বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের চাবি হস্তান্তর

ছবি: সংগৃহীত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৩ জুন, ২০২৪ ১৩:৪৯

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, দৈনিক ভোরের পাতা ও দ্য ডেইলি পিপলস্ টাইমের সম্পাদক ও প্রকাশক, এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালক ড. কাজী এরতেজা হাসান সিআইপির নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় জেলা শহরের সুলতানপুর বড়বাজার সড়কের ডে-নাইট কলেজ মোড়ে প্রতিষ্ঠিত অস্থায়ী কার্যালয়ে ড. কাজী এরতেজা হাসানের পক্ষে চাবি হস্তান্তর করেন জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ।

এসময় দলের পক্ষে চাবি গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একে ফজলুল হক। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আখতার হোসেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি এস এম তুহিন, জেলা তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি জাবেদ হোসেন টিপু, পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস কবির, পৌর যুবলীগের আসাদুজ্জামান রনি, জেলা ছাত্রলীগের শেখ জুবায়ের আল জামান, পৌর যুবলীগের সদস্য মাসুম বিল্লাহ,মিলন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ড. কাজী এরতেজা হাসান নিজ খরচে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের একটি স্থায়ী কার্যালয় নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেটি হওয়ার আগ পর্যন্ত কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য ২০২২ সালের ১২ জুন ২ হাজার বর্গফুটের ওপর নিজ খরচে অত্যাধুনিক অঙ্গসজ্জায় সজ্জিত এই অস্থায়ী কার্যালয়টি নির্মাণ করে দেন।


নির্বাচিত

সুগন্ধি চালের দামে রেকর্ড, ছয় মাসে বেড়েছে ৫৭ শতাংশ 

* রপ্তানিকারক, চালকল মালিক ও ব্যবসায়ীদের মতবিরোধ চরমে
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোজনরসিকদের পাতে সৌরভ ছড়ানো সুগন্ধি চাল এখন সাধারণ ক্রেতার জন্য এক অধরা বিলাসিতা। গত ছয় মাসের ব্যবধানে দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৫৭ শতাংশ। যে চাল চলতি বছরের শুরুতে প্রতি কেজি বিক্রি হতো ১৪০ টাকায়, খুচরা বাজারে তা এখন বিক্রি হচ্ছে ২১৫ থেকে ২২০ টাকায়। চালের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ‘কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি’ কাজ করছে নাকি ‘রপ্তানির প্রভাব’—তা নিয়ে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ।

রাজধানী থেকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম—সবত্রই এক চিত্র। পাইকারি ও খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গত ছয় মাসে খোলা ও প্যাকেটজাত সব ধরনের সুগন্ধি চালের কেজিপ্রতি দর বেড়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আগে কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২১৫–২২০ টাকায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক কেজির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ২০০ টাকায় (রূপচাঁদা ২০০ টাকা, প্রাণ/চাষী/ফ্রেশ/এরফান ১৯০ টাকা, ইস্পাহানি ১৭৫ টাকা)। চিনিগুড়া চালের দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে মানভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় ঠেকাছে।

বাজারের খুচরা বিক্রেতারা জানান, অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণে সাধারণ গ্রাহকরা সুগন্ধি চাল কেনা কমিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে বিক্রি নেমে এসেছে তলানিতে।

সুগন্ধি চালের এই রেকর্ড দামের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে উঠে এসেছে রপ্তানিকারক, চালকল (মিল) মালিক এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যকার চরম মতবিরোধ।

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই বাজার অস্থির হতে শুরু করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি শতপ্রাধিক প্রতিষ্ঠানকে চাল রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, রপ্তানির সুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই অসাধু চক্র সুযোগ নিয়ে চালের দাম বাড়াতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ চাল রপ্তানিকারক সমিতি এ অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি—দেশে বার্ষিক সুগন্ধি চাল উৎপাদন হয় ১০ লাখ টন। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মাত্র ৪ লাখ টন। উদ্বৃত্ত থাকে প্রায় ৬ লাখ টন।

রপ্তানিকারকদের বক্তব্য, গত এক মাসে মাত্র ২ হাজার টনের মতো চাল বিদেশে গেছে। ছয় লাখ টন উদ্বৃত্ত থাকা সত্ত্বেও মাত্র দুই হাজার টন চাল রপ্তানিতে বাজারে সংকট তৈরির কথা নয়। কিছু অসাধু মিল মালিক চাল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছেন।

অন্যদিকে চালকল মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। নওগাঁর চালকল মালিকদের দাবি, বিশ্ববাজারে সুগন্ধি চালের চাহিদা ও দাম উভয়ই চড়া। ফলে দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়া স্বাভাবিক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি উইং) আয়েশা আক্তার বলেছেন, সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদনের কারণে দেশীয় বাজারে কী প্রভাব পড়ছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তা বিশ্লেষণ করে দেখবে এবং পর্যালোচনার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ও গবেষকদের মতে, সুগন্ধি চাল জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের তালিকায় পড়ে না বলে সরকার সরাসরি এর দর নির্ধারণ করে দেয় না। মুক্তবাজার অর্থনীতির নিয়ম অনুযায়ী এটি পরিচালিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা তৈরি হলেই দেশীয় বাজারে দাম বেড়ে যায়।

উদ্বৃত্ত উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও সুগন্ধি চালের বাজারে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা মূলত তদারকির অভাব ও কারসাজিরই ইঙ্গিত দেয়। বিশ্ববাজারের অজুহাতে স্থানীয় বাজারকে এভাবে জিম্মি করা ঠেকানো না গেলে এটি কেবল সাধারণ ভোক্তাদেরই ভোগাবে না, বরং বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় কৃষি-রপ্তানি খাতকেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।


নির্বাচিত

হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয়দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। যৌথভাবে গবেষণাটি করে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।

অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হক।

গবেষণাটি দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় পর্যায়ের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিচালিত হয়। এতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়া ৯৫ জন কর্মকর্তার জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও পেশাগত চর্চা বিষয়ে একটি জরিপ পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপক, জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সরবরাহকারী, শিক্ষাবিদ ও রোগীদের সঙ্গে আরও ৩২টি সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জরিপভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক বাজেট ব্যবহারের হার ছিল ৮৫ শতাংশ। মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল সবচেয়ে কম, ৭৮ শতাংশ। অর্থবছর শেষে ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে অব্যয়িত অর্থ থাকার তথ্য পাওয়া গেলেও মাত্র ১১ শতাংশ আর্থিক অব্যবস্থাপনাকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই ফলাফল থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উত্তরদাতাদের দৃষ্টিতে অব্যয়িত অর্থের প্রধান কারণ আর্থিক অনিয়মের চেয়ে বাজেট ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।

বিশেষ করে যেসব পরিচালন খাতে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে তুলনামূলকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেসব খাতে ব্যয় ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সাধারণ সরঞ্জাম খাতে বরাদ্দের মাত্র ২৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। ভ্রমণ ও স্থানান্তরসংক্রান্ত খাতে ব্যয়ের হার ছিল ৬৮ শতাংশ এবং পেশাগত সেবা ও সম্মানী খাতে ৫৯ শতাংশ।

টেন্ডার প্রক্রিয়ার অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, পছন্দের লোককে কাজ দিতে টেন্ডারে এমন অবাস্তব শর্তজুড়ে দেয়া হয়, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই কাজ পায়। যেমন—পাঁচ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার ট্রানজ্যাকশনের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম নেয়া কয়জন ব্যবসায়ী এই শর্ত পূরণ করতে পারবে? এটি করা হয় মূলত প্রতিযোগিতা সীমিত করে পছন্দের পাত্রকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য।

স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও কোটি কোটি টাকার সরকারি অর্থ অপচয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ১১ কোটি টাকার রেডিওথেরাপি মেশিন ১৮ কোটি টাকা দিয়ে দুটি কেনা হয়েছিল। অথচ যেখানে বসানো হয়েছে, সেখানে কোনো প্রস্তুতিই (রেডি সেটআপ) ছিল না। কেন কেনা হয়েছিল? কারণ, প্রতি মেশিনে ৪ থেকে ৬ কোটি টাকা লাভ ছিল। যার একটি পড়ে আছে ফরিদপুরে, অন্যটি খুলনায়। একইভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে কারিগরি লোকবল ছাড়াই এক্স-রে ও অন্যান্য প্রযুক্তির সরঞ্জাম কিনে ফেলে রাখা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ভাঙারির কাছে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই।

টেস্ট বাণিজ্য বন্ধ করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব রেখে বাইরে পাশের ক্লিনিক খুলবেন, সরকারি দায়িত্ব রেখে সেখানে সার্জারি করবেন আর কমিশন খাবেন, রোগী আসলে বলবেন পাশের ক্লিনিকে গিয়ে টেস্ট করতে—এসব বন্ধ করতে হবে। এগুলো মনিটর করা হবে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত চার বছরে যেখানে হামের টিকা দেয়ার কথা ছিল, তারা টিকা সংগ্রহ করেনি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ইউনিসেফ যখন অনুরোধ করেছে, তখনও তারা টিকা কেনেনি। আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর যখন হাম দেখা দিয়েছে, বর্তমানে যেসব শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের ৯৯ শতাংশই আনভ্যাকসিনেটেড। তাই এই টিকাদান কর্মসূচিকে এখন আরও বেগবান করা হয়েছে এবং সম্প্রতি আরও ১ লাখেরও বেশি নতুন শিশুকে এর আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আওয়ামী লীগ আমল থেকে একটি বিদেশি কোম্পানি চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ডায়ালাইসিসের বাজার দখল করে রেখেছিল। নভেম্বরে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তা আর নবায়ন করা হবে না। সরকার এখন নিজস্ব উৎস থেকে ডায়ালাইসিস মেশিন কিনবে। ফলে আগামী ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং অত্যন্ত কম খরচে সাধারণ মানুষ ডায়ালাইসিস সেবা পাবে। এ ছাড়া প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে।

দেশের নারী ও সাধারণ মানুষের স্তন ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও মানুষের অসচেতনতার বিষয়টি উল্লেখ করে যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের ১০টি উপজেলা ও ৯০টি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাইকেল, স্মার্টফোন এবং এআই-সমৃদ্ধ ‘কিট বক্স’ প্রদান করা হবে। এটি আগামী তিন মাসের মধ্যে শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে দৈহিক মাপ (উচ্চতা, ওজন), ডায়াবেটিস, রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ) এবং মেশিনের সাহায্যে রক্তের লিপিড প্রোফাইল, আরবিসি ও সিবিসি পরীক্ষা করবেন। পুরুষদের কাছে পুরুষকর্মী এবং নারীদের কাছে নারী কর্মী যাবেন।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাজে অডিটের নামে এক টাকাও ঘুষ দেয়া যাবে না। সৎ থাকলে কাউকেই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাকে কেউ ভয় দেখাতে পারবে না, জেলে নিতে পারবে না। আপনি যদি সৎ হন, অডিটে অনৈতিক টাকা চাইলেই দেয়া বন্ধ করুন এবং সরাসরি আমার কাছে আসুন। পরিস্থিতি যা-ই হোক, আমি নিজে তা ফেস করব।

হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির হার বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে সন্তানসম্ভবা মা এলে পরিবারকে ভয় দেখিয়ে (যেমন—সিজার না করলে মা বা বাচ্চা মারা যেতে পারে) সিজারিয়ান অপারেশনে বাধ্য করার যে প্রতারণামূলক ব্যবসা চলছে, তা বন্ধে কঠোর তদারকি শুরু হয়েছে। সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে সারা দেশে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে সারপ্রাইজ ভিজিট ও তদারকি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী লেবার রুম, লেবার চেয়ার কিংবা নবজাতককে হিট দেয়ার ন্যূনতম আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই অপারেশন চালিয়ে যাওয়া অনেক ক্লিনিক ইতোমধ্যেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজাসহ অনেকে।


নির্বাচিত

সড়ক খুঁড়তে গিয়ে মিলল ৩টি মর্টারশেল

লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে উদ্ধারকৃত মর্টার শেল । ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
লক্ষীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় সড়ক খোঁড়ার সময় মাটির নিচ থেকে তিনটি সন্দেহভাজন মর্টার শেল উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজ-সংলগ্ন টিএটি অফিস সড়কে পানির লাইনের উন্নয়নকাজ চলাকালে এগুলো পাওয়া যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানির লাইন সংস্কারের জন্য শ্রমিকেরা মাটি খননের সময় প্রায় দুই থেকে তিন ফুট গভীরে পাশাপাশি থাকা ধাতব আকৃতির তিনটি বস্তু দেখতে পান। বিস্ফোরক সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান। এ সময় ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে রামগতি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো মর্টার শেল। তবে এগুলো কতটা পুরোনো বা কার্যক্ষম, তা এখনই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। সাধারণত দীর্ঘদিন মাটির নিচে থাকলে মর্টার শেলে জং ধরার কথা, কিন্তু উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোতে তেমন জং দেখা যায়নি। তাই বিষয়টি নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞদের মতামতের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী ও পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বস্তুগুলোর প্রকৃতি নিশ্চিত করবেন। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নিরাপদ স্থানে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।


নির্বাচিত

পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর হাই স্কুল মাঠে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন । ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

আগামী প্রজন্মকে পৃথিবীতে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নাই। দেশের পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বৃক্ষরোপণ করে দায়িত্ব শেষ করা চলবে না বৃক্ষকে লালন পালন করতে হবে। আজকে যেসব বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে তা লালনপালন হচ্ছে কিনা তা আমি নিজে তদারকি করব। যদি লালনপালন করে সম্পদে পরিণত করা হয় তাহলে পুরস্কৃত করা হবে। আর যদি রোপণ, ছবি তোলা সংবাদপত্র চ্যানেলে প্রচার নাই শেষ কথা হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টায় গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর হাই স্কুল মাঠে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন উপলক্ষে গৌরনদী উপজেলা ও পৌর কৃষক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এ কথা বলেন। সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন

তিনি আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গরঙ্গল স্বনির্ভর খালে কৃষকদলের এক হাজার চারা রোপণ করা হচ্ছে। এই খালটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খনন করেছিলেন। সে স্মৃতিবিজড়িত খালের দুই পাশে সবুজ বনায়ন করতে হবে এবং জিয়ার উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্লোগান ‘লাগাই গাছ সাজাই দেশ -সবার আগে বাংলাদেশ’- চেতনাকে ধারণ করতে হবে। উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মিজানুর রহমান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।বাংলাদেশ অর্থনীতি

অপরদিকে গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও জেলা বন বিভাগের উদ্যোগে বেলা ১১টায় গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রধান অতিথি হিসেবে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। পরে কলেজ চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করে শিক্ষার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের হাতে যে চারা দেয়া হয়েছে সে চারা রোপণ করে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। এ গাছ যখন বড় হবে তখন তা সম্পদে পরিণত হবে। তাই চারা রোপণ করে পরিচর্চা করতে হবে। মন্ত্রী আলোচনা শেষে ৬০০ শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি করে চারা বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম, বরিশাল জেলা বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, কলেজ অধ্যক্ষ নির্মল হালদার। দুপুর সাড়ে ১২টায় গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। গৌরনদী ইউএনওর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাহাবুবুর রহমান। পরে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উপজেলার ১৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাতটি কলেজ, ১২টি মাদরাসা, ২৮টি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের হাতে পাঁচটি করে গাছের চারা, ক্রীড়াসামগ্রী তুলে দেন এবং বিজয়ী খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।


নির্বাচিত

যশোর সীমান্তে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও যশোর প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত ও পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ৩টার দিকে যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে একটি কালো রঙের প্রাইভেটকার তল্লাশি করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় গাড়িতে থাকা তার ৩ সহযোগীকেও আটক করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে যশোর ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। ধরা পড়া এড়াতে ইমন গোঁফ কেটে ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন, তবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি নিজের পরিচয় স্বীকার করেন। গ্রেপ্তারের পর বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টায় তাকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবাদের অন্তত ৭টি গুরুতর মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় আসে। শুরুতে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী হলেও পরে তিনি নিজস্ব সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র গড়ে তোলেন।

তিনি নগরের ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, ডেভেলপার, গার্মেন্টস মালিক, ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসায়ী ও খাতুনগঞ্জের আড়তদারদের কাছে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দাবি করতেন এবং অর্থ না দিলে গুলি, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। তার বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য মামলার মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়ার জোড়া হত্যা এবং ২৩ মে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে ঢাকাইয়া আকবর ও সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলা।


নির্বাচিত

বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ, জুলাইয়ের ২৮ দিনে মৃত্যু ৩২

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরো তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। যার মধ্যে জুলাইয়ের ২৮ দিনেই মারা গেছেন ৩২ জন। সে হিসেবে চলতি বছরের মোট ডেঙ্গু মৃত্যুর অর্ধেকের বেশি হয়েছে শুধু চলতি মাসেই। । গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, নতুন করে ৫৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ১৪ হাজার ৬৯০ জনে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৩ হাজার ৯ জন ডেঙ্গুরোগী। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগে একজন করে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট মারা যাওয়া ৫০ জনের মধ্যে ৩২ জনই মারা গেছেন চলতি জুলাইয়ে। এর আগে জুনে ১৩ জন, মে মাসে ১ জন, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে একজন করে মারা যান।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট মারা যাওয়া ৫০ জনের মধ্যে নারী ৬০ শতাংশ এবং পুরুষ ৪০ শতাংশ। ডেঙ্গুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬ জন, বরিশালে ৬ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা বিভাগে ১ জন, খুলনায় ৬ জন, ময়মনসিংহে ৬ জন, রাজশাহীতে ১ জন ও রংপুরে ১ জন মারা গেছেন।


নির্বাচিত

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার মারা গেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফেরদৌসি শাহরিয়ার ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সহকারী সচিব হিসেবে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি ব্যাঙ্কক, রোম, ম্যানচেস্টার ও ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রদূত ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, পররাষ্ট্রসচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।


নির্বাচিত

সার্ভিস রুলস কার্যকর না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি মেট্রো রেল কর্মীদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিজস্ব ‘চাকরি-বিধিমালা’ (সার্ভিস রুলস) কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

প্রতিষ্ঠার এক যুগ পার হলেও স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা ও সাংগঠনিক কাঠামো কার্যকর না হওয়ায় এবং দফায় দফায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে ডিএমটিসিএল কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ৯ শতাধিক স্থায়ী কর্মী।

২০১৩ সালে গঠিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানিতে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রো রেল চলাচল শুরু হয়। এরপর থেকে দিন-রাত সেবা দিয়ে এলেও নির্দিষ্ট সার্ভিস রুলস না থাকায় তাদের প্রশাসনিক ও পেশাগত নিরাপত্তা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। চাকরির শৃঙ্খলা, পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় অস্বচ্ছতা ও বৈষম্য বিরাজ করায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি-বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

নির্ধারিত সময়ে তা না হলেও পরবর্তীতে কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে ৭৩তম বোর্ড সভায় সার্ভিস রুল অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানি আইনে পরিচালিত এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বোর্ডেই সার্ভিস রুলস চূড়ান্ত করার এখতিয়ার রয়েছে। অথচ একটি ‘বিশেষ গোষ্ঠীকে অন্যায় সুবিধা দেওয়া ও কালক্ষেপণ করার উদ্দেশ্যে’ তা মতামতের জন্য অর্থ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

সার্ভিস রুলস বোর্ডে অনুমোদিত হওয়ার পর প্রায় সাত মাস পার হয়ে গেছে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর একাধিকবার স্মারকলিপি দেওয়া হলেও আশ্বাস ছাড়া কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

অবস্থান কর্মসূচিতে থাকা কর্মচারীরা বলেন, ‘আমরা এত দিন ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের ক্রমাগত উদাসীনতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গে আমাদের ধৈর্যের সীমা পার হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কর্তৃপক্ষকে সার্ভিস রুলস ও অর্গানোগ্রাম কার্যকরের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। বাধ্য হয়ে আমরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছি।’

বিজ্ঞপ্তিতে কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য পর্ষদ সভায় যদি চাকরি-বিধিমালা কার্যকরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসে, তবে তারা কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন। এর ফলে মেট্রো রেল চলাচলে কোনো ব্যঘাত ঘটলে বা সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হলে তার সমস্ত দায়ভার ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।

মেট্রো রেলের নিরবচ্ছিন্ন সেবা বজায় রাখা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।


নির্বাচিত

নিয়ম না মানলে নার্সিং ও মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে গড়ে ওঠা নার্সিং ও মেডিকেল কলেজগুলো সরকারি নীতিমালা মেনে পরিচালিত না হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের নার্সিং শিক্ষার মান বাড়াতে ফিলিপাইনের সহযোগিতা নেবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের যৌথ উদ্যোগে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় ফিলিপাইন থেকে প্রশিক্ষক এনে দেশের নার্সিং শিক্ষক ও ফ্যাকাল্টিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জানান, চার বছরের মানসম্মত নার্সিং কোর্স চালুর পাশাপাশি ক্লাসরুম আধুনিকায়ন এবং আদর্শ ল্যাব স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং বিপুল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তি বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।


নির্বাচিত

২৫ লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগ, নেপথ্যে বিএনপি নেতা জনি

রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটি (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আলোচিত গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবসায়িক বিরোধ বা চাঁদাবাজি নয়, বরং আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মূল কারণ বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটি (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

হাফিজুল ইসলাম বাবুর দাবি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সাব্বির দেওয়ান জনির কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত প্রায় ১১টা ১০ মিনিটে মিরপুর-১৩ এলাকায় তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এ ঘটনায় কাফরুল থানা যুবদলের কর্মী ইউসুফ নিহত হন এবং দুই ফুটপাত ব্যবসায়ী আহত হন।’

তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

হাফিজুল ইসলাম বাবুর অভিযোগ, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী সাব্বির দেওয়ান জনি। তিনি বলেন, ‘সে-ই অর্থদাতা বলে আমার সন্দেহ। তবে সেটি প্রমাণ করার দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের।’

তিনি আরও দাবি করেন, স্থানীয় একটি মার্কেটের গ্যারেজ অবৈধভাবে ‘সিএনজি হাফিজ’ নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেটি হামলার প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার করা হয়। মার্কেটের সভাপতি হিসেবে সাব্বির দেওয়ান জনি বিষয়টি জেনেশুনেই করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তসংক্রান্ত বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেন যুবদলের এই নেতা। ডিবির পক্ষ থেকে এর আগে দাবি করা হয়েছিল, স্থানীয় আধিপত্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার, ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসা এবং ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

এ বিষয়ে হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘মিরপুর-১৩ এলাকায় তার বা অন্য কারও ডিস-ইন্টারনেট ব্যবসা কিংবা ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট নেই।’ এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকায় এখনো সিটি করপোরেশনের কোনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা টেন্ডার আহ্বান করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, হামলা বাস্তবায়নের জন্য ঢাকার বাইরে থেকে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করা হয়েছিল। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘সিএনজি হাফিজ’ নামে এক ব্যক্তি পুরো অভিযান পরিচালনা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের সামনে অভিযুক্তদের সঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির একাধিক ছবি প্রদর্শন করা হয়। হাফিজুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, গ্রেপ্তার ও পলাতক অভিযুক্তদের সঙ্গে ছবি থাকা সত্ত্বেও কেন সাব্বির দেওয়ান জনিকে এখনো গ্রেপ্তার বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।

নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার চেষ্টা চলছে।’ একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নতুন কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


নির্বাচিত

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কৃষিক্ষেত্রে ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে হবে: বিএডিসি চেয়ারম্যান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের আর্থিক ও ভৌত অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বুধবার (২৯ জুলাই) তারিখে সংস্থার সম্মেলন কক্ষে এডিপি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএডিসি’র চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালক, বিভাগ ও উইং প্রধানগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত কার্যক্রমসমূহের আর্থিক ও ভৌত অগ্রগতি নিয়ে আলোচনায় তুলে ধরা হয় যে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাসমূহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নে বিএডিসি শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে।

এ প্রসঙ্গে বিএডিসি’র চেয়ারম্যান বলেন যে, কৃষি শব্দটির সঙ্গেই বিএডিসি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষিক্ষেত্রে যেকোন পর্যায়ে সভা অনুষ্ঠিত হলে সেখানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিএডিসি’র নামটি আলোচনায় উঠে আসে। এর অর্থ দাঁড়ায় কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিএডিসি’র প্রতি সরকারের গভীর বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। বিএডিসি’র প্রতি সরকারের এই বিশ্বাস ও আস্থা এবং গৌরবময় ঐতিহ্য আমাদেরকে আরো সুচারুরূপে কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে সমুন্নত রাখতে হবে। স্মার্ট ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনয়নে বিএডিসি’র কার্যক্রমের পরিধি আরো বিস্তৃতির ক্ষেত্রে সরকারের গভীর পরিকল্পনা রয়েছে মর্মে তিনি সভায় তুলে ধরেন।

বিএডিসি’র চেয়ারম্যান আরো বলেন যে, কৃষিক্ষেত্রে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক কাজ যেমন: গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পাটবীজ উৎপাদন এবং বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা প্রভৃতি বাস্তবায়নে সুনির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সকলকে অধিক দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে কর্মসম্পাদনেও নির্দেশনা প্রদান করেন।


নির্বাচিত

কেএমপির নতুন কমিশনার হলেন সাজ্জাদুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে মো. সাজ্জাদুর রহমানকে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়নের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তোফায়েল আহমেদ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি পদে কর্মরত বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুর রহমানকে কেএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি পদায়ন করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২১ জুলাই কেএমপির কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন মো. সাজ্জাদুর রহমান।


নির্বাচিত

কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কৃষিজমিতে ধান রোপণ করার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শফিকুল ইসলাম (৪০) সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ গ্রামের সাদুরবাড়ি এলাকার রেজেক মিয়ার ছেলে।

সুখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ টিটু জানান, বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নিজ জমিতে ধান রোপণ করছিলেন শফিকুল ইসলাম। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে অন্যরা বাড়িতে চলে গেলেও তিনি জমিতে ধান রোপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বজ্রপাতে আক্রান্ত হন শফিকুল।

পরে বৃষ্টি থামলে স্থানীয়রা জমিতে গিয়ে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান। পরে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close