মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মসজিদ নির্মাণ না হওয়ায় গোডাউনে নামাজ

ছবি: দৈনিক বাংলা
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৪ ১৪:৫১

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বরাব শুয়াপুর গ্রামে গত দুই বছর ধরে অর্থাভাবে বন্ধ রয়েছে মসজিদ সংস্কার কাজ। ফলে অন্যের গোডাউনে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।

বরাব শুয়াপুর গ্রামটি উপজেলার একেবারে শেষপ্রান্তে। এক সময় এ গ্রামে জনসংখ্যা ছিল অনেক কম। বর্তমানে নদীভাঙন কবলিত বিভিন্ন জেলার লোকজন এখানে ঘরবাড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন। বাসিন্দাদের বেশির ভাগই হতদরিদ্র।

প্রায় আড়াই যুগ আগে ওই গ্রামের চাঁন মিয়া মাতব্বর মসজিদের নামে ৯ শতাংশ জমি ওয়াকফ করে দেন। এরপর গ্রামের সবাই মিলে মাটি তুলে সেখানে বরাব (শুয়াপুর) জামে মসজিদ স্থাপন করা হয়। সেই ছাপড়া মসজিদেই নামাজ আদায় করা হচ্ছিল। দুই বছর আগে মসজিদটি সংস্কারের জন্য ভাঙা হয়। এরপর অর্থাভাবে আর নতুন করে গড়ে তোলা যায়নি। পাঁচ তলা ভবনের ফাউন্ডেশন দিয়ে মসজিদের কাজ শুরু করলেও বর্তমানে শুধু নিচ তলার পিলার তৈরি করা হয়েছে। এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে পাশের একটি ব্যক্তি মালিকের গোডাউনে মসজিদের কার্যক্রমসহ নামাজ আদায় করছেন এলাকার মুসল্লিরা।

মসজিদ কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মসজিদের কিছু কাজ করার পর টাকার অভাবে তা বন্ধ হয়ে যায়। এখন কিছু অনুদান পেয়েছি, গ্রামের সবাই সহযোগিতা করছে। খুব দ্রুত আবার কাজ শুরু করব। তবে মসজিদ তৈরিতে আরও অর্থ প্রয়োজন।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সারোয়ার আলম বলেন, ‘ওই মসজিদের এমন অবস্থার কথা আগে জানা ছিল না। আবেদন করলে ওই মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিষয়:

সারিয়াকান্দিতে শিক্ষার্থী হত‍্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৯ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৪
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়া সারিয়াকান্দিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নওখিলা পি এন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুস্তাকিম (১৭) হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০ টার দিকে ওই স্কুলের শতশত শিক্ষার্থী উপজেলার পৌর এলাকার মাদ্রাসা মোড়ে সমবেত হন। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে। মিছিলটি উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, নওখিলা পি এন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিমান কুমার সাহা, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপ্লব, উপজেলা যুব জামায়াতের সহ সভাপতি বেলাল হোসেন, পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি সোহাগ মিয়া, উপজেলা শিবির সভাপতি আসিফ খান, বগুড়া জেলা শিবিরের অফিস সম্পাদক আব্দুস সোবহান, চন্দনবাইশা ইউনিয়নের যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রঞ্জু মিয়া, হত্যার শিকার মুস্তাকিমের বোন শিরিনা আক্তার, তার সহপাঠী শিক্ষার্থী জাকারিয়া ইসলাম প্রমুখ। পরে শিক্ষার্থীরা মোস্তাকিন হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ৮ দফা দাবির মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে গত ২১ মে উপজেলার চন্দনবাইশা ইউনিয়নের ঘুঘুমারী গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুস্তাকিমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি আমরা হাতে পেয়েছি। তাদের দাবির ভিত্তিতে মুস্তাকিম হত্যার সাথে জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।


নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি

আপডেটেড ৯ জুন, ২০২৬ ১৭:১৮
মাহবুবুর রহমান, নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রকাশ্যে এক যুবককে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এঘটনার সিসি ক্যামেরা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

গুলিতে আহত ফারুক হোসেন(২৭) হাজীপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কালামিয়ার পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , সকালে ফারুক হাজীপুর ও শরীফপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কালামিয়ার দোকান এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে ৩ থেকে ৪ জনের একটি দল সেখানে এসে উপস্থিত হয়। তারা তাকে টেনে নিয়ে অটোরিকশায় উঠানোর চেষ্টা করে। এসময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে তার তলপেট ও হাঁটুতে গুলি লাগে এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত ফারুককে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা.রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, ফারুকের তলপেট ও হাঁটুতে গুলি লেগেছে। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান বলেন, সন্ত্রাসীরা ওই যুবককে আকস্মিক গুলি করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটা লোকাল গ্যানের গুলি। ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।


কেশবপুরে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
হারুনার রশীদ বুলবুল, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যক্রম আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৯ জুন) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন, কেশবপুর এবং ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্প।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেশকাতুল ইসলাম, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক অ্যাডভোকেট মহিতোষ কুমার রায়।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনজু মনোয়ারা বেগম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালি রানী দাস, কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনার রশীদ বুলবুলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কো-অর্ডিনেটর শংকর কুমার দাস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, গ্রাম আদালত হলো সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার একটি সহজ, দ্রুত ও ব্যয়-সাশ্রয়ী মাধ্যম। গ্রামের মানুষকে আদালতের দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া থেকে মুক্তি দিতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও জনপ্রিয় করতে হবে। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেশকাতুল ইসলাম বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর পদ্ধতি। ভূমি সংক্রান্ত ক্ষুদ্র বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ের দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে এটি সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং মামলা জট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে আরও বেশি মানুষ এই সেবার সুফল ভোগ করতে পারবেন।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন, অনেক ছোটখাটো বিরোধ সময়মতো নিষ্পত্তি না হওয়ায় তা বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নেয়। গ্রাম আদালত এসব বিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি করে। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হয় এবং জনগণের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকে।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক অ্যাডভোকেট মহিতোষ কুমার রায় বলেন, গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে গঠিত এ আদালত অনধিক তিন লাখ টাকা মূল্যমানের নির্দিষ্ট দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। এখানে অল্প খরচে, দ্রুত সময়ে এবং আইনজীবী ছাড়াই বিচার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই গ্রাম আদালতকে জনগণের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দিতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, বিচারিক এখতিয়ার, আবেদন প্রক্রিয়া, বিরোধ নিষ্পত্তির সুবিধা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত দরিদ্র, নারী, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি, গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনগণকে আরও সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, গ্রাম আদালতের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে— অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্প কাজ করে যাচ্ছে।


অবৈধ থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অবৈধ থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে নিমসার সবজি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মমিন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ময়নামতি হাইওয়ে থানার একটি টহল দল কয়েকটি অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং ভাঙচুর চালায়। এতে গাড়িটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ওসি আবদুল মমিন জানান, অবৈধ থ্রি-হুইলার আটকের পর ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল অতর্কিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি পিটিয়ে ভাঙচুর করে এবং এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তিনি আরও জানান, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


নাচোলে রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর রেলস্টেশন এলাকার রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নেজামপুর রেলস্টেশনের প্লাটফরমের উত্তরে রেললাইনের ৩০৮/২ নম্বর পিলারের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রহনপুর থেকে ছেড়ে আসা মহানন্দা ট্রেনের এক টিকিট পরীক্ষক (টিটি) রেললাইনের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে নাচোল থানা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশের এসআই আশীষ সরকার জানান, নেজামপুর রেলস্টেশনের প্লাটফরমের অদূরে রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।


চকরিয়ায় বনবিভাগের অভিযানে মুখপোড়া হনুমান ও ১২ কচ্ছপ উদ্ধার 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ বিন হোছাইন, কক্সবাজার (চকরিয়া-পেকুয়া) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যপ্রাণী পাচারের এক সদস্য আটক করেছে বনবিভাগ। সেই সাথে বিপন্ন প্রজাতির ১টি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যাক্তির নাম মোঃ হাদিস রহমান (৪০)।

সোমবার (৮ জুন) বিকেলে চকরিয়া পৌরসভার ভাঙ্গারমুখ এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া হাদিস রহমান ঢাকা মিরপুর-১১ (রোড নং-৩, কাঁচাবাজার সংলগ্ন) এলাকার সুলতান মিয়ার ছেলে।

গোপন সূত্রে জানাযায়, চকরিয়া পৌরসভার ভাঙ্গারমুখ এলাকার একটি বাড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু বন্যপ্রাণী মজুত করে রাখা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি দল সেখানে ঝটিকা অভিযান চালায়। অভিযানে বাড়িটি থেকে হনুমান ও কচ্ছপগুলো উদ্ধারসহ পাচারকারী হাদিসকে আটক করা হয়।

চক্রটির সন্ধানে গিয়ে বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একটি শক্তিশালী ও সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে আসছিল। পরে এগুলো ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করা হতো। আটক হাদিস রহমান এই চক্রেরই একজন সক্রিয় সদস্য।

চুনতী বন্যপ্রাণী ও অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান "আটক হাদিস রহমানের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ জানান, বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক এবং পাচার করা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধের ধরন অনুযায়ী এই আইনে সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। বন্যপ্রাণী রক্ষায় এই ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


পদোন্নতি পেয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এইচ এম সাইদুর রহমান, শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

সম্প্রতি অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর নিজ জন্মভূমি শিবচরে সফর করেছেন ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি ও শিবচরের কৃতি সন্তান রেজাউল করিম মল্লিক।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে শিবচরে পৌঁছে সফরের শুরুতেই তিনি পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে তাঁর বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। এ সময় তাঁর মেঝো ভাই মো. আবুল কালাম মল্লিক, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রেজাউল করিম মল্লিক এর আগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি ডিআইজি পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে উন্নীত হন।

শিবচরের মল্লিক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতির খবরে এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। তাঁকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে অনেকেই ভিড় করেন।

পরে তিনি শিবচর থানায় পৌঁছালে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে তিনি কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন,“অপরাধ দমন, মাদক, সন্ত্রাস, দালালি, চাঁদাবাজি ও প্রতারণা বন্ধে জিরো টলারেন্স বজায় রাখতে হবে। জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি থানার আধুনিকায়ন, সেবার মানোন্নয়ন এবং নাগরিকবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি থানার সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন কাদের, শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

সফরের শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক শিবচর থানা প্রাঙ্গণে একটি পরিবেশবান্ধব ফলজ বৃক্ষ অ্যাভোকাডো গাছ রোপণ করেন।

স্থানীয়দের মতে, অতিরিক্ত আইজিপির এই সফর শিবচরের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জনসেবামূলক উদ্যোগে নতুন গতি ও অনুপ্রেরণা যোগাবে।


ওজু শেখানোর নামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৯ বছরের এক শিশুকে ওজু শেখানোর কৌশলে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইসানুর নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার একটি ভাড়া বাসায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ইসানুর সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি রূপগঞ্জে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে শিশুদের আরবি পড়াতেন।

জানা গেছে, ঘটনার দিন ভুক্তভোগী শিশুটি প্রতিদিনের মতো ওই শিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়েছিল। পাঠদান চলাকালীন একপর্যায়ে ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী ওজু শেখানোর অজুহাতে শিশুটিকে বাথরুমে ডেকে নেন ইসানুর। সেখানে শিশুটিকে হেনস্তা ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে সে চিৎকার শুরু করে। বাচ্চার আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলেন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে পিটুনি দিয়ে আটকে রাখেন এবং পরে থানা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।পুলিশ অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠিয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।


মাদারীপুরে থানা অবরুদ্ধ করে হত্যা মামলার আসামী ছাড়াতে এসে গ্রেফতার ৭

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মোঃ ফায়েজুল কবীর, মাদারীপুর প্রতিনিধি 

মাদারীপুর সদর মডেল থানায় গ্রেফতার হওয়া হত্যা মামলার আসামি আরিফ ও সবুজ নামে ০২ জন- কে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা ও সদর মডেল থানা অবরুদ্ধ-ঘেরাওয়ের অভিযোগে আরও ০৭ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । সোমবার (৮,জুন) রাতে শহরের পুরাতন বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে উল্লেখিত দু'জনকে আটক করার পর এহেন ঘটনা ঘটে। পরে আসামিপক্ষের লোকজন থানা অবরুদ্ধ ও ঘেরাওয়ের চেষ্টা করলে পুলিশ ও জেলার অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহরের বাদামতলা এলাকার সবুজ ও নতুন মাদারীপুর এলাকার আরিফ নামের এই দু'জনকে একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। আটকের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি আরিফ চৌকিদারের বিরুদ্ধে থাকা ওয়ারেন্ট দেখতে চান। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পুলিশ আটক দু'জনকে সদর থানায় নিয়ে আসে। পরে পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার অভিযোগে আরও সাত জনকে থানার সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,শান্ত ঢালী (২০),সালমান ঢালী (১৯),আবির ঢালী (১৯),আজিম ঢালী (১৮),সাহেব বেপারী (১৭) তাদের সকলের বাড়ি নতুন মাদারীপুর এলাকায়।

অপরদিকে আটক ব্যক্তিদের স্বজন ও সমর্থকরা সদর মডেল থানায় জড়ো হয়ে আসামিদের ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আবারো উত্তপ্ত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুরো থানা এলাকাকে নিরাপত্তার বেষ্টনীতে ঢেকে ফেললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয়রা জানান, মাদারীপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী বিএনপি নেতা লাভলু হাওলাদারের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী গ্রুপ এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। তাদের দাবি, তিন মাস আগে ডিশ ব্যবসায়ী নতুন মাদারীপুর এলাকার আলমগীরকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় যাদের আটক করা হয়েছে- তাদের মধ্যে কয়েকজন আলমগীর হত্যা মামলার আসামি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ঘটনাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেলের কর্মকর্তা ফারিয়া রফিক ভাবনা জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আরিফ ও সবুজ নামে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও সাতজনকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং এডিস মশা নির্মূলে কেসিসি প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সৈকত মোঃ সোহাগ, খুলনা ব্যুরো

খুলনা মহানগরী এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও প্রতিরোধ কার্যক্রম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা গতকাল সোমবার নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালের কর্মকর্তা, নগরীর বিভিন্ন বাজার, দোকান, রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, পরিবহন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার আলোকে আমরাও কাজ শুরু করেছি।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এবং এডিস মশা নির্মূলে তিনি সভায় উপস্থিত সকলের পরামর্শ এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় বাজারসমূহের অভ্যন্তরীণ ড্রেনসমূহ ও জমে থাকা বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করার পাশাপাশি বাজারসমূহে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পৃথক কমিটি গঠন, ইজিবাইকের ব্যাটারী সংক্রান্ত দূষণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনাসহ কেসিসি’র সাথে বেসরকারি সংস্থাসমূহের কাজের সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে মহানগরীর প্রত্যেকটি বড় ড্রেন ও খালের পানি প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিষ্কার করা হয়েছে এবং সকল প্রকার পরীক্ষার মধ্য দিয়ে মশক নিধনে ওষুধ ক্রয় করা হয়েছে। ফলে নগরীর অনেক স্থানে মশা হ্রাস পেয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমও যে কোন সময়ের তুলনায় গতিশীল করা হয়েছে। তবে এখনো ২০ শতাংশ ছোট ড্রেন পরিষ্কারের কাজ বাকি আছে যা বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই পরিষ্কার করা হবে।

কেসিসি প্রশাসক ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে। কেসিসি’র পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেট ছাপানো হয়েছে তা বিতরণের পাশাপাশি এ বিষয়ে মাইকিংও করা হবে। আগামীতে মিনিবাস, বাস ও ট্রাক মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাথে সভা আয়োজনসহ সকলকে সাথে নিয়ে একেকদিনে একেকটা সড়ক ও ড্রেন পরিষ্কার এবং এ সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য এ্যাপ তৈরি ও হটলাইন চালু করা হবে বলে তিনি উলে­খ করেন। কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ আবু শাহীন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আখতারুজ্জামান, জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম, নৌ-বাহিনী হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার মোসাদ্দেকুল, খুলনা শিশু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ ও গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালক ডাঃ মোস্তফা আল মামুন।


অন্যান্যের মধ্যে কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মোঃ অহিদুজ্জামান খান, ভেটেরিনারী সার্জন ড. ওপরু গোপাল বিশ্বাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ আহমেদ, নাগরিক ফোরামের মহাসচিব এস এম ইকবাল হাসান তুহিন, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব মোঃ ওমর ফারুক, কেসিসি পাইকারী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, রূপসা পাইকারী কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ জাহান আলী, রূপসা সন্ধ্যা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ মেহেদী হাসান লিটন, কেডিএ নিউ মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম অলিকসহ কেসিসি’র ওয়ার্ড ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।


টাঙ্গাইলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৯ জুন, ২০২৬ ১০:৩৫
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভোররাতে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর ৪টার দিকে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের কালিয়া ঘোনারচালা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কের পাশে একটি বাঁশ বোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় ঢাকাগামী একটি দ্রুতগতির মুরগি বহনকারী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মুরগি বোঝাই ট্রাকটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা সবাই মুরগি বহনকারী ট্রাকের চালক ও শ্রমিক ছিলেন। তারা হলেন—জামালপুরের বকশিগঞ্জের চালক নূরনবী (৬৪), নওগাঁর পত্মীতলার সহকারী রফিকুল ইসলাম (১৮), নেত্রকোনার কেন্দুয়ার সাগর (২২) এবং ভোলার সুমন (২৬)। এছাড়া এই দুর্ঘটনায় জহিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন, যিনি বাঁশ বোঝাই ট্রাকটিতে ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে সখীপুর থানার এএসআই মো. আল মামুন জানান, “নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পরিবারের লোকজন আসলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে।” বর্তমানে নিহতদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং তারা থানায় পৌঁছালে মরদেহগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ভোররাতের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে বাস, নিহত ৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে উল্টে পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ১০ জন যাত্রী।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরের দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বৈশামোড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের মুন্সি আরশ আলী ও শিশু আলিফ, সদর উপজেলার পাইকপাড়ার মৌসুমী দাস, নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের সেতু মজুমদারের ছেলে তনয় কুমার মজুমদার।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীবাহী লোকাল বাসটি মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বৈশ্বামোড়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তেই বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের গভীর খাদে উল্টে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের জানান, হবিগঞ্জের মাধবপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মেড্ডা বাস স্ট্যান্ডে আসছিল। পথিমধ্যে বৈশ্বামোড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক চাপ দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের চারযাত্রী নিহত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল সরকার বলেন, আমাদের কাছে এখনো কোনো মরদেহ আসেনি। আহত ৬ জন এসেছে, তাদেরকে আমরা চিকিৎসা দিয়েছি। সবার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।


জলবায়ু পরিবর্তনে বছরে ক্ষতি ২৫ কোটি কর্মঘণ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ বর্তমানে বহুমাত্রিক জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে প্রতি বছর প্রায় ২৫ কোটি কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১৭৮ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ০.৪ শতাংশ। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশগত অবক্ষয় এবং জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার কারণে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ কর্মসংস্থান হারিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেন বক্তারা।

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। জলবায়ু সংকট ও কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ: টেকসই ও ন্যায্য বাংলাদেশের পথে যাত্রা’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করেছে ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ (এনএজেটিবি)।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বিএলএফ প্রোগ্রাম অফিসার মো. জুবায়ের আলম জানান, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ ও তীব্র তাপপ্রবাহের মুখোমুখি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০২৬ সালেও অধিকাংশ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রির ওপরে রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আগামী জুন-আগস্টে ৮০ শতাংশ সম্ভাবনায় এল নিনো পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছে।

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, তীব্র গরম, বিদ্যুৎ সংকট ও অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে শ্রমজীবী মানুষ ক্রমবর্ধমান ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। শ্রমিকরা হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। একই সঙ্গে নারীদের পুষ্টি, মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা সতর্ক করেন, জলবায়ু পরিবর্তন শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থানের ধরন বদলে দিচ্ছে, ফলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কৌশলে জলবায়ু সহনশীলতা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি), জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যের সঙ্গে জলবায়ু কর্মকৌশলকে সমন্বয়ের আহ্বান জানান।

সভায় বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের সভাপতি সৈয়দ সুলতান উদ্দিন, প্রধান সমন্বয়ক এন আহম্মদ, ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশের সমন্বয়ক নুরুল আমিন, শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) কুতুবুদ্দিন আহমেদ, ইন্ডাস্ট্রি অল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) আবুল কালাম আজাদ এবং ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান।

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন বলেন, দেশের শিল্পনীতি এখনো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাকেন্দ্রিক, আর শ্রমিকরা জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা থেকে বহুলাংশে বাদ পড়ে আছেন।

ইউথনেট গ্লোবালে নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, তরুণরা জলবায়ু সংকট এবং ভবিষ্যৎ শ্রমবাজার দুইয়েরই উত্তরাধিকারী হবে। সবুজ কর্মসংস্থান, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মক্ষেত্রে তাপ সুরক্ষায় বিনিয়োগ জরুরি।


banner close