বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দৈনিক বাংলার সহযোগিতায় আয়োজিত ‘ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং বিশেষ অতিথি দৈনিক বাংলার প্রকাশক চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের সঙ্গে পুরস্কার বিজয়ীরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
২ নভেম্বর, ২০২২ ১৫:৫৭
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

দেশের গণমাধ্যমে কোনো এক সময়ে প্রকাশিত খবর কেটে দেয়া হতো দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘মিডিয়া জগৎটাকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করি না। সবার জন্য উন্মুক্ত করে রেখেছি। সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে মিডিয়া কাজ করে যাচ্ছে।’

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার বিকেলে ‘ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। দৈনিক বাংলার সহযোগিতায় এ পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক বাংলার প্রকাশক চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

এ বছর প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তিন ক্যাটাগরিতে ১০ জন ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে একজনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: দৈনিক বাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা জানা-অজানা সবকিছুই আমাদের সামনে নিয়ে আসেন মিডিয়ার মাধ্যমে। এখন খবর প্রকাশিত হলে সেই খবর আমরা কেটে দেই না। আগে কোনো এক সময়ে সেন্সর বোর্ড ছিল। এখন কোনো রকমের নিয়ন্ত্রণ করি না।’

মিডিয়া দুঃসাহসিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে গিয়েছি সেখানেই মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি দেখেছি। এর মানে বাংলাদেশের সব স্থানে সাংবাদিকদের বিচরণ আছে। দেশের আনাচে-কানাচে যখন যেটা হচ্ছে সেই খবরটা সঙ্গে সঙ্গে সবার সম্মুখে চলে আসছে।’

গণমাধ্যম জগৎকে চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘এই জগৎকে আরও আলোকিত করতে হবে। প্রতিদিনের ঘটনা যেমন লেখেন, তেমনি পজিটিভ নিউজগুলো সমানভাবে লিখবেন।’

সব সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন বলে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা দুঃসাহসিক কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে নানারকম প্রতিবন্ধকতায় তাদের পড়তে হয়। সব সময় সাংবাদিকদের পাশে থেকে সেগুলো সমাধান করে যাচ্ছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সেই সহযোগিতা যখন যেভাবে চাচ্ছেন আমরা করে যাচ্ছি।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দৈনিক বাংলার প্রকাশক চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: দৈনিক বাংলা

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন দৈনিক বাংলার প্রকাশক চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের সব সময় একটা নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সরাসরি উৎসাহে তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তান নাম বদলে দৈনিক বাংলা নামে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।’

দৈনিক বাংলার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক প্রয়াত সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রসঙ্গে চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘২০২২ সালে আমরা যখন নতুন করে দৈনিক বাংলার প্রকাশনা শুরু করি, তখন আমাদের সাহস দিয়ে এই পত্রিকার সম্পাদক হয়ে সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক তোয়াব খান। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। এই মাহেন্দ্রক্ষণে সর্বজনশ্রদ্ধেয় তোয়াব খানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। যারা বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, তারা বর্তমান সময়ে সাহসী ও স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতীক।’

এই সাহসী ও স্বাধীন সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখার পরামর্শ এবং সব সময় পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন সাংবাদিক রাজীব নূর। ছবি: দৈনিক বাংলা

সেরা প্রতিবেদনগুলো বাছাই করতে ১২ সদস্যের একটি জুরি বোর্ড কাজ করেছে। এর অন্যতম সদস্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জুনায়েদ আহমদ হালিম। তিনি অনুষ্ঠানে বলেন, ডিআরইউ অত্যন্ত সক্রিয় একটি প্রতিষ্ঠান। ডিআরইউ নিজেদের ও সাংবাদিকতাকে উচ্চ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। সাংবাদিকতার গুণগত মান, কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত ও দক্ষতা উন্নয়নে ডিআরইউ ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করবে বলে তার আশা।

অনুষ্ঠানে ডিআরইউর সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব।

পুরস্কার পেলেন যারা
মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক সমকালের রাজীব নূর (বর্তমানে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে কর্মরত)।

অনলাইন মিডিয়া ক্যাটাগরিতে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্য প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন শাহ আলম খান। ছবি: দৈনিক বাংলা

২০২২ সালে প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক সমকালের প্রতিবেদক আবু যর আনছার উদ্দীন আহাম্মদ (রাজীব আহাম্মদ)। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক শেয়ার বিজের প্রধান প্রতিবেদক মো. ইসমাইল আলী। যৌথভাবে তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের জামিল খান ও দৈনিক সমকালের ওবায়দুল্লাহ রনি।

অনলাইন মিডিয়ায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের শাহ আলম খান (বর্তমানে কালবেলায় কর্মরত)। এ ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন চ্যানেল আই অনলাইনের আবু মো. ফায়জুল আরেফীন ও তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদক আবু সালেহ সায়াদাত।

ইলেকট্রনিক মিডিয়া ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদক মুকিমুল আহসান। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন একাত্তর টিভির নয়ন আদিত্য এবং তৃতীয় হয়েছেন মাছরাঙ্গা টিভির নূর হোসেন বিশ্বাস।


কুষ্টিয়ায় ডিম-মুরগির বাজার বেসামাল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জাহিদুজ্জামান, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ায় আবারও বাড়ছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। কুষ্টিয়ার বাজারে এক দিনে ডিমের হালিতে দাম বেড়েছে দুই থেকে তিন টাকা। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। প্রায় একই রকম দাম বেড়েছে সোনালি মুরগিরও। বাড়তি দরে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।

ক্রেতারা বলছেন, সরকারি মনিটরিং না থাকায় যে যার ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, খামার থেকে বাড়িয়ে দেয়ায় তাদের কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। অন্যদিকে খামারিরা বলছেন, মুরগির খাবার ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি শীতে অনেক খামারে মুরগি মারা গেলে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।

কুষ্টিয়া পৌরবাজার ঘুরে জানা গেছে, গত সোমবার ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ৪২ টাকায়। মঙ্গলবার প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দাম সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। আগের দিন বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়, মঙ্গলবার ১৯০ টাকায়। আর সোনালি মুরগি আগের দিন ২৫০ টাকা বিক্রি হলেও মঙ্গলবার বিক্রি হচ্ছিল ২৬০ টাকা কেজি দরে।

কুষ্টিয়া পৌরবাজারে আসা ক্রেতা সেলিম বলেন, সব কিছুর দাম শুধু বাড়ছেই। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কোনো মনিটরিং নেই। দাম বাড়তে শুরু করলে প্রতিদিনই দাম বাড়ে। উপার্জন কম, বাজার করতে এসে কষ্ট হচ্ছে।

আরেক ক্রেতা আব্দুল্লাহ আলী বলেন, ডিমের দাম কয়েক দিন আগেও ছিল ৪০ টাকা হালি। বাড়তে বাড়তে আজ (মঙ্গলবার) ৪৪ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। কেউ কেউ ৪৫ টাকাতেও বিক্রি করছেন।

আফরোজা বেগম বলেন, সঠিক মনিটরিং না থাকায় এভাবে দাম বাড়ছে। প্রতিদিন দাম বাড়লে আমাদের পুষ্টি ছাড়াই থাকতে হবে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি। কেউ কেউ ২০০ টাকাও চাচ্ছে। আর সোনালি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। এত দাম দিয়ে মাংস খাওয়া সম্ভব না।

খামার থেকে দাম বাড়িয়ে দেয়ার কারণেই বেশি দামে পণ্য বিক্রি করতে হচ্ছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। দোকানি রনজুর আহমেদ নিশান বলেন, ডিমের দাম বাড়ছেই। সরবরাহ পর্যাপ্ত, কিন্তু খামার থেকে দাম বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ঠিকমতো মনিটরিং করলে দাম কমে আসতে পারে।

মুরগি বিক্রেতা সোহেল বলেন, কয়েক দিন আগেও ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১৪০ টাকা। বাড়তে বাড়তে এখন ১৯০ টাকায় এসে ঠেকেছে।

আরেক বিক্রেতা হারুন অর রশিদ বলেন, মুরগি দিচ্ছে না খামারিরা। প্রতিদিন দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

খামারিরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে পোলট্রি ফিড, ওষুধ ও বাচ্চার দাম বাড়ায় চরম বেকায়দায় তারা। কুষ্টিয়া জেলা পোলট্রি খামার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, শীতে খামারে মুরগি মরে গেছে। এখন বন্ধ রয়েছে ৭০ শতাংশ খামার। যে পরিমাণ চাহিদা আছে, খামারিরা তা উৎপাদন করতে পারছেন না। উৎপাদন খরচের সঙ্গে মিল রেখে মুরগি ও ডিমের দাম দিতে হবে। সরকারিভাবে প্রণোদনা দিতে হবে। না হলে এই খাতটিকে থাকবে না।

এদিকে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে মুরগি ও ডিমের দাম তেমন একটা বাড়েনি বলে মনে করছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের বাইরে সব পণ্যের দাম যে হারে বেড়েছে, তেমন কিন্তু বাড়েনি। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম কমলে ফিডের দাম কমে আসবে। তখন মুরগি ও ডিমের দামও কমে আসবে।

এদিকে কুষ্টিয়া জেলা জ্যেষ্ঠ কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার বলেন, মঙ্গলবার আমার টিম বাজারে মনিটরিং করেছে। দাম জেনে এসেছে। খামার থেকে দাম বাড়ানো হচ্ছে। দেখা হচ্ছে কেউ অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছেন কি না। সামনের বৈঠকে এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।


গুলিতে রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপকের মৃত্যু: ভবন মালিক ও ছেলে রিমান্ডে

শফিউর রহমান কাজলের মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করেন সুলতান ভাই কাচ্চি রেস্তোরাঁর কর্মীরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ভবন মালিকের গুলিতে আহত রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ভবন মালিক ও তার ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে তাদের দুজনকে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালতে উপস্থাপন করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, আদালত শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আঙ্গুরা শপিং কমপ্লেক্স নামের ওই ভবনের মালিক আজাহার তালুকদার গুলি করেন শফিউর রহমান কাজলকে (৫২)। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।

নিহত শফিউর রহমান কাজল নারায়ণগঞ্জের বন্দরের কুশিয়ারা এলাকার মৃত শাহ আলম মিয়ার ছেলে। তিনি ‘সুলতান ভাই কাচ্চি’ নামের রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক ছিলেন। তিনি গুলিবিদ্ধ হলে রোববার রাতেই ওই ভবন মালিকের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করেন রেস্তোরাঁর মালিক শুক্কুর আলী।

মামলায় আসামি করা হয়েছে আঙ্গুরা শপিং কমপ্লেক্সের মালিক আজহার তালুকদার ও তার ছেলে আরিফ তালুকদারকে। গোলাগুলির পরই তাদের আটক করেছিল পুলিশ। মামলার পর সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানা হয়।

শফিউর রহমান কাজলের মরদেহ সুলতান ভাই কাচ্চি রেস্তোরাঁয় পৌঁছালে কর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছবি: দৈনিক বাংলা

রেস্তোরাঁ মালিক শুক্কুর আলীসহ স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজহার তালুকদারের কাছ থেকে চাষাঢ়ায় আঙ্গুরা শপিং কমপ্লেক্সের নিচতলা ও দোতলার একাংশ ভাড়া নিয়ে সুলতান ভাই কাচ্চি নামের একটি রেস্তোরাঁ দেন শুক্কুর আলী। কয়েক দিন ধরে বিদ্যুৎ বিল ও পানির লাইন নিয়ে ভবন মালিক আজহারের সঙ্গে শুক্কুর আলী ও কাজলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে কাজলের সঙ্গে আজহারের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আজহার ওই ভবনেই তার বাসা থেকে পিস্তল ও শটগান নিয়ে গিয়ে গুলি করলে কাজল গুলিবিদ্ধ হন। তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। শটগানের গুলিতে রেস্তোরাঁর জনি নামের আরেক কর্মচারীও আহত হন। তাকে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

নিহত শফিউরের ভগ্নিপতি রবিউল আওয়াল বলেন, ‘একজন মানুষকে শহরের মধ্যে প্রকাশ্যে গুলি করে মারা হলো। এর চেয়ে দুঃখজনক কিছুই হতে পারে না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’

এদিকে দুপুরে ময়নাতদন্তের পর শফিউরের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহটি নিয়ে স্বজনরা সুলতান ভাই কাচ্চি রেস্তোরাঁ এলাকায় গেলে রেস্তোরাঁর কর্মীরা সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা কাজলকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন থেকে তারা ভবন মালিক আজহারের সর্বোচ্চ সাজা দাবি জানান।


ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার

র‌্যাবের অভিযানে উদ্ধার বাঘের চামড়া। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

ছাগলের মাংসের সঙ্গে বিষাক্ত উপাদান মিশিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সুন্দরবনে। বাঘের বিচরণ এলাকার আশপাশে রেখে আসা হয় সেই মাংস। একপর্যায়ে বাঘ মাংস খেয়ে মারা গেলে শরীরের চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে শৌখিন মানুষদের খুঁজে প্রায় কোটি টাকা মূল্যে তা বিক্রি করা হয়।

সুন্দরবনে এমন কৌশলে বাঘ শিকার করে আসছিল একটি চক্র। এদের মধ্যে দুজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সোমবার বিকেলে তাদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

আটকরা দুজন হলেন হাফিজুর শেখ (৪৭) ও ইসমাইল শেখ (২৪)। তাদের বাড়ি সুন্দরবন-সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ধলপাড়া গ্রামে।

র‌্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, গোয়েন্দা তৎপরতায় এ চক্রটির সম্পর্কে জানতে পারে র‌্যাব। পরে ক্রেতা সেজে তাদের আটক করা হয়। তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লবণ মাখিয়ে রাখা একটি বাঘের চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে।

মোস্তাক আহমেদ বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি আটক দুজন শ্যামনগর-সংলগ্ন সুন্দরবন থেকে ওই বাঘটি শিকার করেছিলেন। পরে শৌখিন মানুষদের খুঁজছিলেন, যারা প্রায় কোটি টাকা মূল্যে একটি বাঘের চামড়া কিনে থাকেন।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, যারা এসব বাঘের চামড়া কেনেন, তারাও নজরদারিতে আছেন। গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকারিরা জানিয়েছেন, তারা মাছ ও গোলপাতা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করে বাঘ শিকার করতেন। সুযোগ বুঝে বনের অন্য প্রাণীও তারা শিকার করতেন।

মোস্তাক আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সঙ্গে মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবকে দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মান্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। তাহলে এই সিন্ডেকেটে যারা জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

বিষয়:

সিন্দুকে লুকানো ছিল ২২ হাজার ইয়াবা

আটক রকিব হাসান রফিক, ইনসেটে ইয়াবা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় বাড়ির আলমারি ও সিন্দুক থেকে ২২ হাজার ৬০০টি ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় আটক করা হয়েছে রকিব হাসান রফিক (৩৪) নামে এক তরুণকে।

রৌমারী থানা-পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রফিক সদর ইউনিয়নের চর নতুন বন্দর পোর্ট গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে রফিকের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপ কুমার সরকার বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ২টার দিকে রফিকের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার বাড়ির কক্ষে থাকা আলমারির দুটি ড্রয়ার এবং একটি সিন্দুকের ভেতর থেকে ২২ হাজার ৬০০টি ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।’

কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমীন বলেন, ‘গ্রেপ্তার রফিকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।’

বিষয়:

ছয় দিন ধরে নিখোঁজ পল্লিচিকিৎসক, তুলে নেয়ার অভিযোগ পরিবারের

নিখোঁজ সেলিমের পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, যশোর

যশোরে সেলিম হোসেন (৪৫) নামে এক পল্লিচিকিৎসক ছয় দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে তাকে শহরের খড়কি গাজীর বাজারের রিনা মেডিকেল চেম্বার থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।

সেলিমের নিখোঁজের ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার দুই স্ত্রী আলজিয়া খাতুন ও নাজমা খাতুন। সেলিম হোসেন সদর উপজেলার বি-পতেঙ্গালী গ্রামের বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিমের দুই স্ত্রী বলেন, খোঁজ পেতে স্বজনরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দপ্তরে দপ্তরে ঘুরেছেন। কোনো সন্ধান না পাওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করছেন।

সেলিমের চার সন্তান ও স্বজনরাও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২ ফেব্রুয়ারি সেলিম দোকানেই ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস দোকানের সামনে আসে। গাড়ি থেকে ১০-১২ জন নেমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দেয় এবং সেলিমকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। সেলিম তাদের পরিচয়পত্র দেখতে চান। না দেখিয়ে দোকানের সাঁটার বন্ধ করে সেলিমকে প্রাইভেট কারে তুলে নেয়া হয়। এরপর থেকে স্ত্রী ও স্বজনরা তার ব্যবহৃত মুঠোফোন পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। ডিবি, পিবিআই, র‌্যাবসহ বিভিন্ন দপ্তরে খোঁজ নিয়েও সন্ধান মেলেনি।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিমের দ্বিতীয় স্ত্রী নাজমা সুলতানা বলেন, দুটি পরিবারে তাদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে একজন বাকপ্রতিবন্ধী।

পল্লিচিকিৎসক সমিতির সহসভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সেলিমকে আমরা সজ্জন হিসেবেই জানি। তার সঙ্গে কারও কোনো ঝামেলা নেই।’

এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) বেলাল হোসাইন বলেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে।

বিষয়:

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আ.লীগের দুপক্ষের সংর্ঘষ-গুলি, আহত ৯

সংঘর্ষের একটি মুহূর্ত। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ সদরের চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরিত হয়েছে বেশ কয়েকটি ককটেল। এ সময় দুই পক্ষের তিনজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন ৯ জন। বেশকিছু ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুন্সীকান্দি, বেহেরকান্দি, ঢালিকান্দি, নোয়াদ্ধা ও লক্ষিদিবি গ্রামে এ সংর্ঘষ হয়। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন পাটোয়ারীর অনুসারীদের সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মহাসিন হক কল্পনার অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। মঙ্গলবার সকাল রিপন পাটোয়ারীর এক কর্মীকে মারধর করাকে কেন্দ্র করে দুপুরে মুন্সীকান্দি, বেহেরকান্দি, ঢালিকান্দি, নোয়াদ্ধা ও লক্ষিদিবি গ্রামে হামলা চালান রিপনের অনুসারীরা। কল্পনার অনুসারীরা প্রতিহত করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে পাঁচটি গ্রামে। ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির পাশাপাশি গ্রামগুলোতে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলেও তাদের সামনেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।

সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধরা হলেন ফারুক হোসেন, পরান মোল্লা ও মো. সুমন মোল্লা (১৮)। তাদের দুজনকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শৈবাল বসাক জানান, দুজনের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গুলির স্প্লিন্টার আঘাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংঘর্ষ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে দুপক্ষ। কল্পনার অনুসারী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শওকত দেওয়ান বলেন, দুপুরে রিপন চেয়ারম্যানের ছোট ভাই শিপন পাটোয়ারীর নেতৃত্বে হঠাৎ করে গ্রামের নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে।

অন্যদিকে রিপন পাটোয়ারী বলেন, ঢালীকান্দি গ্রামে আমার এক সমর্থককে কল্পনার লোকজন মারধর করেছে। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। এর জন্য কল্পনার অনুসারীরা দায়ী।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুজ্জামান বলেন, গ্রামের স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। পুলিশ তৎপর রয়েছে। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


চুরির অপবাদে শিশুর চুল কাটা সেই মেয়রের নামে মামলা

গোপালদী পৌরসভার মেয়র আ. হালিম শিকদার। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নাট-বোল্ট চুরির অপবাদ দিয়ে তিন শিশুকে হাত বেঁধে মারধর করে দুই শিশুর চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় গোপালদী পৌরসভার মেয়রসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই মেয়রের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। নির্যাতনের শিকার তিন শিশুর মধ্যে এক শিশুর বাবা মামলাটি করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে আড়াইহাজার থানায় মামলা করেন ওই শিশুর বাবা রমজান মিয়া। মামলায় গোপালদী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. হালিম শিকদার (৫২) ছাড়াও তার সহযোগী ফারুক এবং সেলুনের দুই নরসুন্দর উৎপল শীল (৩৮) ও দ্বীপক শীলকে (৫২) আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও চার-পাঁচজনকে।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মামলার পর অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মেয়র হালিমের বাড়ির পেছনে পাওয়ার লুমের মেশিন রাখা ছিল। সোমবার সকালে ওই পাওয়ার লুম মেশিনের নাট-বোল্ট চুরির কথা শুনে তিন শিশুকে রামচন্দ্রী বাজারের নিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন করেন মেয়র ও তার সহযোগীরা। চুরির অপবাদে তিন শিশুকে মারধর করেন মেয়রের সহযোগী ফারুক। পরে মেয়রের নির্দেশে উৎপল ও দ্বীপক দুই শিশুর মাথার চুল কেটে দেন। এরপর রশি দিয়ে হাত বেঁধে তাদের সেলুনের ভেতর আটকে রাখা হয়।

নির্যাতনের শিকার তিন শিশু হলো রামচন্দ্রদী গ্রামের একটি মসজিদের ইমাম জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে ও গোপালদী মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বায়েজিদ আলম (১০), রিকশাচালক হাসান মিয়ার ছেলে ও রামচন্দ্রদী মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র সিয়াম (৯) এবং রমজান মিয়ার ছেলে একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আফরীদ (৯)।

নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (আড়াইহাজার) আবির হোসেন জানান, শিশুদের নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার আসামী ফারুক ও উৎপল শীলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মেয়রসহ অন্যরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সোমবারের ওই ঘটনা অবশ্য অস্বীকার করেননি মেয়র হালিম সিকদার। সোমবার বিকেলে তিনি বলেন, আমার মালপত্র চুরি হয়েছে। ওরা চোর। আগেও চুরি করেছে। তাই ওদের চুল কেটে দিয়েছি।


উপহার পাওয়া গাড়ি আনতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন হিরো আলম

মঙ্গলবার উপহার পাওয়া গাড়ি আনতে সুনামগঞ্জের চুনারুঘাটে যান হিরো আলম। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৭:৫৪
প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

উপহার হিসেবে পাওয়া গাড়ি আনতে সুনামগঞ্জের চুনারুঘাটে গিয়ে জরিমানা গুনতে হলো নানা বিষয়ে আলোচনার জন্ম দেয়া হিরো আলমকে।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হিরো আলমকে বহন করা গাড়ির অতিরিক্ত গতি ছিল। এজন্য পুলিশ আড়াই হাজার টাকার মামলা দিয়েছে।

গত ৩১ জানুয়ারি বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনের আগের দিন চুনারুঘাটের নরপতি গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনের অধ্যক্ষ এম মুখলিছুর রহমান ফেসবুক লাইভে ঘোষণা দেন, নিজের ব্যবহৃত গাড়িটি হিরো আলমকে দিতে চান তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পাশাপাশি পৌঁছায় হিরো আলমের কানেও। পরে মুখলিছুর গাড়ি দিতে গড়িমসি করছেন এমন খবর প্রকাশ হলে আবারও ফেসবুক লাইভে এসে গাড়ি দেয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। অবশেষে মঙ্গলবার চুনারুঘাটে গাড়ি নিতে যান হিরো আলম।

এদিকে উপহার হিসেবে পাওয়া গাড়ি নিজে ব্যবহার করবেন না বলে জানিয়েছেন হিরো আলম। অসহায় ও গরীব রোগীদের সাহায্যার্থে গাড়িটিকে অ্যাম্বুলেন্স বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। নির্বাচনে একতারা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৮৩৪ ভোটে হেরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন তিনি। রাজনীতির মাঠেও আলোচনায় আছেন এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।

বিষয়:

উপহার পাওয়া গাড়ি দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স বানাবেন হিরো আলম 

উপহার পাওয়া গাড়ি নিতে মঙ্গলবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পৌঁছান হিরো আলম। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৭:৪৪
প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনের আগের দিন ফেসবুক লাইভে এসে হিরো আলমকে নিজের ব্যবহৃত গাড়ি উপহার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের এম মুখলিছুর রহমান। মঙ্গলবার গাড়ি নিতে এসে হিরো আলম জানিয়েছেন, উপহারে পাওয়া গাড়িটি ব্যবহৃত হবে অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে।

হিরো আলম বলেন, ‘অনেক অসহায় ও গরীব রোগী আছেন যারা টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে যেতে পারেন না। উপহারের এই নোয়া গাড়িটি তাই আমি তাদের সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স বানাব। এ গাড়িতে আমি বসব না।’

বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে হেরে যাওয়া এই স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, ‘আমি হিরো আলম, হিরোই থাকব। কেউ জিরো বানাতে পারবে না। আমার উদ্দেশ্য সৎ, তাই কোনো অপশক্তি আমাকে গ্রাস করতে পারবে না।’

মঙ্গলবার দুপুরে মুখলিছুর রহমানের বাড়িতে উপস্থিত হন হিরো আলম। গত ৩১ জানুয়ারি হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দেবেন বলে ফেসবুকে এসে লাইভ করেন কিন্ডারগার্টেনের অধ্যক্ষ এম মুখলিছুর রহমান। ভিডিওটি ব্যাপক ভাইরাল হয়। বিষয়টি পৌঁছায় হিরো আলমের কানেও। গণমাধ্যমেও আসে এই সংবাদ। পরে গাড়ি দিতে গড়িমসি করছেন মুখলিছুর রহমান, এমন সংবাদ প্রকাশ হলে মুখলিছুর রহমান আবারও ফেসবুকে লাইভ করেন, তিনি গাড়ি দেয়ার জন্য অপেক্ষায় আছেন। পরে মঙ্গলবার চুনারুঘাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হিরো আলম।

গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। নির্বাচনে একতারা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৮৩৪ ভোটে হেরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন তিনি। রাজনীতির মাঠেও আলোচনায় আছেন এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।


দিনাজপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান রকি। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৭:০৪
প্রতিনিধি, দিনাজপুর

দিনাপুরের হিলিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকার আশুলিয়ার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আসাদুজ্জামান রকিকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার ভোরে ফুলবাড়ি উপজেলার বেতদিঘী গ্রামে আসামির শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে রকিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আসাদুজ্জামান রকি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার নওপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নান হকের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, আসাদুজ্জামান রকি আশুলিয়া থানার কাঠগড়া বাজার এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো। একদিন খালি বাসায় গ্যাসের চুলায় সমস্যার কথা বলে একই ভবনের প্রতিবেশী এক নারীকে দেখার জন্য ডেকে এনে ধর্ষণ করে।

র‍্যাবের দিনাজপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. শরিফুল আহসান জানান, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসাদুজ্জামান রকিকে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামির পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যার অভিযোগ

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
আপডেটেড ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৩:৫৭
প্রতিনিধি, বগুড়া

বগুড়ার শিবগঞ্জে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামির পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যার অভিযোগে এক গৃহবধূকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এরশাদুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার কিচক ইউনিয়নের মাদারগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে এরশাদুলকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) নেয়া হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

ছিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান জানান, এরশাদুল কিচক ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। আটক নারী একই এলাকার বাসিন্দা।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম জানান, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এরশাদুলের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী এক নারী ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেন। মামলার অভিযোগপত্রও দাখিল করে পুলিশ। তিন মাস আগে এরশাদ জামিনে বের হয়ে আবারও ওই নারীকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এক পর্যায়ে সোমবার রাতে ওই নারীর কাছে গেলে ব্লেড দিয়ে এরশাদুলের পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়।

ওসি বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই নারীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিষয়:

মাদারীপু‌রে বাসচাপায় প্রাণ গেল শিশুর

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:০২
প্রতিনিধি, মাদারীপুর

মাদারীপুরের শিবচরে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আলফাজ হোসেন (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়ের সুর্যনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু আলফাজ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার আলম খানের ছেলে।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আফজাল সকালে তার বাড়ির পাশের পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়ে পাশ দিয়ে হেঁটে সূর্যনগর বাজারের দিকে যাচ্ছিল। এক্সপ্রেসওয়ে পার হওয়ার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস শিশুটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রাক্ষুব্ধ হয়ে বাসটি জব্দ করে ভাঙচুর করে। পরে হাইওয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিবচর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক বলেন, শিশুটি রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসটি শিশুটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এরপর বাসটি জব্দ করে স্থানীয়রা বাসের গ্লাস ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থল আসি। ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। ঘাতক বাসটির চালক ও চালকের সহকারী দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছেন। তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।


বাড়ি থেকে ফেরা হলো না রফিকুলের

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, নওগাঁ

নওগাঁর বদলগাছীতে ট্রাকচাপায় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বদলগাছী-জয়পুরহাট আঞ্চলিক সড়কের গোবরচাপা হাটে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রফিকুল ইসলাম উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের গোয়ালভিটা গ্রামের আব্বাস হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মোটরসাইকেলযোগে রফিকুল ইসলাম তার মেয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। দুর্ঘটনাস্থলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথর বোঝায় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হবে।


banner close