শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ হস্তান্তর

প্রতীকী ছবি
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২৪ ১১:১৮

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার খয়খাটপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হওয়া বাংলাদেশি দুই যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন ও ভারতের ফুলবাড়ি সীমান্তে ওই দুই যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের কর্মকর্তাসহ নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তেতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত

তিনি বলেন, ‘বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে নিহত দুই যুবকের মরদেহ গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতে মরদেহ ময়নাতদন্ত হওয়ায় আমরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুই পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছি।’

গত ৮ মে ভোরে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার খয়খাটপাড়া সীমান্তে বিএসএফের ১৭৬ ব্যাটালিয়নের ফকিরপাড়া ক্যাম্পের সদস্যদের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক জলিল (২৪) ও আলীর (২৩) মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একই দিন বিকেলে বিএসএফের সঙ্গে বিজিবি সদস্যরা পতাকা বৈঠক করেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

পাহাড়ের গভীরে লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধ নিহত

সংরক্ষিত বনে লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে নিহত জয়নাল আবদিনের মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শেরপুর প্রতিনিধি

জামালপুরের বকশীগঞ্জের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের গভীর বনাঞ্চলে লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে জয়নাল আবদীন (৬৬) নামে এক বৃদ্ধ বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মারা গেছে। লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলার ডুমুরতলা বিটের সংরক্ষিত বনভূমির বাগিচা টিলা এলাকা থেকে ওই বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জয়নাল বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর মৃধাপাড়া গ্রামের মৃত আনিজ মিয়ার ছেলে।

বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুমুরতলা বিট শেরপুর বনবিভাগের শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জের আওতাভূক্ত। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ডুমুরতলা বিট এলাকার সংরক্ষিত বনভূমি ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেঁষা সীমান্তের ১০৮৮ ও ১০৮৯ পিলার সংলগ্ন ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর ১০.০ হেক্টর বাগান এলাকায় লাকড়ি সংগ্রহ করতে যান বৃদ্ধ জয়নাল আবদিন। তবে রাত পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরেননি।

পরদিন ২৭ জুন শনিবার তার আত্মীয়-স্বজনরা স্থানীয় এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) এর সহায়তায় পাহাড়ে খোঁজাখুঁজি করার এক পর্যায়ে বাগিচা টিলা নামক স্থানে তার মৃতদেহ খুঁজে পাযন। ওইসময় তার এক হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ থেতলানো ছিলো। উদ্ধারকারী বন বিভাগ কর্মীদের ধারণা, হাতির আক্রমণে তিনি মারা গেছেন।

এ বিষয়ে শেরপুর বনবিভাগের বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়া বলেন, ইআরটি এবং আমাদের বন বিভাগের স্টাফদের সহায়তায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সরকারি রীতি অনুযায়ী নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


নির্বাচিত

শরীয়তপুরে পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন, ভাঙনের শঙ্কায় লক্ষাধিক মানুষের বসতভিটা

ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। ছবি নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা এলাকা থেকে তোলা হয়েছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ও নওপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীতে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। প্রাভাবশালী একটি মহল দিনের পর দিন শত শত ড্রেজার বসিয়ে নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রি করছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।

এতে নতুন করে নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়েছে নদী তীরবর্তী কয়েক হাজার মানুষের বসতভিটা ও নদী রক্ষা বাঁধ। তবে উপজেলা প্রশাসনের দাবি- নিয়ম-নীতি অনুসরণ করেই বালু উত্তোলনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের যোগশাজসে জেলার উত্তরাংশে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ও নওপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করছেন একটি প্রভাবশালী মহল। প্রায় অর্ধশতস্থানে নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে শত শত ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করার ফলে নদী ভাঙ্গনের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন পদ্মা পাড়ের হাজার হাজার অসহায় মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল চকিদার ও বাঁশতলা এলাকার সাইদুর রহমান বলেন, নদীতে স্পিডবোট যোগে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনীর পাহারায় এ অবৈধ বালু উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা না হলে আবারও ভয়াবহ নদী ভাঙন শুরু হবে।

নওপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাশেম সিদ্দিক বলেন, একটি প্রভাবশালী মহল দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পদ্মার তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। তাতে করে আমরা আবার পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়বো।

সুরেশ্বরের আয়না বিবি বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন করার ফলে আমরা নদী ভাঙনের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছি। বালু উত্তোলনকারীদের দাবি, সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে বৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন তারা।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম। এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হলে তা ক্ষতিও হতে পারে আবার ভালোও হতে পারে। বিষয়টি স্টাডি করে দেখতে হবে। তবে অবৈধভাবে কেউ বালু উত্তোলন করলে তা বন্ধ করার দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের।

এদিকে সম্প্রতি জেলার দক্ষিণাংশে গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুরে নদীতে বালুভর্তি বস্তা ফেলে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কর্মসূচি উব্দোধন করছেন জাতীয় সংসদের হুইপ, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুদ্দিন আহমেদ অপু।

কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নদী শাসনের জন্য আমাদের আলাদা সংস্থা আছে। নদী শাসন করার দায়িত্বে আমাদের পানি উন্নয়ন বোর্ড রয়েছে, আমাদের বিআইডব্লিউটি আছে, তারা করবে। এর বাহিরে অন্যভাবে বালু উত্তোলন করার সুযোগ নাই। বালু উত্তোলন বন্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীর।


নির্বাচিত

শ্বাসনালীতে দুধ আটকে শিশুর করুন মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শ্বাসনালীতে দুধ আটকে মেঘলা ঘোষ নামে তিন মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৭ জুন) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মেঘলা ঘোষ জীবননগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাইমারি স্কুলপাড়ার বাসিন্দা মাধু ঘোষ ও সরস্বতী ঘোষ দম্পতির ছোট মেয়ে।

শিশুটির মা সরস্বতী ঘোষ জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত প্রায় ৪টার দিকে তিনি মেঘলাকে দুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেন। পরে ভোরের দিকে শিশুটির বাবা ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে কোলে নিলে তার শরীর অস্বাভাবিক মনে হয়। তখন দেখা যায় শিশুটির মুখ কালচে হয়ে গেছে এবং হাত-পা নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। পরে দ্রুত তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভোরে তিন মাস বয়সী এক শিশু কন্যাকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ধারণা করা হয়, হাসপাতালে আনার প্রায় ১ থেকে ২ ঘণ্টা আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসনালীতে দুধ আটকে যাওয়ায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, শিশু কন্যার মৃত্যুর বিষয়টি আমরা জেনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।


নির্বাচিত

পাশাপাশি চার কবরে শায়িত হলো মা ও তিন মেয়ে

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার মা ও তিন মেয়ের মরদেহ শুক্রবার রাতে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিজ গ্রামে দাফন করা হয়েছে। রাত ১০টা ৫ মিনিটে হোমনা পৌরসভার লটিয়া ঈদগাহ মাঠে তাদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবরে মা ও তিন মেয়েকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মুফতি সামসুল হক আরিফী।

হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য দেখতে জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে হাজারো মানুষ ভিড় করেন।

জানাযায় উপস্থিত ছিলেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি কাজী মো. ইব্রাহিমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো পরিবার হারিয়ে এখন সম্পূর্ণ একা হয়ে গেছে মো. সিফাত এখন বাকরুদ্ধ। ঘটনার সময় বাসার বাইরে থাকায় সে প্রাণে বেঁচে যায়।

এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া সিফাত একাই মা ও তিন বোনের মরদেন নিয়ে হোমনায় পৌঁছেন। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজন ও এলাকাবাসী জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেন। প্রিয়জনদের হারানোর শোকে সিফাত এখন বাকরুদ্ধ। তার আপন বলতে আর কেউ রইল না।

জানাযার নামাজে উপস্থিত হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর। এছাড়াও সিফাতের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করতে তারা সহযোগিতা করবেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোড এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের ভাড়া বাসায় ঢুকে অন্তর মজুমদার নামে এক যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাহীনূর আক্তার (৩৮) ও তাঁর তিন মেয়ের ওপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই শাহীনূর আক্তার, বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১) এবং ছোট মেয়ে সিফা আক্তার (১০) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান মেঝো মেয়ে ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকরা আক্তার। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে হামলাকারী অন্তর মজুমদারও নিহত হয়।


নির্বাচিত

দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সিমান্ত এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলিসহ সৈকত (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজত বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার সৈকত উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি পাকুড়িয়া গ্রামের গোলাম মস্তফার ছেলে।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাগজত বাজার এলাকা থেকে সৈকতকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।


নির্বাচিত

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স দীর্ঘ ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. নাজমুস সাকিবের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই সিন্দুকগুলো উন্মুক্ত করা হয়। এবারের সংগ্রহে মিলেছে বিস্ময়কর ৪৩ বস্তা টাকা। এরপর সিন্দুক থেকে বের করা অর্থগুলো মসজিদের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় গণনার বিশাল কর্মযজ্ঞ। তবে কেবল দেশি মুদ্রাই নয়, দানবাক্সে সোনা ও রুপার গয়না, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা এবং মনোবাসনা পূর্ণ হওয়ার আকুতি জানিয়ে ভক্তদের লেখা অসংখ্য চিরকুটও পাওয়া গেছে।

সাধারণত প্রতি তিন মাস অন্তর এই দানবাক্সগুলো খোলা হলেও জাতীয় নির্বাচন ও বন্যার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে এবার ছয় মাস পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্সগুলো থেকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল, যার আর্থিক মূল্য ছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এবারের বস্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সংগ্রহের পরিমাণ আগের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। টাকা গণনার এই বিশাল কাজে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স মাদ্রাসা ও আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ চার শতাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। পুরো প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মানত হিসেবে ভক্তরা নগদ অর্থ ছাড়াও নিয়মিত গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, কবুতর ও শাকসবজি দান করে থাকেন, যা প্রতিদিন বিকেলে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে লব্ধ অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, আজকের দানবাক্সের অর্থ গণনার আগেই মসজিদের ব্যাংক হিসাবে ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৫২ টাকা জমা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই বিপুল দানের অর্থ দিয়ে পাগলা মসজিদে একটি ১০ তলা বিশিষ্ট আধুনিক মাল্টিপারপাস মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্স নির্মাণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া দান হিসেবে পাওয়া স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রাগুলো বর্তমানে সরকারি ট্রেজারিতে সংরক্ষিত রয়েছে, যা পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী বিক্রি করা হবে।


নির্বাচিত

ডুরার নতুন সভাপতি শাহজাহান, সম্পাদক জহিরুল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সেবা খাতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডুরা) সভাপতি পদে দৈনিক আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার শাহজাহান মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার একটি হোটেলে বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের ভোটগ্রহণ শেষে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। পরে তিনি নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে নয়া দিগন্তের সিনিয়র রিপোর্টার জিলানী মিলটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার একলাছ হক, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা ট্রিবিউনের স্টাফ রিপোর্টার আতিক হাসান শুভ, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার জাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ঢাকা স্ট্রিমের স্টাফ রিপোর্টার তৌফিক হাসান, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে বাংলানিউজ২৪ডটকমের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট মিরাজ মাহবুব ইফতি, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে এনটিভির স্টাফ করেসপন্ডেন্ট নাজিবুর রহমান।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন, ভোরের কাগজ সিনিয়র রিপোর্টার মো. রুহুল আমীন, বিজনেস মিররের বিশেষ প্রতিনিধি বারেক কায়সার, ইনডিপেনডেন্ট টিভির বিশেষ প্রতিনিধি হাসিফ মাহমুদ শাহ্, জাগো নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার মুসা আহমেদ, ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার নিলয় মামুন ও ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার আবির হাকিম। নতুন এই কমিটি ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।


নির্বাচিত

জামালপুরে প্রাইভেটকার থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, চালকসহ গ্রেপ্তার ৪

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামালপুরে একটি প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে বিশেষভাবে তৈরি করা গোপন চেম্বার থেকে ১৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। অভিনব কায়দায় মাদক পরিবহনের এই ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে মাদক বহনে ব্যবহৃত সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশের এক বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ে এই চাঞ্চল্যকর অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়কের উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় একটি নিয়মিত পুলিশ চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়েছিল।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বড়টোডা বিশনাউড়ি এলাকার আক্তার হোসেন, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুরুয়া ভাটিপাড়া এলাকার মিন মোক্তার ওরফে মনির হোসেন, বিল্লাল হোসেন এবং প্রাইভেটকারচালক সাগর।

পুলিশ জানায়, শেরপুর থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জামালপুরে আনা হচ্ছে—এমন একটি গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। এ সময় নির্দিষ্ট কারটিকে থামানোর সংকেত দেওয়া হলে এর ভেতরে থাকা আরোহীরা গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত তৎপরতার সাথে ধাওয়া করে তাঁদের চারজনকেই ধরে ফেলেন।

পরবর্তীতে স্থানীয় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে সন্দেহভাজন গাড়িটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করা হয়। একপর্যায়ে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে লোহা ও স্টিল দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি একটি গোপন চেম্বারের সন্ধান মেলে। সেই চেম্বার খুলে খাকি কাগজে নিখুঁতভাবে মোড়ানো ছয়টি বড় প্যাকেটে থাকা মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া এই গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই চালানের মূল উৎস, সরবরাহকারী চক্র এবং এর পেছনে থাকা অন্যান্য প্রভাবশালী মাদক কারবারিদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এই অভিযানের বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেন, জেলাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের এমন কঠোর অভিযান ও নজরদারি সর্বদা জারি থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।


নির্বাচিত

মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা প্রতিনিধি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা। কীভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত লায়ন্স ক্লাব।

শুক্রবার (২৬ জুন) খুলনা লায়ন্স আই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো কাজ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হলে দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য। আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা গেলে সেবাগ্রহীতার কখনো অভাব হবে না।

তিনি চক্ষু সেবার পাশাপাশি লায়ন্স ক্লাবের মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং অটিজম বিষয়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। মানবতার সেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি সবসময় পাশে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, লায়ন্স এ কে এম গোলাম ফারুক, সাবিনা সিদ্দিকা ও ডা. মো: বোরহান উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র লায়ন্স ড. রনঞ্জিত কুমার নাথ। স্বাগত বক্তৃতা করেন লায়ন্স ডা. মনোজ কুমার দাস।


নির্বাচিত

আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এক বিশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সিনপটিক অবস্থায় জানিয়েছে, বর্তমানে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। এমন আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে আগামী পাঁচ দিন টানা ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া এই নির্দিষ্ট সময়ে দেশের সব কটি বিভাগেই কম-বেশি বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সংস্থাটি তাদের পূর্বাভাসে স্পষ্ট করেছে।

আবহাওয়ার এই বিশেষ বার্তায় অঞ্চলভিত্তিক বৃষ্টিপাতের চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে প্রথম ৩ দিন এবং পরবর্তী দুই দিন রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে দেশের কোথাও কোথাও বর্ষণের তীব্রতা বাড়লেও কিছু অঞ্চলে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজশাহী ও নীলফামারী জেলাসহ সমগ্র খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আরও কিছুকাল অব্যাহত থাকতে পারে।

তাপমাত্রার ওঠানামার বিষয়ে অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে শনিবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার ও সোমবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আবার কিছুটা কমতে পারে।

এ ছাড়া আগামী মঙ্গলবার (৩০ জুন) সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বর্ধিত দিনগুলোর আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ দিন পার হওয়ার পরও দেশে বৃষ্টিপাতের এই বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।


নির্বাচিত

প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালেই আইনি ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হবে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম, গাফিলতি বা অসাধু চক্রের তৎপরতার সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মপরিবেশ যেন আন্দোলন বা বিভিন্ন দাবি দাওয়ার কারণে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। শিক্ষা প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা একদলীয় রাষ্ট্র বা একদলীয় রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। এক সময় সবাই আওয়ামী লীগ করতো, এখন অনেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হচ্ছে—এটা আমরা বুঝতে পারি, আমরা জানি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকার দেশের ডলার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চুরি করেছে। পৃথিবীতে এমন চুরির নজির নেই, শুধু বাংলাদেশেই এটা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াস আহমেদ, শিক্ষা বোর্ড সচিব নূর মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, রংপুর বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

পিরোজপুরে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​পিরোজপুর প্রতিনিধি

‘২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’উপলক্ষে পিরোজপুরে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা চত্বর থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউন ক্লাব মাঠে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে টাউন ক্লাব মাঠে আলোচনা সভা ও প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

‎​অনুষ্ঠানে বক্তারা মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর (এমপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী (এমপি), জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।

‎​প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাদক শুধু একটি জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে পঙ্গু করে দেয়। আমাদের তরুণ সমাজই দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি। এই প্রজন্মকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করা আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব।”

‎​তিনি আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। কেবল প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়, যদি না আমরা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সচেতন হই। প্রত্যেক অভিভাবককে তাদের সন্তানদের বন্ধু-বান্ধব ও চলাফেরার বিষয়ে অধিকতর যত্নশীল হতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, “আমরা পিরোজপুরকে একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সমাজের শত্রু, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলি।”

‎​অনুষ্ঠান শেষে মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সভায় বক্তারা পিরোজপুর জেলাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত রাখতে প্রশাসন ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

৭০০ ছাড়ালো দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ২৬ জুন, ২০২৬ ১৯:৩০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সারা দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার ২৬ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশজুড়ে এই রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সারা দেশে হাম এবং এর তীব্র উপসর্গ নিয়ে মৃতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০২ জনে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিন ও প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৯৭৬ জনের শরীরে হাম এবং এর বিভিন্ন উপসর্গ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে সরাসরি হাম শনাক্ত হয়েছে ১০৭ জনের শরীরে এবং বাকি ৮৬৯ জনের মধ্যে এই রোগটির নানা স্পষ্ট উপসর্গ দেখা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে চলতি সপ্তাহের শুক্রবার পর্যন্ত মোট ৯৭ হাজার ৫২২ জনের শরীরে হামের বিভিন্ন উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সাথে এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মোট ১১ হাজার ৫৪৯ জনের শরীরে সরাসরি হামের জীবাণু শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

সরকারি এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর তীব্র উপসর্গ নিয়ে মোট ৮১ হাজার ২৮৩ জন আক্রান্ত রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন। তবে আশার কথা হলো, চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থেকে তাঁদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ওয়ান বাই ওয়ান রিলিজ বা ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৬১৩ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিতে সন্তানদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার এবং সময়মতো হামের টিকা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন।


নির্বাচিত

banner close