রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত হলেন যারা

ফাইল ছবি
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৪ ০০:২৭

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর থেকে জানা যায়-

ফরিদপুর

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরকান্দা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহসম্পাদক কাজী শাহ জামান বাবুল। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ২০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সরদার পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৩৭ ভোট।

অন্যদিকে সালথা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৪৫ ভোট তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. ওহিদুজ্জামান পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। ঘোড়া প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৫ হাজার ২৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহজালাল মিয়া পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩২ ভোট।

বিজয়ী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহজালাল মিয়া আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়ায় উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কসবা উপজেলায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ফুফাতো ভাই ছাইদুর রহমান ও আখাউড়ায় মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সাবেক চেয়ারম্যান মনির হোসেন বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাাচিত হয়েছেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কসবা উপজেলায় ছায়েদুর রহমান স্বপন কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৮৬ হাজার ৬৯৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও কুটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব রাশেদুল কাউসার ভূইয়া আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৫৯ ভোট।

অন্যদিকে আখাউড়া উপজেলায় মনির হোসেন ঘোড়া প্রতীকে ২৮ হাজার ৩০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৬৩ ভোট।

রাঙামাটি

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে রাঙামাটির রাজস্থলী, কাপ্তাই ও বিলাইছড়ি উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রাজস্থলী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উবাচ মারমা আনারস প্রতীকে ৭ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রিয়াজ উদ্দীন রানা দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৮ ভোট।

অন্যদিকে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন দোয়াত কলম প্রতীকে ৭ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৩ ভোট।

অপরদিকে বিলাইছড়ি উপজেলায় মোট ১৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ফলাফল না আসায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোনো ফলাফল ঘোষণা করেননি। তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সমর্থিত দোয়াত কলম প্রতীকের বিরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লালমনিরহাট

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। দুই উপজেলায় মধ্যে আদিতমারী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ফারুক ইমরুল কায়েস ও কালীগঞ্জ উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুজ্জামান আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা লুৎফর কবির তাদেরকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

আদিতমারী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ফারুক ইমরুল কায়েস মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৮টি ভোট

কালীগঞ্জ উপজেলায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তার চাচা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

পিরোজপুর

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে পিরোজপুর জেলার দুই উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার পিরোজপুরের নেছারাবাদ ও কাউখালী উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মোট ১২২টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. আবু সাঈদ মিঞা ও নেছারাবাদ উপজেলায় আব্দুল হক নির্বাচিত হয়েছেন। রাতে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক বেসরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেন।

নেছারাবাদ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আব্দুল হক আনারস প্রতীকে ৩৮ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম মুইদুল ইসলাম মোটরসাইল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫২০ ভোট।

অন্যদিকে কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. আবু সাঈদ মিঞা ঘোড়া প্রতীকে ১১ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার পল্টন কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ২৯৪ ভোট।

ঝালকাঠি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠি সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি খান আরিফুর রহমান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. সুলতান খান পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯৭১ ভোট।

অন্যদিকে নলছিটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন খান সেলিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র তছলিম উদ্দিন চৌধুরী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৮৪ ভোট।

বাগেরহাট

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বাগেরহাটে ফকিরহাট, মোল্লাহাট,ও চিতলমারী উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফকিরহাট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ওহিদুজ্জামান বাবু। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনরস প্রতীকের প্রার্থী বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন দাস পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪৩৭ ভোট। এ উপজেলায় ভোট কাস্ট হয়েছে ৬২.৫০ শতাংশ।

চিতলমারী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী। দোয়াত কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অশোক কুমার বড়াল মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ৭৬৩ ভোট। এ উপজেলায় ভোট কাস্ট হয়েছে ৪৫.৭৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মোল্লাহাট উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহিনুর আলম ছানা। দোয়াত কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা শেখ নাসির উদ্দীন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৫৪ ভোট। এ উপজেলায় ভোট কাস্ট হয়েছে ৫৩.৭৭ শতাংশ। জেলায় গড় ভোট কাস্টিং হয়েছে ৫৪ শতাংশ।

যশোর

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে যশোরের ঝিকরগাছা, শার্শা ও চৌগাছা উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হাবিবুর রহমান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৫৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৯৮০ ভোট।

নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুম্মিতা সাহা রাত সাড়ে ৯টায় এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঝিকরগাছা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম। আনারস প্রতীকে মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিম রেজা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৪৩ ভোট।

অন্যদিকে শার্শা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. সোহরাব হোসেন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৩৭ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. অহিদুজ্জামান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ২৯১ ভোট।

রাজশাহী

দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহীর বাগমারা, দুর্গাপুর ও পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাগমারা উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জাকিরুল ইসলাম সান্টু। তিনি ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৩২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাজ্জাক সরকার ওরফে আর্ট বাবু পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২১ ভোট।

পুঠিয়া উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সামাদ মোল্লা। তিনি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৭৯ ভোট।

অন্যদিকে দুর্গাপুর উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন শরীফুজ্জামান শরীফ। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ১১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মজিদ সরদার পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৩২ ভোট।

সাতক্ষীরা

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সাতক্ষীরার আশাশুনি, তালা ও দেবহাটা উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চিংড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৬৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহনেওয়াজ ডালিম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৭০৭ ভোট।

অপরদিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা নির্বাচনে মো. আল ফেরদাউস বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৬ হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মজিবুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ১৫২ ভোট।

এ ছাড়া সাতক্ষীরার তালা উপজেলা নির্বাচনে ঘোষ সনৎ কুমার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কাপ পিরিচ প্রতীকে ৪৬ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরদার মশিয়ার চিংড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪১৩ ভোট।

বিষয়:

নির্বাচিত

কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম ৪ লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু, শেষ হবে ৪ দশকের ফেরি দুর্ভোগ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি-বান্দরবান- চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু। প্রায় ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫২৩ মিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মিত হলে রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘ চার দশকের ফেরি-নির্ভর যাতায়াতের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্ণফুলী নদীর এই ফেরিঘাট ১৯৮৪ সাল থেকে তিন জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু প্রতিদিন ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ এবং জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও কৃষিপণ্যবাহী যানবাহনের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের চিত্র। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে ছোট সাম্পানে নদী পার হতে বাধ্য হন সাধারণ মানুষ।

এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতেই সরকার চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রকৌশলগত দিক থেকে ক্যাবল স্টেইড সেতু আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্থাপনা। এতে প্রধান পিলার থেকে শক্তিশালী ইস্পাতের ক্যাবলের মাধ্যমে সেতুর ডেক বা রাস্তা ধারণ করা হয়। ফলে নদীর মাঝখানে অতিরিক্ত পিলারের প্রয়োজন হয় না এবং নাব্যতা অক্ষুন্ন রেখেই মজবুত ও নান্দনিক সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়। সেতুটিতে আধুনিক টোল প্লাজা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেমও থাকবে।

প্রকল্পটি বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এটি চালু হলে বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ ও বাধাহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য তিন পার্বত্য জেলা থেকে কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ হবে।

চন্দ্রঘোনা এলাকার বাসিন্দা সুমন বলেন, "সেতুটি নির্মাণ হলে এই এলাকার রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে। ফেরির জন্য আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।"

বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কের মোটরসাইকেল আরোহী মিন্টু চাকমা বলেন, "বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বেড়ে গেলে ফেরিতে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। দ্রুত সেতু নির্মাণ হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।"

রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে চলাচলকারী বাসযাত্রী মো. মান্নান বলেন, "চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু না থাকায় ফেরিতে পারাপারের জন্য অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ হলে আমরা এই দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পাব এবং যাতায়াত অনেক সহজ ও দ্রুত হবে।"

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট উইং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতুর প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে এবং তা প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর হয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, "মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৫২৩ মিটার এবং প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্প প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন পেলে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।"

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তাই দ্রুত প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন দেখতে চান পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষ।


নির্বাচিত

গ্যাসের দাবিতে টঙ্গীর তিতাস অফিস ঘেরাও

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে আবাসিক গ্যাস সংযোগে গ্যাস প্রবাহ চালুর দাবিতে তিতাস গ্যাস অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টঙ্গীর গোপালপুর তিতাস গ্যাস অফিস ঘেরাও করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৩ ওয়ার্ডের তিতাস গ্রাহকরা।

এসময় বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. জাহাঙ্গীর আলম, ৫৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান শিপন, সাধারণ সম্পাদক সাদেক হোসেন, লিটন মিয়া, আব্দুল মান্নান, মোস্তফা জামান।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, আমান উল্লাহ, আব্দুস সালাম মাদবর, সুন্দর আলী, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মো. শহীদুল্লাহ, মোহাম্মদ হাসান, সাবিয়া খাতুন, হালিমা আক্তার, কথামনি, উম্মে সালমা, রেশমা আক্তার, খাজিদা আক্তার, কল্পনা খাতুন, প্রীতি আক্তার, তিথি বেগম ও বিউটি আক্তার প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করে আসলেও দীর্ঘদিন যাবত তিতাস গ্যাস কোম্পানী আমাদের বাসাবাড়িতে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করছে না। এতে রান্না বান্না করতে না পেরে এলাকার মানুষ চরম কষ্ট ভোগ করছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আমরা বাধ্য হয়ে ‌'নো গ্যাস, নো বিল' নীতি অবলম্বণ করবো।

এছাড়াও ঘেরাও কর্মসূচি থেকে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

এব্যাপারে টঙ্গী তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিট্রিবিউশন পিএলসি টঙ্গী জোনের ব্যবস্থাপক মো. মেজবাউর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটছে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এলএনজি টার্মিনালটি সচল হয়ে গেলে গ্যাস প্রবাহের চাপ বৃদ্ধি পাবে।


নির্বাচিত

ফেনীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব 

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফেনী প্রতিনিধি

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সাথে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করেছে ফেনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যভিত্তিক সংগঠন নরনিয়া। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে শহরের মিজান রোড রোডস্থ ফেনী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যতিক্রমধর্মী এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়।

এসময় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে চলতি ফল মৌসুমের সুস্বাদু আম, আনারস, তাল, পেয়ারা, কলা, লটকন, গাব, আমলকি, পায়েলা, খেজুর, ড্রাগন, আমড়া, জাম্বুরাসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল উপস্থাপন করা হয়।

ফল উৎসবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু, শিশুদের অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-শিক্ষিকা, নরনিয়া সংগঠনের পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন রকমের মৌসুমী ফলের সাথে পরিচিত হন এবং তৃপ্তির সাথে উপভোগ করেন।

ফল উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রিকেটার মো. সাইফ উদ্দিন।

এ সময় নরনিয়া সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আলাল উদ্দিন আলাল, মুহিবুল হক চৌধুরী রাসেল, সহ-সভাপতি ড. জহির উদ্দিন, সহ-সভাপতি জাকারিয়া ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ইমন উল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইনুল হক এমিল, অর্থ সম্পাদক এডভোকেট অমিত মজুমদার, প্রচার প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোর্শেদা হ্যাপি, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শওকত চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার শামিম কবির ভূঁইয়া, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মাঝে নরনীয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমিলের পরিবেশিত গান সকলকে বিমোহিত করেন।


নির্বাচিত

এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার

* শেয়ারের মূল্য ২,৯৫,০০০ থেকে বেড়ে ৩,৪৫,০০০ টাকা  ঘোষণা
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিটে অবস্থিত ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’- অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল বুঝিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়।

আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ। আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।


নির্বাচিত

প্রকৃত দেশ প্রেমিক কখনোই দুর্নীতিবাজ হতে পারে না: বিমানমন্ত্রী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আজিজুল হাকিম, মানিকগঞ্জ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যাটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, যদি আমাদের ভেতরে দেশপ্রেম না থাকে, তাহলে আমাদের দ্বারা কোন কিছুই করা সম্ভব হবে না। কারণ একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক মানুষ কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারে না। আজকে তোমরা যারা শিক্ষার্থী আছে, আগামীদিনে তোমরা বাংলাদেশের হাল ধরবে। সুতরাং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তোমাদের পড়ালেখা করতে হবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সাথে কাজ করতে হবে এবং দেশেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিমানমন্ত্রী আরো বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে দেশপ্রেম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিখিয়েছেন কিভাবে দেশকে ভালোবাসতে হয় এবং বেগম খালেদা জিয়া শিখিয়েন আছেন কিভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিখাচ্ছেন কিভাবে সামাজিক মানবিক ও জনবান্ধব সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণকল্যাণে কাজ করতে হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাহফিল খানের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খানসহ সুধজনেরা রক্তব্য রাখেন।

এর আগে মন্ত্রী কলেজে শহীদ জিয়া, মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই স্মৃতি কর্ণার উদ্বোধনসহ কলেজ চত্ত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন।


নির্বাচিত

সাতকানিয়ায় সড়ক ধসে বিচ্ছিন্ন চার ইউনিয়ন, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ কেরানিহাট–হাঙ্গারমুখ সড়কের বড় অংশ বিলীন হয়ে গেছে। কার্তিকের দোকান থেকে পূর্ব পাশের মন্দির পর্যন্ত প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিটার সড়ক ধসে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢেমশা, নলুয়া, আমিলাইশ ও চরতী ইউনিয়নের অন্তত লক্ষাধিক মানুষ।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত অংশজুড়ে দুই থেকে তিন ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচঢালা সড়কের কোনো অস্তিত্বই নেই। প্রবল স্রোতে রাস্তার নিচের মাটি সরে গিয়ে দুই পাশ ধসে পড়েছে। কিছু স্থানে রাস্তার ইট পাশের জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙা অংশে পানি জমে ছোট পুকুরের মতো আকার ধারণ করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসন মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে।

সড়কটির একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে যেতে আনুফকিরের দোকান হয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হচ্ছে। এতে সময়ের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কেরানিহাট–হাঙ্গারমুখ সড়কটি ঢেমশা, নলুয়া, আমিলাইশ ও চরতী ইউনিয়নের মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগপথ। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে কেরানিহাট হয়ে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে ওঠেন। কৃষিপণ্য, মাছ, সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটির গুরুত্ব অনেক। সড়কটি অচল হয়ে পড়ায় স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘এই সড়কটি চারটি ইউনিয়নের মানুষের জীবনরেখা। এখন রাস্তার বিশাল অংশ ভেঙে পুকুরের মতো গর্ত হয়ে গেছে। কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে মহাসড়কে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দ্রুত সংস্কার না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।"

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এবং সাতকানিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় সাতকানিয়ার বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট ও জনপদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কেরানিহাট–হাঙ্গরমুখ সড়কটি চারটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’

উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে বলেন, ‘বন্যার পানির প্রবল স্রোতে সড়কটির বড় অংশ ধসে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেরানিহাট–হাঙ্গারমুখ সড়কের এই অংশের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। তাই দ্রুত অন্তর্বর্তীকালীনভাবে যান চলাচলের ব্যবস্থা এবং পরে টেকসই নকশায় সড়কটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তাদের মতে, এই সড়ক শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; চারটি ইউনিয়নের শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। তাই দ্রুত সংস্কার না হলে জনজীবন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।


নির্বাচিত

সাতক্ষীরা এলজিইডির নতুন নির্বাহী প্রকৌশলীকে বরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা জেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির আয়োজনে সাতক্ষীরা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খানের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা ও নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আলহাজ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদ‍্য যোগদানকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও সদ‍্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খান।

জেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন তপুর সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান বাবু, শ‍্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির আসাদুল্লাহ বাহার আশু। কালীগঞ্জ উপজেলা ঠিকাদার সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, আশাশুনির সভাপতি আব্দুস সালাম, দেবহাটার মোকলেছুর রহমান, মামুনুর রহমান সুমন সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা সদর, মীর রফিকুল ইসলাম বাবু কলারোয়া, ইকবাল জমাদ্দার ঊর্ধ্বতন সভাপতি, মো. আকরাম হোসেন খান বাপ্পি যুগ্ম সম্পাদক জেলা কমিটি, আব্দুল হাকিম সহসভাপতি ও সাংবাদিক আবু সাঈদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ‘সাতক্ষীরাকে সুন্দর করে সাজানোর জন্য সাতক্ষীরা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতি সরকারের সকল ধরনের কর্মকাণ্ডকে বাস্তবায়ন করবে। ঠিকাদাররা সুষ্ঠু এবং সফলভাবে কাজ সম্পন্ন করা, বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা এবং তার জন্য এলজিইডি কর্মকর্তাসহ সকল স্তরের সহযোগিতা কামনা করেন। বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলীর বিভিন্ন কর্মময় জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন। এ সময় সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলার ঠিকাদাররা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

৭৬ কিলোমিটার নতুন রেললাইন, গতি পাবে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি

* শহরকেন্দ্রিক স্টেশনের দাবি সিরাজগঞ্জবাসীর * ৪০০ একর রেলভূমি ঘিরে এলাকাবাসীর ক্ষোভ
ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গোলাম মোস্তফা রুবেল, সিরাজগঞ্জ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার সিরাজগঞ্জ বগুড়া রেললাইন নির্মাণের উদ্যোগ সরকার নিলেও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে রেল সিটি খ্যাত সিরাজগঞ্জ। এতে সিরাজগঞ্জবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। রেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করা একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ‘জমি শহরে, রেলপথ বাইরে; চারশ একর জমির রমরমা বাণিজ্য করছে অসাধু কিছু জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং স্বয়ং রেলওয়ের কিছু কর্মকর্তা।’

সূত্র বলছে, যদি রেল সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে যায়, তাহলে জেলা প্রশাসকের জোরপূর্বক রিয়োজুম করা সম্পত্তি হাত ছাড়া হয়ে যাবে, ফলে নামে-বেনামে ইজারা হাত ছাড়ার শঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া রেলওয়ের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাও চায়না শহরকেন্দ্রিক রেললাইন স্থাপন করা হোক, মাঝ শহরের ভালো ভালো জায়গা নামে-বেনামে ইজারা দিয়ে ক্ষতি পূরণ আদায় করছে।

একটি চক্র, নামমাত্র কৃষি লিজ, কোথাও মৌখিকভাবে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়া নতুন লাইন স্থাপন করা হলে, নতুন জমি অধিগ্রহণ, নতুন বাণিজ্যের ভিত্তি বাস্তবায়নের চেষ্টা।

তথ্য বলছে, জেলা প্রশাসকের রিয়োজুমকৃত সম্পত্তি ফেরতের জন্য রেল মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার নির্দেশনা দিলেও আজও তা কর্ণপাত করেনি সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক।

এ বিষয়ে রেলওয়ের ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা নিযুক্ত আইনজীবী জুলফিকার জানান, রেলওয়ের জায়গা নিয়ে বেশ কিছু জেলায় রিট দায়ের করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জেও হয়েছে, তবে আমি নতুন এসেছি। এ বিষয়ে আপনি উল্লাপাড়া কানুনগো সাথে যোগাযোগ করেন।

উল্লাপাড়া কানুনগো আবু বক্কর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আইনজীবী ভালো জানে, কোথায় মামলা হয়েছে কি না।

এ বিষয়ে চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু জানান, আমরা শহরকেন্দ্রিক রেলওয়ে স্টেশন চাই। এজন্য আগামী আরও বড় আকারের মানববন্ধন করা হবে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালে রিয়োজুমকৃত সম্পত্তি ফেরত চেয়েছে রেল মন্ত্রণালয়, এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘রেল লাইন শহরকেন্দ্রিক চাওয়া, অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখন যদি ডিপিপি পরিবর্তন করে নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে সম্ভব হবে।’

প্রকল্পের আওতায় বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি প্রায় ৭৬ কিলোমিটার নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। বগুড়া সদর, কাহালু, শাজাহানপুর, শেরপুর, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

বর্তমানে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ পথে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রায় ১৯০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। ট্রেনগুলোকে সান্তাহার, নাটোর ও পাবনার ঈশ্বরদী হয়ে অতিরিক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে, পরিচালন ব্যয়ও বেশি হয়। নতুন রেললাইন চালু হলে এ পথে দূরত্ব ১১৪ কিলোমিটার কমবে এবং যাত্রার সময় প্রায় তিন ঘণ্টা সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে বলে আশা করছে রেলওয়ে।

প্রকল্পের আওতায় ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার মূল রেললাইন এবং ৩৭ কিলোমিটার লুপলাইন নির্মাণ করা হবে। করতোয়া নদীর ওপর ২৪৬ মিটার এবং ইছামতী নদীর ওপর ২০৫ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি বড় সেতুসহ মোট ১২১টি ছোট-বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ওপর একটি রেল ওভারপাস এবং ঢাকা-নাটোর মহাসড়কের ওপর একটি রোড ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।

এই পথে মোট ১১টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ জংশন, কৃষ্ণদিয়া, রায়গঞ্জ, চান্দাইকোনা, সনকা, শেরপুর, আরিয়া বাজার ও রাণীরহাটে নতুন আটটি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। অন্যদিকে বগুড়া, কাহালু ও সদানন্দপুর স্টেশন পুনর্নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া রাণীরহাট এলাকায় একটি ‘ওয়াই’ আকৃতির রেললাইন নির্মাণ করা হবে, যার একটি শাখা বগুড়ার দিকে এবং অন্যটি কাহালুর দিকে যাবে।

ভারতের লাইন অব ক্রেডিটের পরিবর্তে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জ রেলওয়ের প্রায় ৪শ একর জায়গা। কিন্তু খাজনা আসে অল্প কিছু অংশ থেকে। রেলওয়ের ইয়ার্ড ও দোকান অল্প, অন্যান্য থেকে ২৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। বাণিজ্যিক হারে ৪৫ টাকা করে ১ একর জায়গার রাজস্ব মাত্র। অথচ সম্পূর্ণ জায়গা যদি সরকার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারত তাহলে শত কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো।

ব্রিটিশ শাসনামলে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার্থে জেলা শহরে গড়ে তোলা হয় ৪টি রেলস্টেশন। একসময়ে তকমা পাওয়া রেলসিটি খ্যাত সিরাজগঞ্জ শহরটি উত্তর, দক্ষিণ এবং শহরের পূর্ব পাশ দিয়ে যমুনার ঘাটে গিয়ে পৌঁছাত ট্রেন। ভুল পরিকল্পনায় হারিয়ে যেতে বসেছে সেই রেলসিটি। সিরাজগঞ্জ শহরও হতে পারত লন্ডন সিটির মতো।


নির্বাচিত

শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প, অ্যাগ্রো বিজনেস ও উদ্ভাবনী কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের কৃষি খাতে অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে তরুণরা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কৃষিতে পড়াশোনা করলেই সবাইকে শুধু সরকারি চাকরিতে যেতে হবে—এমন নয়। কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যবসা, শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও উৎপাদনশীল খাতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন প্রযুক্তি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। কৃষির উন্নয়নে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও মাঠপর্যায়ের কৃষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেন, বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষি গবেষণায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে নবীন শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শেকৃবির উপাচার্য ড. মোঃ আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট সভায় ৫ হাজার ১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। বাজেট পেশ করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার। সভায় নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তিন জিলা খানমের সভাপতিত্বে রাখেন সিটি করপোরেশনের সচিব, হিসাবে রক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এবার ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৩ হাজার ৪৬৩ কোটি ৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকা, ব্যয় ২ হাজার ৪৮০ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রারম্ভিক স্থিতি ২৪৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা, রাজস্ব (সাধারণ তহবিল) থেকে ৪৪৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পানি সরবরাহ তহবিল থেকে ৭০ কোটি ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, সরকারি উন্নয়ন খাতে ১৪০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপি ভিত্তিক প্রকল্প থেকে ২০১০ কোটি ৯১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৮০ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব (সাধারণ তহবিল) খাতে ৪১৭ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা, পানি সরবরাহ খাতে ৭৮ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, সরকারি অনুদানে উন্নয়ন খাতে ১৩৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, নিজস্ব রাজস্বভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পে ২৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপি ভিত্তিক প্রকল্পে ১ হাজার ৬০৮ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থবছর শেষে সমাপনী স্থিতি দাঁড়াবে ২ হাজার ৬২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

এদিকে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪৬৩ কোটি ৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা এবং মোট ব্যয় ১ হাজার ২৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী সমাপনী স্থিতি রয়েছে ২ হাজার ৪৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।


নির্বাচিত

সৌন্দর্য আর পাহাড়ি সংস্কৃতিতে অনন্য শেরপুরের গারো পাহাড়

* অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি পর্যটকসহ এলাকাবাসীর
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলা আর এপারে গারো পাহাড় অধ্যুষিত বাংলাদেশের ‌শেরপুর জেলা। শেরপুরের গারো পাহাড়ে দাঁড়ালেই দেখা মিলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিভিন্ন চিত্র। জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী তিন উপজেলার গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিনিয়তই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা ছুটে আসেন। বলতে গেলে সারাদেশের পর্যটককে শেরপুরে টেনে আনে গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য।

গারো পাহাড়ের উঁচু ও ঢালে মিলিয়ে উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো হলো, মধুটিলা ইকোপার্ক, গজনী অবকাশ, পানিহাঁটা তারানী পাহাড়, হাড়িয়াকোনা পাহাড়, ভাইরাল আগর বাগান, বারোমারি মিশন, দাওধারা কাটাবাড়ি পর্যটন কেন্দ্র ইত্যাদি। এসব স্থানে সারাদেশ এমনকি দেশের বাইরে থেকেও ঘুরতে আসেন ভ্রমণপিপাসুরা। বিশেষ করে শীত মৌসুমে বা ঈদের ছুটিতে ঢল নামে পর্যটকদের।

এসব পর্যটন কেন্দ্রের পাশাপাশি গারো পাহাড়ের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে বন্যহাতি। এখানকার পাহাড়গুলোতে ৫০-৬০টি হাতির বিচরণ সবসময়ই থাকে। পুরো গারো পাহাড় অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় দুই শতাধিক ছোট-বড় বন্যহাতি রয়েছে। হাতি দেখতেও ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। তবে এসব বন্যহাতি স্থানীয় লোকজনের ফসল ও বাড়িঘরে প্রায়ই তান্ডব চালায়। হাতির আক্রমণে মারা যায় মানুষ, ফসল রক্ষায় কৃষকদের দেওয়া বৈদ্যুতিক ফাঁদে মৃত্যু হয় হাতিরও।

এ অঞ্চলে বসবাসকারী গারো, কোচসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, পোশাক, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জীবনযাত্রাও পর্যটকদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত আনারস, কলা, কমলা, আদা, হলুদ, লটকন ও অন্যান্য পাহাড়ি কৃষিপণ্যও দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে।

তবে পর্যটন খাতের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বেশ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। অনেক সড়ক এখনো সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ। উন্নত মানের আবাসন, পর্যটক তথ্যকেন্দ্র, পর্যাপ্ত শৌচাগার, নিরাপদ পার্কিং, আধুনিক রেস্তোরাঁ এবং জরুরি চিকিৎসাসেবার ঘাটতি রয়েছে। ফলে অনেক পর্যটক এক দিনের মধ্যেই ফিরে যেতে বাধ্য হন।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, গারো পাহাড়কে কেন্দ্র করে আধুনিক পর্যটন মাস্টারপ্ল্যান, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, মানসম্মত আবাসন, ডিজিটাল প্রচারণা, নিরাপত্তা জোরদার এবং স্থানীয় সংস্কৃতিভিত্তিক উৎসবের আয়োজন করা গেলে শেরপুর দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে।

মধুটিলা ইকোপার্ক: মধুটিলা ইকোপার্ক শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। ১৯৯৯ সালে এই বনকে পরিবেশ-উদ্যান বা ইকোপার্ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রায় ৩৮৩ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্কে রয়েছে কৃত্রিম লেক, ওয়াচ টাওয়ার, মিনি চিড়িয়াখানা, বিভিন্ন প্রাণীর ভাস্কর্য, পিকনিক স্পট এবং শিশুদের খেলার জায়গা।

বনবিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, ‘মধুটিলা ইকোপার্ক শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পরিবেশ শিক্ষা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য মিলনস্থল। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে বন বিভাগ নিয়মিত কাজ করছে। আমরা সবাই যদি বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন হই, তাহলে এই ইকোপার্ক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সমৃদ্ধ সম্পদ হিসেবে টিকে থাকবে‌। ইকোপার্কে যেসকল সমস্যা রয়েছে এগুলো আমরা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। পার্কের ভিতরে কিছু সংস্কার হয়েছে আরো সংস্কারের জন্য আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

গজনী অবকাশ: গজনী অবকাশ কেন্দ্র ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ২৮-৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অবকাশ কেন্দ্রটিতে ছোট-বড় টিলা, পাহাড়ি ঝরনা, লেক ও কৃত্রিম জলপ্রপাত রয়েছে। ১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে ওঠা ৯০ একরের এই পর্যটন স্পটটিতে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে প্যাডেল বোট, ঝুলন্ত ব্রিজ, ওয়াচ টাওয়ার এবং শিশু পার্ক, মিনি চিড়িয়াখানা ইত্যাদি। গজনী অবকাশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নিয়মিত সংস্কারের ফলে এখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গজনী অবকাশ কেন্দ্রের ভেতরের হোটেলগুলোতে পাহাড়ি রান্নার বিশেষ স্বাদের বুনো মুরগির মাংস এবং গারো পাহাড় এলাকার ঐতিহ্যবাহী শুটকি ভর্তা ও পিঠা পাওয়া যায়। এছাড়া সাদা ভাত, দেশি মুরগি, এবং বিভিন্ন পদের দেশীয় ভর্তার সুব্যবস্থা রয়েছে। প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে চাইলে গজনী পার্কের ঠিক পাশেই রয়েছে বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট।

দর্শনার্থী হাসান মিয়া, কাওসার, হাবিবুল্লাহ, আনিছুর রহমানসহ আরো কয়েকজন জানান, গজনী অবকাশের সৌন্দর্য দেখে ভালোই লাগলো। এখানে এলে মন ভালো হয়ে যায়। আমরা প্রায়ই আসি।’

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘পর্যটকদের নজর কাড়ার মতো গারো পাহাড়ঘেরা শেরপুর জেলায় অনেক সুন্দর প্রাকৃতিক স্থান রয়েছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসনের আওতাধীন অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র গজনী অবকাশ। গজনী অবকাশকে আধুনিকায়ন করার জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি।


নির্বাচিত

নিভে গেল একই পরিবারের তিন প্রাণ, দেবিদ্বারে শোকের ছায়া

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
​দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

নতুন সংসার ঘিরে বুকভরা হাজারো স্বপ্ন আর একরাশ আশা নিয়ে স্বামী ও আট বছরের ছোট্ট ভাগনীকে সাথে করে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফাহিমা আক্তার। ভেবেছিলেন, ইট-পাথরের শহরে নিজেদের মেধা ও পরিশ্রমে গড়ে তুলবেন ভালোবাসার সুন্দর একটি নীড়। কিন্তু বিধাতা হয়তো লিখেছিলেন অন্য এক করুণ ইতিহাস! একটি অবহেলা আর গ্যাস লাইনের বিষাক্ত লিকেজ মুহূর্তের মধ্যেই তাদের সব স্বপ্ন পুড়িয়ে ছাই করে দিল।

দগ্ধ হয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে জীবনের সাথে তীব্র পাঞ্জা লড়ে অবশেষে শনিবারে সন্ধ্যায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন কুমিল্লার দেবিদ্বারের মেয়ে ফাহিমা।

একই দুর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে বৃহস্প‌তিবার (২৩ জুলাই) রা‌তে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তার স্বামী আনোয়ার হোসেন শাহিন এবং শুক্রবা‌রে (২৪ জুলাই) মারা যান প্রিয় ভাগনী হাফসা। একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক বিদায়ে দেবিদ্বারে এখন বইছে শোকের মাতম, স্বজনদের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।

​নিহত ফাহিমা আক্তার দেবিদ্বার উপজেলার গোমতী আবাসিক এলাকার গোলাম হোসেনের ছোট মেয়ে। তিনি জাফরগঞ্জ মীর আব্দুল গফুর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে অনার্সে ভর্তি হয়েছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি কেক তৈরি ও পোশাক বিক্রিসহ নানা পণ্যের অনলাইন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল নিজের ব্যবসাকে অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার। সেই লক্ষ্যেই স্বামী শাহিনের হাত ধরে উঠে এসেছিলেন রাজধানীর বাড্ডার ভাড়া বাসায়। পরম মমতা আর মায়ের স্নেহে বড় করে তুলবেন—এই আশায় সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন বড় বোনের আট বছরের শিশুকন্যা হাফসাকে।

​পরিবার জানায়, গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর দেবিদ্বারের ৯ নং গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের বাঙ্গুরী গ্রামের মীর্জা আলী ব্যাপারী বাড়ির শাহিনের সাথে বিয়ে হয় ফাহিমার। দেড় মাস আগে তারা রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকার একটি ভবনের নিচতলায় বাসা ভাড়া নেন। তাদের সাথে ঢাকায় পড়তে এসেছিল ফাহিমার ভাগনী হাফসা। গত ২১ জুলাই রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হঠাৎ বাসাটায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিকট শব্দে ঘটে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে দুটি কক্ষে।

​আগুনের জ্বলন্ত দাহে আশঙ্কাজনকভাবে দগ্ধ হন ফাহিমা, তার স্বামী শাহিন ও শিশু হাফসা। উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ফাহিমা কয়েক দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে শনিবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার আগেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যায় তার স্বামী ও সা‌থে থাকা ভাগনী হাফসা।

​দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) বাদ মাগ‌রিব শিশু হাফসাকে দাফন করা হয় তার বাবার বাড়ি দেবিদ্বারের সুলতানপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে। আর শা‌হিন‌কে দাফন করা হয় বাঙ্গুরী গ্রা‌মে তার পা‌রিবা‌রিক কবরস্থা‌নে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় দেবিদ্বার পৌর সদরের গোমতী আবাসিক এলাকার চানমিয়া মার্কেট মাঠে ফাহিমার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বাঙ্গুরী গ্রামে শাহিনের পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর পাশেই দাফন হয় ফাহিমার।


নির্বাচিত

দৌলতপুরে পদ্মার ভাঙন পরিদর্শন করলেন এমপি বাচ্চু মোল্লা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা। ভাঙনের তীব্রতা দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধে অতিরিক্ত ৩ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানান। গত শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়াড় এলাকায় ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, এলাকার মানুষের জানমাল রক্ষায় তিনি জাতীয় সংসদে একাধিকবার পদ্মা নদীর স্থায়ী নদীশাসনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এরই মধ্যে অস্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সেই অর্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলে কাজ করছে। তবে ভাঙন অব্যাহত থাকায় আরও ৩ কোটি টাকা বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে পদ্মা, মাথাভাঙ্গা ও হিসনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড়, কোলদিয়াড়, ফয়জুল্লাহপুর ও হাটখোলাপাড়াসহ অন্তত চারটি স্থানে পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

গত ১৫ থেকে ২০ দিনে শতাধিক একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পাটসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল হারিয়ে কয়েকশ কৃষক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ভাঙন অব্যাহত থাকায় আবাদি জমির পাশাপাশি বসতভিটাও হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জানান, ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অতিরিক্ত জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও পানি বৃদ্ধির সঙ্গে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমি হারিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। তাই সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের পরিবর্তে স্থায়ী নদীশাসন ও টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান তারা।


নির্বাচিত

banner close