শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৪ ১০:৪৭

সারা দেশের ১৫৬টি উপজেলায় ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এই নির্বাচনে তিনটি পদে এক হাজার ৮২৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান পদে ৬০৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৯৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

এই ধাপে তিন পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২২ প্রার্থী। রাউজান ও কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় সকল পদেই প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

১৫৬ উপজেলায় মোট তিন কোটি ৫২ লাখ চার হাজার ৭৪৮ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে ১৩ হাজার ১৬টি কেন্দ্রের ৯১ হাজার ৫৮৯টি ভোটকক্ষে। ২৪ উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে এবং ১৩২ উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ১৭ থেকে ২১ জনের ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা ভেদে দুই থেকে চার প্লাটুন বিজিবি নিয়োজিত রয়েছে। ১৬টি উপজেলায় নিয়োজিত করা হয়েছে অতিরিক্ত ফোর্স।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তিন লাখ ৫৩ হাজার ৭২০ জন সদস্য ভোটের দায়িত্বে মাঠে রয়েছেন। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ৪৫৮ প্লাটুন, ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ৪৭ হাজার ৮২৯ জন, স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে পুলিশ ১৯ হাজার ৫৭ জন, র‍্যাবের দুই হাজার ৭৬৮ জন ও আনসার সদস্য রয়েছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ২৮৭ জন।

নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রতিপালনের জন্য প্রতি তিন ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতি উপজেলায় নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারকাজের জন্য রয়েছেন একজন করে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভোটের নিরাপত্তায় ভোটগ্রহণের দু’দিন পর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, ‘আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে। ভোটাররাও আগের নির্বাচন যেহেতু শান্তিপূর্ণ হয়েছে, তাই দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিতে পারবেন।’

দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৭৬টি উপজেলায় চার ধাপে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। গত ৮ মে প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলায় ভোট হয়েছে। অন্যগুলোতে আগামী ২৯ মে ও ৫ জুন ভোটগ্রহণ করা হবে। কয়েকটি উপজেলার মেয়াদ পূর্তি না হওয়ায় ভোটের তফসিল এখনো দেয়নি ইসি।

বিষয়:

নির্বাচিত

নারী সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে আনসার-ভিডিপিতে জাপানিজ ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণের সুযোগ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নারীর ক্ষমতায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে বাহিনীর নারী সদস্যদের জন্য জাপানিজ ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ (N-5) কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারী সদস্যদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগিতা অর্জন এবং আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে আগামী ৫ জুলাই ২০২৬ হতে ২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৯০ (নব্বই) দিনব্যাপী জাপানিজ ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ (N-5) পরিচালিত হবে। দেশের মোট ১৩টি কেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহ হলো—আনসার-ভিডিপি একাডেমি, গাজীপুর; ভিটিসি, নবাবগঞ্জ, ঢাকা; এবং ১১ টি জেলা কমান্ড্যান্ট কার্যালয়: ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম, ফেনী, নওগাঁ, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও কক্সবাজার।

প্রতিটি কেন্দ্রে ৪০ জন করে মোট ৫২০ জন প্রশিক্ষণার্থী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে AVMIS অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীদের বয়স ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং ন্যূনতম এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

এ উদ্যোগ দেশের নারী সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে এটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অগ্রণী ভূমিকার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।


নির্বাচিত

ফরিদপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর  

ফরিদপুরে জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালি ইউনিয়নের সালামতপুর গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর স্মৃতি জাদুঘর চত্বরে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

এর আগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ এর সভাপতিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুর ১ আসনে সংসদ সদস্য ডঃ ইলিয়াস হুসাইন মোল্লা, সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম সহ সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

পরে প্রধান অতিথি লাঞ্চ নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ জাদুঘর চত্বরে গাছের চারা রোপণ করে এ জেলায় বৃক্ষ রোপনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।


নির্বাচিত

সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরের পর বার্মা স্ট্যান্ড সংলগ্ন নাভানা সিটির সামনে দক্ষিণ কদমতলী কাশেমপাড়া এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ জেলার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রাশেদুজ্জামান এবং তাঁর শ্যালক গালিব ও শ্যালিকা সুরাইয়া।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ডিএনডি লেকে একই পরিবারের চার সদস্য একসাথে গোসল করতে নামেন। পানিতে নামার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন কোনোমতে তীরে উঠে আসতে পারলেও বাকি তিনজন চোখের পলকে পানির নিচে নিখোঁজ হয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও তাঁদের কোনো সন্ধান না পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে আদমজী ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি অবহিত করেন।

খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার অক্লান্ত চেষ্টায় ডুবুরিরা প্রথমে রাশেদুজ্জামান ও গালিবকে মৃত অবস্থায় পানি থেকে উদ্ধার করেন। এর ঠিক ৪০ মিনিট পর নিখোঁজ থাকা কিশোরী সুরাইয়াকেও মৃত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন তাঁরা।

আদমজী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মিরন মিয়া জানান, খবর পেয়ে তাঁদের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে এবং পর্যায়ক্রমে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, মৃতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। চারজন মিলে লেকে গোসল করতে নামলেও একজন বেঁচে ফেরেন এবং বাকি তিনজন পানিতে ডুবে প্রাণ হারান। বর্তমানে তাঁদের প্রত্যেকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

মণিরামপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ গেল কলেজ শিক্ষার্থীর

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি


যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাহিম (১৫) নামের এক স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কের আটমাইল নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

মাহিম মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং কুয়াদা স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।

জানা যায়, শনিবার (১৩ জুন) সকালে মাহিম তার মামার মোটরসাইকেল নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে বেগারীতলা বাজারে যায়। সেখানে কিছু সময় অবস্থান শেষে বাড়ি ফেরার পথে আটমাইল এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে সে।

এ সময় মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে থাকা একটি পিলার ও গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মাহিম ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মণিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। চুকনগর হাইওয়ে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর রেহানা আক্তার বলেন, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


নির্বাচিত

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ২১ পরিবার পেলেন ৭৭ লাখ টাকা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ২১টি পরিবারের মাঝে ট্রাস্ট ফান্ডের মোট ৭৭ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ হস্তান্তর করা হয়। সরকারি এই মানবিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হতাহতদের পরিবারের হাতে চেক তুলে দেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, জেলা পরিষদ প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান,বিআরটিএ পরিদর্শক রাম কৃষ্ণ পোদ্দার সহ সরকারি - বেসরকারি ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ,সুধীজন ও আর্থিক সহয়তা প্রাপ্তরা।

সড়ক পরিবহন আইনের ট্রাস্ট ফান্ড থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় ​নিহতদের পরিবার ৫ লাখ, গুরুতর আহতরা ৩ লাখ ও ​আহতরা ১ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতি টাকা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের এই উদ্যোগ বিপদে পড়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। এ সময় ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা রোধে চালক ও পথচারীসহ সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে।


নির্বাচিত

রূপগঞ্জে কারখানায় ডাকাতি, অস্ত্র ঠেকিয়ে নগদ অর্থসহ কোটি টাকার মালামাল লুট

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এসডিকে প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং নামে একটি কারখানায় দূধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাতরা কারখানার শ্রমিকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

কারখানার একাউন্ট ম্যানেজার নাঈমুর রহমান হৃদয় জানান, গতকাল সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ২০/২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল একটি ট্রাক যোগে রূপগঞ্জের বরাবো এলাকা অবস্থিত এসডিকে প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং কারখানা ইউনিট-২ এর গেইটে এসে সিকিউরিটি গার্ডকে নিজেদের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে কারখানার ভিতরের প্রবেশ করে।

পরে তারা কারখানার ভিতরে কর্মরত বেশ কয়েকজন শ্রমিককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি কক্ষে আটকে রাখে। এসময় কারখানার অফিস কক্ষের আলমারী ভেঙ্গে শ্রমিকদের বেতনের জন্য রাখা নগদ ২২ লাখ টাকা, বিভিন্ন মালামালসহ কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বিভিন্ন মালামাল লুট করে রাত ১২ টার দিকে কারখানা থেকে বের হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। তাছাড়া এব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। থানায় রিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।


নির্বাচিত

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ ‘ওয়াসিমের কবর’ জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

 পরিবারকে দিলেন ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র
জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরের অংশ হিসেবে তিনি শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানান। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদসহ বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শহীদ ওয়াসিম আকরামের মা জোসনা বেগমের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন। এ সময় শহীদ ওয়াসিমের পিতা শফিউল আলমসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দেশের জন্য শহীদ ওয়াসিম আকরামের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের এই অনন্য অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিকতায় পরিবারের সদস্যরা তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মৃতি সংরক্ষণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরে এসে নানামুখী জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর এই সফরের অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, স্থানীয় পথসভায় অংশগ্রহণ, সাফারি পার্ক পরিদর্শন, দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারতের এই বিশেষ কর্মসূচিটি অন্তর্ভুক্ত ছিল।


নির্বাচিত

রাউজানে যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে মাসুদ চৌধুরী (৪৫) নামের এক যুবদল নেতাকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে একদল দুর্বৃত্ত। শনিবার (১৩ জুন) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার পাহাড়তলী বাজার এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাসুদ চৌধুরী রাউজান উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী বাজারে অবস্থান করছিলেন ওই নেতা। ওই সময় অতর্কিতভাবে একদল সন্ত্রাসী তার ওপর আক্রমণ চালায় এবং অত্যন্ত কাছ থেকে তার মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে মাসুদ চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।’

জনাকীর্ণ বাজারে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘাতকদের ধরতে ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছে।


নির্বাচিত

খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন।

মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলায় এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

নেতারা বলেছেন, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পরও তাঁদের এই দাবি পূরণ না হওয়ায় আগামী রোববার (১৪ জুন) থেকে তাঁরা ধর্মঘট শুরু করবেন। ধর্মঘট শুরু হলে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের কথা থাকলেও বাস্তবে এর থেকে অনেক বেশি চলছে। মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করছে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সাতটি বাস মালিক সমিতি ও সাতটি শ্রমিক ইউনিয়নের দফায় দফায় সভা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও কোনো সমাধান করেনি। তাই বাধ্য হয়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলার মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, বাস মালিক সমিতির তিন দফা দাবির বিষয়ে আমরা অবগত আছি। মহাসড়কে যেন অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট না হয়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ৩ দফা দাবিগুলো হলো

১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা।

২. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।

৩. আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।


নির্বাচিত

রূপপুর থেকে আগস্টে আসছে আরও ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা জেলা প্রতিনিধি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আগামী আগস্টে শেষ দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এছাড়া ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি (নিউক্লিয়ার ফুয়েল) লোডিং সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে ঈশ্বরদীর স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক শক্তির কৌশল, বাস্তবতা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের বিনিয়োগ মূলত জাতীয় উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং মানুষের কল্যাণে বিনিয়োগ। তবে এই প্রযুক্তির সঙ্গে বড় ধরনের দায়িত্বও জড়িত রয়েছে। একটি সফল পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য শুধু প্রযুক্তি ও অবকাঠামো নয়, দক্ষ মানবসম্পদ, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নিরাপত্তা সংস্কৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, গত ২৮ এপ্রিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। এর ফলে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারকারী উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর দেশগুলোর কাতারে শামিল হয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে জ্বালানির চাহিদাও বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি যুগান্তকারী প্রকল্প। কেন্দ্রটি পূর্ণমাত্রায় চালু হলে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বাস্থ্যসেবায় ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা, কৃষিতে উন্নত জাতের ফসল উদ্ভাবন, শিল্পখাতের আধুনিকায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, পানি ব্যবস্থাপনা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

মন্ত্রী জনগণের আস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পারমাণবিক শক্তির নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। এ জন্য উন্মুক্ত যোগাযোগ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব অপরিহার্য। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।

সেমিনারে বক্তব্য দেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালেব মণ্ডল, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং অ্যাম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ রাসেল।

এছাড়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম এবং প্রধান সমন্বয়ক (এনএসপিসি) ব্রিগেডিয়ার রোবায়েত পারমাণবিক বিদ্যুৎ বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর প্রতিনিধি মেহমেত জেইহানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান: পুলিশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার ২৩ ঘণ্টা পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধানকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

তবে নিখোঁজ নয়, জিসান আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ নিয়ে শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৮টা ২৯ মিনিটে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধান দাউদকান্দি হতে নিখোঁজ হিসেবে শুক্রবার দাউদকান্দি থানায় এসে তার পক্ষে মো. রাসেল আহম্মেদ জিডি করেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় দাউদকান্দি বাজার এলাকা হতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়। জিডির প্রেক্ষিতে উদ্ধারের জন্য জেলা পুলিশের একাধিক টিম উদ্ধার কাজে তৎপর হয়। অনুসন্ধানকালীন প্রথমত নিখোঁজ জিসানের চাচাতো ভাই সজীবের মাধ্যমে জানা যায়, গত ৫/৬ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা নারীর (২৫) সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথাবার্তা শুরু হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

অনুসন্ধান আরো জানা যায়, গত ২০ মে দাউদকান্দি থানাধীন জিসানের ভাড়া বাসায় ওই নারীকে জিসান ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় জিসান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে জিসান ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে বাচ্চা নষ্ট না করলে ভুক্তভোগীকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন জিসান। পরে ওই নারী প্রাণের ভয়ে বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি হন।

এসময় জিসান তার বন্ধু সেকান্দার আলীর ওষুধের দোকান থেকে বাচ্চা নষ্ট করার ট্যাবলেট কিনে ভুক্তভোগীকে খাওয়ালে ভ্রূণ নষ্ট হয়। এসময় ওই নারীর সুস্থতার জন্য জিসান তার চাচাতো ভাই সজীবের মাধ্যমে পুনরায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে ভুক্তভোগীর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরে ভুক্তভোগী নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে জিসান ১২ জুন বিয়ে করতে রাজি হন। এর আগে ১১ জুন রাত ৮টার পর পর বিয়ে না করার টালবাহানায় জিসান নিজেই আত্মগোপন করে তার চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদের মাধ্যমে দাউদকান্দি থানায় উল্লিখিত জিডি করান। পরবর্তীতে নিখোঁজ জিডির অনুসন্ধানকালীন সময়ে কুমিল্লার লাকসাম থানা এলাকা স্থানীয় লোকজন ও লাকসাম থানা পুলিশের মাধ্যমে আত্মগোপন থাকা জিসান মিয়া প্রধানকে উদ্ধার করা হয়।

পরে ভুক্তভোগী নারী থানায় হাজির হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দাউদকান্দি থানায় মামলা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


নির্বাচিত

৮ নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিল সরকার

আপডেটেড ১২ জুন, ২০২৬ ২২:৪৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের আট নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে সাতজনই বিএনপি নেতা।

এসব নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বেতনকাঠামোর গ্রেড-২ পদে তাদের এক বছরের চুক্তিতে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

আটজনের মধ্যে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবুকে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন। রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদকে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত মোতাহার হোসেন তালুকদার ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান লোদী সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন।

এ ছাড়া রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. সামসুজ্জামান সামুকে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীবকে নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করেছে সরকার।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের স্কুলজীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্টার্ন রিফাইনারির সাবেক কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে চুক্তিতে নিয়োজিত মোহাম্মদ সালাউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে চুক্তিতে নিয়োজিত মো. নুরুল করিমের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে।

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন যুগ্ম সচিব এস এম তুহিনুর আলম। পরবর্তী পদায়নের জন্য তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।


নির্বাচিত

মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কুলাউড়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিপা রানী দাস বলেন, ‘খবর নিয়ে জানতে পেরেছি—নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মনু নদীতে নামার পর মুজিবুর ভারতীয় সীমানায় চলে গেলে বিএসএফ তাকে গুলি করে।’

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

banner close