সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
৪ কার্তিক ১৪৩৩

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা

ছবি: দৈনিক বাংলা
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২৪ ১০:৩৩

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলেছে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি টাকা। দিনভর গণনা শেষে কিশোরগঞ্জের আলোচিত মসজিদটিতে এ পরিমাণ অর্থ পাওয়ার কথা শনিবার রাত দুইটার দিকে জানান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

তিনি আরও জানান, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলার পর টাকাগুলো প্রথমে বস্তুায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে ঢালা হয়। পরে দিনভর গণনা শেষে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। জেলা শহরের ঐতিহাসিক মসজিদের ৯টি দানবাক্স প্রতি তিন মাস পরপর খোলা হয়। রমজানের কারণে এবার বাক্সগুলো খোলা হয়েছে চার মাস ১০ দিন পর।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে ডিসি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতিতে শনিবার সকালে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। ৯টি দানবাক্স খুলে ২৭ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।

দানবাক্সগুলো খোলার পর গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। তাদের মধ্যে অনেকে আসেন দূরদুরান্ত থেকে।

টাকা গণনা কাজে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছাড়াও মাদ্রাসার ১১২ ছাত্র, ব্যাংকের ৭০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর তিন মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন ২৩টি বস্তায় ছয় কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা পাওয়া যায়।

ঐতিহাসিক এ মসজিদের দানবাক্সে একসঙ্গে এত টাকা পাওয়াটা তখন ছিল রেকর্ড। এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

মসজিদে নগদ টাকা ছাড়াও নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অসংখ্য মানুষ। দানবাক্সে টাকার সঙ্গে থাকে বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান অলংকারও।

পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ডিসি। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পৌরসভার মেয়র মো. পারভেজ মিয়া।

মেয়র পারভেজ মিয়া জানান, পাগলা মসজিদের দানের টাকায় আন্তর্জাতিক মানের একটি ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। কমপ্লেক্সটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম স্থাপত্য হিসেবে বানানো হবে। এ জন্য আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ থেকে ১২০ কোটি টাকা। সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। ২০০ গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া একসঙ্গে পাঁচ হাজার নারীর নামাজের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে।

মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত উদ্দিন ভূইয়া জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে মসজিদে মুসল্লিদের চলাচল এবং নারীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকলেও দান অব্যাহত ছিল।

তিনি আরও জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের খরচ চালিয়ে দানের বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেয়া হয়। অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তাও করা হয়। তা ছাড়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদেরও এ দানের টাকা থেকে সহায়তা করা হয়েছে।

মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান জানান, প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে দান করে থাকেন এ মসজিদে। যারা দান করতে আসেন, তারা বলে থাকেন, এখানে দান করার পর তাদের আশা পূরণ হয়েছে। তাই এখানে দান করেন তারা।

জেলা শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দার তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে পাগলা মসজিদ গড়ে ওঠে। বর্তমানে সেটি সম্প্রসারিত হয়ে ৩ একর ৮৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।


নির্বাচিত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সাগরের মৃত্যু, ছেলের মরদেহ চান বাবা-মা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

সংসারের অভাব-অনটন দূর করার স্বপ্ন নিয়ে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন কুমিল্লার চান্দিনার তরুণ মো. সাগর আবদুল্লাহ। সেখানে একটি বেকারিতে কাজ করে মাসে প্রায় ৭০ হাজার টাকা আয় করতেন তিনি। কিন্তু আরও বেশি অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে এক বাংলাদেশি দালালের মাধ্যমে জড়িয়ে পড়েন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। সেই যুদ্ধেই প্রাণ হারান সাগর। তবে মৃত্যুর চার-পাঁচ মাস পর গত শনিবার সহযোদ্ধার ফোনে ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েছে তার পরিবার। এখন ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছেন অসুস্থ বাবা-মা।

সাগরের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা পৌরসভার ছায়কোট এলাকায়। তিন বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন তিনি। ছেলেকে ঘিরে পরিবারের স্বপ্ন ছিল, বিদেশে আয় করে সংসারের হাল ধরবেন, অসুস্থ বাবার চিকিৎসা করাবেন এবং মায়ের কষ্টের দিন শেষ করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন কান্নায় রূপ নিয়েছে।

সরেজমিনে ছায়কোট গ্রামের সাগরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরপাড়ে বসে আছেন সন্তান হারানো কবীর হোসেন। কে গেল কে আসল বাড়িতে তার কোনো খেয়াল নেই।

গণমাধ্যমকর্মীর পরিচয় পেয়ে কান্না শুরু করেন। কবীর হোসেন বিড়বিড় করে বলতে থাকেন একসময় রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। সড়ক দুর্ঘটনায় অসুস্থ হওয়ার পর আর রিকশা চালাতে পারেন না তিনি। এর মধ্যে তার শরীরে ধরা পড়েছে ক্যান্সার। স্বামীর চিকিৎসা ও সংসারের খরচ জোগাতে তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন।

পরিবারের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন আনতে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ধারদেনা করে প্রায় ৯ লাখ টাকা খরচ করে সাগরকে রাশিয়ায় পাঠান তিনি। সেখানে একটি বেকারিতে কাজ করে মাসে প্রায় ৭০ হাজার টাকা আয় করতেন তিনি। এতে পরিবারের অভাব দূর হওয়ার আশা দেখছিলেন স্বজনরা।

কিন্তু বেকারিতে কাজ করার সময় এক বাংলাদেশি দালালের সঙ্গে পরিচয় হয় সাগরের। ওই দালাল তাকে রুশ সেনাবাহিনীতে চাকরির প্রলোভন দেখান। পরিবারের নিষেধ উপেক্ষা করে চলতি বছরের মে মাসে যুদ্ধে অংশ নিতে যান সাগর। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

দীর্ঘ চার-পাঁচ মাস ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল বাবা-মায়ের। অবশেষে গত শনিবার এক সহযোদ্ধা বন্ধুর ফোনে সাগরের মৃত্যুর খবর পান তারা। আকস্মিক এ খবরে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

সাগরের বোন বলেন, পরিবারের অভাব দূর করতে বিদেশে গিয়েছিলেন তার ভাই। তাকে ঘিরে পরিবারের অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সেই ভাই আর বেঁচে নেই এ কথা মেনে নিতে পারছেন না তারা। শেষবারের মতো ভাইয়ের মরদেহটি দেশে আনতে সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানান।

সাগরের প্রতিবেশীরাও তার মৃত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বিদেশে ভালো কাজের আশায় গিয়ে যেন আর কোনো তরুণ এভাবে প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

সাগরের বাবা কবীর হোসেন বলেন, ‘ছেলেকে বিদেশে পাঠাতে অনেক টাকা ধারদেনা করতে হয়েছে।’ তার আশা ছিল, ছেলে আয় করে সংসারের হাল ধরবেন এবং তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু এখন ছেলেকে হারিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। সরকারের কাছে ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

ছেলের মৃত্যুর খবরে কান্না থামছে না মা দেলোয়ারা বেগমের। দিনরাত ছেলের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কেঁদে চলছেন। বারবার মোবাইল ফোনের পর্দায় তাকিয়ে থাকেন যদি ছেলের ফোনকল আসে। যদি ছেলে একবার মা বলে ডাক দেয়।

ছেলে মরে গেছে। ছেলের মরদেহ শেষবারের মতো দেখার আকুতি জানিয়েছেন তিনি।

ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি। যে ছেলেকে ঘিরে সংসারের দুঃখ-কষ্ট দূর হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই ছেলেকে হারিয়ে এখন দিশেহারা তিনি।

এদিকে কীভাবে সাগর রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন, কোন বাংলাদেশি দালালের মাধ্যমে যুদ্ধে গিয়েছিলেন এবং তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পায়নি পরিবার।

চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি জানার পর তিনি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ পেলে সব বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রশাসনিকভাবে যতটুকু সহযোগিতা করা যায় সবই করবেন।


নির্বাচিত

চঞ্চল ছিলেন নেতা-কর্মীদের জন্য অনুকরণীয় ছাত্রনেতা: মনি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৩১
খুলনা ব্যুরো

শহীদ ওয়াহিদুজ্জামান চঞ্চল ’৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের এক অকুতোভয় সিপাহসালার। তিনি ছিলেন মেধাবী এবং দক্ষ সংগঠক। খুলনার ৯ উপজেলা এবং মহানগরীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত ছাত্রদলকে সংগঠিত করতে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য।
গত রোববার খুলনার সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শহীদ ওহিদুজ্জামান চঞ্চলের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি।

তিনি বলেন, ‘শহীদ চঞ্চলের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত হওয়া প্রয়োজন।’ বর্তমান ছাত্রদল নেতাদের শহীদ ওয়াহিদুজ্জামান চঞ্চলের আদর্শ, সাহসিকতা, রাজনৈতিক কমিটমেন্ট থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে আগামী দিনের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। শেষে দোয়া মাহফিল হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল গফ্ফার।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক এমপি ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপুর সভাপতিত্বে এবং কামরান হাসানের পরিচালনায় আলোচনা সভা ও দোয়া বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, মেহেদী হাসান দীপু, আনোয়ার হোসেন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, গিয়াস উদ্দিন বনি প্রমুখ।


নির্বাচিত

ফুলবাড়িয়ায় জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার আসামিদের ২ দিনের রিমান্ড

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ফুলবাড়িয়া উপজেলার নাওগাঁও ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪ জনকে দুই দিনের করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ নং আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার তমা রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ লাখ ১০ হাজার জাল টাকাসহ বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার আ. রশিদ ফকিরের ছেলে মোস্তফা ফকির (৪৮) রাজা বিশ্বাসের ইসমাইল বিশ্বাস (৪৯) ফুলবাড়িয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের মৃত মেহের আলীর ছেলে গোলাম মোস্তফা (২৮) ও আইয়ুব আলীর ছেলে আবু সাঈদ (২৫)কে গ্রেপ্তার করেন। পরের দিন শুক্রবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। রোববার রিমান্ড শুনানি শেষে প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

ফুলবাড়িয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মশিউর রহমান ৪ আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


নির্বাচিত

মাগুরা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুর চাপ, বাড়ছে সংক্রমণের শঙ্কা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। রোগীর চাপ বাড়ায় হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে দেখা দিয়েছে স্থান সংকুলানের সমস্যা। প্রতিটা ওয়ার্ডে মশারির ব্যবস্থা থাকলেও কোনো রোগীকে মশারির ভেতর থাকতে দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে রোগীর চাপ বেশি থাকায় ডেঙ্গু ওয়ার্ডে অন্যান্য রোগীদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে ডেঙ্গুর পাশাপাশি অন্য রোগীদের চাপ বাড়ায় শয্যা ব্যবস্থাপনায়ও তৈরি হচ্ছে চ্যালেঞ্জ। অন্যান্য রোগীর চাপ বেশি থাকায় ডেঙ্গু ওয়ার্ডে অন্য রোগীরা অবস্থান করায় সংক্রমণ প্রতিরোধ ও রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। হাসপাতালের নোংরা পরিবেশ আর অনিয়মের কারণে দিন দিন বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

মাগুরা সদর হাসপাতালের ওয়ার্ড ইনচার্জ সুমাইয়া আহম্মেদ জানান, আগের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে ২৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিল। সেপ্টেম্বর মাসে ভর্তি হয় ৮৩ জন । গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর মাত্র দুদিনেই ভর্তি হয় ৩৪ জন। ক্রমেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তবে এ পর্যন্ত আমাদের এখানে কোন ডেঙ্গু রোগী মারা যায়নি। সুস্থ হয়ে অনেকেই বাড়ি ফিরে গেছে।

নার্স হালিমা জানান, রোগীদের বারবার মশারির মধ্যে থাকতে বলা হয়েছে তারপরও তারা মশারি ব্যবহার করে না। আমরা প্রতিটা রোগীকেই মশারি দিয়েছি। কিছু বলতে গেলে অনেক সময় রোগীর লোকজন আমাদেরই বকাবকি করে।

সদর উপজেলার জামরুলতলা থেকে চিকিৎসা নিতে আশা ভারতী বিশ্বাস বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের মশারির বাইরে থাকার কথা না। এমনকি বাইরে রোগীর চাপ বেশি থাকলে অন্য রোগীদেরও ডেঙ্গু বিভাগে রাখা হচ্ছে, এটা তো ঠিক না। আমরা সব সময় ভয়ে থাকি, একটা মশা যদি ডেঙ্গু রোগীদের কামড় দিয়ে বাইরের রোগীদেরও কামড় দেয় তাহলে তো অন্য রোগীদেরও ডেঙ্গু হওয়ার ভয় থেকে যায়।’

মাগুরা কাটাখালি থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী জান্নু শেখ জানান, আমি আজ চার দিন সাধারণ জ্বর নিয়ে হাসপাতালে এসেছি এখন দেখছি ডেঙ্গু রোগীরা কোন নিয়ম মানছে না। তাই আমরাও আতঙ্কে আছি। অনেকে সেই ভয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

মাগুরা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মো. মেহেদী হাসান জানান, এ পর্যন্ত মাগুরা সদর হাসপাতাল থেকে প্রায় চারশ ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। চিকিৎসা অবস্থায় এখন পর্যন্ত কোনো রোগী মারা যায়নি। ডেঙ্গু রোগীদের সবসময় মশারির মধ্যে থাকতে বলা হয়েছে। আর ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে কোথাও কোনো পানি জমতে দেওয়া যাবে না। সব নিয়ম মেনে চললে ডেঙ্গু রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ও চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি রোগীদের মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সাথে ওয়ার্ড পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা মশা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।


নির্বাচিত

কেসিসির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে নগরীর সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন। প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী তিন মাসের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে কেসিসি মহানগরীতে নিয়মিত এ অভিযান পরিচালনা করছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু গত শনিবার সকালে সরেজমিন উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্ন অভিযানের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি সহায়তায় সকাল থেকে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয় এবং নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিরালা মোড়সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে হোস্টেলসংলগ্ন পুকুরের কচুরিপানা অপসারণসহ জমে থাকা পানি নিষ্কাশন, ড্রেন পরিষ্কার, বর্জ্য অপসারণ ও মশার ওষুধ ছেটানো হয়।

উল্লেখ্য, মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ হোস্টেলসংলগ্ন পুকুরের পানি ব্যবহার উপযোগী করার লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পানির মান পরীক্ষা করা হবে। ফলাফল পাওয়াসাপেক্ষে পুকুরে সাঁতারসহ বিভিন্ন শারীরিক কর্মকাণ্ডে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে বলে প্রশাসক উপস্থিত সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের অধ্য প্রফেসর মো. মনিরুল ইসলাম সরদার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হেলদি সিটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ আহমেদ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা বিভাগের প্রফেসর তুষার কান্তি রায়, ২৬নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলী রনি জামিল চৌধুরী, হেলদি সিটি ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহ, বিডি কিনের জেলা সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম এবং কিন আপ খুলনার পরিচালক মো. খলিলুর রহমান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

হেলদি সিটি ফোরামের সদস্য, বিডি কিনের প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী, স্থানীয় বাসিন্দা, এলাকার নেতারা ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।


নির্বাচিত

সরকারি নার্সের বেসরকারি ক্লিনিক ঘিরে নানা অভিযোগ

# নার্সকে ঘিরে নানা প্রশ্ন, অনুমোদনের চেয়ে বেশি রোগী # মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সেই চলছে কার্যক্রম
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনা মানসিক হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নিজ দায়িত্ব পালন না করে দালালের মাধ্যমে রোগী ভাগিয়ে নিজ ক্লিনিকে ভর্তি করার অভিযোগ উঠেছে।

নিজের পেশার যথাযথ দায়িত্ব পালন না করে নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশ মানসিক হাসপাতালে নামে ক্লিনিক। রোগী ভাগিয়ে নিজ ক্লিনিকে ভর্তি করাই যেন তার মূল পেশা। হয়েছেন কোটি টাকার মালিক। এ ছাড়া নানা অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। একইকক্ষে গাদাগাদি করে রোগী রাখা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পর্যাপ্ত চিকিৎসক নার্স না থাকা, একই হাসপাতালে মানসিক রোগী ও মাদকসেবী রোগীদের চিকিৎসা, মধ্য শহরের মধ্যে চাপা সড়কে গাড়ি পার্কিং জায়গা না থাকাসহ নানা অভিযোগ।

প্রতিষ্ঠানের মালিক শাহনাজ সুলতানা চম্পা হলেও, কাগজে কলমে মালিক করে রেখেছেন তার বড় ছেলে ইউসুফ বিন মিজানকে। সরকারি হাসপাতালে চাকরি করার পরেও কোন নিয়মে হাসপাতাল চালাচ্ছেন তা নিয়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।

সম্প্রতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় নানা অনিয়ম। অফিসে ঢুকতেই প্রধান ফটকে চোখে পড়ে তালা দেওয়া। ডাকতেই বেরিয়ে আসেন হাসপাতালটির ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দেওয়া আকাশ হোসেন। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি তালা খুলে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেন।

তার মাধ্যমে হাসপাতালটি সম্পর্কে জানা যায়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ মানসিক হাসপাতাল ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রটি একটি ভবনের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম তলা ভাড়া নিয়ে চলছে। হাসপাতালের রোগীর ক্যাপাসিটি অনুমোদন রয়েছে ১৭ জনের। বর্তমানে রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৮ জন।

ঘুরে দেখা যায়, একটি ওয়ার্ডের প্রতিটি শয্যার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব থাকার নিয়ম থাকলেও এক রুমে ৫টি বেড একসাথে লাগানো। সেখানেই গাদাগাদি করে থাকছে রোগীরা। যদিও মানসিক রোগী ও মাদক রোগী আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে। পাশের ছোট্ট একটি কক্ষে চলে রোগীদের খাবার খাওয়া। পাশেই টয়লেট। এ সময় হাসপাতালটিতে অন্য কোনো নার্সের (পুরুষ বা মহিলা) দেখা মেলেনি। মধ্য শহরে জনবহুল এলাকায় হাসপাতালটির অবস্থান হওয়ায় গাড়ি পার্কিংয়ের নেই কোনো ব্যবস্থা।

ম্যানেজার আকাশ হোসেন জানান, হাসপাতালটিতে ঢাকা ও পাবনার তিনজন মানসিক ডাক্তার রোগী দেখেন। এর মধ্যে ঢাকা থেকে একজন ডাক্তার সপ্তাহে একদিন আসেন। পাবনার ডাক্তার যখন প্রয়োজন তখন এসে রোগী দেখেন। এ ছাড়া সবসময় জন্য কোনো ডাক্তার সেখানে থাকেন না।

শাহনাজ সুলতানা চম্পা ১৯৯৮ সালে পাবনা মানসিক হাসপাতালে নার্স হিসেবে যোগদান করলেও এখনো বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। বদলিযোগ্য চাকরি হলেও তাকে এত বছরে একবারও কোথাও বদলি করা হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, দালালের মাধ্যমে পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে রোগী নিয়ে আসেন নিজের ক্লিনিকে। মানসিক হাসপাতালের সরকারি ওষুধ কারচুপিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আর এসব অপকর্ম তিনি সিভিল সার্জন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অফিসকে ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা যায়, পৈতৃক বাড়ি ঈশ্বরদীতে হলেও পাবনা পৌর শহরের পাওয়ার হাউসপাড়া এলাকায় কোটি টাকা খরচে জায়গা কিনে বহুতল ভবন করেছেন শাহনাজ সুলতানা চম্পা। ছোট ছেলে ইউনুস বিন মিজান পূর্নকে অর্ধকোটি টাকা খরচে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠিয়েছেন লেখাপাড়া করার জন্য।

এদিকে লাইসেন্সের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৪ সালে। নবায়ন করা হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ২০২৫ সালে শেষ হয়েছে। আর নবায়ন করা হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও নবায়ন করা হয়নি। তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্সের মেয়াদ আছে ২০২৬ সাল পর্যন্ত।

সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে মানসিক হাসপাতাল থেকে নিজের বাংলাদেশ মানসিক হাসপাতাল ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ছুটে আসেন শাহনাজ সুলতানা চম্পা। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘করোনার সময় বড় ছেলেটা বিপথে চলে যাবে ভেবে তার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে এই হাসপাতালটি করে দিয়েছি। তার নামেই সবকিছু, সেই মালিক। আমি মা হিসেবে তার পাশে রয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ‘ছোট ছেলে স্কলারশিপ পেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে গেছে। আমার কাজিনরা আর্থিক সহযোগিতা করে তাকে পাঠিয়েছে। বাড়ির জায়গা কেনা ও বাড়ি করার ক্ষেত্রে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি আর ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি করেছি। আর শহরের মধ্যে ওই সময় নিজস্ব ভবন ছিল না, তাই ভবন ভাড়া নিয়ে হাসপাতালটি করা হয়েছে। কেউ হয়তো ষড়যন্ত্রমূলক শত্রুতাবশত আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।’

পাবনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী বলেন, ‘বাংলাদেশ মানসিক হাসপাতালের পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র দেওয়া আছে। তাদের নবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া শহর থেকে বাইরে হাসপাতালটি স্থানান্তর করবে বলে আগামী দুই বছর সময় নিয়েছে। এর বাইরে বেসরকারি মানসিক হাসপাতালসহ জেলায় সকল ক্লিনিক, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার আমরা নিয়মিত পরিদর্শন করি।’

পাবনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শহিদুল মান্নাফ কবির বলেন, ‘পাবনায় দুটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের লাইসেন্স রয়েছে। দুটিরই লাইসেন্স নবায়ন করা আছে। তবে এর আগেও অভিযোগ ওঠায় তাদের সতর্ক করা হয়েছে। আবার যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে তাদের নজরদারির মধ্যে আনা হবে।’

পাবনার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এসব হাসপাতালের লাইসেন্স দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আমরা শুধু তাদের দেখভাল করি। তারপরও বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখব। কোনো অনিয়ম পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


নির্বাচিত

বিজিবি সরাইল রিজিয়নে ৯৫৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফেনী প্রতিনিধি

বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯৫৭ কোটি ১৩ লাখ ১৪ হাজার ৩২৮ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সময়ে এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে আটক করা হয়েছে ৩৩৩ জনকে। রোববার ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। কুমিল্লা সেক্টরের তত্ত্বাবধানে সরাইল রিজিয়নের ১৩টি ব্যাটালিয়নের পক্ষে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

বক্তব্য রাখেন, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) পরিচালক ও অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাসিবুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, সুবেদার মেজর মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বিজিবির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ১১টি পিস্তল, ৯টি ম্যাগাজিন, ৭টি এয়ারগান, ৫টি পাইপগান, ৬২ রাউন্ড গুলিসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ১৯ কেজি উচ্চবিস্ফোরক, ১১৭টি ডেটোনেটর এবং ৭৭ মিটার ডেটোনেটর তার জব্দ করা হয়।

সীমান্ত দিয়ে মাদকপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি। উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ১৮৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৪ হাজার ৯৬৭ কেজি গাঁজা, ৬৩ হাজার ৫৭৫ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার, ১৬ হাজার ৮৮০ বোতল ফেনসিডিল ও ইস্কাফ সিরাপ, ৪ লাখ ৩২ হাজার ৫১০ পিস বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট এবং ২১০ লিটার চোলাই মদ। এসব ঘটনায় ৩৩৩ জনকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলন বন্ধেও অভিযান চালিয়েছে বিজিবি। এসব অভিযানে ১৬ হাজার ৮০০ ঘনফুট পাথর ও ৮ হাজার ২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরাইল রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার সীমান্তে চারটি সেক্টরের অধীন ১৩টি ব্যাটালিয়ন সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।


নির্বাচিত

ভোলায় ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা খাদ্যসংকট ও ঋণের চাপে জেলেরা

# ২২ দিনের জন্য ২৫ কেজি চাল, সহায়তা বাড়ানোর দাবি
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় চলছে টানা ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। ইলিশের বংশবিস্তার ও ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়ানোর স্বার্থে সরকারি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেদের ঘরে এখন অভাব-অনটন। প্রয়োজনের তুলনায় সরকারি খাদ্যসহায়তা অপ্রতুল বলে অভিযোগ তাদের। এর মধ্যে আয় বন্ধ থাকলেও এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায় অব্যাহত থাকায় বাড়ছে দুশ্চিন্তা।

‎নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন জেলেরা। নদীর তীরে তুলে রাখা হয়েছে জাল ও ট্রলার। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউবা নৌযান প্রস্তুত করছেন নদীতে ফেরার জন্য। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা শেষে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। ফলে একদিকে সংসার চালানোর চাপ, অন্যদিকে ঋণের বোঝা—সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ভোলার জেলেপল্লির বাসিন্দারা।

‎জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এর আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চরপিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার এবং তেঁতুলিয়া নদীর ভেদুরিয়া থেকে চররুস্তম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকা। দেশের ইলিশের ছয়টি অভয়াশ্রমের মধ্যে দুটি রয়েছে ভোলায়। নিষেধাজ্ঞাকালে এসব এলাকায় মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ।

‎‎মৎস্য বিভাগের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭০। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৬ জন জেলের জন্য ২৫ কেজি করে মোট ৩ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। চাল বিতরণ কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে।

‎তবে জেলেদের অভিযোগ, একটি পরিবারের পুরো নিষেধাজ্ঞার সময়ের খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর জন্য এ সহায়তা যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে যাদের পরিবারে সদস্যসংখ্যা বেশি এবং আগের মৌসুমের ঋণ রয়েছে, তাদের সংকট আরও তীব্র।

‎সরেজমিনে সদর উপজেলার মেঘনাতীরবর্তী শিবপুর ইউনিয়নের ভোলারখাল ও ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাছ ধরতে না পারায় অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা। নদীর তীরে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে জাল ও ট্রলার। অনেকে দলবদ্ধ হয়ে জাল মেরামত করছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেই আবার নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

‎জেলে মো. হান্নান, আব্দুল হক, হাসান বেপারী ও শহিদুল বলেন, ‘সরকারের অভিযান সফল হোক, আমরাও চাই। কিন্তু উপার্জন বন্ধ থাকায় চরম অর্থকষ্টে দিন কাটছে। ডরে-ভয়ে নদীতে যাই না। সরকার ২৫ কেজি করে চাল দিয়েছে, যা পরিবারের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র।’

‎তাদের ভাষ্য, এবার পুরো মৌসুমেই নদীতে আশানুরূপ ইলিশ পাওয়া যায়নি। ফলে আগের বছরের দেনা রয়ে গেছে। মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এসেও সেই দেনা পরিশোধের নিশ্চয়তা নেই। বরং একের পর এক সংকটে ঋণের বোঝা বাড়ছে।

‎এদিকে, নিষেধাজ্ঞার সময় কর্মহীন জেলেদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে জেলেপল্লিগুলোতে। জেলে মোসলেউদ্দিন, খোরশেদ ও খলিলের অভিযোগ, মাছ ধরতে না পারায় তাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক সময় তিন বেলা খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। অথচ ঋণের কিস্তি আদায়ে ছাড় পাচ্ছেন না তারা।‎

‎ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, ‘আমাগো কামাই বন্ধ হইয়া গেছে, কিন্তু সমিতির কিস্তি বন্ধ হয় নাই। সংসার চালাইতেই পারি না, কিস্তি দেব কীভাবে? এভাবে চলতে থাকলে বাধ্য হয়েই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে।’

‎নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও মাছ ধরার অভিযোগ

‎নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়া নিয়েও শঙ্কিত জেলেরা। মো. জাহাঙ্গীর, বশার, রাকিব ও সোহাগের অভিযোগ, সাধারণ জেলেরা অভিযান ও শাস্তির ভয়ে নদীতে মাছ ধরতে না গেলেও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় কিছু অসাধু জেলে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই মাছ ধরছেন।

‎তারা বলেন, ‘আমরা নদীতে না গেলেও কিছু অসাধু জেলে ঠিকই মাছ ধরছে। আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ না হলে নিষেধাজ্ঞার সুফল পুরোপুরি পাওয়া কঠিন।’

‎১০ দিনে আটক ৯১ জেলে

‎তথ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার প্রথম ১০ দিনে যৌথ অভিযানে ৯১ জন জেলেকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

‎ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়নে সবার জন্য সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে রাতেও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মৎস্য বিভাগের কারও বিরুদ্ধে অসৎ কাজে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎‎অপেক্ষা নদীতে ফেরার ‎নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়ানো। কিন্তু এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সময় নদীনির্ভর জেলে পরিবারগুলোর জীবিকা ও খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সীমিত খাদ্যসহায়তা, পুরোনো ঋণ এবং কিস্তির চাপের মধ্যে দিন কাটানো জেলেদের কাছে নিষেধাজ্ঞার বাকি দিনগুলো তাই বড় চ্যালেঞ্জ।’


নির্বাচিত

রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে আগুনে পুড়ে প্রাণ হারানো ১০ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন ছাড়াও নারী ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে আরও ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক সাতটার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাশে অবস্থিত কাঠ ও ইটের তৈরি তিনতলা রিসোর্টটিতে আকস্মিক আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় পর্যটকদের অনেকে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকায় কক্ষের ভেতর আটকা পড়েন। নিমেষেই আগুনের লেলিহান শিখায় পুরো রিসোর্টটি ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের দিক থেকে বিকট শব্দের পরপরই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রাণ বাঁচাতে ওপর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে কয়েকজন পর্যটক প্রাণে বেঁচে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৎপরতা চালান।

গণমাধ্যমে আসা তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), তার পাঁচ বছর বয়সী ভাগ্নে ফায়িজান আহম্মেদ (৫), সাভারের ‘স্বপ্ন বিলাস স্কুল’-এর শিক্ষক নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. নাফিস তেহামী, জিহাদ হাওলাদার ও তারিকুল ইসলাম। হতাহতের এই সংখ্যা ও তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন।

আগুনে আহত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারা হলেন—মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শিহাব উদ্দীন সাদী (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, নয়টি কক্ষের ওই রিসোর্ট থেকে শুক্রবার রাতে তিনটি কক্ষের অতিথিরা চলে গিয়েছিলেন। বাকি ছয়টি কক্ষে অবস্থান করছিলেন মোট ১৬ জন পর্যটক, যাদের মধ্যে সকালে পাঁচ-ছয়জন বাইরে বের হয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘রিসোর্টের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’


নির্বাচিত

সীমান্তে নারী ও শিশুসহ বারো জনকে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বামনদল সীমান্ত এলাকা দিয়ে নারী ও শিশুসহ মোট বারো জন নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন বা ঠেলে পাঠানোর অপচেষ্টা চালিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির কঠোর প্রতিহত করার পদক্ষেপে বিএসএফের সেই অবৈধ প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

বর্তমানে ভুক্তভোগী ওই বারো জন ব্যক্তি ভারতীয় সীমানার অভ্যন্তরে আন্তর্জাতিক শূন্য লাইনের কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করছেন।

রোববার এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহিনুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্র ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দেওয়া বিবরণে জানা যায়, গত শনিবার গভীর রাতে বুড়িমারী বামনদল সীমান্তের নির্দিষ্ট মেইন পিলারের সংলগ্ন এলাকা দিয়ে দুই শিশু, দুই নারী এবং আট জন পুরুষসহ মোট বারো জনের একটি দলকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেন এবং তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করেন।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ওই বারো জন নাগরিক বর্তমানে ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে প্রায় একশো গজ দূরে অবস্থান করছেন। তাদের অবৈধভাবে দেশের ভেতরে প্রবেশ করা সম্পূর্ণরূপে রোধ করতে পুরো সীমান্তজুড়ে বিজিবির বিশেষ টহল ও কঠোর নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই অনধিকার প্রবেশের চেষ্টার বিষয়ে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহিনুল ইসলাম জানান যে, বিএসএফের এমন অযাচিত পুশইনের অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে অবিলম্বে একটি পতাকা বৈঠকের আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানানো হয়েছে এবং সেই বৈঠকের মাধ্যমেই পুরো বিষয়টি আলোচনার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ২

* চলতি সপ্তাহেই অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট: পুলিশ সুপার
ছবি: শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যা মামলার বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতীম হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) চলতি সপ্তাহেই আদালতে দাখিল করা হবে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যা মামলার বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) কুমিল্লা মহানগরীর ছত্রখিল এলাকায় যুবদল নেতা আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তৌহিদ ও তার আপন ভাই তানজীরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও এসআরবি। নগরীর নুরপুর থেকে তৌহিদ ও তানজীরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি ।

গ্রেপ্তার তৌহিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ সাতটি মামলা রয়েছে। তানজীরের বিরুদ্ধে রয়েছে একটি মামলা।

পুলিশ সুপার বলেন, কুমিল্লা সদর উপজেলার ছত্রখিল মডেল মসজিদের বিপরীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা নিয়ে কাউছার ও শামীমের সাথে বিরোধের জেরে যুবদল নেতা কাউছারকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় অটো রিকশা গুরুতর আহত হন। তবে তিনি এখন আশংকামুক্ত।

এদিকে, অপ্রতীম হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, চলতি সপ্তাহেই আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি কুমিল্লা কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান ও পঙ্কজ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

দেশের ৮ জেলা থেকে উদ্যোক্তা হতে চান সাড়ে ১৮ হাজার তরুণ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের তরুণ সমাজকে স্বাবলম্বী ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। যুবসমাজকে জামানতবিহীন আর্থিক সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু হওয়া ‘উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’ (উদ্যোগ)-র আওতায় কেবল ৮টি জেলা থেকেই সাড়ে ১৮ হাজার তরুণ আবেদন করেছেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে এই আবেদনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রমে আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেত্রকোনা জেলা, যেখান থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৫১টি আবেদন জমা পড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রংপুর থেকে এসেছে ২ হাজার ৭৪৫টি আবেদন। এ ছাড়া নওগাঁ থেকে ২ হাজার ৪৫৬ জন, ঝিনাইদহ থেকে ২ হাজার ১৯১ জন, হবিগঞ্জ থেকে ১ হাজার ৫৫২ জন, ভোলা থেকে ১ হাজার ৫৪৫ জন, মানিকগঞ্জ থেকে ১ হাজার ৩৪৩ জন এবং ফেনী থেকে ১ হাজার ২৬১ জন তরুণ ঋণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

প্রথম ধাপে ৮টি জেলা থেকে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাওয়ায় এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরো দেশজুড়ে এই কর্মসূচি বিস্তৃত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বাকি জেলাগুলোর আগ্রহী তরুণেরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। পুরো প্রকল্পটির অধীনে দেশের ৫০৩টি উপজেলার ৫ হাজার ৩০ জন উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আগ্রহীরা তাঁদের নিজ নিজ উপজেলার যেকোনো ব্যাংকের শাখায় গিয়ে সহজেই এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

বিশেষ এই তহবিলের মোট ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক সরবরাহ করবে এবং অবশিষ্ট ২৫০ কোটি টাকা দেবে সহযোগী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত একেকজন উদ্যোক্তা ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পাবেন। প্রাপ্ত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অংশ ৪ থেকে ৭ শতাংশের স্বল্প সুদে ঋণ হিসেবে পরিশোধযোগ্য হবে।

এই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু সুস্পষ্ট শর্তাবলী নির্ধারণ করে দিয়েছে। আবেদনকারীর বয়স আবেদনের শেষ দিনে সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে এবং এর আগে ব্যাংক বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছেন এমন কেউ এখানে আবেদন করতে পারবেন না। পাশাপাশি কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন না।

প্রকল্পটিতে প্রধানত কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, হালকা প্রকৌশল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উদ্যোগগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ই-কমার্স, ফিনটেক, এডটেক, অ্যাগ্রিটেক ও হেলথটেকের মতো প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপসহ যেকোনো বৈধ ও আয়বর্ধক উদ্যোগের জন্য এই অর্থায়ন সহজলভ্য করা হবে।


নির্বাচিত

পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিগগিরই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মিলনায়তনে বিভিন্ন মন্দিরের অনুকূলে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এমন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, যাতে ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে পার্বত্যাঞ্চলের সব মানুষ বৈষম্যহীনভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং কৃষির উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করলে সবার জন্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিষদের সদস্যরা এবং মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলার ৪৭টি মন্দিরের অনুকূলে মোট ২৪ লাখ ৯১ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী জেলা শহরের প্রাচীন কালীবাড়ি মন্দির পরিদর্শন করেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় অংশ নেন। সভায় রাঙামাটি ২৯৯ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও এর উন্নয়নে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।


নির্বাচিত

banner close