শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৪

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৬:৩৫
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৬:৩৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্টার লাইন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় একটি মাইক্রোবাসের চারজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা-নানকরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে। তাৎক্ষণিক নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রইস উদ্দিন জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের চৌদ্দগ্রামের বাতিসা-নানকরা এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান দাঁড়ানো ছিল। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাইক্রোবাস পিকআপ ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। মাইক্রোবাসের পেছনে ছিল ফেনী থেকে ঢাকাগামী স্টার লাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। ওই বাসটি ধাক্কা দেয় মাইক্রোবাসটিকে। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

ওসি রইস উদ্দিন আরও বলেন, নিহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। মরদেহ এবং দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।


নির্বাচিত

লামায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার চারা রোপণ ও বিতরণ করেছে কৃষক দল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষ রোপণের এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮দিনে উপজেলার সরই, গজালিয়া, ফাইতং, ফাঁসিয়াখালী, আজিজনগর, রুপসীপাড়া ও লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার ফলদ বনজ গাছের চারা রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইব্রাহিম পৃথকভাবে এসব চারা রোপণ ও বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন।

এতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা আহ্বায়ক জাকির হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুল হক মিলন, উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী জোছনা বেগমসহ স্থানীয় কৃষক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে ফাইতং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জতীয়তাবাদী কৃষক দলের বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ একটি ভালো উদ্যোগ।

বৃক্ষ রোপণকালে কৃষকদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘একটি গাছ শুধু আমাদের অক্সিজেনই দেয় না, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত বছরে অন্তত একটি গাছ লাগানো এবং সেটির পরিচর্যা করা।’ মানুষের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম জাগিয়ে তুলতে কৃষক দল বরাবরের মতোই এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করবে বলেও জানান কৃষক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।


নির্বাচিত

ফেনীতে শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে টিকটকে ভিডিও পোস্ট, গ্রেপ্তার ১

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীতে শিশু শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে টিকটকে ভিডিও প্রকাশ করার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় মোজাম্মেল হোসেন প্রকাশ হোসাইন (২০) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া মামলায় নাম থাকা অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। পরে রাতে ফেনী শহরতলির লালপোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ।

অন্য আসামিরা হলেন, পশ্চিম সিলোনিয়া এলাকার সালমান (২০) ও যাত্রাসিদ্ধি এলাকার মাহফুজ (১৯)।

​জানা যায়, গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মৈশাইল এলাকার মনির হোসেনের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ফেনী সদর উপজেলার উত্তর সিলোনিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

​মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই দুপুরের পর ফেনী সদরের গোবিন্দপুর এলাকায় স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল ৬ বছর বয়সি এক শিশু। পথে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে। তাদের মধ্যে দুজন শিশুটির হাত ধরে টানাটানি শ্লীলতাহানি ও উত্ত্যক্ত করে। অন্য এক যুবক পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পোস্ট করে। পরে ৩০ জুলাই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সর্বস্তরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজর এড়ায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও। গত বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী শহরতলির লালপোল এলাকা থেকে অভিযুক্ত মোজাম্মেল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে একই রাতে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

​ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, ‘ভিডিওটি নজরে আসার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’


নির্বাচিত

বই না পড়ে কেউ স্মরণীয় ও বরণীয় হতে পারে না: বিভাগীয় কমিশনার 

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে পাঠক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গতকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘বই না পড়ে কেউ স্মরণীয় ও বরণীয় হতে পারে না। একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত বই পড়ার বিকল্প নেই।’

ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য তাদের বই পড়ায় উৎসাহিত করতে হবে এবং মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘বই আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। বইকেনা ও পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে জাতি মননে আরও সমৃদ্ধ হবে।’

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও প্রকল্প পরিচালক মু. বিল্লাল হোসেন খান ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোছা. মরিয়ম বেগম। স্বাগত বক্তৃতা করেন বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান মো. সাইফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ৬৪ জেলায় ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিচালনা করা হচ্ছে।

পাঠক সমাবেশ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা। অতিথিরা ভ্রাম্যমাণ বইমেলা পরিদর্শন করেন। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এর আগে বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উল্লেখ্য, পাঠক সমাবেশ উপলক্ষে বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে চার দিনব্যাপী বইমেলায় পাঁচটি স্টলে ৩০ শতাংশ ছাড়ে বই বিক্রি করা হচ্ছে। আজ ১ আগস্ট বইমেলা শেষ হবে।


নির্বাচিত

রুনা হত্যা মামলার তদন্তে ধীরগতি, বিচার দাবিতে ক্ষুব্ধ ইবি পরিবার

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের মামলার চার্জশিট এখনো না হওয়া ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের ফরেনসিক রিপোর্ট প্রাপ্তিতে ধীরগতি হওয়ায় ক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। তবে, মামলার অগ্রগতির নিমিত্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির জন্য আবেদন করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো সরবারহ করেনি বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ৫ মার্চ এ ঘটনায় ইবি থানায় ফজলুকে প্রধান আসামিসহ মোট চারজনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করলেও ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থা।

হত্যাকাণ্ডের পর কয়েক দিনের মধ্যে সিআইডি স্পেশাল ফোর্স ঘটনাস্থল থেকে আলামতগুলো উদ্ধার করে পরবর্তীতে সেগুলো ফরেনসিকের জন্য প্রেরণ করা হয়। এখনো রিপোর্ট আসেনি বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

বিভাগের শিক্ষার্থী বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, ‘ম্যামের হত্যাকাণ্ডের সাড়ে চার মাস হয়ে গেছে। তবুও প্রশাসনের অসম্পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছে। এখনো পর্যন্ত ম্যামের হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। ম্যামের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। ম্যামের পাওনাকৃত অর্থ (পেনশন) দেওয়া হয়নি। ম্যামের পরিবারের কর্মক্ষম ব্যক্তির জন্য কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়নি। চার্জশিট এখনো পর্যন্ত জমা করা হয়নি। ফরেনসিক রিপোর্ট এখনো পর্যন্ত আসেনি। ম্যামের নামে হলের নামকরণ করা হয়নি। শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ম্যামের সন্তানরা অনেক সহ্য করে আছে। কিন্তু ম্যামের প্রতি, পরিবারের প্রতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রশাসনের এত অন্যায়; কিন্তু সৃষ্টিকর্তাও মেনে নেবে না। আমি প্রশাসনকে বলতে চাই, আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না। অযৌক্তিক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান করছি। অন্যথায় এবার যদি ম্যামের সন্তানদের মাঠে নামতে হয়, তাহলে কিন্তু প্রশাসনের ব্যক্তিদের গদি লইড়া যাবে।’

বিভাগের শিক্ষার্থী পাভেল জামান আকাশ বলেন, ‘আমরা আন্দোলনে নামলে প্রশাসনের নজরে আসে অন্যথায় তারা বিষয়টাকে গুরুত্ব সহকারে নেয় না। আন্দোলন কঠোর রূপ ধারণ করলে প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়। ম্যামের হত্যাকারী দৃশ্যমান তবুও বিচারিক প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা সুস্পষ্ট যা ক্ষোভ তৈরি করছে। আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব।’

নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বা তদন্ত কর্মকর্তার নিকট থেকে তেমন আপডেট পাই না। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে মামলার অগ্রগতি হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেন।’

অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ সাইদ বলেন, ‘মামলা আদালতের গতানুগতিক ধারায় চলমান রয়েছে। আসামির পক্ষে কেউ এখনো জামিন ধরেনি। ফলে অভিযুক্ত ফজলু জেলে আটক রয়েছেন। মামলার শুনানি কবে শুরু হবে বা অভিযুক্ত ফজলু রিমান্ড চলাকালীন সময়ে কি জবানবন্দি দিয়েছে সেসব আদালতের গোপনীয় বিষয়। এগুলো এই মুহূর্তে জানার কোনো সুযোগ নাই আমাদের।’

এ বিষয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেছি। সে রিপোর্টের তথ্য সমন্বয় করলে মামলার অগ্রগতিতে সহায়তা হবে। ঘটনাস্থল থেকে সিআইডির ফরেনসিক টিম গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করে আমাদের নিকট হস্তান্তর করেছিলেন। এ ছাড়া ঘটনার সময়কালীন একটি ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গিয়েছিল। ফুটেজগুলো জব্দ করে প্রকৃত কি না পরীক্ষার জন্য ঢাকা সিআইডির ফরেনসিক ইউনিটে বিজ্ঞ আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে প্রেরণ করা হয়েছে। এখনো আমরা ফরেনসিক রিপোর্ট পাইনি। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালতে পেশ করব।’

চার্জশিটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মূল হত্যাকারী জেলহাজতে আছেন এবং মামলা চলমান। বাকি যারা আছে তারা পলাতক। তাদের আনুষঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহসহ তাদের গ্রেপ্তার করার জন্য বিভিন্ন থানা ও অন্যান্য সংস্থায় চিঠিও দেওয়া আছে। যাতে পলাতকদের গ্রেপ্তার করতে পারে। হত্যাকারী ফজলুর রহমানকে আরও অন্য কেহ হত্যার প্ররোচনা দিয়েছিল কি না সে বিষয়ে নিয়েও কাজ করছি। হত্যার মোটিভ উদঘাটনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল স্টেকহোল্ডারের সাথে কথা বলে তাদের নিকট থেকে সাক্ষ্য নিচ্ছি। আমরা কোনো ধরনের তড়িঘড়ি করছি না যাতে মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে বাধাগ্রস্ত হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত রিপোর্ট সিন্ডিকেটে উত্থাপিত হয়েছে এবং সিন্ডিকেট মনে করেছে উচ্চতর তদন্ত হওয়া উচিত সেই জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা কাজ করছে। সুতরাং যতক্ষণ তদন্তাধীন জিনিস থাকবে ততক্ষণ পূর্বের তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ নাই।’


নির্বাচিত

চা-শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে কমলগঞ্জে গণবিক্ষোভ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা অবিলম্বে কার্যকর, শ্রম অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা-বাগানে ‘বাংলাদেশের সাধারণ চা-শ্রমিক ও ছাত্র-যুবক’ এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় চা-বাগানের শ্রমিক, ছাত্র-যুবকসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

মিরতিংগা চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মন্টু অলমিকের সভাপতিত্বে এবং ইমরান নাজিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চা শ্রমিক নেতা জনক লাল দেশোয়ারা (জনি), শমশেরনগর চা-বাগানের ছাত্রনেতা গোপাল যাদব, জগদীশ বাউরী, দেওরাছড়া চা-বাগানের ছাত্রনেতা অনুরাগ কর্মকার রাজু, গিয়াসনগর চা-বাগানের ছাত্রনেতা মুমিন আহমেদ এবং চা-ছাত্র যুব পরিষদ মনু-ধলই ভ্যালীর যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিরতিংগা চা-বাগানের শ্রমিক সন্তান মানিক প্রসাদ পাল।

সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের বাজারে বর্তমান মজুরি দিয়ে চা-শ্রমিকদের সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জাতীয় সংসদে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা বাস্তবায়নের বিষয়টি উত্থাপিত হলেও তা আটকে আছে।’ বক্তারা এই দাবি অবিলম্বে কার্যকর করার জোর আহ্বান জানান।

এ ছাড়া শ্রম অধিদপ্তরের অযাচিত ও অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ করে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান তারা। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা দিলে পরবর্তীতে চা-শিল্পে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যা কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়।’

অন্যান্যর মধ্যে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন লাইন চৌকিদার সুজন মাল, মহিলা দফার সর্দারনি নিয়তি গৌর, গীতা পাইনক্কাসহ বিভিন্ন চা-বাগানের শ্রমিক প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সমাবেশ থেকে নেতারা সতর্কবার্তা দিয়ে জানান, তাদের এই যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে মেনে না নেওয়া হলে পুরো চা অঞ্চলজুড়ে কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


নির্বাচিত

প্রকৃতি ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ভদ্রা খালে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভদ্রা খালে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে এক বিশাল যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানের মাধ্যমে খাল থেকে বিপুল পরিমাণ ক্ষতিকারক নেট-পাটা ও রিং জাল (চায়না দুয়ারি) অপসারণ করে তাৎক্ষণিকভাবে তা জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মৎস্য দপ্তর এবং ডুমুরিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অংশ নেয়।

​দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির অসাধু জেলে ও দখলদার ভদ্রা খালের বিভিন্ন পয়েন্টে বাঁশের বেড়া বা নেট-পাটা দিয়ে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ আটকে রেখেছিল। এ ছাড়া ক্ষতিকারক ‘চায়না দুয়ারি’ জালের অবাধ ব্যবহারে রুই, কাতলা, মৃগেল থেকে শুরু করে ছোট আকারের দেশীয় প্রজাতি যেমন—টেংরা, পুঁটি, খোলসে ও বাইম মাছের রেনু পোনাও ধ্বংস হচ্ছিল। এতে স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে পুরো ভদ্রা খালজুড়ে এই বিশেষ অভিযান চালায়।

​ডুমুরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘স্থানীয় কিছু অসাধু লোক খালের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি ও পানিপ্রবাহ আটকে অবৈধ নেট-পাটা ও চায়না দুয়ারি জাল বসিয়েছিল। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকারি নির্দেশনানুযায়ী আমরা কোনো প্রকার বেআইনি কাজ সহ্য করব না। ডুমুরিয়ার কোনো খাল বা উন্মুক্ত জলাশয়ে কোনো অবৈধ জাল বা নেট-পাটা থাকবে না। জলাশয়গুলো জনসাধারণের, এখানে কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করে প্রকৃতিকে ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আগামীতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং প্রয়োজনে কঠোর আইনি শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, ‘চায়না দুয়ারি এবং নেট-পাটা মাছের জন্য এক ধরনের ‘‘নীরব ঘাতক’’। এর ফাঁদ এতই ছোট যে, পানির একদম তলদেশ দিয়ে চলাচলকারী মাছের ডিম ও রেনু পোনা পর্যন্ত এতে আটকে মারা যায়। ডুমুরিয়া উপজেলাকে মৎস্যসম্পদে সমৃদ্ধ রাখতে হলে এই ক্ষতিকর প্রবণতা বন্ধ করতেই হবে।’

​অভিযান চলাকালে ভদ্রা খালের দুই পারের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়। মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের এ ধরনের শক্ত পদক্ষেপে তারা আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

​স্থানীয় এক বয়োবৃদ্ধ বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের এলাকায় আগে কখনো এমন অভিযান দেখিনি। অফিসে বসে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মকর্তারা এখন সরাসরি খালে-বিলে নেমে এই ক্ষতিকর জালউচ্ছেদ করছেন, যা প্রশংসার দাবিদার। খালটি মুক্ত হলে দেশি মাছ যেমন বাঁচবে, তেমনি পানির প্রবাহও ঠিক থাকবে।’

​সংশ্লিষ্ট পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের এই যৌথ উদ্যোগ নিয়মিত বজায় থাকলে ভদ্রা খালসহ আশেপাশের জলাশয়ে অবৈধ মৎস্য আহরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে, যা দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক বংশবৃদ্ধি ও দক্ষিণাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

মাদারীপুরে ছেলেকে জমি লেখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ পিতাকে মারধর

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুর সদরের দত্ত কেন্দুয়ায় জমি লেখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে ৭০ বছরের বৃদ্ধ পিতাকে মারধর করার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

জানা যায়, সদর উপজেলার দত্ত কেন্দুয়ার বৃদ্ধ করম আলী ঘরামি (৭০) তার মেঝ ছেলে আজিজুল ঘরামীকে বাড়ির পাশের একটি জমি লেখে দেন। এতে তার অন্য দুই ছেলে আ. সোবহান ও ইমামুল এবং এক পুত্রবধূ আকলিমা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে পিতা করম আলীকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

বৃদ্ধ পিতাকে অমানুষিক মারধরের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশ করে বলেন, ‘জমি লেখে দেওয়ার বিষয়টি পারিবারিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে ফায়সালা করা যেত; কিন্তু সে জন্য সন্তান কর্তৃক বৃদ্ধ পিতাকে মারধর করা অমানবিক কাজ।’

আহত করম আলী ঘরামী জানান, আক্রমণ করা তার ওই দুই ছেলে তাকে ভরণ-পোষণ দেয় না বরং প্রায়ই মানষিক ও শারিরীক নির্যাতন করে, অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।

ওই ঘটনায় মেঝ ছেলে আজিজুল ঘরামীর স্ত্রী মুক্তা বেগম অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বিষয়টি হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ রাজ্জাক ‘হাসপাতাল ইন্সিডেন্ট রিপোর্ট’ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার কর্তৃক লিখিত অভিযোগ পেলে সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ।


নির্বাচিত

ভাঙ্গুড়ায় জেলি, সয়াবিন তেল ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হতো নকল দুধ!

ভাঙ্গুড়ায় জেলি, সয়াবিন তেল ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হতো নকল দুধ!
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির এক কারিগরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলার সিংগাড়ি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে এই রায় দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী (৪২) ওই গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। এ সময় সেখান থেকে নকল দুধ তৈরির উপাদান তিন ড্রাম জেলি ও বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালসহ ২০০ লিটার নকল দুধ জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আশরাফুল নিজ বাড়িতে সিলিং সেন্টার বসিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ নকল দুধ তৈরি করে আসছিল। এসব দুধ তিনি এলাকার বিভিন্ন সিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন। আর এভাবে তিনি নকল দুধ তৈরি করে অল্প দিনের মধ্যেই হয়ে গেছেন কোটিপতি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান। অভিযানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫০ ধারা অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রাতেই তাকে থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়।


নির্বাচিত

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও নকল প্রসাধনী বিক্রি, টাঙ্গাইলে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কী ও ভাবখণ্ড বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে শিশুদের নকল প্রসাধনী ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালাও করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে জামুর্কী বাজারের মহন্ত স্টোর থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুদের প্রসাধনী জব্দ করা হয়। এ অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করে ল্যাব পরিচালনার দায়ে জামুর্কী বাজারের মির্জাপুর পপুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই বাজারে জামুর্কী লাইফ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে একটি ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অপরদিকে উপজেলার ভাবখন্ড বাজারে পরিচালিত পৃথক অভিযানে একটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে আরও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল শিশুদের প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।’ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।


নির্বাচিত

মানিকগঞ্জে বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আজিজুল হাকিম, মানিকগঞ্জ

‘প্রতারণার ফাঁদে বন্দি’ এই প্রতিপাদ্যে যথাযোগ্য মর্যাদায় মানিকগঞ্জে বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম মানবপাচার, লোক চোরাচালান এবং সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধ ৪-দফা কাঠামো প্রকল্পের উদ্যোগে মানিকগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে মানিকগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী নূর অতএব আহম্মদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক আওলাদ হোসেন, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ব্র্যাক ডিসট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. শফিকুল ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এমআরএসসি কো-অর্ডিনেটর রোমানা আফরোজা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ প্রকৌশলী নূর অতএব আহম্মদ বলেন, ‘সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবপাচার রুখে দেওয়া সম্ভব। তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়িত্বশীল ও সতর্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মানবপাচারের ফাঁদ থেকে বাঁচতে পারি।’

এ ছাড়াও মুক্ত আলোচনায় এনজিও প্রতিনিধিরা, মানবপাচারের শিকার সারভাইভার, সম্ভাব্য অভিবাসী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে নিজ নিজ মতামত ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।


নির্বাচিত

কুলিয়ারচরে চলন্ত ট্রেন থেকে এসির মোটর চুরি, আটক ২

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে চলন্ত বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বগি থেকে মোটর খুলে নিয়ে পালানোর সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে কুলিয়ারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ট্রেনের নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের আটক করেন। এ সময় চুরি হওয়া এসির মোটরটিও উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- ভৈরব নিউটাউন এলাকার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে মো. দুলাল মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাবু মিয়ার ছেলে মো. আরিফ (১৬)।

রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভৈরব স্টেশন অতিক্রম করে কুলিয়ারচরের দিকে যাচ্ছিল চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুরগামী আন্তনগর বিজয় এক্সপ্রেস। এ সময় ট্রেনের একটি এসি বগির মোটর খুলে ফেলেন দুই ব্যক্তি। পরে চুরি করা মোটর নিয়ে তারা চলন্ত ট্রেন থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন।

বিষয়টি কয়েকজন যাত্রীর নজরে এলে তারা ট্রেনের স্টাফদের জানান। পরে জরুরি ভিত্তিতে কুলিয়ারচর স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই খরকমারা এলাকায় ট্রেনটি থামানো হয়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ধাওয়া করে চুরি করা মোটরসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, আটক দুজন ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকেই চুরির উদ্দেশে এসির মোটর খোলার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

আটকের পর স্থানীয় কিছু লোকজন তাদের মারধর করেন। পরে ট্রেনের নিরাপত্তাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের হেফাজতে নেন। উদ্ধার করা হয় চুরি হওয়া এসির মোটর।

পরে আটক দুজনকে ওই ট্রেনেই কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে (জিআরপি) থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী বলেন, ‘চলন্ত ট্রেন থেকে এসির যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। প্রথমে যাত্রীরা বিষয়টি টের পান। পরে তারা ট্রেনের স্টাফদের জানালে এসির যন্ত্রাংশ খোলার সরঞ্জামসহ দুজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’


নির্বাচিত

ডিমলার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজে একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন, নীলফামারী

দীর্ঘ ১৭ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত থাকার পর অবশেষে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজে চারতলা ভিতবিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বেলা ১১টায় কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভবনটির উদ্বোধন করেন ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) আহ্বায়ক ও নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।

উদ্বোধন শেষে কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ হওয়ায় দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে কলেজটি প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ফলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ এবং শ্রেণিকক্ষ সংকট দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বক্তারা আরও বলেন, নবনির্মিত একাডেমিক ভবন চালু হওয়ায় কলেজের শ্রেণিকক্ষের সংকট অনেকটাই দূর হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হবে। ভবিষ্যতে কলেজের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাজেরুল ইসলাম এবং প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের সহধর্মিণী তামান্না ইয়াসমিন।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয়গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

স্বপ্নের চবিতে আবাসন সংকট, ভোগান্তিতে হাজারো শিক্ষার্থী

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শামীম ভূইয়া, চবি

২৮ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ২৩০০ একরের পাহাড়ী ক্যাম্পাসে পড়াশোনার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হয়।

স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরই তাদেরকে চরম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। ২৮ হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে মাত্র ১৪ টি আবাসিক হল যেখানে মাত্র ৯ হাজার শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা ভোগ করতে পারে। মোট শিক্ষার্থীর মাত্র ২১% আবাসন সুবিধা পেয়ে থাকে বাকিদেরকে থাকতে হয় বাহিরের বিভিন্ন কটেজ কিংবা মেচ ভাড়া করে। সেখানেই তাদেরকে সত্যিকার জীবনযুদ্ধ টা করতে হয়। কোনোরকম থাকার মত একটি সিট জোগার করতেই শিক্ষার্থীদের গুনতে হয় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। এরপর খাবারের জন্য হোটেল এবং ক্যান্টিনগুলোতে ভিড় করতে হয়। হোটেল ব্যবসায়ীরা এ ফাঁকে ফায়দা লুটে নেয়। অপরিচ্ছন্ন ও নিম্নমানের খাবার বিক্রি করে চরম মূল্যে। এ যেন মরার উপর খঁড়ার গা।

ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা টিউশনের জন্য ২৫ কিলোমিটার শাটল ট্রেনে চড়ে শহরে যেতে হয়, সেখানেও টিউশন মিডিয়ার বলির পাঠা হতে হয়। ৩ হাজার টাকার টিউশন নিতে মিডিয়াকে দিতে হয় ৬০% পর্যন্ত ফি।

নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তিটা তুলনামূলক বেশি হয়। শাটলে করে আসা যাওয়ার জন্য প্রতিদিন ৪ ঘন্টা ব্যয় হয়। শাটল ট্রেনেও শিক্ষার্থীরা মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকেন, দূর্বৃত্তদের ছোরা পাথরে আহত হয় অসংখ্য শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চবি শিক্ষার্থীদের জন্য যাতায়াতের একমাত্র বাহন শাটল ট্রেন, সেটিরও প্রতিদিন শিডিউল বিপর্যয় ঘটে। দূর্বল ইঞ্জিন দিয়ে ঠিকমত সেবা দিতে পারে না শাটল।

অন্যদিকে শিক্ষক- কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে স্পেশাল বাস সেবা। শিক্ষকবাসে আবার শিক্ষার্থীদের উঠা সম্পূর্ণ নিষেধ।

এছাড়া ক্যাম্পাসে রয়েছে স্থানীয়দের একক আধিপত্য, শিক্ষার্থীরা অটো রিকশায় যাতায়াত, দোকানে কেনাকাটা করতে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে ঝামেলা পোহাতে হয়।

২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী আশফাক বলেন, "সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস দেখে ভর্তি হয়েছিলাম কিন্তু এখন বুজতেছি ঠিকে থাকা কতটা মুশকিল।"

২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী রাহাদ বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজেদের সুযোগ সুবিধার কথা কেবল চিন্তা না করে আমাদের জন্য চাইলে কিছু করতে পারে। কয়েকটা হল নির্মাণ করলে আমরা এতটা ভোগান্তির মধ্যে থাকি না।”


নির্বাচিত

banner close