বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে : সিইসি

রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৪ ১৭:২৫

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় নির্বাচনে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ উপজেলার ভোটকেন্দ্রে ছিল ভোটার খরা। এ ছাড়া বিভিন্নস্থানে গুলিবর্ষণ, সংঘর্ষ ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আটকসহ কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।

সারা দেশে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। এ নির্বাচনে ১৫৬টি উপজেলায় ১৩ হাজার ১৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০ হাজার কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। দুপুর ১টায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানান।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে রাজশাহী, রাজবাড়ী, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, ফরিদপুর, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, নেত্রকোণা, জামালপুরসহ অধিকাংশ জেলার উপজেলায় সারাদিন ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে, তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে ১১১টি উপজেলা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় আগামী ২৯ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক ১১১টি উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ ২৯ মে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

বিষয়:

নির্বাচিত

সারাদেশের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সারাদেশের যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) (১ অক্টোবর)সারাদেশের বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যুরো, জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানোর খবরে বিস্তারিত;

মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর : ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) (১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও এনজিওসমূহের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সোহরাব হোসেন, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফাতেহাবাদের সম্পাদক প্রফেসর এবিএম সাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক অধ্যাপক এম.এ সামাদ, বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি ড. এম.এ জলিল, ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ আব্দুস সামাদ, লেখক ও গবেষক মফিজ ইমাম মিলন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এএফএম কাইয়ুম জঙ্গি, বিশিষ্ট এনজিও ব্যক্তিত্ব আজহারুল ইসলাম, এসডিসির নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল সহ ফরিদপুরের প্রবীণ ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তর ফরিদপুরের ইউসিডি অফিসার কে.এম. সুজাউদ্দিন রাশেদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পরে ১০৭ বছর বয়সি প্রবীণ মোহাম্মদ গৈজদ্দিন মুন্সিকে বাংলাদেশ প্রবীণ হিতষি সংঘ ফরিদপুর জেলা শাখা ও দৈনিক ফতেহাবাদের পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।

মাগুরা প্রতিনিধি জানান : আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) (১ অক্টোবর)সকালে মাগুরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাগুরার জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, প্রবীণরা আমাদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার। তাঁদের জীবনের অভিজ্ঞতা, শ্রম ও অবদানের ওপর দাঁড়িয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের বর্তমান। তাই বার্ধক্যকে বোঝা হিসেবে নয়—অভিজ্ঞতা, মর্যাদা ও অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখতে হবে। দীর্ঘায়ুর এই সময়ে প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, পারিবারিক সহায়তা, নিরাপদ জীবনযাপন এবং সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান: দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আন্তর্জাতিক ৩৬তম প্রবীণ দিবস উদযাপন ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজ সেবা কার্যালয় এর আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সম্মেলনে কক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০ সময় অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা সমাজ সেবা অফিসার এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস। জেলা সমাজ সেবা অফিসের অতিরিক্ত ডিডি রোকনুজ্জামান এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডাক্তার জয়ন্ত কুমার, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল,সাতক্ষীরা সদর সমাজ সেবা অফিসার সরীফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা মহিলা অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম ফতেমা জোহরা। অন‍্যন‍্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গাজী হেলাল, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী প্রমূখ।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে ৩৪তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।

​দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টায় জেলা প্রশাসন কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

​পরবর্তীতে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এসএম ফজলুল করিম সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘ সভাপতি সৈয়দ আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, জেলা জামাতে ইসলামী আমীর নাজমুল আহসান,​ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মহসিন উদ্দীন, সহকারী কমিশনার অনিক সাহা প্রমুখ।

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি : ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ এই প্রতিপাদ্যে নানা আয়োজনে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে আন্তজার্তিক প্রবীণ দিবস পালন হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টায় জীবননগর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালীটি সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‍্যালী শেষে জীবননগর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রবীণদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন জীবননগর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি।

জীবননগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা প্রবীণ কমিটির সভাপতি শাহাজাহান আলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুর জব্বার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জুয়েল শেখ, সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরআলম, উপজেলা লোকমোর্চার প্রোগ্রামার অফিসার আব্দুল আলীম সজল প্রমূখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রবীণ কমিটির সদস্য বৃন্দ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালিত হয়েছে।ভেড়ামরা উপজেলা জ্যেষ্ঠ নাগরিক পরিষদের উদোগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) (১ অক্টোবর)বেলা ১১ঘটিকার সময় উপজেলা চত্বরে বিশ্ব প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, র‌্যালি, নগদ অর্থ প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘ বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালিত হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’। ভেড়ামারা উপজেলা জ্যেষ্ঠ নাগরিক পরিষদের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম খোকন সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার।বিশেষ অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক আহমেদ, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার এমদাদুল হক বিশ্বাস সহ ভেড়ামারা উপজেলা জ্যেষ্ঠ নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সহ-সভাপতি বজলুর রহমান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোলায়েম হোসেন প্রমুখ।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি জানান : ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সের সামনে শেষ হয়। পরে সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ. কে. এম. মনিরুজ্জামান,এসো এনজিওর নির্বাহী পরিচালক ও জেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মতিনুর রহমান মতিন,বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, জেলা সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফজাল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মোহফেল উদ্দিন।

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি জানান: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে পরিষদের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম খালেকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রহুল আমিন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুল খায়ের নূর মোহাম্মদ, মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম ও এনজিও প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী বলেন, প্রবীণরা আমাদের সমাজের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের ভান্ডার। তাদের অবদানেই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সমৃদ্ধ হয়েছে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কোনো প্রবীণ যেন অবহেলা ও অনাদরে না থাকেন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের যথাযথ সম্মান, নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাই প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

শেরপুর প্রতিনিধি জানান: ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত র‌্যালিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার, শেরপুরের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল নাসরিন আক্তার। সভাপতিত্ব করেন শেরপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক কামরুজ্জামান খান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল, জামায়াত নেতা, আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় প্রবীণ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা, অধিকার, নিরাপদ ও সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিতকরণ এবং সমাজে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি জানান: দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভোলার তজুমদ্দিনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জনাব মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ বনি আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় বক্তৃতা করেন, তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান, মানব সেবা সংস্থার সভাপতি রফিকুল ইসলাম সাদী, দীপাঞ্চল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন লিটন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রবীণরা আমাদের সমাজের অভিজ্ঞতার ভান্ডার। তাদের সম্মান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান: নওগাঁর মহাদেবপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) (১ অক্টোবর)দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রেজওয়ানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রবীণ হিতেষী সংঘের সভাপতি, সাবেক শিক্ষক মোঃ আছসালাতুজ্জামান আরজু, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. খুরশিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম রাব্বানী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার মো. ফরিদুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম রাব্বানী, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ প্রমুখ। এর আগে একটি র‌্যালি উপজেলা পরিষদের সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।


নির্বাচিত

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূর গায়ে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূর গায়ে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় গত ৬ দিন ধরে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগী সাবেকুন নাহার (২৭) জয়পুরহাট সদর উপজেলার কাদোয়া কয়রাপাড়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের মেয়ে। প্রায় দুই বছর আগে পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাট্টা তৈফিকপাড়া গ্রামের আলেফ উদ্দীনের ছেলে সাজু মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সাড়ে ৩ মাস বয়সি একটি শিশুসন্তান রয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেকুন নাহার জানান, বিয়ের সময় তার পরিবার আড়াই লাখ টাকা যৌতুক দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি তার স্বামী সাজু মিয়া আরও টাকা দাবি করে আসছিলেন। বাবা দরিদ্র হওয়ায় অতিরিক্ত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তার গায়ে গরম পানি অথবা ক্ষতিকর কোনো দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাবেকুনের বাবা মোশাররফ হোসেনের অভিযোগ, ওই রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার মেয়ের স্বামী ও শ্বশুর দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করেন। সাবেকুনের চিৎকার শোনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। মেয়ের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি থানায় মামলা করবেন বলে জানান।

জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মুর্শিদা পারভীন জলি জানান, রোগী দাহ্য কোনো পদার্থে দগ্ধ হয়েছেন। গরম পানি নাকি অ্যাসিড কোনটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বর্তমানে তার চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুর পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ বা মামলা পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

কর্মকর্তাদের অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কিছু অনিয়ম ও ভুল ছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সেগুলো সংশোধন করে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, কাজ করতে করতেই শেখার সুযোগ তৈরি হয়। তবে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা না নিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। দেশের আটটি উপজেলায় একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষক কার্ড উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন।

কায়সার কামাল বলেন, আজ কৃষক কার্ডের উদ্বোধন হয়েছে এবং দুর্গাপুরও এ কার্যক্রমের অংশীদার হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখানে কোনো ধরনের ত্রুটি হয়নি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, দল, মত, পথ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে দুর্নীতিমুক্তভাবে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করতে হবে। এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা ও নির্দেশনা। আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগের দেড় দশকের প্রশাসনিক সংস্কৃতির সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনকে এক করে দেখা যাবে না। কাজের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতার প্রসঙ্গ তুলে কায়সার কামাল বলেন, জনগণের জন্য বিভিন্ন অনুদান বরাদ্দ হলেও অনেক সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে জানতে পারেন না। জনগণের জন্য বরাদ্দ করা অনুদানের তথ্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক দায়িত্ব।

এ দায়িত্ব পালনে ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রয়োজনে জনগণও তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পিকার।

এর আগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়েও কথা বলেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, অতীতে অনেক কিছু হয়েছে। সেসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোতে হবে। অতীতকে ক্ষমা করা হলেও কোনো কর্মকর্তা বা শিক্ষক অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হক, কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নুরুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

জামালপুরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারা হত্যায় বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরের ইসলামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারা বেগমের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ইসলামপুর উপজেলার চর গোয়ালিনী ইউনিয়নের হরিনধরা ব্রিজে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে নিহত মঞ্জুয়ারা বেগমের মা রিনা বেগম, ছোট বোন আঞ্জুয়ারা বেগম, স্থানীয় হাফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম মোল্লা, বিল্লাল মাস্টার, রাশেদুল ইসলামসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা বলেন, ‘ইসলামপুর উপজেলার চর পুটিমারি ইউনিয়নের ৪নং চরের বাসিন্দা সুজন ও তার স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম দম্পতির তিন জন সন্তান রয়েছে। কয়েক বছর আগে তাদের ছোট সন্তানকে ১২ দিন বয়সে মঞ্জুয়ারার দেবর লুৎফর পালক নেয়।

পরবর্তীতে লুৎফর তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আবার নতুন করে বিয়ে করেন। এরপর থেকেই লুৎফরের নতুন স্ত্রী পালক সন্তানকে নির্যাতন শুরু করে।

শিশুসন্তানকে নির্যাতন করায় তার গর্ভধারিণী মা মঞ্জুয়ারা বেগম ক্ষুব্ধ হন এবং বাধা দেন। এতে করে মঞ্জুয়ারার সাথে তার স্বামী সুজন ও দেবর লুৎফরের কলহ সৃষ্টি হয়। কলহের জেরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারাকে চলতি বছরের গত ২৬ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়িতে হত্যা করা হয়।

হত্যার ঘটনায় স্বামী সুজন ও দেবর লুৎফর, লোকমান, হামিদুর রহমান মলিন, আব্দুর রাজ্জাকসহ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


নির্বাচিত

মৌলভীবাজারে ট্রাক ও বিদেশি মদ জব্দ, গ্রেপ্তার ২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

সিলেট থেকে পণ্যবাহী ট্রাকে করে কৌশলে ঢাকায় পাচারের চেষ্টাকালে মৌলভীবাজারে বিদেশি মদের একটি বড় চালান জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় চালক ও সহকারীর সিটের পেছনে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৮০ বোতল বিদেশি মদসহ দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটিও।

বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শেরপুর গোলচত্বর এলাকায় মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান ওরফে সকাল (৩২) এবং একই উপজেলার ইটাগাছা এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩০)।


জানা গেছে, সীমান্ত এলাকা হয়ে আসা বিদেশি মদের একটি চালান ট্রাকযোগে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মহাসড়কে সতর্ক অবস্থান নেন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে ভোররাতে শেরপুর গোলচত্বরে সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি ট্রাক সংকেত দিয়ে থামানো হয়।
তল্লাশির একপর্যায়ে চালক ও সহকারীর বসার সিটের ঠিক পেছনে বিশেষ কৌশলে লুকানো চারটি চটের বস্তা নজরে আসে পুলিশের। পরে বস্তাগুলো খুলে বিভিন্ন নামীদামি ব্র্যান্ডের মোট ৮০ বোতল বিদেশি হুইস্কি উদ্ধার করা হয়।


উদ্ধারকৃত মাদকের তালিকায় রয়েছে ৪৬ বোতল রয়্যাল স্ট্যাগ ডিলাক্স, ১৮ বোতল এসি ব্ল্যাক পিউর গ্রেইন ডিলাক্স এবং ১৬ বোতল আইকনআইকিউ হোয়াইট ফাইনেস্ট ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন হুইস্কি।


পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে, তারা পরস্পর যোগসাজশে সীমান্ত এলাকা থেকে সংগ্রহ করা এই মদের চালানটি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশে রাজধানীতে নিয়ে যাচ্ছিল।


অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, মহাসড়ক দিয়ে মাদক পাচারের এ অপতৎপরতা হাতেনাতে নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রের পেছনে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


নির্বাচিত

সরকারি সড়কে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মিজানুর রহমান, পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সরকারি সড়ক নির্মাণকাজে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করায় বাধা দিতে গিয়ে এলজিইডির কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার ও স্থানীয় এলাকাবাসীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার এজাহার নামীয় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে নিম্নমানের ইট জব্দ করা হয়েছে।

জানা গেছে, বোদা উপজেলার ৫ নম্বর বড়শশী ইউনিয়নের মহিষবাথান-ভাউলাগঞ্জ ভায়া নায়েকপাড়া মোড় পর্যন্ত ৭৪৭ মিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করার জন্য কার্যাদেশ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ভাই বোন ট্রেডার্স’। তবে কাজটি সাব-ঠিকাদার হিসেবে বাস্তবায়ন করছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ এলাকার ‘মেসার্স দুলাল ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মো. শাহীনুর ইসলাম শাহীন (৩৩)।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বড়শশী ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া জামে মসজিদসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কের দুই পাশে এজিংয়ের কাজে নিম্নমানের ও কথিত ৩ নম্বর ইট ব্যবহারের খবর পান এলজিইডির কর্মকর্তারা। পরে বোদা উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফিরোজুর রহমান ও সার্ভেয়ার মো. হযরত আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ পরিদর্শনকালে একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সাব-ঠিকাদার শাহীনুর ইসলাম শাহীন। পরে তার সঙ্গে থাকা দলবল এলজিইডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও দুর্ব্যবহার করেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলজিইডির কর্মকর্তারা বোদা থানা-পুলিশকে খবর দেন। তবে সাব-ঠিকাদার শাহীনুর ইসলাম শাহীনকে পুলিশ আটক করে এবং পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ ঘটনায় বোদা উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মো. হযরত আলী বাদী হয়ে বোদা থানায় মামলা করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নি.) তপন কুমার রায় ঘটনাস্থলের পাশের মো. মিনারুল ইসলামের বাড়ির খোলা জায়গা থেকে রাস্তা নির্মাণকাজে ব্যবহারের জন্য রাখা ১০০ পিস নিম্নমানের ইট জব্দ করেন। জব্দ করা ইটের গায়ে ‘MMR2’ লেখা রয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বোদা উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফিরোজুর রহমান বলেন, ‘নিম্নমানের ইট দিয়ে এজিংয়ের কাজ করায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে এর আগেও সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সতর্ক করার পরও তারা তা না মেনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ নিয়ে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।’

এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি সড়কের কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ আইন অনুযায়ী নেওয়া হবে।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সরকারি কাজে বাধা, অর্থ অপচয়, প্রতারণা ও হুমকির অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’


নির্বাচিত

ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও সদর ও রুহিয়া উপজেলার ২ হাজার ১৩৭ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ সহায়তার অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেক কৃষককে দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে।

এর মধ্যে সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া ব্লকের ৯৬৫ জন এবং রুহিয়া উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের কুজিশহর ব্লকের ১ হাজার ১৭২ জন কৃষক এ সহায়তা পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ফেনী থেকে ৭৭টি উপজেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের নারগুন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপকারভোগী কৃষকেরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘কৃষকদের সহায়তা দেওয়ার এ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত কৃষকরা এ সহায়তার আওতায় আসবেন।’

কৃষি উপকরণ কেনা ও উৎপাদন ব্যয়ের কিছুটা চাপ কমাতে এ সহায়তা কৃষকদের কাজে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


নির্বাচিত

চলনবিলের ধান খেতে ফাঁদ পেতে পাখি শিকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৪৪
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)


শীতের শুরুতেই ঝাঁকে ঝাঁকে খাবারের সন্ধানে, চলনবিলে ছুটে আসছে পরিযায়ী পাখিসহ দেশীয় নানা প্রজাতির পাখি। পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে চলনবিলসহ আশপাশের এলাকাগুলো। এ সুযোগে সৌখিন ও পেশাদার শিকারিরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে এসব পাখি নিধন শুরু করছে।


এদিকে নানা প্রজাতির পাখি শিকার করে প্রকাশ্যেই বিক্রি করছে স্থানীয় হাট-বাজারে। তবে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পাখি নিধন বন্ধে কাজ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে পাখি শিকার বন্ধ করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার পাটগাড়ি পাড়া এলাকার খাল, বিল, নালা ও জলাশয়গুলোতে কমছে পানি। জেগে উঠছে খেত। পাওয়া যাচ্ছে ছোট-বড় মাছ। বিলে বোনা আমন ধানও রয়েছে। এসব মাছ ও ধান খাওয়ার লোভেই নানা প্রজাতির পরিযায়ী ও দেশীয় প্রজাতির পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে এ অঞ্চলে। কিন্তু বিষটোপ, জাল ও ফাঁদ পেতে নির্বিচারে পাখি শিকার করছে শিকা

রিরা। এতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। পাখি নিধনে নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার পাট গাড়ি পাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, নয়ন হোসেন, সাগর আহমেদসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন, ফসলের জমিতে পানি দেওয়ার সময় মাটির নিচে থেকে উঠে আসা পোকামাকড়সহ খেতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সাদা বক, শালিক, চড়ুই, ডাহুক, চ্যাগাসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি। এ সময় একশ্রেণির পাখি শিকারিরা পতঙ্গের ভেতরে বিষাক্ত কীটনাশক ঢুকিয়ে ছেড়ে দেয়। সেই পোকাগুলো খেয়ে পাখি মারা যাওয়ার আগে পাখিগুলো ধরে কাছে রাখা ব্লেড, ছুরি দিয়ে জবাই করছে তারা।


তারা আরও বলেন, ‘চলনবিলের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির মধ্যে বড় বাঁশের সঙ্গে আকাশের দিকে উঁচু করে বড় ধরনের জাল পেতে রাখা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে পাখিদের তাড়া করলেই পাখিগুলো উড়তে গিয়ে জালে আটকা পড়ে। এই সুযোগে শিকারিরা পাখি ধরে ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখছে। পরে সময়মতো পাখিগুলোকে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করছে।’


স্থানীয়রা সূত্রে জানা গেছে, রাতচোড়া, টোগা, বালিহাঁস, পানকৈড়, পারিযায়ী পাখিসহ দেশীয় প্রজাতির অনেক পাখি। আর বর্তমানে চলনবিলের বিভিন্ন গ্রামে প্রতি এক জোড়া ভাড়ই বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, প্রতি জোড়া বালিহাঁস ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, টোগা প্রতি জোড়া ৯০ থেকে ১১০ টাকা, রাতচোরা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা প্রতি জোড়া, বক প্রতি জোড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে চলনবিল অধ্যষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমহর, ভাংগুড়া এলাকায় পাখি শিকার বন্ধে নিয়মিত কাজ করছে ‘চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটি’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তবে স্থানীয় প্রশাসনের জোরালো কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় বন্ধ করা যাচ্ছে না এসব পাখি শিকার।


চলনবিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চলনবিল এলাকায় ২০২০ সাল থেকে আমরা পাখি শিকারি বন্ধে কাজ করছি। আমরা মূলত পাখি শিকারিদের নিষেধ ও পাখি অবমুক্ত করে থাকি। এতে পাখি শিকারিরা ততটা ভয় পায় না। কয়েক বছরে প্রায় দুই হাজার শিকার করা পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছি। তবে প্রশাসন এ বিষয়ে একটু নজর দিলে কেউ আর অবাধে পাখি শিকার করতে পারবে না।’
দ্য বার্ডস সেফটি হাউসের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বলেন, ‘চলনবিল অঞ্চলে স্বেচ্ছাসেবীরা পাখি রক্ষায় কাজ করছেন। তারা শিকার করা পাখি অবমুক্ত করলেও তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতার অভাব ও সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের অভাবে এ বিলে স্থায়ীভাবে পাখি শিকার বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।


চলনবিলে অবাধে পাখি নিধনের বিষয়ে মুঠোফোনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পাখি নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ। খাদ্য ও নিরাপত্তার জন্য পরিযায়ী ও দেশীয় পাখি চলনবিলে আসে। এসব পাখি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশকে রক্ষা করে।’
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, ‘পাখি শিকার জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে কেউ যদি পাখি শিকার করে এবং পাখি হাট-বাজারে বিক্রি করে।’ এ জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী,পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা অপরাধ। এ অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে। তবে পাখি শিকারের তথ্য পেলে অভিযান পরিচালনা করে পাখি শিকার বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. নিয়ামুর রহমান।


নির্বাচিত

মানুষের জীবনের মূল্য ৫ লাখ টাকা হতে পারে না: এমপি মনির চৌধুরী

কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের স্বজনদের হাতে ১ কোটি ২১ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে। তার বিনিময়ে যে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে তা অতি নগণ্য। মানুষের জীবনের মূল্য মাত্র ৫ লাখ টাকা হতে পারে না। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বা অঙ্গহানি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। সরকারের পক্ষ থেকে যে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে- তা ক্ষতের মধ্যে সামান্য প্রলেপ দেওয়া মাত্র।’

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের স্বজনদের হাতে ১ কোটি ২১ লাখ টাকার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মনিরুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন।

বিআরটিএ জানায়, কুমিল্লা জেলায় বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন। ২৭টি পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মোট ১ কোটি ২১ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আলম, আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা লিটন কুমার দে, মোটরযান পরিদর্শক মো. তাজুল ইসলামসহ বিআরটিএর অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মনিরুল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বা অঙ্গহানি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। একজন মানুষের জীবনের দাম পাঁচ লাখ টাকা নয়। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের এই দুঃসময়ে কিছুটা আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠান শেষে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহযোগিতার চেক তুলে দেন তিনি।


নির্বাচিত

আবু সাঈদ হত্যা, বেরোবির তিন শিক্ষকসহ ১১ জন স্থায়ী বহিষ্কার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় তিন শিক্ষকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষকেরা হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।

বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন—অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, তৎকালীন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তাকর্মী নুর আলম মিয়া এবং এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সিন্ডিকেটের সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বাসসকে বলেন, সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম। সেখানে আলোচনা করে বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, আবু সাঈদ নিহতের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাদায়ক অধ্যায়। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থায়ী বহিষ্কারের আদেশ কার্যকর করা হবে।

এর আগে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গত ৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর ফটকের সামনে পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার মৃত্যুর ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

আবু সাঈদের মৃত্যুর পর রংপুরে আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। পরে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে তৎকালীন সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে।

আবু সাঈদ হত্যার বিচার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। দীর্ঘ তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে এবার তিন শিক্ষকসহ ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


নির্বাচিত

দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়ন নেতাদের শপথ

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ভবনের নিচ তলায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনার আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়ন ২০২৬ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে কর্মচারীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষাবোর্ড ভবনের নিচ তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি সৈয়দ মওদুদ উল করিম বাবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ সুইটের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইলিয়াস আহমেদ বলেন শিক্ষা বোর্ডের সেবার মান বৃদ্ধি ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে ইউনিয়নের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দসহ সকল কর্মচারীকে দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তৃব্য দেন সচিব নুর মো. আব্দুর রাজ্জাক, পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বোরহান উদ্দিন ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি সৈয়দ মওদুদ উল করিম বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ সুইট এছাড়া বক্তব্য দেন সহকারী পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক রেজাউল করিম চৌধুরী, সেকশন অফিসার মোতাহার হোসেন, উচ্চমান সহকারী সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, নিম্নমান সহকারী গোলাম রব্বানী।

শপথ বাক্য অনুষ্ঠনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং ইউনিয়নের সকল সদস্যবৃন্দ। শিক্ষাবোর্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথবাক্য পাঠ করান দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইলিয়াস আহমেদ।

নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা হলেন, সভাপতি সৈয়দ মওদুদ উল করিম বাবু সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সাধারণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ সুইট সহ সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ মো. সায়েম। অর্থ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী। সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম আলী। ক্রিয়া ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুর রফিক অনুষ্ঠানে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইউনিয়নের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।


নির্বাচিত

বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: আমিনুল হক

ভোলা জেলা শহরের যুগিরঘোলে জেলা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট থেকে দেশকে উত্তরণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ‎‎

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ভোলা জেলা শহরের যুগিরঘোলে জেলা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

‎‎প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর থেকেই আমরা দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের রেখে যাওয়া জঞ্জাল ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে দেশকে বের করে আনার চেষ্টা করছি। গণতান্ত্রিক চর্চাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

‎তিনি আরও বলেন, একটি মহল এবং আওয়ামী লীগের দোসররা দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট নেতারা সতর্ক রয়েছেন। আমরা চাই পুলিশ বাহিনী অতীতের মতো রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত না হয়ে প্রকৃত অর্থে জনগণের বন্ধু হিসেবে দায়িত্ব পালন করুক। সে লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

‎‎এদিকে একই দিন দুপুরে ভোলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত পৃথক এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ভার্চুয়ালি সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবকদের জন্য ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।‎

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ অন্যান্য নেতারা।


নির্বাচিত

চিকিৎসাসেবা আরও জনবান্ধব করার তাগিদ এমপি লিটনের

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে আয়োজিত মাসিক সভায় প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সারোয়ার জাহান জুয়েল, ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেছেন, “একজন রোগীও যেন হাসপাতাল থেকে ওষুধ ছাড়া খালি হাতে ফিরে না যান।” সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতাল হচ্ছে সাধারণ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল। তাই হাসপাতালে আসা কোনো রোগী যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, ওষুধ কিংবা সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে আন্তরিক ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে আয়োজিত উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম জিয়াউল বারী।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খান, ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আহাম্মদ এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন হাসপাতালের চিকিৎসাসেবাকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি হাসপাতালের সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

সভায় হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। উপস্থিত সদস্যরা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্টরা হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেন।

সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা ও ওষুধ পাওয়ার বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালের সার্বিক সেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।


নির্বাচিত

banner close