বুধবার, ২০ মে ২০২৬
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রশিক্ষণার্থী কাগজে আছে, বাস্তবে নেই

রাজাপুর মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণকেন্দ্র। ছবি : দৈনিক বাংলা
হাসনাইন তালুকদার, ঝালকাঠি
প্রকাশিত
হাসনাইন তালুকদার, ঝালকাঠি
প্রকাশিত : ৫ নভেম্বর, ২০২২ ০৯:৫৯
  • রাজাপুর মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণকেন্দ্র

তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প-৪ এর আওতায় ঝালকাঠির রাজাপুরে জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণকেন্দ্রে চলছে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ। ভর্তি-নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি ব্যাচে পৃথক পাঁচটি ট্রেডে ৫০ জন করে মোট ২৫০ প্রশিক্ষণার্থী থাকার কথা এখানে। তাদের প্রত্যেকের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১২ হাজার টাকা। অভিযোগ উঠেছে, বরাদ্দের এই টাকা লোপাটের জন্যই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ভর্তি ফরম ও হাজিরা খাতায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে ২৫০ জনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

দৈনিক বাংলার অনুসন্ধানেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাগজে-কলমে প্রশিক্ষণার্থীদের ২৫০ জনের তালিকা পূরণের প্রমাণ মিলেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক প্রশিক্ষণার্থী দৈনিক বাংলার কাছে এমন তথ্যের সত্যতাও স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে নামে-বেনামে প্রশিক্ষণার্থী দেখিয়ে প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সামিরা আক্তার সরকারি বরাদ্দের টাকা হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ মিলেছে।

নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্পের আওতায় বর্তমান ব্যাচে চার মাস মেয়াদি বিউটিফিকেশন কোর্স, কেটারিং কোর্স, ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোর্স ও ফ্যাশন ডিজাইনার কোর্স ট্রেডে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ৪০ দিন মেয়াদি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ই-কমার্স কোর্সও রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই কেন্দ্রের যাবতীয় কাগজ ও হাজিরা খাতায় প্রতিটি ট্রেডেই ৫০ জন করে প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি দেখানো হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে ভুয়া নামগুলোর মাথাপিছু ১২ হাজার টাকা যাবে প্রশিক্ষণ কর্মকর্তার পেটে। ওই টাকার একটি অংশ সেখানকার ছয়জন প্রশিক্ষক ও নৈশপ্রহরীও পাবেন। এই কেন্দ্রে প্রশিক্ষণার্থীদের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে না দিয়ে নগদ দেয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় মহিলা সংস্থা ঝালকাঠির জেলা কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন হাওলাদার।

গত ২৮ অক্টোবর বেলা ১১টায় রাজাপুর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চারটি ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থীদের চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা চলছিল। এই কেন্দ্রে ছয়জন প্রশিক্ষক থাকার কথা থাকলেও ওই সময় মাত্র দুইজন প্রশিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এমনকি সেখানকার দায়িত্বরত প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সামিরা আক্তার নিজেও অনুপস্থিত ছিলেন। আর ভেতরে তিনটি কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন মাত্র ৪৬ জন নারী।

প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কেন উপস্থিত নেই- তা জানতে চাইলে সেখানে থাকা বিউটিফিকেশন ট্রেডের প্রশিক্ষক শাহানারা খাতুন বলেন, ‘ম্যাডাম ছুটিতে আছেন।’ তাৎক্ষণিক খোঁজ নিয়ে জানা গেল, দুই-তিন দিনে তার কোনো ছুটি মঞ্জুর করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খোঁজখবর করতে করতেই সেখানে উপস্থিত হন প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সামিরা আক্তার। পাঁচটি ট্রেডের জায়গায় চারটি ট্রেডে পরীক্ষা এবং সেই চারটি ট্রেডে ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর উপস্থিতির কথা থাকলেও পরীক্ষায় কেন ৪৬ জন উপস্থিত- জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই মাস ক্লাস চালানোর পর কেন্দ্রের নির্দেশে ৪০ দিন মেয়াদি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ই-কমার্স কোর্সটি বন্ধ আছে। তাই ভর্তি ও হাজিরা খাতায় তাদের ৫০ জনের নাম থাকলেও তারা উপস্থিত নেই। বাকি চারটি ট্রেডে ৫০ জন করে ২০০ জন ভর্তি থাকলেও কেন্দ্রের নির্দেশে বিকেলের ক্লাসও বন্ধ রয়েছে। সে কারণে বর্তমানে সকালে ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর ক্লাস চলমান রয়েছে। সেই ১০০ জন নারীর মধ্যে বিভিন্ন কারণে আজ পরীক্ষা দিতে আসতে পারেননি অনেকে।’

এদিকে প্রশিক্ষণার্থীদের হাজিরা খাতার কিছু অংশ সংগ্রহ করেছে দৈনিক বাংলা। তাতে দেখা যায়, প্রশিক্ষণার্থীদের উপস্থিতির ঘরে বল পেন দিয়ে সই করানো হয় এবং অনুপস্থিতের ঘরে কাঠ পেনসিল দিয়ে ক্রস চিহ্ন দেয়া হয়। কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, প্রশিক্ষণার্থীদের অনুপস্থিতির দিনগুলোতে ১৫০ টাকা করে কেটে রাখা হবে। অভিযোগ রয়েছে, কাঠ পেনসিলের ক্রস চিহ্ন রাবার দিয়ে মুছে সই বসিয়ে সে টাকাও তুলে নেয়া হবে। হাজিরা খাতায় কেন কাঠ পেনসিল দিয়ে ক্রস চিহ্ন দেয়া হলো- সামিরা আক্তার এ প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ করে থাকেন।

রাজাপুরের কেন্দ্রে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব নারীরাও পরীক্ষা দিচ্ছেন বিউটিফিকেশন ট্রেডে। তবে তাদের কাউকেই কিছু লিখতে দেখা যায়নি। অনুসন্ধানে জানা যায়, অনেক পরীক্ষার্থী জানেন না তারা কী পরীক্ষা দিতে এসেছেন। তাদের যা লিখতে বলা হয়, তারা কেবল সেটিই লিখে থাকেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই বা তিন হাজার টাকার বিনিময়ে গ্রামের অনেক গৃহিণীকে এনে পরীক্ষা দেয়ানো হয়। অথচ তাদের নামেও বরাদ্দ হবে ১২ হাজার টাকা।

পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি কক্ষে গিয়ে দেখা গেছে, ষাটোর্ধ্ব নারীরাও ফ্যাশন ডিজাইনার ট্রেডে পরীক্ষা দিতে এসেছেন। এক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কোন ট্রেডে পরীক্ষা দিয়েছেন? তিনি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থেকে কোনো উত্তর না দিতে পেরে কেন্দ্র থেকে চলে যান।

ষাটোর্ধ্ব নারীদের পরীক্ষায় উপস্থিত দেখা গেলেও প্রকল্পের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা সহকারী প্রোগ্রামার মো. সাদাত হোসেন জানান, সব ট্রেডে ভর্তিসংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পাস থাকতে হবে। তাদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্পের সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন) কাইয়ুম মিয়া মোবাইল ফোনে দৈনিক বাংলাকে বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আমাদের প্রকল্পের বাজেট মন্ত্রণালয় থেকে অর্ধেক করে দিয়েছে। তাই প্রকল্পে ব্যয় সংকোচন করতে সব প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিকেলের ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে। শুধু সকালের ক্লাসে ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেবেন। তবে রাজাপুর কেন্দ্রে সকালেও ১০০ জন কেন নেই, সে বিষয়ে সেখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হবে।


হামে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে এক দিনে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৭৫ জনে। এদিকে, উদ্বেগজনক হারে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় রোগীর জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলকসহ চিকিৎসায় পাঁচটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৯ জন। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে— তিনজন করে।

এতে বলা হয়, দেশে নতুন করে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৬৪ জন। মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৬ হাজার ৫৮৬ জন। এছাড়া নিশ্চিত হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৭৩ জন। মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯২৯ জনে। হামে আক্রান্ত সন্দেহে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪৩ হাজার ৯৮৩ জন। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ছাড়া পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৯০ রোগী।

এদিকে, হাম রোগীর জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলকসহ সরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসায় পাঁচটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড বা কেবিন চালু করতে হবে। আক্রান্ত রোগীদের ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করতে হবে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রাউন্ড দিতে হবে।

রোগীর সঙ্গে একজনের বেশি অভিভাবক বা দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভর্তি রোগীদের তথ্য প্রতিদিন এমআইএস সার্ভারে আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় আলাদা ওয়ার্ড চালু ও আইসোলেশন ব্যবস্থা জোরদার করা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে হাসপাতালভিত্তিক সংক্রমণ কমানো সহজ হবে।


সমাজের প্রতিটি স্তরের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দেশ ও সমাজের নানা স্তরের অসমতা দূর করতে অল পার্টি ককাস কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগণের অবদানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম, বাংলাদেশের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেছেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে তারা সমাজের পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য এর শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান অভীষ্ট বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহায়তা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্যে অধিকার নিশ্চিতে ককাসের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।


রাজধানীর পল্লবীতে শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সি শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পল্লবীর সেকশন-১১ নম্বর এলাকায় মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু রামিসা মিরপুরের পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সারে দশটার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজ করেও না পেয়ে ভবনে খোঁজাখুঁজি শুরু করতে থাকেন তার মা। ভবনের তৃতীয় তলায় রামিসাদের বাসার অপর পাশের ফ্ল্যাটের সামনে পাওয়া যায় রামিসার একটি স্যান্ডেল। এরপর পুরো ভবনে খোঁজাখুঁজি শেষে তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন রামিসার মা ও ভবনের অন্য বাসিন্দারা। কিছুতেই ভেতর থেকে দরজা খুলছিলেন না ফ্ল্যাটের কেউই। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সোহেল রানার রুমের খাটের নিচে পাওয়া যায় শিশু রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ। পরে শিশুটির খণ্ডিত মাথা পাওয়া যায় ভবনের বাথরুমে একটি বালতিতে। ফ্ল্যাটটিতে তখন হত্যায় সন্দেহভাজন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না বেগম ছিলেন। রুমে প্রবেশ করে দেখা যায় পেশায় রিকশা মেকানিক সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পল্লবী থানার পুলিশ এবং মিরপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।


কেরানীগঞ্জে কারারক্ষী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। প্রায় দুই ঘণ্টার অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও কর্মজীবী মানুষ। এ সময় কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় কারাগারের নিয়োগ পরীক্ষায় বাদ পড়া কয়েকশ প্রার্থী কারাগারের মূল ফটকের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, কারারক্ষী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও তদবির বাণিজ্য হয়েছে। মেধার ভিত্তিতে নয়, প্রভাবশালীদের সুপারিশে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা। নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধ চলাকালে উত্তেজিত কয়েকজন আন্দোলনকারী সড়কে থাকা কিছু যানবাহনে ভাঙচুর চালান। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নিলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, নিয়োগ বাছাই প্রক্রিয়ায় বাদপড়া প্রার্থীদের মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। তবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চার ধাপে বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এতে ৪৫০ জন পুরুষ ও ২২ জন নারী প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। শারীরিক পরীক্ষার মধ্যে থাকবে উচ্চতা ও অন্যান্য শারীরিক মাপজোক, দৌড়, পুরুষদের জন্য হাই-জাম্প ও পুশ-আপ, নারীদের জন্য লং জাম্প ও সিট-আপ এবং সবার জন্য রোপ ক্লাইম্বিং পরীক্ষা। এসব ধাপে উত্তীর্ণদের পরবর্তী ধাপে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হবে।


হাটের সীমানার বাইরে কোনো পশু রাখা যাবে না: ডিএমপি কমিশনার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যানজট মুক্ত রাস্তা নিশ্চিত করতে হাটের সীমানার বাইরে কোনো পশু রাখা যাবে না। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হাটের বাইরে বা রাস্তায় পশুবাহী কোনো যানবাহন নিয়ে টানাটানি বা জোরজবরদস্তি করলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিপণন ও কাঁচা চামড়া বহনকারী যানবাহনের নিরাপত্তাসহ ঢাকা মহানগর এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিশেষ সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেছেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাল টাকা শনাক্তকরণের মেশিন ডিএমপির পক্ষ থেকে পশুর হাটে থাকবে। ঈদের এ সময়ে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার জন্য দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

সমন্বয় সভায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধিরা, বাংলাদশ ব্যাংক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ডিপিডিসি, ডেসকো, ঢাকা জেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থা, লবণ ব্যবসায়ী সমিতি, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পশুর হাটের ইজারাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেছেন।


বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাচ্চু মল্লিক, বাগেরহাট প্রতিনিধি 

বাগেরহাটে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপারের সাথে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয় এর কনফারেন্স রুমে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বাগেরহাটের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনু, সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসাইন লিটন, সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ ইয়ামিন আলী,সাবেক সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তরফদার রবিউল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এসএম সামছুর রহমান,অর্থ সম্পাদক এসএম আমিরুল হক বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আকিন্জি, নির্বাহী সদস্য মোল্লা মাসুদুল হক, মোল্লা আঃ রব, সৈয়দ শওকত হোসেন ও সিনিয়র সদস্য শওকত আলী বাবু।

‎মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এসএম রাজ, সাবেক সভাপতি বাবুল সরদার, নির্বাহী সদস্য সোহেল রানা বাবু,নির্বাহী সদস্য এস এস সোহান, সিনিয়র সদস্য নকীব সিরাজুল ইসলাম,সিনিয়র সদস্য খন্দকার আকমল উদ্দীন সাখী, সিনিয়র সদস্য অলীপ ঘটক,আল আমিন খান সুমন নেয়ামুল হাদী রানা সহ বাগেরহাট জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন।

‎সভায় পুলিশ সুপার বাগেরহাটকে সন্ত্রাস, সাইবার সন্ত্রাস,মাদক,দখল, ইভটিজিং মুক্ত করতে জিরো টলারেন্স এর ঘোষনা দেন এবং সাংবাদিকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা কামনা করেন।

‎পরে তিনি বাগেরহাট প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেন।


নাটোরে অস্ত্রসহ ২৪ মামলার আসামীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের লালপুরে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ ২৪ মামলার আসামী সোনামনিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। সোমবার (১৮ মে) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পালিদেহা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম টেংরী এলাকার যুবদলের সদস্য মাহমুদ হাসান ওরফে সোনামনি (৪০), একই এলাকার কাজল (৪০) রাজশাহীর বাঘার সামাদ মোল্লা, নাটোরের লালপুর উপজেলার গৌরিপুরের মোঃ মনিরুজ্জামান (৩৯)।

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যে ভিত্তিতে লালপুর উপজেলার পালিদেহা এলাকায় লালপুর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। এসময় একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার থেকে চারজনকে আটক করা হয়।

পরে তল্লাশী চালিয়ে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্রসহ এসেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, গেঢতারকৃত সোনামনির বিরুদ্ধে আদালতে বিচারাধীন ২৪টি মামলা রয়েছে। যার মধে অন্যতম্য কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার ট্রিপল মার্ডার মামলা এবং লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের উপর গুলির ঘটনায় মামলা।


নাটোরের বড়াইগ্রামে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ণকলস গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ১১ বছর বয়সী আরাফাত রহমান একই গ্রামের মিন্টুর ছেলে ও ১০ বছর বয়সী নূর মোহাম্মদ আলীএকই গ্রামের রাজুর ছেলে। তারা স্থানীয় পূর্ণকলস প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ ও তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে আরাফাত রহমান ও মোহাম্মদ আলী বাড়ীর পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও তারা বাড়ী ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজ শুরু করে। পুকুরের পাশে তাদের পরিহিত পোষাক দেখতে পেয়ে স্বজনদের সন্দেহ হয়। পরে পুকুরে তল্লাশী চালিয়ে তাদেরকে অচেতন অভস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করে।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনগত প্রক্রিয়াশেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


বোনকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ভাইকে মারধর, সংঘর্ষে সাবেক সেনাসদস্যসহ আহত ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বড় বোনকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছে ছোট ভাই। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ দুইজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মিয়া বাড়ির সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, গজারিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারেক বেপারীর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিন (৬৫) এবং একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে তালহা (১৬)। আহতদের মধ্যে তালহাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে নাসির উদ্দিন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সাইফুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিনের ছেলে জেমস। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেমস মাদকাসক্ত এবং তার মাদক সেবনের একাধিক ছবিও রয়েছে। এই বিষয়ে জেমসের মা জামিলা মেম্বার ও বাবা নাসির উদ্দিনের কাছে একাধিকবার বিচার চেয়েও কোনো সুরাহা পায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় মিয়া বাড়ির সামনের রাস্তায় জেমসের বাবা নাসির উদ্দিনের সামনে পড়ে ভুক্তভোগী তরুণীর ছোট ভাই তালহা। সেখানে সে পুনরায় জেমসের আচরণের প্রতিবাদ ও কৈফিয়ত চাইলে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তালহাকে বেদম মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়। এদিকে মারধরে তালহা মারা গেছে এলাকায় এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন নাসির উদ্দিনের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তালহার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

আহত তালহা জানায়, "দীর্ঘদিন ধরে জেমস আমার বড় বোনকে বিরক্ত আসছিল। বিচার দিয়েও লাভ হয়নি। সোমবার জেমসের বাবার কাছে এর প্রতিকার চাইলে তিনি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর শুরু করেন। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে নাসির উদ্দিনকে গণপিটুনি দেয়।"

এদিকে প্রতিপক্ষের আহত নাসির উদ্দিনের দাবি ভিন্ন। হাসপাতাল শয্যায় তিনি অভিযোগ করেন, "এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় প্রভাবশালী সোহেল মিয়া, মনির ও মিলনের সঙ্গে আমার বিরোধ তৈরি হয়। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে বসে থাকার সময় তারা ২০-২২ জনের একটি সশস্ত্র দল নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাকে বাঁচাতে এসে ছেলে জেমসও মারধরের শিকার হয়।"

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আবেদ আহমেদ জানান, আহত দুজনের মধ্যে নাসির উদ্দিনের মাথা ও গালে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তাঁর মাথার দুই জায়গায় ও গালে সেলাই দেওয়া হয়েছে। তাঁকে এই হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। অপরদিকে তালহার হাতে এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে বারবার বমিও করছিল, তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসান আলী জানান, "খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


কালীগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ থানার মামলা নং-২১, তারিখ ১৯ মে ২০২৬ ইং অনুযায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার বাদী এসআই (নিঃ) মিজানুর রহমান।

গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন, মোঃ জসিম উদ্দিন (৩০)। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার ধনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ আব্দুল রশিদ ও মাতার নাম জোসনা বেগম।

পুলিশ জানায়, কালীগঞ্জ থানাধীন মোক্তারপুর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে ২নং সাক্ষী মোঃ তাজুল ইসলাম (২৭) এর ডিজেল ও পেট্রোল তেল বিক্রির দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে মোট ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ১ দশমিক ৪ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ হাজার ২০০ টাকা।

এ ঘটনায় এসআই (নিঃ) এমদাদুল হককে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।


আমতলীতে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে । মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পশ্চিম চিলা গ্রামের মুকুন্দ বাইনের ধানক্ষেতে প্রায় ৫৫ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা আমতলী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয়দের দাবি, মৃত নারীকে এলাকার কেউ চিনতে পারেননি। তিনি কীভাবে ওই এলাকায় এলেন কিংবা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মৃত নারীর শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমতলী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বলেন, ওই নারীকে এলাকার কেউ শনাক্ত করতে পারেননি। তিনি কোথা থেকে এসেছেন, সেটিও জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

এ বিষয়ে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ, সহকারী রেজিস্ট্রার বরখাস্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের ফান্ড থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হানকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফায়েকুজ্জামানের ভাগ্নে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এসএম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাময়িক অব্যাহতির আদেশে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

জানা গেছে, ইউসূফ রায়হান ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ইএমবিএ প্রোগ্রামের আর্থিক কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ডিসিপ্লিন প্রধান ও কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে তিনি ব্যাংক থেকে ইএমবিএ প্রোগ্রামের টাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সেমিস্টার ও পরীক্ষার ফির অর্থও ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গত সোমবার (১১ মে), যখন ইএমবিএ শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখতে পান, তাদের জমা দেওয়া ফি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে প্রদর্শিত হচ্ছে না। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, কয়েকটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অর্থ ব্যাংকে জমা হয়নি।

প্রসঙ্গত, ইউসূফ রায়হান ২০১৭ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান। তার নিয়োগের সময়ও স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।


ফুলবাড়িয়া খাদ্য গুদামে বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে ফুলবাড়িয়া মাছ বাজার সংলগ্ন খাদ্য গুদামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ধান-চাল সংগ্রহ মনিটরিং কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম সোহাগ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিলন এমপি বলেছেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছে। কোন কৃষক যেনো হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারেও অনুরোধ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ শাহনাজ পারভীন,খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ ছাইদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ ,উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো: আবু রায়হান,আলম এশিয়া প্রাঃ লিঃ এর চেয়ারম্যান এস এম শাহজাহান,ব্যবসায়ি আবুল কালাম সরকার, বুলবুল প্রমুখ।

ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ জানান, এবার বোরো মৌসুমে ফুলবাড়িয়া খাদ্যগুদামে

৩ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল এবং ২ হাজার ৯০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হবে। এই সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী একযোগে চলবে।


banner close