বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

দুর্বৃত্তের ছুরিতে সিলেটে বিএনপি নেতা কামাল নিহত

আ ফ ম কামাল জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৬ নভেম্বর, ২০২২ ২২:৩৪

সিলেটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আ ফ ম কামাল নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক ছাত্রদল নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

নগরের আম্বরখানা বড় বাজার এলাকায় রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সিলেটে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের দুই সপ্তাহ আগে এই ঘটনা ঘটল।

আ ফ ম কামাল জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। তার বাড়ি নগরের সুবিদবাজার এলাকায়।

সিলেট বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির বলেন, ‘রোববার রাতে বড়বাজার এলাকায় নিজের প্রাইভেটকারে বসা ছিলেন কামাল। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এমএজি ওসমানী মেডিকেলে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।’

মরদেহ ওসমানী মেডিক্যালে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘আমরা অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রাজু নামের এক ছাত্রদল নেতাকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছি।’

সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবদুল আহাদ খান জামাল বলেন, ‘কে বা কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে তা আমরা এখনও জানতে পারিনি। রাজনৈতিক বিরোধ থেকে এ হত্যাকাণ্ড কিনা তাও আমরা নিশ্চিত নই।’


নির্বাচিত

সুখবর পেল বিএনপির ৬ নেতা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবেদনের প্রেক্ষিতে নড়াইল জেলার ছয়জন নেতার দলীয় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে বহিষ্কৃত নেতাদের পুনরায় বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ আগের রাজনৈতিক অবস্থান ফিরিয়ে দেওয়া হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

অব্যাহতি পাওয়া এই নেতাদের মধ্যে রয়েছেন নড়াইল সদর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. তেলায়েত হোসেন, লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আহাদুজ্জামান বাটু এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম।

এছাড়া লোহাগড়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মিলু শরীফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মশিয়ার রহমান সান্টু এবং নড়াইল সদর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম পলাশের ওপর থেকেও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তের পর নিজ নিজ পদ ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নড়াইলের এই স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীরা।


নির্বাচিত

অভিনব কায়দায় আন্তজেলা ডাকাত দলের সরদার গ্রেপ্তার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

নানা কৌশল অবলম্বন করে নড়াইলের আন্তজেলা ডাকাত দলের সরদার আরোজ আলী শেখকে গ্রেপ্তার করেছে কালিয়া থানা পুলিশ। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে পরিকল্পিত এক অভিযানে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জোকারচর গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুচতুর ডাকাত দলের সরদার আরোজ আলী পুলিশের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর, কালিষা, খুলনার দিঘলিয়া, গোপালগঞ্জের সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

তাকে গ্রেপ্তারে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকশ দল গত দুই সপ্তাহ ধরে জোকারচর এলাকায় কখনো ভ্যানচালক, কখনো কৃষক, কখনো জামাকাপড় বিক্রেতা, কখনো মুদি দোকানী সেজে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

জানতে চাইলে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ইদ্রিস আলী বলেন,তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। অস্ত্রধারী এই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একটি চৌকশ দল বেশ কিছুদিন ধরে নানা ধরণের অভিনব কৌশল করে তাকে নজরদারিতে রেখেছিল। তারা কখনো ভ্যানচালক, কখনো কৃষক, কখনো জামাকাপড় বিক্রেতা, কখনো মুদি দোকানী সেজে নজরদারি করে। পরিশেষে বুধবার দিবাগত রাতে তাকে জোকারচর গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।


নির্বাচিত

নীলফামারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন, নীলফামারী

নীলফামারীর ডোমার ও ডিমলা উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক, জেলা পরিষদের ডিজিটাল ল্যাবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে নীলফামারী জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী।

জেলা পরিষদের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের রাজস্ব বরাদ্দের আওতায় ডোমার ও ডিমলা উপজেলার মোট ২৭ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান করা হয়। একই অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের ডিজিটাল ল্যাবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা ৭ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া চলাচলের সুবিধার্থে দুইজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির হাতে হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের নিয়মিত লেখাপড়ার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দক্ষ, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্মই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষণার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

পটুয়াখালীর বাউফলে খাল পরিষ্কার অভিযান, স্বস্তিতে ৪ গ্রামের কৃষক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং কৃষিজমি চাষাবাদের উপযোগী করতে খাল পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে সমাজসেবক ইব্রাহীম হাওলাদারের উদ্যোগে এ খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়। এতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। তারা খাল থেকে জমে থাকা আগাছা, ময়লা-আবর্জনা ও পলি অপসারণ করেন।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন খালটি অপরিষ্কার থাকায় অতিবৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কলতা ও ঝিলনা গ্রাম এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হোগলা ও কুম্ভখালী গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে কৃষকদের বীজতলা নষ্ট হয়ে যায় এবং তারা জমিতে চাষাবাদ করতে পারছিলেন না।

স্থানীয় কৃষক সবুজ মল্লিক বলেছেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার মধ্যে আছি। এ কারণে বীজতলা করা সম্ভব হচ্ছিল না। অনেক কষ্ট ও ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। আমরা স্থানীয়রা বিষয়টি ইব্রাহীম ভাইকে জানাই। তিনি দ্রুত খালটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন। এতে আমরা কৃষকরা অনেক খুশি।

উদ্যোক্তা সমাজসেবক ইব্রাহীম হাওলাদার বলেছেন, কৃষকদের দুর্ভোগ লাঘব এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খালটি পরিষ্কার হলে জলাবদ্ধতা কমবে, কৃষিজমিতে সহজে পানি নামবে এবং কৃষকরা পুনরায় চাষাবাদ করতে পারবেন।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, খালটি পরিষ্কার হওয়ায় চার গ্রামের কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।


নির্বাচিত

তুরস্কে ক্যান্সার গবেষণায় উজ্জ্বল বাকৃবির ড. তালিমুর রেজা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাকৃবি প্রতিনিধি

ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার সন্ধানে কাজ করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী ড. আবু মুসা মো. তালিমুর রেজা। বর্তমানে তিনি তুরস্কের Gebze Technical University-এর Department of Molecular Biology and Genetics-এ সহকারী অধ্যাপক এবং Non-coding RNAs Lab-এর প্রধান গবেষক। তার গবেষণার মূল বিষয় Non-coding RNA, বিশেষ করে transfer RNA (tRNA) এবং ক্যান্সার চিকিৎসায় এর সম্ভাব্য ব্যবহার। তুরস্কের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক গবেষণাগারে তিনি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনা করছেন।

প্রচলিতভাবে ক্যান্সার চিকিৎসায় নির্দিষ্ট জিন বা প্রোটিনকে লক্ষ্যবস্তু করা হলেও ড. তালিমুর রেজার গবেষণার ধারণা ভিন্ন। তার দল অনুসন্ধান করছে, ক্যান্সার কোষের প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট anticodon tRNA-এর প্রাপ্যতা সীমিত করা গেলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কি না।

তার মতে, ক্যান্সার একটি জটিল নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোন ধরনের ক্যান্সার কোন tRNA-এর ওপর বেশি নির্ভরশীল, তা শনাক্ত করে সেই সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নতুন চিকিৎসাপদ্ধতির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এটি এখনো গবেষণাধীন একটি ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় চিকিৎসা কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তার গবেষণার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো suppressor tRNA। এটি nonsense mutation-এর কারণে মাঝপথে থেমে যাওয়া প্রোটিন সংশ্লেষণ সম্পন্ন করতে সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে p53-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনে এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশাবাদী।

ড. তালিমুর রেজার গবেষণার যাত্রা শুরু হয় Polish Academy of Sciences-এ। সেখানে Polish National Science Centre-এর অনুদান লাভের পর তিনি তুরস্কে যোগ দেন এবং বর্তমানে TÜBİTAK 1001-সহ একাধিক গবেষণা তহবিলের সহায়তায় গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার গবেষণাগারে মলিকুলার বায়োলজি ও টিস্যু কালচারের পৃথক ইউনিট রয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণা সুবিধায় লাইভ অ্যানিমাল ইমেজিং, মাস স্পেকট্রোমেট্রি ও আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো ব্যবহার করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে।

গবেষণার পাশাপাশি তার জীবনদর্শনও ব্যতিক্রমী। তিনি বলেন, নিরাপদ ও গতানুগতিক পেশাজীবন কখনোই তাকে আকৃষ্ট করেনি। নতুন পরিবেশ, নতুন ধারণা এবং নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই নিজেকে গড়ে তুলতে চেয়েছেন। বিদেশে গিয়ে সেখানেই নিজের অবস্থান তৈরি করার সিদ্ধান্তকেই তিনি জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখেন।

বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের উদ্দেশে তার পরামর্শ, গবেষণায় সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার সংখ্যা অনেক বেশি। তার ভাষায়, প্রায় ৯৯ শতাংশ গবেষণাই প্রত্যাশিত ফল দেয় না। তবে সেই ব্যর্থতাই নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয় এবং নতুন জ্ঞানের পথ খুলে দেয়।

তিনি মনে করেন, অর্থ উপার্জনের জন্য নয়, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখার মানসিকতা নিয়েই গবেষণায় আসা উচিত। একই সঙ্গে একাধিক গবেষণাগারে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন, ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যাওয়া এবং ৩০ বছরের আগেই পিএইচডি সম্পন্ন করার পরামর্শও দেন তিনি।

গবেষণাগারের বাইরেও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দিচ্ছেন ড. তালিমুর রেজা। বাংলাদেশে Miyawaki পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র পরিসরে বনায়ন, সাধারণ পাঠকের জন্য জেনেটিক্সবিষয়ক "Your DNA, Your Decisions" বই রচনা এবং নিজ গ্রামে Good Citizen Community Madrasa প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগে কাজ করছেন। আগামী দশকে tRNA therapeutics-কে প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে দেখতে চান তিনি। একই সঙ্গে এমন কিছু রেখে যেতে চান, যা তার অনুপস্থিতিতেও মানুষের উপকারে আসবে। তার বিশ্বাস, জ্ঞান তখনই অর্থবহ, যখন তা মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিতে পারে।


নির্বাচিত

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

* কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা দক্ষিণ

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট নিরসন, ভূতুড়ে বিল বন্ধ, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে ১১ দলীয় ঐক্য, কুমিল্লা মহানগরী। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিস রোজি আক্তারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তোফিক, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, খেলাফত মজলিশ কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদের জামাল, ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল, মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক জাকির হোসেন, কাজী নজির আহম্মেদ, মোহাম্মদ হোসাইন এবং মাওলানা লুৎফুর রহমান খান মাসুমসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদান-পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটের কারণে শিল্প, কৃষি ও জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তারা ভূতুড়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলের শিকার হচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি জনদুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা, ভূতুড়ে বিল বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।


নির্বাচিত

মাগুরায় বিদ্যুতের লোডশেডিং চরম দুর্ভোগে মানুষ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 শিউলি আফরোজ সাথী, মাগুরা

ঘনঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং মাগুরার গ্রাহকদেরকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মহিতুল ইসলাম জানান, জেলায় ২ লাখ ৮০ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। সেখানে প্রতিদিন ৫০ মেগাওয়াট দিয়ে দিনরাত মিলিয়ে চলতি সপ্তাহে দুই থেকে তিন ঘন্টা লোডশেডিং হয়েছে। তবে বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত কোন লোডশেডিং নেই বললেই চলে।

পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক মাগুরা সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মিলন লস্কর ও আড়কান্দি গ্রামের সুজন কুমার বিশ্বাস জানান, চলতি সপ্তাহে দিনে রাতে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ লোডশেডিং ছিল। তবে গতকাল একটু ভালো ছিল।

অন্যদিকে পৌর এলাকার ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ঘোষ জানান, জেলায় তাদের ৪৩ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং এর পরিমাণ বেশি ছিল। তবে বুধবার থেকে আজকে লোডসেডিং কমে গেছে।

পারলা এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহক জোহরা খাতুন জানান, গত ৪-৫ দিন বিদ্যুৎ কখন আসে কখন যায় কিছু বুঝতে পারছিনা। অধিকাংশ সময় থাকেনা।

কলেজ সড়কের চা বিক্রেতা কেরামত আলী জানান, লোডশেডিং এর কারণে চা বিক্রি কমে গেছে। দিনে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না।

সাতদোহা পাড়ার দিপালী রানী জানান, বাড়িতে আমরা মাত্র তিনজন মানুষ। সবাই সারাদিন বাইরে থাকি চাকরির জন্য, তারপরেও এত বিল আসে কেন বুঝতে পারছি না। সারাদিন লাইট, ফ্যান সবকিছুই অফ থাকে তা শর্তেও ২০০০ থেকে ২৫ শো টাকা বিল আসে।এভাবে বিল বাড়তে থাকলে আমাদের মত সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যাবে।

লোডশেডিং নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ মনোয়ার হোসেন খান জানান, ইতিমধ্যে বিদ্যুতের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বুধবার থেকে মাগুরা জেলার চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে সিলিন্ডার গ্যাস তিন থেকে ৪০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হলেও পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।


নির্বাচিত

অষ্টগ্রামে ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মো. নজরুল ইসলাম, অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পূর্বদুল ইউনিয়নের এলখাল গ্রামের বাসিন্দা মৃত ই্য়াকুব আলীর পুত্র মফিজ আলী (৬৫) ও ফরিদপুরের বোয়ালী উপজেলার চরপাড়া গুনবাহ গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইউনুস সিকদার উরফে ইউসুফ সিকদারের পুত্র সোহেল রানা উরফে হাফিজার (২৮)।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (০৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার পূর্বঅষ্টগ্রাম ইউনিয়নের ইসলামপুর ইকুরদিয়া ঘাট সংলগ্ন আসাদুজ্জামান এর খাবার হোটেলের সামনে পাকা রাস্তার ওপর অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘ দিন ধরে মাজারে অবস্থান করে মাদক পাচার করে আসছিল। কখনো তারা পাগল বা ভিক্ষুক, আবার কখনো লেংড়া (শারীরিক প্রতিবন্ধী) সেজে মানুষকে বিভ্রান্ত করে অত্যন্ত সুকৌশলে এই মাদক ব্যবসা ও পাচার চালিয়ে আসছিল।

এ ঘটনায় অষ্টগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) ধারায় একটি মামলা (মামলা নং-৮, তারিখ- ০৫ আগস্ট, ২০২৬) রুজু করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর সফরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি চলছে: ফটিকছড়িতে এসপি মাসুদ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে বুধবার (৫ আগস্ট) সফরস্থল, নির্মাণাধীন হেলিপ্যাড এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনের পর তিনি এ কথা জানান।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মোড় এলাকায় হেলিপ্যাডের নির্মাণকাজ ও নিরাপত্তার সামগ্রিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন।

এ সময় তিনি উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যেন কোনো ধরনের ত্রুটি বা ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে কঠোর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। ভেন্যু ও যাতায়াতের সড়কগুলোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বিশেষ নজরদারি ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ, হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান এবং ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল আলম খানসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান গ্রেফতার

গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান । ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গুলশানের একটি আবাসিক ভবনে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

ডিএমপির ডিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তিয়াত্তর বছর বয়সী এই সাবেক জনপ্রতিনিধিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। সাবেক এই সংসদ সদস্যকে ডিবির হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


নির্বাচিত

দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে স্বৈরাচারের দোসররা: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বৈরাচারের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে জানান, যারা দেশে বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায়, তারা মূলত ফ্যাসিবাদের অনুসারীদেরই সুবিধা করে দিচ্ছে। তাই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সকল গণতন্ত্রকামী ও বৈষম্যবিরোধী শক্তিকে পরস্পরের মধ্যে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (৫ আগস্ট) টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ও জেলা বিএনপির শীর্ষনেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী টুকু জোর দিয়ে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান একক কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির নয়, এটি পুরো দেশের গণমানুষের অর্জন। বিনা ইস্যুতে দেশকে বিশৃঙ্খল করার যেকোনো চেষ্টা স্বৈরাচারী চক্রকে লাভবান করবে।

বিগত ১৭ বছরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দেশের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে দলটি সবসময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও আহতদের সংবর্ধনা প্রদান শেষে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, জুলাইয়ের আসল চেতনা ছিল একটি গণতান্ত্রিক, সুশাসিত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেই নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ নির্মাণের অঙ্গীকার পূরণে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


নির্বাচিত

মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের পৃথক দুইটি অভিযান, টেকনাফে ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন মিঠাপানিরছড়া এলাকায় গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ১০ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১৬ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বুধবার (০৫ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

অপরদিকে, কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৭ এর একটি বসত বাড়িতে আজ ৫ আগস্ট ২০২৬ বুধবার মধ্যরাত ২ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও এপিবিএন এর সমন্বয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত বসত বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এসময় মাদক কারবারিরা কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জব্দকৃত ইয়াবার পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


নির্বাচিত

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার পঞ্চম শ্রেনী পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্থানীয় একটি বাগান এলাকায় নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা কৌশলে ওই ছাত্রীকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে আইনগত সহায়তার জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পরপরই বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে এজাহারভুক্ত তিন আসামি রাহাত, সিয়াম, ইমন কে গতরাতে গ্রেপ্তার করে আজ তাদের আদালতে পাঠায়।

বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close