মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সুনামগঞ্জে বন্যা: চরম দুর্ভোগে মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৪ ১৪:৫৪

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বৃষ্টিপাত ছাড়াই আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টা থেকে বৃদ্ধি পেতে থাকে পাহাড়ি ঢলের পানি। সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে দুপুরে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার বা ২.২৩ ফুট উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

শহরের কাঁচাবাজারে হাঁটুর উপরে পানি। পশ্চিমবাজার, মধ্যবাজারে বন্যার পানি উঠছে। বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে শহরে ঢুকছে পানি। বড় পাড়া, তেঘরিয়া থেকে শুরু করে নবীনগর, ধারারগাঁও পর্যন্ত নদী পাড়ের সকল সড়ক- হাট-বাজারে প্রায় দেড় থেকে ৩ ফুট পর্যন্ত পানি উঠেছে। হুট করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন শহরবাসী। নদীর পাড়ের বাসিন্দারা ঘরে থাকার মতো অবস্থা না থাকায় ঘরবাড়ি ছেড়ে উচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে উঠেছেন আশ্রয়কেন্দ্রে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে জেলার সকল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নিম্বাঞ্চলের মানুষের বসত ঘরে পানি উঠে গেছে। ছাতকেও বিপদসীমার ১৫৫ সে.মি বা ৫.০৯ ফুট উপর দিয়ে সুরমার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও বিশ^ম্ভরপুরে বিপদসীমার ২ সে.মি বা ০.৭৯ ফুট উপর দিয়ে সুরমার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে পাহাড়ি ঢল নেমে আগে থেকেই প্লাবিত ছিল সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, শান্তিগঞ্জ, জগন্নাথপুর, তাহিরপুরের দেড় শতাধিক গ্রাম। নতুন করে পানি বাড়ায় বিশ্বম্ভরপুর, মধ্যনগর, দিরাইসহ জেলার প্রায় সবকয়টি উপজেলাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জ পৌর শহরে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার বা ২.২৩ ফুট, ছাতকে বিপদসীমার ১৫৫ সে.মি বা ৫.০৯ ফুট উপর দিয়ে সুরমার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও বিশ^ম্ভরপুরের শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে বিপদসীমার ২ সে.মি বা ০.৭৯ ফুট উপর দিয়ে সুরমার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে, সেজন্য পানি বিপদসীমার উপরে থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় সুনামগঞ্জের লাউড়েরগড় পয়েন্টে ১৫৯ মি.মি, ছাতকে ৯৫ মি.মি, সুনামগঞ্জ পৌর শহরে ৬৮ মি.মি এবং দিরাইয়ে ৬৬ মি.মি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী জানান, নদীতে পানি টইটুম্বুর রয়েছে। নদীতে আর পানি ধারণ ক্ষমতা নাই। পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকা এবং ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও আগামী দুইদিন ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। সেজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ইতিমধ্যে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে উঠতে শুরু করেছেন। পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রীও রয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত ত্রাণ সামগ্রীর জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করছি।

সুনামগঞ্জ সদর-বিশ্বম্ভরপুর আসনের সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। এই দুর্সময়ে বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে সবাইকে থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, উতিমধ্যে সকল আশ্রয়কেন্দ্র খোলে দেয়া হয়েছে। সর্বিক সহযোগিতার জন্য সরকারের উচ্চ মহলে আমি জানিয়েছি। আমি সকাল থেকেই মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। বিপদে সবাইকে ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ জানান তিনি।


নির্বাচিত

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ফিরেছে দুর্লভ শামুকখোল পাখির ঝাঁক

* প্রকৃতিতে ফিরেছে প্রাণ, ভিড় বাড়ছে দর্শনার্থীদের
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ ও জলাভূমিতে আবারও দেখা মিলেছে দুর্লভ প্রজাতির শামুকখোল পাখির আগমন। শত শত শামুকখোল পাখির কলরবে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুখর হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। ধান কাটা ফাঁকা মাঠে ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যাচ্ছে পাখিগুলোকে। এ মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রকৃতিপ্রেমীরা।

গত রোববার (১৯ জুলাই) সকালে নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের রিধইল-সিধইল মাঠে প্রায় দুই থেকে তিনশত শামুকখোল পাখি একসঙ্গে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যায়। দিনের আলোয় আশপাশের জলাশয় ও কৃষি জমি থেকে শামুক, ব্যাঙ, ছোট মাছ, কাঁকড়া ও বিভিন্ন জলজপ্রাণী খেয়ে সন্ধ্যা নামতেই তারা ফিরে যায় নিজেদের আবাসস্থলে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রিধইল-সিধইল গ্রামের চারপাশের বাঁশবাগান, বট, পাকুড়, তেঁতুল ও অন্যান্য বড় গাছে বাসা বেঁধেছে পাখিগুলো। এ ছাড়াও নন্দীগ্রাম, ফোকপাল ও কালিকাপুর মাঠসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পাখিগুলোর পদচারণা দেখা যাচ্ছে। বিকেলের পর গাছের উঁচু ডালে শত শত পাখিকে পাশাপাশি বসে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। গ্রামবাসীরা জানান, ধূসর-সাদা রঙের এই শামুকখোল পাখির ডানা বড়, ঠোঁট লম্বা এবং মাঝখানে ফাঁকাযুক্ত হওয়ায় সহজেই শামুকের খোল ভেঙে ভেতরের অংশ খেতে পারে। লেজ ও পাখার শেষভাগ কালো রঙের হওয়ায় দূর থেকেই শামুকখোল পাখিগুলোকে আলাদা করে চেনা যায়। দেখতে অনেকটা বক পাখির মতো হলেও আচরণ ও খাদ্যাভ্যাসে রয়েছে ভিন্নরকম বৈশিষ্ট্য।

পাখি বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, শুকনো ডাল, কাঠি, লতাপাতা ঘাস দিয়ে স্ত্রী ও পুরুষ শামুকখোল পাখি মিলে প্রায় ১০ থেকে ১২দিনে বাসা তৈরি করে। জুলাই-আগস্ট মাসে তিন থেকে পাঁচটি ডিম দেয় এবং প্রায় ২৫দিনে ডিম ফুটে ছানা বের হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই ছানাগুলো উড়তে সক্ষম হয়। প্রায় ৮১ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের এই পাখির ডানার বিস্তার প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার। ঠোঁটের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার এবং পা প্রায় ১৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার। প্রজনন মৌসুমে এদের দেহ আরও উজ্জ্বল সাদা রঙ ধারণ করে। বর্ষা মৌসুমে দেশের উত্তরাঞ্চলের জলাভূমি এলাকায় শামুকখোল পাখির উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। পর্যাপ্ত খাদ্য ও নিরাপদ পরিবেশ পেলে তারা দীর্ঘ সময় একই এলাকায় অবস্থান করে। খাদ্যের সংকট দেখা দিলে আবার অন্যত্র চলে যায় এবং অনুকূল পরিবেশ ফিরে এলে পুনরায় একই এলাকায় ফিরে আসে শামুকখোল পাখি। প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর অতিথিদের নিরাপদ আবাস ও খাদ্যসংস্থানের জন্য স্থানীয়রা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। পরিবেশবিদদের মতে, শামুকখোল পাখির আগমন কোনো এলাকার জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের সুস্থতার একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

বনবিভাগ বগুড়ার নন্দীগ্রামে কর্মরত সাইফুল ইসলাম জানান, পরিযায়ী পাখিরা বিভিন্ন মৌসুমে একস্থান থেকে অন্যস্থানে ভ্রমণ করে। সাধারণত যেখানে তারা নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত খাবার পায়, সেখানেই কয়েক মাস পর্যন্ত অবস্থান করে। তিনি আরও বলেন, রিধইল-সিধইল গ্রামে আশ্রয় নেওয়া এই অতিথি পাখিদের কেউ যেনো কোনোভাবে বিরক্ত না করে বা শিকার করতে না পারে, সেজন্য এলাকাটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নির্বাচিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের তিন নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় এক পরিবারের তিন সদস্য বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা ভিকুর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫২), তার ভাতিজি আশা খাতুন (২৬) এবং আশার কন্যা মিম আক্তার (১৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে হাসিনা বেগম একটি লোহার মই ব্যবহার করে ছাদে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। মইটি আগে থেকেই কোনোভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে থাকায় তিনি সেটির সংস্পর্শে আসা মাত্রই তড়িৎদাহের শিকার হন। এই সময় তাকে বিপদ থেকে বাঁচাতে গিয়ে একে একে আশা খাতুন ও মিম আক্তারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, "বারোঘরিয়াতে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে তিনজন মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটা টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।" হঠাৎ একই পরিবারের তিন সদস্যের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।


নির্বাচিত

হাম-ডেঙ্গুতে একদিনেই মৃত্যু ৮, বাড়ছে উদ্বেগ

* হাম ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি ৭৯৩, ডেঙ্গুতে ৩৭
ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে একের পর এক থাবা বসাচ্ছে মশাবাহিত রোগ ও সংক্রামক ব্যাধি। একদিকে হাম ও এর উপসর্গে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যু। অন্যদিকে ডেঙ্গুর সংক্রমণও দিন দিন রূপ নিচ্ছে নতুন উদ্বেগে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারাদেশে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিন জন—যা এ বছর ডেঙ্গুতে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। প্রতিদিন শত শত মানুষ আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভিড় জমাস্ফোট তৈরি করায় পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

হাম: হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। তবে এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু নেই। সোমবার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৯২২ জনের আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪৭ জনের।

সরকারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৮ জনের। আর হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে সিলেট ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রামে একজন করে রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার (২০ জুলাই) পর্যন্ত হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০ আর নিশ্চিত হামের ১৪ হাজার ৫৭৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২৬ জন, যাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ৫৩২ জন ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

ডেঙ্গু: মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে ভুগে ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ৩৭২ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে রোগটিতে মারা গেলেন মোট ৩৭ জন। অন্যদিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ১০ হাজার ৮৫৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৬৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৩ জন। ঢাকা উত্তর সিটিতে ২২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৫২ জন, খুলনা বিভাগে ৪৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২১ জন, রাজশাহী বিভাগে চারজন এবং রংপুর বিভাগে ছয়জন রোগী রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন মোট ৯ হাজার ৭৮৬ জন।


নির্বাচিত

লিবিয়ায় জিম্মি কুমিল্লার ছয় যুবক, দেড় কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

ইউরোপের দেশ ইতালিতে পৌঁছানোর প্রলোভনে পড়ে লিবিয়ায় গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়েছেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের ছয় যুবক। জিম্মি তরুণদের পরিবারের কাছে এখন দাবি করা হচ্ছে মোট দেড় কোটি টাকা মুক্তিপণ।

এদিকে দাবিকৃত অর্থ না পাওয়ায় জিম্মি যুবকদের ওপর প্রতিনিয়ত চালানো হচ্ছে অমানুষিক নির্যাতন। এ পরিস্থিতিতে স্বজনদের অক্ষত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

দালালচক্রের হাতে জিম্মি হওয়া যুবকরা হলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা ইউনিয়নের দিশাবন্দ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২০), মাহবুবুর রহমানের ছেলে মানিকুল ইসলাম (২০), হারুন রশিদের ছেলে মো. সোহেল (২৭), ছবু মিয়ার ছেলে তাজ মোহাম্মদ (২৫), সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ফয়সাল (২০) এবং লক্ষণপুর ইউনিয়নের বেতিয়াপাড়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মেহেদী হাসান (২১)।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভালো উপার্জন ও উন্নত ভবিষ্যতের আশায় তারা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়েন। কিন্তু লিবিয়া পৌঁছানোর পরই স্থানীয় ও দেশীয় মানব পাচারকারী চক্রের হাতে তারা জিম্মি হয়ে পড়েন।

ভুক্তভোগী মানিকুল ইসলামের বাবা মাহবুবুর রহমান জানান, তার নিজ গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মানিকের মাধ্যমে নিজের ছেলে মানিকুলকে ইতালি নেওয়ার কথা পাকাপোক্ত হয়। সেজন্য প্রায় ৯ মাস আগে মানিকের ভাই সামছুল আলমকে ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানিকুলকে বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া নেওয়া হলেও সেখানে তাকে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেন মানিক। বর্তমানে তার ছেলে ওই চক্রের হাতে জিম্মি এবং মুক্তিপণের জন্য তার ওপর তীব্র নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

একই অভিযোগ করেন লক্ষণপুর ইউনিয়নের বেতিয়াপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসানের বাবা শাহআলম। তিনি জানান, প্রায় ৮ মাস আগে একই দালাল সামছুল আলমের মাধ্যমে নগদ ১৮ লাখ টাকা পরিশোধ করে ছেলেকে ইতালি পাঠানোর উদ্দেশে লিবিয়া পাঠান। বর্তমানে তার ছেলেও লিবিয়ায় দালালের খপ্পরে পড়ে মুক্তিপণের দাবিতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চক্রটি সর্বমোট দেড় কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় প্রতিনিয়ত তাদের শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে এবং সেই নির্যাতনের অডিও-ভিডিও পাঠিয়ে পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এদিকে, যুবকদের জিম্মি ও নির্যাতনের ভিডিও এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গত ১০-১২ দিন ধরে অভিযুক্ত দালাল সামছুল আলমসহ তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘরবাড়ি ছেড়ে পলাতক রয়েছেন। লিবিয়ায় অবস্থানরত মূল দালাল মানিকও এখন ভুক্তভোগী পরিবারের ফোন ধরছেন না। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের সন্তানদের জীবিত ফিরে পেতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীদের মা-বাবারা।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ বলেন, অবৈধ পথে কে, কিভাবে, কোন দালালের মাধ্যমে বিদেশে গিয়েছেন—এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা লিখিত অভিযোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

ফুলবাড়িয়ায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমান জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন।

সোমবার (২০ জুলাই) তিনি ফুলবাড়িয়ায় পৌঁছলে তাঁকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

এদিন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান উপজেলা ভূমি সংলগ্ন পুকুর খনন,ঘাটলা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ও মাছের পোনা অবমুক্তরন করেন। পরে পুকুর পাড়ে নারিকেল গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ভূমি সংক্রান্ত সেবার মান উন্নতকরন, নামজারি, মিসকেইছ ও উপজেলার খাস জমির সঠিক তথ্য পরিমাপ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট করতে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন।

জানাগেছে, জেলা প্রশাসক দিনব্যাপী এ ভ্রমনে উপজেলা পরিষদ,উপজেলা ভূমি অফিস,কালাদহ ইউনিয়ন পরিষদসহ ইউনিয়নটির ডিজিটাল সেন্টার, ইউনিয়ন ভূমি অফিস,ফুলবাড়িয়া থানা পরিদর্শন ও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।

পরে বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সেলাই মেশিন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, সাইকেল বিতরণ, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ

ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

এর আগে পরিষদ মিলনায়তনে মাদক, জুয়া,বাল্যবিবাহ ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শহিদুল ইসলাম সোহাগ,সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ তাকী তাজওয়ার, ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসান প্রমূখ ।


নির্বাচিত

২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে এর আগে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক সাদিক আহম্মেদ এই আদেশ দিয়েছেন।

সাহেদের পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের মামলাটি যখন হয় তখন তিনি সাড়ে চার বছর জেলে ছিলেন। তখন মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাকে এই মামলায় এক বছরের সাজা দেয় এবং সমপরিমাণ টাকা (২ কোটি ১৬ লাখ) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এখন যেহেতু উনি কারাগারে গেছেন, আমরা আপিল করব।’

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ব্যবসার উদ্দেশ্যে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কাছ থেকে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নেন সাহেদ। ওই ব্যাংকে ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ মূল্যের একটি চেক জমা দেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকের পক্ষ থেকে ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট আইনের ১৩৮ ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এরপর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার প্রক্রিয়ার জন্য ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাকে এই মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড এবং সমপরিমাণ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

এর আগে, রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে পল্লবী থানা পুলিশের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পল্লবী থানায় সোপর্দ করা হয়।


নির্বাচিত

অতিরিক্ত ডিআইজি মনিরুজ্জামানকে বাধ্যতামূলক অবসর

পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পুলিশের ইউনিফর্ম পরে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। সোমবার (২০ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী তার ছোট ভাই মো. ওয়াহিদুজ্জামান ঢাকার ধানমন্ডিতে দলটির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে মো. মনিরুজ্জামান পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

পরদিন ৩০ এপ্রিল জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ওই অনুষ্ঠানে তার ইউনিফর্ম পরিহিত উপস্থিতির ছবি ও সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ, উপনির্বাচনে বেআইনিভাবে প্রভাব বিস্তারের কৌশল অবলম্বন এবং জনসম্মুখে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

তিনি লিখিত জবাব দিলেও ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তিন সদস্যের তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে বোর্ড অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে মত দেয়।


নির্বাচিত

নওগাঁয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেনসিডিল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁয় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য (ফেনসিডিল) ধ্বংস করেছে প্রশাসন। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যলায় চত্বরে রোলার দিয়ে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, গত ৬ বছরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাদককারবারিদের কাছে থেকে এসব মাদকদ্রব্য (ফেনসিডিল) মাদক জব্দ করা হয়েছিল। মামলার পর এসব মাদক মালখানায় রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসব ধ্বংস করা হয়। এ সময় জেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম সহযোগিতা করে।

নওগাঁ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান বলেন, ‘২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত (৬ বছর) ১৫১টি মামলায় এসব মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছিল। যার পরিমাণ ১৬ হাজার ৬১ পিস। পরে সকলের উপস্থিতিতে এসব ধ্বংস করা হয়।’


নির্বাচিত

কুমিল্লায় আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১৪

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ হলেও কুমিল্লায় হামের প্রকোপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রতিদিনই নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে কুমিল্লায় হাম সন্দেহে ও পরীক্ষায় নিশ্চিত মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম রায়হান (১৮ মাস)। তার বাবার নাম ইমাম হোসেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায়। হামের উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্যানুযায়ী, নতুন করে ১৫ জন সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে ১৫ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ১৮ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

চলতি বছরের ১৯ জুলাই পর্যন্ত জেলায় মোট ৩ হাজার ১৯ জন সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় ৪৮২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময়ে হাম সন্দেহে ১৩ জন এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে। একই সময়ে মোট ২ হাজার ৫৬৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ২ হাজার ৫০২ জন হাসপাতাল ছেড়েছেন।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মিয়া মনজুর আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।’ পাশাপাশি শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে টিকাদান ক্যাম্পেইনের পরও কেন হাম ও হাম-সম্পর্কিত মৃত্যু পুরোপুরি কমছে না—এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, ‘যেসব শিশু মারা গেছে, তারা টিকা পেয়েছিল কি না, সেটি খতিয়ে দেখতে হবে। তবে আগের তুলনায় জেলায় হামে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।’


নির্বাচিত

যশোরে পৃথক দুটি অভিযানে ৩ মাদক ব্যাবসায়ীকে মাদক সহ আটক করেছে র‍্যাব-৬

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

যশোরের শার্শায় পৃথক দুইটি অভিযান চালিয়ে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬।

গতকাল রবিবার (১৯ জুলাই) যশোর জেলার শার্শা থানাধীন গোবিনাথপুর বটতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ মাদকদ্রব্য ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৩০ বোতল স্কাফসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন যশোরের শার্শা থানাধীন বটতলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে মোঃ বশির (২২) এবং মোঃ সানাউল্লাহ এর ছেলে মিনহাজ।এবং বিকালে যশোরের শার্শা থানাধীন টেংরালী বাউন্ডারিপাড়া এলাকায় অপর এক অভিযান পরিচালনা করে ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন যশোরের শার্শা থানাধীন টেংরালিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হোসেন আলীর ছেলে আবু বক্কর (৩৬)। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়।

পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে যশোর জেলার শার্শা থানায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু পূর্বক উদ্ধারকৃত আলামত ও আসামিদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


নির্বাচিত

খুলনায় ৪ দিনের বৃষ্টিতে মৎস্য ও কৃষি খাতে ক্ষতি ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

চার দিনের টানা ভারী বৃষ্টিপাতে খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও কৃষি খাতে আনুমানিক ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এ তথ্য পাওয়া গেছে।

খুলনা বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাতে বিভাগের ১০টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এর মধ্যে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

তিনি জানান, বিভাগে মোট ৪,৭৬৪টি পুকুর এবং ২,৮০৮টি দিঘি ও মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এর মধ্যে শুধুমাত্র মৎস্য খাতেই প্রায় ১২৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং মোট ক্ষতির প্রায় ৭০ শতাংশই হয়েছে চিংড়ি চাষিদের।

তবে তিনি জানান, মোট ক্ষতির মধ্যে সাদা মাছ চাষিরা ৭৩ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এ ছাড়া চিংড়ি খাতে ১৫ কোটি, মাছের পোনা খাতে ৯ কোটি এবং কাঁকড়া ও কুচিয়া খাতে ২৯ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

দেশের অন্যতম প্রধান চিংড়ি চাষের কেন্দ্রস্থল ডুমুরিয়া এলাকাটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৬৫০টি মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সূত্র জানায়, বাঁধ ও মাছ চাষের অবকাঠামোসহ বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবিরাম বৃষ্টিপাত এবং নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়াকে এই ক্ষতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন খুলনা বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পুরস্কারপ্রাপ্ত চিংড়ি চাষি মাহতাব হোসেন বলেন, ‘চিংড়ি চাষ মৌসুমের শুরুতেই এমন প্রবল বৃষ্টিপাতের কথা চাষিরা আগে ধারণা করতে পারেননি। আমরা সবেমাত্র চিংড়ির পোনা ছাড়তে শুরু করেছি এবং এই উৎপাদন প্রক্রিয়া আরও ৬ মাস চলবে। এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সময় লাগবে।’ তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি তিনি সতর্ক করেন যে, আরও বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।’

এদিকে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খুলনা জেলায় ফসলের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খুলনা অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এতে ৭,৭৩৬ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং প্রায় ১৮০.৩ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তরমুজ চাষিরা। তাদের ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৬.৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ধান ও সবজি চাষে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, ‘জমি থেকে দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় কৃষকরা খুব শীঘ্রই এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন; পাশাপাশি কৃষকরা আমন ধানের বিশাল আকারের বীজতলা প্রস্তুত রেখেছিলেন এবং বিএডিসি-র ১০০ টন বীজও মজুত ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আরও বৃষ্টিপাত হলে কৃষকদের হয়তো কোনো সমস্যার মুখে পড়তে হবে না; পাশাপাশি সরকারি সহায়তা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেও সহায়তা করবে।’

তেলিগাটি মৌজার অন্তর্গত বিল ডাকাতিয়ার মৎস্য ঘেরের মালিক মমরোজ আলী জানান, বৃষ্টির পানি উপচে পড়ার কারণে বিল ডাকাতিয়ার মৎস্য চাষিরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

তিনি জানান, ৬৫ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত তার তিনটি মৎস্য খামারের মধ্যে দুটিই তলিয়ে গেছে। অতিরিক্ত পানির তোড়ে ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। সরকার যদি আমাদের প্রণোদনা দেয়, তবে আমরা এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারব।


নির্বাচিত

কালীগঞ্জে ‘আইশিন ফুডস’ কারখানার ৩ লাখ টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৭
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে অনুমোদনহীন জ্যামের ফিলিংস ব্যবহার, বিএসটিআই (BSTI) লাইসেন্স জালিয়াতি এবং পণ্যের মোড়কে বাংলা ভাষার পরিবর্তে চাইনিজ ভাষা ব্যবহারের দায়ে ‘আইশিন ফুডস কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের নাগরভেলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরোয়ার লিমা।

আদালত ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পরিচালিত এই অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে চরম অব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ খাদ্য আইনের একাধিক গুরুতর লঙ্ঘন ধরা পড়ে।

প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পাউরুটি বা ব্রেডের মেয়াদ দেওয়া হচ্ছিল ২০ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত। তবে এত দীর্ঘ সময় পাউরুটি কীভাবে ভালো থাকবে, সে বিষয়ে কোনো বৈধ ল্যাব রিপোর্ট তারা দেখাতে পারেনি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি যে ধরনের ব্রেড উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স নিয়েছিল, বাস্তবে তার মিল না রেখে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে পাউরুটি উৎপাদন করছিল। বিশেষ করে ব্রেডের ভেতরে একটি ‘জ্যাম ফিলিংস’ ব্যবহার করা হচ্ছিল, যার উপকরণের কোনো সঠিক ব্যাখ্যা বা বৈজ্ঞানিক তথ্যসংশ্লিষ্ট কেউ দিতে পারেননি। এই জ্যাম ব্যবহারের কোনো বিএসটিআই অনুমোদনও ছিল না।

কারখানায় ব্যবহৃত উপকরণের মোড়ক এবং সকল নির্দেশনা চাইনিজ ভাষায় লেখা ছিল, যা ‘নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’-এর স্পষ্ট পরিপন্থি। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পণ্যের মোড়কে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া অভিযানের সময় কারখানাটির হালনাগাদ কোনো ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি।

এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উপস্থিত ইন্টারপ্রিটেশনাল মো. রিফাত (২৪) জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন।

অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার ফারজানা ইয়াসমিন সোনিয়া। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল ইসলাম।


নির্বাচিত

ফরিদপুরে ব্রেস্ট ক্যানসার রোধে কর্মশালা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সার্ভিক্যাল ও ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক কর্মশালা হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ কর্মশালার আয়োজন করে ফাউন্ডেশন ফর উইমেন পসিবিলিটিজের সহযোগিতায় ফরিদপুরের নন্দিতা সুরক্ষা ।

এতে নারী, কিশোরী, কমিউনিটি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী এবং নারী অধিকারকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় সার্ভিক্যাল ও ব্রেস্ট ক্যানসার সম্পর্কে মৌলিক ধারণা, ঝুঁকির কারণ, সতর্কতামূলক লক্ষণ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ, HPV টিকা, VIA স্ক্রিনিং এবং ব্রেস্ট পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সেশনটি পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা অধ্যাপক সুলতানা বেগম লিপি। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সার্ভিক্যাল ক্যানসার অনেকাংশে প্রতিরোধযোগ্য এবং সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি ও জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তিনি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সচেতন জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মাসউদা হোসেন নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

নন্দিতা সুরক্ষার নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত রেমি বলেন, নারীদের স্বাস্থ্য, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

banner close