সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
২৯ পৌষ ১৪৩২
নেত্রকোনা 

ঘুষ না দিলে বিল আটকে রাখেন গণপূর্তের হিসাবরক্ষক

আপডেটেড
১৫ জুন, ২০২৪ ১৪:৪৮
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২৪ ১৪:৪৮

নেত্রকোনায় চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় বিভাগীয় হিসাবরক্ষক গণপূর্ত বিভাগের তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকজন ঠিকাদারের বিল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সম্প্রতি ভুক্তভোগী ঠিকাদাররা নেত্রকোনা গণপূর্ত কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ওই হিসাব রক্ষকের একটি এলিয়ন ব্যান্ডের সাদা রঙের ব্যক্তিগত গাড়ি আটক করে বিক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা। পরে আবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুপারিশে হিসাব রক্ষক নাছিমা আক্তার রেখার চালকের কাছে গাড়ীর কাগজপত্রসহ গাড়ী ফেরত দেন ঠিকাদাররা। সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত নেত্রকোনা গণপূর্ত অফিসের সামনে ঠিকাদাররা গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই হিসাব রক্ষককে প্রত্যাহারের দাবি জানান ।

ঠিকাদারদের অভিযোগ, যোগদানের পর থেকেই নাছিমা আক্তার রেখা টাকা ছাড়া কোনো বিল-নথিতে হাত দেন না। যারা তাকে টাকা দেন তিনি তাদের বিল ছেড়ে দেন। এ ছাড়া তার চাহিদা মতো টাকা আগে না দিলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে বিল আটকে রাখেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নাদিরা কনস্টাকশনের স্বত্ত্বাধিকারী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘গত দুই বছর আগে আমি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২ লাখ ৬১ হাজার টাকার সংস্কার কাজ করি। যথাসময়ে কাজ শেষ করে বিল জমা দেই। নিয়ম মাফিক অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী বিলে স্বাক্ষর করলেও হিসাবরক্ষক নাছিমা আক্তার রেখা বিলটি টাকার জন্য আটকে রাখেন। গত জুন মাসে আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ চাইলে ওই সময় নগদ ৮ হাজার টাকা দেই। কিন্তু তার চাহিদা পূরণ না হওয়ায় তিনি বিভিন্ন অজুহাতে আমার বিলটি আটকে রাখেন।’

চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সুজন ভূঁইয়া বলেন, ‘নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে সংস্কার কাজ শেষে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ১৫ লাখ টাকার বিল জমা দেই। কিন্তু হিসাব রক্ষক ওই কার্যালয়ে যোগদান করেই আমার কাছে ৭৫ হাজার ঘুষ চান। টাকা না দেওয়ায় তিনি আমার বিলের পুরো ফাইলটি গায়েব করে দিয়ে এখন বলছেন আমি নাকি কোনো বিল জমা দেইনি। পরে আমি ফটোকপি দেখালে তিনি বলেন এক লাখ টাকা নিয়ে আসেন। এমনকি ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েও কাজ করছেন না। তিনি দামি গাড়িতে করে অফিস করেন।’

ঠিকাদার এনামুল হক রুমেল বলেন, হিসাব রক্ষককে টাকা না দেওয়ায় তার ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বিল আটকে রেখেছেন দেড় বছর ধরে। আমার মতো এ রকম সূচি কনস্টাকশন, নাহিদ এন্টারপ্রাইজ, সরকার এন্টারপ্রাইজ, সাদ এন্টারপ্রাইজ, চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ, ইমন এন্টারপ্রাইজ, নাদিরা কনস্ট্রাকশন, সরকার ট্রেডার্স, রহিমা এন্টারপ্রাইজ, জয়শ্রী এন্টারপ্রাইজ, এস. এ এন্টারপ্রাইজ সহ ২০ জন ঠিকাদারের বিল আটকে রেখেছেন।

জানতে চাইলে হিসাব রক্ষক নাছিমা বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কোনো কথা বলবো না। আমি কারো কাছ থেকে টাকা নেইনি। আর টাকা চাইলেই সহজেই কি কেউ দিয়ে দেয়?’ গাড়িটির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঠিকাদাররা এভাবে আমার গাড়ির আটকে রেখে কাগজপত্র নিতে পারে না। তবে গাড়িটি আমার না। এটা আমার বোন জমাইয়ের।’ নেত্রকোনা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসিনুর রহমান বলেন, ‘হিসাব রক্ষকের বিষয়ে অভিযোগ শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিব।’


ঝালকাঠিতে থমকে আছে ১২৩ কোটির খয়রাবাদ সেতুর কাজ

আপডেটেড ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৯
ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের খয়রাবাদ নদীর ওপর নির্মাণাধীন ৭৩০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণকাজ চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে। আড়াই বছর পার হলেও প্রকল্পের অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর। ফলে ১২৩ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অবকাঠামো প্রকল্প কার্যত স্থবির হয়ে আছে। এতে স্থানীয় মানুষ ও আশপাশের কয়েকটি উপজেলার লাখো মানুষ দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, সেতুর নির্মাণ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ২৫ এপ্রিল শুরু হয়। প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল। তবে বাস্তবে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। নদীর দুই পাড়ে মাত্র ১৮টি পিলারের আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু স্প্যান বসানো হলেও সেতুর বাকি কাঠামো এখনো অসম্পূর্ণ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রকল্পের প্রধান ঠিকাদার কারাবন্দি থাকায় পুরো প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা কার্যত ভেঙে পড়েছে। সাইটে নিয়মিত তদারকি নেই, শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে এবং নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ থমকে আছে।

স্থানীয় কলেজছাত্র রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সেতুটি চালু হলে বরিশালের বাকেরগঞ্জ, নলছিটি ও বরিশাল সদর উপজেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই রুটে অসংখ্য শিক্ষার্থী বরিশালে লেখাপড়া করতে যান। বর্তমানে তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।’

স্থানীয় বাসিন্দারা, সোহাগ হাওলাদার, জাকির তালুকদার ও রিয়াজ মৃধা জানিয়েছেন, সেতুটি চালু হলে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া, কলসকাঠি ও চরাদি ইউনিয়নের মানুষ উপকৃত হবেন। তবে নলছিটির দপদপিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জন্য এই সেতুর কার্যকর প্রয়োজন নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। এ ছাড়া সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক এখনো চলাচলের অনুপযোগী। আশপাশে উল্লেখযোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা জনবসতি না থাকার কারণে তারা বিপুল ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ পর্যন্ত প্রকল্পের বড় অংশ কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকা অগ্রিম বিল উত্তোলন করেছে। সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি আরও অবহেলার শিকার হয়েছে। প্রকল্পটি চরম ধীরগতি ও স্থবিরতার মধ্যে পড়ায় স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিনের আশা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।


স্বামীকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক দুই আনসার সদস্য

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে জেলা সদর হাসপাতালের ভেতরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই আনসার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গত রোববার মধ্যরাতে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের পুরোনো ভবনের ২য় তলায় (প্রশাসনিক কার্যালয়) এই ঘটনা ঘটে।

আটক আনসার সদস্যরা হলেন, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার আশুতিয়াপাড়া এলাকার আবু সাঈদ ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার সাহাদাত হোসেন।

গৃহবধূর স্বামী জানান, রোববার বিকেলে স্ত্রীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি ব্যাটারিচালিত হ্যালোবাইক ভাড়া করে মানিকগঞ্জে এক আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে আসছিলেন। কিন্তু মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে রাত গভীর হয়ে যায়। এরপর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে জেলা সদর হাসপাতালের সামনে যায়। পরে সেখানে দায়িত্বে থাকা দুজন আনসার সদস্য হাসপাতালের পুরোনো ভবনের ২য় তলায় (প্রশাসনিক কার্যালয়) যেতে বলেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে চলে যান। রাত ৩টায় তার (স্বামী) অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাসপাতালের (প্রশাসনিক কার্যালয়ের একটি কক্ষ) ভেতরে নিয়ে আমার স্ত্রীকে দুই আনসার সদস্য ধর্ষণ করেন।

তিনি আরও জানান, এরপর বাড়ি ফেরার কথা বলে স্ত্রীকে নিয়ে ভোররাতে হাসপাতাল থেকে বের হই এবং থানায় গিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত বললে পুলিশ দুই আনসার সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনার সঠিক বিচারও দাবি করেন তিনি।

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন জানান, ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সুস্থ্য হলে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ ছাড়া ধর্ষণের আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে।

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের আনসার ক্যাম্পের সহকারী প্রাটুন কমান্ডার সাহেব মিয়া জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই আনসার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। নির্যাতনের শিকার ওই নারীর স্বামী আইনগত ব্যবস্থা নেবে।


কুলাউড়ায় ডাকাতি করে পালানোর সময় দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় গভীর রাতে সংঘটিত এক ডাকাতির ঘটনায় তাৎক্ষণিক পুলিশের অভিযানে চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় লুণ্ঠিত মোটরসাইকেলসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।

গত রোববার রাত ২টার দিকে উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের হোসেনপুর এলাকার বাগানবাড়ি পাকা সড়কে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জাকির হোসেন, মো. নাজিম মিয়া, মো. দেলোয়ার হোসেন ও জুবের আহমদ জুবলা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত ২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা লাল মিয়া (৪২) মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে পাঁচজন ডাকাত তাকে পথরোধ করে। দেশীয় অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে ডাকাতরা লালের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, একটি মানিব্যাগ ও মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাত দলটি একটি মাইক্রোবাসযোগে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

খবর পেয়ে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন ও কুলাউড়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান মোল্যার নেতৃত্বে পুলিশ তাৎক্ষণিক চুনঘর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩টার দিকে ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় ডাকাতদের হামলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

ওসি মনিরুজ্জামান মোল্যা জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সকালে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া অপর ডাকাতকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


অবৈধ ইটভাটা গিলছে ‘শস্যভাণ্ডারের’ কয়েকশ হেক্টর জমি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

কৃষিপ্রধান জেলা নওগাঁ। যা উত্তরাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবেও পরিচিত। এ জেলার উৎপাদিত ধান, চাল ও নানা ফসলেই দেশের একটি বড় অংশের খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়। তবে নানা কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে সেই উর্বর ফসলি জমি। এর অন্যতম প্রধান কারণ অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটা।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে ওঠা এসব অবৈধ ইটভাটায় নিয়ম ভেঙে নির্বিচারে পোড়ানো হচ্ছে খড়ি। ফলে একদিকে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে, অন্যদিকে শত শত হেক্টর ফসলি জমি ধ্বংসের পথে। অভিযোগ দিয়েও অনেক ক্ষেত্রে প্রতিকার মিলছে না বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নওগাঁর পোরশা উপজেলায় বর্তমানে ১১টি ইটভাটা চালু রয়েছে। এর একটিও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ (এনওসি) ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। এসব ভাটার মধ্যে অন্তত ৮টিতে খড়ি ব্যবহার করে ইট পোড়ানো হচ্ছে, যা আইন ও পরিবেশ বিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থি। অবৈধ এসব ইটভাটা কৃষকদের লোভনীয় অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে জমি লিজ নিচ্ছে। আবার অনেক কৃষক বাধ্য হয়েই জমি লিজ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ।

নওগাঁ সদর উপজেলার বরুনকান্দি এলাকার দিঘা গ্রামের ভেতরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এমবিকে নামের একটি ইটভাটার বিরুদ্ধে স্থানীয় শতাধিক বাসিন্দা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে ইটভাটা বন্ধের দাবি জানানো হলেও আজ পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ইটভাটার মালিক নির্বিঘ্নেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে এমবিকে ইটভাটার স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান দাবি করেন, আমরা আন্দোলন করার পর ডিসি অফিস থেকে এ বছরের জন্য মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্যরা যেভাবে চালাচ্ছে, আমিও সেভাবেই শুরু করেছি।

পোরশা উপজেলার এক ইটভাটার মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘১১টি ভাটার মধ্যে মাত্র ৩টি কয়লা ব্যবহার করছে, বাকি ৮টি পুরোপুরি খড়ি পোড়াচ্ছে। আমরা ডিসি অফিসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম খড়ি ব্যবহার করব না। আমি নিজেও ভাটার মালিক হয়েও প্রশাসনের কাছে কিছু বলতে পারছি না।’

পোরশা উপজেলায় ঢুকতেই সড়কের পাশে চোখে পড়ে কেএমএস ব্রিকস নামের একটি ইটভাটা। পুরো ফসলি মাঠজুড়ে ভাটার কার্যক্রম চলছে। ভাটার ম্যানেজার তারেক আজিজ জানান, প্রায় ৮ বছর ধরে এই ভাটার কার্যক্রম চলছে এবং বর্তমানে ৫৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশ ছাড়পত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সব ধরনের রাজস্ব দেওয়া হয়। আর ইটভাটা চালাতে গেলে একটু খড়ি তো লাগেই।’

এমবিকে ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘গ্রামের মধ্যে ইটভাটা কীভাবে সম্ভব? প্রশাসন একসময় বন্ধ রাখতে বলেছিল। ১৩৭ জন স্বাক্ষর দিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এসব নাটকের কোনো মানে হয় না।’

তাদের অভিযোগ, ইটভাটার কারণে রাতের বেলা ভারী যান চলাচলে ঘুম ভেঙে যায়, ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে এবং কৃষিজমি ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।’

পোরশা উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আকবর আলী কালু ফোনে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম মিঠু বলেন, ‘কোনোভাবেই খড়ি পোড়ানো যাবে না। এটি আমাদের প্রথম কমিটমেন্ট ছিল। কেউ করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। তবে এম.বি.কে ইটভাটা নিয়ে নিউজ করার দরকার নেই বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে।’ এ বিষয়ে তিনি একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। খড়ি পোড়ানোর বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর চাইলে আমরা পূর্ণ সহযোগিতা দেব।’

নওগাঁ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজমুল হোসাইন জানান, যেসব ইটভাটায় খড়ি পোড়ানো হচ্ছে, সেখানে আগের মতো এবারও অভিযান চালানো হবে। অভিযোগের সময় এম.বি.কে ইটভাটা বন্ধ ছিল। চালু থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সরকারি নির্দেশনায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের ঘোষণা আসার পর গত এক মাসে জেলার ইটভাটা মালিকরা একাধিকবার মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি দিয়েছেন। তবে সে সময় জেলা প্রশাসন থেকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।


গ্রামীণ ব্যাংক অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামীণ ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব একটি আর্থসামাজিক সংগঠন হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষা, সংস্কৃতি উন্নয়ন এবং আর্তমানবতার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর এবং কমলাপুর এলাকায় এক বিশাল শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। প্রতি বছরের মতো এবারও শীতের মৌসুমে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় কয়েকশ অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বলসহ বিভিন্ন ধরণের শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।

উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর সঙ্গে কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন ক্লাবের সিনিয়র সভাপতি মোতাহার হোসেন এবং সহসভাপতি আনসারুজ্জামান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট মিজানুর রহমান। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন যে, গ্রামীণ ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব কেবল দাপ্তরিক কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তাঁরা সবসময় পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধরণের মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা গ্রামীণ ব্যাংক অফিসার্স ক্লাবের এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অম্বিকাপুর ও কমলাপুর এলাকায় আয়োজিত এই কর্মসূচী অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। মূলত তীব্র শীতে কাঁপতে থাকা প্রান্তিক মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা জানানোই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ক্লাব কর্মকর্তারা দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


হজযাত্রীদের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীরা টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো সময়মতো সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের যেসব পরীক্ষা করাতে হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইউরিন আর/এম/ই, র‌্যান্ডম ব্লাড সুগার (আরবিএস), এক্স-রে চেস্ট (পি/এ ভিউ) রিপোর্টসহ, ইসিজি রিপোর্টসহ, সিরাম ক্রিটেনিন, কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি উইথ ইএসআর) এবং ব্লাড গ্রুপিং ও আরএইচ টাইপিং।

এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) নির্ণয়ের জন্য অতিরিক্ত কিছু পরীক্ষা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, হৃদযন্ত্রের অকৃতকার্যতার সন্দেহ হলে ইকোকার্ডিওগ্রাফি, কিডনি জটিলতায় এস ক্রিয়েটিনিন ও ইউএসজি অব কিইউবি, লিভার সিরোসিসের সন্দেহে ইউএসজি হোল অ্যাবডোমেন ও আপার জিআইটি এন্ডোস্কপি এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ শনাক্তে স্পুটাম ফর এএফবি, সিটি স্ক্যান অব চেস্ট, সিরাম বিলিরুবিন, এসজিপিটি ও অ্যালবুমিন গ্লোবিউলিন রেশিও পরীক্ষা।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণ করতে হবে। টিকা সম্পন্ন হওয়ার পর হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সনদ প্রদান করা হবে। হজসংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।


মেডিকেল কলেজে শহীদ মনিরের নামে হলের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে শহীদ মনির হোসেনের নামে একটি হলের নামকরণসহ তার পরিবারের পুনর্বাসন ও সরকারি চাকরির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের গেটের সামনে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম। এতে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙামাটি জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক মো. হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিয়ান রিয়াজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রনি, পৌর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ চালুর প্রাক্কালে জেএসএসের ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের হামলায় মনির হোসেন নির্মমভাবে নিহত হন। তার আত্মত্যাগের বিনিময়েই রাঙামাটিতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। তবে দীর্ঘসময় পেরিয়ে গেলেও ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি এবং মনিরের পরিবার সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পায়নি।

সমাবেশে আরও বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা বিস্তার, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন সময় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময়ও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।

পিসিসিপি নেতারা অবিলম্বে শহীদ মনির হোসেনের নামে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের একটি হলের নামকরণ, তার পরিবারকে পুনর্বাসন ও সরকারি চাকরি প্রদান, একই ঘটনায় আহত জামাল হোসেনকে ক্ষতিপূরণ এবং মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।


ডিএনসিসি নাগরিক পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি, ৫ প্রতিষ্ঠান

রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত গতকাল ডিএনসিসি নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘নাগরিক পদক-২০২৫’ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পদক হস্তান্তর করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমাজসেবা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নাগরিক পদক-২০২৫’ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পদক হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বছর আটটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজের তিন ব্যক্তি এবং পাঁচটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে এই সম্মানজনক পদকে ভূষিত করা হয়।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন- উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ক্যাটাগরিতে পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আব্দুর রশিদ সোহাগ, ব্যক্তিগত উদ্যোগ ক্যাটাগরিতে শ্রুতি রানী দে এবং অ্যাডভোকেসিতে নাগরিক নেতা হাওয়া বেগম।

এছাড়া পদকপ্রাপ্ত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো- স্যোশাল মিডিয়া কনটেন্ট নির্মাণে আপলিফট বাংলাদেশ, পরিবেশবান্ধব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভাষানটেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সামাজিক সংগঠন হিসেবে উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরি, প্রাণী সুরক্ষায় ফাউন্ডেশন এবং সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পদক হস্তান্তর করা হয়।

ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নাগরিক পদক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ডিএসসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নীতিনির্ধারক ও বিশিষ্টজন।

নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের মাধ্যমে যারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি।

ডিএনসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে।


জামালপুরে শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সড়ক অবরোধ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয়রা। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে জামালপুর সদর উপজেলার নারিকেলী এলাকায় জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থী ও গহেরপাড়া এলাকার স্থানীয়রা। অবরোধ চলাকালে নিহত জিহাদের মা তাহমিনা আক্তার শোভা, বড় ভাই অনন্ত, চাচাতো ভাই সাকিসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা বলেন, গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব পরিকল্পিভাবে গহেরপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মুন্না, আবুল কাশেম, সাঈদসহ ৪ থেকে ৫ জন জিহাদকে মারধর ও ধারালো চাকু দিয়ে হত্যা করে।

এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তারা অবিলম্বে সকল আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অবরোধের কারণে সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধের খবর পেয়ে সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে জানান, মামলার প্রধান আসামিকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেন। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হলে স্বাভাবিক হয় যানবাহন চলাচল।

উল্লেখ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গহেরপাড়া এলাকায় স্থানীয় ফিরোজ মিয়ার ছেলে জিহাদকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত জিহাদের বাবা ফিরোজ মিয়া ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মধুপুরে দুস্থ অসহায় শীতার্তদের মাঝে সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র বিতরণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে অসহায় দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র বিতরণ। ছবি দৈনিক বাংলা।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মধুপুর ও টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ে দুস্থ অসহায় শীতার্তদের মাঝে সেনাবাহিনী শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মধুপুরে স্থাপিত বিএডিসি ক্যাম্পের মাঠে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। পাহাড়িয়া এলাকার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে কম্বলসহ অন্যান্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতের মধ্যে সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র পেয়ে সুবিধাভোগীরা খুশি বলে জানিয়েছে।

বিতরণকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের দিকনির্দেশনায় ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার ও এরিয়া কমান্ডার ঘাটাইল এরিয়া মেজর জেনারেল মোহা. হোসাইন আল মোরশেদ দরিদ্র অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বলসহ অন্যান্য শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্বোধন করেন।

সেনাবাহিনীর প্রেস বিজ্ঞাপিতে জানিয়েছে, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও শীত মৌসুমে অসহায় ও দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণসহ নানা জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা।

ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ১৯ পদাতিক এ ধরনের জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে বলে আশাব্যক্ত করেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং। এ সময় সদর দপ্তর ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমাদ উদ্দিন আহমেদ, এসপিপি, পিএসসিসহ ঘাটাইল অঞ্চলের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মধুপুরের কাকরাইদ সেনাক্যাম্পে শীতবস্ত্র নিতে আসা গাছাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা রাবেয়া (৪০) জানান, তাদের এলাকায় কিছু দিন যাবত প্রচণ্ড শীত। এ সময়ে সেনাবাহিনীর এ শীতবস্ত্র পেয়ে সে খুব খুশি। শীত নিবারণে তার কাজে লাগবে।

জলছত্র গ্রামের বৃদ্ধ সুমতি দাস (৬০) বলেন, ‘এ শীতের মধ্যে কম্বলসহ প্যাকেজ উপহার পেয়ে সহায়তা পেয়ে সে আনন্দিত। সে ভাবতেই পারেনি, সেনাবাহিনীর কম্বল পাবে। তার বাড়ির পাশের মেম্বার একটি টিকেট দিছে, সেটা নিয়ে কাকারাইদ সেনাক্যাম্পে আসতে বলছে, এসে সে কম্বলসহ অন্যান্য শীতের বস্ত্র পেয়েছে।’

রামকৃষ্ণবাড়ি গ্রামের আজাহার আলী (৬০) জানান, তার বাড়ি কাকরাইদের পাশের গ্রামে। সে একটি স্লিপ পেয়ে এসেছে। এসে শীতের মধ্যে শীতবস্ত্র পেয়েছে। এ জন্য তিনি অনেক খুশি বৃদ্ধকালে এ সহায়তা পেয়ে আনন্দিত বলে জানালেন তিনি।

শুধু রাবেয়া, সুমতি আর আজাহারই নয় এমন প্রায় দুই শতাধিক অসহায় দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা সেনাবাহিনীর দেওয়া শীতবস্ত্র পেয়েছে বলে জানা গেছে। অরণখোলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, ‘তার এলাকাসহ আশপাশের এলাকা গ্রামের মানুষদের সেনাবাহিনীর মাধ্যমে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অংশ নিতে পেরে সে খুশি। শীতের সময় দরিদ্র অসহায় মানুষরা শীতবস্ত্র পেয়ে খুশি তেমনি সে নিজেও খুশি হয়ে।


দেবীগঞ্জে সরিষার বাম্পার ফলন      

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পঞ্চগড় প্রতিনিধি       

চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। সরিষার হলুদ ফুলে ভরে ওঠেছে একরের পর একর জমি। কোথাও খেতের পরিচর্যা করছেন কৃষকরা। আবার কোথাও দল বেঁধে সবাই দেখতে আসছেন সরিষার খেত। বিস্তীর্ণ উপজেলায়জুড়ে হলুদ ফুলের সমাহার। মৌমাছির আনাগোনায় ভরে উঠেছে সব খেত।

বোরো লাগানোর আগে কম খরচে এই অর্থকারী ফসল আবাদ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন তারা। এই কৃষকদের দেখে আশপাশের অন্যান্য কৃষকরাও সরিষার আবাদে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। সরিষা আবাদে খরচ কম এবং একই জমিতে বোরো চাষে খরচ কম লাগে। আমন ও ইরি বোরোর মাঝের উৎপাদনকারী ফসল সরিষা। তাই কৃষক এটি চাষে বেশি ঝুঁকছেন।

উপজেলার লক্ষীর হাট এলাকার কৃষক জানান, আমরা এবার সরকারিভাবে সরিষার বীজ পেয়েছি। আবাদ ভালোই হবে মনে হয়।

এবারে উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২০২৫-২৬ অর্থবছর এ সরিষার আবাদ- ৩,৮১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে।

এদিকে রোগবালাই ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণের মাধ্যমে সরিষার উৎপাদন বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। যার ফলে দেবীগঞ্জ উপজেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাঈম মোর্শদ জানান, তিনটি জাত সরিষার রোপণ করা হয় এ বছরে বারি সরিষা, বিনা সরিষা, স্থানীয় সরিষা টরি, আবহাওয়া ভালো রয়েছে, মাঠপর্যায়ে রোগবালাইয়ের আক্রমণ না থাকায় ফলন বাম্পার হবে বলে আশাবাদী ৪,০০০ কৃষককে সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এখানকার সরিষা থেকে তেলের পাশাপাশি মধু উৎপাদিত হচ্ছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ভোজ্যতেল ও মধুর চাহিদা পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


নোয়াখালীতে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় স্ত্রীসহ চোরচক্রের প্রধান গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী সুপার মার্কেটে স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় কুমিল্লা থেকে স্ত্রীসহ আন্তজেলা চোর চক্রের প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ। একই ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে তাদের আরেক সহযোগীকে গ্রেপ্তারসহ চোরাই সোয়া নয় ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আন্তজেলা স্বর্ণচোরচক্রের মূলহোতা মো. মোর্শেদ ওরফে মোশারফ, তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার ও মো. আলাউদ্দিন ওরফে পিচ্চি আলাউদ্দিন (২৬)। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পরপরই চোরদের শনাক্ত ও চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধারে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপনে তথ্য সংগ্রহ শুরু করে পুলিশ। সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত শনিবার সকালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর ভাঙা সড়কে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে আন্তজেলা চোরচক্রের মূলহোতা মোর্শেদ ও তার স্ত্রী শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে পিচ্চি আলাউদ্দিনকে তার বসতঘর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বসতঘর থেকে তিন ভরি ৫ আনা ২ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে চট্রগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকার বড় দিঘীর পাড় এলাকায় শিল্পীর বাসা তল্লাশি করে ৫ ভরি ১৫ আনা ৭ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।’

পুলিশ সুপার আরও জানান, অনুসন্ধানে আসামি মোর্শেদ মহসিন ওরফে মোশারফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় আগের আটটি মামলা এবং পিচ্চি আলাউদ্দিনের নামে সাতটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাদের সঠিক কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি। জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সুপার এ.টি.এম মোশারফ হোসেন আরও বলেন, ‘আটকদের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মীর মোশাররফ হোসেনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো করা হয়েছে। মোরশেদ ও পিচ্চি আলাউদ্দিন আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


মাগুরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

মাগুরার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন, মাগুরার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির, মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আলফাজ উদ্দিন, মাগুরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ কাজী শামছুজ্জামান ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল কাদের, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা এস এম শান্তনু চৌধুরী, জেলা নির্বাচন অফিসার ফারাজী বেনজির আহম্মদ, মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহম্মদ, জেলা জামায়াতের আমীর এমবি বাকের মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, মাগুরার পিপি সাখাওয়াত হোসেন, জিপি এড মঞ্জুরুল হাসান, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

বক্তারা সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানে কোন প্রতিবন্ধকতা বা যড়যন্ত্র কোন অবস্থাতেই হতে দেওয়া হবে না বলেন, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান সতর্ক করেন সকলকে। সভায় বিশেষ করে আগামী নির্বাচনকে গুরুত্ব এনে জেলার কোথাও কোন সন্ত্রাস, নাশকতা না হয় তার জন্য মাগুরা পুলিশ ব্যাপকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়। এ সময় যানজট, আত্মহত্যা, ইভটিজিং, শিশুধর্ষণ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মাগুরা পুলিশ মাগুরার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তৎপর রয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, মাগুরার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি জনগণকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিকভাবে দ্বায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।


banner close