সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
১ চৈত্র ১৪৩২
নবীনগর

সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের জায়গায় ঘর নির্মাণের পাঁয়তারা

ছবি: দৈনিক বাংলা
জামাল হোসেন পান্না, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশিত
জামাল হোসেন পান্না, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশিত : ২ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৩১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন ওরফে জারু মিয়ার বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের জায়গা অনিয়মের মাধ্যমে দখলের অভিযোগ উঠেছে। নিজস্ব একাধিক বসার জায়গা থাকা সত্ত্বেও সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই একটি টিনশেড ঘর নির্মাণের মাধ্যমে জায়গাটি দখল করছেন তিনি।

জানা যায়, নবীনগর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ভিতরে রয়েছে দলিল লেখক সমিতির ভবন; কিন্তু তারপরও ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর তৎকালীন দলিল লেখক সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা মো. জহির উদ্দিন নবীনগর সাব-রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেন নতুন আরেকটি বসার স্থান দেওয়ার জন্য। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার শেখ মো. আনোয়ারুল হক সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের বাউন্ডারির ভিতর বসে কাজ করার অনুমতি দেন। তবে সেই অনুমতি প্রদানের চিঠিতে কোনো রকম স্থাপনা বা ঘর নির্মাণ করার অনুমতি ছিল না।

কিন্তু সে সময় আবেদনকারী মো. জহির উদ্দিন একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে জায়গাটি দখল করে ফেলেন এবং সেই ঘরে বসে তার দলিল লেখার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগে সেই ঘরটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হন জহির উদ্দিন। তবে ২০২৪ সালে পুনরায় আবারও সেই স্থানটিতে টিনশেড ঘর নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সড়ক থেকেই শোনা যাচ্ছে টুংটাং আওয়াজ। সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ফটকের ভিতরে ঢুকতে দেখা যায় ৩-৪ জন লোক একটি বাউন্ডারির মধ্যে টিনের ঘর নির্মাণের কাজ করছেন। শ্রমিকদের ভাষ্য, গত ২ দিন ধরে তারা কাজ করছেন এই ঘর নির্মাণে। আর ঘর নির্মাণ স্থানে ফ্লোর পাকা টাইলস আগেই ছিল।

এ ব্যাপারে দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন ওরফে জারু মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগযোগ করলে তিনি বলেন, ঘরটি তোলার অনুমোদন রয়েছে। জেলা রেজিস্ট্রারই এই অনুমোদন দিয়েছে।

তবে কিসের ভিত্তিতে অনুমোদন দিয়েছে দলিল লেখক কার্যালয়ের নিজ আসনে কেন বসতে চান না এবং ২০১৭ সালে ঘরটি নির্মাণ করে আবার অপসারণের কারণ কি এসব প্রশ্নের বিষয়ে প্রতিবেদকের সঙ্গে কোনো কথা বলতে চান না বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

স্থাপনা নির্মাণের অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রেজিস্ট্রার লুৎফুর কবির জানান, নবীনগর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে দলিল লেখক জহির উদ্দিনের ঘর নির্মাণের বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে আসলে পুরোপুরি বিষয়টি আমি জানি না। তাই নবীনগর সাব-রেজিস্ট্রারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট দেওয়ার জন্য। বিষয়টিতে কোনো রকম অসঙ্গতি থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, ‘বিষয়টি অবগত আছি। যদি উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার লিখিত উচ্ছেদের সহযোগিতা চান সে ক্ষেত্রে আমি সহযোগিতা করব।’


মৌলভীবাজারে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে র‍্যালি, আলোচনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সুধীজন অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, নিরাপদ পণ্য সরবরাহ এবং প্রতারণামুক্ত বাজার ব্যবস্থার দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করেন।

র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ ক্ষেত্রে ভোক্তাদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে ভেজাল, অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ভোক্তারা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হলে বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। তাই যেকোনো অনিয়ম বা প্রতারণার ঘটনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।


নরসিংদীতে প্রতিবেশীর বাড়ির ছাদে মিলল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নরসিংদী প্রতিনিধি

নিখোঁজের এক দিন পর প্রতিবেশীর নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে আবদুর রহমান (৬) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের চর-মরজাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুর রহমান মরজাল ইউনিয়নের চর মরজাল গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী শক্কুর আলীর ছেলে।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে আবদুর রহমান মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মজা খাওয়ার জন্য দোকানে যায়। এরপর থেকে আবদুর রহমানকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে রায়পুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশী ইদ্রিস মিয়া তার নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে পানি দিতে গেলে সেখানে আবদুর রহমানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি আশপাশের লোকজন ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের জানান। বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত আবদুর রহমানের মা বলেন, রোববার সকালে প্রতিবেশীর ছাদে আমার ছেলে আবদুর রহমানের মরদেহ পাই। আমাদের কোনো শত্রু নেই। আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। রায়পুরা থানার ওসি (তদন্ত) প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। মরদেহের সুরতাল রিপোর্টের কাজ চলছে। শিশুটির গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে। আর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংসদকে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু করতে পারলে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে: ডেপুটি স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেছেন, একটি যুগসন্ধিক্ষণে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। জাতীয় সংসদকে সব রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদ্য নির্বাচিত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ কথা বলেন। পরে সংগঠনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

কায়সার কামাল আরও বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন হয় না। যখন গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা থাকবে, তখন ‘রোল অব ল’ অর্থাৎ আইনের শাসন কায়েম হবে। আর যখন আইনের শাসন কায়েম হবে, তখন মানবাধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পিকার।

নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রফিক মুহাম্মদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদক আব্দুল বারী ড্যানিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্টজন ও সাংবাদিকেরা।


সমুদ্র থেকে সড়কপথে পণ্য পরিবহনে বেড়েছে খরচ

* নিত্যপণ্য বাড়তি দামে কেনার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে * ধাক্কা সামলাতে শিপিং কোম্পানির বাড়তি ফি আরোপ * পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের দাবি পরিবহন মালিকদের
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশের সরবরাহ ব্যবস্থায়। আন্তর্জাতিক শিপিং থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ পণ্যবাহী যানবাহনে সবক্ষেত্রেই ব্যয় (ফ্রেইট খরচ) বেড়ে গেছে। নিত্যপণ্য বাড়তি দাম দিয়ে কেনার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

শিপিং কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে বড় অঙ্কের ‘বাঙ্কার সারচার্জ’ (জ্বালানি খরচ বাবদ বাড়তি ফি) আরোপ করেছে।

খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে কনটেইনার প্রতি বাঙ্কার সারচার্জ ছিল ৭০০ থেকে ৭৫০ ডলার। এখন তা বেড়ে ৩ হাজার ৫০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর বাইরে ওয়ার রিস্ক প্রিমিয়াম (যুদ্ধকালীন ঝুঁকি প্রিমিয়াম) আছে।

অর্থাৎ চট্টগ্রাম থেকে ইউরোপে কনটেইনারপ্রতি মূল ভাড়া (বেজ ফ্রেট) বর্তমানে ১ হাজার ১ হাজার ২০০ ডলারের মতো। এর সাথে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের বাঙ্কার সারচার্জ যুক্ত হওয়ায় এখন আমদানিকারক বা রপ্তানিকারকের কনটেইনারপ্রতি মোট খরচ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ হাজার ডলার।

চাপ কেবল আন্তর্জাতিক শিপিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অভ্যন্তরেও পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের ভাড়া গত পরশু ১৫-১৬ হাজার টাকা থাকলেও গতকাল তা একলাফে ২৫ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। বহির্নোঙরে মাদার ভেসেল (বড় জাহাজ) থেকে আমদানিপণ্য খালাসকারী লাইটারেজ জাহাজগুলোও যাওয়া-আসার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছে।

ট্রাক মালিকরাও একই ধরনের জ্বালানি সংকটের কথা জানিয়ে কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, অনেক ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত দরের চেয়েও বেশি দামে ডিজেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা—যার চূড়ান্ত প্রভাব গিয়ে পড়ছে সাধারণ ভোক্তার ওপর। ভারী যানবাহনের জন্য এই সংকটের মূলে রয়েছে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ডিজেলের তীব্র ঘাটতি।

বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো. তোফাজ্জল হোসেন মজুমদার বলেন, দূরপাল্লার চালকদের জন্য পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

তোফাজ্জল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একবার যাওয়া-আসার জন্য একটি ট্রাকের ১৪০ থেকে ১৬০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন। অথচ চালকরা পাম্প থেকে পাচ্ছেন মাত্র ২০ থেকে ৫০ লিটার তেল। সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আমরা বাধ্য হয়েই ১২০ টাকা লিটার দরে কালোবাজার থেকে তেল কিনছি, যেখানে পাম্পে সরকারি দাম ১০০ টাকা।’ এই কালোবাজারি রুখতে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ এবং পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানান তিনি।

ডিজেল সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে শিল্প থেকে শুরু করে নির্মাণসামগ্রী—সবকিছুরই পরিবহন খরচ অনেকটা বেড়ে গেছে।

লালমনিরহাটের নির্মাণসামগ্রী ব্যবসায়ী হামিদুল রহমান তুষার জানান, রুটভেদে ট্রাক ভাড়া এ ধাক্কায় ৩ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে নারায়ণগঞ্জ বা ঢাকা থেকে ছোট ট্রাকের ভাড়া ছিল ১৩-১৪ হাজার টাকা। এখন তা ১৭-১৮ টাকায় ঠেকেছে।


রাঙামাটিতে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটির বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের কষ্ট লাঘবে উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। এর অংশ হিসেবে রাঙামাটি সড়ক বিভাগের উদ্যোগে শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কার্যক্রমের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক-সংলগ্ন সদর উপজেলার সাপছড়ি যৌথ খামার ফুরমোন এলাকায় প্রায় ৫ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়।

রাঙামাটি সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি সদর উপজেলা, কাউখালী উপজেলা এবং নানিয়ারচর উপজেলা এলাকাতেও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ি ঝরনা ও ছড়ার পানি শুকিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার চরম পানির সংকটে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের এই উদ্যোগ কিছুটা স্বস্তি এনে দেবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় অনেক পরিবারকে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে কষ্ট করে পানি সংগ্রহ করতে হয়। ইতোমধ্যে অনেক পাহাড়ি ঝরনা ও ছড়ার পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সংকট আরও বেড়েছে।

তিনি জানান, এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমাতে রাঙামাটি সড়ক বিভাগের উদ্যোগে বিশুদ্ধ খাবার পানি বিতরণ শুরু করা হয়েছে।


গোয়াল ঘরে মিলল দেড় হাজার লিটার তেল!

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার সুজানগরে একটি বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা দেড় হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন উদ্ধার করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে উপজেলাটির চিনাখড়া বাজারে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে এই জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, চিনাখড়া বাজারের ‘খান এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী সন্টু ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছিলেন। তিনি অধিক মুনাফার আশায় তার বাড়ির গোয়াল ঘরে বিপুল পরিমাণ তেল লুকিয়ে রাখেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, অভিযানের খবর পেয়ে সন্টু ইসলাম দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে দোকানের পেছনে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় গোয়াল ঘর থেকে ড্রাম ভর্তি দেড় হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত এসব তেল তাৎক্ষণিকভাবে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করে দেওয়া হয়। অবৈধ মজুতের অপরাধে সন্টু ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া একই দিনে আতাইকুলা ও চিনাখড়া এলাকার আরও ৪টি বাজারে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির দায়ে আরও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। দিনব্যাপী এই অভিযানে মোট ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা এবং তা আদায় করা হয়েছে।

সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, ‘অসাধু ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তেলের সংকট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে। জনস্বার্থে আমাদের এই তদারকি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।’


ধলপুরে ডিএসসিসির সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আধুনিক যানবাহন হস্তান্তর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে আজ রাজধানীর ধলপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছেন।

অভিযান চলাকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে উজ্জীবিত হয়ে আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে সাপ্তাহিক এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। ডিএসসিসির মাসব্যাপী ক্রাশ প্রোগ্রাম বর্তমানে চলমান রয়েছে। জনস্বার্থ রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা ও সড়কবাতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা কোনো ধরনের ছাড় দেবো না।’

অবৈধ দখলদারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহায়তায় যে কোনো মূল্যে খালের জায়গা পুনরুদ্ধার করা হবে।’

ধলপুর এলাকার এই অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক পরিচ্ছন্নতা কর্মী অংশ নেন। এসময় ড্রেন ও ফুটপাতের বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি মশার ওষুধ ছিটানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করতে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে প্রশাসক ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও ম্যাকানাইজড্ পার্কিং স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ক্রয়কৃত নতুন যানবাহনসমূহ হস্তান্তর করেন।

৮ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ৫টি থ্রি-হুইল রোড রোলার, ৩টি টায়ার ডোজার, ১টি লো-বেড টেইলর ও ৫০০০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি পানির গাড়ি।

এই যানগুলো বায়ু দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

একই দিনে ডিএসসিসির যান্ত্রিক সার্কেলের উদ্যোগে চালক ও মেকানিকদের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রশাসক। নিজস্ব অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের মাধ্যমে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘চালকরা দক্ষ হলে ছোটখাটো যান্ত্রিক সমস্যার সমাধান তাৎক্ষণিক সম্ভব হবে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা যাবে।’ অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং যান্ত্রিক সার্কেলের প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।


দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে বেড়ায় অভিযান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা প্রতিনিধি

বাজারে নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং দ্রব্যমূল্যের। ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার (১৪ মার্চ) বেড়ার নাকালিয়া বাজার ও বাটিয়াখড়া বাজারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খানের নেতৃত্বে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

এই অভিযানে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।

প্রশাসনের অভিযানের খবর পেয়ে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। তাই এবার গাড়ি ব্যবহার না করে কৌশলে আগে থেকেই লোক পাঠিয়ে তদারকি করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, কিছু তেল ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে দোকান বন্ধ রেখেছেন এবং গত দুদিন ধরে তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি ও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালীন ট্রেড লাইসেন্স না থাকা এবং দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে মো. আলিম ফকির নামক এক ব্যবসায়ীকে নগদ (এক হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এটি অন্য ব্যবসায়ীদের জন্য একটি দৃষ্টান্তমূলক সতর্কবার্তা হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অবিলম্বে সকল ব্যবসায়ীর বৈধ ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করতে হবে। দোকানের সামনে দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। তেল বা অন্য কোনো নিত্যপণ্যের কৃত্রিম মজুত বা অহেতুক দাম বাড়ানো হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে বাজার মনিটরিং করে দেখা গেছে সবজি, মাছসহ অন্য নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এবং ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় জনস্বার্থে এই ধরনের ঝটিকা অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। জনভোগান্তি সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অসাধু চক্রকে নির্মূল করা হবে।’


হারানো স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনতে ঈদ কার্ড উৎসব, নানা বয়সি মানুষের ঢল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

‘ঈদ কার্ড বানিয়ে খোলা উদ্যানে, শৈশবে ফিরে যাই নব উদ্যোমে’-এই স্লোগানে পবিত্র ঈদ উপলক্ষে মাগুরার সৃজনশীল সংগঠন ‘পরিবর্তনে আমরাই’ এবং জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের উন্মুক্ত মাঠ প্রাঙ্গণে হয়ে গেল ৩য় ‘ঈদ কার্ড উৎসব ২০২৬’।

৫ বছরের শিশু থেকে শুরু করে বয়োজেষ্ঠ্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজনটি উৎসবে পরিণত হয়। মাগুরা জেলা প্রশাসন এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে সহযোগিতা প্রদান করে।

সমবেতভাবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ঈদের গান ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটির মাধ্যমে আয়োজন শুরু করে পরিবর্তনে আমরাই সংগঠনটি। মোট তিনটি গ্রুপে যেমন প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি ‘ক’ গ্রুপ, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ‘খ’ গ্রুপ এবং একাদশ শ্রেণি থেকে যেকোনো বয়সি ‘গ’ গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময়ে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের উন্মুক্ত মাঠে বসে সবাই ঈদ কার্ড বানানোর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

পরিবর্তনে আমরাই সংগঠনটির সভাপতি নাহিদুর রহমান দুর্জয় জানান- ‘ঈদ কার্ড’ নামটার সাথে আমাদের বর্তমান প্রজন্মের তেমন সখ্যতা না থাকলেও আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের কাছে এটি একটি আবেগ। তাদের কাছে ঈদ মানেই ছিল ঈদ কার্ড বিনিময়ের আনন্দ। তবে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি হয়েছে, আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে সবকিছুই। কিন্তু স্মৃতিকে তো আর আধুনিক করা যায় না। দুঃখজনক হলেও এটা সত্যি যে এই আধুনিকতার নিচে চাপা পড়ে গিয়েছে আমাদের মা-বাবার সেই স্মৃতিময় ঈদ কার্ডের প্রচলন। বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ঈদ কার্ডের আনন্দকে পুনরায় উজ্জীবিত করাই এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য।

পরিবর্তনে আমরাই এর সংগঠক কঙ্কনা সাহা বলেন, ‘জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মাগুরার সবাইকে নিয়ে ভ্রাতৃত্ববোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বৃদ্ধির জন্য ৩ বছর ধরে ঈদ কার্ডের আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিচারক হিসেবে মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মুনিরুল ইসলাম মঞ্জু, চিত্রশিল্পী আবুল কালাম আজাদ, মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক সুজল কুমার বিশ্বাস, মাগুরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা প্রশিক্ষক বিপ্লব বিশ্বাস ও মাগুরা সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা প্রশিক্ষক বিএম সজীব ৩ গ্রুপে ৯ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রায় ২০০ জনকে ঈদের শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে একটি করে মেহেদী দেওয়া হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেন, ‘এটা একটা মহৎ উদ্যোগ। লেখাপড়ার পাশাপাশি এ ধরনের সৃজনশীল কাজের মধ্যে থাকলে ছেলে-মেয়েরা নেশার পথে পা বাড়াবে না। তা ছাড়া এই সংগঠনটির দেখাদেখি অন্য ছেলে-মেয়েরাও আরও অন্য সৃজনশীল কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করবে।’

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জাহিদুল আলম ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


হালদা নদীর তীরে অকেজো হ্যাচারি সচল হচ্ছে

সুফল পাবে মৌসুমি ডিম ও পোনা সংগ্রহকারীরা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

হালদা নদীতে মা মাছের প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ৬টি হ্যাচারি মেরামত ও পুনর্নির্মাণে কাজ শুরু হয়েছে। আসন্ন প্রজনন মৌসুমে হ্যাচারিগুলো সচল করা হলে হালদা নদী থেকে ডিম সংগ্রহ করে হাচারিতে ডিম থেকে রেনু উৎপাদন করতে পারবে ডিম সংগ্রহকারীরা। এতে নদীর তীরে খনন করা মাটির কুয়ায় ডিম সংগ্রহকারীরা ডিম ফোটানোর সময় ডিম নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। সরকারি হ্যাচারি ছাড়া ও রাউজানের পশ্চিম বিণাজুরী, হাটহাজারীর গড়দুয়ারা নয়াহাট এলাকায় আইডিএফের দুটি হ্যাচারি সচল রয়েছে।

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৩ সালে শুরু করা ৪৬ কোটি টাকার ২ প্রকল্পের আওতায় রাউজানের পশ্চিম গহিরা, কাগতিয়া, গহিরা মোবারক খীল, হাটহাজারীর মদুনাঘাট, মাছুয়া ঘোনা, মাদ্রাসা সরকারি ৬টি হ্যাচারি মেরামত পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্প পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘রাউজান ও হাটহাজারীর হ্যাচারিগুলো সচল করতে পুনর্নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করার পর হ্যাচারি মেরামত ও পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় হ্যাচারি মেরামত ও পুনর্নির্মাণ কাজ ছাড়া ও হ্যাচারিসমূহের পুকুর পুনঃখনন করার মাধ্যমে পোনা প্রতিপালনের উপযোগী করার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৭ লাখ ঘনমিটার পুকুর খনন করা হয়েছে। এসব নার্সারি পুকুর থেকে ২ লাখ ৮৮ হাজার হালদা নদীর পোনা পরিচর্যা করার পর হালদা নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী মৎস্যজীবী, ও ডিম আহরণকারী এবং হালদা নদী ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত স্থানীয় কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করার কাজ চলছে। এ ছাড়া স্টোকহোলডারদের অংশগ্রহণে ৫১ ব্যাচ ওয়ার্কসপ, সেমিনার, ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সফল আয়োজন করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ১০০ জন দরিদ্র জেলে ও সুফলভোগীদের বিকল্প কর্মসংস্থানের আওতায় উপকরণ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৯০ জনকে বিকল্প কর্মসংস্থানের আওতায় ছাগলসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। হালদা নদীতে নাজির হাট ব্রিজ থেকে চট্টগ্রাম নগীর কালুর ঘাট হালদা মোহনা পর্যন্ত ৪০ জন পাহারাদার নিয়োগ করা হয়েছে। হালদা নদীতে অবৈধ মাছ শিকার ও দূষণ প্রতিরোধে মৎস্য আইন বাস্তবায়নের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মৎস্য অধিদপ্তর, রাউজান উপজেলা প্রশাসন, হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ৬৪৫টি অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ জাল ও বড়শি জব্দ করে তা ধংস করে। চট্টগ্রাম জেলা ১৪টি উপজেলা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, খাগড়াছড়ি জেলার নকছড়ি, রামগড়, রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই প্রকল্পের আওতাভুক্ত উপজেলাসমূহে সরকারি কর্মকর্তা, পেশাজীবীসহ সংশ্লিস্টদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৩ সালে শুরু করা ৪৬ কোটি টাকার ২ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালে।


পহেলা বৈশাখে ২ কোটি ২০ লাখ কৃষক কৃষি কার্ড পাবে: ড. তিতুমীর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে ২ কোটি ২০ লাখ কৃষকের জন্য কৃষি কার্ডের প্রি-পাইলট কর্মসূচি চালু হবে। এছাড়াও আগামী ১৮ মাসের মধ্যে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার সামাজিক সুরক্ষণ ব্যবস্থায় দলীয়করণ করে গেছে। ফলে এই তালিকায় যার নাম থাকার কথা ছিল তার নাম নেই। আবার এই তালিকায় যার নাম থাকার কথা ছিল না, তার নাম দেওয়া হয়েছে। এটি হয়েছে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে। তবে আমরা সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। সকল ত্রুটি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত করে প্রকৃত সুবিধাভোগী বা অধিকারভোগীর কাছে তার প্রাপ্য পৌঁছে দেওয়ার।

তিনি আরও বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ থেকে ইমাম, মোয়াজ্জেম, পুরোহিত ও সেবায়েতদের ভাতা চালু করা হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ থেকে খাল খনন ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি চালু হবে। আমাদের নির্বাচনের অমুচনীয়-কালি মোছার আগেই আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ।

এসময় উপজেলায় কর্মরত সকল সরকারি দপ্তর প্রধান, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।


দরিদ্রতা কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য- সফিকুর রহমান কিরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রায় ৭০০ জন অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের মাঝিরহাট এলাকায় হালিমা-খালেক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এই ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণ প্রধান অতিথি থেকে অসহায়দের মাঝে এই উপহার তুলে দেন। উপহার পেয়ে খুশি উপকারভোগীরা। তারা বলেন, এই সহায়তা তাদের ঈদের প্রস্তুতিতে অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

এসময় এমপি সফিকুর রহমান কিরণ বলেন, হালিমা খালেদ ফাউন্ডেশন–এর উদ্যোগে নড়িয়ার নাশাষন ইউনিয়ন–এর অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। নশাসন ইউনিয়নের প্রায় ৭০০টি দরিদ্র পরিবারের হাতে সহায়তার ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়। আমরা অসহায়ের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমাদের বিশ্বাস, আগামী এক বছর পর যখন আবার রমজান মাস আসবে, তখন এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে। এমন একটি সময় আসবে, যখন আমরা সহায়তার ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করবো, কিন্তু এত হতদরিদ্র মানুষ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমাদের সমাজে যারা গৃহহারা, যারা সাহায্য থেকে বঞ্চিত, যাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই, বিশেষ করে অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন, যাদের দেখাশোনার মতো ছেলে-মেয়ে নেই এবং অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয় তাদের পাশে দাঁড়াতে।

এমপি আরও বলেন, আমি চাই আমার নড়িয়া ও সখিপুর এলাকার মানুষ যেন আর কখনো না খেয়ে ঘুমাতে না যায়। এটাই আমার অঙ্গীকার।

এসময় নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বিএম আজিজুল হাকিম, হালিমা-খালেক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি ঢাকার সভাপতি হাবিবুর রহমান পলাশ, পরিচালক মাহবুবুর রহমান ফকির, মোসাম্মৎ সাধনা মাঝি, হোসাইন ইসলাম জয়সহ বিএনপি ও তাঁর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।


মেঘনার তীর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি ও হুইপ নিজান

আপডেটেড ১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০১
কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলাকে মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষায় নির্মাণাধীন ৩৭ কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কমলনগর উপজেলার ফলকন ইউনিয়নের মাতাব্বরহাট এলাকায় পৌঁছান তিনি। সেখানে তিনি চলমান বাঁধ নির্মাণকাজের ভৌত অগ্রগতি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. সাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান হাছিব, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফের) সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক এম. দিদার হোসেন, কমলনগর প্রেসক্লাব সভাপতি মুছাকালিমুল্লাহ সদস্য শাহরিয়ার কামাল ও মো.এমরান হোসেন সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মেঘনার ভাঙন থেকে এ অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের অগ্রাধিকার। আগামী বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বাঁধের কাজ যাতে দৃশ্যমান হয় এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল পায়, সে লক্ষ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কাজের গুণমান বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন।

এ সময় হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বাঁধ নির্মাণের কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। দীর্ঘদিনের এই জনদাবি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানিসম্পদ মন্ত্রী আজ দিনব্যাপী রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকা ও বাঁধের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো পরিদর্শন করবেন। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।


banner close