রোববার, ৩১ মে ২০২৬
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ত্রাণ পাচ্ছে না কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৩১ জুলাই, ২০২৪ ০০:১০
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ৩১ জুলাই, ২০২৪ ০০:১০

কুড়িগ্রামে বন্যা ও বন্যা পরবর্তী সময়ে ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো পাচ্ছে না কোনো সরকারি সহায়তা। প্রশাসন থেকে কোনো বরাদ্দ না থাকায় এসব অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারছে না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

চলতি বছর জেলার উলিপুর উপজেলার হকের চরে ৪৫৮টি পরিবার এবং ফুলবাড়ী উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার ভাঙনের শিকার হয়েছে।

ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গোড়কমণ্ডপে চলতি বন্যায় ৩০টি এবং বড়ভিটা ইউনিয়নের মেকলীতে ২২টিসহ মোট ৫০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। চর গোড়কমণ্ডপে এখনো ভাঙনের কবলে রয়েছে ৭টি পরিবার। সরকারিভাবে ভাঙন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হতাশ এ এলাকার মানুষ।

নদীর তীরে অবস্থিত এ এলাকার মৃত ছামাদ মিয়ার স্ত্রী আছিয়া বেওয়া (৫২) আক্ষেপ করে বলেন, ‘সবাই চইলা গ্যাছে। একরাতে ৭ বাড়ি লইয়া গেছে। আমরা নদীর কাচারে পইরা আছি। কোন জায়গায় যাব যাওয়ার কোনো স্থান নাই। সরকার যদি কোনো ব্যবস্থা না করে আমাগো নদীত ডুববাই মরতে হইব।’

এ গ্রামের মৃত সমশের আলীর ছেলে কৃষক আয়েজ উদ্দিন (৪৫) বলেন, ‘ভাঙনে অনেক জমিজমা লইয়া গেছে। ইতোমধ্যে ১৫-২০টা বাড়ি সরাইছে। সরকার যদি বাঁধ না দেয় তাহলে পাশেই ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি মুজিব কেল্লাও ভাইঙ্গা যাইব।’

একই এলাকার কবেজ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, ‘হঠাৎ করেই তীব্র ভাঙনে লোকজন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আমার চোখের সামনে আয়নাল, আমির হোসেন, আফান উদ্দিন, ফয়জাল, বসির, আবু তাহের ও আয়শার বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেল। এরা গরিব মানুষ। সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা দেওয়া হয় নাই। আমরা এখন সরকারি সহায়তার পাশাপাশি এখানে বাঁধ চাই।’

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেল- ভাঙনকবলিতদের দুর্দশা। তাদের অসহায়ত্বের সময় এগিয়ে আসছে না কেউই। অসহায়রা বিভিন্ন মানুষের জমিতে বাড়ি ফেলে রেখেছেন। কোথায় যাবেন, এখনো ঠিক করতে পারছেন না। অন্যদিকে যারা বাড়ি সরিয়েছেন, তাদের ঋণ করে নতুনভাবে জায়গা কিনে তৈরি করতে হয়েছে মাথা গোজার ঠাঁই।

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহনুমা তারান্নুম জানান, ‘গত এক বছর ধরে কোনো বরাদ্দ পাইনি। ফলে ভাঙনকবলিতদের জন্য কিছুই করার নেই। আমরা শুধু চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে শুকনো খাবার ও ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছি।’ ভাঙনকবলিতরা সেই ত্রাণ পেয়েছে কি না সে সম্পর্কে তার কাছে কোনো তথ্য নেই বলে তিনি জানান।

জেলা ত্রাণ ও পুনবার্সন কর্মকর্তা আব্দুল হাই বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে আবেদন পেলে আমরা এক থেকে দুই বান্ডেল করে ঢেউ টিন সরবরাহ করে থাকি। বর্তমানে আমাদের কাছে কোনো বরাদ্দ নেই। আগস্টে বরাদ্দ পেলে সহযোগিতা করা যাবে।’


মানিকগঞ্জে পৃথক ঘটনায় মা-ছেলেসহ ডাকাত সর্দারকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

পারিবারিক কলহ ও পূর্বশত্রুতার জেরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় মা-ছেলেসহ ডাকাত সর্দারকে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চল বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারিপাড়া এবং মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চল বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারিপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের স্ত্রী আমিনা বেগম (৩০) ও তার দেড় বছরের শিশু পুত্র আসলাম হোসেন এবং মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল কৃষ্ণনগর এলাকায় মুনছের আলীর ছেলে সজিব হোসেন (২৮)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘরে ঢুকে আব্দুস সালামের স্ত্রী আমিনা বেগম ও দেড় বছরের শিশু পুত্র আসলামকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র কুপিয়ে হত্যা করে আব্দুস সালামের ছোট ভাই ইউসুফ আলী। এরপর রাতে ১০টার দিকে আব্দুস সালাম বাড়িতে পৌছানো মাত্রই ছোট ভাই ইউসুফ আলী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুস সালামকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুঁটে যান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও থানা পুলিশ।

অপরদিকে পূর্ব বিরোধের জেরে শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর এলাকায় নিজ বাড়িতে ঘরের ভিতরে সজিব হোসেন (২৮) নামের ডাকাতি ও মাদক মামলার আসামী কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও একটি ডাকাত দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি নিহত সজিব হোসেনের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াবিল এলাকার কৃষক চাঁন মিয়ার বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে ৪জন ডাকাত সদস্য জনতার হাতে আটক হয়। ওই ঘটনা ও মামলার পর আত্মোগোপনে চলে যায় সজিব হোসেন।

দৌলতপুর থানার ওসি স্বপন কুমার সরকার বলেন, খবর পেয়ে রাতেই নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আটকে পুলিশ কাজ করছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যহৃত ধারালো অস্ত্রসহ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো.ইকরাম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে নিহতদের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।


বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, ৫ দিন পর পদ্মায় মিলল মেহেদির মরদেহ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর মো. মেহেদি হাসান (৩১) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার গাওগোয়াইন গ্রামের মো. ফয়েজ উদ্দিন মালিথার ছেলে। শনিবার (৩০ মে) বিকেল ৩টার দিকে মাওয়া পুরাতন ফেরিঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে মাওয়া নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় মরদেহটিতে পচন ধরেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেদি হাসান ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে গত ২৫ মে তিনি রাজধানী থেকে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। ওই দিন রাতে পরিবারের সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ কথা হয়। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন যে, তিনি আরিচা ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থান করছেন। এরপর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর তাঁর মরদেহটি মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস জানান, নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ আরও জানায়, উদ্ধারকৃত মরদেহে প্রাথমিকভাবে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে শরীরে পচন ধরায় অন্য কোনো চিহ্ন থাকলেও তা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মরদেহটি বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এটি কোনো দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো রহস্যজনক ঘটনা, তা খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে নৌ পুলিশ। প্রতিবেদন সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি যাওয়ার পথে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে মেহেদি হাসানের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র ছেলের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বিদায়ে স্বজনদের মাঝে আহাজারি চলছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


পারিবারিক কলহের জেরে দেবরের হাতে ভাবি, ভাতিজা খুন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জালাল উদ্দিন ভিকু, দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী বাঁচামারা কাঁচারিপাড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে পাষণ্ড দেবর ইউসুফ আলী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রী আমেনা আক্তার (৩০) ও শিশু ভাতিজা আসলাম (২) কে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় বড় ভাই কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম দৌলতপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই নির্মম ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘাতক ইউসুফ আলী পলাতক রয়েছেন।

গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারি পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাঁচামারা কাচারীপাড়া গ্রামের সুলতান মোল্লার ছেলে ইউসুফ আলী (৪০)বেকার জীবন যাপন করছে বড় ভাই বাঁচামারা বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম তাকে হাত খরচ বাবদ টাকা পয়সা দিয়ে চালাতেন। ইউসুফ আলী বিয়ে করার পর ৪-৫ বছর যাবত ঢাকায় থাকেন। ঈদের মধ্যে ইউসুফ আলী বাড়িতে আসে আসার পর থেকেই বড় ভাই সালামের সাথে আবার পারিবারিক কলহ শুরু হয়।

প্রতিদিনের মতো আব্দুস সালাম দুপুরের খানা খেয়ে বাচামারা বাজারে তার কাপড়ের দোকানে চলে যায়। দোকান থেকে আসতে রাত হওয়ায় এই সুযোগে পাষণ্ড ইউসুফ আলী হাতুড়ি দিয়ে ভাবি আমেনা আক্তার ও ভাতিজা আসলাম কে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। বড় ভাই সালাম দোকান বন্ধ করে বাড়িতে এসে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে ডাকাডাকি করার সময় ওত পেতে থাকা ঘাতক ইউসুফ আলী হাতুড়ি দিয়ে বড় ভাই সালামের উপর আক্রমণ করে।

এসময় সালামের চিৎকার কান্নাকাটি শব্দে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দুই জনের মৃতদেহ ঘরের খাটে উপর পড়ে থাকতে দেখতে পায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সালাম কে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরে দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি স্বপন কুমার সরকার জানান, হত্যার ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করি। লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক ইউসুফ আলী কে গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।


কাল থেকে সুন্দরবনে প্রবেশাধিকার বন্ধ, বাড়ছে জীবিকার শঙ্কা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

জলজ প্রাণী, মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুমকে নিরাপদ রাখতে আগামীকাল ১ জুন থেকে টানা তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশাধিকার বন্ধ হচ্ছে। এ সময় মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ, পর্যটনসহ সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। বনবিভাগের এ সিদ্ধান্তে সুন্দরবননির্ভর হাজারো জেলে, মৌয়াল ও বনজীবীর মধ্যে জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এরই মধ্যে নতুন পাস বা অনুমতিপত্র প্রদান বন্ধ করা হয়েছে এবং বন এলাকায় অবস্থানরতদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বননির্ভর মানুষজন জানান, তিন মাস বন বন্ধ থাকায় তাদের আয়-রোজগারের প্রধান উৎস বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক পরিবারকে ঋণ করে সংসার চালাতে হয়। তারা নিষেধাজ্ঞার সময়ে খাদ্য সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বন ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন ও সংরক্ষণের স্বার্থে এ নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে কাউকে সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

বনবিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার একটি প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।


৩ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর রোববার (৩১ মে) নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলে প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। এসব এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, "নোয়াখালী, চট্টগ্রাম কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।"

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে নম্বর সতর্ক সংকেত অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সারা দেশের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যার মধ্যে চট্টগ্রাম সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগগুলোর দুই-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের বাকি অংশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম থাকলেও চট্টগ্রাম সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তা রয়েছে। এই সময়ে সারা দেশে দিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


সিংগাইরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে শনিবার (৩০ মে) দুপুরে পৌর শহরের দেওয়ান কমপ্লেক্স এই আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা গ্রুপের নেতাকর্মীরা।
দিনটি উপলক্ষে বাদ জোহর কোরআন খানির আয়োজন করা হয়। কোরআন খানি শেষে তালেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহাবুবুর রহমান মিঠু।
পরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা নাজমুল হক। দোয়ায় বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রয়াত শহীদ জিয়াউর রহমান, সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া, ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনাসহ দেশ ও জাতীর কল্যাণে দোয়া করা হয়।
এসময় জেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি মো: মহসিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আওলাদ হোসেন (এজিএস), আওলাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাজেদুল আলম স্বাধীন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইস্তাফুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আওয়াল শরীফ খোকন, প্রচার সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সায়েদ আলী, জিন্নত আলী, যুগ্ম-সম্পাদক রিপন উদ্দিন, যুগ্ম-সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, ইমরান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান আকুল,
উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র সভাপতি বিপ্লব দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, পৌর কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাবুল হক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল হোসেন, জাকির হোসেন বেলায়েত, জামশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হক, ধল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, জামির্তা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সায়েস্তা ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক শরীফ হোসেন মৃধা, বায়রা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দেওয়ান সোহেল, যুগ্ম-সম্পাদক মোশারফ হোসেন, তালেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারা মিয়া, বলধারা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ লিয়াকত আলী, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সাইদুর রহমান সাগর, থানা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাকিল, পৌর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক রাসেল ও কলেজ ছাত্রদল নেতা শাহিলসহ উপজেলা, পৌর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি, কৃষকদল, যুবদল, স্বেচ্চাসেবকদল এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


দুর্নীতি করব না, কাউকে করতে দেব না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী 

আপডেটেড ৩০ মে, ২০২৬ ২৩:১০
বাসাইল(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা, আপনারা কোন দল করেন আমি জানতে চাই না। কিন্তু আপনাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেন জনগণের উপকারে আসে। আপনাদের পকেট যেন ভারি না হয়। তাহলে কিন্তু জেলে যেতে হবে, পরিষ্কার বলে দিচ্ছি। আপনারা যেন উন্নয়নের নামে লুটপাটে ব্যস্ত না হয়ে যান। ওই দিন শেষ হয়ে গেছে। এটা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দল। আমাদের নেতা তারেক রহমানের দলে এখানে লুটপাটের কোনো সুযোগ নেই, দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। দুর্নীতি করব না, দুর্নীতি কাউকে করতে দেব না। পরিষ্কার কথা বলতে চাই।’

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের বাসাইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘অল্প কিছুদিনের মধ্যেই স্থানীয় নির্বাচন আসবে। পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন। আমি আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আর সিলমারার নির্বাচন হবে না। সংসদ নির্বাচনে সেটা প্রমাণ হয়েছে। আমাকে কি সিল মেরে এমপি বানিয়েছেন? না ভোটে? আমাকে ভোটে বানিয়েছেন। অতএব, স্থানীয় সরকার নির্বাচনও ভোটে হবে। কোনো সিল হবে না। তাই আপনাদের বলব, ভালো লোকদের নির্বাচিত করবেন। কোনো রকমের হুমকি-ধামকির নির্বাচন হবে না। আপনারা ভালো মানুষকে প্রত্যেকটি জায়গায় নির্বাচিত করবেন।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে সাড়ে তিন বছরের মাথায় স্বনির্ভর বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে দাঁড় করিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে এমন সমৃদ্ধ করেছিলেন যে বাংলাদেশ থেকে চাল রপ্তানি শুরু হয়েছিল। তিনি বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে এমন সম্মানিত জাতি ও রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন যে, তাকে চীন বীরোচিত সম্মান দিয়ে চীনে নিয়ে গিয়েছিল। চীন থেকে তিনি একা ফিরে আসেননি, স্বীকৃতি নিয়ে ফিরে এসেছিলেন।’

মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন দুর্ভিক্ষপীড়িত ছিল, মানুষ এবং কুকুর একসঙ্গে যখন খাবার খেত, মানুষ মারা গেলে কলাপাতা দিয়ে দাফন করা হতো, কাফনের কাপড় পাওয়া যেত না, সেই দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার জন্য তিনি কোরিয়াতে লোক পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের ইরির আবাদ এনেছিলেন। এক বিঘা (৫৬ শতাংশ) জমিতে, প্রতি শতাংশ জমিতে এক মণ ধান উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করেছিলেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সরকার আজ দেশের শাসক নয়, দেশের সেবক হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। দেশের সেবক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিদ্যুতের চরম সংকটের সময় প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তরে এসি চালাননি, এসি চালাতে দেননি। আমাদের দপ্তরেও এসি চালাইনি, এসি চালাতে দেননি।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু, সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন, বাসাইল পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


ফেনীতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান'র শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আবু তাহের ভূঁইয়া, ফেনী প্রতিনিধি

সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফেনী জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শনিবার (৩০ মে) বিকেল ৫টায় ফেনী শহরের ট্রাংক রোডস্থ ফেনী বড় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সূচনা করা হয়। পরে শহীদ জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক অবদান নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জিয়াউর রহমান এর জীবন নিয়ে আলোচনা করেন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি, ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক, আনোয়ার পাটোয়ারী, ইয়াকুব নবী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, পৌর বিএনপির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, সদস্য সচিব এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূইয়া, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুলসহ বিএনপি ও এর অংগসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।


গজারিয়ায় লাশবাহী গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি এলাকায় লাশবাহী গাড়ির ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

​শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভিটিকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চট্টগ্রামগামী লেনে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

​নিহতের নাম আশরাফুল আলম ইমন (২৫)। তিনি ঢাকার মুগদা এলাকার শামসুল হক ভূঁইয়ার ছেলে। তাদের পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার রসুলপুর গ্রামে হলেও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে পরিবার নিয়ে তারা মুগদা এলাকায় থাকতেন।

​ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভিটিকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকা দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামগামী লেনে একটি লাশবাহী গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই ইমন মারা যান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​ভবেরচর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. শাহ কামাল আকন্দ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'আমরা ঘাতক গাড়িটিকে আটক করেছি তবে চালক কৌশলে পালিয়ে গেছে। নিহতের মরদেহ বর্তমানে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


রাজস্ব তহবিল থেকে আসিফ মাহমুদ ও হাসনাতের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া। একইসঙ্গে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন মোস্তাক মিয়া। তিনি বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মোস্তাক মিয়া বলেন, “আমার জেলা পরিষদ থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। এটি আমাদের নিজস্ব রাজস্বের অর্থ।” একই বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “হাসনাত আবদুল্লাহও ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “তারা বৈষম্যবিরোধী ও সমন্বয়ের রাজনীতির কথা বললেও বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ডে সেই সমন্বয়ের প্রতিফলন দেখা যায়নি।”

সরকারের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মোস্তাক মিয়া বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বর্তমানে দেশ পরিচালনা করছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করতে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।


কেরানীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি

সারা দেশের ন্যায় ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির কার্যালয়সহ উপজেলার সকল স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। দুপুর দেড় টায় শিকারিটোলাস্থ বিএনপির কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে মডেল থানা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।

এছাড়া উপজেলার হযরতপুর, রোহিতপুর, কলাতিয়া, বাস্তাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিটে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও দুস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান।

এসময় কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নানী ও দুই নাতির লাশ উদ্ধার, পুলিশ বলছে পরিকল্পিত হত্যা

আপডেটেড ৩০ মে, ২০২৬ ২২:৪৬
সৈকত মোঃ সোহাগ, খুলনা ব্যুরো 
খুলনায় ভাড়াবা‌ড়ি থে‌কে নানীসহ দুই না‌তির মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। আজ শ‌নিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে সোনডাঙ্গা থানার দারুল আমান মস‌জিদ রোড বিলপাড় রো‌ডের বা‌সিন্দা শরীফুল ইলা‌মের বা‌ড়ি থে‌কে তিন‌টি মর‌দেহ উদ্ধার করা হয়।
সন্ধ‌্যায়‌ নিহত শিশু দুইটির মা মেরী বেগমকে জিজ্ঞাসাবা‌দের জন‌্য হেফাজ‌তে নেয় পু‌লিশ। সংবাদ পে‌য়ে ঘটনাস্থ‌লে পু‌লি‌শের পাশাপা‌শি র‌্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল প‌রিদর্শন ক‌রে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এই তিন হত্যাকে পারিবারিক কলহ ও পরিকল্পিত হত্যা হিসেবে দেখছে।
নিহতরা হ‌লেন, বেবী বেগম(৬৫), তার দুই না‌তি মোস্তাকীম(৭) ও শাশীম (১২)। নিহ‌ত‌দেন ম‌ধ্যে নানী‌কে জবাই ও দুই নানী‌তে শ্বাস‌রোধ ক‌রে হত‌্যা করা হয়।
পু‌লিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বেবী বেগম‌কে খুজ‌তে ঘটনাস্থ‌লে আসেন তার এক নিকট আত্মীয় । এসময়ে ঘর থে‌কে দুগন্ধ বের হ‌তে থাক‌লে জাতীয় জরু‌রি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দেয়।
এর আগে স্থ‌নিীয়রা ঘরের দরজা ভে‌ঙ্গে চৌ‌কির নীচ‌ থে‌কে নানী বেগম ও ট্রং‌কের ওপর থে‌কে শামী‌মের মর‌দেহ দেখ‌তে পান। প‌রে পু‌লিশ ছোট ছে‌লে মুস্তা‌কি‌মের লাশ খুজ‌তে থা‌কে। প‌রে সিআইডর টিম এমে ওয়ারড্রব থে‌কে মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রে।
লাশ উদ্ধা‌রের সময় সন্ত‌ন দুইটির মা মেরী‌কে হেফাজ‌তে নেয় পু‌লিশ। তা‌কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হ‌চ্ছে।
স্থানীয়রা আরও জানায়, মেরী বেগ‌মের সা‌থে আগের স্বামী মাসু‌মের সা‌থে গত ৪ বছর আগে বি‌চ্ছেদ হয়। সম্প্রতিক সম‌য়ে র‌ফিক না‌মে এক ব‌্যক্তির সা‌থে তার বি‌য়ে হয়। এর পর তারা দারুল আমান মস‌জিদ রোড বিলপাড় রো‌ডের বা‌সিন্দা শরীফুল ইলা‌মের বা‌ড়ি দুইটি কক্ষ ভাড়া নি‌য়ে বসবাস করতে থা‌কে
সোনাডাঙ্গা থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম তিনজনের লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এঘটনায় নিহত শামীম ও মুস্তাকিমের মা ফাতেমা বেগম ওরফে মেরীকে (৩৫) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপপুলিশ কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক জানান, চার বছর আগে নগরীর লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার কাশেম বেপারীর ছেলে মাসুম বেপারীর সঙ্গে তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমের ছাড়াছাড়ি (ডিভোর্স) হয়। এরপর ফাতেমা রফিকুল ইসলাম নামে আরেকজনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে সে আগের পক্ষের সন্তান শামীম ও মুস্তাকিম এবং মা বেবী বেগমকে নিয়ে বর্তমান স্বামী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বসবাস করতেন।
এ নিয়ে প্রায়ই সময় ফাতেমার সঙ্গে তার বর্তমান স্বামী রফিকুলের ঝগড়া-ফ্যাসাদ লেগেই থাকতো। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা এর জের ধরেই ওই তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত তিনজনের মধ্যে শামীম ও মুস্তাকিমকে শ্বাসরোধে এবং বেবী বেগমকে ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত করে করে হত্যা করা হয়েছে।
বেবী বেবী বেগমের মুখে ও মাথায় ধারলো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে ফাতেমা বেগম সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ঘাতক রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।


একটি দল স্বাধীনতার জন্য তেমন কিছুই করেনি, আরেকটি দল সরাসরি বিরোধিতা করেছে: আবদুল আউয়াল মিন্টু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আবু তাহের ভূঁইয়া, ফেনী প্রতিনিধি

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, আমরা যারা আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুগামী- অনুসারী। আমাদের দায়িত্ব অন্য যে কোন দলের লোকের চাইতে বেশী। একটা দল স্বাধীনতা স্বাধীনতা করতেছে, কিন্তু স্বাধীনতার জন্য তেমন কিছুই করেনি। স্বাধীনতার ঘোষণাও দেয়নি। আরেকটা দল সরাসরি স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। অতএব বাংলাদেশে কোন দল যদি উন্নয়ন করতে পারে, তারাই পারবে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে, ঘোষণা দিয়েছে। যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করেনি। তাই দেশের উন্নয়নে আমাদেরকেই সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে।

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু শনিবার (৩০ মে) দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেছেন।

দাগনভূঞা আতাতুর্ক মিজান মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার, যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিব উল্লাহ মানিক ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা যুবদলের নেতা নাসির উদ্দীন খোন্দকার সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

সভা পরিচালনা করেন পৌর বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির বাবু। সভা শেষে প্রায় ৫ হাজার গরীব-দুঃস্থ লোকের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।


banner close