বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
১০ আষাঢ় ১৪৩৩

যশোরে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে প্রবাসফেরত যুবককে গুলি করে হত্যা

ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৪ ২২:০৪

যশোরে মেহের আলী নামে প্রবাসফেরত এক যুবককে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা।

গতকাল শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের বাদিয়াটোলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মেহের আলী ওই এলাকার আব্দুল মালেক মণ্ডলের ছেলে। তিনি গত ২৬ জুলাই কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছেন। সেখানে দেশটির হাদিয়া নামক স্থানে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সংক্রিয় কর্মী ছিলেন। পরিবারের স্বজনের দাবি, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক কোন্দলে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নিহত স্বজনরা জানান, গত দুই দিন ধরে নিহত মেহের আলী যশোর বাহাদুর এলাকার আনোয়ার হোসেন নামে তার এক খালুর শ্বশুরের বাড়িতে ছিলেন। ঘটনার দিন শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মেহের তার বাড়িতে ফেরেন। এদিন বাড়িতে রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে বাড়ির কলাপসিবল গেটে তালা মারতে আসেন। এ সময় আগে থেকেই অপেক্ষা করা দুবৃর্ত্তরা গেটের সামনে এসেই মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলির শব্দ শুনেই স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালের মর্গের সামনে আহাজারি করতে দেখা যায় নিহতের ছোট ভাই আবু আব্দুল্লাহকে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমার ভাই মেহের আলীসহ তিন ভাই বিদেশে থাকি। বিদেশ যাওয়ার আগে ভাই বিএনপির রাজনীতি করত। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে জেলও খাটিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভাইয়ের কাছে নেতা-কর্মীরা চাঁদাও দাবি করত। কিন্তু ভাই দিতে চাইত না। তাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কিছু দ্বন্দ্ব ছিল। এর মধ্যে দীর্ঘদিন পর গত ২৬ জুলাই আমার ভাই দেশে ফিরেছে। আমি ফিরেছি তার মাস খানেক আগে।

সর্বশেষ সোমবার (৫ আগস্ট) আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে সেসব নেতার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়েছে শুনেছি। এসব রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি। এ হত্যা পূর্বপরিকল্পিত। কেননা আমার ভাইয়ের বাড়ির চারপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। তবে যারা মেরেছে, তারা আগে থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা কেটে দিয়েছে। হত্যা করার জন্য হত্যাকারীরা বাড়ির গেটের সামনে গোপনে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন।

আহাজারি করতে করতে তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের পাঁচ বছর ও দেড় বছর বয়সি দুই শিশু সন্তান রয়েছে। তাদের কি হবে, তারা যে বাবা হারিয়েছে। তারা কারে বাবা বলে ডাকবে। ভাই হত্যার বিচার চাই- আমার ভাইকে কেন মারল। বারবার ভাই ভাই বলে বুক চাপড়াতে চাপড়াতে বিলাপ করতে দেখা যায় ভাই হারানো আবু আব্দুল্লাহকে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. খন্দকার রেজয়ান উদ দারাইম জানান, গুলিবিদ্ধ মেহের আলীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনেন স্বজনরা। তার মাথার পেছনের দিকে ডান সাইটে গুলি লেগেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

যশোর কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কি কারণে হত্যা করা হয়েছে, সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। অভিযান চলছে।


নির্বাচিত

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটার অভিযোগ, প্রকল্প কর্তৃপক্ষের ভিন্ন কথা

* এক পক্ষ বলছে বৈধ, অন্য পক্ষ উদ্বিগ্ন * ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন সেতুর নিরাপত্তায়
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে চারদিকে আলোচনা সমালোচনা শুরু হলে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি মহল সেতুর নিচের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে দিচ্ছে। এতে সেতুটি ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে সেতুর আশেপাশের মাটি কাটার অনুমতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পদ্মা সেতুর নিচে ও পাশে থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। তবে কে বা কারা এই মাটি নিয়ে যাচ্ছে তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আলীগঞ্জে অবস্থিত পদ্মা রেলসেতুটির পিলারের নিচে ও একপাশের মাটি কেটে নেওয়া চিহ্ন দেখা গেছে। সেতুটির ৮৫, ৮৬ ও ৮৭ নম্বর পিলারের আশপাশের মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে বিশাল বড় গর্ত তৈরি হয়ে পানি জমেছে। তবে আপাদত মাটি কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুবপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আবুবক্কর ও তাঁর অনুসারীরা সেতুর পিলারের গোড়া থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে কুতুবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবুবক্কর বলেন, আমি সেখান থেকে মাটি কেটে নেইনি। এটা ফতুল্লার কিছু লোকজন করছে। তবে আমার জানা মতে, মাটি কাটার অনুমতি আছে।

তিনি আরও বলেন, সেতুর নিচের মাটি কাটার জন্য চায়নার এক কোম্পানি টেন্ডার দিলে ঢাকার এক ব্যক্তি টেন্ডার পেয়েছিল। পরে তার সাথে মিলে কাজ শুরু করলে এলাকার লোকজন অনেক আগে বাধা দিয়েছিল। তখন আর মাটি কাটিনি। এটা প্রায় দুই বছর আগের ঘটনা। এখন নতুন করে ফের ফতুল্লার সাগর সিদ্দির ও তার লোকজন মাটি কাটছে।

সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের টিম সেখানে গিয়ে কথা বলেছে। পরে ওরা জেলা প্রশাসকের সাথে দেখা করেছে। রেলওয়ের লোকজন, মাটি কাটার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ আর্মির ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এই তিনটা প্রতিষ্ঠান ডিসি স্যারের সাথে দেখা করেছে। এ বিষয়ে তিনি বলতে পারবেন।

মাটি কাটার কাজ চলছে কিনা-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। এছাড়া অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বিষয়েও আমার জানা নেই।

ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর বলেন, রেলওয়ে প্রকল্পের অধীনে এ কাজ করেছে, এ বিষয়ে ওনারা জানে। প্রথম দিকে আমরা গিয়ে সেখানে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রেখেছিলাম। পরে তারা এটা নিয়ে ডিসি স্যারের সাথে মিটিং করেছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে এমন কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে প্রজেক্টের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।

পদ্মা রেলিং প্রজেক্টের ব্রিজ অ্যান্ড ভায়াডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল করিম বলেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে অনুমতি নিয়েই মাটি কাটা হয়েছে। পিলার নম্বর ৭৬ থেকে ৯০ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্থানে কাটা হচ্ছে, যা আগে জলাশয় ছিল। চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (CREC) কন্ট্রাক্টার মাটি ও বালু দ্বারা ভরাট করে ভায়াডাক্ট নির্মাণ কাজ শেষ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ওই অঞ্চলে পূবের মতো জলাশয় খনন করা হচ্ছিল। এটা এই প্রকল্পের একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশবান্ধব নির্দেশিকা। এক কথায়, কাজের সুবিধার জন্য এখানে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে কেটে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তবে সম্প্রতি মাটি কাটার ঘটনাটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা মোটেও ঠিক নয়। কিছু স্বার্থন্বেষী মহল নিজেদের লাভের জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে। এখানে জলাশয় থাকবে সেই অনুসারে ডিজাইন করা হইয়াছে এবং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যেহেতু ভূমির গভীরতা বিবেচনায় স্ট্রাকচারাল ডিজাইন অনুসারে পাইল, পাইল ক্যাপ এর ভিত্তির উপর অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে যা পিলারের কোন প্রকার ক্ষতি করবে না।


নির্বাচিত

অসহায় সোনালীর পরিবারে স্বস্তি, স্বামীর হাতে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার কধুরখীল কৈবর্ত্যপাড়ার বাসিন্দা সোনালী দাসের পরিবারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে দীর্ঘদিন কষ্টে থাকার পর সরকারি সহায়তার আওতায় এসেছেন তারা।

বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে সোনালী দাসের স্বামী নির্মল চন্দ্র দাসকে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এক বছরের সরকারি ভাতা বাবদ ১০ হাজার ৮০০ টাকা হস্তান্তর করা হয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পিপুল চন্দ্র নাথ বলেন, ‘সোনালী দাসের পরিবারের অসহায় অবস্থার খবর জানার পর তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা হয়। পরে স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সহায়তায় নির্মল চন্দ্র দাসকে বিশেষ সক্ষম ব্যক্তি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এরপর তাকে সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের আওতায় এনে সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

কার্ড ও ভাতার অর্থ গ্রহণের পর সোনালী দাস বলেন, ‘অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন।’

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় জানিয়েছে, পরিবারটির পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।


নির্বাচিত

মাগুরায় মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কর্মশালা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

"কারিগরি শিক্ষা দিলে দেশ-বিদেশ কর্ম মেলে " এ প্রতিপাদ্য নিয়ে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ ও ইন্ডাস্ট্রি লিংকেজ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মাগুরা জেলা অডিটরিয়ামে মাগুরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

এ কর্মশালায় মাগুরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাঃ সাজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক আব্দুল কাদের।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাগুরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবু সাঈদ মোল্লা, মাগুরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ মনির হোসেন , মাগুরা শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হারুন অর রশিদ। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড.মোহাম্মদ আনিসুর রহমান মৃধা ।

প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বনবাসী বর্মন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকার ASSET প্রকল্পের সংযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম।

ওয়ার্কশপে জানানো হয়, কারিগরি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ,কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও সৃজনশীল করতে সরকার নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শুধু সরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় বাংলাদেশের বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো দক্ষ করতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করছে সরকার।

আগামী দিনে কারিগরি শিক্ষার্থীরায় হবে দেশের উন্নয়নের চাবিকাটি। দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণে জেলার সরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বে সরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১২০ প্রধান, সুধীজন ও সাংবাদিক অংশ নয়।


নির্বাচিত

ঢাকায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নড়াইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

ঢাকার ধানমন্ডি ৩২শে জামাতের সমাবেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জামায়াতের নেতাকর্মীদের দ্বারা মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নড়াইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

নড়াইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বুধবার (২৪ জুন) বুধবার শহরের আদালত সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকরা হামলার শিকার হচ্ছেন।যা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য বড় হুমকিস্বরূপ। সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের

ন্যক্কারজনক হামলা ও হয়রানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

নড়াইল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করেন।তাদের ওপর হামলা মানে শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন আঘাত।

অনতিবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা ।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এস এম আব্দুল হক, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর রশিদ লাবলু, সিনিয়র সাংবাদিক খায়রুল আরেফিন রানা, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী

হাফিজুর রহমান,আল আমিনসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও অনেকে বক্তব্য দেন। জেলার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ,বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি,মানবাধিকারকর্মী এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।


নির্বাচিত

চুয়াডাঙ্গায় ‘জয় বাংলা’ লেখা বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৪ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
মো: মনিরুজ্জামান, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের রাইসার বিল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের প্রধান ফটকের পাশে ‘জয় বাংলা’ লেখা একটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। বেলা ১০ টার দিকে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ফটকের পাশে সন্দেহজনক বস্তুটি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মৎস্য কমিটির সদস্যদের অবহিত করেন। পরে খবর পেয়ে দর্শনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বস্তুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, হঠাৎ করে জনবহুল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের প্রবেশপথে এ ধরনের বস্তু পড়ে থাকতে দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন, উদ্ধার হওয়া বোমা সদৃশ বস্তুটিতে ‘জয় বাংলা’ লেখা থাকায় তাদের ধারণা, এটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নাশকতামূলক পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমা সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বস্তুটির প্রকৃতি ও এর সঙ্গে কারা জড়িত সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।


নির্বাচিত

গ্রেপ্তারের পর কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার মাত্র একদিনের ব্যবধানে মো. নুরুল আলম (৩৮) নামের এক যুবলীগ নেতার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি মারা যান। মৃত নুরুল আলম সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করে। থানা থেকে দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং আদালতের আদেশে ওইদিনই তাঁকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে জমির দখল নিয়ে প্রতিবেশী আরিফদের সঙ্গে নুরুল আলমের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে প্রভাব খাটিয়ে ডিবি পুলিশকে দিয়ে অন্যায়ভাবে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর প্রতিপক্ষের লোকজনের আনন্দ-উল্লাস ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টের ঘটনাটি পরিবারের এই অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, “চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। থানায় আনার আড়াই ঘণ্টার মাথায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমরা তাকে আদালতে পাঠাই। আমাদের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কোনো ঘটনা ঘটেনি।” তিনি আরও ধারণা করেন, গ্রেপ্তারের পর নুরুল আলম হয়তো মানসিক ট্রমার মধ্যে ছিলেন, যা থেকে তাঁর স্ট্রোক হয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে কারাগারে নিয়ে আসার পর থেকেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন। পরবর্তীতে বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। একজন রাজনৈতিক নেতার গ্রেপ্তারের স্বল্প সময়ের মধ্যে এমন মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

নীলফামারীতে ৩ লক্ষাধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ, নীলফামারী প্রতিনিধি

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নীলফামারীতে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলা ইপিআই ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৬ উপজেলা ও ৪ পৌরসভায় দিনব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার ৩ লাখ ৭ হাজার ২৬২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩১ হাজার ৪০৯ জন শিশুসহ ১০৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৩ জন শিশুসহ ২৭৬ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলার ৬১টি ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় ১ হাজার ৫৯০টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রথম সারির ১৯১ জন সুপারভাইজার ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মনিটরিং টিম কেন্দ্রগুলো তদারকি করবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার আতিউর রহমান শেখ আতিকসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

চীনা স্বামীর অর্থ ও নথিপত্র নিয়ে উধাও বাংলাদেশি স্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় এক বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এক বাংলাদেশি গৃহবধূর বিরুদ্ধে অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তাঁর চীনা স্বামী। ভুক্তভোগী ওই চীনা নাগরিক ফুলবাড়ী থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল ঢাকার সাভার হওয়ায় পুলিশ তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে।

ভুক্তভোগী চীনা নাগরিকের নাম আন হংওয়েই এবং তাঁর অভিযুক্ত স্ত্রীর নাম মোর্শেদা খাতুন। আন হংওয়েই অভিযোগ করেন যে, মোর্শেদা খাতুন প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তাঁর কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা সমমূল্যের মার্কিন ডলার এবং বেশ কিছু অতি জরুরি নথিপত্র নিয়ে আত্মগোপন করেছেন। বর্তমানে স্ত্রীর কোনো হদিস পাচ্ছেন না তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়ী উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা মোর্শেদা খাতুন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত থাকাকালীন আন হংওয়েইয়ের সঙ্গে পরিচিত হন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর গত ২০ এপ্রিল পারিবারিকভাবে তাঁদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর আন হংওয়েই তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসলে এলাকায় বিদেশি জামাইকে দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় জমিয়েছিলেন।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান নাঈম জানান, ভাষাগত পার্থক্যের কারণে বিদেশি ওই নাগরিকের বক্তব্য পুরোপুরি বোঝা না গেলেও ইশারা ও ইঙ্গিতের মাধ্যমে তিনি তাঁর অভিযোগ ব্যক্ত করেছেন। যেহেতু ঘটনার কেন্দ্রস্থল ঢাকার সাভার, তাই তাকে আইনগত ব্যবস্থার জন্য সাভার থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

খুলনায় নবীন আইনজীবীদের পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো 

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ২০২৬ সালে তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবীদের নিয়ে পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে সমিতির লাইব্রেরি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন আইনজীবীদের ফুল ও আইডি কার্ড প্রদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি'র সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. মাসুম রশিদ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা মশিয়ুর রহমান নান্নু।বক্তারা নবীন আইনজীবীদের আইন পেশার মর্যাদা, দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও পেশাগত দক্ষতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তারা বলেন, আইন পেশা কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব। তাই পেশাগত জীবনের শুরু থেকেই সততা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার চর্চাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, শেখ আব্দুল আজিজ ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এ কে এম শহিদুল আলম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আসাদুল আলম, ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা গোলাম মাওলা, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার (খোকন), মাহফুজুর রহমান, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম এবং অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান খানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবীবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. মাসুম রশিদ নবীন আইনজীবীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আইন পেশা শুধু জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্র নয়, এটি ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব। একজন আইনজীবীর পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি সততা, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।”

সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা মশিয়ুর রহমান নান্নু নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহসিন চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মো. মোশারফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এম তহিদুজ্জামান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুন্নাহার নাজমুন্নেছা জেবা, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং সমিতির বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে নবীন আইনজীবীদের ফুল ও আইডি কার্ড প্রদান করা হয় এবং তাদের সফল পেশাগত জীবন কামনা করে শুভেচ্ছা জানানো হয়।নবীন আইনজীবীরাও জ্যেষ্ঠদের দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক শুভেচ্ছার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


নির্বাচিত

নওগাঁ সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় ৯ জন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট নয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশ ইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে তারা প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে এসব ব্যক্তি বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখা ও নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে নওগাঁ-১৬ বিজিবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ ভোর ৪টার দিকে নওগাঁর সাপাহার আদালতলা সীমান্ত চৌকি (বিওপি) এলাকার সীমান্ত পিলার ২৪৪/এমপি দিয়ে ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা নয়জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ-ইন করে। এদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। সংবাদ পাওয়ার পর আদাতলা সীমান্ত চৌকির (বিওপি) বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। বর্তমানে ওই ৯ ব্যক্তি ভারত ও বাংলাদেশের দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নওগাঁ-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরে ওই এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওই ১৭ জনসহ অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাঁদেরকে ভারতীয় ভূখণ্ডে পাঠানোর (পুশ ব্যাক) কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এর আগে গত ৫ জুন ও ৮ জুন নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ৪০ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ তাদেরকে ফেরত নিতে বাধ্য হয়।


নির্বাচিত

অনিশ্চয়তায় ২৯৫ বিদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক   

রাজধানীর মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী। ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপ বন্ধ থাকায় তাদের ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতা হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সমাধানের খোঁজে দুই অধিদপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো কর্মকর্তার দেখা মেলেনি।

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গত ১১ জুন আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের নিবন্ধন স্থগিত করে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর।

হাসপাতাল বন্ধ হওয়ায় ক্লিনিক্যাল ক্লাস বন্ধ হয়ে যায় আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের ইন্টার্নশিপ কোথায় হবে তাও নির্ধারিত হয়নি।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে মাইগ্রেশন নিয়ে একাডেমিক ঘাটতি কিছুটা পূরণ করতে পারলেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সেই পথও বন্ধ।

বিপাকে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা: কলেজের মোট ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৬ জন ইন্টার্ন এবং ২০৯ জন মেডিকেল শিক্ষার্থী। তাদের প্রায় সবাই ভারতীয়।

ভারতের মেডিকেল সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, বিদেশে পড়া শিক্ষার্থীদের একই কলেজের অধীন হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। অন্য কোথাও ইন্টার্ন করলে দেশে ফিরে ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতা নাও মিলতে পারে।

ভারতের কাশ্মির থেকে আসা রেজা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এখন অন্য হাসপাতালে মাইগ্রেশন নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। আমাদের কারিকুলাম অনুযায়ী এই হাসপাতাল থেকেই পড়াশোনা শেষ করতে হবে। আমি আট বছর ধরে এখানে আছি। পড়াশোনা শেষ পর্যায়ে। এখন যদি আমাদের পড়াশোনা আটকে যায়, তাহলে এই ডিগ্রি আমার কোনো কাজে আসবে না।’

অধিদপ্তর থেকে হতাশ হয়ে ফিরলেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা: নিজেদের শিক্ষাজীবনের এই ভয়াবহ বিপর্যয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা। ডিগ্রির বৈধতার জন্য আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে ইন্টার্নশিপের অনুমতি চান তারা।

বিষয়টির সুরাহার জন্য সোমবার স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে যান বিদেশি শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও দুই অধিদপ্তরের কোনো মহাপরিচালকের দেখা মেলেনি। ফলে হতাশ হয়েই ফিরতে হয় তাদের।

আরেক শিক্ষার্থী খুজাইমা বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে খুবই বিপাকে আছি। বিষয়টি সমাধানের জন্য দূতাবাসসহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কোথাও থেকে সাড়া পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে এখানে এসেছি। এখন যদি তারা আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করেন, তাহলে আমরা আরও সমস্যায় পড়ে যাব। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়টি তাদের জানাতে এসেছি।’

মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের গ্যাঁড়াকলে বিপাকে শিক্ষার্থীরা: বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেখছে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, ‘শুনেছি তারা এসেছিল। তবে আমার অন্য একটি প্রোগ্রাম থাকায় বাইরে ছিলাম। আর হাসপাতাল খুলবে কি না তা মহাপরিচালকই বলতে পারবেন।’

একই কথা জানান অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান।

স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘একটি অবহেলার ঘটনায় আইন অনুযায়ী অধিদপ্তর ব্যবস্থা নিয়েছে। সেটি পুনরায় খোলার সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে। তাদের আপিলের সুযোগ রয়েছে, সেই সময় এখনো আছে। যদি তারা আপিল করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘আদ্‌-দ্বীন কর্তৃপক্ষ একদিকে স্বাস্থ্য সচিব বরাবর আবেদন করেছে, অন্যদিকে আদালতে রিট করেছে। এতে বিষয়টি জটিলতার দিকে গেছে।’

বিদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদনের বিষয়ে প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘এটি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর বলতে পারবে, তারা কী করবে।’

আদ্‌-দ্বীন কর্তৃপক্ষের অবস্থান: নিবন্ধন ফেরত পেতে এক মাসের মধ্যে আপিলের সুযোগ থাকলেও সেই পথে যেতে রাজি নয় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ। গত ১৭ জুন মানবিক বিবেচনায় হাসপাতাল খুলে দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুস সবুর বলেন, ‘লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল নয়, আমরা মানবিক দিক বিবেচনায় হাসপাতাল চালু করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছি। আশা করছি, রোগীদের কথা মাথায় রেখে তারা বিষয়টি দেখবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছে আমরা আবেদন জানিয়েছি। আশা করি সপ্তাহ দু-একের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। সরকার যেসব সংস্কারের কথা বলেছে, সেগুলো সম্পন্ন হওয়ার পথে। আশা করছি, দ্রুত খুলে যাবে।’

এর আগে গত ১৪ জুন শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চেয়ে আদ্‌-দ্বীন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

দুশ্চিন্তা দেখছে না স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর: স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর। আমরা কলেজ বন্ধ করিনি। কলেজের সঙ্গে যেহেতু শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখার বিষয়টি রয়েছে, সে জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, কাজেই এখনই দুশ্চিন্তার কিছু নেই। পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটি দেখতে হবে। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যেহেতু হাসপাতাল থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ কী করছে তা আমরা জানতে চাই। শিক্ষার্থীদের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়ার কিছু নেই।’


নির্বাচিত

কৃষক কার্ড নিয়ে আলোচনায় আসা সেই কবির হোসেন মারা গেছেন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নিয়ে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন আর নেই।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

কবির হোসেনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।


নির্বাচিত

নবাবপুর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ড: আনসার সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা মহানগর আনসার (ডিএমএ) দক্ষিণ জোনের আওতাধীন শাহবাগ থানার নবাবপুর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং ফায়ার সার্ভিসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

গত সোমবার (২২ জুন) রাতে নবাবপুর টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত এবি ব্যাংকের একটি এসিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা, পিসি মোক্তার হোসেন, এপিসি শাহীন মিয়া এবং ক্যাম্পে অবস্থানরত আনসার সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করেন। একই সঙ্গে তারা ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় আনসার সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে মাইকিং করে ভবনের ভেতরে অবস্থানরত ব্যক্তি ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন, নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সহায়তা করেন এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, অগ্নিকাণ্ডের শুরুতেই আনসার সদস্যদের দ্রুত উপস্থিতি, সতর্কতামূলক মাইকিং এবং নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপের কারণে আগুন পার্শ্ববর্তী দোকান ও অন্যান্য স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। তারা আনসার সদস্যদের সাহসিকতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকে দিকনির্দেশনায় বাহিনীর সদস্যরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। নবাবপুর টাওয়ারের এ ঘটনাটি তাদের দায়িত্বশীলতা, সাহসিকতা এবং জননিরাপত্তার প্রতি অঙ্গীকারের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।


নির্বাচিত

banner close