শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ হস্তান্তর

প্রতীকী ছবি
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২৪ ১১:১৮

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার খয়খাটপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হওয়া বাংলাদেশি দুই যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন ও ভারতের ফুলবাড়ি সীমান্তে ওই দুই যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের কর্মকর্তাসহ নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তেতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত

তিনি বলেন, ‘বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে নিহত দুই যুবকের মরদেহ গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতে মরদেহ ময়নাতদন্ত হওয়ায় আমরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুই পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছি।’

গত ৮ মে ভোরে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার খয়খাটপাড়া সীমান্তে বিএসএফের ১৭৬ ব্যাটালিয়নের ফকিরপাড়া ক্যাম্পের সদস্যদের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক জলিল (২৪) ও আলীর (২৩) মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একই দিন বিকেলে বিএসএফের সঙ্গে বিজিবি সদস্যরা পতাকা বৈঠক করেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

গোয়ালন্দে জরাজীর্ণ ঘরে বিধবা ফুলজানের মানবেতর জীবনযাপন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গোয়ালন্দে (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ফুলজান বিবি (৮৫)। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতে ওই জরাজীর্ণ ঘরে দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েন তিনি। এ বিড়ম্বনা থেকে রক্ষা পেতে সরকারের কাছে একটি ঘর চেয়েছেন তিনি।

ফুলজান গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রিয়াজ উদ্দিন পাড়া এলাকার মৃত গিরানি শেখের স্ত্রী। প্রায় দুই যুগ আগে তাঁর স্বামী মারা গেছেন। তাঁর এক ছেলে

বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নুর ইসলাম (৩২) শ্রমিকের কাজ করেন। ঘরটিতে মা, ছেলে, মেয়ে ও নাততি নিয়ে তারা বসবাস করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ছোট্ট একটি টিনের ঝুপড়ি ঘরের ভাঙা চকিতে অসহায়ভাবে শুয়ে আছেন বৃদ্ধা ফুলজান বিবি। ঘরে বেড়া নেই বললেই চলে। ঘরটিতে ভাঙাচোড়া টিন দিয়ে কোনমতে আটকানো আছে। রোদ-বৃষ্টি খুব সহজেই ঘরে প্রবেশ করে। ব্রেইন স্ট্রোক ও বয়সের ভারে ন্যুব্জ ফুলজান বিবি কিছুই বুঝতে পারেনা। তার মেয়ে ও নাততি প্রতিদিনের মতো সকালেই ভিক্ষা করতে বেরিয়ে যায়। ফুলজান দু-একটি কথা বলেন, তা–ও অস্পষ্ট।

ফুলজানের ছেলে নুর ইসলাম বলেন, তিনি অসুস্থ, গরিব মানুষ। কোনরকম বিভিন্ন চায়ের দোকান ও অন্যান্য স্থানে শ্রমিকের কাজ করে বোন, ভাগ্নি ও মাকে নিয়ে জরাজীর্ণ ঘরে একটি চৌকিতে থাকেন। তিনি বিবাহ করেননি। সামান্য আয়ে সংসার চালানো কষ্ট হয়। এর মধ্যে মা ফুলজান বিবির ও বোন ভাগ্নির ভরণপোষণ তিনিই চালান। তাঁর থাকার ঘরটিও জরাজীর্ণ। ভাত জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে ঘর করে দেবেন কে ?

নুর ইসলাম আরও বলেন, তাঁর মা বয়স্ক ভাতা পাননা। তাঁদের আড়াই শতাংশ জমি আছে। সরকার থেকে ওই জমিতে একটি ঘর করে দিলে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে একটু শান্তিতে থাকতে পারতেন। তাই মায়ের জন্য একটি ঘর চেয়েছেন নুর ইসলাম।

স্থানীয় বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, দরিদ্র বৃদ্ধ ফুলজান বিবি খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাঁর অসুস্থ ছেলে তাঁকে খুব কষ্টে ভরণপোষণ দেন। সরকারিভাবে একটি ঘর দিলে তাঁদের খুব উপকার হতো।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, আমি শুনেছি তারা জরাজীর্ণ একটি ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছে এবং শুনেছি তারা ভিক্ষা করেন। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি তাদের ভিক্ষুক পুনর্বাসন করে দিতে পারি নাকি। তবে খুব শিগগিরই তিনি ফুলজান বিবি ও তার জরাজীর্ণ ঘরটি দেখতে যাবেন।


নির্বাচিত

মাগুরায় দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা প্রতিযোগিতা শুরু 

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা প্রতিনিধি ভারতের সাতজন ও মাগুরা সহ ১০ টি জেলার ৩৭ জন খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে মাগুরা প্রেসক্লাবে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা প্রতিযোগিতা ২০২৬ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) মাগুরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান।

বক্তব্য রাখেন মাগুরা জেলা দাবা খেলোয়াড় সংস্থার সভাপতি সৈয়দ নাজমুস সাদাত নদু, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রুবায়েত হোসেন খান।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় মাগুরা প্রেসক্লাব ও আকাই স্মৃতি সংসদের সহযোগিতায় এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে দাবা খেলোয়াড় সৃষ্টি করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রেটিং পদ্ধতির খেলায় যোগ্য করে তোলাই মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা মনে করছেন।


নির্বাচিত

গুরুদাসপুরে চুরি-ডাকাতি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৬
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের গুরুদাসপুরে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই। গত আড়াই মাসে একের পর এক দুর্ধর্ষ অপরাধের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমনকি থানা কমপ্লেক্স ও সরকারি কোয়ার্টারের আশপাশেও ঘটছে এসব ঘটনা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, থানায় অভিযোগ জানিয়েও মিলছে না প্রতিকার। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১২টায় উপজেলার আনন্দনগর এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া ৬টি গরু উদ্ধার এবং পুলিশের কার্যকর ভূমিকার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আজিজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “গত আড়াই মাস আগে তার বাড়ি থেকে শেষ সম্বল ৬টি গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। থানায় গেলে ওসি তাকে অপমান-অপদস্ত করে বের করে দেন।”

এসময় অন্য বক্তারা বলেন, গত আড়াই মাসে গুরুদাসপুরে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এসব অপরাধ দমনে পুলিশের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে বর্তমান ওসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একজন দক্ষ ওসি নিয়োগেরও দাবিও জানান তারা।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর ওসি মো. মনজুরুল আলম বলেন, পুলিশ এগুলো নিয়ে কাজ করছে। বর্তমানে চুরি ছিনতাই নেই।


নির্বাচিত

বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বন্যাবিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের সক্ষমতা তুলে ধরে বলেন, “দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।”

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে চলমান সরকারি জরিপ কার্যক্রমের গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখ্যান হাতে পাওয়ার পরপরই গ্রামীণ অবকাঠামো ও কৃষি খাতের পুনর্গঠনে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।” পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনসম্পৃক্ততা বজায় রাখার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে।”

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চকরিয়ার ছড়াকুল এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন বেড়িবাঁধ, সড়ক ও জনবসতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি দুর্গত মানুষের সরাসরি সংস্পর্শে গিয়ে তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। মাঠ পর্যায়ে দ্রুত মেরামত ও কার্যকর ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নান এবং চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নওগাঁ শহরে নেই গণশৌচাগার স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রথম শ্রেণির পৌরসভা নওগাঁ। তবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পাবলিক টয়লেট নেই একটিও। টয়লেটের তীব্র সংকটে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নানা কাজে ঘরের বাইরে যাওয়া নারীদের। আর বাকিরা চক্ষুলজ্জা এড়িয়ে খোলা আকাশের নিচে সাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই অপর্যাপ্ত পানি পানের কৌশল নিয়েছেন। ফলে আছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

জানা যায়, ১৯৬৩ সালে নওগাঁ পৌরসভার যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮০-তে দ্বিতীয় এবং ১৯৮৯ প্রথম শ্রেণীতে উন্নিত হয়। আয়তন প্রায় ৩৮ দশমিক ৩৬ বর্গকিলোমিটার। পৌরসভার মোট ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের বসবাস। আবার প্রতিদিন জেলার ১১টি উপজেলা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে এই শহরের নানান কাজে আসেন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষ। কিন্তু এসব মানুষের জন্য নেই একটিও পাবলিক টয়লেট।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রথম শ্রেণীতে উন্নিত হওয়ার ৩৬ বছর পার হয়ে গেলেও সেবার মানে তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। বিশেষ করে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কোন পাবলিক টয়লেট না থাকায় ভোগান্তির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন নারীরা। টয়লেট না থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকে সড়কের পাশে মল-মূত্র ত্যাগ করছেন। এতে পরিবেশ নষ্টের পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন নারীরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নওগাঁর ব্যস্ততম পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, বাটার মোড়, তাজের মোড়, গোস্তহাটির মোড়, মুক্তির মোড়, কাজির মোড়, দয়ালের মোড়, কেড়ির মোড়, ডিগ্রি কলেজ মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নেই কোন পাবলিব টয়লেট। পুরুষের প্রস্রাবের বেগ হলে যেখানে ড্রেন কিংবা পরিত্যক্ত জায়গা পায় তাতেই প্রাকৃতিক কাজ শেষ করে নিস্তার পায়। কিন্তু নারীদের পড়তে হয় চরম অসুবিধায়। অনেকে আবার কোন মসজিদেও নির্ধারিত টয়লেটে প্রাকৃতিক কাজ সাড়েন। তাতেও বিপত্তি! নামাজের ওয়াক্তে শুধু তালা খোলা হয় এ টয়লেটগুলোর।

সদর উপজেলার কাটখৈর থেকে শহরে আসা গৃহিণী সুলতানা ইয়াসমিন বলেন,‘ গ্রাম থেকে শহরে আসার আগেই প্রসাব-পায়খানার বিষয়টি মাথায় রাখতে হয়। শহরে গেলে এই বিষয়টা নিয়ে দু:শ্চিন্তায় থাকতে হয়। পুরুষরা যেখানে-সেখানে প্রসাব-পায়খানা করতে পারে। কিন্তু আমাদের নারীদের বিপাকে পড়তে হয়। দীর্ঘক্ষণ প্রসাব-পায়খানা চেপে রাখতে হয়।’

মহাদেবপুর উপজেলা থেকে আসা আরেক নারী উম্মে কুলসুম বলেন, ‘আমরা যখন বাইরে যাই আমরা চেষ্টা করি যতটা কম পানি ও খাবার গ্রহণ করা যায়। কারণ কাজের ফাঁকে প্রসাব-পায়খানা চাপ দিলে সমস্যায় পড়তে হয়। ‘অনেক সময় চেপে থাকতে হয় আবার অনেক সময় কাজ ফেলে রেখে বাড়িতে চলে যেতে হয়।’

পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলা থেকে আসা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ব্যাক্তিগত কাজ শেষ করার পর টয়লেটের সমস্যায় পড়লে কোন উপায় না পেয়ে মসজিদে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখি তালা দেওয়া। তাই বাধ্য হয়ে চেপে থাকতে হচ্ছে।’

পরিবেশকর্মী নাইস পারভীন বলেন, ‘নওগাঁ শহরে মতো জায়গায় কোন গণশৌচাগার নেই, এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। শৌচাগারের সংকট সঙ্গে এমন অব্যবস্থা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তো বাড়াচ্ছেই, পাশাপাশি নারীদের দৈনন্দিন চলাফেরায় সৃষ্টি করছে দু:সহ পরিস্থিতি। আমরা চাই এই অবস্থার দ্রুত সমাধান হোক।’

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, ‘আমাদের কিছু উন্নত ও নারীবান্ধব পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি দ্রুত আমরা এ কাজ শুরু করবো।’

নওগাঁ পৌরসভার প্রশাসক টি.এম.এ. মমিন বলেন, ‘পাবলিক টয়লেট আসলেই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুতই গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’


নির্বাচিত

দুপুরের মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের আটটি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী— খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক হতে ঘণ্টায় ৪৫ হতে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি এই এলাকাগুলোতে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন যে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে বেশ প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা হতে মাঝারি ধরণের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী হতে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টির প্রভাবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।


নির্বাচিত

বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ৭টি জেলায় নিহত বেড়ে ৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, দেশের বন্যাকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলা হলো—কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলায় এখন পর্যন্ত পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার। সর্বমোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জনে। দুর্গত এলাকার মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যা ও পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত মোট যে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে। সেখানে পাহাড় ধস ও পাহাড়ি ঢলে মোট ৩২ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে ৭ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বন্যা ও পাহাড় ধসের বিভিন্ন ঘটনায় জেলাগুলোতে আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন। আহতদের মধ্যে খাগড়াছড়িতে ১ জন, বান্দরবানে ২ জন, কক্সবাজারে ২৫ জন (স্থানীয় ২০ ও রোহিঙ্গা ৫ জন) এবং চট্টগ্রামে ১২ জন রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আক্রান্ত জেলাগুলোর স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের পানিবন্দি মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।


নির্বাচিত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি দুই সহোদরের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি দুই সহোদর ভাই। গত বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টার দিকে প্রাইভেটকারযোগে রিয়াদ থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহত ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১) লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের খলিফার বাড়ির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের বড় ছেলে ও মেজো ছেলে।

এ ঘটনায় তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গণিপুরে শোকের মাতম চলছে। দুই ভাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি তাদের বাবা আব্দুল মালেক নিশ্চিত করেছেন।

সজীব ও সুজনের সহকর্মীদের বরাত দিয়ে তাদের বাবা জানান, সজীব ও সুজন জেদ্দায় ব্যবসা করতো। তারা দুইজনই রিয়াদ শহরে ব্যবসায়িক মালামাল কিনতে যায়। ওই মালামল নিয়ে ফেরার পথে তাদের বহনকারী গাড়িটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তাদের গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় গুরুতর আহত হয়ে সজীব ও সুজন মারা যায়।

নিহতদের বাবা আব্দুল মালেক বলেন, আমার দুই ছেলে একসঙ্গে মারা গেছে। সবাই তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করবেন।

তাদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান তিনি।

এদিকে, দুই ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

নিহত দুই ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ঘটনাটি আমাদের জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।


নির্বাচিত

দেশে যুক্ত হলো আরও এক নতুন উপজেলা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ময়মনসিংহের গফরগাঁওকে বিভক্ত করে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ নামে নতুন এক উপজেলা গঠনের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভায় গফরগাঁও উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে এই নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নতুন গঠিত এই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো হলো মশাখালী, পাঁচবাগ, উস্থি, লঙ্গাইর, পাইথল, দত্তের বাজার, নিগুয়ারী এবং টাঙ্গাব।

নবগঠিত ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে উস্থি ইউনিয়নের ১৪৩ নং জে.এল. ভুক্ত নয়াবাড়ী মৌজায়। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করেছেন উপসিচব হেলেনা পারভীন।


নির্বাচিত

ডিএনসিসির ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে‌। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বাজেট ঘোষণা করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নগরবাসীর উন্নয়ন, রাজস্ব আদায় ও বাস্তবায়নসহ বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে এ বছর একটি যুগোপযোগী বাস্তবমুখী ও উন্নয়নমূলক বাজেট গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রশাসক জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের সহযোগিতায় বাজেট স্বল্পতা কাটিয়ে উঠেছি। আমরা স্বল্প সংখ্যক বাজেট নিয়েও নগরবাসীর উন্নয়নে বিভিন্ন রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, জলবদ্ধতা দূরীকরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারসহ ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ, সফলভাবে হামের টিকা প্রদান, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণসহ আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতা অর্জন, সম্প্রতি অতি বৃষ্টির ফলে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত সরজমিনে পরিদর্শনসহ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালগুলোর দখল মুক্ত করে খাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করা, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা ও খেলাধুলা সামগ্রী প্রদানসহ নগরবাসীর সেবামূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাজেটকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, এবারের বাজেটে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণসহ মশাবাহিত বিভিন্ন বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ করা, নগরের জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, বিভিন্ন এলাকার ভেঙে পড়ার রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, ম্যানহোল ব্যবস্থা আধুনিককরণ, বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ, আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের সম্প্রসারণ ও আধুনিকরণ, বর্জ্য হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, রোড লাইট ও রোড সেফটির জন্য আধুনিক লাইটিং ব্যবস্থা, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট ও বাজার ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, হকারদের জন্য একটি বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ, বস্তিবাসী উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, ভবিষ্যতে কোরবানির হাট ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সংস্কার করে যাত্রী কল্যাণমুখী করা, বিভিন্ন খাল দখলমুক্ত পরে সংস্কারের মাধ্যমে খালের প্রবাহ ধরে রাখা, উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করণসহ নগরবাসীর সেবায় একটি উন্নত পরিকল্পিত ও আধুনিক বসবাসযোগ্য নগরী গড়ার পরিকল্পনায় একটি বাস্তবমুখী বাজেট ঘোষণা করছি।

প্রশাসক বলেন, ঢাকা নগরীর সব কার্যক্রম ও সংস্থা সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত নয়। রাজউক, ওয়াসা ও পিডব্লিউডি জড়িত আছে। আমরা সিটি করপোরেশন চেষ্টা করছি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে পানি মুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নাগরিক জীবন গড়ে তুলতে। তবে এক্ষেত্রে আপনাদের এবং নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। আপনারা এবং নগরবাসী যদি একটু সচেতন হন, তাহলেই আমরা জলবদ্ধতার হাত থেকে সহজেই রক্ষা পাবো, ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়ে তুলতে পারব।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নগরীর প্রতিটি মন্দিরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে: কেসিসি প্রশাসক 

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

আমরা রাজনৈতিকভাবে কোনো ধর্মের মানুষকে ব্যবহার করতে চাই না। উন্নয়ন ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাস ও আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এমন মন্তব্য করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত।’ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের পরিবর্তে সব সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘নগরীর প্রতিটি মন্দিরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সন্তানদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে আর্যধর্মসভা মন্দির থেকে এই রথযাত্রা শুরু হয়। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই রথযাত্রার উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার খুলনার পবন কুমারসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ সময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ‘ধর্মীয় সম্প্রীত বজায় রেখে আমরা সকলে মিলে একসাথে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব।’

উল্লেখ্য, আষাঢ় মাসের শুক্ল দ্বিতীয়া এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। কারণ, এই দিন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা তাদের মাসি অর্থাৎ রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের পত্নী গুন্ডিচার বাড়িতে যান। আর সাত দিন পর আবার মন্দিরে ফিরে আসেন। মাসি বাড়ি যাওয়াকে রথযাত্রা ও মাসি বাড়ি থেকে ফেরাকে উল্টোরথ যাত্রা বলে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, রথযাত্রার মধ্য দিয়ে জগন্নাথ ধরাধামে ভক্তকূলের মাঝে নেমে আসেন এবং জগৎ এর মঙ্গল করেন।


নির্বাচিত

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গজারিয়ার আলোচিত ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন

মূল পরিকল্পনাকারীসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, দুই ট্রাক জব্দ
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘দ্য জিয়া অ্যান্ড ব্রাদার্স’-এর স্টোর ও স্টেক ইয়ার্ডে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেঁধে সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে ডাকাতির ঘটনায় আরও ১০ ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত দুই দিনে মোট ১৪ জন ডাকাত আটক হলো। এছাড়া ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত আরও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

​গজারিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ ৪ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে গজারিয়া থানা পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতভর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১০ ডাকাতকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। এ নিয়ে দুই দিনে মোট ১৪ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার এবং দুটি ট্রাক জব্দ করা হলো।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: ​নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত হাফেজের ছেলে শাহ আলম (২৩)। শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ফেরাঙ্গিকান্দি গ্রামের মতি শিকদারের ছেলে রনি শিকদার (৩৪)। বাগেরহাট জেলার চিতলমারি উপজেলার শিবপুর মধ্যপাড়া গ্রামের জামাল শিকদারের ছেলে মেহেদী হাসান (৩৮)। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার সংবহন পালের বাজার এলাকার মৃত নিমাই দাসের ছেলে মনোরঞ্জন দাস (২৭)। খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া গ্রামের আসাদুল সানার ছেলে আল আমিন সানা (১৯)। ​খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার কুড়ুলিয়া গ্রামের প্রশান্ত মন্ডলের ছেলে অলোকেশ মন্ডল (৩৫)। খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার নারায়ণপুর মধ্যপাড়া, গাজী বাড়ি গ্রামের রফি উদ্দিন গাজীর ছেলে সারাফত উদ্দিন সুমন (২৪)। খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার কুড়ুলিয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে অলিউর রহমান (২৪)। শরীয়তপুর জেলার সখিপুর উপজেলার চরচান্দা, ঢালীকান্দি গ্রামের এবাদুল মোল্লার ছেলে জামাল (৪০)। ঢাকা জেলার বাড্ডা থানার বড় বেরাইদ ডগরদিয়া গ্রামের নাঈম মিয়ার ছেলে মৃদুল আহম্মেদ তুষার (২৬)। ​তাদের গ্রামের বাড়ি বিভিন্ন জেলায় হলেও তারা বর্তমানে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার বেগুনবাড়ি এলাকার বিভিন্ন বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুলাই রাতে উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের মুসলিমনগর এলাকায় ঊষা এগ্রো লিমিটেডের ভাড়া নেওয়া জায়গায় দ্যা জিয়া অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের প্রতিষ্ঠানে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাত দল প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৮ জনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও হাত-পা বেঁধে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারী কনস্ট্রাকশন যন্ত্রপাতি ও মূল্যবান মালামাল ট্রাকে করে লুটে নেয়। লুট করা মালামালের মধ্যে রয়েছে, বিভিন্ন সাইজের ইলেকট্রিক ক্যাবল, রড কাটার মেশিন, পাইলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, লোহার পুলি, চায়না ইঞ্জিন, ৩০ হর্স পাওয়ারের মোটর, ওয়েল্ডিং মেশিন, ফুয়েল পাম্প, লিফটিং হেড, গালগাট্টা পুলি ও ট্রেমি হেডসহ বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ। ​ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। গজারিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাব্বির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করে। সিসিটিভি ফুটেজ, স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে চারজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় আরো ১০ জনকে। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে চেষ্টা করছে পুলিশ।

​এ বিষয়ে গজারিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাব্বির হোসেন বলেন, ‘জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে কল পাওয়ার পরপরই আমরা মাঠে নামি। পুলিশ সুপার মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঢাকা থেকে দুই দিনে ১৪জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার ও চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তাsরে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’


নির্বাচিত

লিভার ও হৃদরোগে আক্রান্ত কালামের বাঁচার আকুতি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁ সদর উপজেলার খাস নওগাঁ মহল্লার বাসিন্দা কালাম হোসেন (৪১), পিতা মৃত মির বক্স। প্রায় এক বছর ধরে লিভার ও হৃদরোগে ভুগছেন তিনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার উন্নত চিকিৎসা জরুরি। তবে অর্থাভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে পারছেন না। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, বেকারত্ব ও আর্থিক সংকটে এখন মানবিক সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।

একসময় মাইক্রোবাস চালিয়ে সংসার চালাতেন কালাম হোসেন। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকে আর গাড়ি চালানোর মতো শারীরিক সক্ষমতা নেই। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন। শুধু ওষুধ কিনতেই প্রতি মাসে প্রায় ৬ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আশায় দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা হারান কালাম। পরে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের শেষ সম্বল প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতক জমি আপন ভাইয়ের কাছে বিক্রি করে দেন। বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে একটি টিনশেড ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালামের ঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও নেই বললেই চলে। আগামী দিনের খাবারের নিশ্চয়তাও নেই। তবুও সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। বর্তমানে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও কিছু মানবিক মানুষের সহায়তায় কোনোমতে চিকিৎসা ও সংসার চলছে।

কালাম হোসেন বলেন, আমি বাঁচতে চাই। সুস্থ হয়ে আবার কাজ করতে চাই। কিন্তু চিকিৎসার খরচ বহন করার সামর্থ্য নেই। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ যদি আমার পাশে দাঁড়ান, তাহলে হয়তো আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, লিখিত দরখাস্ত পেলে সমাজসেবাসহ তিনটি দপ্তরের পর্যালোচনায় তার রোগ অনুযায়ী সরকারি অনুদান দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে তার হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হবে।

মানবিক সহায়তা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা কালাম হোসেনের বিকাশ/নগদ নম্বর: ০১৭১৭-১৩৮৮০৮-এ যোগাযোগ বা আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন।

চিকিৎসার অর্থসংকটে প্রতিটি দিনই কালামের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত হলে হয়তো তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন।


নির্বাচিত

banner close