রোববার, ২৪ মে ২০২৬
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অজপাড়াগাঁয়ে আলো ছড়াচ্ছে ‘মুক্তিযোদ্ধা স্কুল’

মুক্তিযোদ্ধা হেলাল-খসরু হাই স্কুল। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৪ এপ্রিল, ২০২৪ ০০:০৮
জাহাঙ্গীর আলম, সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত
জাহাঙ্গীর আলম, সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত : ৪ এপ্রিল, ২০২৪ ০০:০৮

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা হেলাল-খসরু হাই স্কুল। তবে মুক্তিযোদ্ধা স্কুল নামেই এটি বেশি পরিচিত। প্রত্যন্ত এলাকায় অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে শিক্ষার আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে চলেছে দুই মুক্তিযোদ্ধার স্থাপিত এ স্কুলটি।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পাকিস্তানের করাচির সেনানিবাস থেকে পালিয়ে আসেন বাঙ্গালি ক্যাপ্টেন এ এস হেলাল উদ্দিন। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি আতাউল গণি ওসমানীর নির্দেশে ৫ নম্বর সেক্টরের সেলা সাব-সেক্টর বাঁশতলায় কমান্ডার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বীর-মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ক্যাপ্টেন হেলাল নামেই পরিচিত ছিলেন। যুদ্ধকালীন ক্যাপ্টেন হেলালের বীরত্বগাথা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গৌরবের সঙ্গে স্থান করে নিয়েছে।

যুদ্ধশেষে যুদ্ধদিনের সাথী বীর-মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধরী খসরুকে নিয়ে রাস্তা-ঘাটবিহীন জনবিচ্ছিন, অবহেলিত এবং শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত এই জনপদে স্কুল তৈরির পরিকল্পনা করেন ক্যাপ্টেন হেলাল।

যেভাবে হলো স্কুলের সূচনা

বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর গ্রামের বাড়ি দোয়ারাবাজারের লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তিনি ছিলেন এই গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তার মা মজিদা খাতুন চৌধুরীর দানকৃত এক একর জায়গা এবং ক্যাপ্টেন হেলালের ৬ লাখ টাকা অর্থায়নে ১৯৯৬ সালে গড়ে তোলেন ক্যাপ্টেন হেলাল খসরু হাই স্কুল। প্রথমে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট পাকা দেয়ালের টিনশেড স্কুল ঘর এবং আলাদা বাথরুম নির্মাণ করা হয়। শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও একই গ্রামের বিএ (সম্মান) পাস করা যুবক গুলজার আহমেদ প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেন। অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে কাজে নামেন স্কুলে শিক্ষার্থী নিয়ে আসার।

তিনি তার সহকারী শিক্ষক প্রথমে মোস্তফা কামাল পরে আলী আকবর, আতাউর রহমানকে সাথে নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ৩৫ জন শিক্ষার্থী সংগ্রহ করেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত এই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০০৪ সালে এটি মাধ্যমিক স্কুলের স্বীকৃতি লাভ করে এবং ২০১৯ সালে মাধ্যমিকপর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়।

স্কুলের সাফল্য

২০০৪ সালে ৫ জন শিক্ষার্থী এই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে চারজন পরীক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরবর্তীতে শত শত শিক্ষার্থী এই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে কলেজ হয়ে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি চাকরিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ৭৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৮ জন কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়। পাসের হার ৮৭ শতাংশ নিয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। উপজেলা ও জেলাপর্যায়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান ও গণিতে মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করে চলেছে এই স্কুলটি। ২০২৪ সালে স্কুল থেকে ৯১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

স্কুলের বর্তমান অবস্থা

মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল খসরু হাই স্কুল অর্থাৎ ‘মুক্তিযোদ্ধা স্কুল’ প্রতিষ্ঠা হওয়ায় আলোকিত হয়েছে পুরো লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন। এখন আশপাশের গ্রামে কোনো নিরক্ষর লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে চাকরিজীবী শিক্ষিত পরিবার। এক সময় স্কুল ড্রেস ভিজিয়ে, গায়ে কাদামাটি মেখে, নৌকায় করে, হেঁটে স্কুলে পৌঁছাতে হতো। এখন স্কুলকে কেন্দ্র করে সেখানকার রাস্তা-ঘাটেরও বেশ উন্নতি হয়েছে।

স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকর্মী আল আমিন বলেন, ‘এই স্কুলের জন্য পুরো এলাকা আলোকিত হয়েছে। এ জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা জাতির দুই শ্রেষ্ঠ সন্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধা স্কুলের ছাত্র হিসেবে আমি গর্বিত।’

প্রধান শিক্ষক মো. ফারুক আহমদ বলেন, স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিচালনা পরিষদের যথেষ্ট আন্তরিকতা রয়েছে। স্কুলটির আরও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দরকার। শিক্ষক সংকট দূর করা এবং নিরাপত্তার জন্য স্কুলের চতুর্দিকে সীমানা দেয়াল নির্মাণ জরুরি।
স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মুনমুন চৌধুরী বলেন, শিক্ষক সংকট দূর হলে জেলার শ্রেষ্ঠ স্কুল হতে পারে এই স্কুল। আশা করছি এটি শিগগিরই স্কুল থেকে কলেজে উন্নীত হবে।

স্কুলের হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘দোয়ারাবাজারের প্রত্যন্ত জনপদে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে ১৯৯৬ সালে আমি এবং বীর-মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করি। বর্তমানে স্কুলের সাফল্য দেখে আমি আনন্দিত।’


নলছিটিতে যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় আমিনুল ইসলাম বাবু (২৭) নামের এক যুবকের কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করা মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে।

নিহত আমিনুল ইসলাম বাবু উপজেলার নাচনমহল গ্রামের মো. আলমগীর হোসেন তালুকদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৩ মে) রাত ৯টার দিকে আমিনুল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। রোববার (২৪ মে) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামের কৃষ্ণকান্ত রায়ের বাড়ির পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে নলছিটি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নলছিটি থানার ওসি মো. আরিফুল আলম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের কোপের গভীর চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।


মেঘনা নদীপথের শীর্ষ নৌডাকাত গ্রেপ্তার, লাখ টাকা উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

মেঘনা নদীপথের ত্রাস ও শীর্ষ নৌডাকাত দ্বীন ইসলাম ওরফে ধীরাকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে ভৈরব নৌপুলিশ। রোববার (২৪ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ডাকাতির ১ লাখ ৭০ হাজার ১৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ মে ভোর ৫টার দিকে ভৈরব বাজারের ‘এনএম ব্রাদার্স’ নামের একটি বাদাম ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকসহ ১০ জন কর্মচারী নৌকাযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাইশমৌজা বাজারের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ৬টার দিকে তাদের নৌকাটি আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা এলাকায় পৌঁছালে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে ডাকাত দল তাদের ওপর হামলা চালায়।

ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে বস্তায় থাকা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ভৈরব নৌ পুলিশ দ্রুত স্পিডবোট নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাঝনদী থেকে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ওই দিন দুপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক শামীম আহমেদ বাদী হয়ে ভৈরব নৌ থানায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা করেন।

মামলার এক সপ্তাহের মাথায় তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শীর্ষ ডাকাত ধীরাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ভৈরব নৌ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, দ্বীন ইসলাম ওরফে ধীরা মেঘনা নৌপথের অন্যতম শীর্ষ ডাকাত। তার নেতৃত্বেই মূলত এই নদীপথে বড় বড় ডাকাতি সংঘটিত হতো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে গত ১৬ মে বাদাম ব্যবসায়ীদের ৩৫ লাখ টাকা ডাকাতির কথা স্বীকার করেছে। তার কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ১৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অবশিষ্ট টাকা উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


পাবনার হাট কাঁপাচ্ছে ৪০ মণের ‘সাদা সুলতান’, দাম ১৫ লাখ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা প্রতিনিধি

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পাবনার কোরবানির পশুর হাটে প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে ‘পাবনার সাদা সুলতান’ নামের এক বিশাল আকৃতির ষাঁড়। ধবধবে সাদা রঙের প্রায় ৬ ফুট উচ্চতা আর ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই হলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির ওজন দাবি করা হচ্ছে প্রায় ৪০ মণ (১ হাজার ৬০০ কেজি)। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা এই দানবীয় পশুটির দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। বিশাল এই ষাঁড়টিকে একনজর দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন খামারির বাড়িতে।

মায়ের অসুস্থতায় প্রবাস ছেড়ে খামারি ও সফল উদ্যোক্তা: ষাঁড়টির মালিক পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের হামিদপুর মধ্যপাড়া গ্রামের ফারুক হোসেন সরদার। ২০০৩ সালে নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় পরিবারের হাল ধরতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (দুবাই) পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেখানে আট বছর ভালোই কাটছিল। কিন্তু ২০১১ সালে মায়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে সবকিছু ফেলে দেশে ফিরে আসেন ফারুক।

দেশে এসে কর্মসংস্থানের তাগিদে ছোট পরিসরে শুরু করেন গরুর খামার। চার বছর আগে তার খামারের একটি গাভী থেকে এই সাদা বাছুরটির জন্ম হয়। তখন থেকেই পরম যত্নে সেটিকে বড় করতে থাকেন তিনি। বর্তমানে ফারুকের খামারে ২০টি গরু রয়েছে। পাশাপাশি তার একটি মাছ ও মুরগির খামারও রয়েছে।

রাসায়নিকমুক্ত সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পালন: খামারি ফারুক হোসেন সরদার বলেন, ‘বিদেশ থেকে ফেরার পর দেশে কোনো কাজ ছিল না। শূন্য থেকে এই খামার গড়ে তুলেছি। এই ষাঁড়টিকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে খড়, ভূষি, ছোলা, যব, গম ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে বড় করা হয়েছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি। চার বছর ধরে দিন-রাত পরিশ্রম করে একে বড় করেছি। এখন বিক্রির সময় মায়া লাগছে। তবে ভালো দাম পেলে বিক্রি করতে হবে। কোনো ক্রেতা যদি ১৫ লাখ টাকায় এটি কেনেন, তবে উপহার হিসেবে তাকে একটি খাসি ফ্রি দেওয়া হবে।’

ফারুকের এই সাফল্যে সমান অংশীদার তার স্ত্রী মুনতাহিনা আক্তার। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘চারটা বছর দিন-রাত একে সন্তানের মতো দেখভাল করেছি। এখন একটা গভীর মায়া পড়ে গেছে। ও যেখানেই যাক, যেন ভালো থাকে—এই দোয়াই করি।’

স্থানীয় প্রতিবেশী আবদুল্লাহ খান জানান, সাদা রঙের এত বড় এবং সুন্দর গরু এই এলাকায় এর আগে কেউ কখনও দেখেনি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষ এটি দেখতে আসছে এবং পাইকাররাও দরদাম করছেন।

চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত পাবনায়: পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জহুরুল ইসলাম জানান, খামারি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়মে ষাঁড়টি মোটাতাজা করেছেন। আশা করা হচ্ছে, তিনি বাজারে ভালো দাম পাবেন। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পাবনা জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭২টি। এর বিপরীতে জেলার ৩৩ হাজার ৪০টি খামারে কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি—যা চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এর মধ্যে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৫টি গরু এবং ৩ লাখ ৭৯ হাজার ১৭৭টি ছাগল ও ভেড়া রয়েছে।


ফরিদপুরে অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে জেলা পরিষদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরিদপুর প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফরিদপুরে অসহায়, দুস্থ, অসুস্থ ব্যক্তি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ। রোববার (২৪ মে) বেলা ১১টায় শহরের কবি জসীমউদ্দীন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অনুদান বিতরণ করেন ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন ও নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম সানজিদা সুলতানা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আলী রেজওয়ান বিশ্বাস তরুণ, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল এবং যুবদল নেতা রুবেল হোসেন দুলালসহ স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।


কেঁচো চাষে সফলতার গল্প: গৃহিণী থেকে উদ্যোক্তা বনানী রানী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সংসারের কাজের ফাঁকে অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে ভাগ্যবদল করেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বয়াতিরহাট ছোটশিংগা গ্রামের গৃহিণী বনানী রানী। দীর্ঘ ১৬ বছরের কঠোর পরিশ্রমে তিনি আজ একজন সফল ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদনকারী উদ্যোক্তা।

চার সদস্যের দরিদ্র পরিবারে সচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় ১৬ বছর আগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহায়তায় মাত্র দুটি রিং ও এক মুঠো কেঁচো নিয়ে তার যাত্রা শুরু হয়েছিল। শুরুতে বাজারজাতকরণে সমস্যা ও নানা সামাজিক কটূক্তির শিকার হয়ে কাজ বন্ধ রাখলেও তিনি দমে যাননি।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে নিজের পণ্যের প্রচার শুরু করলে সারের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। এরপর কৃষি বিভাগ ও গণস্বাস্থ্যের সহায়তায় তিনি স্থায়ী খামার গড়ে তোলেন। গোবর ও কলাগাছ ব্যবহার করে তৈরি এই জৈব সার বিক্রি করে তিনি এখন বছরে প্রায় ১ থেকে ১.৫ লাখ টাকা আয় করছেন।

বনানী রানী জানান, নানা বাধা ও শত্রুতার শিকার হলেও আজ তার সার ছাদ বাগান ও কৃষকদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়। ভবিষ্যতে তিনি এই খামার আরও বড় করে দেশের বাইরেও সার রপ্তানি করতে চান।


মাগুরায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সংগতি রেখে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মাগুরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) সকালে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে স্থানীয় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বক্তারা বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমানে খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কর্মক্ষমতাহীন ও দরিদ্র প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোর জন্য বর্তমান ভাতা একেবারেই অপর্যাপ্ত।’

বক্তারা আরও বলেন, সমাজের এই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং কার্যকর পুনর্বাসনমূলক কর্মসূচি জোরদার করার জন্য তারা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।


কেশবপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৪৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
হারুনার রশীদ বুলবুল, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৮ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ রেকসোনা খাতুন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাজেট ঘোষণা করেন।

বাজেট ঘোষণাকালে পৌর এলাকার নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, আধুনিক পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ রেকসোনা খাতুন বলেন,

জনগণের প্রত্যাশা ও নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত ও জনবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে এবারের বাজেটে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভা গঠনে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন,সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নের মাধ্যমে পৌর এলাকার রাস্তা, ড্রেনেজ, আলো ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে কেশবপুর পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মেসকাতুল ইসলাম। তিনি বলেন, উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন তা মানুষের মৌলিক চাহিদার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ায় সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল ফজল মোঃ ইনামুল হক বলেন নাগরিকদের কর প্রদানে সচেতনতা বাড়লে পৌরসভার নিজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোছাঃ রোকসানা খাতুন, বলেন,সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে বাজেট বাস্তবায়নে পৌর কর্তৃপক্ষ কাজ করবে। নাগরিকদের কর প্রদানে সচেতনতা বাড়লে পৌরসভার নিজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

ঘোষিত বাজেট অনুযায়ী, রাজস্ব আয় থেকে ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। এছাড়া এডিপি থেকে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, কোভিড-১৯ খাত থেকে ৩ কোটি টাকা এবং আইইউজিনাইপি প্রকল্প থেকে ৩৫ কোটি টাকা প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ ১ হাজার টাকা এবং উদ্বৃত্ত থাকবে ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন , উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা জামায়াতের আমির সাইদুর রহমান সাইদ, পৌর জামায়তের আমির প্রভাষক মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর সিদ্দিকী, প্রেসক্লাব কেশবপুরের সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু এবং নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ বুলবুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, পরিকল্পিতভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করা গেলে কেশবপুর পৌরসভায় নাগরিক সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।


শেরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

গৃহবধূকে ধর্ষণের পর গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিচ্ছে স্থানীয়রা। ইনসেটে ধর্ষক এনামুল।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এনামুল হক (৩৮) নামে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। ২৩ মে শনিবার রাতে পৌর শহরের খোয়ারপাড় শাপলাচত্বর মোড়ে এ গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। এনামুল শহরের সবজারখিলা মহল্লার মোবারক হোসেনের ছেলে। এর আগে শনিবার দুপুরে এনামুলের বাড়িতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে শেরপুর শহরের সবজারখিলা মহল্লার অভিযুক্ত এনামুলের বাসায় ভাড়া ওঠেন গৃহবধূ ও তার স্বামী। আসবাবপত্রের দোকানে কাজের সুবাদে ওই গৃহবধূর স্বামী বাইরে থাকার সুযোগে এনামুল গৃহবধূকে বিভিন্ন সময় মেসেঞ্জারে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে শনিবার দুপুরে এনামুল কৌশলে গৃহবধূর ঘরে ঢুকে তার মুখ চেপে ধর্ষণ করে। পরে গৃহবধূ তার স্বামী ও পরিবারের লোকজনকে ঘটনাটি জানান। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসীও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে সন্ধ্যার দিকে গৃহবধূর পরিবার ও স্থানীয়রা এনামুলকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয়।

পরে এ ঘটনায় এনামুলের শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। একপর্যায়ে সদর থানার সামনেও গিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।

ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, আট মাস আগে আমরা বিয়ে করেছি। কাজের সুবাদে পাঁচ মাস আগে সবজারখিলা এলাকায় ভাড়া বাসায় উঠি। বাসায় ওঠার পর থেকেই বাড়ির মালিকের ছেলে এনামুল আমার স্ত্রীকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দেয়, লোভ দেখায়। পরে আমার ভাইকে এবং আমার স্ত্রীর মামাকে বিষয়টি জানালে সেটার সমাধানও হয়। তবে এরপর আবারও সে কু-প্রস্তাব দেয়। পরে শনিবার দুপুরে অতর্কিতভাবে কৌশলে ঘরে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। আমি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এর বিচার চাই আমি।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, এনামুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


রূপগঞ্জে কোরবানির মাংস কাটার খাটিয়া-হোগলা বিক্রির ধুম

আপডেটেড ২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৫৪
নজরুল ইসলাম লিখন, রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানির প্রস্তুতি। পশুর হাটের পাশাপাশি এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কসাই সরঞ্জাম ও মাংস কাটার উপকরণ বিক্রেতারা। উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও বাজারের মোড়ে থরে থরে সাজানো দেখা যাচ্ছে হোগলা, প্লাস্টিক ও মাংস কাটার কাঠের খাটিয়া কিংবা গাছের গুঁড়ি।

ঈদকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী দোকানগুলোতে বিভিন্ন আকার ও দামের এসব পণ্যের পসরা বসেছে। বিক্রেতারা জানান, সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দামে খাটিয়া বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে তেঁতুল কাঠের তৈরি খাটিয়ার চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে গাছের গুঁড়ির চাহিদা। রূপগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের পাশে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা সাজিয়ে বসেছেন গাছের গুঁড়ির দোকান। তেঁতুল, নিম, করইসহ নানা ধরনের গাছের গুঁড়ি পাওয়া গেলেও ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ তেঁতুল কাঠ। সাধারণত এক ফুট থেকে সোয়া ফুট দৈর্ঘ্যের এসব গুঁড়ি ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় ক্রেতা ইসলাম বলেন, “কোরবানির ঈদে খাটিয়া প্রয়োজন হয়। তাই এবার ৪০০ টাকায় একটি তেঁতুল কাঠের খাটিয়া কিনেছি।” আরেক ক্রেতা ছালেক জানান, আগে মূলত কসাইরাই এসব খাটিয়া ব্যবহার করতেন, তবে এখন সাধারণ মানুষও পরিচ্ছন্নভাবে মাংস কাটার সুবিধার জন্য কিনে নিচ্ছেন।

উপজেলার একাধিক স-মিল মালিক জানান, সব গাছ দিয়ে ভালো গুঁড়ি তৈরি করা যায় না। তেঁতুল কাঠ সবচেয়ে শক্ত ও টেকসই হওয়ায় এর চাহিদা বেশি। অন্য গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাংস কাটলে কাঠের গুঁড়া উঠে মাংসের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া তেঁতুল কাঠের গুঁড়ি সহজে নষ্ট হয় না এবং পরিষ্কার করে সংরক্ষণ করলে বহুদিন ব্যবহার করা যায়।

তারা আরও জানান, আগের মতো এখন আর সহজে তেঁতুল গাছ পাওয়া যায় না। পাওয়া গেলেও বেশি দামে কিনতে হয়। পরে স-মিলে এনে খণ্ড করে গুঁড়ি তৈরি করে বাজারজাত করা হয়।

মৌসুমি গুঁড়ি বিক্রেতা ছালামত মোল্লা বলেন, ঈদকে ঘিরে গুঁড়ির কদর বেড়েছে। ছোট, মাঝারি ও বড় তিন ধরনের গুঁড়ি বিক্রি করছেন তিনি। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে তেঁতুল কাঠের গুঁড়ি, যার দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

রূপগঞ্জের ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা আওলাদ ভুঁইয়া বলেন, “গরু কেনা শেষ। শুধু গাছের গুঁড়ি কেনা বাকি ছিল। তেঁতুল কাঠ ভালো হওয়ায় ৩৫০ টাকায় একটি কিনলাম।” তিনি জানান, পশু জবাইয়ের পর পরিচ্ছন্নভাবে মাংস কাটতে গাছের গুঁড়ি অনেক বেশি কার্যকর।

নবগ্রাম থেকে আসা কাঠ ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, গত কয়েক বছরে তেঁতুল গাছ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে তেঁতুল কাঠের তৈরি গুঁড়ির দাম কিছুটা বেশি। তবে এখন মানুষ পরিচ্ছন্নভাবে মাংস কাটার বিষয়ে আগের চেয়ে অনেক সচেতন।

অন্যদিকে মুড়াপাড়া বাজারে হোগলা বিক্রি করছেন আসলাম মিয়া। তিনি জানান, এবার হোগলার দামও বেড়েছে। বিভিন্ন চরাঞ্চলে হোগলপাতা কম জন্মানোর কারণে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে উপকূলীয় এলাকা থেকে হোগলপাতা সংগ্রহ ও বুননের খরচ বেড়ে গেছে।

তার দোকানে বড় আকারের একটি হোগলা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় এবং মাঝারি আকারের হোগলা প্রায় ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদকে ঘিরে রূপগঞ্জে পশুর পাশাপাশি কোরবানির আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এই জমজমাট বাজার স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মাঝে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য এনে দিয়েছে।


আমতলীতে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে খালু আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসরিন সিপু, বরগুনা প্রতিনিধি

১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে খালু আলমগীর হোসেনকে আটক করেছে আমতলী থানা পুলিশ। আজ রবিবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার খাকদোন গ্রামে গত সোমবার সকালে।এলাকাবাসী আলমগীর হোসেনের কঠোর শাস্তি দাবী করেছেন। জানাগেছে, দুই বছর বয়সে ওই কিশোরীর মা মারা যান। এরপর থেকে ওই কিশোরী নানা বাড়ীতে বড় হয়। গত রবিবার রাতে খালু আলমগীর হোসেন শ্বশুর বাড়ীতে বেড়াতে আসে। সোমবার ১৮ মে সকালে ওই কিশোরীকে খালু আলমগীর জোরপুর্বক ধর্ষণ করে। ওই বিষয়টি কিশোরী নানা বাড়ীর লোকজনকে জানায়। ঘটনা জেনে নানী আমতলী থানায় অভিযোগ দেন।
রবিবার রাতে পুলিশ তাকে তার বাড়ী থেকে আটক করেছে। এ ঘটনায় আমতলী থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রবিবার দুপুরে পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের অন স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছেন। নানী বলেন, বিষয়টি আমি মেনে নিতে পারিনি তাই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। ওর কঠোর শাস্তি দাবী করছি। নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী বলেন, নানা বাড়ীতে আমাকে একা পেয়ে খালু আলমগীর হোসেন জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে। আমি তার শাস্তি দাবী করছি। আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাত মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। তিনি আরো বলেন, ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের অন স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।


দৌলতপুরে টুংটাং শব্দে মুখর কামারশালা  

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 

বাঁশ, পাটকাঠি আর ছন দিয়ে তৈরি ছোট্ট কুঁড়ে ঘর। বাইরে থেকে সাধারণ চোখে তেমন কিছু মনে না হলেও ভেতর থেকে হাতুড়ি আর গরম লোহা পেটানোর টুংটাং ভেসে আসা শব্দই বলে দিচ্ছে, এটি একটি কামারশালা। সেই শব্দ যেন জানান দিচ্ছে— আর বেশি দেরি নেই, আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা।

বছরের বেশির ভাগ সময় নিরব পড়ে থাকা দৌলতপুর উপজেলার কামারশালাগুলোতে এখন ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ছুরি, দা, বটি ও চাপাতি তৈরির কাজ। তবে নতুন সরঞ্জাম তৈরির চেয়ে পুরোনো সরঞ্জাম মেরামত ও শান দেওয়ার কাজই বেশি করছেন কামাররা।

কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে কিংবা পুরোনোগুলো ধারালো করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ক্রেতারা।

উপজেলার সদর, হোসেনাবাদ, প্রাগপুর, মরিচা, ফিলিপনগর, খলিশাকুন্ডি, আল্লারদর্গা ও তারাগুনিয়া এলাকার বিভিন্ন কামারশালায় গিয়ে দেখা যায়, আগুনে লোহা গরম করে হাতুড়ির আঘাতে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ধারালো সরঞ্জাম। একদিকে নতুন ছুরি-বটি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে পুরোনো দা-ছুরি শান দিতে আসছেন সাধারণ মানুষ।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আকার ও মানভেদে ছুরি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়। দা ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা, বটি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, পশু জবাইয়ের ছুরি ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং চাপাতি ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুরোনো ছুরি বা দা শান দিতে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের ধরন অনুযায়ী ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

হোসেনাবাদ বাজারের কামার প্রশান্ত বলেন, “বছরের অন্য সময়ের তুলনায় কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করেই সবচেয়ে বেশি কাজের চাপ থাকে। কয়েকদিন ধরে রাত জেগে কাজ করছি। কিন্তু লোহা ও কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও অনেক বেড়েছে। এখন নতুন করে আর কাজ নিচ্ছি না, মানুষের আগের অর্ডার শেষ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।”

কামার রামপদ কর্মকার বলেন, “ঈদের আগে কাজের অনেক চাপ থাকে। মানুষ নতুন ছুরি-বটি কিনছে, আবার পুরোনোগুলোও শান দিচ্ছে। এই সময়টাতে যা আয় হয়, তা দিয়েই বছরের অনেকটা সময় চলে। আধুনিক যন্ত্রপাতির ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে এই শিল্প বিলীনের পথে। নতুন প্রজন্মও আর এই কাজ শিখতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। আমরা অনেকেই এখন কৃষি কাজের সাথে জড়িত।”

কামারশালায় আসা জাহিদুল ইসলাম জানান, তিনি পাঁচটি ছুরি ও দুটি চাপাতি মেরামত ও ধারালো করতে এনেছেন। তিনি বলেন, “কোরবানির দিন আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে পশু কোরবানি দেওয়া হবে। সেজন্য এগুলো ঠিকঠাক করে নিচ্ছি। বছরে এই একটা সময়েই এসবের কথা মনে পড়ে। দোকানে এখন এত ভিড় যে ঈদের আগের দিন এসে নিতে বলেছে।”

আরেক ক্রেতা আতিকুর রহমান বলেন, “আমি নতুন করে দুটি ছুরি ও একটি বটি কিনতে এসেছি। বর্তমান বাজারদর ও শ্রমের তুলনায় দাম ঠিকই আছে।”

ক্রেতাদের ভাষ্য, কোরবানির সময় ভালো মানের ধারালো সরঞ্জামের চাহিদা বেশি থাকে। তাই তারা স্থানীয় কামারদের হাতে তৈরি সরঞ্জামের ওপরই বেশি আস্থা রাখছেন।


মস‌জি‌দের বারান্দা থে‌কে দিনমজু‌রের রক্তাক্ত মর‌দেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনার হরিনটানা থানাধীন কৈয়া বাজার জয়খালী ব্রিজ সংলগ্ন মসজিদের বারান্দায় ডালিম গাজি (৪১) নামে একজন দিনমজুরের লাশ পাওয়া গেছে। আজ রবিবার ভোর সাড়ে ৫ টায় এ ঘটনা ঘটে। হরিণটানা থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনার শহর সংলগ্ন কৈয়া বাজার জয়খালী ব্রিজ এলাকায় বাইতুল মা’মুর জামে মসজিদের বারান্দায় ভোরে নামাজে আসলে মুসল্লিরা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়।

নিহতের মাথায় ইটের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পাশে রক্তাক্ত ইট পাওয়া গেছে। কে বা কারা মেরেছে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

মৃত ডালিম গাজি খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর এলাকার আবুল হোসেন গাজি ও ভানু বিবির সন্তান। পেশায় দিনমজুর।

ঘটনাস্থলে সিআইডি টিম আলামত সংগ্রহের কাজ শেষ করে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ এর প্রক্রিয়া চলছে। এ হত্যাকাণ্ডের পর পরই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

হরিণটানা থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা সকালে নামাজে এসে মসজীদের বারান্দায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ইট দিয়ে মাথার ডান পাশে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। রাতে হত্যা করে মসজিদের বারান্দায় ফেলে যায় হত্যাকারী। আশপাশের সিসি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। সে একজন দিন মজুর। কাজের উদ্দেশ্যে খুলনায় আসে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।


শ্রীমঙ্গলে পাঁচ দিনব্যাপী নৃত্য কর্মশালার সমাপ্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বর্ণাঢ্য নৃত্য উৎসবের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী নৃত্য কর্মশালার সমাপ্তি হয়েছে। শনিবার রাতে শ্রীমঙ্গল নৃত্যালয়ের আয়োজনে শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন নৃত্যদল অংশ নিয়ে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থাপন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না, শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ু, শ্রীমঙ্গল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি মশিউর রহমান রিপন, ভারতের কলকাতা থেকে আগত নৃত্যশিল্পী সুমন মন্ডল, দিল্লি থেকে আগত নৃত্যশিল্পী নিপুন দাডু নাবিলা, ঢাকা থেকে আগত নৃত্যশিল্পী ও প্রশিক্ষক আবু নাইম এবং শ্রীমঙ্গল নৃত্যালয়ের পরিচালক দ্বীপ দত্ত আকাশসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা।

শ্রীমঙ্গল নৃত্যালয়ের পরিচালক দ্বীপ দত্ত আকাশ জানান, গত ১৯ মে থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এই নৃত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালায় শ্রীমঙ্গল নৃত্যালয়ের ১০৫ জন নৃত্যশিল্পী অংশ নেন। কর্মশালায় ঢাকা থেকে আগত প্রশিক্ষক আবু নাইম অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নৃত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

তিনি আরও বলেন, কর্মশালার সমাপনী দিনে আয়োজিত নৃত্য উৎসবে শ্রীমঙ্গল নৃত্যালয়সহ বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ১৮টি নৃত্যদল অংশ নেয়। উৎসবটি স্থানীয় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।


banner close