মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফের সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

ফাইল ছবি
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৪ ২০:২৩

সিলেটে আবারও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রধান প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলো দ্বিতীয় দফায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন।

জানা গেছে, এর আগে গত ৩০ মে বন্যা পরিস্থিতির কারণে প্রথম দফায় পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছিলেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পর্যটন উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়করা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে ফের বন্যা দেখা দেওয়ায় দ্বিতীয় দফায় পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধের ঘোষণা এলো।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া না পর্যন্ত সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সিলেটের সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে তলিয়ে গেছে সাদাপাথর, জাফলং, বিছানাকান্দিসহ প্রধান প্রধান পর্যটনকেন্দ্র।

এ বিষয়ে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন বলেন, বন্যা পরিস্থিতির জন্য সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে সেগুলো কার্যকর করা হয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা: সারজিস আলম ও পাটওয়ারীসহ আহত ১০

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫১
হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে অতর্কিত হামলার ঘটনায় দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী ও সাংবাদিক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজের পাশে আয়োজিত দলের একটি কর্মসূচিতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে। এনসিপি নেতাদের পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য সরাসরি স্থানীয় বিএনপি এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সচিব প্রীতম দাশ গণমাধ্যমকে জানান, পূর্বঘোষিত 'জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজ সংলগ্ন এলাকায় তারা অবস্থান করছিলেন। কর্মসূচি চলাকালীন হঠাৎ করেই স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী তাদের গাড়িবহরে অতর্কিতে হামলা চালায়। এই আকস্মিক হামলায় সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পাশাপাশি হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মুবিনসহ দলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী এবং সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা কেবল নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তারা হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে রাখা এনসিপির মিডিয়া টিমের একটি মাইক্রোবাসও ব্যাপক ভাঙচুর করে। এছাড়া হামলার সময় বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রীতম দাশ।

তবে এনসিপির পক্ষ থেকে তোলা এই হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে স্থানীয় ছাত্রদল। হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন এই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদল বা বিএনপির কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে সুস্পষ্টভাবে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এনসিপির ওই কর্মসূচিতে আপত্তিকর কোনো বক্তব্য দেওয়ার কারণে হয়তো স্থানীয় কিছু ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ তাদের ধাওয়া করতে পারে। মঙ্গলবারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কথা তিনি লোকমুখে শুনেছেন উল্লেখ করে জোর দিয়ে বলেন, এই হামলার ঘটনার পেছনে ছাত্রদল কিংবা বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর বিন্দুমাত্র কোনো ভূমিকা বা ইন্ধন নেই।

এদিকে, এনসিপির গাড়িবহরে হামলা এবং ভাঙচুরের খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, উত্তেজনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। পুলিশের হস্তক্ষেপে বর্তমানে ওই এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।


নির্বাচিত

স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারণায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম ব্যুরো

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহিংসতামুক্ত করতে নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন নারী অধিকারকর্মী, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চট্টগ্রামের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নারীপক্ষের উদ্যোগে ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত বিভাগীয় নেটওয়ার্কিং সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় UN Women-এর সহযোগিতা এবং নরওয়ের সহায়তায়।

বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীদের শুধু ভোটার হিসেবে নয়, প্রার্থী, প্রচারক, নির্বাচনী ব্যবস্থাপক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবেও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। নারীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারলে স্থানীয় গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।

তারা বলেন, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা, নারী ভোটার সমাবেশ এবং ঘরে ঘরে সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে নারী স্বেচ্ছাসেবক ও প্রচারক দল গঠনের মাধ্যমে ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, নারী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক ও অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধ এবং সহিংসতা মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নারীবিদ্বেষী প্রচারণার বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সভায় বক্তারা নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রচারণায় নারীর স্বাস্থ্য, মাতৃসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, সামাজিক নিরাপত্তা, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, এসব বিষয় গুরুত্ব পেলে নারী ভোটারদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রচারণা, প্রথমবারের নারী ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সহায়তা এবং স্থানীয় নারী সংগঠন, যুব সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তাদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীদের সমান সুযোগ, নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ এবং অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা, সুশাসন ও অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র আরও সুসংহত হবে।


নির্বাচিত

সতর্কবার্তা জারি করল বাংলাদেশ পুলিশ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সম্প্রতি পুলিশসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম-পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ দাবি এবং নানা ধরনের তদবিরের নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক সতর্কবার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি প্রতারক চক্র পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে অর্থ দাবি করছে এবং বিভিন্ন ধরনের তদবিরের চেষ্টা করছে; এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা একদিকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।

পুলিশ সদরদপ্তর আরও জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোনো আইডিতে সরকারি কর্মকর্তার ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে মানেই সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বর বা অ্যাকাউন্টটি ওই কর্মকর্তার; এমনটি নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই এ ধরনের বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া না দেয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কেউ যদি এ ধরনের প্রতারণামূলক বার্তা পান, তাহলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অথবা সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


নির্বাচিত

বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন অ্যাড. শামছুজ্জামান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শামছুজ্জামান (সুরুজ)। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে গত ২৩ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. শামছুজ্জামান (সুরুজ)-কে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান পদে গ্রেড-২ মর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মো. শামসুজ্জামান (সুরুজ) পেশায় সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্ট এবং ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনে পৃথক চেম্বারের মাধ্যমে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

১৯৭০ সালে টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মশুদ্দি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শামসুজ্জামান (সুরুজ)। দীর্ঘদিনের আইন পেশার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও আধুনিকায়নে তিনি ভূমিকা রাখবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।


নির্বাচিত

তরুণ সমাজকে রক্ষায় তামাক আইন সংশোধন ও দ্রুত বিধিমালার দাবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন এবং নতুন রূপের ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচের মারাত্মক প্রভাব থেকে তরুণ সমাজকে সুরক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর অবসর ভবনে উন্নয়ন সংস্থা 'ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর' (ডর্প)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানানো হয়।

‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কার্যকর তামাক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোর ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার যে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন, তা বাস্তবায়নে দ্রুত নীতিগত পদক্ষেপ ও বিধিমালা জারি করা অপরিহার্য।

সভায় অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. শামসুল আলম খান জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিকোটিন পাউচ, গ্র্যানুলস এবং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (HTP)-এর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে এসব ক্ষতিকর নিকোটিনজাত পণ্য বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত ও বৈধতা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, যা তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি বহুলাংশে বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩%)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি।

সভায় বক্তারা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬) সংশোধন করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে কয়েকটি দাবি জানান। এগুলো হলো। সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন ও গেজেট প্রকাশ করা। তরুণ সমাজকে বাঁচাতে ই-সিগারেট ও নতুন নিকোটিনজাত পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা।


নির্বাচিত

রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার

* বাবা-ছেলে নিখোঁজ
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাবা ও ছেলে নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পদ্মা নদীর মাঝামাঝি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন- মো. আফছার আলী এবং তার ছেলে মো. জিয়ারুল হক। তাদের বাড়ি শ্যামপুর বালুরঘাট কাটাখালী থানা এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাজশাহীর চর মাজারদিয়া এলাকা থেকে ৮ জন যাত্রী এবং ঝাউগাছ বোঝাই করে ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটি মাঝ নদীতে পৌঁছালে অতিরিক্ত ঢেউয়ের কবলে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

নৌকাটি ডুবতে দেখে পদ্মা গার্ডেন এলাকায় নদীর তীরে অপেক্ষমাণ অন্যান্য নৌকার মাঝি এবং স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। তাদের তাৎক্ষণিক সহায়তায় পানিতে হাবুডুবু খেতে থাকা ৮ যাত্রীর মধ্যে ৬ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল।

ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ বাবা-ছেলের এবং নৌকার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।


নির্বাচিত

জয়নব-উম্মে কুলসুমের নতুন জীবনের পথে অর্থই বাধা

* যমজকে বাঁচাতে সহায়তার আবেদন পরিবারের
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জন্ম নেওয়া জোড়া লাগা যমজ কন্যাশিশু জয়নব ও উম্মে কুলসুমের নতুন জীবনের স্বপ্ন এখন দারিদ্র্যের জালে আটকে গেছে। বুক থেকে পেট পর্যন্ত একসঙ্গে যুক্ত এই দুই শিশুকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করার সম্ভাবনা দেখছেন চিকিৎসকরা। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় বহনের সামর্থ্য না থাকায় নির্ধারিত সময়েও তাদের ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি। অসচ্ছল পরিবারটি এখন সরকারি সহায়তা ও সমাজের বিত্তবান মানুষের সহযোগিতার অপেক্ষায় দিন গুণছে।

দূর থেকে দেখলে মনে হবে সাধারণ দুই কন্যাশিশু। কিন্তু কাছে গেলেই চোখ আটকে যায়—বুক থেকে পেট পর্যন্ত একসঙ্গে জোড়া লাগানো যমজ বোন জয়নব ও উম্মে কুলসুম। জন্মের পর থেকেই তাদের প্রতিটি নিশ্বাস, প্রতিটি নড়াচড়া যেন একে অপরের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। একজন কাঁদলে অন্যজনও কেঁদে ওঠে, একজন নড়লে অন্যজনও ব্যথায় কুঁকড়ে যায়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের বিলগাথুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাহিদ হাসান ও সানজিদা আক্তার দম্পতির ঘরে গত ৪ মে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় এই বিরল যমজ শিশুর।

পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসকরা আশা দিয়েছেন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশু দুটিকে আলাদা করা সম্ভব হতে পারে। তবে তার আগে প্রয়োজন একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত চিকিৎসা। জন্মের তিন মাস পর আবার ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও চরম আর্থিক সংকটের কারণে এখনো সেখানে যেতে পারেনি পরিবারটি।

শিশুদের বাবা নাহিদ হাসান একসময় রাজধানীতে পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। মাসে মাত্র ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা আয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয় তাকে। এরই মধ্যে শিশুদের দুধ, ওষুধ ও চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে ঋণের বোঝাও বেড়েছে।

মা সানজিদা আক্তার বলেন, ‘ওদের আলাদাভাবে কোলে নেওয়া যায় না। একজন একটু নড়লেই অন্যজন কষ্ট পায়। চিকিৎসার জন্য নিয়মিত ঢাকায় যেতে হবে; কিন্তু যাতায়াত ও পরীক্ষার খরচ জোগানোর সামর্থ্য আমাদের নেই।’

স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, জোড়া লাগা যমজ শিশু জন্ম নেওয়া অত্যন্ত বিরল একটি জন্মগত অবস্থা। আধুনিক চিকিৎসায় সফল অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা থাকলেও এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি, অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদল এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রয়োজন।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত পরবর্তী চিকিৎসা শুরু করা জরুরি। যথা সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে থাকলে শিশু দুটির চিকিৎসার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে।’

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ জানান, ‘শিশু দুটির চিকিৎসায় উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরের মাধ্যমে দ্রুত আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও আমরা কাজ করছি।’

দারিদ্র্যের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করা এই পরিবারের এখন একটাই স্বপ্ন—জয়নব ও উম্মে কুলসুম একদিন আলাদা দুটি স্বাভাবিক জীবন পাবে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতাই হতে পারে তাদের নতুন জীবনের সবচেয়ে বড় আশার আলো।


নির্বাচিত

অষ্টগ্রামে ‘দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক’ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের ঐক্য, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬’। দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, অষ্টগ্রামের আয়োজনে ও সহযোগিতায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে অষ্টগ্রাম বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহ মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ।

​অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন, কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুকুনুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহান সিরাজ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আশরাফ আলী, সহকারী প্রোগ্রামার আনোয়ার পারভেজ, একাডেমিক সুপারভাইজার আবদুল লতিফ।

​উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. আনোয়ার উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সাগর।

​বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দুর্নীতিবিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দেশ গড়ার আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


নির্বাচিত

কামারখাল পরিষ্কারে এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ হবে: সুনামগঞ্জ পৌর প্রশাসক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের কালীবাড়ি এলাকায় সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের পেছনে কামারখাল দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। খালের বিভিন্ন অংশে ময়লা জমে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে খালের পাশের স্থানটি অনেকে মূত্র ত্যাগের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে এলাকাজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কামারখালের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও পানিপ্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। খালের পাশে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি খালের পাড়ে পথচারীদের মূত্র ত্যাগের কারণে পরিবেশ আরও নোংরা হয়ে উঠেছে। এতে মশা-মাছির উপদ্রবও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে কামারখাল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় তারা খালের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। এখানে আমাদের ঐতিহ্যবাহী একটি পুরোনো খাল রয়েছে। মানুষ যথেচ্ছভাবে এখানে ময়লা ফেলছে। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, এটি রোগ-জীবাণুর একটি উৎস হয়ে উঠেছে।’

সুনামগঞ্জ জনউদ্যোগের নেতারা বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা প্রশাসনকে পৌর নাগরিকদের সমস্যাগুলো লিখিত ও মৌখিকভাবে জানিয়েছি। সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসন এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আমরা সাধুবাদ জানাই। তা ছাড়া খালের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি, জেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি পৌরসভার ড্রেন সমস্যার সমাধান, নিয়মিত ডাস্টবিন পরিষ্কার, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যানজট নিরসন, ল্যাম্পপোস্টের বাতিগুলো নিয়মিত সচল রাখাসহ আরও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো নিয়েও কাজ করবেন।’

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান এবং পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম কয়েস উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্র সোহান হত্যায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আজিজুল হাকিম, মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার স্কুলছাত্র সোহান মিয়া হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অন্য একটি ধারায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসকেএম তোফায়েল হোসেন একজন আসামির উপস্থিতে এই রায় প্রদান করেন। মামলার অপর শিশু আসামির বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দণ্ডিতরা হলেন, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার দক্ষিণ দেওগাঁও এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে আউয়াল মিয়া এবং বরিশাল সদর উপজেলার সারসী এলাকার নুরু মুন্সির ছেলে সাগর মুন্সি।

নিহত সোহান মিয়া সিংগাইর উপজেলার ফোর্ডনগর মোল্লাপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় বিআরসি উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

এজহারপত্রে জানান, ২০২১ সালের ১৯ জুলাই দুপুরে হ্যালোবাইক চালাতে গিয়ে নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্র সোহান মিয়া। এরপর বিকেলে খাসেরচর-ধল্লা বাজারের মধ্যবর্তী রাস্তার পাশ থেকে সোহান মিয়ার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় নিহতের মা লাইলী বেগম বাদি হয়ে সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।

সিংগাইর থানার তদন্তকারী অফিসার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে ২০২১ সালের ৩০ জুলাই আদালতে চার্জশিট দালিখ করেন। এরপর মামলায় উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক ও ১৯ জনের সাক্ষগ্রহণ শেষে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আসামি আউয়াল মিয়ার উপস্থিতিতে মামলায় পৃথক দুটি ধারায় আউয়াল মিয়া ও সাগর মুন্সিকে মৃত্যুদণ্ড একই সঙ্গে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলার অপর একটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফম নূরতার আলম বাহার সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের কোনো মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


নির্বাচিত

সেচ সংকটে নিয়ামতপুরের বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা

* ক্ষতির মুখে কৃষক, দ্রুত তদন্তের দাবি
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের চিনোড়া মৌজায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) দুটি গভীর নলকূপ (এসটিডব্লিউ) প্রকল্পকে ঘিরে প্রায় এক দশক ধরে চলমান বিরোধে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো কৃষক। স্থানীয়দের অভিযোগ, একই এলাকায় দুটি সেচ প্রকল্প চালুর পর থেকেই সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। এর প্রভাব পড়ছে কৃষি উৎপাদনে। সময়মতো সেচ না পাওয়ায় অনেক জমিতে ব্যাহত হচ্ছে ইরি-বোরো ধানের আবাদ। দ্রুত তদন্ত করে বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

বরেন্দ্র অধ্যুষিত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার প্রত্যন্ত চিনোড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষের জীবন-জীবিকা কৃষিকে ঘিরেই। কিন্তু এই অঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজ পুরোপুরি নির্ভর করে বিএমডিএর গভীর নলকূপের সেচের ওপর।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. অলিউল্লাহ ২০০৯ সালে সব ধরনের সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চিনোড়া মৌজায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন এবং নিয়মিত সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে তার অভিযোগ, ২০১৯ সালে একই এলাকায় বিদ্যমান সেচ স্কিমের নির্ধারিত দূরত্বের বিধিমালা অনুসরণ না করেই আরেকটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন সাধন বর্মন নামের আরেক ব্যক্তি। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সামনেই ইরি-বোরো মৌসুম। সময়মতো সেচ নিশ্চিত না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে হাজারো কৃষক, কমে যেতে পারে কৃষি উৎপাদনও। তাই নতুন মৌসুম শুরুর আগেই সরেজমিন তদন্ত করে দীর্ঘদিনের এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান এবং নিরবচ্ছিন্ন সেচসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার কৃষকরা।

ভুক্তভোগী কৃষক মো. অলিউল্লাহ বলেন, এ নিয়ে একাধিকবার উপজেলা সেচ কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে একপর্যায়ে নিজের সেচ কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি। দ্রুত বিষয়টির সুরাহার দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, দুই পক্ষের বিরোধের খেসারত দিতে হচ্ছে তাদের। প্রয়োজনের সময় পর্যাপ্ত সেচ না পাওয়ায় অনেক জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে, আবার কোথাও ব্যাহত হচ্ছে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন।

রেজাউল করিম ও আরিফুজ্জামান নামের স্থানীয় দুই কৃষক বলেন, আসন্ন ইরি-বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে নতুন করে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিধিমালা অনুযায়ী বৈধ ও অবৈধ প্রকল্প যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

অভিযুক্ত সাধন বর্তন বলেন, নিয়ম মেনেই নলকূপ স্থাপন করেছি। নিজের বাড়ির ভিতরে নলকূপ স্থাপন করার বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো সুনিদিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নিয়ামতপুর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মো. তারিক আজিজ বলেন, কোনো ধরনের বিরোধ নয় বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত বৈধ সেচ প্রকল্প থেকেই যেন ন্যায্যমূল্যে নিরবচ্ছিন্ন সেচসেবা নিশ্চিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মুর্শিদা খাতুন বলেন, যদি কোনো সেচ প্রকল্প বিধিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদন পেয়ে থাকে, তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


নির্বাচিত

প্রশাসনিক কাজের ফাঁকেও চিকিৎসা দিচ্ছেন বোদার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মিজানুর রহমান, পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ লুৎফুল কবির প্রশাসনিক কাজের ফাঁকেও নিরলসভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। তার কাছে চিকিৎসা পেয়ে বেজায় খুসি রোগীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ লুৎফুল কবির এর প্রশাসনিক চেম্বারে সারিবদ্ধভাবে পুরুষ ও মহিলা দেখা যায় তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছেন, এবং একজন একজন করে চিকিৎসা সেবা নিয়ে বের হচ্ছেন। দিনের বেলা ইনডোরের চিকিৎসা সেবা দেন আরএমও ডাঃ জাহিদ হাসান। ডা. মোঃ লুৎফুল কবির রাতে নিয়মিত ইনডোরের রোগী দেখেন। তিনি দিনের বেলাও প্রশাসনিক চেম্বারে রোগী দেখেন। আউটডোরের টিকিট কেটে চিকিৎসা সেবা নেন রোগীরা।

কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বললে জানা যায় ২৪ ঘণ্টায় জরুরি সেবা চালু রয়েছে তারপরও জরুরি সেবা চিকিৎসা না নিয়ে পছন্দের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ লুৎফুল কবির এর কাছে পরামর্শ ও চিকিৎসা নিতে ছুটে আসি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ লুৎফুল কবির এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বোদা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার মান উন্নত করার জন্য প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি, তারা ভালো চিকিৎসা পাওয়ার কারণে পরবর্তীতে চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে আসে আমার কাছে।


নির্বাচিত

রাবিপ্রবির নতুন প্রো-ভিসি চবি অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) যোগদান করেছেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে নবনিযুক্ত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলামকে ফুল দিয়ে স্বাগত ও অভিনন্দন জানান।

এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য শিক্ষক, প্রক্টর, হল প্রভোস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন এবং ফুলের তোড়া দিয়ে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়কে অভিনন্দন জানান।

এ সময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন এবং রাবিপ্রবির সার্বিক বিষয়াদি অবহিত হন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সমৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার আশা ব্যক্ত করেন। অতঃপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট’ থেকে ‘মেরিন বায়োডাইভার্সিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ বিষয়ে গবেষণা করে ২০১২ ‍সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট’ এর ‘সমুদ্র বিজ্ঞান’ (মেরিন সায়েন্স) বিভাগ থেকে এম.এস.সি (স্নাতকোত্তর) এবং ১৯৯৬ সালে বি.এস.সি (সম্মান) সম্পন্ন করেন।

তিনি ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট’ এ লেকচারার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত হন।

গত সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে রাবিপ্রবির চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ‘রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’-এর ১২ (১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলামকে প্রো-ভিসি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি চ্যান্সেলরের আদেশে ৫ শর্তে প্রো-ভিসি পদে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী চার বছরের জন্য তাকে এই দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close