শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনে পর্যটকদের ঢল

ছবি: দৈনিক বাংলা
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:৫১

ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। ঈদের দিন গতকাল ঈদের দিনের তুলনায় আজ শুক্রবার কয়েকগুণ বেশি পর্যটনের আগমন ঘটেছে সুন্দরবনে। ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে দেশের দূরদূরান্ত থেকে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারসহ সেখানে ছুটে যাচ্ছেন। আগামী ছুটির দিনগুলোতে আরও বেশি পর্যটক বাড়বে বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনে। ঈদের দিন শুধু বনের করমজল পর্যটন স্পটে সহস্রাধিক লোক হলেও পরদি আড়াই হাজারের মত দর্শনার্থী ভ্রমণে যায়।

দেশের যেকোন জায়গা থেকে মোংলায় আসার পর মোংলা থেকে সবচেয়ে কাছাকাছি ও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র করমজলেই ভিড় সবচেয়ে বেশি ভ্রমণপিয়াসীদের। এছাড়াও বনের হাড়বাড়ীয়া, কটকা, কচিখালী ও আন্ধারমানিকসহ অন্যান্য স্পষ্টে ঢল নেমেছে পর্যটকদের। এই ছুটিতে বড় বড় বিলাসবহুল লঞ্চে সুন্দরবন ভ্রমণ করছেন নানা দেশের নানা বয়সী পর্যটকেরা। সুন্দরবন ঘুরতে আসা রাজশাহীর শিক্ষার্থী শামসুননাহার ডারিন ও মিজানুর রহমান মিজু বলেন, এর আগে কখনও সুন্দরবনে আসা হয়নি, এবারই প্রথম এসেছি। না আসলে বুঝাই অসম্ভব সুন্দরবন আসলেই কতো সুন্দর। খুব ভাল লাগছে, বন্ধু-বান্ধব মিলে ভীষণ আনন্দ করছি।

সিলেটের মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মিজবাহ উদ্দীন ও গার্মেন্টস ব্যবসায়ী অলিপ গোলদার বলেন, সুন্দবনে এসে হরিণ, কুমির, বানর, কচ্ছপ দেখলাম। সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ারের উপর থেকে ছাতার মত বিস্তৃত বনের বিভিন্ন গাছপালা দেখে প্রাণ ভরে গেছে। কি সবুজ সজিব শীতল পরিবেশ, মনে হয় নির্মল এক অক্সিজেনের কারখানায় এসেছি।

ঢাকা থেকে পরিবারসহ মোস্তফা জামান তার পরিবার নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণে এসে বলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। কিন্তু সুন্দবনের মতো এতো আনন্দ উপভোগ করতে পরিবারকে আগে কখনও দেখিনি। যত দেখছি ততোই মন জুড়াচ্ছে, ভাবছি এতোদিনে কেন আসলাম না। আমি বলবো যারা সুন্দরবনে আসেননি তারা সুন্দরের সৌন্দর্য থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছেন, যেমন আগে আমরাও ছিলাম।

কুয়েট শিক্ষার্থী আবির হোসেন বলেন, সুন্দরবনের যে বিশাল সম্পদ রয়েছে তার সুষ্ঠু ব্যবহার করা গেলে তাতে উপকূলের মানুষের মঙ্গল হবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে ঘুরতে এসে বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বাত্মক সহায়তা প্রদাণের বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, সুন্দরবনের এবারের ঈদের ছুটিতে পর্যটকের আগমনের সংখ্যা বিগত সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটির দিনেও পর্যটকদের নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। এদিকে হঠাৎ এবারের ঈদে পর্যটকদের আগমন বিগত সময়ের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে টানা ৫দিনের ছুটি ও বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত থাকার বিষয়টি বলে মনে করছেন বনবিভাগ।


নির্বাচিত

লাগেজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শাহজালালে ৩২ সিসি ক্যামেরা-১৮ মনিটর স্থাপন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, লাগেজের নিরাপত্তা জোরদার এবং লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ উদ্যোগের আওতায় বিমানবন্দরের ৮টি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্মানিত যাত্রীরা লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার দৃশ্য স্থাপিত মনিটরে সরাসরি (লাইভ) দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে, যাত্রীরা তাদের লাগেজ পরিবহনের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন এবং লাগেজ সংগ্রহের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহি আরও বাড়বে।

বেবিচক যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি সব যাত্রী যেন ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে তাদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবার সম্প্রসারণে বেবিচকের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ উদ্যোগ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।


নির্বাচিত

অনুমোদন ছাড়াই চলছিল রিসোর্ট, ঝুঁকিপূর্ণ বলে নোটিশ করেছিল ফায়ার সার্ভিস

ছবি: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ বলেছেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টটি অনুমোদন ছাড়াই চলছিল। রিসোর্টটির ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্সও ছিল না।

তিনি বলেন, গত জুনে পরিদর্শনের পর রিসোর্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সতর্ক করে নোটিশ করেছিল ফায়ার সার্ভিস। এরপরও রিসোর্টটির অবৈধভাবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। আজ রিসোর্টটিতে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ৬ জন নিহত ও ১০ জনের বেশি আহত হন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরে আয়োজিত ‘শারদীয় দুর্গাপূজায় অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক’ প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালক বলেন, তিনতলা কাঠের তৈরি রিসোর্টটির নিচতলায় ছিল রেস্তোরাঁ। সেখানে খাবার তৈরি করা হতো। দোতলা ও তিনতলায় পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের তদারকির আওতায় প্রয়োজনীয় সনদ ছিল না।

তিনি জানান, সকালে সাড়ে ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থল থেকে নিকটতম ফায়ার স্টেশনের দূরত্ব ছিল ২২ কিলোমিটার। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। পরে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। এরইমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রিসোর্টটির লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং সতর্ক করার পরও কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে রিসোর্টটি চালাচ্ছিল না।

কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় কাঠ ও অন্যান্য দাহ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি রিসোর্টগুলোর নিরাপত্তা এবং অনুমোদনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তাদের নোটিশের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে নিরাপত্তাবিষয়ক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

সামনে শুষ্ক মৌসুমে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, এমন প্রশ্নে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে আগুনের কারণ নির্ধারণ করা সঠিক হবে না। পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পরই এ বিষয়ে জানা যাবে।

নোটিশ দেওয়ার পরও ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান চালু থাকা এবং সারাদেশে এ ধরনের রিসোর্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিসের করণীয় পর্যালোচনা করা হবে। বিদ্যমান আইন ও নজরদারির সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

তুলির আঁচড়ে সাজছে রাজশাহী নগরী, প্রধানমন্ত্রীকে বরণে চলছে সাজসজ্জা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক

শহরের পথে পথে রঙের ছোঁয়া, সড়ক বিভাজকে নতুন প্রলেপ আর পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত কর্মীরা। কোথাও পুরোনো স্থাপনায় লাগছে নতুন রঙ, কোথাও চলছে সড়ক সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ঘিরে এভাবেই নতুন সাজে সেজে উঠছে উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগরী। নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর এই কর্মযজ্ঞে মিশে আছে রাজশাহীবাসীর আবেগ, ভালোবাসা ও প্রত্যাশা। আগামী ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর উপলক্ষে নগরীজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরীর বিমান চত্বর এলাকায় দেখা যায়, রঙমিস্ত্রিরা তুলির আঁচড়ে বিভিন্ন স্থাপনা রাঙিয়ে তুলছেন। হাতে রঙের পাত্র, চোখেমুখে কাজ শেষ করার তাগিদ। তাদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরীকে আরও পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে।

রঙমিস্ত্রি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহীতে আসবেন। তাকে স্বাগত জানানোর জন্য নগরীকে মনের মাধুরী মিশিয়ে তুলির আঁচড়ে রাঙিয়ে তুলছি। কাজটি করতে পেরে ভালো লাগছে। আমরা চাই, প্রধানমন্ত্রী এসে আমাদের সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী দেখুন।’

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) পক্ষ থেকে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সড়ক বিভাজকের আইল্যান্ডে রঙ করা, প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার, বিভিন্ন স্থাপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই রাজশাহীতে প্রথম সফর। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ, আবেগ ও গৌরবের বিষয়। তাকে স্বাগত জানাতে রাজশাহীবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করছি, তার এই সফর রাজশাহীর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহীতে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ জোরদার করা হয়েছে। বিপুল জনসমাগম ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে রাজশাহীবাসীর ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।’

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহীতে আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগ ও অনুভূতির বিষয়। তাকে এক নজর দেখার জন্য রাজশালীবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সড়ক বিভাজকের আইল্যান্ডে রঙ করা, প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার এবং পরিবেশ উন্নয়নের কাজ চলছে।


নির্বাচিত

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা সফিপুরে অবস্থিত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কারখানাটির হারবাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানান, আগুনের খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে আরো তিনটি ইউনিট যোগ দেয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুণ লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ২টি ইউনিট যুক্ত হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


নির্বাচিত

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকবে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পিরোজপুর প্রতিনিধি

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষায় ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ দেশের প্রতিটি প্রান্তে প্রহরীর মতো প্রস্তুত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) পিরোজপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ পিরোজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

‎‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম পিরোজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক গাজী কামরুজ্জামান শুভ্রর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান।

‎‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে সংগঠনকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে দেশব্যাপী এই সাংগঠনিক সফর পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের যেকোনো সংকটে মুক্তিযুদ্ধের সন্তানেরা রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধের সন্তানদের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজকে একত্রিত করে আগামী দিনে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।

বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ শহীদুল হক চান, পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. সালাম বাতেন এবং ‎পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুল আলম (পাশা)। ‎এছাড়াও সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম মুক্তাদির মুরাদ, খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক এইচ এম খলিলুর রহমান, বরিশাল মহানগরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমানুজ্জামান খান এবং বরিশাল জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভুট্টো।

‎সভায় বক্তারা জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বরিশালে অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে পিরোজপুরের প্রতিটি উপজেলায় শিগগিরই কর্মী সভা সম্পন্ন করে নতুন নেতৃত্ব ও প্রস্তাবিত কমিটি গঠন করা হবে। অনুষ্ঠানটিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী পরিবারের সদস্যরা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।


নির্বাচিত

খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে এসএমজি ও ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১০০ রাউন্ড গুলি ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধীন বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির একটি নিয়মিত টহল দল কচুছড়িমুখ পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. এমদাদুল হকের নেতৃত্বে টহল দলটি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১২০ থেকে ১৫০ গজ দূরে অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপস্থিতি দেখতে পায় টহল দল।

পরে কৌশলগতভাবে সামনে অগ্রসর হলে সীমান্তসংলগ্ন পাহাড় থেকে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দলকে সীমান্ত সড়কে নেমে আসতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে থামতে বললে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় টহল দল ধাওয়া করলে তারা সীমান্ত সড়ক থেকে আশপাশের ঘন পাহাড়ি জঙ্গলে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ৭.৬২ মিলিমিটার এসএমজি, ১০০ রাউন্ড গুলি এবং দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ পানছড়ি থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাহিনীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। সীমান্তে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাবিলার মৃত্যু হয়েছে। নাবিলার মৃত্যুর বিষয়টি তার মা নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন পাটোয়ারটেক সৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সরকারের পরিবারের সদস্যদেরও মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আহাদ প্রথমে পরিবারের ছয় সদস্যের মৃত্যুর কথা জানান। পরে আরও একজনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে মোট সাতজনের প্রাণহানির খবর দেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


নির্বাচিত

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন হাস্যকর: বিমানমন্ত্রী

বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার গুঞ্জন অবান্তর ও হাস্যকর। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি না হলে দেশের অস্তিত্ব সংকটে পড়ত এবং অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া বক্তব্যই আজ বাস্তবে প্রমাণিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত শাসনামলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি ও বাড়িঘর দখলের অধিকাংশ ঘটনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই ঘটিয়েছে। অথচ এই সমস্ত অপকর্মের দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ হিসেবে তুলে ধরার চক্রান্ত করা হয়েছিল।

বর্তমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে বিমানমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন সরকারের কোনো ধরনের দূরদর্শী পরিকল্পনা কিংবা নতুন গ্যাস কূপ খননের প্রস্তুতি ছিল না। তাদের সেই নীতিহীনতার মাশুলই আজ পুরো দেশবাসীকে গুনতে হচ্ছে।

জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, ফরিদুল কবির শামীম তালুকদার এবং নিলুফার চৌধুরী মনি। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।


নির্বাচিত

মাগুরায় ৭৫ অসহায় ব্যক্তিকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা অনুদান প্রদান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় প্রতিবন্ধী,অসহায় ও গৃহহীন ৭৫ জন ব্যক্তির মাঝে মোট ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেছে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে এ অনুদান দেওয়া হয়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।

অনুষ্ঠানে মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুন্নাহার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, সদর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের এ অনুদানের মাধ্যমে অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

খুবির এসডব্লিউই ডিসিপ্লিনের রজতজয়ন্তী ও অ্যালামনাই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট (এসডব্লিউই) ডিসিপ্লিনের রজতজয়ন্তী ও অ্যালামনাই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, র‌্যালি, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে বেলা ১১টায় দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাদি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে অদম্য বাংলা প্রাঙ্গণে কেক কাটা হয়। দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, একটি ডিসিপ্লিনের ২৫ বছরের পথচলা কেবল সময়ের হিসাব নয়; এটি অসংখ্য মানুষের শ্রম, মেধা, স্বপ্ন, ত্যাগ ও সাফল্যের সম্মিলিত ইতিহাস। এ আয়োজন শেকড়ের টানে ফিরে আসা, স্মৃতিচারণ এবং পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করার এক অনন্য উপলক্ষ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেন এবং সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব খুলনা ইউনিভার্সিটির (সাকু) সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির ও সভাপতি মো. সাফায়েত হোসেন। সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাবের হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাকুর সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির।

অনুষ্ঠানে সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়াকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষা, গবেষণা, খেলাধুলা ও কর্মজীবনে বিশেষ অবদানের জন্য প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক নিপা অধিকারী ও সহকারী অধ্যাপক এস. এম. শাহরিয়ার জামান।

এ ছাড়া বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ৩টায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


নির্বাচিত

নীলফামারীর ৮১২টি পূজামণ্ডপে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে নীলফামারীর ৮১২টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)। নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নীলফামারী শহরের শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা দুর্গাপূজা মন্দিরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান রংপুরের এসআরবি-১৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনজুর করিম।

তিনি জানান, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম চলবে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত।

এ ছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের দিন নেওয়া হবে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা। গুজব ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে এসআরবি-১৩।


নির্বাচিত

বন্ধুকে হত্যার পর নদীতে ফেলে গুম ৫ মাস পর কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাঁচ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া আরিফ মিয়া ওরফে সালমান (২১) নামের এক তরুণকে হত্যার অভিযোগে তার চার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশের ভাষ্য, ড্যান্ডি সেবনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সালমানকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ নরসুন্দা নদীতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। নিখোঁজের পাঁচ মাস পর গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নদী থেকে তাঁর মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ ৭৭টি হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামের গোলাপ মিয়ার দুই ছেলে সাকিব (১৮) ও মাফি (১৫), মৃত মোতালেবের ছেলে রফিক (৪০) এবং শামছুদ্দিনের ছেলে রমজান মিয়া (৩৫)।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৮ মে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সালমান বাড়ি থেকে ইলিমান বাজারের উদ্দেশে বের হন।

এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন ১৯ মে হোসেনপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

জিডির সূত্র ধরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে সালমান ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মুঠোফোনের কথোপকথন এবং চলাফেরার তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ।

এতে সালমানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বন্ধুদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও জানান, ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ মাস পার হলেও কোনো সন্ধান না পেয়ে গত ১৬ অক্টোবর হোসেনপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন সালমানের বাবা ফজলুর রহমান।

মামলার পর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়ার নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে পাকুন্দিয়ার বিশ্বনাথপুর গ্রাম থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সালমানকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশে নরসুন্দা নদীর কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, পাঁচজন মিলে ড্যান্ডি সেবন করার সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সালমান বাঁশ দিয়ে মাফিকে আঘাত করেন। পরে বাঁশটি কেড়ে নিয়ে চারজন সালমানকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এরপর তার মরদেহটি নদীর কচুরিপানার নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার দুপুরে হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের হাতিমের স্কুলের পাশের নরসুন্দা নদী থেকে কঙ্কালের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে ছিল মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ মোট ৭৭টি হাড় এবং একটি গেঞ্জি।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে গেঞ্জি দেখে সালমানের মা সালমা কঙ্কালটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

তবে পরিচয় নিশ্চিত করতে কঙ্কালটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মুকিত সরকার, ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাহার মিয়াসহ পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: চিফ হুইপ

আজ বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫১
অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ে ছাড় দেওয়া যাবে না।

আজ বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়ন প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। জনগণ যেন হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বরগুনাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানো সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের অংশ। এ অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

চিফ হুইপ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল যেন প্রকৃত অর্থেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, সততা ও আন্তরিকতার বিকল্প নেই। বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ওলি উল্লাহ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

banner close