রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
৩ কার্তিক ১৪৩৩

সিলেটে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, তীব্র ভাঙন যমুনার দুই পাড়ে

বন্যায় প্লাবিত সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
২২ জুন, ২০২৪ ১৩:৪৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৪ ১৩:৪৯

৫ দিন পর সিলেটের আকাশে সূর্যের দেখা মিলেছে। গতকাল সকালে রোদের দেখা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন জেলার বিভিন্ন এলাকার বানভাসি মানুষ। বৃষ্টি না হওয়ায় এবং উজানের ঢল না নামায় গতকাল সিলেট অঞ্চলে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। তবে নদীগুলো এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পানি কমছে ধীরে। তবে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। যদিও এখনও পানিবন্দি অবস্থায় আছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। গতকাল শুক্রবার পানিবন্দি মানুষের তথ্য নিশ্চিত করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন জানায়, দ্বিতীয় দফার বন্যায় সিলেটে ১০ লাখ ৪৩ হাজার ১৬১ জন মানুষ পানিবন্দি। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৯টি ওয়ার্ডে বন্যাদুর্গত প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। ৭১৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত আশ্রয় নিয়েছেন ২৮ হাজার ৯২৫ জন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যে আরও জানা যায়, জেলার ১৫৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৩৬টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৬০২টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, গোলাপগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, বিশ্বনাথ ও ওসমানী নগর উপজেলা।

গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া তথ্যমতে, সিলেটের প্রধান দুটি নদী সুরমা ও কুশিয়ারার কয়েকটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগে থেকে অনেকটা কমেছে পানি।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। একইভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের চেরাপুঞ্জিতেও কোনো বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া যায়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, শুক্রবার দুপুর ১২টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর অমলসীদ পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার ও শেওলা পয়েন্টে পানি ৫ সেন্টিমিটার এবং একই নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১০৩ ও শেরপুর পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, নতুন করে বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢল না হলে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে।

তবে অনেকে অভিযোগ করছেন বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার কার্যক্রম ও ত্রাণ সহায়তা মিলছে না। পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কাও বাড়ছে। এছাড়া দেখা দিয়েছে সাপের উপদ্রব।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৬০০ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার তৎপরতাও চলমান।

হবিগঞ্জে রাস্তা ভেঙে ঢুকছে পানি, ভেসেছে ১০ সড়ক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে হবিগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে নবীগঞ্জ, মাধবপুর, লাখাই ও আজমিরীগঞ্জের বেশ কিছু গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। খোয়াই নদীর পানি কমতে শুরু করায় হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। অন্যদিকে নবীগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধি হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ১০টি পাকা সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। অনেকেই ছুটছেন আশ্রয়কেন্দ্রে। বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক। নতুন করে দক্ষিণ কসবা গ্রামের পাকা সড়ক ভেঙে দ্রুত গতিতে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয়রা জানায়, খোয়াই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। অন্যদিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে কুশিয়ারা নদীর পানি। কুশিয়ারার পানি শেরপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ২১, বানিয়াচংয়ের মার্কুলি পয়েন্টে ৩৩ ও আজমিরীগঞ্জে ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ধরে উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচে নবীগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করতে থাকে। এতে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের রাজনগর, উমরপুর, মোস্তফাপুর, দক্ষিণগ্রাম, পাঠানহাটি, মনসুরপুর, দরবেশপুর, দিঘীরপাড়, নোয়াগাঁও, চন্ডিপুর, প্রজাতপুর, লামলীপাড়, দীঘলবাক ইউনিয়নের রাধাপুর, ফাদুল্লাহ, দুর্গাপুর, মথুরাপুর, হোসেনপুর, মাধবপুর, পশ্চিম মাধবপুর, গালিমপুর, আউশকান্দি ইউনিয়নের পাহাড়পুর, পারকুল, উমরপুর, দীঘর ব্রাহ্মণগ্রাম, বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর, চরগাঁও, বড় ভাকৈর (পূর্ব), করগাঁও, কালিয়াভাঙ্গা, দেবপাড়া ও কুর্শি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ১০টি পাকা সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বন্ধ রয়েছে যান চলাচল। কুশিয়ারা নদী ঘেঁষা ইনাতগঞ্জ ও দীঘলবাক ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের ঘরবাড়িতে প্রবেশ করেছে পানি। ফলে মানবেতর অবস্থায় জীবনযাপন করছে সাধারণ মানুষ।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। এমন অবস্থায় বন্যাকবলিতরা আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে। ১৪টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ৯টিতে প্রায় ৩০০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে সরকারি খাদ্য সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর দীঘলবাক ইউনিয়নের দক্ষিণ কসবা গ্রামের পাকা সড়ক ভেঙে দ্রুতগতিতে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। এতে মানুষ আতঙ্কে উৎকণ্ঠায় জীবনযাপন করছে।

বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ইনাতগঞ্জে অবস্থিত শেভরন পরিচালিত এশিয়া মহাদেশের অন্যতম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা ও পারকুলে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী ঘেঁষা বিবিয়ানা ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। বিবিয়ানা গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ৪-৫ ফুট নিচে বর্তমানে পানি রয়েছে। তবে দ্রুতহারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাসক্ষেত্রে পানি প্রবেশের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

যমুনার পানিতে তলাচ্ছে ফসলি জমি, ভাঙছে ঘরবাড়ি

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জের যমুনাসহ সব কটি নদীতে পানি বাড়ছে। ফলে শুরু হয়েছে নদীপাড়ে ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল সেটিও হারানোর আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে দিন পার করছেন নদীপাড়ের শত শত ভাঙনকবলিত মানুষ।

ইতোমধ্যে চর ও নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। দ্রুতগতিতে পানি বাড়ার কারণে যমুনা নদীর চরাঞ্চলে ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তার পাশাপাশি বন্যা আতঙ্ক বিরাজ করছে চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে।

গতকাল সকালে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৯৭ মিটার। ২৪ ঘণ্টায় ২০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে, কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৭১ মিটার। ২৪ ঘণ্টায় ২৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৯ মিটার নিচ প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, যমুনা নদীতে আশঙ্কাজনকভাবে পানি বাড়ায় শাহজাদপুরের জালালপুর, খুকনী ও কৈজুরী ইউনিয়নে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। কয়েক দিনের ব্যবধানে দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাঙনকবলিতরা।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, শাহজাদপুরের জালালপুর, খুকনী ও কৈজুরী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা ভয়াবহ ভাঙনে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি-জমি হারিয়েছেন। অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলন ও প্রতীক্ষার পর সরকার এ অঞ্চলে ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়। প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও ঠিকাদার ও পাউবোর গাফিলতিতে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না। ফলে আবার ভাঙনের কবলেই পড়েছে এসব অঞ্চল। চলতি মৌসুমে জালালপুর ও কৈজুরী ইউনিয়নের শতাধিক বাড়িঘর ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান। নদীতে সব কিছু হারিয়ে বাস্তুহারা ও নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ভাঙনকবলিত এসব মানুষ।

একই উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের পাঁচিল গ্রামের কৃষক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘চরের জমিতে চাষাবাদ করে সারা বছর চলতে হয়। প্রত্যেক বছর বন্যায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই। এক বিঘা জমিতে তিলের আবাদ করেছি। এখন দেখি পানি বাড়ছে। এভাবে পানি বাড়লে ৪-৫ দিনের মধ্যে জমি তলিয়ে যাবে।’

সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আনোয়ার সাদাত বলেন, ‘এই মুহূর্তে চরের জমিতে তিল ও পাট চাষ করা রয়েছে। কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। আমরা সব সময় খোঁজখবর রাখছি। কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।’

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনার ডান তীর সংরক্ষণের জন্য সাড়ে ছয় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণকাজ চলছে। কাজের মেয়াদ যদিও চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। তবে কাজ শেষ না হওয়ায় আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।’

বিষয়:

নির্বাচিত

কুমিল্লায় যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ২

* চলতি সপ্তাহেই অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট: পুলিশ সুপার
ছবি: শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যা মামলার বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতীম হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) চলতি সপ্তাহেই আদালতে দাখিল করা হবে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যা মামলার বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) কুমিল্লা মহানগরীর ছত্রখিল এলাকায় যুবদল নেতা আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তৌহিদ ও তার আপন ভাই তানজীরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও এসআরবি। নগরীর নুরপুর থেকে তৌহিদ ও তানজীরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি ।

গ্রেপ্তার তৌহিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ সাতটি মামলা রয়েছে। তানজীরের বিরুদ্ধে রয়েছে একটি মামলা।

পুলিশ সুপার বলেন, কুমিল্লা সদর উপজেলার ছত্রখিল মডেল মসজিদের বিপরীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা নিয়ে কাউছার ও শামীমের সাথে বিরোধের জেরে যুবদল নেতা কাউছারকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় অটো রিকশা গুরুতর আহত হন। তবে তিনি এখন আশংকামুক্ত।

এদিকে, অপ্রতীম হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, চলতি সপ্তাহেই আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি কুমিল্লা কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান ও পঙ্কজ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

দেশের ৮ জেলা থেকে উদ্যোক্তা হতে চান সাড়ে ১৮ হাজার তরুণ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের তরুণ সমাজকে স্বাবলম্বী ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। যুবসমাজকে জামানতবিহীন আর্থিক সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু হওয়া ‘উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’ (উদ্যোগ)-র আওতায় কেবল ৮টি জেলা থেকেই সাড়ে ১৮ হাজার তরুণ আবেদন করেছেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে এই আবেদনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রমে আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেত্রকোনা জেলা, যেখান থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৫১টি আবেদন জমা পড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রংপুর থেকে এসেছে ২ হাজার ৭৪৫টি আবেদন। এ ছাড়া নওগাঁ থেকে ২ হাজার ৪৫৬ জন, ঝিনাইদহ থেকে ২ হাজার ১৯১ জন, হবিগঞ্জ থেকে ১ হাজার ৫৫২ জন, ভোলা থেকে ১ হাজার ৫৪৫ জন, মানিকগঞ্জ থেকে ১ হাজার ৩৪৩ জন এবং ফেনী থেকে ১ হাজার ২৬১ জন তরুণ ঋণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

প্রথম ধাপে ৮টি জেলা থেকে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাওয়ায় এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরো দেশজুড়ে এই কর্মসূচি বিস্তৃত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বাকি জেলাগুলোর আগ্রহী তরুণেরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। পুরো প্রকল্পটির অধীনে দেশের ৫০৩টি উপজেলার ৫ হাজার ৩০ জন উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আগ্রহীরা তাঁদের নিজ নিজ উপজেলার যেকোনো ব্যাংকের শাখায় গিয়ে সহজেই এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

বিশেষ এই তহবিলের মোট ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক সরবরাহ করবে এবং অবশিষ্ট ২৫০ কোটি টাকা দেবে সহযোগী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত একেকজন উদ্যোক্তা ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পাবেন। প্রাপ্ত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অংশ ৪ থেকে ৭ শতাংশের স্বল্প সুদে ঋণ হিসেবে পরিশোধযোগ্য হবে।

এই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু সুস্পষ্ট শর্তাবলী নির্ধারণ করে দিয়েছে। আবেদনকারীর বয়স আবেদনের শেষ দিনে সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে এবং এর আগে ব্যাংক বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছেন এমন কেউ এখানে আবেদন করতে পারবেন না। পাশাপাশি কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন না।

প্রকল্পটিতে প্রধানত কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, হালকা প্রকৌশল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উদ্যোগগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ই-কমার্স, ফিনটেক, এডটেক, অ্যাগ্রিটেক ও হেলথটেকের মতো প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপসহ যেকোনো বৈধ ও আয়বর্ধক উদ্যোগের জন্য এই অর্থায়ন সহজলভ্য করা হবে।


নির্বাচিত

পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিগগিরই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মিলনায়তনে বিভিন্ন মন্দিরের অনুকূলে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এমন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, যাতে ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে পার্বত্যাঞ্চলের সব মানুষ বৈষম্যহীনভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং কৃষির উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করলে সবার জন্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিষদের সদস্যরা এবং মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলার ৪৭টি মন্দিরের অনুকূলে মোট ২৪ লাখ ৯১ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী জেলা শহরের প্রাচীন কালীবাড়ি মন্দির পরিদর্শন করেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় অংশ নেন। সভায় রাঙামাটি ২৯৯ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও এর উন্নয়নে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।


নির্বাচিত

দুর্গোৎসবের মধ্যে নওগাঁয় গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, যুবক আটক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

ঢাকের বোল, শঙ্খধ্বনি আর পূজার মন্ত্রোচ্চারণে যখন মুখর শারদীয় দুর্গোৎসবের পরিবেশ, ঠিক তখনই নওগাঁর একটি পূজামণ্ডপে ঘটল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। কুড়ালের আঘাতে ভাঙচুর করা হয়েছে গণেশ প্রতিমা। ঘটনাটিকে ঘিরে দিনভর চলে নানা আলোচনা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার হাসাইগাড়ি ইউনিয়নের হাতাশ খাড়াপাড়া সার্বজনীন পূজামণ্ডপে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানি নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন মণ্ডপে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্য ও স্থানীয় লোকজন।

আটক গোলাম রাব্বানি একই ইউনিয়নের মধ্য হাতাশপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ মুসার ছেলে।

উৎসবের মধ্যে এমন ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন মণ্ডপের আয়োজক ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। আনন্দঘন পরিবেশে নেমে আসে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। একই সঙ্গে পূজার কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

জানা যায়, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে একটি কুড়াল নিয়ে পূজামণ্ডপে প্রবেশ করেন গোলাম রাব্বানি। এরপর আকস্মিকভাবে গণেশ প্রতিমায় পরপর দুই-তিনটি কোপ দেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যেই প্রতিমাটি ভাঙচুর করে সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে মণ্ডপে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্য ও স্থানীয় লোকজন তাকে কুড়ালসহ আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ঘটনার খবর পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।


নির্বাচিত

নন্দীগ্রামে এবারও আমনের বাম্পার ফলনের আশা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

ঋতুর পরিবর্তনে প্রকৃতিজুড়ে বইছে হেমন্তের আবহ। ভোরের শিশিরভেজা ঘাস, গাছের পাতায় জমে থাকা জলকণা আর বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ আমন ধানক্ষেত জানান দিচ্ছে নতুন ঋতুর আগমনের কথা। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার মাঠজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। দিগন্তজোড়া আমন ধানক্ষেতের এমন মনোরম দৃশ্য মুগ্ধ করছে প্রকৃতিপ্রেমীদের। মাঠে মাঠে ধানের সবুজ সমারোহ দেখে এবারও বাম্পার ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন কৃষকরা। ঋতুর এই পরিবর্তন প্রকৃতির চিরন্তন নিয়ম। সময়ের সঙ্গে বদলে যায় প্রকৃতি, বদলে যায় মানুষের জীবনযাত্রাও।

হেমন্তের ভোরে শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো নতুন ঋতুকে বরণ করে নিচ্ছে। ভোরের স্নিগ্ধ পরিবেশ আর হিমেল হাওয়ায় গ্রামবাংলার চিরচেনা প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে এক অনন্য রূপ। ইতোমধ্যে ধানগাছে থোড় বের হয়েছে। এখন ধানের দুধ ও দানা গঠনের প্রক্রিয়া শেষে ধানের শীষ পরিপক্ব হবে। কার্তিক মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই পুরোদমে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হবে।

নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, ভোরের হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। শিশিরভেজা ঘাস, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রকৃতির অপূর্ব এক চিত্রপট। গ্রামবাংলার এই স্নিগ্ধ সৌন্দর্য মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়। আমি এই স্নিগ্ধ সৌন্দর্য দেখেই বড় হয়েছি। এখনো গ্রামবাংলার চিরচেনা প্রকৃতি ও পরিবেশ দেখে আসছি। আমাদের এলাকায় এবারও আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, চলতি খরিপ-২ মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ১৯ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সামান্য কম (লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৯ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমি)। উপজেলার প্রতিটি মাঠেই আমন ধানের ক্ষেত বেশ ভালো দেখা যাচ্ছে। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা এখন মাঠে বেশি সময় দিচ্ছেন, যাতে কৃষকরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা পান।

তিনি আরও বলেন, ফসলের উৎপাদন বাড়লে কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হন। পাশাপাশি দেশের খাদ্যচাহিদা পূরণেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারও আমন ধানের বাম্পার ফলন পাওয়ার আশা করছি।


নির্বাচিত

বিচ কার্নিভাল ঘিরে উৎসবের আমেজ জমজমাট হতে যাচ্ছে কুয়াকাটা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর বিচ কার্নিভাল উৎসবকে ঘিরে সুর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটায় লক্ষাধিক পর্যটক দর্শনার্থীদের আগমনের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্টগুলো বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের বরণে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির আবাসিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্টগুলোর ৭০-৮০ ভাগ রুম আগাম বুকিং হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

বিচ কার্নিভাল উৎসবে পর্যটক সমাগম বৃদ্ধির লক্ষ্যে হোটেল মালিক সমিতি রুম ভাড়ার ওপর ৫০ ভাগ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছেন। বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ পৃথকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিচ কার্নিভাল উৎসবে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বীচ ম্যারাথন, বীচ ফুটবলসহ নানা আয়োজন থাকবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, জেলা প্রশাসন তথা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির যৌথ আয়োজনে এ বিচ কার্নিভাল উৎসব অনুষ্ঠিত হবে এমনটাই জানা গেছে বীচ ম্যানেজমেন্ট সূত্রে।

ইতোমধ্যে সৈকত এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। সৈকতের সৌন্দর্য বর্ধনে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।

আবাসিক হোটেল-মোটেল মালিক সমিতি থেকে জানানো হয়েছে বিচ কার্নিভাল উৎসবকে ঘিরে পর্যটকদের ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ইতোমধ্যে তাদের হোটেলের ৮০ ভাগ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে।

কুয়াকাটা সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাসের সহকারী ব্যবস্থাপক আল আমিন খান উজ্জ্বল জানান, তাদের কটেজ এবং ভিলার ৭০ ভাগ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। দুয়েক দিনের মধ্যে শতভাগ বুকিং হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে পূজার ছুটি বাড়তি সুবিধা দিয়েছে।’

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ জানিয়েছেন, বিচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেল, মোটেল, রিসোর্টগুলোর ৬০-৭০ ভাগ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। তবে তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর এখনো অধিকাংশ কক্ষ ফাঁকা রয়েছে। তিনি আরও জানান, কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় লক্ষাধিকের ওপরে পর্যটক দর্শনার্থীদের আগমন ঘটবে বলে আশা করছেন।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান জানান, বিচ কার্নিভাল উৎসবে বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগতরা যাতে নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন এ জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, এসআরবির পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, ‘৫ দিনের সরকারি ছুটি ও বিচ-কার্নিভালকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা নতুন রূপে সাজতেছে। থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।’


নির্বাচিত

পলিটেকনিকে ছাত্রাবাস-অডিটোরিয়াম, নতুন বাসের আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর

রাজশাহী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী প্রতিনিধি

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে নতুন ছাত্রাবাস নির্মাণ, অডিটোরিয়াম প্রতিষ্ঠা ও যাতায়াতের জন্য নতুন বাস চালুর আশ্বাস দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। রাজশাহী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এসব আশ্বাস দেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রতিষ্ঠানটির ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম পর্বের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট দেশের অন্যতম সেরা কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটির অবদান গুরুত্বপূর্ণ। নবীন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।

ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজেদের দায়িত্ব ও পরিচয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশীদ এবং মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ এ. জে. এম. মাসুদুর রহমান। এ সময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

গুজব ও বিশৃঙ্খলা রোধে জরুরী ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রান্তিক পর্যায়ের পূজামণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার-ভিডিপি সদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং পূজারীদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ সুদৃঢ় করতে পূর্ব চান্দরা শ্রী শ্রী কালী ও দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে ২ লাখ ১২ হাজারেরও বেশি আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যা মোতায়েন রয়েছেন। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় ১০৪টি স্ট্রাইকিং টিম সারাদেশে কাজ করছে। প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার আওতায় তথ্য প্রদানকারী, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে সংযুক্ত রয়েছেন ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপসে’। এর ফলে মাঠপর্যায়ের তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান, পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, তৃণমূল থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত আনসার- ভিডিপির প্রতিটি সদস্য নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। যেকোনো সংকট ও প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ সর্বদা আনসার-ভিডিপিকে পাশে পাবে। একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত প্রয়াস অপরিহার্য।

মহাপরিচালক বলেন, কোনো গোষ্ঠী যাতে গুজব, উসকানি কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ধৈর্য, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সব ধরনের বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে উৎসবের স্বাভাবিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বিশ্বাস করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক সচেতনতা এবং সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজায় বাহিনীর সদস্য-সদস্যারা দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছেন।


নির্বাচিত

লাগেজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শাহজালালে ৩২ সিসি ক্যামেরা-১৮ মনিটর স্থাপন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, লাগেজের নিরাপত্তা জোরদার এবং লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ উদ্যোগের আওতায় বিমানবন্দরের ৮টি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্মানিত যাত্রীরা লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার দৃশ্য স্থাপিত মনিটরে সরাসরি (লাইভ) দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে, যাত্রীরা তাদের লাগেজ পরিবহনের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন এবং লাগেজ সংগ্রহের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহি আরও বাড়বে।

বেবিচক যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি সব যাত্রী যেন ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে তাদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবার সম্প্রসারণে বেবিচকের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ উদ্যোগ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।


নির্বাচিত

অনুমোদন ছাড়াই চলছিল রিসোর্ট, ঝুঁকিপূর্ণ বলে নোটিশ করেছিল ফায়ার সার্ভিস

ছবি: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ বলেছেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টটি অনুমোদন ছাড়াই চলছিল। রিসোর্টটির ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্সও ছিল না।

তিনি বলেন, গত জুনে পরিদর্শনের পর রিসোর্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সতর্ক করে নোটিশ করেছিল ফায়ার সার্ভিস। এরপরও রিসোর্টটির অবৈধভাবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। আজ রিসোর্টটিতে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ৬ জন নিহত ও ১০ জনের বেশি আহত হন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরে আয়োজিত ‘শারদীয় দুর্গাপূজায় অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক’ প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালক বলেন, তিনতলা কাঠের তৈরি রিসোর্টটির নিচতলায় ছিল রেস্তোরাঁ। সেখানে খাবার তৈরি করা হতো। দোতলা ও তিনতলায় পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের তদারকির আওতায় প্রয়োজনীয় সনদ ছিল না।

তিনি জানান, সকালে সাড়ে ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থল থেকে নিকটতম ফায়ার স্টেশনের দূরত্ব ছিল ২২ কিলোমিটার। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। পরে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। এরইমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রিসোর্টটির লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং সতর্ক করার পরও কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে রিসোর্টটি চালাচ্ছিল না।

কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় কাঠ ও অন্যান্য দাহ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি রিসোর্টগুলোর নিরাপত্তা এবং অনুমোদনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তাদের নোটিশের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে নিরাপত্তাবিষয়ক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

সামনে শুষ্ক মৌসুমে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, এমন প্রশ্নে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে আগুনের কারণ নির্ধারণ করা সঠিক হবে না। পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পরই এ বিষয়ে জানা যাবে।

নোটিশ দেওয়ার পরও ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান চালু থাকা এবং সারাদেশে এ ধরনের রিসোর্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিসের করণীয় পর্যালোচনা করা হবে। বিদ্যমান আইন ও নজরদারির সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

তুলির আঁচড়ে সাজছে রাজশাহী নগরী, প্রধানমন্ত্রীকে বরণে চলছে সাজসজ্জা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক

শহরের পথে পথে রঙের ছোঁয়া, সড়ক বিভাজকে নতুন প্রলেপ আর পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত কর্মীরা। কোথাও পুরোনো স্থাপনায় লাগছে নতুন রঙ, কোথাও চলছে সড়ক সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ঘিরে এভাবেই নতুন সাজে সেজে উঠছে উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগরী। নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর এই কর্মযজ্ঞে মিশে আছে রাজশাহীবাসীর আবেগ, ভালোবাসা ও প্রত্যাশা। আগামী ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর উপলক্ষে নগরীজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরীর বিমান চত্বর এলাকায় দেখা যায়, রঙমিস্ত্রিরা তুলির আঁচড়ে বিভিন্ন স্থাপনা রাঙিয়ে তুলছেন। হাতে রঙের পাত্র, চোখেমুখে কাজ শেষ করার তাগিদ। তাদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরীকে আরও পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে।

রঙমিস্ত্রি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহীতে আসবেন। তাকে স্বাগত জানানোর জন্য নগরীকে মনের মাধুরী মিশিয়ে তুলির আঁচড়ে রাঙিয়ে তুলছি। কাজটি করতে পেরে ভালো লাগছে। আমরা চাই, প্রধানমন্ত্রী এসে আমাদের সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী দেখুন।’

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) পক্ষ থেকে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সড়ক বিভাজকের আইল্যান্ডে রঙ করা, প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার, বিভিন্ন স্থাপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই রাজশাহীতে প্রথম সফর। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ, আবেগ ও গৌরবের বিষয়। তাকে স্বাগত জানাতে রাজশাহীবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করছি, তার এই সফর রাজশাহীর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহীতে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ জোরদার করা হয়েছে। বিপুল জনসমাগম ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে রাজশাহীবাসীর ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।’

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহীতে আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগ ও অনুভূতির বিষয়। তাকে এক নজর দেখার জন্য রাজশালীবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সড়ক বিভাজকের আইল্যান্ডে রঙ করা, প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার এবং পরিবেশ উন্নয়নের কাজ চলছে।


নির্বাচিত

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা সফিপুরে অবস্থিত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কারখানাটির হারবাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানান, আগুনের খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে আরো তিনটি ইউনিট যোগ দেয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুণ লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ২টি ইউনিট যুক্ত হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


নির্বাচিত

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকবে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পিরোজপুর প্রতিনিধি

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষায় ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ দেশের প্রতিটি প্রান্তে প্রহরীর মতো প্রস্তুত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) পিরোজপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ পিরোজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

‎‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম পিরোজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক গাজী কামরুজ্জামান শুভ্রর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান।

‎‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে সংগঠনকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে দেশব্যাপী এই সাংগঠনিক সফর পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের যেকোনো সংকটে মুক্তিযুদ্ধের সন্তানেরা রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধের সন্তানদের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজকে একত্রিত করে আগামী দিনে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।

বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ শহীদুল হক চান, পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. সালাম বাতেন এবং ‎পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুল আলম (পাশা)। ‎এছাড়াও সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম মুক্তাদির মুরাদ, খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক এইচ এম খলিলুর রহমান, বরিশাল মহানগরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমানুজ্জামান খান এবং বরিশাল জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভুট্টো।

‎সভায় বক্তারা জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বরিশালে অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে পিরোজপুরের প্রতিটি উপজেলায় শিগগিরই কর্মী সভা সম্পন্ন করে নতুন নেতৃত্ব ও প্রস্তাবিত কমিটি গঠন করা হবে। অনুষ্ঠানটিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী পরিবারের সদস্যরা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।


নির্বাচিত

banner close