মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত হলেন যারা

ফাইল ছবি
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৪ ০০:২৭

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর থেকে জানা যায়-

ফরিদপুর

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরকান্দা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহসম্পাদক কাজী শাহ জামান বাবুল। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ২০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সরদার পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৩৭ ভোট।

অন্যদিকে সালথা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৪৫ ভোট তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. ওহিদুজ্জামান পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। ঘোড়া প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৫ হাজার ২৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহজালাল মিয়া পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩২ ভোট।

বিজয়ী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহজালাল মিয়া আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়ায় উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কসবা উপজেলায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ফুফাতো ভাই ছাইদুর রহমান ও আখাউড়ায় মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সাবেক চেয়ারম্যান মনির হোসেন বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাাচিত হয়েছেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কসবা উপজেলায় ছায়েদুর রহমান স্বপন কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৮৬ হাজার ৬৯৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও কুটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব রাশেদুল কাউসার ভূইয়া আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৫৯ ভোট।

অন্যদিকে আখাউড়া উপজেলায় মনির হোসেন ঘোড়া প্রতীকে ২৮ হাজার ৩০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৬৩ ভোট।

রাঙামাটি

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে রাঙামাটির রাজস্থলী, কাপ্তাই ও বিলাইছড়ি উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রাজস্থলী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উবাচ মারমা আনারস প্রতীকে ৭ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রিয়াজ উদ্দীন রানা দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৮ ভোট।

অন্যদিকে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন দোয়াত কলম প্রতীকে ৭ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৩ ভোট।

অপরদিকে বিলাইছড়ি উপজেলায় মোট ১৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ফলাফল না আসায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোনো ফলাফল ঘোষণা করেননি। তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সমর্থিত দোয়াত কলম প্রতীকের বিরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লালমনিরহাট

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। দুই উপজেলায় মধ্যে আদিতমারী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ফারুক ইমরুল কায়েস ও কালীগঞ্জ উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুজ্জামান আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা লুৎফর কবির তাদেরকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

আদিতমারী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ফারুক ইমরুল কায়েস মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৮টি ভোট

কালীগঞ্জ উপজেলায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তার চাচা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

পিরোজপুর

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে পিরোজপুর জেলার দুই উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার পিরোজপুরের নেছারাবাদ ও কাউখালী উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মোট ১২২টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. আবু সাঈদ মিঞা ও নেছারাবাদ উপজেলায় আব্দুল হক নির্বাচিত হয়েছেন। রাতে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক বেসরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেন।

নেছারাবাদ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আব্দুল হক আনারস প্রতীকে ৩৮ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম মুইদুল ইসলাম মোটরসাইল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫২০ ভোট।

অন্যদিকে কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. আবু সাঈদ মিঞা ঘোড়া প্রতীকে ১১ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার পল্টন কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ২৯৪ ভোট।

ঝালকাঠি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠি সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি খান আরিফুর রহমান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. সুলতান খান পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯৭১ ভোট।

অন্যদিকে নলছিটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন খান সেলিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র তছলিম উদ্দিন চৌধুরী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৮৪ ভোট।

বাগেরহাট

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বাগেরহাটে ফকিরহাট, মোল্লাহাট,ও চিতলমারী উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফকিরহাট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ওহিদুজ্জামান বাবু। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনরস প্রতীকের প্রার্থী বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন দাস পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪৩৭ ভোট। এ উপজেলায় ভোট কাস্ট হয়েছে ৬২.৫০ শতাংশ।

চিতলমারী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী। দোয়াত কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অশোক কুমার বড়াল মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ৭৬৩ ভোট। এ উপজেলায় ভোট কাস্ট হয়েছে ৪৫.৭৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মোল্লাহাট উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহিনুর আলম ছানা। দোয়াত কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা শেখ নাসির উদ্দীন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৫৪ ভোট। এ উপজেলায় ভোট কাস্ট হয়েছে ৫৩.৭৭ শতাংশ। জেলায় গড় ভোট কাস্টিং হয়েছে ৫৪ শতাংশ।

যশোর

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে যশোরের ঝিকরগাছা, শার্শা ও চৌগাছা উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হাবিবুর রহমান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৫৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৯৮০ ভোট।

নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুম্মিতা সাহা রাত সাড়ে ৯টায় এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঝিকরগাছা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম। আনারস প্রতীকে মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিম রেজা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৪৩ ভোট।

অন্যদিকে শার্শা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. সোহরাব হোসেন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৩৭ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. অহিদুজ্জামান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ২৯১ ভোট।

রাজশাহী

দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহীর বাগমারা, দুর্গাপুর ও পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাগমারা উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জাকিরুল ইসলাম সান্টু। তিনি ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৩২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাজ্জাক সরকার ওরফে আর্ট বাবু পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২১ ভোট।

পুঠিয়া উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সামাদ মোল্লা। তিনি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৭৯ ভোট।

অন্যদিকে দুর্গাপুর উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন শরীফুজ্জামান শরীফ। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ১১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মজিদ সরদার পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৩২ ভোট।

সাতক্ষীরা

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সাতক্ষীরার আশাশুনি, তালা ও দেবহাটা উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চিংড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৬৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহনেওয়াজ ডালিম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৭০৭ ভোট।

অপরদিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা নির্বাচনে মো. আল ফেরদাউস বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৬ হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মজিবুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ১৫২ ভোট।

এ ছাড়া সাতক্ষীরার তালা উপজেলা নির্বাচনে ঘোষ সনৎ কুমার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কাপ পিরিচ প্রতীকে ৪৬ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরদার মশিয়ার চিংড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪১৩ ভোট।

বিষয়:

নির্বাচিত

চিকিৎসা ব্যয়ে ঋণের জালে আবদ্ধ ৮৯ শতাংশ পরিবার

* সহ-সংক্রমণে বাড়ছে ফুসফুসের তীব্র প্রদাহ ও মৃত্যুঝুঁকি * টিকার দুই ডোজ নেওয়া শিশুদের জটিলতা কম * দ্রুত সাড়াদানে মাঠে বিডিআরসিএস ও আইএফআরসির হাজারো স্বেচ্ছাসেবক
প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

হামে আক্রান্ত ১১ মাসের অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে রংপুর থেকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন হাজেরা খাতুন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকারও বেশি। সরকারি হাসপাতালে মূল চিকিৎসা নিখরচায় মিললেও ঢাকায় আসার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াই গেছে ২০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে খাবার, পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর আনুষঙ্গিক খরচ। বিদেশে থাকা স্বামীও চলতি মাসে বেতন না পাওয়ায় আত্মীয়দের কাছ থেকে ধারদেনা করে চলছেন হাজেরা। কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি দিশেহারা।’

হাজেরা খাতুনের এই করুণ পরিণতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া হামের থাবায় আক্রান্ত পরিবারগুলোর ঘরে ঘরে এখন একই হাহাকার।

বাংলাদেশে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অধিকাংশ পরিবারই মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়ছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে প্রতি ১০টি পরিবারের প্রায় ৯টি (৮৯ শতাংশ) ঋণ নিয়েছে। এ ছাড়া ৬১ শতাংশ পরিবার নিজেদের সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছে এবং চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে প্রতিটি পরিবারকে গড়ে ১৬ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) ও ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) এক যৌথ জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে বিডিআরসিএস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া সব পরিবারই জানিয়েছে, তাদের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ পরিবার ওষুধকে সবচেয়ে জরুরি সহায়তা হিসেবে উল্লেখ করেছে। ৩৩ শতাংশ পরিবার পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) সহায়তা এবং ২২ শতাংশ খাদ্য সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। এ ছাড়া ৪ শতাংশ পরিবার চিকিৎসার খরচ মেটাতে সম্পদ বিক্রি করেছে এবং প্রায় ৩ শতাংশ অনুদানের ওপর নির্ভর করেছে।

বাংলাদেশের ১২টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া হামে আক্রান্ত ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২ হাজার ৪০০টি পরিবারকে প্রতি পরিবার ১০ হাজার টাকা করে জরুরি নগদ সহায়তা দেওয়ার জন্য তাদের নির্বাচন এবং হামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়নের উদ্দেশে এ জরিপ পরিচালিত হয়। নির্ধারিত ঝুঁকির মানদণ্ড অনুযায়ী ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের মূল্যায়ন শেষে ২ হাজার ৪০০টি পরিবারকে সহায়তার জন্য নির্বাচন করা হয়।

জরিপে অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে ৭৫ শতাংশের বয়স ছিল চার বছরের কম। ১৯ শতাংশের বয়স ৫ থেকে ১৭ বছর এবং ৬ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের বেশি।

মূল্যায়নে আরও দেখা গেছে, চিকিৎসা ব্যয়ের পাশাপাশি আয় হারানোও অনেক পরিবারের জন্য বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসুস্থ শিশু বা পরিবারের সদস্যের পাশে হাসপাতালে দীর্ঘ সময় থাকতে গিয়ে অনেক অভিভাবক কাজ করতে পারেননি, এমনকি কেউ কেউ চাকরিও হারিয়েছেন।

জুন মাসে রংপুর থেকে ১১ মাস বয়সি মেয়েকে নিয়ে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন হাজেরা খাতুন। চিকিৎসার জন্য তাদের পরিবার ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় করেছে।

৯ মাসের কম বয়সি শিশুদের চরম ঝুঁকি

আইসিডিডিআর,বি এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের যৌথ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এক উদ্বেগজনক চিত্র। প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে ৩-৮ মাস বয়সি শিশুরা—যাদের নিয়মিত টিকা নেওয়ার বয়স (৯ মাস) এখনও হয়নি। গবেষকরা খতিয়ে দেখছেন, কেন মায়েরা গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধের মাধ্যমে সন্তানদের পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডি (Maternal Antibodies) দিতে পারছেন না। মা নিজে সঠিকভাবে টিকা না পেয়ে থাকলে বা পুষ্টিহীনতায় ভুগলে এই প্রতিরক্ষা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

তবে স্বস্তির কথা হলো, ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের ‘বি৩ জেনোটাইপ’ (B3 Genotype) রূপ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এটি প্রচলিত টিকাকে নিষ্ক্রিয় করেনি। দুই ডোজ টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে মারাত্মক জটিলতার হার অনেক কম, যা প্রমাণ করে টিকাই প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার।

নতুন আতঙ্ক: এডিনো ভাইরাস ও ‘সাদা ফুসফুস’

হাম পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে এডিনো ভাইরাসের সহ-সংক্রমণে (Co-infection)। শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সংকটজনক শিশুদের একটি বড় অংশের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে। সাধারণ সর্দি-কাশির জন্ম দেওয়া এডিনো ভাইরাস যখন হামে আক্রান্ত দুর্বল শরীরের সুযোগ নেয়, তখন তা ফুসফুসে তীব্র প্রদাহ তৈরি করে।

এতে ফুসফুসের বায়ুথলি তরল ও পুঁজ দিয়ে ভরে গিয়ে তৈরি হয় ‘সাদা ফুসফুস’ (White Lung) পরিস্থিতি। তখন সাধারণ অক্সিজেন বা ভেন্টিলেটর দিয়েও শিশুর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি দেখে আন্তর্জাতিক সংস্থা সিডিসি-আটলান্টা উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকায় প্রতিনিধিদল পাঠালেও, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরদারিতে এর ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ উঠছে।

৪৬ লাখ শিশু বাদ পড়ার প্রশাসনিক ভুল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে অন্তত ১ লাখ ২২ হাজার সন্দেহভাজন রোগী চিহ্নিত হয়েছে এবং ৮০০-র বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গত মে মাসের জাতীয় হাম-রুবেলা (MR) ক্যাম্পেইনে পুরোনো জনমিতি ডেটা ব্যবহারের কারণে ভুল হিসাব তৈরি হয়েছিল। ১ কোটি ৮০ লাখের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও দেশে ওই বয়সি শিশু ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ। ফলে ভুল পরিকল্পনার খেসারত হিসেবে প্রায় ৪৬ লাখ শিশু টিকার বাইরে রয়ে গেছে, যা প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার প্রধান কারণ।

সংকট উত্তরণে ৩ জরুরি সুপারিশ

লক্ষ্যমাত্রার বাইরে থাকা ৪৬ লাখ শিশুকে অবিলম্বে চিহ্নিত করে টিকা প্রয়োগ করা। সরকারি ও বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে এডিনো ভাইরাস শনাক্তকরণের পিসিআর টেস্ট বিনামূল্যে সহজলভ্য করা। কাজ হারানো ও দেনাগ্রস্ত পরিবারগুলোর চিকিৎসাব্যয় বহন এবং খাদ্যাভাব দূর করতে জরুরি নগদ সহায়তা চালু করা।

বিডিআরসিএসের মহাসচিব ড. কবির এম. আশরাফ আলম জানান, জরিপে চিহ্নিত সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ৪০০ পরিবারকে জরুরি সাড়াদানের অংশ হিসেবে প্রতি পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশে আইএফআরসির প্রতিনিধিদলের প্রধান আলবার্তো বোকানেগ্রা বিষয়টিকে একটি বড় জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, হামের প্রভাব হাসপাতালের চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। এমন পরিস্থিতিতে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ও দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি বিডিআরসিএস ও আইএফআরসি এক হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক মাঠে নামিয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা তৈরি, টিকাদান কেন্দ্র পরিচালনায় সহায়তা এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করছেন।


নির্বাচিত

১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু, চলবে চার মাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। মাসে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন কার্ডধারী উপকারভোগী ব্যক্তিরা। গত শনিবার (১ আগস্ট) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে; চলবে আগামী চার মাস, অর্থাৎ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এরপর আবার বিক্রি করা হবে ২০২৭ সালের মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস। সোমবার (৩ আগস্ট) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে মোট ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী সাশ্রয়ী মূল্যের এ চাল কিনতে পারবেন। এর মধ্যে ২৪৮ উপজেলার ২৫ লাখ ২৯ হাজার কার্ডধারী কিনতে পারবেন পুষ্টিচাল। আর ২৪৭ উপজেলার ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগী কিনতে পারবেন সাধারণ চাল।

একই সঙ্গে সারাদেশে ১ হাজার ১০৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে খোলাবাজারে বিক্রি (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রির কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

যে চাল ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে, চার বছর আগে তা ১০ টাকা কেজি ছিল। ২০২২–২৩ অর্থবছর থেকে কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়। ডিলারদের কাছ থেকে তা কিনে নিয়ে আসতে হয় উপরকারভোগীদের।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের খাদ্য মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। ২ আগস্ট খাদ্য মজুতের পরিমাণ ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ টন। এর মধ্যে চাল ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ টন এবং গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ টন। এ ছাড়া ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ টন ধান মজুত রয়েছে বর্তমানে।

২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে মাথায় রেখে প্রথম ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ চালু করা হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পর্যায়ে বসবাসরত বিধবা, বয়স্ক, পরিবারপ্রধান নারী, নিম্ন আয়ের দুস্থ পরিবারপ্রধানদের অগ্রাধিকার রয়েছে।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে গ্রামাঞ্চলে। আর ওএমএস বাস্তবায়িত হচ্ছে শহরাঞ্চলে। সরকারের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, প্রতিবছরের মার্চ ও এপ্রিল এবং আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই ছয় মাস গরিব মানুষের আয় তুলনামূলক কম থাকে, আয়ের সুযোগ কম থাকে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস—দুটোতেই বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে আসছে সরকার। গ্রামাঞ্চলের চালের ভর্তুকির পরিমাণ শহরাঞ্চল অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা সদরের ওএমএসের ভর্তুকির পরিমাণ থেকে সব সময় বেশি হয়।


নির্বাচিত

কেরানীগঞ্জে মিলল আরও দুই ইয়াবা কারখানা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার কেরানীগঞ্জে আরও দুইটি ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। কারখানা দুটি থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি জব্দের পাশাপাশি এক ক্যামিস্ট ও এক ডিলারকে গ্রেপ্তার করেছে বাহিনীটি। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ডিলার ফয়সাল ইসলাম মিঠু (৪২) এবং ডিলার-কাম-ক্যামিস্ট নাছির (৪৫)।

সোমবার (৩ আগস্ট) কেরানীগঞ্জের মদিনা মার্কেটে একটি কারখানার সামনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

তিনি বলেন, গতকাল নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-২ জানতে পারে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা হাউজিং এলাকায় একজন ইয়াবা ডিলার মোটরসাইকেলযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পরিবহনের উদ্দেশে অবস্থান করছে। পরে র‍্যাব-২-এর একটি আভিযানিক দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ডিলার ফয়সাল ইসলাম মিঠুকে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ আটক করে এবং তার কাছ থেকে ১১ হাজার ৭৫৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

তিনি যোগ করেন, পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে ইয়াবা তৈরির একটি মেশিন উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটককৃত ফয়সাল ইসলাম মিঠুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-২-এর আভিযানিক দল কেরানীগঞ্জের মদিনা মার্কেটে অভিযান চালিয়ে আরেকটি ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পায়। সেখান থেকে ইয়াবা তৈরির কারখানার মালিক এবং ইয়াবা ডিলার-কাম-কেমিস্ট নাছিরকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ইয়াবা তৈরির মেশিন, ১৭ কেজি ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল এবং ১৯ হাজার ৫২০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আটককৃত নাছির নিজেই ইয়াবা তৈরি করে নিজেই ডিলার হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করে আসছিলেন। তিনি ১০ বছর ধরে এই কারখানা পরিচালনা করে আসছিলেন। ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল তিনি চট্টগ্রাম থেকে সংগ্রহ করতেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাসির অনেকের নাম বলেছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। ঢাকায় তাদের নেটওয়ার্ক অনেক বিস্তৃত।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় একটি ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পায় র‍্যাব-১০। পরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা, বিভিন্ন ধরনের পাউডারসদৃশ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্রসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।


নির্বাচিত

নয় বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি, জামায়াতের রুকন বহিষ্কার

পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের রুকন ওমর ফারুক । ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর পবা উপজেলায় নয় বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির দায়ে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি জামায়াতে ইসলামীর এক রুকনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়গাছি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহমান মিলন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ‘নৈতিক স্খলনের’ দায়ে তার বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তিনি।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগ ওঠার পর দলীয়ভাবে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তা দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত রোববার উপজেলা জামায়াতের সভায় ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ওই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ওমর ফারুককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য, বহিষ্কৃত ওই ব্যক্তির নাম ওমর ফারুক (৩৫)। তিনি উপজেলার পাকারমাথা গ্রামের বাসিন্দা এবং বড়গাছি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের রুকন ছিলেন। পেশায় তিনি গ্রাম্য চিকিৎসক। একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তার ভাই আবু বকর একই ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি। বর্তমানে ওমর ফারুক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই প্রতিদিনের মতো ওই শিশুকন্যা প্রাইভেট পড়তে যায়। অভিযোগ, একপর্যায়ে ওমর ফারুক কৌশলে অন্য শিক্ষার্থীদের বিদায় করে শিশুটিকে একা রেখে যৌন হয়রানি করেন। বাড়ি ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ ঘটনায় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওমর ফারুককে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পবা থানায় মামলা করেন। পরদিন শনিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


নির্বাচিত

শ্রীমঙ্গল পৌরসভা কাগজে-কলমেই ‘প্রথম শ্রেণি’, হেলেদুলে চলছে কার্যক্রম

* বাড়েনি আয়তন, মেলেনি স্থায়ী ময়লার ডাম্পিং স্টেশন
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রতিষ্ঠার ৯০ বছর অতিবাহিত হলেও আয়তন বাড়েনি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল পৌরসভার। মেলেনি স্থায়ী ময়লার ডাম্পিং স্টেশনও। কাগজে-কলমে এটি ‘প্রথম শ্রেণির’ পৌরসভা হলেও চরম জনবল সংকট ও প্রশাসনিক স্থবিরতায় নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পৌরবাসী। ১৫৫টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ২ জন কর্মকর্তা ও ৯ জন কর্মচারী, মোট ১১ জন স্থায়ী জনবল দিয়ে হেলেদুলে চলছে পুরো পৌরসভার কার্যক্রম।

পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫ সালে মাত্র ২.৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রীমঙ্গল পৌরসভা। ২০০২ সালে এটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হলেও প্রায় শতবর্ষে এসেও সীমানা বাড়েনি এক ইঞ্চিও। পৌরসভা আইন অনুযায়ী একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভার ৩টি বিভাগে ১৫৫টি পদে জনবল থাকার কথা থাকলেও এখানে শূন্য রয়েছে ১৪৪টি পদই।

প্রকৌশল বিভাগের ৬৮টি পদের মধ্যে শূন্য ৫২টি, প্রশাসনিক বিভাগের ৫৪টি পদের মধ্যে শূন্য ৪৯টি, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ৩৩টি পদের সবকটিই শূন্য।

পৌরসভায় কোনো রিসাইক্লিং ব্যবস্থা বা স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বাধ্য হয়ে শহরের কলেজ রোডের খোলা জায়গায় স্তূপ করে রাখা হচ্ছে বর্জ্য। এতে চারপাশের ১ থেকে দেড় কিলোমিটার এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব এবং পরিবেশ দূষণে হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য।

স্থানীয় বাসিন্দা শিমুল আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পৌরসভায় জনসংখ্যা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বহুগুণ বাড়লেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন হয়নি। কলেজ রোডের বর্জ্যের কারণে আশপাশের পরিবারগুলোতে রোগবালাই লেগেই আছে।’

এদিকে শহরতলির মুসলিমবাগ এলাকার বাসিন্দা রুহেল আহমেদ জানান, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সীমানা সম্প্রসারণের কথা শুনলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

টিআইবি ও সচেতন নাগরিক কমিটির সহযোগী সংগঠন এসিজির সদস্য আশিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘দুই যুগ আগে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পেলেও এখানকার নাগরিক সুবিধার মান এখনো সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি।’

পৌরসভা সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে জেটি রোড এলাকায় ডাম্পিং স্টেশনের জন্য ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকায় ২.৪৩ একর জমি কেনা হলেও জায়গাটি নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। স্থানীয় এক ব্যক্তি মামলা করায় আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে কলেজ রোড থেকে বর্জ্যের ভাগাড় সরানো সম্ভব হয়নি।

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে এখানে তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভার চেয়েও কম জনবল রয়েছে। মাত্রা ২ জন কর্মকর্তা ও ৯ জন কর্মচারী দিয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন জনবল নিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।’

জনবল পদায়ন ও স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে দ্রুত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সচল করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পৌরবাসী।


নির্বাচিত

হেসে-খেলে বাঁচতে চায় রিহান

হৃদরোগে আক্রান্ত চার বছরের শিশু রাগীব ইশরাক রিহান ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত চার বছরের শিশু রাগীব ইশরাক রিহান অন্য দশটি সাধারণ শিশুর মতো স্বাভাবিকভাবে হেসে-খেলে বেঁচে থাকার আকুতি জানাচ্ছে। হৃদপিণ্ডে প্রকোষ্ঠে ছিদ্র ও ধমনীতে ব্লক নিয়ে জন্ম নেওয়া রিহানের জীবন বাঁচাতে পূর্বে ভারতে একটি শল্যচিকিৎসা করানো হলেও, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে দ্বিতীয় শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু পূর্বের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় সর্বস্ব হারিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বাবার পক্ষে প্রয়োজনীয় ১০ লাখ টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।

রিহানের বাবা ইখতিয়ার উদ্দিন আজাদ জানান, তার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতোমধ্যে তিনি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। একবার বিদেশে গিয়ে ১০-১২ লাখ টাকা খরচ করে হার্টের অস্ত্রপচার করে এনেছেন। অস্ত্রপচার করে আনার পর কিছুদিন ভালো ছিল। কিন্তু আবার সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ডাক্তাররা বলছেন, আবারও বিদেশে নিয়ে অস্ত্রপচার করাতে হবে। বিদেশে নিয়ে জটিল এই অস্ত্রপচার করাতে অন্তত ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। বর্তমানে তার পক্ষে ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়। ছেলেকে বাঁচানোর জন্য সমাজের সচ্ছল মানুষদের সহায়তা কামনা করেন তিনি।

রিহানের চিকিৎসায় আর্থিক সাহায্যের জন্য বিকাশ (০১৭২৮৬৩৭৪৪০) করা যাবে। ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ঠিকানা: মো. ইখতিয়ার উদ্দীন

আজাদ, হিসাব নং- ৪৮১৬০০২০৭৭০৮৬, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, পত্নীতলা শাখা, নওগাঁ।


নির্বাচিত

পরিবেশদূষণকারী অবৈধ জিপসাম কারখানা বন্ধ, ২ লাখ টাকা জরিমানা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরায় আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা একটি পরিবেশদূষণকারী অবৈধ জিপসাম কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে প্রতিষ্ঠানের মালিককে নগদ ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কারখানাটি দ্রুত অন্যত্র স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-ইমরানের নেতৃত্বে সোমবার (৩ আগস্ট) ডেমরার নড়াইবাগ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

‘ইজি পিবিসি ইন্ডাস্ট্রি’ নামের কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হলে তারা তা প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়।

অবৈধভাবে কারখানা পরিচালনার দায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (এর ৬/ক ও ১২/১ ধারা) অনুযায়ী ২ লাখ টাকা নগদ জরিমানা করা হয়। জনবহুল এলাকা থেকে অবিলম্বে এটি স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজউক, সিটি কর্পোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্ব নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন চালু রাখায় কারখানাটির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-ইমরান জিপসাম উৎপাদনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে জানান, বাতাসে ভেসে থাকা জিপসামের গুঁড়া নিঃশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসকষ্ট, মারাত্মক কাশি ও ফুসফুসের জটিল ব্যাধি তৈরি করে। শুকনো পাউডার চোখে গেলে তীব্র জ্বালাপোড়া এবং ত্বকের স্পর্শে এলে শুষ্কতা তৈরি হয়। পাউডার প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় প্রচুর ধূলিকণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে বায়ুর গুণমান নষ্ট করে। এছাড়া সিন্থেটিক জিপসাম ব্যবহারে সিসা ও ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর ভারী ধাতু মাটিতে ছড়িয়ে পড়ার মারাত্মক ঝুঁকি থাকে।

রাজউকের মহাপরিকল্পনাভুক্ত আবাসিক এলাকায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একতলা সেমিপাকা টিনশেড স্থাপনায় 'সৈয়দ তানভীর রায়হান' নামের এক ব্যক্তি বাণিজ্যিকভাবে এই শিল্প কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তর তাদের ছাড়পত্র বাতিল করে কারখানা স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছিল।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধের আবেদন জানান। এর আগে গত ২৬ জুলাই একই দাবিতে তারা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছিলেন।

এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলে ডেমরা থানার ওসি মির্জা তাইফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।


নির্বাচিত

খুলনায় ৭০ কেজি হরিণের মাংস ও ২টি মাথা উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের অধীনস্থ শাকবাড়িয়া নদী থেকে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, ২টি মাথা ও একটি নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ করেছে বন বিভাগ। এ সময় বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা।

গত রোববার (২ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ওই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার নাসির উদ্দীন। এ সময় নৌকায় তল্লাশি করে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, ২টি হরিণের মাথা, একটি নৌকা, একটি দা ও ১০ ফুট লম্বা পলিথিন জব্দ করা হয়।

কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করি। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। আদালতের নির্দেশে জব্দ হরিণের মাংস মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়েছে। এবং এ বিষয়ে বন আইনে মামলা করা হয়েছে।


নির্বাচিত

তাহিরপুরে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

‘কৃষি সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ তাহিরপুর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে গাছের চারা, জৈব সার ও খুঁটি বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে উপজেলার ১৫০ জন কৃষকের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা, জৈব সার ও প্রয়োজনীয় খুঁটি তুলে দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শাহরুখ আলম শান্তনু।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শরিফুল ইসলাম উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, উপসহকারী আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ছিলেন এ সময়।


নির্বাচিত

সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে (২৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের হলুদঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মিলন সরদার (৪০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত খোরশেদ সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় সাঁথিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ভুক্তভোগী নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী মিলন সরদার তাকে পেয়ারা দেওয়ার কথা বলে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে মিলন জোরপূর্বক ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি তার স্বামীকে জানান। এর পরদিন, শনিবার ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

এ বিষয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত মিলন সরদার পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।


নির্বাচিত

৬ সপ্তাহ ধরে চা-বাগানে মজুরি বন্ধ, কমলগঞ্জে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

টানা ছয় সপ্তাহ ধরে সাপ্তাহিক মজুরি (তলব) বন্ধ থাকার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের দেওরাছড়া চা বাগানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পাওনা মজুরির দাবিতে সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল থেকে দিনব্যাপী চা কারখানার সামনে অবস্থান করেন বাগানটির শত শত ক্ষুব্ধ শ্রমিক।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া চা-শ্রমিকরা জানান, গত দেড় মাস ধরে মজুরি না পাওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম খাদ্যসংকটে দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দামের কারণে ঘরে চাল-ডাল কেনার মতো টাকাও তাদের কাছে নেই। জীবনধারণের মৌলিক তাগিদে বাধ্য হয়ে অনেকেই চড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন। মজুরি না মেলায় একদিকে পাওনাদারদের চাপ, অন্যদিকে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ ও অসুস্থ স্বজনদের চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে না পেরে শ্রমিকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গেছে।

আন্দোলনরত শ্রমিকরা আফসোস প্রকাশ করে বলেন, ‘বাইরে থেকে আমাদের চা-শ্রমিকদের জীবন দেখতে ফ্রেমে বাঁধাই করা ছবির মতো সুন্দর মনে হলেও, বাস্তবে আমরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এক অদৃশ্য ‘দাসত্বের শিকলে’ বন্দি হয়ে আছি।’ তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে বকেয়া সব পাওনা পরিশোধের জোর দাবি জানান।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা উল্লেখ করে রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার বলেন, ‘শ্রমিকরা চরম মানবিক সংকটের মুখোমুখি। দ্রুত সমাধান না হলে তারা আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন। এই সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ চা-শ্রমিকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারি মানবিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।’

মজুরির সংকট ও শ্রমিকদের অসন্তোষের বিষয়টি স্বীকার করে দেওড়াছড়া চা-বাগানের ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘চা বোর্ডের সাথে বাগান কর্তৃপক্ষের কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয়ের কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে খুব দ্রুত সমস্যাটি সমাধান করার চেষ্টা করছি। শ্রমিকদের পাওনা মজুরি যেন অতিসত্বর পরিশোধ করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তবে আশ্বাস নয়, অবিলম্বে বকেয়া পরিশোধের বাস্তব পদক্ষেপ না দেখলে রাজপথ ছাড়বেন না বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত চা-শ্রমিকরা।


নির্বাচিত

পাবনায় ৮০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার সুজানগরে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে ৮০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৩৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়। গত রোববার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে সুজানগর থানাধীন চিনাখড়া কারিগরপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বাবুপাড়া (কাশিনাথপুর) এলাকার মৃত শুকুর শেখের ছেলে মো. শাজাহান শেখ (৫০) এবং একই এলাকার মৃত সোরহাব শেখের ছেলে মো. রুহুল আমিন শেখ (৩৭)। বর্তমানে শাজাহান শেখ সুজানগরের চিনাখড়া কারিগরপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চিনাখড়া কারিগরপাড়া এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি টিম। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে শাজাহান শেখের কাছ থেকে ৪০ পিস ও রুহুল আমিনের কাছ থেকে ৪০ পিসসহ মোট ৮০ পিস ইয়াবা এবং নগদ টাকা জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানান, তারা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে স্থানীয় মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন।

পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সুজানগর থানায় মামলা দায়েরের পর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

ইবিতে ‘পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ’ বিষয়ক কর্মশালা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেক্টরসহ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পদ্ধতি, সুযোগ ও বাজারে প্রবেশ পদ্ধতি, সমন্বিত মূলধন, বাজারে শেয়ার ক্রয় ও বিক্রি পদ্ধতি এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেওয়া হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে অর্থনীতি বিভাগে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ক্যাপিটাল মার্কেট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ক্লাবের যৌথ আয়োজনে এই কর্মশালা সম্পন্ন হয়।

কর্মশালায় অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্করের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে অর্থনীতি ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল পাঠান ও বিআইসিএমের সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমাদের ব্যাংকিং সেক্টর সম্পর্কে ধারণা থাকলেও শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে ধারণা নেই বললেই চলে। সেকেন্ডারি মার্কেটের কীভাবে শেয়ার কিনব বা বিক্রি করব তার বিস্তর ধারণা পেয়েছি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি। আমি একজন নতুন সদস্য হিসেবে বিনিয়োগ করতে চাইলে আমাকে কী কী ধাপ অবলম্বন করতে হবে তার বিস্তর ধারণা পেয়েছি।

অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর বলেন, ‘আজকে (গতকাল সোমবার) বিনিয়োগ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে ক্যাপিটাল মার্কেট এবং শেয়ার বাজার নিয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। শেয়ার বাজার দুই ধরনের। প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি মার্কেট। এখানে ইনভেস্ট করার সিস্টেম, কীভাবে মার্কেটে প্রবেশ করতে হবে এসব তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাপিটাল মার্কেটের ইনভেস্টমেন্ট সিস্টেম এবং এখানে কিছু জব অপরচুনিটি আছে সেগুলোতে কীভাবে শিক্ষার্থীদের ইনভলব করা যায় সেই ধারণা দেওয়া হয়।’

অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, ‘এই কর্মশালায় বাংলাদেশ সিকিউরিটি অব একচেঞ্জ কমিশন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেওয়া হয়েছে। একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে কীভাবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে এ সম্পর্কে স্পষ্টত ধারণা দেওয়া হয়েছে। সমন্বিত মূলধন, বাজারে শেয়ার ক্রয় বা বিক্রি পদ্ধতি এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ ধারণা হয়েছে।’


নির্বাচিত

banner close