রোববার, ২ আগস্ট ২০২৬
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

শেরপুরে পিকআপ ভ্যানের চাপায় নারী নিহত

ছবি: দৈনিক বাংলা
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১ আগস্ট, ২০২৪ ১৬:০১

শেরপুরের নকলায় পিকআপ ভ্যানের চাপায় শাপলা বেগম (২৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।আজ বৃস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শেরপুর-ঢাকা মহাসড়কের গনপদ্দি ইউনিয়নের পূর্ব চিথলিয়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

নিহত মোছা. শাপলা বেগম নকলা উপজেলার গনপদ্দি ইউনিয়নের পূর্ব চিথলিয়া এলাকার মো. আলম মিয়ার স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নকলা উপজেলার গনপদ্দি ইউনিয়নের পূর্ব চিথলিয়া এলাকায় শেরপুর-ঢাকা মহাসড়কে দ্রুতগামী একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারায়। আর মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শাপলা বেগম, তার ৩ বছরের শিশু সন্তান তাওহিদ, ৬৫ বছরের বৃদ্ধ সমেজ মিয়াকে পিকআপ ভ্যানটি চাপা দিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।

এসময় ঘটনাস্থলেই মারা যায় শাপলা। স্থানীয়রা আহত শিশু ও বৃদ্ধকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি এবং পিকআপ ভ্যানটি আটক করেছি। তবে পিকআপ ভ্যানের চালক পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন লিজের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রতিমন্ত্রী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় (লিজের মাধ্যমে) পরিচালনার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে এসেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। সফরের অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজার রেলপথের বিভিন্ন স্টেশন ঘুরে দেখছেন এবং যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত সুবিধা মূল্যায়ন করছেন।

গত শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়ায় তমা কনস্ট্রাকশনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা হলে এর কার্যকারিতা, যাত্রীসেবার মান এবং আর্থিক সম্ভাবনা কেমন হবে, সেটিই মূলত যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘রেলপথ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমির অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে রেলপথ-সংলগ্ন এলাকায় সবুজায়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, দোহাজারী-কক্সবাজার ১০২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণকালে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ অপসারণ করা হয়েছিল। এর পরিবর্তে যেসব গাছ রোপণ করা হয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে। একই সঙ্গে নতুন করে কোথায় বৃক্ষরোপণ করা যায়, তাও নির্ধারণ করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “চকরিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ নামে আরও এক জোড়া ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি চালু হলে চকরিয়ার যাত্রীরা সহজেই চট্টগ্রামে গিয়ে ঢাকাগামী ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবেন।”

নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও হারবাংসহ বিভিন্ন স্টেশনে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, সিসিটিভি এবং রেলওয়ে পুলিশের টহল জোরদার করা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সবুক্তগীন মাহমুদ, কক্সবাজার রেল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) এরশাদুল হক এবং তমা কনস্ট্রাকশনের প্রকল্প পরিচালক বিমল সাহা।


নির্বাচিত

ভোলায় মৃত শিক্ষকের ইনডেক্সে বেতন, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে একই নামের এক মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সুপার মো. নুরুজ্জামান। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক সব অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

‎‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৯৯৪ সালের ১৩ মার্চ মো. মহিউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার ইনডেক্স নম্বর ছিল ৩৬৪৭৭৬ এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৬০৬। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকের মৃত্যু হলে পদটি শূন্য হয়ে যায়।

‎‎মাদ্রাসা সুপারের অভিযোগ অনুযায়ী, তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন (পিতা আছমত আলী মহাজন) ২০০৬ সালের ৭ অক্টোবর সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। তার নিজস্ব ইনডেক্স নম্বর ৬০২৭৮২ এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৫৭৭। কিন্তু নামের মিল থাকার সুযোগে তিনি মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে সরকারি অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।‎

‎লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর পরও তথ্য গোপন করে ২০০৬ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও জুনিয়র শিক্ষক পদের বেতন-ভাতা ভোগ করার অভিযোগও তোলা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এমপিওসংক্রান্ত নথিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বরের বিপরীতে মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব নম্বর ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।‎

‎তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি কোনো তথ্য গোপন করিনি। বেতন ইস্যুর দায়িত্ব মাদ্রাসা সুপার ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির। তাদের অনুমোদন ছাড়া কোনো অর্থ উত্তোলন সম্ভব নয়।’

‎‎তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৮ সালে বিষয়টির সমাধানের কথা বলে মাদ্রাসা সুপার তার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়েছিলেন। পরে সেই টাকা ফেরত চাইলে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা শুরু হয়।

‎‎অন্যদিকে মাদ্রাসা সুপার মো. নুরুজ্জামান অর্থ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘মাদ্রাসার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি আমার নজরে আসে। বিভিন্ন কারণে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি লিখিতভাবে শিক্ষা বোর্ডকে জানানো হয়েছে।’

‎‎এ বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’

‎‎জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা শাখার সেক্রেটারি কাজী মাওলানা হারুনুর রশিদ বলেন, ‘অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।‎

‎ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।


নির্বাচিত

চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও আহরণ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি এসকল এলাকার জেলে ও স্থানীয় জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রবিবার (০২ আগস্ট) বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

এরই ধারাবাহিকতায়, রবিবার (২ আগস্ট) সকাল ১১ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন চাঁদপুর কর্তৃক চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন এলাকায় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং মৎস্যজীবীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় দেশের মৎস্য সম্পদের গুরুত্ব, অবৈধ ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ, প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা, নদী ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় স্থানীয় জেলেদের বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার কথা শোনা হয় এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করা হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও), উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধি এবং জেলে সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।


নির্বাচিত

ডিএনসিসির প্রশাসক ও এমপি জাহাঙ্গীরের পরিদর্শনের সময় হামলা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর হওয়া হামলার স্থান পরিদর্শনে গিয়ে পুনরায় হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে উত্তরখানের রাজাবাড়ি এলাকার অস্থায়ী বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক মালিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকালে এসটিএসে কর্মরত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মীদের ওপর ‘নেপচুন অ্যাকসেসরিজ’ নামের একটি পোশাক কারখানার মালিকপক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন, যাদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে উত্তরের কুয়েত–বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকালে ঘটা এই ঘটনার কারণ জানতে ও এলাকাটি পর্যবেক্ষণ করতে বিকেলে ডিএনসিসি প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পুলিশ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তির দাবি অনুযায়ী, প্রশাসক ও সংসদ সদস্য যখন সংশ্লিষ্টদের কাছে সকালে সংঘটিত হামলার জবাবদিহি চাচ্ছিলেন, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে কারখানার মালিকপক্ষের ভাড়াটে বাহিনী তাঁদের উপস্থিতিতেই পুনরায় হামলা চালায়।

পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জড়িত তিনজনকে আটক করে। এই হামলার পর প্রশাসক ও সংসদ সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দেখতে যান এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।


নির্বাচিত

নীলফামারীতে মদিনা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিক এন্ড কনসালটেশনের ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের উদ্বোধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন, নীলফামারী

নীলফামারীতে মদিনা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিক এন্ড কনসালটেশনের ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন হয়েছে।‌ রবিবার (২ আগষ্ট) নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের নিকটে নতুন এই হাসপাতালের উদ্বোধন করেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আলফারুক আব্দুল লতিফ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামিমা সুলতানা লিনা, অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট ডা. আতিয়ার রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অব.) ডা. মো. আব্দুল মজিদ, নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি ও অবস্) ডা. মনিরুজ্জামান মনি, মদিনা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিক এন্ড কনসালটেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. জাইরিন তাবাচ্ছুমসহ আরো অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, “নীলফামারীর মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। মদিনা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিক অ্যান্ড কনসালটেশনের নতুন এ হাসপাতাল নীলফামারীর মানুষের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।‌ এসময় সংসদ সদস্য নিজেই হাসপাতালটি সফলতা কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন।


নির্বাচিত

জীর্ণ ভবনে চলছে এতিমদের শিক্ষা ঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

ক্যাপশন লামা উপজেলার রুপসীপাড়া ইসলামিয়া এতিমখানার জরাজীর্ণ টিনের ঘরের একাংশ। ছবি : দৈনিক বাংলা।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নুর মোহাম্মদ মিন্টু, লামা (বান্দরবান)

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি জনপদ ‘রুপসীপাড়া ইউনিয়ন’। এই ইউনিয়নে নিভৃতে দ্বীনি আলো ছড়াচ্ছে রুপসীপাড়া ইসলামিয়া এতিমখানা নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় এক জান্নাতি টুকরো, যেখান থেকে ভেসে আসে পবিত্র কুরআনের সুর। কিন্তু ভেতরের গল্পটা অনেক কষ্টের, বুক ফাটানো কান্না আর চরম অবহেলার। নিয়তির নির্মম পরিহাসে এখানে অসহায় ও নিরাশ্রয় শিশুরা সার্বক্ষণিক পড়ালেখা করছে। যাদের মাথার ওপর ছাদ বলতে এই জরাজীর্ণ টিনের ঘরটি। প্রতিদিন কেমলমতি ৪৫ জন চির-এতিম দরিদ্র শিশু শিক্ষার্থী লড়াই করছে বেঁচে থাকার ও মানুষ হওয়ার ন্যূনতম অধিকারের জন্য।

এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তাহীন পড়ে আছে এসব কোমলমতি শিশুরা। গত ১৮ বছর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের শরণাপন্ন হয়েও সংকটের কোনো সমাধান পায়নি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় এতিমদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত পাকা ভবনসহ অন্যান্য সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার আহবান জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রুপসীপাড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস। এ ইউনিয়নে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নেন- পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জলিল, স্থানীয় মুরুব্বী আবু বক্কর ছিদ্দিক ও আব্দুস ছত্তার ফরাজী। তারা ১৯৯১ সালের দিকে টিনের ছাউনি-টিনের বেড়ার দুই কক্ষ বিশিষ্ট এই এতিমখানা স্থাপন করেন। ১৯৯৩ সালে এতিমখানা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধনের পর ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ড প্রাপ্ত হয়। শুরুতে এতিমের সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে ৪৫ জন শিশু অধ্যয়নরত আছে। এদের মধ্যে কারো মা নেই, কারো বাবা নেই, আবার কারো কারো মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই।

এ এতিমখানায় ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ডর সুযোগ সুবিধা পায় মাত্র ১৮ জন, অন্যরা পাচ্ছে না এখনো কোন সরকারি সুবিধা। মাত্র ২ জন শিক্ষক নিয়ে চলছে হেফজ ও নূরানী শিক্ষা কার্যক্রম। সীমানা প্রাচীর না থাকায় এতিমখানাটি জায়গা বেদখলের পাশাপাশি নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে এতিমখানায় অধ্যয়নরত শিশুরা।

এ সময় শিক্ষার্থী হানজেলা, আলী হাছান ও সাইফুল এক সূরে বলেন, আমাদের এতিমখানাটির অবস্থা খুবই জরাজীর্ণ। টিনের বেড়া ছিদ্র হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে ভয় লাগে, কারণ ছিদ্র দিয়ে সাপ ব্যাঙ ঢুকে পড়ে। আর বৃষ্টি হলে ত ঘুমাইতে পারি না। কখন সাপ ব্যাঙ বেশি ঢুকে আর। ছাউনির টিন ছিদ্র হওয়ায় বর্ষায় বৃষ্টির পানিও পড়ে। তাই আমরা সরকারের কাছে পাকা ভবন চাই, একটু নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চাই।

৪৫ জনের মধ্যে মাত্র ১৮ জন ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ড সুবিধায় পেলেও বাকী ২৭ জনের দুই মুঠো অন্ন যোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির। তাই পাঠদান স্বাভাবিক রাখতে একটি একাডেমিক ভবন ও বাকি ২৭ জন শিক্ষার্থীর ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ড খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

এতিমখানা পরিচালনা কমিটির আলী হোসেনসহ শিক্ষকরা জানান, আমরা বুক চাপা কষ্ট নিয়ে এই জরাজীর্ণ ঘরেই বাচ্চাদের দ্বীনি শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছি। সরকারি বা বেসরকারি বড় কোনো অনুদান ছাড়া এই অসহায় শিশুদের মুখে একটু হাসি ফোটানো আমাদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।

এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সালের দিকে ইউনিয়ন সদরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে কোনো মাদরাসা ছিল না। এ কারণে এলাকার স্বার্থে আমার বাবা আব্দুল জলিলসহ অন্য মুরুব্বীরা এই এতিমখানাটি গড়ে তুলেছিলেন। মাত্র ২ কক্ষের একটি টিনশেড ঘর দিয়ে যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিকে সমস্যা না হলেও মাদরাসা উন্নীত হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পাওয়ায় আসনের চাহিদা বেড়েছে। গত ১৮ বছর ধরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের দ্বারে দ্বারে গিয়েও এতিমখানার জন্য একটি পাকা ভবন বরাদ্দ পাইনি। তাই এতিমখানার ভবন, সীমানা প্রাচীর ও ২৭ শিশুর জন্য সমাজ সেবা অধিদপ্তর কর্তৃক ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ড লাভে এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

এ বিষয়ে রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহা আলম জানান, এতিমখানায় দিন দিন শিক্ষার্থী বাড়লেও সুযোগ-সুবিধা বাড়ছে না। বরং দিন দিন নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এটি। বিশেষ করে স্বল্প জায়গায় গাদাগাদি করে বসে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। টিনের ছাউনি ও বেড়া জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জরুরিভাবে এতিমখানাটির সীমানা প্রাচীরসহ একটি পাকা ভবন দরকার।


নির্বাচিত

লালমনিরহাটে  ‘হাজি সমাবেশ’ ও উমরাহ বুকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​লালমনিরহাট প্রতিনিধি

পবিত্র হজ ও উমরার নতুন মৌসুমকে স্বাগত জানাতে লালমনিরহাটে উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো এক অনন্য ‘হাজি সমাবেশ’। সোহেল রানা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেল্স এবং সানফাইন ট্রাভেল্স ইন্টারন্যাশনাল (লাইসেন্স নং- ১২৪৩)-এর যৌথ উদ্যোগে রোববার (২ আগস্ট) আয়োজিত সমাবেশ থেকে হজ ও উমরাহ গমনেচ্ছু ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য শুভ বুকিং কার্যক্রমেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

​লালমনিরহাট জেলা পরিষদের পুরাতন মিলনায়তনে আয়োজিত এই জমকালো সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম. মমিনুল হক।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ. কে. এম. মমিনুল হক বলেন, ‘আল্লাহর ঘর তওয়াফ ও প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করা প্রতিটি সামর্থ্যবান মুসলমানের আজীবনের লালিত স্বপ্ন। পবিত্র এই সফর যেন হাজিদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়, সেদিকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

​সভাপতির বক্তব্যে সোহেল রানা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মো. সোহেল রানা বলেন, ​‘পবিত্র হজ ও উমরাহ পালন কোনো সাধারণ ভ্রমণ নয়, এটি এক পরম ইবাদত। আল্লাহর মেহমানদের সেবা দেওয়া আমাদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র দায়িত্ব। সুন্নাহ অনুযায়ী সঠিক নিয়ম-কানুন মেনে এবং হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ আবাসন, যাতায়াত ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের প্রতিষ্ঠান সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। হাজিদের মুখে হাঁসি ও সন্তুষ্টিই আমাদের সেরা অর্জন।’

​সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সোহেল রানা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেল্স লালমনিরহাট জেলার প্রতিনিধি ও কর্মসূচির আহ্বায়ক মো. আব্দুল আউয়াল (রফিক)। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসার ও ভিডিপি ব্যাংক, লালমনিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক খন্দকার সমু।

​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত হজ ও উমরাহ গমনেচ্ছুদের মাঝে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে নতুন মৌসুমের বুকিং গ্রহণ করা হয়। পরিশেষে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে এক আবেগঘন বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।


নির্বাচিত

বগুড়ায় করতোয়া নদীর তীরে সন্ত্রাসী আস্তানায় ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৩

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া প্রতিনিধি 

বগুড়া সদর উপজেলার ঠেঙ্গামারা ও মাটিডালী এলাকার সীমান্তবর্তী করতোয়া নদীর তীরের জঙ্গলঘেরা একটি দুর্গম এলাকায় গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে জেলা ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে কথিত সন্ত্রাসী চক্রের গোপন আস্তানা উচ্ছেদ করেছে। এ সময় চক্রের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি বিদেশি রিভলবার, দেশীয় অস্ত্র, মাদক, নগদ টাকা এবং নির্যাতনে ব্যবহারের অভিযোগ থাকা একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক শকার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিবি পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে করতোয়া নদীর তীরে একটি কারখানার পেছনের নির্জন এলাকায় তাঁবু ও পলিথিন দিয়ে তৈরি অস্থায়ী আস্তানায় অবস্থান করে একটি চক্র বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। চক্রটি মাদক কারবারির পাশাপাশি অপহরণ করে ভয়ভীতি ও নির্যাতনের মাধ্যমে অর্থ আদায় করত বলে পুলিশের দাবি।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় চক্রের কথিত প্রধান রকি, তার সহযোগী রাকিবসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে আরও পাঁচ থেকে সাতজন সদস্য করতোয়া নদী সাঁতরে পালিয়ে যান বলে দাবি পুলিশের।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, তিনটি চায়নিজ কুড়াল, একটি ধারালো চাপাতি, কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র, মাদক ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৫ হাজার ভোল্ট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বৈদ্যুতিক শকারও জব্দ করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের ওসি ইকবাল বাহার বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া রকি ও রাকিবের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও ফেনসিডিলসংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। তারা এর আগে গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্তি পান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ’


নির্বাচিত

সৌদি জোটে যোগ দেওয়া ইরানবিরোধী নয়: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদানকে ইরানবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

রোববার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এই জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে হুতিদের থেকে আসা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া নয়।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং এই সম্পর্ককে কেবল হজের মতো ধর্মীয় কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ঠিক হবে না।

ঢাকা ও রিয়াদের এই যৌথ সম্পর্ক বর্তমানে একটি বড় কৌশলগত সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো প্রয়োজনে নৈতিক ও আত্মিক অবস্থান থেকে সাড়া দিতে বাংলাদেশ সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ একই সাথে ইরানের সাথেও নিয়মিত কূটনৈক আলোচনা বজায় রাখছে। তাই হুতিদের সংকট মোকাবেলায় গঠিত জোটে যুক্ত হওয়া মানেই ইরানকে বাদ দেওয়া বা আক্রান্ত করা—এমন ভাবার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ নেই।


নির্বাচিত

দাউদকান্দির বেইলি সেতু ধসে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে খামারপাড়ায় খিরাই নদের ওপর নির্মিত বেইলি সেতু ভেঙে ইটবোঝাই বাল্কহেডের ওপর পড়েছে। এ ঘটনায় বাল্কহেডের চালক, সুকানি, সহকারী ও ১৭ জন শ্রমিক সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে রক্ষা পান। রোববার (২ আগস্ট) শ্রমিক কাশেম মিয়া বলেন, ‘বাল্কহেড থেকে সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে রক্ষা পেলেও মুঠোফোন, টাকা, ব্যাগে থাকা পোশাক, ঘুমানোর চাদরসহ বিভিন্ন সামগ্রীর কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।’

বাল্কহেডের মালিক ও সুকানি জুয়েল পাটোয়ারী বলেন, ‘তিনি ৫০ হাজার টাকা ভাড়ায় ৪০ হাজার ইটবোঝাই করে ঢাকার জিঞ্জিরা থেকে শনিবার ভোরে রওনা দেন। সন্ধ্যায় খিরাই নদ দিয়ে দাউদকান্দি উপজেলার খামারপাড়া বেইলি সেতুর নিচে পৌঁছালে বিকট শব্দে সেতুটি ভেঙে বাল্কহেডের ওপর পড়ে। এ সময় বাল্কহেডে থাকা সবাই সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে রক্ষা পান। তবে ২৫ লাখ টাকায় কেনা বাল্কহেডের ওপর সেতু ভেঙে পড়ায় অনেক ক্ষতি হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মজনু মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিনের বর্ষা ও বৃষ্টিতে বেইলি সেতুর পাটাতনগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রায়ই নষ্ট হওয়া পাটাতন দেবে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটত।’

সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এই সড়কে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দাউদকান্দি উপজেলা ছাড়াও চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ, কচুয়া, হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুর সদর উপজেলার একাধিক গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


নির্বাচিত

নীলফামারীতে জেলা পুলিশের বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন, নীলফামারী

নীলফামারী জেলা পুলিশের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৮টায় নীলফামারী পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলার বিভিন্ন পদমর্যাদায় পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন।

প্যারেড পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ লাইন্স নীলফামারীর রিজার্ভ ইন্সপেক্টর (আরআই) মো. মোফাজ্জল হোসেন সরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ বি এম ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নীলফামারী সার্কেল) মো. ফারুক আহমেদ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) এ কে এম ওহিদুন্নবী, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবি) জ্যোতির্ময় ঘোষ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবি) মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ খানসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

প্যারেড শেষে পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের মোটরযান শাখা ও অস্ত্রাগার পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


নির্বাচিত

বিদ্যুতের নতুন দামে প্রিপেইড গ্রাহকদের রিচার্জে বাড়তি চাপ

* বাড়ছে গ্রাহকের অভিযোগ
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মিজানুর রহমান, পঞ্চগড়

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নতুন আদেশ অনুযায়ী চলতি বছরের জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর ফলে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের রিচার্জের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এই মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী বিইআরসি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি—পিডিবি, আরইবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, ওজোপাডিকো ও নেসকো—প্রতি ইউনিটে ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর আবেদন করেছিল।

এ ছাড়া সঞ্চালন খাতেও ব্যয় বেড়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর সঞ্চালন ব্যয় বিবেচনায় হুইলিং চার্জ ভারিত গড়ে প্রতি ইউনিট ৩১.৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৮.৮৬ পয়সা করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে সঞ্চালন খরচ বেড়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ।

সর্বশেষ শুল্ক হার অনুযায়ী, বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি সর্বনিম্ন ৬৯ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৬৪ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এই বৃদ্ধির হার গ্রাহকের ব্যবহারের ধরন ও ক্যাটাগরির ওপর নির্ভরশীল—অর্থাৎ আবাসিক, শিল্প বা কৃষি খাতের গ্রাহক এবং মাসিক ইউনিট ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী বিলের বৃদ্ধি ভিন্ন হবে।

নতুন মূল্যহার কার্যকর হওয়ায় সাধারণ পরিবারের মাসিক ব্যয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে, বিশেষত গ্রীষ্মকালে যেসব পরিবার নিয়মিত এয়ার কন্ডিশনার, ফ্রিজ, গিজারসহ উচ্চক্ষমতার বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করে, তাদের বিল তুলনামূলক বেশি বাড়বে। শুধু গৃহস্থালি খাতই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদন খরচেও এর প্রভাব পড়তে পারে, যার ফলে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্যে পরোক্ষ প্রভাব দেখা দিতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি আমদানি খরচ এবং বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছিলেন যে মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কোনো বাহ্যিক চাপ ছিল না এবং বাজেট বিবেচনায় রেখে দ্রুততার সঙ্গে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে; দাম বাড়ানোর ফলে মানুষের ব্যয় বাড়বে তা স্বীকার করলেও এ বিষয়ে পৃথক অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা হয়নি বলে তিনি জানান।

(নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি) নেসকো পঞ্চগড়, নির্বাহী প্রকৌশলী সত্যজিৎ দেবশর্মা তিনি জানান, দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে দ্রুত সময়ে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে, আমরা প্রিপেইড মিটার নিয়মিত চেক করে দেখি বেশি টাকা কাটে না, প্রিপেইড মিটার গ্রাহকরা দাম বৃদ্ধি হওয়ার বিষয়ে অবগত নেই, তাই প্রিপেইড মিটারের প্রতি অভিযোগ রয়েছে।


নির্বাচিত

মাগুরায় স্বরলিপি সংগীত নিকেতনের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

নানা আয়োজনে মাগুরা স্বরলিপি সংগীত নিকেতনের ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গত শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মাগুরা জেলা অডিটরিয়ামে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, সনদপত্র বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি।

আলোচনা সভায় সংগঠনের সহসভাপতি এম এ হাকিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদের প্রতিনিধি এনডিসি মো. আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা কালচারাল অফিসার পার্থ প্রতিম দাশ, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক অ্যাড. কাজী সিরাজ উদ্দিন মিহির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, স্বরলিপি সংগীত নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ সুকুমার পাল।

আলোচনা শেষে অতিথিরা ২০২৫ সেশনে সংগীত, চিত্রাঙ্কন ও নৃত্য বিভাগে উত্তীর্ণ ৮৫ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন। পরে স্বরলিপি সংগীত নিকেতনের প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন ।


নির্বাচিত

banner close