মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
৮ বৈশাখ ১৪৩৩

জেলহত্যা দিবস আজ

প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৩ নভেম্বর, ২০২২ ০০:০৮

জেলহত্যা দিবস আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি ৩ নভেম্বর।

১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর আগে ১৫ আগস্টের পর এই চার জাতীয় নেতাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টি স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের উদ্যোগে সারা দেশে পালিত হবে শোকাবহ এই দিনটি।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘাতকচক্রের উদ্দেশ ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। কিন্তু ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ সফল হয়নি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর আদর্শ চির অম্লান থাকবে। বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার।

পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড ছিল জাতির পিতাকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যার ধারাবাহিকতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও জাতীয় চার নেতার জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তি ও দেশবিরোধী চক্র বাংলার মাটি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব শূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। ঘাতকদের উদ্দেশ্যই ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙে আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করা।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকেই হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে। আত্মস্বীকৃত খুনীদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে। জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করেছিল। হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনার পরিবর্তে পুরস্কৃত করেছিল। বিদেশে দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিল। স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব দিয়েছিল। রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার করেছিল। ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছিল। বিপুল অর্থের মালিক করে দিয়ে তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করেছিল। '৭৫-এর সেই ষড়যন্ত্রকারী ও হত্যাকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদদাতারা পরবর্তী ২১ বছর ধরে দেশের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে। অবৈধ শাসকরা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বাংলাদেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।


ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেলে কলেজ থেকে মনিকা আক্তার মিতু নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থী আটক করে পুলিশে দিয়েছে কলেজ প্রশাসন।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তার সন্দেহজনক চলাফেরা দেখে তাকে কলেজ প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পুরোনো ভবনের নিচতলায় লেডিস কমন রুমে অ্যাপ্রোন পরে চলাফেরা করার সময় অন্য শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ে।

তারা তার সাথে কথা বলেন ও তার আইডি কার্ড দেখে নিশ্চিত হন, তিনি এই কলেজের কেউ নন। পরে তাকে আটক করে কলেজ প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন।

এদিকে কলেজ প্রশাসন তার তথ্য যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হন, তিনি কলেজের কেউ নন। পরে ওই তরুণী তা স্বীকার করেন।

পরে কলেজ প্রশাসন শাহবাগ থানায় তাকে সোপর্দ করে। ওই তরুণী জানিয়েছেন, তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার মমিন আলীর মেয়ে। বর্তমানে নবাবগঞ্জে থাকেন। তবে কী কারণে বা কেন এ রকম মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে এসেছিলেন, সে ব্যাপারে কিছুই বলেনি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, ওই তরুণীকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।


আমতলীতে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১২ হাজার কৃষক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে গোলপাতার চারা, ভার্মি কম্পোস্ট এবং উফশী আউশ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। উফশী আউশ ধানের আবাদ বাড়াতে উপজেলার ১২ হাজার কৃষক এই প্রণোদনা পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উপকূলীয় পরিবেশ সংরক্ষণ ও কৃষি বৈচিত্র্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার ৬০ জন কৃষকের মধ্যে গোলপাতার চারা ও ভার্মি কম্পোস্ট বিতরণ করা হবে। প্রতিটি কৃষক পাবেন ২০১টি করে গোলপাতার চারা এবং নির্ধারিত পরিমাণ ভার্মি কম্পোস্ট। এ ছাড়া উফশী আউশ ধানের আবাদ বাড়াতে উপজেলার ১২ হাজার কৃষককে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি উন্নতমানের আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০কেজি এমওপি সার দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা কৃষি অফিসের সকল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।

বক্তারা বলেন, সরকারের এ ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকদের উৎসাহ প্রদান এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সহায়তার মাধ্যমে আমতলীতে আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।


জামিন পেলেন শিশুসহ কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী

আদালত প্রাঙ্গণে শিল্পী বেগম। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামিন পেলেন দেড় মাসের শিশুসহ কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান ৫ হাজার টাকা মুচলেখায় পুলিশ রিপোর্ট পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর তেজগাঁও থানার বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ তার জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এরপর কাইফা ইসলাম সিমরান নামে দেড় মাসের কন্যাসন্তানকে বুকে নিয়ে ও পেটে বেল্ট পরে কাঁদতে কাঁদতে কারাগারে যান শিল্পী। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

এর আগে দুপুর ২টার দিকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে তদন্তে জানা যাচ্ছে। মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা বিশেষ প্রয়োজন।

এ সময় তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি উল্লেখ করেন, তার ১ মাস ১৬ দিনের কন্যাসন্তান রয়েছে। তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। যেকোনো শর্তে তার জামিন প্রার্থণা করছি। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিকেল ৩টা ১২ মিনিটকে আদালত থেকে বের করা হয়। এসময় আদালতের চতুর্থ তলায় কাঁদতে থাকেন তিনি।

পরে তার কোলে তুলে দেওয়া হয় দেড় মাস বয়সি বাচ্চাকে। এসময় আদালতের বারান্দায় রাখা বেঞ্চে বসিয়ে সেই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ান ওই মা। পরে ওই বাচ্চাকে কোলে নিয়ে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এসময় তিনি কাঁদতে থাকেন। যুবলীগ নেত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে বাচ্চাসহ কারাগারে যেতে হচ্ছে।’

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুল। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী তাদের আক্রমণ করেন।

পরবর্তীতে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মামলার এজাহারনামীয় আসামিরাসহ আরও অজ্ঞাত ১২০-১৩০ জন আসামি দেশীয় ধারাল অস্ত্র এবং পিস্তল, বোমা নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা চালান। এতে আসবাব ও ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। তিন লাখ টাকা মূল্যের বাসার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। শিল্পী ও অন্য আসামিরা হত্যার উদ্দেশে ওই শিক্ষার্থীর বাবা মো. সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।

এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।


বন্ধ পাটকল চালু করতে কাজ করছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নরসিংদী প্রতিনিধি

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারাদেশের বন্ধ জুটমিলগুলো চালু করতে কাজ করছে সরকার। সরকারি-বেসরকারি যে কোনো ব্যবস্থাপনায় পাটকল চালু করা হবে। তিনি মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নরসিংদীর পলাশের কো-অপারেটিভ জুটমিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নরসিংদীর দুটিসহ সারাদেশেই বন্ধ কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। এসব কারখানায় দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। বিগত সরকারের সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বেশ কিছু মানুষ কর্মশূন্য হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার জনগণের সরকার তাই জনগণের কল্যাণে ও তাদের কর্মসংস্থানে এই সরকার বদ্ধপরিকর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমসির চেয়ারম্যান, ‎বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, মুখ্য পরিচালন কর্মকর্তা মামনুর রশিদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুব্রত সিকদারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী পরে ঘোড়াশালে অবস্থিত বাংলাদেশ জুট মিল ও ঘোড়াশাল প্রান কারখানা(এএমসিএল) পরিদর্শন করেন।


সুন্দরবনের সুমন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দল ছোট সুমন বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আটক আবদুস সামাদ মোল্লার (৩৫) বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায়। তিনি ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড (দ্বিতীয় প্রধান) বলে জানিয়েছেন কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সাব্বির আলম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় সুন্দরবনে সক্রিয় বনদস্যুদের দমনে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর তৃতীয় ধাপে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সামাদ মোল্লাকে আটক করা হয়।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১০টার দিকে রামপাল উপজেলার শুকদারা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুস সামাদ মোল্লাকে আটক করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর হয়ে সুন্দরবনে ডাকাতি কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন।

পরে আবদুস সালামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে মোংলা থানার সুন্দরবনের নন্দবালা খালসংলগ্ন এলাকায় আরেকটি অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি একনলা বন্দুক, এয়ারগান ও দুটি অবিস্ফোরিত কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।


ভেড়ামারায় অবৈধ বালু উত্তোলনে অতিষ্ঠ জনজীবন

আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২
ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ওই বালু রাখা হচ্ছে রাস্তায়। এতে একদিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে রাস্তা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি রাস্তায় এবং পাশের খালি জায়গায় স্তূপ করে রাখা হয়েছে। বালু ভর্তি ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এলাকার একমাত্র পাকা রাস্তাটি বিভিন্ন জায়গায় দেবে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী এই চক্রটি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি জায়গা দখল করে বালু রাখায় পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং ধুলোবালিতে পরিবেশ দূষিত হয়ে শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এলাকাবাসী বাধা দিলে উল্টো হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন, "রাস্তাটি আমাদের যাতায়াতের প্রধান পথ। বালু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে এখন এই রাস্তা দিয়ে হাঁটাই দায় হয়ে পড়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর দ্রুত সমাধান চাই।"

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা বলছেন, দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং সরকারি জায়গা থেকে বালুর স্তূপ অপসারণ না করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়া জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুর রহমান বলেন, বিষয় টা আপনাদের মাধ্যমে এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে অবগত হয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ভেড়ামারার নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, এটা কুষ্টিয়া পাউবোর দায়িত্বে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার কমকর্তারা বলতে পারবেন। এটা আমার কোনো বিষয় নয়।


সোনারগাঁয়ে ২০২৫ সালের প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা দিলো ১৭৭ পরীক্ষার্থী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এসএসসি পরীক্ষায় কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় ২০২৫ সালের প্রশ্নে ১৭৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বাংলা প্রথম পত্র সৃজনশীল পরীক্ষায় এক ঘন্টা ২৫ মিনিট পরীক্ষা দেওয়ার পর বিষয়টি নজরে এসে। ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রের মধ্যে হৈ চৈ পড়ে যায়। এতে করে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ফেল করার আতংঙ্ক বেড়ে যায়। অভিভাবকদের মধ্যেও ভয় ও সংশয় তৈরি হয়। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কেন্দ্র সচিবের গাফলতিকে দায়ী করেছেন।

এ ঘটনার নজরে আসার পর তড়িঘড়ি করে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন কেন্দ্র সচিব মো. আবদুল মতিন সরকার। পরে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা পরীক্ষা কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিবের পদত্যাগ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগানে বিক্ষোভ করেন। এছাড়াও তারা গাফলতিকে দায়ী করেছেন।

এদিকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে উপজেলা প্রশাসন পরে অতিরিক্ত সময় দিয়ে নতুন সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা উপজেলার কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ বছর সিনহা উচ্চ বিদ্যালয়, দবরউদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়, মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও নাসিম মেমোরিয়াল ল্যাবরোটরি স্কুলের ৭৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে ১৭৭ জন শিক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। এ প্রশ্নেই শিক্ষার্থীরা এক ঘন্টা ২৫ মিনিট পরীক্ষা দেয়। পরবর্তীতে পুরাতন প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের নজরে আসে। বিষয়টি কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হলে তাৎক্ষনিকভাবে ইউএনওকে জানিয়ে সঠিক প্রশ্নে সময় বৃদ্ধি করে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

সিনহা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার জানায়, বহু নির্বাচনী পরীক্ষা শেষে তারা সৃজনশীল পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদেরকে কেন্দ্র দায়িত্বরতরা ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন সরবরাহ করেন। পরীক্ষার প্রথম দিন হওয়ার কারনে তাদের বিষয়টি প্রথমে নজরে আসেনি। পরবর্তীতে নজরে এলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয় ও আতংঙ্ক বিরাজ করে। কেউ কেউ ফেল করার ভয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার্থী আয়মান রহমান জানায়, এমন ভুল হতে থাকলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত শংঙ্কায় পড়বে। আগামী দিনে এমন পরিস্থিতি যেন না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন হওয়া দরকার।

রাবেয়া বসরি নামের এক অভিভাবক জানান, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে গাফলতির কারনে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত অন্ধকারের দিকে যাচ্ছিল। এমন দায়িত্বহীন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দিয়ে সঠিক দায়িত্ববান শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো.আবদুল মতিন সরকার জানান, সিলেবাসের সাল দৃষ্টিগোচর না হওয়ার কারনে এমন হয়েছে। তাছাড়া প্রশ্নের অতিরিক্ত আরো দুটি প্রশ্নের প্যাকেট বেশি আসার কারনে বিষয়টি নজরে আসেনি। ফলে এমন পরিস্থিতি হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এ বিষয়টি মাথায় রেখে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, পুরাতন সিলেবাসে পরীক্ষার বিষয়টি নজরে আসা মাত্র বোর্ডের কর্মকর্তারদের সঙ্গে কথা বলে অতিরিক্ত সময় দিয়ে নতুন সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আশা করি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তেমন কোন সমস্যা হবে না। শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে আতংঙ্কের কোন কারন নেই।


ভারতীয় কারাগারে নিহত বাংলাদেশী যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ

আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৪
শেরপুর প্রতিনিধি

অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় কারাগারে আটক বাংলাদেশী যবক শিপন হাওলাদার মারা যাওয়ার পর ওই যুবকের মরদেহ শেরপুর সীমান্ত দিয়ে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে ওই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। মৃত ওই যুবক শিপন হাওলাদার (৩৫) দেশের বরগুনা জেলার সদর উপজেলার সবেজ হাওলাদারের ছেলে।

পুলিশ ও বিজিবি জানায়, প্রায় ১৯ মাস আগে শিপন হাওলাদার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হলে তাকে সেখানকার পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর ভারতীয় আদালত অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদন্ড দিয়ে তুরা কারাগারে পাঠায়। আগামী ২৮ এপ্রিল তার কারাভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এর আগেই গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) শিপন অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। দুই দেশের আইনী প্রক্রিয়া শেষে ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে শিপনের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরদেহ হস্তান্তরকালে ভারতীয় বিএসএফ এর পক্ষে ঢালু কোম্পানী কমান্ডার ইন্সপেক্টর কিমা রায়, বাংলাদেশের বিজিবি’র পক্ষে হাতিপাগার সবেদার ফুল মিয়া সরকার, নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের ওসি আশরাফুজ্জামানসহ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনকে (৫০) কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টায় র‍্যাব সদর দপ্তরের উপ-পরিচালক (মিডিয়া) মেজর লুৎফর রহমান হাদী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গতকাল জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে উপ-পরিচালককে সন্ত্রাসী হামলায় কুপিয়ে জখম করার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্তসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মেহেদী হাসান জানান, আহত উপ-পরিচালককে বেশ কিছুদিন ধরে বিদেশি নম্বর থেকে টেন্ডার দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল একটি চক্র। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অফিস শেষ করে ক্যানসার হাসপাতাল থেকে তার বাসায় ফেরার পথে পুরাতন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পেছনের গলিতে অজ্ঞাত ২-৩ ব্যক্তি তার ডান হাত ও পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।


এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুস্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের ধরে তার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২৭ মার্চ। কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় এমপি আমির হামজা অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল এমপি আমির হামজাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, তার এমন বক্তব্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। নোটিশে তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসক ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই টাকা দিয়েছেন, তার নাম প্রকাশ করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ বা তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আজ তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। আইন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এমন মন্তব্য করা আইনত দণ্ডনীয় এবং এটি সরকারি চাকরিজীবীদের মর্যাদাহানি করে।

মামলার আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসংলগ্ন বক্তব্য কাম্য নয়। সরকার যখন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে, তখন প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলার আগে অবশ্যই পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ থাকা প্রয়োজন। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারণেই আদালত এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন।


জয়পুরহাটে পাহারাদারকে বেঁধে তিন ট্রান্সফরমার চুরি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি 

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় একটি অগভীর নলকূপের পাহারাদারকে মারধরের পর হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে তিনটি ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা। গত রোববার (১৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের নওদুয়ারী ফসলি মাঠে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় পাহারাদার আবদুর রশিদ মিলনকে (৪০) উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছাইদুল ইসলাম ওরফে ছানু থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য ছাইদুল ইসলামের নওদুয়ারী ফসলি মাঠের আলীগাঁও সেতু নামক স্থানে একটি বৈদ্যুতিক অগভীর নলকূপ স্থাপন করে সেচকাজ চালানো হচ্ছিল। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে ৫-৬ জনের একটি দল নলকূপের ঘরের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর পাহারাদার আবদুর রশিদকে বেধড়ক মারধর করে তাঁর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে বৈদ্যুতিক পোল থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার নিচে নামিয়ে ভেতরের তামার তার খুলে নিয়ে যায়। অভিযোগে তিনটি ট্রান্সফরমারের আনুমানিক মূল্য দেড় লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বৈদ্যুতিক পোলের নিচে তিনটি ট্রান্সফরমারের খালি বোতল পড়ে আছে। নলকূপের ঘরের ভেতরে বিছানাপত্রে রক্তের দাগ দেখা গেছে।

গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি অগভীর নলকূপের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৩ থেকে সাড়ে তিনটার দিকে ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত ঘরের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে বেধড়ক মারধরের পর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। তারা বৈদ্যুতিক পোল থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার খুলে নিচে নামিয়ে তামার তার বের করে পালিয়ে যায়।

রুকিন্দীপুর ইউপির সদস্য মো. ছাইদুর ইসলাম ‎বলেন, ‘আমার ছোট ভাই আবদুর রশিদ সারা রাত অগভীর নলকূপ পাহারা শেষে প্রতিদিন ভোরে বাড়িতে ফিরতেন। অনেক বেলা হলেও বাড়ি আসছিল না। তখন অগভীর নলকূপে গিয়ে দেখি পোলের নিচে তিনটি ট্রান্সফরমারের খালি বোতল পড়ে আছে। ঘরের ভেতর আমার ছোট ভাই হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁর হাত দিয়ে রক্ত ঝরছিল। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীর রেজা বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


চাঁদপুরে বন্ধুর কবরে লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁদপুর প্রতিনিধি

আবুল হাশেম (৯০) ও বাচ্চু পাটওয়ারী (৮৫) দুই বন্ধুর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একসঙ্গে বসে গল্প করতেন, আবার একসঙ্গেই গ্রামে কবর খোঁড়ার কাজ করতেন। গত রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে একসঙ্গে বসে আড্ডা দেন। গতকাল সোমবার মসজিদে ফজরের নামাজও পড়েন একসঙ্গে। সকালে বাচ্চু পাটওয়ারী বার্ধক্যের কারণে তার নিজ বাড়িতে মারা যান। খবর পেয়ে বন্ধুর দাফনের জন্য আবুল হাশেম কবরস্থানে এসে কবর খুঁড়ছিলেন। এ সময় বন্ধুর জন্য খোঁড়া কবরে নিজেই লুটিয়ে পড়ে মারা যান তিনি।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কেরোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আবুল হাশেম ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কেরোয়া ছৈয়াল বাড়ি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। বাচ্চু পাটওয়ারী আগে কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাঁরা দুজনই কেরোয়া গ্রামের বাসিন্দা।

আবুল হাশেমের ছেলে জহির হোসেন বলেন, আবার বাবা ও প্রতিবেশী চাচা বাচ্চু পাটওয়ারী দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা দুজনই বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের কবর খুঁড়ে দিতেন। সকালে পাটওয়ারী চাচা মারা যাওয়ার খবর শুনে বাবা কিছুক্ষণ কান্না করেন। পরে বন্ধুর কবর খুঁড়তে কবরস্থানে যান। কবর খোঁড়ার পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আমার বাবা ও চাচার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

বাচ্চু পাটওয়ারীর ভাতিজা নাজির আহমেদ হুমায়ুন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা আবুল হাশেম কাকাকে নিয়ে বাচ্চু চাচার কবর খুঁড়ছিলাম। কবর খোঁড়ার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ হাশেম কাকা কবরে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাড়াহুড়া করে ওপরে উঠিয়ে দেখি তিনি আর নেই।’


শ্যামনগরে সুপেয় পানির দাবিতে ম্যারাথন ‘রান ফর ওয়াটার-২.o’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে সুপেয় পানির দাবিতে ব্যতিক্রমধর্মী ম্যারাথন ‘রান ফর ওয়াটার-২.o’ হয়ে গেল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দুই শতাধিক তরুণ-তরুণী ও পরিবেশকর্মী উপকূলের মানুষের পানি সংগ্রহের সংগ্রামকে ফুটিয়ে তুলতে মাটির কলস নিয়ে এই ম্যারাথনে অংশ নেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্যারেজ বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে গিয়ে শেষ হয় এই ম্যারাথন।

সুপেয় পানি নিশ্চিতের দাবিতে স্থানীয় যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিম এই ম্যারাথনের আয়োজন করে। কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একশনএইড বাংলাদেশ। এছাড়া ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেয়।

ম্যারাথনে প্রথম স্থান অধিকার করেন গাবুরার জি.কে সাব্বির হোসেন, দ্বিতীয় হন বুড়িগোয়ালিনীর সাগর হোসেন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন সাতক্ষীরা সদরের ওয়াছিমুল ইসলাম তপু।

ম্যারাথন শেষে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা হয়।

এতে বক্তব্য দেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর ডেপুটি ম্যানাজার (ইয়ুথ অ্যান্ড জাস্ট সোসাইটি) মুসতাহিদ জামি, ডেপুটি ম্যানাজার (পার্টনারশিপ এবং প্রোগ্রাম) আরিফ সিদ্দিকী, সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোঃ শাহিন আলম, বাধন সংস্থার প্রতিনিধি শেখ ইমরান ও এসসিএফ এর সহকারী নির্বাহী পরিচালক হাবিবুল্ল্যাহ আল মামুন।

তারা পানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বক্তারা বলেন, এই ম্যারাথন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি উপকূলীয় জনপদের পানির অধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির এক অনন্য প্রচেষ্টা।

আয়োজকেরা জানান, ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কারণে তীব্র পানিসংকটে ভুগছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের উপকূলীয় এই জনপদের বাসিন্দারা। তাই এই ম্যারাথন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং নিরাপদ পানির দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

শরুব ইয়ুথ টিমের পরিচালক এস এম জান্নাতুল নাঈম বলেন, এই দৌড়ের মাধ্যমে আমরা স্থানীয়ভাবে যেমন সচেতনতা বাড়াতে চাই, তেমনি জাতীয় পর্যায়েও সুপেয় পানির সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ পানি মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। অনেক নারীকে কয়েক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পানি সংগ্রহ করতে হয়, আবার অনেকেই বাধ্য হয়ে পানি কিনে ব্যবহার করেন। এই বাস্তবতা তুলে ধরতেই আমাদের এই আয়োজন।


banner close