বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
১২ চৈত্র ১৪৩২

দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে : সিইসি

রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৪ ১৭:২৫

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় নির্বাচনে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ উপজেলার ভোটকেন্দ্রে ছিল ভোটার খরা। এ ছাড়া বিভিন্নস্থানে গুলিবর্ষণ, সংঘর্ষ ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আটকসহ কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।

সারা দেশে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। এ নির্বাচনে ১৫৬টি উপজেলায় ১৩ হাজার ১৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০ হাজার কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। দুপুর ১টায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানান।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে রাজশাহী, রাজবাড়ী, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, ফরিদপুর, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, নেত্রকোণা, জামালপুরসহ অধিকাংশ জেলার উপজেলায় সারাদিন ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে, তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে ১১১টি উপজেলা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় আগামী ২৯ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক ১১১টি উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ ২৯ মে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

বিষয়:

আজীবন ঘৃণিত থাকবে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা : ভূমিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী প্রতিনিধি

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জাতির কাছে আজীবন ঘৃণিত হয়ে থাকবে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা। মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের প্রতি মানুষের ঘৃণা বিশ্বজুড়ে হিটলারের প্রতি যে ঘৃণা রয়েছে, তার মতোই থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের প্রতি মানুষের ঘৃণা বিশ্বজুড়ে হিটলারের প্রতি যে ঘৃণা রয়েছে, তার মতোই থাকবে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে ভূমিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। এখন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার দিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ স্বাধীনতাকে আরো উচ্চতায় নেয়ার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার বিষয়টিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বজলুর রশীদ। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কুচকাওয়াজ শুরু হয়।

কুচকাওয়াজ শেষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজিসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সকাল ৮টায় মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। এছাড়া পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পৌর মালিকানাধীন দোকানের তালা খুলে না দেওয়ায় ওসিসহ-এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছে যুব জামায়াত নেতারা। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে। পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় ৮ জামায়াত নেতাসহ অজ্ঞানামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পলাশবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রশিদুল বারী সাংবাদিকদের জানান, যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে বিবাদমান একটি দোকান তালাবদ্ধ করতে বলেন। তিনি রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। পরে মারধর করেন। এতে আহত হন ওসিসহ ও এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সুপার বলেন, পৌরসভার মালিকানাধীন কালিবাড়ি বাজারে একটি দোকানের তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে বিক্ষুদ্ধ যুব জামায়াত নেতারা পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসি সরোয়ারে আলম, এসআই রুহুল আমীনসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন।

খবর পেয়ে পলাশবাড়ী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বিষয়টি শুনে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক থানায় এসে পৌঁছান।

আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা মামলা করতে পারেন।

পলাশবাড়ি থানার ওসি সরোয়ার আলম জানান, অভিযুক্ত ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বোরহানউদ্দিনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভোলা প্রতিনিধি

যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা, ভাবগাম্ভীর্য এবং নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করে।

‎দিনের সূচনা হয় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে। এরপর উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পর্যায়ক্রমে শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

‎সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বোরহানউদ্দিন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী এবং স্কাউট, গার্লস গাইড অংশগ্রহণ করে। কুচকাওয়াজ শেষে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

‎এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মন তার বক্তব্যে বলেন, “স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতির গৌরবের প্রতীক। এই দিনের চেতনা ধারণ করে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

‎পরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার তাৎপর্য এবং বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন মিয়া এবং যুদ্ধকালীন ট্রুপস কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আচমত আলী মিঞা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হলে ইতিহাসকে জানতে ও চর্চা করতে হবে।

‎দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রচনা, চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়া স্থানীয় মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

‎বিকেলে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে বোরহানউদ্দিন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীগোষ্ঠী দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসবের আমেজকে আরও বর্ণিল করে তুলবে। সবমিলিয়ে, বোরহানউদ্দিনে মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন করে সবার মাঝে জাগ্রত করেছে।


পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।

হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে ১৬ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আরও ৫টি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ২টি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, বাসটি নদীর ৮০ থেকে ৯০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। একপর্যায়ে বাসটি পন্টুনের নিচে আটকে যায়। উদ্ধারকারী জাহাজ বাসটি ধীরে ধীরে ওপরে তুলে আনে।

বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক ১১ জনের মতো যাত্রী বাস থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনার পরপর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে জোরালো অভিযান শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

নিহতরা হলেন—

১) রেহেনা আক্তার (৬১), স্বামী: মৃত ইসমাঈল হোসেন খান, গ্রাম-ভবানীপুর, লালমিয়া সড়ক, রাজবাড়ী পৌরসভা।

২) মর্জিনা খাতুন (৫৬), স্বামী: মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম-মজমপুর, ওয়ার্ড-১৮, কুষ্টিয়া পৌরসভা।

৩) রাজীব বিশ্বাস (২৮), পিতা: হিমাংশু বিশ্বাস, গ্রাম-খাগড়বাড়ীয়া, কুষ্টিয়া সদর।

৪) জহুরা অন্তি (২৭), পিতা: মৃত ডা. আবদুল আলীম, গ্রাম-সজ্জনকান্দা, রাজবাড়ী পৌরসভা।

৫) কাজী সাইফ (৩০), পিতা: কাজী মুকুল, গ্রাম-সজ্জনকান্দা, রাজবাড়ী পৌরসভা।

৬) মর্জিনা আক্তার (৩২), স্বামী: রেজাউল করিম, গ্রাম-চর বারকিপাড়া, ছোট ভাকলা, গোয়ালন্দ।

৭) ইস্রাফিল (৩), পিতা: দেলোয়ার হোসেন, গ্রাম-ধুশুন্দু, সমাজপুর, খোকসা, কুষ্টিয়া।

৮) সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), পিতা: রেজাউল করিম, গ্রাম-চর বারকিপাড়া, ছোট ভাকলা, গোয়ালন্দ।

৯) ফাইজ শাহানূর (১১), পিতা: বিল্লাল হোসেন, গ্রাম-ভবানীপুর, বোয়ালিয়া, কালুখালী।

১০) তাজবিদ (৭), পিতা: কেবিএম মুসাব্বির, গ্রাম-সজ্জনকান্দা, রাজবাড়ী পৌরসভা।

১১) আরমান খান (৩১), পিতা: আরব খান, গ্রাম-পশ্চিম খালখোলা, বালিয়াকান্দি (বাস চালক)।

১২) নাজমিরা ওরফে জেসমিন (৩০), স্বামী: আব্দুল আজিজ, গ্রাম-বেলগাছি, মদেন্দ্রপুর, কালুখালী।

১৩) লিমা আক্তার (২৬), পিতা: সোবাহান মন্ডল, গ্রাম-রামচন্দ্রপুর, মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর।

১৪) জোস্ন্যা (৩৫), স্বামী: মান্নান মন্ডল, গ্রাম-বড় চর বেনিনগর, মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর।

১৫) মুক্তা খানম (৩৮), স্বামী: মৃত জাহাঙ্গীর আলম, পিতা: সিদ্দিকুর রহমান, গ্রাম-নোয়াধা, আমতলী, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।

১৬) নাছিমা (৪০), স্বামী: মৃত নূর ইসলাম, গ্রাম-মথুয়ারাই, পলাশবাড়ী, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

১৭) আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), স্বামী: নুরুজ্জামান, গ্রাম-বাগধুনিয়া পালপাড়া, আশুলিয়া, ঢাকা।

১৮) সোহা আক্তার (১১), পিতা: সোহেল মোল্লা, রাজবাড়ী পৌরসভা।

১৯) আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), পিতা: গিয়াসউদ্দিন রিপন, গ্রাম-সমসপুর, খোকসা, কুষ্টিয়া।

২০) আরমান (৭ মাস), পিতা: নুরুজ্জামান, গ্রাম-খন্দকবাড়িয়া, কাচেরকোল, শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।

২১) আব্দুর রহমান (৬), পিতা: আব্দুল আজিজ, গ্রাম-মহেন্দ্রপুর, রতনদিয়া, কালুখালী।

২২) সাবিত হাসান (৮), পিতা: শরিফুল ইসলাম, গ্রাম-আগমারাই, দাদশি, রাজবাড়ী সদর।

২৩) আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), পিতা: ইসমাইল হোসেন খান, গ্রাম-ভবানীপুর, রাজবাড়ী সদর।

নিহত আরেকজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।


সীতাকুণ্ডে চট্টলা এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্রগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার ও পরবর্তীতে তার সঙ্গে লাগোয়া শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বগিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কুমিরা স্টেশনে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে।

রেলওয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আগুন লাগছে মূলত পাওয়ার কারে। সেখান থেকে আরেকটা বগিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু তার আগে ওই বগিতে লোকজন বের হয়ে পড়ে এবং লাগেজগুলোও বের করে ফেলা হয়। আগুনে কেউ হতাহত হয়নি। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো আলাদা করে ফেলা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে পাওয়ার কার পাঠানো হচ্ছে। এটি জোড়া লাগিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা করবে।

তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী লেনে ট্রেন চলাচল কিছুটা ব্যাহত হয়। তবে কোনো ট্রেনের শিডিউল বাতিল হয়নি। বর্তমানে মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে।


মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৯৭১ সালে ৯ মাস যুদ্ধ করে একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। এই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ৩০ লাখ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়ের নির্যাতনের স্মৃতি এখনো মনে পড়লে এখনো গা শিউরে ওঠে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ ভূঁইয়ারবাগ এলাকায় বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ কথাগুলো বলেন। প্রথম আলো বন্ধুসভা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মুক্তিযুদ্ধের আলোয় জাগ্রত তরুণ্য’ স্লোগান নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে মার্চজুড়ে দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার সবার জন্য অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা এবং প্রথম আলোর ওয়েব পেইজ ও বন্ধুসভার ফেসবুক পেজে প্রতিদিন কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রথম আলো নারায়ণগঞ্জ বন্ধুসভার সভাপতি সাব্বির আল ফাহাদের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক ইমরান নাজিরের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হালিম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভানেত্রী লক্ষ্মী চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস সালাম, বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আশফাকুজ্জামান।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম আজাদ। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বর্বরোচিত হামলার পর ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে মানুষ প্রাণ বাঁচাতে বক্তাবলী ইউনিয়নে আশ্রয় নেন। তিনি তখন দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। তিনি ও তার সহযোদ্ধারা গ্রামের মুরব্বিদের নিয়ে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং গুরুতর আহত ব্যক্তিদের নৌকায় করে মুন্সীগঞ্জে পাঠান।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে হালিম আজাদ বলেন, ‘তোমরা নৈতিক আদর্শবান শিক্ষায় শিক্ষিত হবে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানবে নিজেকে বেগবান করবে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধারণ করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’

রফিউর রাব্বি বলেন, ‘আমাদের চিন্তাচেতনার বেড়ে ওঠার সব কিছু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা থাকেন, তারা ইতিহাসকে তাদের পক্ষে নেওয়ার জন্য ইতিহাস বদলে দিতে চান, যার ফলে রাষ্ট্র বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ইতিহাসও বদলে যেতে থাকে।’ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের বই পড়তে হবে। মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থগুলোর পাঠের মধ্যে দিয়ে তোমরা ইতিহাসকে জানবে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের হাজার বছরের ইতিহাসের একটি গৌরবগাথা।’

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে লক্ষ্মী চক্রবর্তী বলেন, ‘তরুণ বয়সে পারিবারিক চেতনার মধ্যে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়ের নির্যাতনের স্মৃতি এখনো মনে পড়লে এখনো গা শিউরে উঠে।’

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতায় মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রাথমিক বাছাই শেষে ৫ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। প্রথম হয়েছে সজীব দাস, দ্বিতীয় সায়লা আক্তার, তৃতীয় উম্মে হানি অনি, চতুর্থ তরিকুল ইসলাম এবং পঞ্চম হয়েছে ওমেরা তাসমির রিদা। তারা সবাই বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলের শিক্ষার্থী।

পরে বিজয়ীদের হাতে মুক্তিযুদ্ধের গল্পের বই উপহার দেওয়া হয়। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলো নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি মজিবুল হক, নারায়ণগঞ্জ বন্ধুসভার সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি সোহেল হাওলাদার, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক হাসান আল ইমরান, সদস্য বোরহান উদ্দিন, ইউসুফ কবির, আমির খান সাব্বির, সাকিব, গাজী ওমর ফারুক, জাহিদ মিয়াজী ও জিসান।


দৌলতপুরের দুই শতাধিক রোগী পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ১০ লাখ টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে থেকে পাওয়া আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা প্রায় ২০০ জন অসুস্থ ও অসচ্ছল মানুষের মাঝে ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, পক্ষাঘাত ও হৃদরোগের মতো ব্যয়বহুল রোগে ভুগছিলেন। আর্থিক সংকটের কারণে তাদের অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারছিলেন না। এসব রোগীর চিকিৎসা সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের অসহায় মানুষের পাশে সবসময় আছেন। কেউ যেন অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এই অনুদান আপনাদের চিকিৎসার পথে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, দৌলতপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ চলমান থাকবে।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ গুহসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


কালের সাক্ষী চারশ বছরের আলগী দিঘি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাদারীপুর প্রতিনিধি  

মাদারীপুর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বাড়ি হাফেজিয়া মাদ্রাসা-সংলগ্ন বিশালাকার আলগী দিঘি কালের সাক্ষী হয়ে আজও টিকে আছে, যা আলগী কাজীবাড়ি দিঘি নামেও পরিচিত।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ এনায়েত হোসেনের কাছে এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, দিঘিটি প্রায় চারশত বছর আগে ষোড়শ শতাব্দীর দিকে এটা গায়েবীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং এ দিঘির পাশে একটি গায়েবী মসজিদও তৈরি হয়। সেখানে স্থানীয়রাসহ দূর-দূরান্ত থেকে আগত অনেক দর্শনার্থী মানত হিসেবে টাকা-পয়সা, হাস-মুরগি, ফলফলাদি, ছাগল ইত্যাদি দান করে থাকেন। সেখানকার বাসিন্দাদের অনেকই বলেন, কে বা কারা কখন এই দিঘিটি খনন করেছেন তার কোনো তথ্য আমাদের কাছে জানা নেই। তারা ধারণা করছেন মোঘল সম্রাটের আমলেও দিঘিটি খনন হয়ে থাকতে পারে। কথিত আছে, ওই এলাকার বিবাহ-শাদী থেকে শুরু করে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে রান্না-বান্না ও আপ্যায়ন কাজে ডেগ, করাই, থালা-বাসুন ইত্যাদির প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী দীঘির মালিকের কাছে তা চাইলে তারা সেগুলো দিঘির তীরে গায়েবীভাবে পেয়ে যেতেন। যদিও এর কোনো ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

দিঘিটির সম্পর্কে একই এলাকার সৈয়দ এনামুল হাসান সোহাগ বলেন, ‘এটা প্রায় ৫-৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং কোথাও এর গভীরতা ৩০-৪০ ফুটের মতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘দিঘিতে রয়েছে প্রচুর দেশীয় প্রজাতির মিঠাপানির মাছ।’

অত্র এলাকার চারপাশের শত শত পরিবার এখানে দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজকর্ম সম্পাদনসহ গোসলের কাজ সারতেন; কিন্তু বর্তমানে তা আর সম্ভব হচ্ছে না। এখন দিঘিটিতে তেমন নাব্যতা নেই, যথাযথ সংরক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে দিঘিটি তার জৌলুস হারিয়ে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানার স্তূপে ঢেকে গিয়ে মানুষের ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।’ সেখানকার বাসিন্দারা সরকারিভাবে দিঘিটির সংরক্ষণ, খনন, সংস্কার ও পরিচর্যার মাধ্যমে এটিকে মাদারীপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লখ্য, দিঘিটি পরিদর্শনে এখনো দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আগমন করে থাকেন।


নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নরসিংদী প্রতিনিধি

ঈদ উৎসবে বিনোদন পিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কসহ জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো। সকাল থেকেই শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে বিনোদন কেন্দ্রগুলো। ঈদের আমেজকে রাঙ্গিয়ে দিয়ে ও বিনোদনপ্রেমীদের আকৃষ্ট করতে পার্ককে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি শহরের কোল ঘেষে নরসিংদীর পাঁচদোনায় অবস্থিত ড্রিম হলিডে পার্কে ঈদকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ এখানে ঘুরতে আসছে। কিড্স জোন, বুলেট ট্রেন, স্কাই ট্রেন, এয়ার বাইসাইকেল, সোয়ান বোট, ওয়াটার বোট, রোলার কোস্টার, ক্রেজি রিভার, লেজি রিভার, স্পিডবোট, আদর্শ গ্রামসহ আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন রাইডের পাশাপাশি ওয়াটার পার্কে ডিজে গানের তালে নেচে নেচে দর্শনার্থীরা ঈদ আনন্দে মেতে উঠেছে।

এ বছর ড্রিম হলিডে পার্কের, সি ওয়াল্ড, সুনামীর ঢেউ আর রোমাঞ্জকর ভৌতিক পরিবেশে নজর কাড়ছে ড্রিম রিভার ক্যাব। বড়দের পাশাপাশি বিভিন্ন রাইডে শিশুদের উপস্থিতিও ছিল বেশ। এছাড়া ভূতের বাড়ি শিশুদের পছন্দের জায়গা করে নিয়েছে।

ড্রিম হলিডে পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রবীর কুমার সাহা জানিয়েছে, দর্শনার্থীদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পার্কে নতুন নতুন রাইড সংযোজন করা হয়েছে। এখন আর ভ্রমনপিপাসুদের বিদেশে ভ্রমণ করতে যেতে হবে না। বিদেশি দর্শনার্থীরা ও পার্কে ঘুরতে আসছে। সকলের নিরাপত্তায় নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবীদের পাশাপাশি আনসার বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে বলে জানান ড্রিম হলিডে পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

ঈদে জেলার প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিনোদন প্রেমীরা ভীড় জমিয়েছে। ভ্রমণ পিপাসুদের বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করে দেশের বিনোদন কেন্দ্রগুলো উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশীয় পর্যটনের বিকাশ হবে।


মাগুরায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুজন আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা ট্রাক টার্মিনালের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যানবাহনে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব-৬ এর একটি টিম একটি পিকআপ ভ্যানে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে।

এরা হলেন ঝিনাইদাহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার নগর বাথান গ্রামের অহিদুল ইসলাম (৩৪) ও গোবিন্দপুর হালদারপাড়া এলাকার আরিফুল লস্কর (২৫)।

বুধবার (২৫ মার্চ) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের সিনিয়র এএসপি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।


হাওরে শিলাবৃষ্টি, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান ও ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেল ও রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে এ দুর্যোগে কৃষকের মাঠের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে জেলার মিঠামইন, ইটনা, অষ্টগ্রাম, নিকলী, পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর, কুলিয়ারচর ও ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের তাণ্ডবে হাজার হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, তিনি ৩০ একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। এর মধ্যে ২০ একরের বেশি জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষ্য, শুধু তার ইউনিয়নেই কৃষকের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

ইটনা উপজেলা সদরের হাজারীকান্দা গ্রামের কৃষক রইছ উদ্দিন বলেন, তিনি ১১ একর জমিতে ভুট্টা এবং ৩ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে ৪ লাখ টাকারও বেশি। তিনি আশা করেছিলেন, অন্তত ১০ লাখ টাকার ফসল পাবেন। কিন্তু শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে এখন খরচও উঠবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন।

ইটনার বলদা হাওরের কৃষক শামীম আহমেদ বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে আমি শেষ হয়ে গেছি। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে কীভাবে চলব, তা ভেবে অস্থির লাগছে।’

কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি এলাকার কৃষক রোমান আলী শাহ বলেন, ‘মাত্র ১০ মিনিটের বৃষ্টি আর ঝড়েই সব শেষ হয়ে গেছে। কিছুতেই মনকে বোঝাতে পারছি না।’

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, বোরো ধানের শীষ বের হতে শুরু করেছে মাত্র। এমন সময় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় ধানগাছ নুয়ে পড়েছে, শীষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক জমিতে ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে ফলন নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীতে মিঠামইনে ২ হাজার ৫০০ হেক্টর, ইটনায় ৯৮৬ হেক্টর, অষ্টগ্রামে ১৪০ হেক্টর, নিকলীতে ১০০ হেক্টর, পাকুন্দিয়ায় ১২০ হেক্টর, হোসেনপুরে ১০ হেক্টর, কুলিয়ারচরে ৬ হেক্টর এবং ভৈরবে ২ হেক্টরসহ মোট ৩ হাজার ৮৬৪ হেক্টর বোরো জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কৃষকদের দাবি, বোরো ধান ও ভুট্টাসহ প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি।

কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘এ বছর জেলায় মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে দুর্যোগে ৩ হাজার ৮৬৪ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’


সংযোগ সড়কের অভাবে অচল ব্রিজ ১৫ দিনের মধ্যে চালুর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহজাহানপুরে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সেসময় তিনি ১৫ দিনের মধ্যে ব্রিজের অ্যাপ্রোচ (সংযোগ) সড়কের কাজ সম্পন্ন করে ব্রিজটি জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেন। এ লক্ষ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক এবং ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজের মূল অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি অচল অবস্থায় পড়ে আছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যৌথভাবে তাকে পরিদর্শনের নির্দেশ দেন, যাতে দ্রুত জনগণের ভোগান্তি দূর করা যায়।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করে ব্রিজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) মো. ওয়াহিদুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


গণহত্যা দিবস: বিনম্র শ্রদ্ধায় দেশজুড়ে শহীদদের স্মরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চালানো বর্বর হত্যার শিকার সব শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) সারাদেশে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, বিশেষ আলোচনা সভা ও শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল হয়। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের খবরে।

নীলফামারী: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। নীলফামারী সরকারি কলেজ বদ্ধভূমিতে রাষ্ট্রের পক্ষে শহীদদের স্মরণে প্রথমে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এরপর পুলিশ সুপার শেখ জাহেদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নীলফামারী সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় মহান আল্লাহর কাছে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ প্রার্থনা করা হয়।

কাপাসিয়া (গাজীপুর): কাপাসিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ আলোচনা সভা হয়। উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামান্না তাসনীম সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বক্তব্য দেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদুল হক, থানার ওসি শাহীনুর আলম, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন আহমেদ নান্নু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক সামসুদ্দীন খান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সদস্য সচিব মো মফিজ উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুহুল আমিন, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার): উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে গণহত্যার স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় দিবসের স্মৃতিচারণ করে স্বাগত বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু কমলা কান্ত। আরও বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সুশীল চন্দ দে, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রেদওয়ান খান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খুরশেদ আলম, ভুকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির।

কেশবপুর (যশোর): কেশবপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও নীরবতা পালন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘২৫ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক ভয়াল ও বেদনাবিধুর রাত। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর যে নৃশংস গণহত্যা চালায়, তা বিশ্ব ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে এবং শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করতে এ দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং শহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাস্টার রফিকুল ইসলাম।

ভোলা: দিবসটি উপলক্ষে বোরহানউদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।‎

‎বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোবিন্দ মণ্ডল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

‎‎সভা শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন অতিথিরা।

‎আলোচনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করে। তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও গণহত্যার স্মৃতি সম্পর্কে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করে। এ সময় বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

শ্রীপুর (গাজীপুর): ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাক-হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় নিহত ১২ শহীদের স্মরণে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাতখামাইর গণকবর ও বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতারা ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

স্মৃতিচারণে বক্তারা বলেন, ‘১৯৭১ সালে এই এলাকায় পাক-হানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে দুই নারীসহ ১২ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। পরে তাদের সাতখামাইর গ্রামের রেললাইনের পাশে একই স্থানে গণকবর দেওয়া হয়।

নিহতদের মধ্যে এক নববধূও ছিলেন, যাকে বিয়ের আসর থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়—যা সেই সময়কার নৃশংসতার এক মর্মান্তিক দৃষ্টান্ত।

সংসদ সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, ‘যারা স্বাধীনতার চেতনাকে অস্বীকার করে, তারা ইতিহাসকে অস্বীকার করে। আজ আমরা যে গণকবরে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি, এটি আমাদের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের এক জ্বলন্ত প্রমাণ।’

গণকবরে শায়িত শহীদদের মধ্যে রয়েছেন আলী মুনসুর, আব্দুল বাতেন, আজম আলী, ইছব আলী, আব্দুস ছাত্তার, ইসমাইল হোসেন, ছনা পাগলা, আব্দুল লতিফ, আতর আলী, হানিফ মিয়া, ছালেহা বেগম ও রুকিয়া বেগম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজিব আহমেদ, শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছির আহমেদ, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহফুল হাসান হান্নান,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেব, সদস্য সচিব খায়রুল কবির আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোসলেম উদ্দিন মৃধা, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম নয়ন,তেলিহাটী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম বন্ধুকশীসহ অন্যান্য নেতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) খলাপাড়া বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম কামরুল ইসলাম খলাপাড়া বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.টি.এম কামরুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দপ্তর প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি।

বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা আরও আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবে।

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ): কোটালীপাড়ায় শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাগুফতা হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কুমার মৃদুল দাস, কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রিয়াদ মাহমুদ (পিপিএম), উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার দাড়িয়া, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী দাড়িয়া, সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম দাড়িয়া প্রমুখ।

বাসাইল (টাঙ্গাইল): উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, এক মিনিট নিরবতা পালন, ব্ল্যাক আউটসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. আকলিমা বেগম।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে-ই-লায়লার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন বাসাইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হীরা মিয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাজাহান আলী, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক মো. নুরুল ইসলাম, সরকারি জোবেদা রুবেয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খান, বাসাইল জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. মহিউদ্দিন, ফুলকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল আলম বিজু প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নৃশংস হত্যাযজ্ঞের কথা স্মরণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। দিনটি উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালনা করা হয়।

মাগুরা: সকালে নোমানী ময়দানে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মাগুরা প্রেসক্লাবসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে নোমানি ময়দানে হয় আলোচনা সভা। সভায় জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমদ, পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডাক্তার শামীম কবির, মাগুরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা অহিদুজ্জামান প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর বেদনা বিধুর দিন । এ দিনে পাকিস্তান দখলদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট অভিযানের নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মুক্তিকামী মানুষের উপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। গণহত্যা দিবস আমাদের সেই ভয়াল কাল রাত্রির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

রৌমারী (কুড়িগ্রাম): সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা হয়। প্রভাষক আখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান, রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী, কৃষি কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম প্রমুখ।


banner close