ে যান।

স্থানীয় পথচারীরা জানান, রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তারা আবদুল নবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে তার রিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সোনাইমুড়ীতে বিপুল টাকা নিয়ে উধাও জামাত নেতা 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নোয়াখালী প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর আমিশাপাড়া ইউনিয়নের আফুলশি গ্রামের বাসিন্দা ইশফাক ইয়াছিনের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের পর গত সোমবার (১ জুন) থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইশফাক ইয়াছিন দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

এবং আমিশাপাড়া জামাতে ইসলামের সঙ্গে সক্রিয় কর্মী ছিলেন । তিনি নোয়াখালীতে দুটি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি অনলাইনে বই বিক্রির একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। এই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক লাভের আশ্বাস দিয়ে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন।আমি বিশ্বাস করতাম উনি একজন জামাতের সক্রিয় কর্মী এবং বিভিন্ন মিছিল মিটিং এবং দায়িত্বশীল কাজে তাকে দেখতাম.

আমাদের টাকা মেরে দিবে এটা আমার বিশ্বাস ছিল না। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার লেনদেনের পর গত ১ জুন দুপুরে তিনি নোয়াখালী ত্যাগ করেন। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের সব মাধ্যম অকার্যকর পাওয়া যাচ্ছে।

এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, ইশফাক ইয়াছিন স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় এবং জামাত ইসলামের পরিচয় তার পরিচিত মুখ হওয়ার জামাত ইসলামের মতো একজন সকীয় কর্মী যদি এমন কাজ করে অনেকেই তার প্রতি আস্থা রেখেছিলেন তার বিনিময় তিনি আমাদের সাথে প্রতারণা করছে আমরা এটা সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে বিচার চাই এবং আমাদের বির । ফলে তার আকস্মিক অন্তর্ধানের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন,বিশেষ করে উনি শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পথ থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম এবং বিভিন্ন জায়গায় জামাত ইসলামের সংগঠিত কাজে উনাকে দেখা যাচ্ছে তারপর আমরা উনার উপর আত্মবিশ্বাস জন্ম হয়। এই পরিচয়ের কারণে আমরা তার ওপর আস্থা রেখেছিলাম। এখন টাকা ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, তার অবস্থান সম্পর্কেও কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বলেন, আমরা যতটুকু জানি আমার যতটুকু বিশ্বাস জামাত ইসলামের লোকে আমাদেরকে টাকা মেরে খাবে এটা আমার বিশ্বাস ছিল না উনি আমাকে বিভিন্নভাবে প্লাবন দেখিয়ে লাভ খাদ্য দেখে আমার সাথে প্রতারণা করছেন এটা আমি অত্যন্ত কষ্ট পাচ্ছি এবং আমার টাকাটা ফেরত চাচ্ছি। কিছুদিন আগেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। কিন্তু পাওনা অর্থ চাইতে শুরু করলে নানা অজুহাত দেখান। এরপর হঠাৎ করেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলের কয়েকজন প্রতিনিধি বলেন, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি। এতে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার পাশাপাশি জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তিও দূর হবে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতারণার আরেকটি অভিযোগে ঢাকার একটি আদালতে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালত বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, অভিযুক্ত ব্যক্তি দেশত্যাগের চেষ্টা করতে পারেন। তাই তারা দ্রুত তার অবস্থান শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ইশফাক ইয়াছিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদার একটি বাসা থেকে তানভীর হোসাইন শুভ (৪৫) নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অতিরিক্ত পরিচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে উত্তর মুগদার আহমদবাগ এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বোরহান উদ্দিন জানান, দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে বাসার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান তারা।

তিনি আরও জানান, শুভর অফিসের সহকর্মী ও স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তাদের উপস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

পুলিশ জানায়, তানভীর হোসাইন শুভর বাবার নাম তবারক হোসেন। তাদের পারিবারিক বাসা সেগুনবাগিচায় হলেও তিনি মুগদার ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ঈদের দিন সর্বশেষ তাকে দেখেছিলেন বাড়ির মালিক। এরপর থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত মঙ্গলবার বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, তানভীর হোসাইন শুভ বিবাহিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে বাসচাপায় ২ শ্রমিক নিহত, আহত ৬

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে ঢাকাগামী বাসের চাপায় দুই নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো অন্তত ছয় শ্রমিক। বুধবার (৩ জুন) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটকের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শ্রমিকরা হলেন মাহফুজ (৩৫) ও জামাল (৩৬)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় একদল শ্রমিক কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে একটি গাড়িতে বসে এবং রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় ঢাকা অভিমুখে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের চাপা দেয়। বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মাহফুজ ও জামাল নামের দুই শ্রমিক প্রাণ হারান।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ দ্রুত হতাহতদের উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শ্রমিককে মৃত ঘোষণা করে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তরিত করেন।

দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে চারজনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন চান মিয়া (৪০), সেলিম (৩৫), বরকত (৩২) এবং জসিম (৩৫)। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।


ঢাবি শিক্ষার্থীকে অপহরণ, চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর আদাবর–শ্যামলী এলাকায় সক্রিয় একটি অপহরণ–ছিনতাই চক্রের ৯ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম।

গ্রেপ্তাররা হলেন জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহম্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩) ও মো. মর্তুজা তামিম (২৬)।

পুলিশের ভাষ্য, কয়েক দিন আগে সাদমান সাকিব রাত ১১টার দিকে শ্যামলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আসে। আসার পর তিন থেকে চারজন যুবক দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে অপহরণ করে একটি সরু গলিতে নিয়ে যায়। সেখানে তার কাছে থাকা মুঠোফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে তার পরিবারের কাছে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম বলেন, ‘ঘটনাস্থলের কাছ দিয়ে টহল পুলিশ যাওয়ার সময় ভুক্তভোগী চিৎকার করলে পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের সদস্যরা পালিয়ে গেলেও জাহিদ হোসেন নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি জানান, চক্রটি মোহাম্মদপুর আদাবর এলাকায় ভোরের দিকে যখন ব্যবসায়ীরা টাকা-পয়সা নিয়ে বিভিন্ন মালামাল আনতে বাজারে যান ওই সময়টায় তাদের টার্গেট করে অপহরণ করত। বিশেষ করে যারা একা থাকত তাদের টার্গেট করে অপহরণ করত। চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদ। তিনিসহ আরও দুই আসামির নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

ফজলুল করিম বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তারা আর কোথায় কোথায় একই ধরনের অপরাধ করেছে এবং আরও কোনো ভুক্তভোগী আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’


নারী কারারক্ষীর সঙ্গে কথোপকথন ভাইরাল: কিশোরগঞ্জের জেল সুপার স্ট্যান্ড রিলিজ

আপডেটেড ৩ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

নারী কারারক্ষীর সঙ্গে অনৈতিক প্রস্তাব ও কুরুচিপূর্ণ কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. দিদারুল আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে মো. দিদারুল আলমকে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কারা প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম কারাগারের হসপিটালাইজড প্রিজনার্স সিকিউরিটি ইউনিটের কারা তত্ত্বাবধায়ক মো. আনোয়ারুল করিমকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-১-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে জেল সুপার দিদারুল আলমের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

অডিওটিতে তিনি ওই নারী সহকর্মীর সঙ্গে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।


কাপাসিয়া প্রেসক্লাব পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক চৌধুরী ইশরাক সিদ্দিকী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী (বার. এট-ল) পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে এসে কাপাসিয়া প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেছেন। বুধবার (৩ জুন) সকালে কাপাসিয়ার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের পরিদর্শন করতে আসলে তাঁকে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আমন্ত্রণ জানানো হয়।

জেলা পরিষদ কর্তৃক কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহ পরিদর্শনে আসেন প্রশাসক মহোদয়। সকাল ১০ টায় কাপাসিয়া সরকারি ডাকবাংলোয় পৌঁছালে তাঁকে প্রথমে অভ্যর্থনা জানান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাহিদুল হক তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফ এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ শামসুল হুদা লিটন, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শাহীন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন শামীম, আকরাম হোসেন রিপন, সফিকুল আলম সবুজ, শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ, আনিসুল ইসলাম, তপন বিশ্বাস প্রমুখ।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকীর আগমনে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে আসেন কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, জেলা ও উপজেলা বিএনপি নেতা আফজাল হোসাইন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব ফকির ইস্কান্দার আলম জানু,

বিআরডিবি চেয়ারম্যান ও সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম হোসেন আরজু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন খান, দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোলায়মান মোল্লা, বিএনপি নেতা মীর মাসুদ করিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মতিউর রহমান মতি, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদুল আলম বুলু, মহিবুর রহমান, মোঃ ফরিদ শেখ, আ ন ম সফিকুল ইসলাম জেকি, ছাত্রদল নেতা সোহাগ প্রমুখ। পরে তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানের প্রকল্প গুলো পরিদর্শন করেন।


ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ছবি প্রকাশ: চকরিয়ার ওসি মনির হোসেন কে লিগ্যাল নোটিশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার (চকরিয়া-পেকুয়া) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চাকরিয়ায় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)'র বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি, কক্সবাজারের এসপিকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল ল ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, বিশেষত দৈনিক যুগান্তরসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় যে, ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি চকরিয়া থানার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ঘটনার জন্য চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির পরিচয়, ছবি কিংবা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা যা দ্বারা তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তা আইন, মানবাধিকার এবং ভিকটিম সুরক্ষার নীতিমালার পরিপন্থি। হাইকোর্ট বিভাগ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন যে, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ভিকটিমদের ছবি ও পরিচয় প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপন্থি, ভিকটিমের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনকারী এবং দায়িত্বহীন আচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভুক্তভোগীর মানসিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এবিষয়ে চাকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ বলেন, ধর্ষণের শিকার এক মেয়ের ছবি চকরিয়া পুলিশ স্টেশন নামে একটি ফেইসবুক আইডিতে প্রকাশিত হয়েছে জানতে পেরেছি। এই যদি হয়ে থাকে তাহলে খুবই দুঃখজনক। আমি এখনো দেখিনি দেখে জানাচ্ছি।


খুলনা বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থান পেল খানজাহান আলী মাজারের সেই কুমির

আপডেটেড ৩ জুন, ২০২৬ ১৮:১৫
খুলনা ব্যুরো

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রাঃ) মাজার সংলগ্ন পুকুর থেকে উদ্ধার করা মানুষ খেকো সেই কুমিরটিকে খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে কুমিরটিকে স্থানান্তর করা হয়।

জানতে চাইলে খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল বলেন, পর্যবেক্ষণের জন্য দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে কুমিরটিকে খুলনা পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বন অধিদপ্তর, বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের একটি যৌথ দল বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনায় পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, খুলনা পুনর্বাসন কেন্দ্রে ৪ থেকে ৭ দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে সে বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

হস্তান্তরকালে খুলনার বন সংরক্ষক ইমরান খান, বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বাগেরহাট জেলা প্রশাসনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগের ডিএফও রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল বুধবার (০৩ জুন) সকালে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে পাঠিয়েছে।

“দলটি কুমিরটির আচরণ ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করবে এবং এটিকে ধরার কৌশল, স্থানান্তরের সময় ও প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয়গুলো নির্ধারণ করবে,” বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এর আগে, বাগেরহাট জেলা প্রশাসন বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রাঃ) মাজার সংলগ্ন পুকুরের কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তীর্থস্থানে আগত দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার গভীর রাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (০২ জুন) রাত ১০টায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।

সভা শেষে জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনার পর মাজার এলাকার দর্শনার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুকুর থেকে কুমিরটিকে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সাথে, মাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সোমবার (০১ জুন) রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন পুকুরে গোসল করার সময় ৮ বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে তাকে জলের নিচে টেনে নিয়ে যায়।

পরে, মঙ্গলবার (০২ জুন) ভোরে মন্দির সংলগ্ন পুকুরের মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই হৃদয়বিদারক ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, দর্শনার্থী ও ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েন।


খুলনায় রাশেদ হত্যা: কিলিং মিশনে থাকা তিন যুবক গ্রেপ্তার হলেও প্রধান আসামি ইমরান পলাতক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা নগরীর লবণচরা থানার এলাকার আলোচিত রাশেদ হত্যার ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করছে। গত মঙ্গলবার (০২ জুন) খুলনার বিভিন্নস্থানে রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করতে পারিনি পুলিশ।

এর আগে গত রাতে নিহতের বাবা আনিছুর কাজী বাদী হয়ে থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মন্টু হাওলাদার, মুসা গাজী ও মিরাজ।

লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার (০২ জুন) রাতে নিহত রাশেদের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি ৭ জন আসামির নাম উল্লেখ করেন। যারা এ হত্যা মিশনে অংশ নিয়ে ছিল। বাকী ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রাতে এ মামলার এজাহার নামীয় তিনজন আসামিকে খুলনার বিভিন্নস্থানে রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা এ হত্যাকান্ড সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে তা তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছেনা।

নিহতের ভাই রাইসুল কাজী বলেন, মাদক কারবারি ইমরান কারাগারে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রীকে রাশেদ বিয়ে করে। যা নিয়ে উভয়ের দ্বন্দ্ব ছিল চরমে। এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই এর আগে একবার আমাদের পরিবারের ওপর হামলা চালিয়েছিল ইমরান। সে সময় পরিবারের চারজন গুলিবিদ্ধ হয়। এর পরও থেমে থাকেনি ইমরান। একের পর এক পরিকল্পনা করতে থাকে রাশেদকে হত্যার জন্য।

মঙ্গলবার (০২ জুন) সকালেও এমন একটি ফাঁদ পাতে ইমরান। সেই ফাঁদে পা দিয়ে ছোট ভাই খুন হয়।

তিনি আরও বলেন, ফার্মেসীতে দুঘর্টনায় তাদের এক বন্ধু আহত হয়েছে বলে নাটক সাজায়। যে রাস্তায় আমার ছোট ভাই রাশেদের যাওয়া নিষেধ সেই রাস্তায় রাশেদকে ডেকে নেয় তারই ছোট ভাই মুসা গাজী। সেখানে নেওয়ার পর ইমরানকে খবর দেয় উপস্থিত থাকা একটি গ্রুপ। রাশেদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার পর শেষ সময় মিরাজ নামে এক যুবক ফোন করে রাশেদের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানায়। ভাই আহতের ঘটনা শুনে আমি লবণচরা থানাধীন স্কুলভিটায় উপস্থিত হই।

সেখানে গিয়ে দেখি অনেক মানুষ তাকে ঘিরে রেখেছে। কিন্তু কোপানোর সময় কেউ তাকে ঠেকাতে এগিয়ে আসেনি। পুলিশ রাতে যাদের গ্রেপ্তার করেছে তারা সকলে এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত।

এদিকে বুধবার (০৩ জুন) দুপুরের পর রাশেদের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। আছরের নামজের পর জানাযা শেষে মরদেহ স্থানীয় একটি কবরস্থানে দাফন করা হয়।


banner close