বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সীমান্তে গোলা পড়ায় মিয়ানমারের দুঃখ প্রকাশ

প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতিনিধিদল। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৩০ অক্টোবর, ২০২২ ১৭:৪৬
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ৩০ অক্টোবর, ২০২২ ১৭:১৫

মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে গোলাগুলি পড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচাররোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে একমত পোষণ করেছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)।

আজ রোববার নাফনদ সংলগ্ন সীমান্তে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে অবকাশ যাপনকেন্দ্র ‘সাউদার্ন পয়েন্ট’র সম্মেলন কক্ষে বিজিবির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বিজিপির প্রতিনিধিদল এ দুঃখ প্রকাশ করে। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে।

বৈঠকে বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ ইফতেখারের নেতৃত্বে নয় সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমারের মংডুর ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল কাও না ইয়ান শোর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

গত আড়াই মাস ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘাত চলছে। সেই সংঘাতের গোলাগুলি একাধিকবার বাংলাদেশের ভূখণ্ডে পড়েছে এবং এতে প্রাণহানিও হয়েছে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশ সীমান্তের বাসিন্দারা।

সীমান্তের এ পরিস্থিতিতে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে দফায় দফায় তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

এ নিয়ে আলোচনায় বসতে একাধিকবার বিজিপির কাছেও চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু সাড়া মেলেনি। তবে নিয়মিত বৈঠক হিসেবে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বৈঠকে বসতে রাজি হয়।

গত ১০ অক্টোবর পরিস্থিতি দেখতে সীমান্তে আসেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ। সীমান্ত পরিদর্শনের পাশাপাশি তিনি বিজিবির কার্যক্রম দেখেন। ওই সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রতিবাদলিপি পাঠানোর পাশাপাশি বিজিপির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। সময় নির্ধারণ না হলেও পতাকা বৈঠকে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার।

প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ ইফতেখার।

তিনি জানান, আজকের বৈঠকে সীমান্তে মিয়ানমার থেকে গোলা পড়ে বাংলাদেশে হতাহতের ঘটনা, মাইন পুঁতে রাখার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। মিয়ানমারের কোনো নাগরিক যেন বাংলাদেশে আর অনুপ্রবেশ না করে এবং মাদকের চোরালান যেন বন্ধ হয় সেই দাবিও জানিয়েছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে কোনো ধরনের গোলা যেন বাংলাদেশে না পড়ে অথবা মাইন যেন আমাদের সীমান্তে পুঁতে রাখা না হয়, সে বিষয়ে তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বিজিপির প্রতিনিধিদের বরাত দিয়ে বিজিবির এ কর্মকর্তা জানান, তারা এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে, যা এতদিন তাদের তরফ থেকে হয়নি। একই সঙ্গে সীমান্তে বসবাসরত সাধারণ বাসিন্দাদের জানমাল রক্ষায় উভয় দেশের সীমান্তরক্ষীরা একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিজিবির রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল আজিজুর রউফও। তিনি জানান, এই বৈঠক নিয়মিত চলতে থাকবে। বৈঠক হলে দুই দেশের সীমান্তের নানা ঘটনার বিষয়ে আলোচনা সম্ভব হয়। সম্প্রতি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে বাংলাদেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি ভয়-আতঙ্কে ছিল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, তুমব্রু, দৌছড়ি, কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের মানুষ। এসব বিষয়ে বৈঠকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

তিনি আরও জানান, মিয়ানমারের নাগরিকের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মাদক চোরালান ঠেকাতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী একমত পোষণ করেছে। পাশাপাশি যে কোনো সীমান্ত সমস্যা সমাধানে নিয়মিত পতাকা বৈঠকের কথা বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১ জুন বিজিবি-বিজিপির সর্বশেষ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় রাখাইনের মংডু টাউনশিপে। আঞ্চলিক পর্যায়ের ওই বৈঠকে চার বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দেয় মিয়ানমার।


নির্বাচিত

মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের পৃথক দুইটি অভিযান, টেকনাফে ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন মিঠাপানিরছড়া এলাকায় গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ১০ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১৬ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বুধবার (০৫ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

অপরদিকে, কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৭ এর একটি বসত বাড়িতে আজ ৫ আগস্ট ২০২৬ বুধবার মধ্যরাত ২ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও এপিবিএন এর সমন্বয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত বসত বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এসময় মাদক কারবারিরা কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জব্দকৃত ইয়াবার পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


নির্বাচিত

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার পঞ্চম শ্রেনী পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্থানীয় একটি বাগান এলাকায় নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা কৌশলে ওই ছাত্রীকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে আইনগত সহায়তার জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পরপরই বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে এজাহারভুক্ত তিন আসামি রাহাত, সিয়াম, ইমন কে গতরাতে গ্রেপ্তার করে আজ তাদের আদালতে পাঠায়।

বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

চুয়েটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

চুয়েটে "জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬" এর আলোচনা সভায় চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের আলোকচিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্যচিত্র প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, দোয়া মাহফিল।

এ উপলক্ষে ৫ আগস্ট, বুধবার সকালে চুয়েট এর একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরো অংশ নেন প্রভোস্টদের পক্ষে কিউ.কে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এম.কে. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতি/স্টাফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মো: জামাল উদ্দীন, শিক্ষার্থীদের পক্ষে সিএসই বিভাগের ২০ ব্যাচের আদিল রায়হান, ওয়াটার রির্সোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২১ ব্যাচের আসাদুল্লাহ আল গালিব প্রমুখ।

সঞ্চালনায় ছিলেন উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ ফজলুর রহমান ও কাউন্সিল শাখার সেকশন অফিসার মীর মোহাম্মদ রাতুল হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্য ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেছেন,“ইতিহাসের কিছু বাঁক বদল ঘটে তরুণদের বুকের তাজা রক্তে, যা একটি সাধারণ আন্দোলনকে রূপান্তরিত করে স্বৈরাচারের পতন ডেকে আনে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে তেমনই এক অভূতপূর্ব অধ্যায়। আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদের প্রতি প্রদ্ধা জানাচ্ছি, স্মরণ করছি শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিমসহ সকল বীরকে। আমি তাদের আতœার মাগফিরাত কামনা করছি।


নির্বাচিত

নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল- শিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৭

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ শহরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া সহ দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তারা লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের অন্তত সাত জন আহত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে চাষাঢ়া ও কলেজরোড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- তোলারাম কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, সাধারণ সম্পাদক তামিম, অর্থ সম্পাদক জুবায়েদ, শিবির কর্মী মনির, ইসমাইল, ছাত্রদল নেতা তুহিন আহমেদ সহ আরও একজন।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে কলেজের অডিটোরিয়ামে সভা চলছিল। সেখানে ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারাও বক্তব্য রাখেন। সেখানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির একে অপরকে উদ্দেশ্য করে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এর জের ধরে শহরের কলেজ রোড ও চাষাঢ়ায় সংঘর্ষে জড়ান উভয় পক্ষ। এ সময় দুপক্ষের লোকজনের হাতে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও বাঁশ দেখা যায়। এছাড়া তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান বলেন, “তোলারাম কলেজের ভেতরে আমাদের নেতাদের মারধর করেছে। গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক উত্তাপকে ঘিরে এ ঘটনা ছাত্রদল ঘটিয়েছে। আমরা সেখানে গেলে লাঠিসোঁটা দিয়ে আমাদের কয়েকজনকেও আঘাত করেছে। আমিও মাথায় আঘাত পেয়েছি।”

সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া অভিযোগ করেন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে আমরা প্রতিবাদ জানাই। এর পরপরই ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে ধারালো অস্ত্র সহ লাঠিসোঠা ব্যবহার করে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় ছাত্র শিবিরের সভাপতির কোন এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এতে উভয় পক্ষের ৩-৪ জন আহতে হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


নির্বাচিত

কাপাসিয়ায় যুবদল নেতার বাড়িতে পেট্রোল বোমা হামলা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদুল আলম বুলবুল বাড়িতে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ১ টার দিকে দুর্বৃত্তরা ২টি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। এসময় যুবদল নেতা পরিবারের সদস্যদের সাথে শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলো। দুর্বৃত্তদের ১টি পেট্রোল বোমা বসত ঘরের গ্রিলে লেগে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

ঘটনার পর পর খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আলামত জব্দ করে থানায় নিয়ে যান। খবর পেয়ে বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) আসাদুজ্জামান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমেদ, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ যোবায়ের আহমেদ, ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মোঃ বাছেদ, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য ও কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফ এম কামাল হোসেন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সেলিম হোসেন আরজু, সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন খান, অ্যাডভোকেট আজিজুল হক বাবুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নেতৃবৃন্দ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এব্যাপারে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদুল আলম বুলু জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচি শেষে সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত প্রায় ১টার দিকে শয়নকক্ষের বাইরে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়। ঘর থেকে বের হয়ে সেভেন আপের কাঁচের বোতল সদৃশ দুইটি পেট্রোল বোমা পড়ে থাকতে দেখেন। রাতেই থানা পুলিশে খবর দিলে তা উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে এএসপি সার্কেল আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উপস্থিত এলাকাবাসীকে আতংকিত না হওয়ার আহ্বান জানান। তদন্তপূর্বক দোষীদের খোঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস প্রদান করেন।

এঘটনায় যুবদল নেতা ফরিদুল আলম বুলু বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনার নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান।

উল্লেখ্য, এ ঘটনার এক সপ্তাহ আগে উপজেলার ভাকোয়াদী গ্রামে উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানার বসতবাড়িতে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে সবকিছু ছাই করে দেয়। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


নির্বাচিত

গভীর বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের হানা, আহত ১২

লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ জলদস্যুদের হামলার শিকার হয়েছে ‘এফবি মিম’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার। এ সময় জলদস্যুদের বেধড়ক মারধরে ট্রলারের মাঝি আইউব আলীসহ ১২ জন জেলে আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ট্রলারে থাকা লক্ষাধিক টাকার মাছ, জাল, জ্বালানি তেল ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দস্যুরা।

​বুধবার (৫ আগস্ট) ভোররাত ৫টার দিকে কুয়াকাটা থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে গভীর বঙ্গোপসাগরের খাম্বা বয়া বাতি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত জেলেদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

​গুরুতর আহত ট্রলারের মাঝি আইউব মাঝি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকার আবুল কালামের ছেলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অন্য জেলেরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।

​জলদস্যুদের কবলে পড়া এফবি মিম ট্রলারের ভুক্তভোগী জেলে ইব্রাহীম জানান, সাগরে মাছ শিকার শেষে তীরে ফিরে আসার সময় দুটি কালো পতাকা টানানো একটি হলুদ রঙের ট্রলারে প্রায় ২৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল তাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় ট্রলারে থাকা ১৬ জন জেলের মধ্যে ১২ জনকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রলারে থাকা মাছ, জাল, ডিজেল, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা।

​মহিপুর মৎস্য সমিতির নেতা ফজলু গাজী বলেন,বেশ কিছুদিন ধরে সমুদ্রে জলদস্যুদের উপস্থিতি না থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে গভীর সমুদ্রে তাদের তৎপরতা কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।” তিনি দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার এবং সমুদ্রে নৌ-টহল জোরদার করার দাবি জানান।

​এ বিষয়ে কোস্টগার্ড নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি এখনও আমরা শুনিনি। আমি অভিযানে আছি, আপনারা গোয়েন্দা শাখায় কথা বলুন।

​পায়রা বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ নয়ন তারকুন বলেন, “বিষয়টি আমরা মাত্রই জেনেছি এবং খোঁজখবর নিচ্ছি। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।


নির্বাচিত

ময়মনসিংহে বহুতল ভবনে আগুন, ধোঁয়ায় বৃদ্ধার মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়মনসিংহ নগরীর গাঙ্গিনাপাড় এলাকার রামবাবু রোডে ‘নূরজাহান ভিলা’ নামে একটি বহুতল ভবনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে সৃষ্ট আগুনে ময়মুনা (৭০) নামের এক বৃদ্ধার করুণ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনায় নিহত ময়মুনা মুক্তাগাছা উপজেলার খিলবাড়ি গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রী। পরিবারের সদস্যদের সাথে তিনি ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভবনের নিচতলার সিঁড়িকোঠায় থাকা বৈদ্যুতিক মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা দ্রুত পাশে থাকা মোটরসাইকেল ও দ্বিতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে বাসিন্দারা দ্রুত ভবনের ওপরের দিকে ছুটতে থাকেন। নিহতের পুত্রবধূ সন্তানদের নিয়ে দ্রুত পাঁচ তলায় উঠতে সক্ষম হলেও অসুস্থ বৃদ্ধা ময়মুনা চার তলায় ওঠার আকুল চেষ্টার সময় ঘন ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে সিঁড়িতেই লুটিয়ে পড়েন।

পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অগ্নিকাণ্ডে দুইটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও ফায়ার সার্ভিস প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল রক্ষা করতে সমর্থ হয়।

এদিকে দুর্ঘটনার পেছনে বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলাকে দায়ী করছেন ভবনের অধিবাসীরা। তাঁদের দাবি, বিদ্যুতের দীর্ঘদিনের সমস্যা নিয়ে বারবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি।

তবে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি অস্বীকার করে প্রকৌশলী সুব্রত রায় জানান, তাঁরা এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি এবং অতিরিক্ত লোডের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, বৃদ্ধার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

লক্ষ্মীপুরে জুলাই অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও শিবিরের হট্টগোল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লক্ষ্মীপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান দিবস’-এর সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হট্টগোল ও উত্তেজনা সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের এই সভা চলাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির তৈরি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, অনুষ্ঠান চলাকালে লক্ষ্মীপুর শহর শিবিরের নেতা সারোয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্য প্রদানকালে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেন।

এ সময় সভাকক্ষে থাকা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ জানালে মুহূর্তেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের হট্টগোলে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে এক বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগেই সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং হস্তক্ষেপর মাধ্যমে দুই পক্ষকে শান্ত করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনেন। হট্টগোলের কারণে জেলা প্রশাসনের সূচিমাফিক অনুষ্ঠান কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হলেও পরবর্তীতে নিরাপত্তা জোরদার করে তা পুনরায় শুরু করা হয়।

এ ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক জানান যে, বক্তব্যের একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং কোনো বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি।


নির্বাচিত

কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোণায় কিশোরীকে সাথে নিয়ে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা এনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোণা মডেল থানায় এই নিয়মিত মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত রিপন মিয়া নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে নন্দুরা গ্রামে বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর থেকেই রিপন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত শনিবার রাতে স্কুলছাত্রীটি বাড়িতে একা থাকাকালীন রিপন মিয়া সেখানে যান এবং তাকে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিক্ষার্থীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে যে, রিপন আগে থেকেই ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করতেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গত সোমবার রাতে স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে সালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে ওই বৈঠকে রিপন নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে জানা গেছে। সালিসে রিপনকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রিপন মিয়া সালিসে উপস্থিত সবার কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছেন এবং বলছেন, "ভুল তো মানুষ করেই, আমি একটা ভুল কইরাইলছি।" তবে আইনি ব্যবস্থার তোয়াক্কা না করে স্থানীয়ভাবে এমন সালিস আয়োজনের সমালোচনাও উঠেছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান দাবি করেছেন, ভুক্তভোগী পরিবার দরিদ্র হওয়ায় তারা গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক বিচারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তবে পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করেছেন। অন্যদিকে, রিপন মিয়ার স্ত্রী চম্পা আক্তার তাঁর স্বামীকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন।

নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি জানার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে। মামলার পর থেকে পলাতক রিপন মিয়াকে খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, কাঠমিস্ত্রি থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হওয়া রিপন মিয়া "আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব" সংলাপের মাধ্যমে ফেসবুকে ১৯ লাখ ফলোয়ার অর্জন করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। বর্তমানে এই গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাঁর দীর্ঘদিনের অর্জিত জনপ্রিয়তা ও ক্যারিয়ার বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে।


নির্বাচিত

শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই বাংলাদেশে ফিরে আসবেন বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা এই দেশেরই একজন নাগরিক এবং দেশের রাজনীতিতে তাঁর ও তাঁর দলের দীর্ঘদিনের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ছিল অন্যতম।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি যদি দেশে ফিরে না আসেন, তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এবং তাঁর নিজের এতদিনের রাজনৈতিক ইতিহাসের কী হবে—সে প্রশ্ন থেকেই যায়। সাধারণ রাজনৈতিক বিচারবুদ্ধি ও সার্বিক দিক বিবেচনা করে তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন।

গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, বর্তমান যুগে প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে সবার হাতেই গণমাধ্যম রয়েছে, ফলে নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে আসলে কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না। এর আগে বিগত সরকারের আমলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ করার বিষয়টি যদি অগণতান্ত্রিক হয়ে থাকে, তবে বর্তমান সরকারের এই একই সিদ্ধান্তও গণতন্ত্রের পরিপন্থি।

বক্তব্যের শেষভাগে সম্প্রতি ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকেই নির্দেশ করে। একই সাথে রাজনৈতিক দলগুলো যে তাদের অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে এবং দেশ পুনরায় পুরোনো বিশৃঙ্খল রাজনীতির ধারাতেই ফিরে যাচ্ছে—এই ঘটনাগুলো তারই স্পষ্ট সংকেত দেয়।


নির্বাচিত

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: তথ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অমর শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দেশের অর্জিত গণতন্ত্রকে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। বুধবার সকালে বরিশালের নগরীর আমতলার মোড় এলাকায় নবনির্মিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মন্ত্রী প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ যোদ্ধাসহ সর্বস্তরের মানুষ একে একে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “যেই বীর শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে এক নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, তাঁদের রক্তের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক লড়াইয়ের প্রধান লক্ষ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। সরকারের মূল অভীষ্ট হলো শহীদদের এই মহান ত্যাগকে সার্থক করতে রাষ্ট্রীয় সকল স্তরে গণতন্ত্রের চর্চাকে স্থায়ী রূপ দেওয়া।

এই বিশেষ দিবসটি উদযাপনে বরিশালের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সাধারণ নাগরিকরা শহীদদের স্বপ্নের সাম্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং আহত যোদ্ধারা অংশ নিয়ে তাঁদের অকুতোভয় সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরতে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক বিশেষ আলোচনা সভা এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দিনব্যাপী জেলাজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে স্মরণ করা হচ্ছে। মূলত আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রসারে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক সমাজ একযোগে কাজ করছে।


নির্বাচিত

বিএটির দুই গুদামে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৭ ইউনিট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাভার প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) কোম্পানির দুটি বড় তামাকের গুদামে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে আশুলিয়ার নলাম এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। অগ্নিনির্বাপণ কাজে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি বিশেষ ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিল্প পুলিশের চারটি দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।

খবর পাওয়ার পরপরই প্রথমে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে তামাকের শুকনো পাতার কারণে আগুনের তীব্রতা দ্রুত বেড়ে গেলে পরবর্তীতে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি এবং পার্শ্ববর্তী অন্য একটি ইউনিটও অভিযানে যুক্ত হয়। আগুনের ভয়াবহতা দেখে আশপাশের বাসিন্দারাও ঝুঁকির আশঙ্কায় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। গুদাম দুটিতে প্রচুর পরিমাণে তামাক মজুত থাকায় আগুন পুরোপুরি আয়ত্তে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ বেগ পেতে হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন যে, সাড়ে সাতটা থেকে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন, তবে তামাকজাত দ্রব্যের প্রকৃতির কারণে আগুন নেভাতে বেশ সময় লাগছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং শিল্প পুলিশ পুরো এলাকা কর্ডন করে রেখেছে। আগুন পুরোপুরি নির্বাপিত হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ও আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মূলত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে।


নির্বাচিত

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১২ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে আজ সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা এই পূর্বাভাসে পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলকে বিশেষ নজরদারিতে রাখতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, উল্লেখিত এলাকাগুলোতে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যার সাথে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্ভূত আবহাওয়ায় নদীবন্দরের স্বাভাবিক চলাচল ও জানমালের নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলগুলোর নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। মূলত মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতার কারণে এই আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ার সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সকল নৌযান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবহাওয়া পরিস্থিতির দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মূলত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার ঝুঁকি এড়াতেই এই আগাম সতর্কবার্তা প্রদান করেছে আবহাওয়া বিভাগ।


নির্বাচিত

banner close