বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

হাওরে বজ্রপাত আতঙ্ক দুই দিনে ছয়জনের মৃত্যু

প্রতীকী ছবি
দেবাশীষ দেবু, সিলেট
প্রকাশিত
দেবাশীষ দেবু, সিলেট
প্রকাশিত : ৮ মে, ২০২৪ ১২:৩৬

সিলেট বিভাগের হাওর এলাকার নতুন আতঙ্ক হয়ে উঠেছে বজ্রপাত। বৃষ্টির মৌসুমে হাওরে ঘনঘন ঘটছে বজ্রপাতের ঘটনা। এতে বাড়ছে প্রাণহানি। কয়েক বছর ধরে এমনটি ঘটতে থাকলেও এই ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় নেই তেমন কোনো উদ্যোগ। এর মধ্যে গত দুই দিনে (রবি ও সোমবার) সিলেট বিভাগে বজ্রপাতে মারা গেছেন ছয়জন। বর্ষায় বজ্রপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত কয়েক বছর ধরেই হাওরে বজ্রপাতে প্রাণহানি বেড়ে চললেও বজ্রপাতের আগাম তথ্য হাওরবাসীর কাছে পৌঁছানোর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি অদ্যাবধি। বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে হাওর এলাকায় কিছু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবি উঠলেও এ ব্যাপারে কোনো পরিকল্পনা নেই প্রশাসনের। গত পাঁচ বছরে লক্ষাধিক তালবীজ রোপণ করে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের চেষ্টা করা হয়েছে কেবল। তবে এই উদ্যোগও ব্যর্থ হয়েছে। কেননা, বেশির ভাগ তালবীজ থেকেই চারা গজায়নি।

এ অবস্থায় বৃষ্টির মৌসুম শুরু হতেই সিলেটে বেড়ে গেছে বজ্রপাত আর প্রাণহানি। গত সোমবার সিলেটের কানাইঘাট, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও হবিগঞ্জের বাহুবলে বজ্রপাতে মারা গেছেন তিনজন। তার আগের দিন রোববার সিলেটের গোয়াইনঘাট, মৌলভীবাজার সদর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বজ্রপাতে আরও তিনজন মারা যান।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পিয়ার-রিভিউ জার্নাল হেলিয়নে ‘বাংলাদেশে বজ্রপাত পরিস্থিতির ওপর জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম)-ভিত্তিক স্থানিক বিশ্লেষণ’ প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ প্রাণহানি বর্ষা-পূর্ববর্তী মৌসুম এবং বর্ষা ঋতুতে ঘটে, যার মধ্যে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট) সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে আবহাওয়ার ধরন ও বৈশিষ্ট্য ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। যার ফলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, শৈত্যপ্রবাহ এবং ঋতু পরিবর্তনের মতো ঘটনা ঘটছে। এ কারণেই বজ্রপাত বাড়ছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বৈশাখ থেকে ঝড়বৃষ্টি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাতের পরিমাণ বাড়ে। এ সময়টিই হাওরের সবচেয়ে ব্যস্ততম সময়। হাওরের একমাত্র ফসল বোরো ধান তোলা হয় এই সময়ে। ফলে হাওরের কৃষকদের মাঠে যেতেই হয়। এতে প্রাণহানিও বাড়ে।

বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের ১০৫টি হাওর আছে সিলেট জেলায়। আর সুনামগঞ্জ জেলায় হাওর আছে ১৩৫টি।

হাওর বেশি হওয়ায় দেশের সবচেয়ে বজ্রপাতপ্রবণ এলাকাও সুনামগঞ্জ। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত গত ৮ বছরে বজ্রপাতে এ জেলায় অন্তত ১৫০ লোক মারা গেছেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগে থাকলেও সুনামগঞ্জে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস। এদিকে বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যাওয়ায় ২০১৮ সালে দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে সিলেট আবহাওয়া অফিসেও স্থাপন করা হয় বজ্রপাত পূর্বাভাস যন্ত্র ‘থান্ডারস্টর্ম ডিটেকটিভ সেন্সর’। এই যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিদিনই বজ্রপাতের পূর্বাভাস আসে। আবহাওয়া অফিস থেকে এই পূর্বাভাস প্রতিটি জেলার সরকারি অফিসগুলোতে ই-মেইলে পাঠানো হয়। তবে এই পূর্বাভাস মাঠপর্যায়ে প্রান্তিক মানুষের কাছে আর পৌঁছে না। কৃষকদের কাছে বজ্রপাতের পূর্বাভাস পাঠানোর এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেই।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব বলেন, ২০১৬ সালের পর থেকে বজ্রপাতকে একটি দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। সাধারণত পাহাড়বেষ্টিত এলাকা ও খোলা জায়গায় বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। এই হিসেবে সিলেট বজ্রপাতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।

তিনি বলেন, ‘১২ ঘণ্টা আগে আমরা বজ্রপাতের পূর্বাভাস পাই। আমরা যে বজ্রপাত পূর্বাভাস সরকারি দপ্তরে পাঠাই, সেটি হাওরাঞ্চলের মানুষজনের কাছে পৌঁছাতে হবে। এটি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদেরই করতে হবে। আগাম সতর্কবার্তা পেলে ওই সময় হাওরে কাজ করা থেকে তারা বিরত থাকতে পারবেন।’

বজ্রপাত আটকে দেবে তালগাছ, এই ধারণা থেকে কেবল সুনামগঞ্জ জেলায়ই ২০১৮ সালে ৩৪ হাজার ও চলতি বছরে ৮০ হাজার তালবীজ বিতরণ করা হয়। তবে স্থানীয়রা বলছেন, এই লক্ষাধিক বীজ থেকে হাজারখানেক চারাও গজায়নি।

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৫নং সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান এহসান চৌধুরী বলেন, ‘২০১৭ সালে আমাদের কিছু তালবীজ দেওয়া হয় উপজেলা প্রশাসন থেকে। আমরা রোপণ করেছি কিন্তু গাছ হয়নি। সব বীজই নষ্ট হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বজ্রপাতের কোনো পূর্বাভাস আমরা পাই না। তাই যখন দেখি আকাশের অবস্থা ভালো না তখন ইউপি সদস্যদের কল দিয়ে বলি তাদের এলাকায় কেউ যেন মাঠে না যায়।’

সুনামগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রতিটি উপজেলায় ২০১৮ সালে তালবীজ বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে তালবীজ দেওয়া হলেও পরবর্তী সময় আর কোনো তদারকি করা হয়নি।

পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, ‘হাওরে কিছু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি আমরা। যাতে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গেলে বজ্রবৃষ্টির সময় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারেন। এ ছাড়া হাওরে বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড স্থাপন করা দরকার। এসব দাবি আমরা বিভিন্ন সময় জানিয়েছি। তবে মৌখিক আশ্বাস ছাড়া এখন পর্যন্ত কিছুই পাইনি।’

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে হাওর এলাকায় তালবীজ রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছিল। তবে এটা অনেক দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এখন গাছগুলোর কী অবস্থা তা জানা নেই। ইউএনওদের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে জানাব।’

বিষয়:

উন্নয়নের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিগুলো কেবল কাগজের পরিকল্পনা নয়, এগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নই মূল লক্ষ্য। আর এই উন্নয়নের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমকর্মীরাই সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারেন।

বুধবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন। জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের উন্নয়ন কর্মসূচি প্রচারের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।

ইশতেহারের মূল দিকগুলো: অনুষ্ঠানে জেলা তথ্য কর্মকর্তা লেলিন বালা সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ইশতেহারের বিস্তারিত উপস্থাপনা তুলে ধরেন। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, খাল খনন ও সংস্কার, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ, নারীদের জন্য বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা এবং কৃষিঋণ মওকুফসহ কৃষক কার্ড বিতরণের মতো জনবান্ধব কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সমস্যা ও উন্নয়ন ভাবনা: উন্মুক্ত আলোচনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা ঝালকাঠি জেলার সুনির্দিষ্ট কিছু সমস্যার প্রতি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর মধ্যে জেলার খালগুলো দ্রুত সংস্কার করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, শহরের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বক্তব্য রাখেন, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি আককাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মাহামুদুর রহমান পারভেজ, সহসাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিকের প্রকাশক অলোক সাহা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু এবং টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আল আমিন তালুকদার স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন স্থানীয় উন্নয়ন বিষয়ে সাংবাদিকদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সরকারের উন্নয়ন বার্তা তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।


সুন্দরবনে বনরক্ষীদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চড়খালী টহল ফাঁড়িতে দায়ের করা এক অভিযোগে বনরক্ষীদের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আটক এক আসামিকে স্থানীয়রা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১২মে) দুপুরে শরণখোলা রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের শুয়ারেরখালে টহলকালে বনরক্ষীরা কয়েকজনকে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করতে দেখেন। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা বনের ভেতরে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে ১ নম্বর আসামি কুদ্দুস রাজা (৫০), পিতা-মৃত হাকিম রাজা, সাং-দক্ষিণ চরদুয়ানী, থানা-পাথরঘাটা, জেলা-বরগুনা ট্রলার নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করলে বনরক্ষীরা ধাওয়া করে কালিয়ার খাল এলাকা থেকে তাকে আটক করেন।

তবে আটক আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে স্থানীয় কয়েকজন দা ও কুড়াল নিয়ে বনরক্ষীদের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. আল জাবের ও ট্রলারচালক অপূর্ব কুমার সাহা আহত হন। আহতদের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) খলিলুর রহমান বলেন, ‘সরকারি দায়িত্ব পালনকালে বনরক্ষীদের ওপর হামলার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। বন রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাত সকাল ৯টায়, থাকছে দুটি বিশেষ ট্রেন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবার ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই জামাতের ১৯৯তম আসরে ইমামতি করবেন বিশিষ্ট আলেম মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। সভায় ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সোহানা নাসরিন তাঁর বক্তব্যে শোলাকিয়ার ধর্মীয় গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “শোলাকিয়ার ঈদুল আজহার জামাত দেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ। প্রতি বছরের মতো এবারও মুসল্লিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে।” তিনি আরও জানান যে, ওজু, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবাসহ মুসল্লিদের সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে সভায় জানানো হয় যে, জামাতকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। এজন্য দুই প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য পুরো এলাকা সার্বক্ষণিক তদারকি করবেন। শোলাকিয়ার ঐতিহ্য ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের সকল বিভাগ সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।


পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
‎​পিরোজপুর প্রতিনিধি

‎"অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়—প্রতিটি জীবন মূল্যবান" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকালে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়।

‎​দিবসটি উপলক্ষে সকালে পিরোজপুর সার্কিট হাউস থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাইফ মিজান স্মৃতি সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে স্থানীয় বিভিন্ন অটিস্টিক শিশু ও তাদের অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন। শিশুদের এই প্রাণবন্ত উপস্থিতি পুরো আয়োজনে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

‎​পিরোজপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আলাউদ্দীন ভূঞা জনী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ডেইলি অবজারভার-এর পিরোজপুর প্রতিনিধি জিয়াউল আহসান।

‎​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আলাউদ্দীন ভূঞা জনী বলেন, "অটিস্টিক শিশুরা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা সমাজের বোঝা নয়, বরং সঠিক পরিচর্যা, বিশেষ শিক্ষা এবং সহমর্মিতা পেলে তারাও দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারে। অটিজম কোনো রোগ নয়, এটি একটি বিশেষ অবস্থা যা আমাদের সম্মিলিত সচেতনতার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে অনেক সুপ্ত প্রতিভা রয়েছে; তারা গণিত, ছবি আঁকা কিংবা খেলাধুলায় অসাধারণ পারদর্শিতা দেখাতে পারে।

‎​সভায় বক্তারা অটিস্টিক শিশুদের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত সেবা কেন্দ্র ও থেরাপি সুবিধা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ এই শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

‎​অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন শহর সমাজসেবা অফিসার মো. মাসুম বিল্লাহ এবং গীতা পাঠ করেন অমল চন্দ্র রায়। জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা প্রিয়ংবদা ভট্টাচার্যের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. জাহিদুল ইসলাম এবং পজিটিভ পিরোজপুরের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান।

‎​উক্ত সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎​


রাউজানে মধ্যরাতে ৬ বসতঘর ও ৭ গরু পুড়ে ছাই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি গরুসহ ছয়টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য সর্বস্ব হারিয়েছেন। বুধবার (১৩ মে) রাত দেড়টার দিকে রাউজান সদর ইউনিয়নের নম্বর ওয়ার্ডের মঙ্গলখালী গ্রামের নোয়া মিয়ার বাড়িতে ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- একই বাড়ির আবুল কালাম, সামসুল আলম, ফজলুর রহমান, আব্দুর রহমান, হাবিবুর রহমান আবু তাহের।

স্থানীয় বাসিন্দা ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে গোয়ালঘরে মশা তাড়ানোর জন্য জ্বালানো কয়েলের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরগুলোতে। এতে পাঁচটি বসতঘর একটি ঘরের রান্নাঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। আগুনে আবুল কালামের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা দুটি গরুসহ মোট ৭টি গরু মারা যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত আবুল কালাম জানান, “কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য রাখা গরুগুলোসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘর থেকে গায়ে থাকা একটি লুঙ্গি গেঞ্জি ছাড়া কিছুই বের করতে পারিনি।

রাউজান ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা শামসুল আলম জানান, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই গরু বসতঘরগুলো পুড়ে যায়। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১২ লক্ষ টাকা প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বিষয়ে ঝালকাঠি তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ জনগণের মাঝে তুলে ধরতে ঝালকাঠিতে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন। এসময় জেলা তথ্য কর্মকর্তা লেলিন বালা সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম, খাল খনন ও সংস্কার, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নারীদের জন্য বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষক কার্ড বিতরণ এবং কৃষি ঋণ মওকুফসহ নানা জনবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আককাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মাহামুদুর রহমান পারভেজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার প্রকাশক অলোক সাহা, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু এবং টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আল আমিন তালুকদার।

আলোচনায় ঝালকাঠির খাল সংস্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কৃষক কার্ডের কার্যকারিতা এবং স্থানীয় উন্নয়ন বিষয়ক বিভিন্ন দিক গুরুত্ব পায়। বক্তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও নির্বাচনী ইশতেহারের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


মৌলভীবাজারে সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

“করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ৩১ দফা ও ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে মৌলভীবাজারে এক বিশেষ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) সকালে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে শহরের জাতীয় মহিলা সংস্থার অডিটোরিয়ামে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক জনাব তৌহিদুজ্জামান পাবেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জনাব রুবেল মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে ঘোষিত ইশতেহারটি এখন সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান পথনকশা। ৫টি প্রধান স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইশতেহারের এই সফল বাস্তবায়ন ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করবে।

ব্রিফিংয়ে মৌলভীবাজার জেলায় ইশতেহার বাস্তবায়নের চিত্র বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়, জেলার রাজনগর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় শীঘ্রই 'ফ্যামিলি কার্ড' বিতরণ শুরু হবে, যার মাধ্যমে নারীরা মাসিক ২,৫০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন।

জেলার ২৫ হাজার ৪০ জন নিবন্ধিত কৃষককে 'কৃষক কার্ড'-এর আওতায় আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জুড়ী উপজেলায় এর উদ্বোধন হয়েছে। এছাড়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলায় ২৬ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার গিয়াসনগর ইউনিয়নে ৩.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ 'কাটাগাং' খাল খনন স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে।

মসজিদসমূহের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা চালু করা হয়েছে।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় ৭টি উপজেলার ১,৩৬০ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল সরঞ্জাম ও ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগের কাজ চলমান রয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের কল্যাণে “জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ বোর্ড” গঠনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা তথ্য অফিসার জানান, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় ৫৪টি সিনেমা শো, ২১৮টি মাইকিং এবং ১৭টি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। উক্ত ব্রিফিংয়ে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


কেজি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হলো ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে’ রাজকীয় মেজাজে বেড়ে ওঠা গোলাপি রঙের একটি বিরল প্রজাতির মহিষ দেখতে উৎসুক সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আদলে নামকরণ করা প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের এই ‘এলভিনো’ জাতের মহিষটি ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক সফলতার মুখ দেখেছে। রাজশাহীর হাট থেকে ১০ মাস আগে সংগৃহীত এই মহিষটি ঢাকার এক ক্রেতার কাছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে (লাইভ ওয়েট) বিক্রি করা হয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে নতুন মালিকের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়া উদ্দিন মৃধার ছোট ভাই মহিষটির অবয়ব এবং মাথার চুলের বিশেষ শৈলী লক্ষ্য করে রসিকতার ছলে এর নাম রাখেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা পরবর্তীতে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিরল এই প্রাণীর জীবনযাত্রায় আভিজাত্যের ছাপ স্পষ্ট; এর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ভুট্টা, ঘাস ও ভুসি মিলিয়ে প্রায় ১২ ধরনের পুষ্টিকর উপাদানের সমন্বয় রাখা হয়। মহিষটির শান্ত স্বভাবের প্রশংসা করে মালিক জিয়া উদ্দিন মৃধা জানান যে, “এলবিনো জাতের মহিষগুলো সাধারণত অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে। এই মহিষটিও চলাফেরায় বেশ ভদ্র এবং কেউ একে অযথা উত্ত্যক্ত বা বিরক্ত না করলে এটি কখনোই আক্রমণাত্মক আচরণ করে না।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মহিষটির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও দর্শনার্থীরা এটি দেখতে আসছেন। খামারে আসা এক দর্শনার্থী জানান, ফেসবুকে ছবি ও ভিডিও দেখার পর কৌতূহলবশত তিনি এটি দেখতে এসেছেন এবং তাঁর কাছেও মনে হয়েছে মহিষটির মুখের অবয়ব ও চুলের স্টাইল সত্যিই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে অদ্ভুতভাবে মিলে যায়। সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী গায়ের রঙ ও অমায়িক আচরণের কারণে এই ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ খামারের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।


গোলাপি রঙের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ দেখতে নারায়ণগঞ্জে জনতার ভিড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের শহরের পাইকপাড়া এলাকার রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে গোলাপি রঙের একটি মহিষ এখন সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের এলবিনো জাতের মহিষটির চুলের স্ট্যাইল ও মুখের গঠন অদ্ভুতভাবে ট্রাম্পের সাথে মিল থাকায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।

সরেজমিন দেখা গেছে, রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে নানা জাতের গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়াসহ কোরবানির পশুর পাশাপাশি দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী এই গোলাপি মহিষের। চার বছর বয়সী এলবিনো জাতের মহিষটির মাথার চুল তুলনামূলক বড়। সখ করে তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। মহিষটির চলাফেরাতেও আছে রাজকীয় ভাব। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।

দর্শনার্থী মনি বেগম বলেন, ফেসবুকে মহিষটির ছবি ও ভিডিও দেখে খুব অবাক হয়েছি। মহিষটির হেয়ার স্ট্যাইল দেখতে অনেকটা ট্রাম্পের মত। যদিও ওর স্বভাব চরিত্র ট্রাম্পের সাথে মিল নেই।

খামারের পরিচর্যাকারী কাউসার মিয়া বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ কে প্রতিদিন দুই বেলা সময় মেনে খাবার দেওয়া হয়। খাদ্যতালিকায় আছে ভুট্টা, সয়াবিন, খইল, গমের ভুসি, তিলের খইল, ধানের কুঁড়া, খড় ও সবুজ ঘাস।

রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্ত্বাধিকারী জিয়া উদ্দিন মৃধা বলেন, ‘প্রায় ১০ মাস আগে রাজশাহী সিটি হাট থেকে এলবিনো জাতের এই মহিষটি সংগ্রহ করেছি। মহিষটির মাথার চুলগুলো সামনের দিকে একটু ঝুকে থাকার ফলে আমার ভোট ভাই সখ করে এর নাম দিয়েছে ডোলাল্ড ট্রাম্প। এই নামটা সবার কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে। তাছাড়া মহিষটি গোলাপি বর্ণের হওয়ায় অনেকে দেখতে আসে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওজন প্রায় ৭শ কেজি। লাইভ ওয়েটে ৫৫০ টাকা দরে প্রায় দেড় মাস আগে ঢাকার এক ভাই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কিনে নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স প্রায় ৪ বছর। এটা খুব শান্ত শিষ্ট স্বভাবের। এটাকে স্বাভাবিক খাবার দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুল মান্নান দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘এবার নারায়ণগঞ্জ জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ১ লাখ ৩ হাজার, আর ৬ হাজার ৫৩৫টি খামারে কোরবানি যোগ্য পশু রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার। সে হিসেবে ১০ হাজার পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। একটি খামারে গোলাপি রঙের এলবিনো জাতের মহিষের নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প রাখা হয়েছে বলে শুনেছি।


নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সুমন আহম্মেদ, হালুয়াঘাট প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কৈচাপুর ইউনিয়নের বড় খালের পাড় খালের পুনঃখনন কাজ, হালুয়াঘাট সদর ইউনিয়নের কচুন্দরা খালের পুনঃখনন কাজ, আমতৈল ইউনিয়নের বড়বিলায় বড়বিলা-বাহির শিমুল সড়কের নির্মাণ কাজ উদ্ভোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এ সময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ ৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) এর মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, ময়মনসিংহ ৫ (মুক্তাগাছা) এর মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ এর নবনিযুক্ত প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার।

এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি সরকার গঠনের পূর্বে নির্বাচনী ইসতিহারে দিয়েছিলেন সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজকে হালুয়াঘাটে ৪ টি রাস্তার কাজের ভিত্তি প্রস্তর ও ২টি খাল খননের উদ্ভোধন করলাম, আর এতেই প্রমাণ করে উন্নয়নের সরকার জাতীয়তাবাদী সরকার, তারেক রহমানের সরকার। বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষকরা যেমন সেচ সুবিধা পাবেন, তেমনি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতাও কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আনিসুজ্জামান, হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, হালুয়াঘাট সার্কেল এএসপি মিজানুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয় সুলতানা রোজী, হালুয়াঘাট থানার ওসি ফেরদৌস আলম, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ, সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন তালুকদার, হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবির, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক, ব্যারিস্টার আ.স.ম খালিদ ইকবাল নিটোল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ, স্থানীয় চেয়ারম্যান শফিকুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


চুয়াডাঙ্গায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখাধিক পশু, দাম নিয়ে শঙ্কা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা জেলায় কোরবানির পশুর ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন খামারিরা। জেলার চার উপজজেলায় ছোট-বড় হাজারো খামারে লালন-পালন করা হয়েছে দেশীয় জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ। তবে পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না খামারিদের মধ্যে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর জেলার চারটি উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৪৭টি গবাদিপশু। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ৪০৪টি গরু, ১ লাখ ৫৫ হাজার ২০০টি ছাগল, ২ হাজার ৫২৪টি ভেড়া এবং ১১৬টি মহিষ রয়েছে।

অন্যদিকে, এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার। সে হিসাবে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৭১ হাজার পশু বেশি রয়েছে। ফলে জেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও পশু সরবরাহের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক খামারি কয়েক মাস ধরে বাড়তি খরচ করে দেশীয় পদ্ধতিতে পশু মোটাতাজাকরণ করেছেন। খড়, ভুসি, ঘাস ও প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি চিকিৎসা ও পরিচর্যায়ও ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাজারে ভালো দাম না পেলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা।

জীবননগর উপজেলার খামারি আব্দুল মালেক বলেন, একটা গরু বড় করতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয়। খাবার, ওষুধ সবকিছুর দাম বেড়েছে। আমরা চাই বাজারে যেন ন্যায্য দাম পাই। তা না হলে খামার টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

আলমডাঙ্গার আরেক খামারি সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশীয় খামারিরা অনেক কষ্ট করে পশু পালন করে। কিন্তু বাজারে দালাল ও বাইরের পশুর কারণে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যায় না। সরকার যদি বাজার মনিটরিং করে তাহলে আমরা উপকৃত হবো।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জেলায় কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে। খামারিদের প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা ও সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, এবার খামারিরা ভালো দাম পাবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থানীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় পশুর হাটে কার্যকর তদারকি, অবৈধ পশু প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অনলাইন হাট ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করা গেলে জেলার খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। অন্যথায় উৎপাদন বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা থেকেই যাবে।


কুমিল্লায় বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১।

র‌্যাব জানায়, মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকার ২য় মুরাদপুরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আমজাদ হোসাইন রিপন (৩৬) নামে এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত রিপন কুমিল্লা জেলার দক্ষিণ চর্থা (থিরাপুকুরপাড়) এলাকার মাহে আলমের ছেলে।

র‌্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রিপন দীর্ঘদিন ধরে ২য় মুরাদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

র‌্যাব আরও জানায়, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশনা অনুযায়ী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


ঝিনাইদহে হোটেল কর্মচারী যুবতীকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার সাদাতিয়া সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে খুশি খাতুন (১৯) নামের এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে তার ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত খুশি খাতুন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বাসিন্দা। সে পাগলাকানাই মোড়ের আন্তরিক হোটেল (সাবুর হোটেল)’এ কাজ করতেন।
ভাড়া বাসার মালিক বেবি খাতুন জানান, গত ১ সপ্তাহ আগে তার বাসা ভাড়া নেন খুশি খাতুন। সোহাগ হোসেন নামের রিক্সা চালক তার স্বামী বলে দাবী করেন খুশি। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে হোটেল থেকে কাজ শেষে স্বামীর সাথে বাসায় আসে। সকালে অনেক বেলা হলেও খুশি বের না হলে প্রতিবেশীরা ঘরে গিয়ে দেখতে পান বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো আর পেছনের দরজা খোলা। তারা দরজা খুলে দেখতে পায় খুশির লাশ বিছানায় পড়ে আছে। পরে পুলিশে খবর দিয়ে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে যায় বলে ধারনা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদউজ্জামান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদেন্তর জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে।


banner close