সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝিনাইদহ-১ আসনে উপনির্বাচন ৫ জুন

নির্বাচন কমিশন ভবন। ফাইল ছবি
আপডেটেড
১৩ মে, ২০২৪ ১৬:৪১
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২৪ ১৬:৪০

ঝিনাইদহ-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচন আগামী ৫ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনে নির্বাচনের সময়সূচি পুনর্নিধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়।

এর আগে গত ৮ মে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ফলে ওই আসনে উপনির্বাচনে বাধা কেটে যায়।

গত ১৬ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই। তার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। পরে এই আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

তবে গত ৬ মে আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নজরুল ইসলামের এক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করে আদেশ দেন বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। পরে তিনি সাংবাদিকদের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২১ দিনের জন্য এ নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

সবশেষ গত ৮ মে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন। এতে আসনটিতে নির্বাচনের বাধা কেটে যায়।

বিষয়:

নির্বাচিত

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই

বাসাইলে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই দেওয়ার ছবি।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। রাতের আঁধারে করা এই অনিয়মের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন।

স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া মরাগাঙ্গীতে ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই বেশিরভাগ কাজ করা হচ্ছিল রাতের আঁধারে। এতে স্থানীয়দের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাতের বেলায় নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করে তারা দেখতে পান, সেতুর ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে সরাসরি বাঁশ ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি অফিস ভায়া মাইজখাড়া জিপিএস’ সড়কে ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ এ গার্ডার ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের কাজ পায় যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির’। ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ব্রিজের কাজ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরে সময় বাড়ানো হলেও এ পর্যন্ত সেতুর ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং ২০ শতাংশ কাজ এখনো বাকি।

স্থানীয় বাসিন্দা শিহাব খানশূর বলেন, আমাদের এই মাইজখাড়ার ভেতরে যে ব্রিজটি হচ্ছে, এই ব্রিজে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করা হচ্ছে। সরকার যে টাকা দিল, সেই টাকাগুলো তাহলে কোথায় গেল? এই ব্রিজে এত বড় দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক ও বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিজ মিয়া বলেন, ব্রিজটির কাজ দিনে না করে রাতে করেছে। রাতে এলাকার ছেলেরা ব্রিজে গিয়ে দেখে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার শরিফুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, শাটারিং বের করার সুযোগ না থাকায় এবং কাঠামোগত ফাঁক সামাল দিতে বাঁশের স্ল্যাব বানিয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে। আর এই বাঁশের স্লাবের ওপরে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে খাঁচা বানিয়ে ঢালাই করেছি।

বাসাইল উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, ব্রিজের নির্মাণকাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টির সত্যতা পেয়েছি। তবে এ কাজের দায়ভার উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর নেবে না। এটি জেলা প্রকৌশল দপ্তরের কাজ। বিষয়টি জেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়টি অবগত হয়ে সরেজমিনে ব্রিজটি পরিদর্শন করি। সেখানে রডের পরিবর্তে বাঁশের ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

নাতিকে বাঁচাতে দাদির আকুতি, পাশে দাঁড়ালেন ডা. জুবাইদা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো    

বয়স মাত্র সাত মাস। পৃথিবীটা এখনো তার কাছে মায়ের বুক আর একটু দুধের উষ্ণতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু অসুস্থ মায়ের বুকের দুধ না পাওয়ায় সেই স্বাভাবিক অধিকারটুকুও যেন হারিয়ে ফেলেছে খুলনার কয়রা উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের শিশু হুসাইন। ক্ষুধায় কাতর শিশুটির জন্য দুধ কেনার সামর্থ্য ছিল না পরিবারের। অসুস্থ শরীর নিয়ে শিশুটি যখন কাঁদছিল, তখন অসহায় দাদি শুধু চোখের পানি ফেলছিলেন।

সুন্দরবনের কাছাকাছি বাগালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই পরিবারটির একমাত্র ভরসা বৃদ্ধ দাদি। ভিক্ষা করে কোনোভাবে সংসার চালান তিনি। পরিবারের সদস্যদের দুবেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে নাতির দুধ ও চিকিৎসার খরচ বহন করা তার কাছে ছিল প্রায় অসম্ভব।

এই অসহায়ত্বের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নজরে আসে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের। শিশুটির দুরবস্থার কথা জানতে পেরে তিনি হুসাইনের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন। ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহকে শিশুটি ও তার পরিবারের প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেন তিনি। জুবাইদা রহমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী।

দুধের বদলে লবণ পানি: পরিবারের ভাষ্য, অসুস্থ মায়ের বুকের দুধ না পাওয়ায় শিশুটিকে একপর্যায়ে অনুপযুক্তভাবে লবণ পানি খাওয়ানো হচ্ছিল। পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়ায় ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে হুসাইন। পরে তার শরীরে গুরুতর অপুষ্টির পাশাপাশি ত্বকের সমস্যা ও মুখে ক্যান্ডিডিয়াসিসের উপসর্গ দেখা দেয় বলে পরিবার জানায়।

হুসাইনের বাবা হারুণ ও মা দুজনই শারীরিকভাবে অসুস্থ। ফলে শিশুটির দেখভাল ও সংসারের দায়িত্ব কার্যত এসে পড়ে বৃদ্ধ দাদির ওপর। কিন্তু নিজের খাবারের নিশ্চয়তাই যেখানে নেই, সেখানে নাতির জন্য নিয়মিত দুধ ও ওষুধ কেনা ছিল তার কাছে দুঃসাধ্য।

হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা: হুসাইনের অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ফাউন্ডেশনের সদস্য ডা. এম. আর. হাসানের তত্ত্বাবধানে শিশুটিকে ও তার পরিবারকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে হুসাইনের চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদেরও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শিশুটির দাদি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। নাতিটার দুধ কেনার সামর্থ্য আমার নেই। আমি আমার নাতিটাকে বাঁচাতে চাই। তার এই আকুতি যেন ছুঁয়ে যায় অনেকের হৃদয়। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হুসাইনের শারীরিক অবস্থা ও পরিবারের পরিস্থিতির বিষয়টি কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হয়েছে।

একটি অসহায় পরিবারের জন্য সামান্য সহায়তাই কখনো কখনো হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার অবলম্বন। হুসাইনের ক্ষেত্রেও দুধ, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা যেন নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছে পরিবারটিকে।


নির্বাচিত

বিশ্ব শান্তি দিবসে ফেনীতে সম্প্রীতির মঞ্চ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফেনী প্রতিনিধি

‘শান্তিতে বিনিয়োগ করুন, সকলের জন্য, সর্বত্র ও প্রতিদিন’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব শান্তি দিবসে ফেনীতে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) ফেনী সদরের আয়োজনে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সম্প্রীতির মঞ্চে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন সকল রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় নেতারা। এ সময় শান্তির ফেনী গড়তে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেন সর্বদলীয় নেতারা।

শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পিএফজি আঞ্চলিক কো-অর্ডিনেটর ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, জেলা জামায়াতের আমীর মুফতি আবদুল হান্নান, এনসিপির সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, ডায়াবেটিকস হাসপাতালের সহসভাপতি আ.ন.ম আবদুর রহিম, সমাজতান্ত্রিক দলের জেলা শাখার সাধারণ-সম্পাদক মালেক মনসুর, ভাসানী ন্যাপ জেলা সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মাস্টার, এবি পার্টির নেত্রী জাহানারা আক্তার মনি, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূইয়া, নারী নেত্রী নূর তানজিলা রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, ও ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ইমাম হোসেন আরমান।

পিএফজি ফেনী সদর উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোরশেদ হোসেনের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, এবি পার্টির সদস্য সচিব ফজলুল হক, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, জেলা জাসদের সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন সাচ্চু, জেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ জাকির হোসেন, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সমির কর ও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শুকদেব নাথ তপন, হিন্দুধর্মীয় পূরোহীত নারায়ন চক্রবর্তী ও খ্রিষ্টান ধর্মের প্রতিনিধি সুধির সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ‘এ জনপদকে শান্তির জনপদে রূপ দিতে চাই। আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে দেশের যে প্রান্তে যাই হোক না কেন ফেনীকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে পারব, দুর্বৃত্তায়নমুক্ত রাখতে পারব, তাহলে আমরা সহিংসতা মুক্ত রাখতে পারব। মূলত রাজনীতিবিদদের তথা সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদিচ্ছা থাকলে এ ফেনীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। সবার একটা শপথ হোক, আমরা একটা শান্তির ফেনী গড়তে চাই। সুন্দর একটা ফেনী গড়তে সব সময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে চাই।’


নির্বাচিত

শীতের আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর প্রতিনিধি

মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। কোথাও ফুলকপি-বাঁধাকপি, কোথাও টমেটো, শিম, মুলা ও গাজরের চারা। ভোরের আলো ফুটতেই পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন কৃষকরা। কেউ জমিতে নিড়ানি দিচ্ছেন, কেউ দিচ্ছেন সেচ ও কীটনাশক। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন আগাম শীতকালীন সবজির আবাদ ঘিরে কৃষকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় আগাম সবজি চাষে ঝুঁকেছেন তারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ফুলবাড়ীতে ১৫০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব জমি থেকে প্রায় ৩ হাজার ৩৭৫ টন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, শিম, মুলা, শসা, গাজর, পালং, বরবটি ও বেগুনসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ হয়েছে। অনেক জমিতে ইতোমধ্যে গাছ বেড়ে উঠেছে। আবার কোথাও চলছে চারা রোপণের কাজ।

কৃষকরা জানান, আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে সাধারণ মৌসুমের তুলনায় দাম বেশি পাওয়া যায়। চাহিদাও থাকে বেশি। ফলে স্বল্প সময়ে ফসল বাজারজাত করে তুলনামূলক ভালো লাভ করা সম্ভব। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিভিন্ন ধরনের সবজি বাজারে আসতে শুরু করবে।

শিবনগর ইউনিয়নের বুজরুক শমসেরনগর গ্রামের কৃষক রহিদুল ইসলাম দেড় বিঘা জমিতে ট্রপিক্যাল কুইন জাতের বাঁধাকপি এবং মাস্টার ৪৫ ও ক্যাপ্টেন জাতের ফুলকপি চাষ করেছেন। পাশাপাশি কিছু জমিতে শিমের আবাদও করেছেন। এতে তার প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সবজি বিক্রি করে প্রায় ৩ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।

রহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে দাম ভালো পাওয়া যায়। আর ২০-২৫ দিনের মধ্যেই আমার জমির ফসল উঠতে শুরু করবে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার ভালো লাভ হবে বলে আশা করছি।’

পৌর এলাকার উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক রহমত আলীও আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করেন। শীতকালীন আগাম জাতের মধ্যে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, মুলা, পালংশাক ও ধনেপাতা চাষ করেন। বাজারে এসব সবজির চাহিদা ও দাম দুটিই ভালো থাকায় তিনি প্রতি বছর আগাম সবজি চাষ করেন।’

কৃষকদের মতে, আগাম সবজি চাষে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে তা সহজেই উঠে আসে। একই সঙ্গে দ্রুত ফসল বাজারজাত করা যায়। এ কারণে অনেক কৃষক ধান বা অন্যান্য প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি আগাম সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, ‘আগাম জাতের শীতকালীন সবজি চাষ কৃষকদের জন্য লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এর আবাদ বাড়ছে। আগাম সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। উৎপাদন বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।’


নির্বাচিত

নওগাঁর সৌন্দর্য ও জীবনের ৯০০ আলোকচিত্র, পুরস্কৃত ১৩ জন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

চেনা নওগাঁকে ক্যামেরার ভিন্ন দৃষ্টিতে তুলে ধরতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ২০২৬’ শেষ হয়েছে। প্রকৃতি, মানুষ, জীবনযাত্রা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার নানা চিত্র ধারণ করে এ প্রতিযোগিতায় জেলার প্রায় ১৫০ জন আলোকচিত্রী অংশ নেন। জমা পড়ে ৯০০টির বেশি আলোকচিত্র। প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ১৩ জন বিজয়ীকে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি দেওয়া হয়।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা। এর আগে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য ছিল শুধু নওগাঁর পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র বা ঐতিহাসিক স্থাপনার ছবি সংগ্রহ করা নয়। বরং জেলার মানুষের প্রতিদিনের জীবন, কৃষকের কর্মব্যস্ততা, গ্রামীণ জনপদ, নদী-বিল, জলাভূমি, লোকজ সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও পরিবেশের বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরাই ছিল মূল লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতায় প্রকৃতি ও পরিবেশ, মানুষ ও জীবনযাত্রা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতি, নওগাঁর স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থান এবং নদী, বিল ও জলাভূমিসহ বিভিন্ন বিভাগে ছবি জমা নেওয়া হয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত বিভাগেও অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। জেলার প্রায় ১৩টি উপজেলা ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আলোকচিত্রীরা অংশ নেওয়ায় নওগাঁর ভিন্ন ভিন্ন ভূপ্রকৃতি, জীবনধারা ও সংস্কৃতির বহুমাত্রিক চিত্র উঠে আসে।

গত ২০ মে প্রতিযোগিতার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৩০ জুন পর্যন্ত ছবি জমা নেওয়া হয়। জুলাইয়ে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২ আগস্ট বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্ত মূল্যায়ন করেন। এ সময় আলোকচিত্রের সৃজনশীলতা, নান্দনিকতা, কম্পোজিশন, কারিগরি দক্ষতা, মুহূর্ত ধারণের সক্ষমতা, মৌলিকত্ব, বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা এবং ছবির মাধ্যমে গল্প বা বার্তা তুলে ধরার ক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রায় দেড়শ আলোকচিত্রীর ৯০০টির বেশি ছবি জমা পড়ায় এ আয়োজন নওগাঁর আলোকচর্চার বিস্তৃত পরিসরও তুলে ধরেছে। পেশাদার আলোকচিত্রীর পাশাপাশি শখের ও উদীয়মান আলোকচিত্রীরাও এতে অংশ নেন। ফলে একই জেলার একই দৃশ্য কিংবা বিষয়ও ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, কম্পোজিশন ও গল্পে উঠে আসে।

আয়োজকদের মতে, প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ছবিগুলো নওগাঁর একটি সমৃদ্ধ ভিজ্যুয়াল সংগ্রহ হিসেবে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে জেলার পর্যটন প্রচার, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের কাজে এসব ছবি ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় আলোকচর্চাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তরুণ ও নতুন আলোকচিত্রীদের সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নওগাঁকে শুধু একটি প্রশাসনিক জেলা হিসেবে নয়, এর প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সম্ভাবনাকে সমন্বিতভাবে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে আলোকচিত্র কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেই দৃষ্টিভঙ্গিরই একটি সূচনা হয়েছে।’

পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া এ আয়োজন নওগাঁর দৃশ্যমান সৌন্দর্যের পাশাপাশি জেলার মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনাকেও নতুন দৃষ্টিতে সামনে এনেছে। ক্যামেরার ফ্রেমে ধরা পড়েছে চেনা নওগাঁর অচেনা অনেক গল্প।


নির্বাচিত

মাদকের টাকা জোগাতে বিক্রি করা সন্তান উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় মাদকের টাকা জোগাতে নিজের ১৩ মাস বয়সি কন্যাসন্তানকে ৩১ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগে বাবা হামিদুল ইসলামসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিক্রির প্রায় দুই মাস পর শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন। পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যৌথ দল রোববার গাইবান্ধা ও রংপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন—গাইবান্ধা সদর উপজেলার আব্দুল মজিদ সরকার, ফুলছড়ি উপজেলার মোর্শেদা খাতুন ও জেসমিন আক্তার।

পুলিশ জানায়, গত ১৭ জুলাই হামিদুল ইসলাম বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে স্ত্রী রোমানা খাতুনের কাছ থেকে ১৩ মাস বয়সি মেয়ে ফাতেমা আক্তার জান্নাতকে নিয়ে যান। পরে আব্দুল মজিদ ও মোর্শেদা খাতুনের মধ্যস্থতায় শিশুটিকে জেসমিন আক্তারের কাছে ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

সন্তান ফিরে পেতে শিশুটির মা আদালতে আবেদন করলে ২৭ আগস্ট হামিদুলের বিরুদ্ধে তল্লাশি পরোয়ানা জারি হয়। পরে রোববার সাদুল্লাপুরের সাহারাবাজার থেকে হামিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে আব্দুল মজিদ এবং পরে ফুলছড়ি থেকে মোর্শেদা ও জেসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেসমিনের কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, হামিদুল মাদকাসক্ত। জিজ্ঞাসাবাদে সে মাদকের টাকা জোগাতেই সন্তান বিক্রির কথা জানিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


নির্বাচিত

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ১৭তম মাসিক সভা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ১৭তম মাসিক সভা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগর ভবনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে এ সভা হয়।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গঠিত কমিটির নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন।

সভায় সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আল মজিদ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলররা এবং বিভিন্ন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি নগরবাসীর নাগরিকসেবা আরও কার্যকর ও গতিশীল করা, চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি, সিটি করপোরেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।

নগরবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ও সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে চলমান কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভা শেষে আলোচিত বিষয়গুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং পরবর্তী কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।


নির্বাচিত

জলাবদ্ধতায় ৬ মাস পানিবন্দি অর্ধশতাধিক পরিবার, ছড়াচ্ছে রোগ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মো. নজরুল ইসলাম, অষ্টগ্রাম-মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নে ছয় মাস ধরে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অর্ধশতাধিক পরিবারের শতাধিক মানুষ। বসতঘর, রান্নাঘর, টয়লেট ও উঠানে হাঁটুপানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। দীর্ঘদিনের পচা পানিতে ছড়াচ্ছে ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েডসহ নানা রোগ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের একমাত্র সরকারি খালটি স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি লিজ নিয়ে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণ ও জমি বিক্রি করায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত খালটি দখলমুক্ত করে পানি চলাচলের পথ পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, কাস্তুল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের উত্তর পাশে হাজীপাড়া, মৈশানপাড়া ও মুসলিমপাড়ার অনেক বাড়ির আঙিনা থেকে বসতঘরের ভেতর পর্যন্ত হাঁটুপানি। পানির নিচে তলিয়ে গেছে নলকূপ ও টয়লেট। এতে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক পরিবার রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন কাজেও চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।

হাজীপাড়ার আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ছয় মাস ধরে তার নলকূপ, টয়লেট ও রান্নাঘর পানির নিচে। পরিবারের সদস্যরা ঠাণ্ডা-কাশিসহ নানা রোগে ভুগছেন।’ রাকিব মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় তার বাড়ির একটি দেওয়াল হেলে পড়েছে।’

ভুক্তভোগীরা জানান, স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ইউএনও সাথী দাস ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এলাকা পরিদর্শন করেন।

ইউএনও সাথী দাস বলেন, ‘আমি জলাবদ্ধ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। জনস্বার্থে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু সাময়িকভাবে পানি সরিয়ে নয়, সরকারি খালটি দখলমুক্ত করে স্থায়ীভাবে পানি চলাচলের পথ খুলে দিতে হবে।


নির্বাচিত

রামপালে এসআরবির অভিযানে ২০ কেজি গাজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

বাগেরহাটের রামপালে প্রাইভেটকারে করে গাঁজা পাচারের সময় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিলভার রঙের একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।

গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে এগারোটার দিকে রামপাল উপজেলার গোপীনাথপুর বগুড়া ব্রিজসংলগ্ন সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় এসআরবি-৬ সদর কোম্পানির একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মোংলা উপজেলার দিগরাজ এলাকার হাসান হাওলাদারের ছেলে রিয়াজ হাওলাদার (২৫) এবং উত্তর মালগাজী এলাকার কামাল কাজীর ছেলে রহমত কাজী। তারা মাদক ব্যবসা ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে এসআরবি।

এসআরবি-৬ জানায়, তল্লাশির সময় প্রাইভেটকার থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামপাল থানায় মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজা, জব্দ করা গাড়ি ও গ্রেপ্তার দু’জনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


নির্বাচিত

সিংহ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরাতে কেরানীগঞ্জে দিনব্যাপী অভিযান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার কেরানীগঞ্জে সিংহ নদী দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

অভিযানে নদীর জায়গা দখল করে গড়ে তোলা তিনটি বড় স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাতী মার্কেট, তমিজউদ্দীন প্লেসসহ কয়েকটি স্থাপনাকে ৭ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নিজ খরচে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদ খান, শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, সিংহ নদী দখলমুক্ত করে এর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। দখলদাররা যত প্রভাবশালীই হোক, নদী দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

কালাইয়ে ভ্যানযোগে নেওয়ার সময় ১৯ বস্তা ডিএপি সার জব্দ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা থেকে আক্কেলপুরের জামালগঞ্জে ভ্যানযোগে নেওয়ার সময় ১৯ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্ষেতলাল উপজেলার মনঝাড় বাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজন দুটি ভ্যান থামিয়ে সারগুলো জব্দ করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সারগুলো নিজেদের হেফাজতে নেন।

স্থানীয় লোকজন ও ভ্যানচালক সূত্রে জানা যায়, কালাই উপজেলার মোলামগাড়ীহাট বাজারের সার ডিলার মিজানুর রহমানের দোকান থেকে দুটি ভ্যানে করে ডিএপি সার জামালগঞ্জের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। মনঝাড় বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন ভ্যান দুটির গতিরোধ করে তল্লাশি করে। এ সময় ১৯ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। জব্দ তালিকায় নয়ন নামের এক ভ্যানচালকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, জব্দ করা ১৯ বস্তা ডিএপি সারের মূল্য ১৯ হাজার ৯৫০ টাকা।

খবর পেয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রউফ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তুলশীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর শহিদ কালুসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, একই সময় ওই সড়ক দিয়ে আরও কয়েকটি সারবোঝাই ভ্যান চলে যায়। তবে সেগুলো আটক করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে সার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ক্ষেতলাল সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রউফ বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন দুটি ভ্যানে থাকা সার আটক করে বিষয়টি প্রশাসনকে জানান। পরে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে সারগুলো উদ্ধার করার পরে জব্দ করা সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। বিক্রির অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। সার সংকট রোধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।’


নির্বাচিত

শৈলকুপায় সাপের কামড়ে কিশোরের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সাপের কামড়ে অন্তর হোসেন (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার রাতে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের গোসাইডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত অন্তর হোসেন ওই গ্রামের উজ্জল হোসেনের ছেলে।

মৃতের স্বজনরা জানান, রাতে অন্তর হোসেন নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় ডান কানে তীব্র ব্যথা অনুভব করে সে। পরে মাকে ডাকলে তার মা তাকে নাপা ওষুধ খেতে দেন। কিন্তু কানের ব্যথা না কমায় রাত ৩টার দিকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তার অবস্থার অবনতি হয়।

এ সময় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। রাত ৪টার কিছু সময় পর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেটে পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই মারা যায় অন্তর হোসেন।

শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, ‘সাপের কামড়ে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’


নির্বাচিত

অবাধে কাটা হচ্ছে পাহাড়ি টিলা, রিসোর্ট ও বসতি নির্মাণে বিপন্ন পরিবেশ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে একের পর এক পাহাড়ি টিলা কেটে ফেলা হচ্ছে। উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের নুরজাহান চা বাগানসংলগ্ন টিপরাবাড়ি মৌজায় রাতের আঁধারে ও প্রকাশ্যে টিলা কাটার অভিযোগ উঠেছে। এসব টিলা কেটে কোথাও রিসোর্ট, কোথাও বসতবাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্বিচারে টিলা কাটার কারণে স্থানীয় পরিবেশব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে কমলগঞ্জের পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিলা কেটে জমি সমতল করার ঘটনাও বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণকারীরা পরিবেশগত বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

টিপরাবাড়ি মৌজার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে এসব টিলা ছিল গাছপালা ও ঝোপঝাড়ে ঘেরা। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, সরীসৃপ, কীটপতঙ্গসহ নানা বন্যপ্রাণীর বিচরণ ছিল। টিলা কেটে মাটি সরিয়ে নেওয়া ও গাছপালা উজাড় করার ফলে প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে টিলার মাটি কেটে সমতল করার কারণে মাটিধস ও পানিপ্রবাহের স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের আশঙ্কাও রয়েছে।

টিলা কেটে বসতি নির্মাণকারী বাছিত মিয়ার ছেলে মুজিব মিয়া বলেন, ‘আমি অতীতেও টিলা কেটে বাড়িঘর করেছি, এতদিন কেউ কোনো কিছু বলেনি। আর আজ হঠাৎ করে শুনতেছি টিলা কাটা যাবে না। আমার কাগজের জায়গায় আমি কাটতেই পারি।’

পরিবেশ সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও সেখানে থাকা পাহাড় বা টিলা ইচ্ছেমতো কেটে ফেলার সুযোগ নেই। কিন্তু আইনের প্রয়োগ দুর্বল হওয়ায় অনেকেই টিলা কেটে স্থাপনা নির্মাণে উৎসাহিত হচ্ছেন। বিশেষ করে পর্যটনকেন্দ্রিক বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়গুলো যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পরিবেশবিদদের মতে, কমলগঞ্জের পাহাড়ি টিলা শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ নয়; এগুলো মাটির স্থিতিশীলতা, পানি ধারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় প্রতিবেশব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। টিলা কেটে ফেললে গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টির পানি দ্রুত নিচে নেমে ভূমিক্ষয়, জলাবদ্ধতা কিংবা আকস্মিক মাটিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে কৃষি, বন ও স্থানীয় জনজীবনের ওপরও।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পাহাড় বা টিলা কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রেও প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, উন্নয়ন ও পর্যটনের নামে প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করা হলে ভবিষ্যতে পর্যটন এলাকাটির আকর্ষণই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সদ্বীপ তালুকদার বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও টিলা বা পাহাড় কাটা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। নুরজাহান চা বাগান ও টিপরাবাড়ি এলাকায় টিলা কেটে রিসোর্ট ও ঘরবাড়ি নির্মাণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করে টিলা কাটার স্থানগুলো চিহ্নিত করা, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত টিলায় পুনর্বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হোক। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে টিলা ও পাহাড় রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।


নির্বাচিত

banner close