বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
১০ আষাঢ় ১৪৩৩

কক্সবাজারের ৮ ফিশিং ট্রলারসহ ৭০ জেলে নিখোঁজ, ৫ মরদেহ উদ্ধার

২ শতাধিক গ্রাম পানিবন্দি
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৭:৩৫
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৭:২৪

কক্সবাজারে গতকাল শুক্রবারের তুলনায় আজ শনিবার বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। এ পরিস্থিতিতে কক্সবাজার শহরে জলাবদ্ধ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও বেড়েছে প্লাবিত এলাকার সংখ্যা। এখনও জেলা সদরসহ ৬ উপজেলার অন্তত ২ শতাধিক গ্রাম পানিবন্দি থাকার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ৮টি ফিশিং ট্রলারসহ অন্তত ৭০ জেলে নিখোঁজের তথ্য জানিয়েছেন মালিকরা। এর মধ্যে ৫ জনের মরদেহ সাগরের উপকূলে ভেসে এসেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, শুক্রবার বেলা ১২টা থেকে শনিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমান ২১০ মিলিমিটার। বৃষ্টি কিছুটা কমলেও ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টা থেকে শুক্রবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ৫০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা কক্সবাজারের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বৃষ্টি। এর আগে ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে ৪৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল।

বৃষ্টি কমে যাওয়ায় কক্সবাজার শহরের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে। পর্যটন জোন কলাতলীর হোটেল মোটেল এলাকার সকল সড়ক, সৈকত সংলগ্ন এলাকা, মাকের্ট এলাকা থেকে নেমে গেছে পানি। শহরের প্রধান সড়কের বাজারঘাটা, বড়বাজার, মাছবাজার, এন্ডারসন সড়ক, টেকপাড়া, পেশকারপাড়া, বার্মিজ মার্কেট এলাকা, বৌদ্ধমন্দির সড়ক, গোলদিঘিরপাড়, তারাবনিয়াছড়া, রুমালিয়ারছড়া, বাাঁচা মিয়ার ঘোনা, পাহাড়তলী এলাকা থেকেও পানি নেমে গেছে বলে জানা যায়।

তবে শহরের সমিতিপাড়া, কুতুবদিয়াপাড়া, ফদনারডেইল, নুনিয়াছড়াসহ ৮টি নিম্নাঞ্চল এখনও পানিবন্দি রয়েছে।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, বৃষ্টি কমে যাওয়ায় হোটেল মোটেল জোনে এখন পানি নেমে গেছে। তবে বৃষ্টি হলেই এখন আতংক তৈরি হচ্ছে। মুহুর্তের মধ্যেই জলাবদ্ধতা হচ্ছে। নালা উন্নত করা না হলে এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না।

উখিয়া উপজেলা ৪০টির বেশি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি থাকার তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। উখিয়ার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হলদিয়াপালং ও জালিয়া পালং ইউনিয়নে।

এই দুই ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামের ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ গত দুই দিন ধরে পানির নিচে বসবাস করছে। ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় রান্না হচ্ছে না অধিকাংশ ঘরে।

জালিয়া পালং ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া, ঘাটঘর পাড়া পাইন্যাশিয়া, সোনাইছড়ি, সোনারপাড়া ডেইপাড়া মনখালি, হলদিয়া পালং ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া, মনির মার্কেট, রুমখা পালং, বড়বিল, পাতাবাড়ি, নলবুনিয়া, খেওয়া ছড়ি, বৌ বাজার, কুলাল পাড়া, পাগলির বিল, রাজা পালং ইউনিয়নের কুতুপালং, মাছকারিয়া, লম্বাশিয়া তুতুরবিল, পিনজির কুল, রত্নাপালং ইউনিয়নের সাদৃ কাটা, পশ্চিম রত্না, খোন্দকার পাড়া, গয়াল মারা ও পালংখালী ইউনিয়নে থাইংখালী, রহমতের বিল, বালুখালী তৈল খোলা, আঞ্জুমান পাড়া ফারিবিল সহ অন্তত ৪০টি গ্রামে পানি তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

উখিয়া উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান রাসেল চৌধুরী জানান, বন্যায় উপজের ৫ ইউনিয়নে অনেক এলাকার মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। জালিয়া পালং ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন এর মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হলদিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, দুই মাসের ব্যবধানে ৪ দফা বন্যায় তার ইউনিয়নের ২০টির বেশি গ্রামের মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভির হোসেন জানান, বন্যায় কবলিত এলাকার মানুষের জন্য জেলা থেকে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমেও সহযোগিতার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে বৃষ্টিতে চকরিয়া-পেকুয়ার বিভিন্ন নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে জানা যায়। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যার আশঙ্খা রয়েছে।

চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, বিএমচর, কোনাখালী ও বদরখালী ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অন্তত ২০ হাজার লোক পানি বন্দি রয়েছে। এছাড়া আমন ধানের ক্ষেত ও শীতকালিন বিভিন্ন সবজির চারা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়।

মানকিপুর-সুরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিমুল হক বলেন, মানিকপুর এলাকায় বৃষ্টিতে নিচু এলাকার অন্তত ২শতাধিক ঘরবাড়ি বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ী এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ছালেকুজ্জামান বলেন, আমার ইউনিয়নের পহরচাঁদা, গোবিন্দপুর ও ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তাদের নিরাপত্তা ও শুস্ক খাবার বিতরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

পেকুয়ার ৭ ইউনিয়নের মধ্যে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা, রাজাখালী, উজানটিয়া ও মগনামা ইউনিয়নের ১০টি এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের এলাকার খোঁজখবর রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ও নদীর তীরবর্তী অবস্থানরত লোকজন নিরাপদে সরিয়ে যেতে উপজেলার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন সহায়তা করতে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

পেকুয়ার শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, তিনদিনের টানা বৃষ্টির কারনে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কিছু বসতঘর ও দোকান-পাটে পানি ঢুকেছে।

এদিকে দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ৮টি ফিশিং ট্রলার নিখোঁজ থাকার তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ থাকা এসব ট্রলার ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কিছু জেলে সাঁতার কেটে উপকুলে ফিরেছে। উদ্ধার হয়েছে ৫ জনের মরদেহও। ফলে এসব ট্রলারের আরও অন্তত ৬৮ জেলে নিখোঁজ রয়েছে।

শনিবার সকালে কক্সবাজার সৈকতের নাজিরারটেক, পেঁচারদ্বীপ, ইনানী ও কলাতলী উপকুলে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

এর মধ্যে দুই জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরা হলেন, বাঁশখালী উপজেলার শেখেরকিল এলাকার নুরুল আমিন (৪০), লোহাগাড়া উপজেলার চরমবা এলাকার মোহাম্মদ জালাল (৩৭) ও আব্দুল করিম (৩৫) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। অপর দুই জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মরদেহ ৫টি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে জানা গেছে।


নির্বাচিত

ঝিনাইদহে ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেলেন শতাধিক মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের অগ্নিবীণা সড়কে অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০০ জন গ্রাহক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা দেন কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আলী রেজা তপু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিফাত হাসান খান, চুয়াডাঙ্গা মোড় শাখার ম্যানেজার সাদিক-ই-নুর, ঝিনাইদহ প্লাজার ম্যানেজার তোতা মিয়া, হেলথ কেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস অফিসার আলী মুরাদ খান শুভ, জাকারিয়া হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষরা। তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকরা জানান, ওয়ালটন প্লাজা শুধু ব্যবসায়িক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের মতো ঝিনাইদহেও এই বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ঝালকাঠি জেলায় ৮২ হাজার শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

টিকা সংকটে প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৮ জুন ঝালকাঠি জেলায় ৮২ হাজার ৫০১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত একটি সভায় বুধবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য বলছে, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে ক্যাম্পেইন। এদিন ঝালকাঠির চারটি উপজেলার সকল ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে একযোগে ৮২ হাজার ৫০১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সি ১০ হাজার ১১ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সি ৭২ হাজার ৪৯০ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুসারে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা। তবে ক্যাপসুলসংকটে গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে তা আর হয়নি। দীর্ঘ ১৪ মাস পর আগামী ২৮ জুন এই ক্যাম্পেইন হচ্ছে।


নির্বাচিত

কুড়িগ্রামে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার ও উদ্ভাবনী পরিদর্শন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

‘বদলে যাচ্ছে কৃষিটা রোজ, নতুন প্রযুক্তিতেই সাফল্যের খোঁজ’ এই স্লোগানে সফল কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন করানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় বুধবার (২৪ জুন) সকালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় আরডিআরএস বাংলাদেশ কৃষকদের এই সফরের আয়োজন করে।

উপজেলার বিএডিসি, খামার, সমন্বিত আদর্শ খামার, আধুনিক কৃষি নার্সারি পরিদর্শন করানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রামের ৩৫ জন লিড কৃষকদের আধুনিক নার্সারি, সমন্বিত কৃষি খামার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি সরাসরি প্রদর্শনের জন্য সফল ও আদর্শ কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি করে আরডিআরএস বাংলাদেশের স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট কৃষি ইউনিট।

আরডিআরএস-এর টেকনিক্যাল অফিসার কৃষিবিদ সজিব আহমেদ জানান, লিড ফার্মারদের এক্সপোজার ভিজিট বা অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর হলো কৃষকদের জন্য একটি প্রায়োগিক শিক্ষা কার্যক্রম, যার মূল উদ্দেশ্য ‘দেখা এবং বিশ্বাস করা’ এর মাধ্যমে নির্বাচিত মডেল ও সফল খামারিদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জন করা হয়।

‎উক্ত আয়োজনে সমন্বিত কৃষি খামারের পাশাপাশি কৃষকরা বিএডিসি পরিদর্শন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমান ও কৃষিবিদ জলিল উদ্দিন।

এ সময় বিএডিসি’র কার্যক্রম, আধুনিক বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং বিপণন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, কীভাবে কৃষক বিএডিসি থেকে উপকৃত হতে পারে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।‎


নির্বাচিত

খুলনায় নবীন আইনজীবীদের পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ২০২৬ সালে তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবীদের নিয়ে পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে সমিতির লাইব্রেরি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন আইনজীবীদের ফুল ও আইডি কার্ড প্রদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. মাসুম রশিদ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা মশিয়ুর রহমান নান্নু। বক্তারা নবীন আইনজীবীদের আইনপেশার মর্যাদা, দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও পেশাগত দক্ষতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তারা বলেন, ‘আইনপেশা কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব। তাই পেশাগত জীবনের শুরু থেকেই সততা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার চর্চাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, শেখ আব্দুল আজিজ ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুস। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এ কে এম শহিদুল আলম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আসাদুল আলম, ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা গোলাম মাওলা, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার (খোকন), মাহফুজুর রহমান, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম এবং অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান খানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. মাসুম রশিদ নবীন আইনজীবীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আইনপেশা শুধু জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্র নয়, এটি ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব। একজন আইনজীবীর পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি সততা, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহসিন চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মো. মোশারফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এম তহিদুজ্জামান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুন্নাহার নাজমুন্নেছা জেবা, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এবং সমিতির বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ভাত না খেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন ১৩ বছরের কিশোর বাঁধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

যেখানে আর দশজন ভাত খেয়ে বেঁচে আছে, সেখানে জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত ভাত না খেয়েই স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন কিশোর বাঁধন।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার দুর্গম পল্লী চলনবিল অধ্যুষিত গ্রাম বেড়াবাড়ি। এই গ্রামের কৃষক বুদ্দু মোল্লার পুত্র বাঁধন (১৩)। ২ বোনের ১ ভাই বাঁধন।

বড় বোন বর্ষা, ছোট বোন রুবি। বাঁধনের বাবা একজন দিনমজুর। বর্ষাকালে শ্যালো নৌকা চালিয়ে সংসার চালান। বাবা অসুস্থ হলে বাঁধন ও নৌকার হাল ধরেন। সে ও বাবার কাজে সহযোগিতা করেন। বাঁধন বিয়াশ উচ্চবিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আর সবার মতো সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবেই তার জন্ম। জন্মের পর তার কোনো সমস্যাই ছিল না। সমস্যা শুরু হয় ‘মুখে ভাত’ খাওয়া নিয়ে। সবাই যখন তার মুখে প্রথমবার ভাত দিতে যায়, তখন সে মুখে ভাত দিলেই কান্নাকাটি শুরু করে দেয় এবং বমি করে ফেলে। এতে করে বিব্রত হয়ে পড়ে তার পরিবার।

পরিবারের লোকজন ভাবে আরেকটু বড় হোক তখন ভাত খাওয়ানো যাবে। দুই বছর পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খেয়েই বড় হয় সে। এরপর তাকে আবার ভাত খাওয়ানোর চেষ্টা শুরু করে পরিবারের লোকজন। কিন্তু তখনো সে ভাত খেতে চায় না। জোর করে ভাত খাওয়াতে গেলেই বমি করে দেয়। যদিও পরিবারের কেউ তাকে ভাত খাওয়ানোর আর চেষ্টা করেনি। তবে ডাক্তার আর কবিরাজের কাছে গিয়েছেন কয়েকবার। কিন্তু কোনো চিকিৎসায় কাজ হয়নি।

বাঁধনের মা বলেন, ‘আমরা ভাত খাই তখন সে রুটি, মুড়ি কিংবা শুধু সবজি খেয়ে থাকে। আমাদের সাথে ভাত খেতে বসে না। সকালে মুড়ি, দুপুরে সবজি দিয়ে রুটি, রাতে মুড়ি খেয়ে থাকে। মুড়ি না থাকলে না খেয়ে থাকতে হয়। তবুও সে ভাত খাবে না।’

বাঁধনের বাবা বুদ্দু জানান, তার ছেলে ছোট থেকেই এই সমস্যা। শুকনো খাবার খেয়ে থাকে। ভেজা খাবারে চাহিদা নাই। ভাতের আশেপাশে থাকে না।

হয় তাকে আগে খেতে দিতে হয়। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে সে শুধু মাংস খায়।

বাঁধন বলেন, ‘আমি ছোট থেকেই শুকনা খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। ভাত খেতে পারি না। ভাত খেলেই বমি হয়। কেন হয় বলতে পারি না। বাবা, মা ভাত খাওয়ার সময় দূরে দূরে থাকি। আমি তাদের আগে কিংবা পরে মুড়ি, রুটি খেয়ে নিই।’

বিয়াশ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমি শোনেছি। সে আমার স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। বিদ্যালয়ে তার উপস্থিতি কম। তার ভর্তি রোল ৬১, স্কুলে নিয়মিত হলে তার বিষয়ে আমাদের আলাদা কেয়ার থাকবে।’


নির্বাচিত

সুগন্ধায় সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা, স্থান পরিদর্শনে সেতু কর্তৃপক্ষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে সুগন্ধা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। স্থানীয় উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনতে প্রস্তাবিত এ সেতুকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (২৪ জুন) সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীর প্রস্তাবিত ঝালকাঠি-নলছিটি সংযোগ সেতুর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদল।

সফরের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন (পিএন্ডডি) বিভাগের উপপরিচালক মো. নুর ইয়াসিনের নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধিদল সভায় অংশ নেয়। পরে তারা জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সুগন্ধা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে ঝালকাঠি ও নলছিটিসহ কয়েকটি আশপাশের জেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

তারা আরও বলেন, ‘সেতুটি দীর্ঘমেয়াদে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করবে এবং স্থানীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’


নির্বাচিত

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটার অভিযোগ, প্রকল্প কর্তৃপক্ষের ভিন্ন কথা

* এক পক্ষ বলছে বৈধ, অন্য পক্ষ উদ্বিগ্ন * ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন সেতুর নিরাপত্তায়
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে চারদিকে আলোচনা সমালোচনা শুরু হলে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি মহল সেতুর নিচের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে দিচ্ছে। এতে সেতুটি ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে সেতুর আশেপাশের মাটি কাটার অনুমতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পদ্মা সেতুর নিচে ও পাশে থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। তবে কে বা কারা এই মাটি নিয়ে যাচ্ছে তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আলীগঞ্জে অবস্থিত পদ্মা রেলসেতুটির পিলারের নিচে ও একপাশের মাটি কেটে নেওয়া চিহ্ন দেখা গেছে। সেতুটির ৮৫, ৮৬ ও ৮৭ নম্বর পিলারের আশপাশের মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে বিশাল বড় গর্ত তৈরি হয়ে পানি জমেছে। তবে আপাদত মাটি কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুবপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আবুবক্কর ও তাঁর অনুসারীরা সেতুর পিলারের গোড়া থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে কুতুবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবুবক্কর বলেন, আমি সেখান থেকে মাটি কেটে নেইনি। এটা ফতুল্লার কিছু লোকজন করছে। তবে আমার জানা মতে, মাটি কাটার অনুমতি আছে।

তিনি আরও বলেন, সেতুর নিচের মাটি কাটার জন্য চায়নার এক কোম্পানি টেন্ডার দিলে ঢাকার এক ব্যক্তি টেন্ডার পেয়েছিল। পরে তার সাথে মিলে কাজ শুরু করলে এলাকার লোকজন অনেক আগে বাধা দিয়েছিল। তখন আর মাটি কাটিনি। এটা প্রায় দুই বছর আগের ঘটনা। এখন নতুন করে ফের ফতুল্লার সাগর সিদ্দির ও তার লোকজন মাটি কাটছে।

সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের টিম সেখানে গিয়ে কথা বলেছে। পরে ওরা জেলা প্রশাসকের সাথে দেখা করেছে। রেলওয়ের লোকজন, মাটি কাটার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ আর্মির ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এই তিনটা প্রতিষ্ঠান ডিসি স্যারের সাথে দেখা করেছে। এ বিষয়ে তিনি বলতে পারবেন।

মাটি কাটার কাজ চলছে কিনা-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। এছাড়া অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বিষয়েও আমার জানা নেই।

ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর বলেন, রেলওয়ে প্রকল্পের অধীনে এ কাজ করেছে, এ বিষয়ে ওনারা জানে। প্রথম দিকে আমরা গিয়ে সেখানে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রেখেছিলাম। পরে তারা এটা নিয়ে ডিসি স্যারের সাথে মিটিং করেছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে এমন কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে প্রজেক্টের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।

পদ্মা রেলিং প্রজেক্টের ব্রিজ অ্যান্ড ভায়াডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল করিম বলেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে অনুমতি নিয়েই মাটি কাটা হয়েছে। পিলার নম্বর ৭৬ থেকে ৯০ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্থানে কাটা হচ্ছে, যা আগে জলাশয় ছিল। চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (CREC) কন্ট্রাক্টার মাটি ও বালু দ্বারা ভরাট করে ভায়াডাক্ট নির্মাণ কাজ শেষ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ওই অঞ্চলে পূবের মতো জলাশয় খনন করা হচ্ছিল। এটা এই প্রকল্পের একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশবান্ধব নির্দেশিকা। এক কথায়, কাজের সুবিধার জন্য এখানে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে কেটে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তবে সম্প্রতি মাটি কাটার ঘটনাটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা মোটেও ঠিক নয়। কিছু স্বার্থন্বেষী মহল নিজেদের লাভের জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে। এখানে জলাশয় থাকবে সেই অনুসারে ডিজাইন করা হইয়াছে এবং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যেহেতু ভূমির গভীরতা বিবেচনায় স্ট্রাকচারাল ডিজাইন অনুসারে পাইল, পাইল ক্যাপ এর ভিত্তির উপর অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে যা পিলারের কোন প্রকার ক্ষতি করবে না।


নির্বাচিত

অসহায় সোনালীর পরিবারে স্বস্তি, স্বামীর হাতে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার কধুরখীল কৈবর্ত্যপাড়ার বাসিন্দা সোনালী দাসের পরিবারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে দীর্ঘদিন কষ্টে থাকার পর সরকারি সহায়তার আওতায় এসেছেন তারা।

বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে সোনালী দাসের স্বামী নির্মল চন্দ্র দাসকে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এক বছরের সরকারি ভাতা বাবদ ১০ হাজার ৮০০ টাকা হস্তান্তর করা হয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পিপুল চন্দ্র নাথ বলেন, ‘সোনালী দাসের পরিবারের অসহায় অবস্থার খবর জানার পর তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা হয়। পরে স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সহায়তায় নির্মল চন্দ্র দাসকে বিশেষ সক্ষম ব্যক্তি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এরপর তাকে সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের আওতায় এনে সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

কার্ড ও ভাতার অর্থ গ্রহণের পর সোনালী দাস বলেন, ‘অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন।’

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় জানিয়েছে, পরিবারটির পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।


নির্বাচিত

মাগুরায় মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কর্মশালা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

"কারিগরি শিক্ষা দিলে দেশ-বিদেশ কর্ম মেলে " এ প্রতিপাদ্য নিয়ে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ ও ইন্ডাস্ট্রি লিংকেজ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মাগুরা জেলা অডিটরিয়ামে মাগুরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

এ কর্মশালায় মাগুরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাঃ সাজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক আব্দুল কাদের।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাগুরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবু সাঈদ মোল্লা, মাগুরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ মনির হোসেন , মাগুরা শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হারুন অর রশিদ। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড.মোহাম্মদ আনিসুর রহমান মৃধা ।

প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বনবাসী বর্মন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকার ASSET প্রকল্পের সংযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম।

ওয়ার্কশপে জানানো হয়, কারিগরি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ,কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও সৃজনশীল করতে সরকার নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শুধু সরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় বাংলাদেশের বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো দক্ষ করতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করছে সরকার।

আগামী দিনে কারিগরি শিক্ষার্থীরায় হবে দেশের উন্নয়নের চাবিকাটি। দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণে জেলার সরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বে সরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১২০ প্রধান, সুধীজন ও সাংবাদিক অংশ নয়।


নির্বাচিত

ঢাকায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নড়াইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

ঢাকার ধানমন্ডি ৩২শে জামাতের সমাবেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জামায়াতের নেতাকর্মীদের দ্বারা মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নড়াইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

নড়াইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বুধবার (২৪ জুন) বুধবার শহরের আদালত সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকরা হামলার শিকার হচ্ছেন।যা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য বড় হুমকিস্বরূপ। সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের

ন্যক্কারজনক হামলা ও হয়রানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

নড়াইল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করেন।তাদের ওপর হামলা মানে শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন আঘাত।

অনতিবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা ।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এস এম আব্দুল হক, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর রশিদ লাবলু, সিনিয়র সাংবাদিক খায়রুল আরেফিন রানা, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী

হাফিজুর রহমান,আল আমিনসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও অনেকে বক্তব্য দেন। জেলার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ,বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি,মানবাধিকারকর্মী এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।


নির্বাচিত

চুয়াডাঙ্গায় ‘জয় বাংলা’ লেখা বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৪ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
মো: মনিরুজ্জামান, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের রাইসার বিল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের প্রধান ফটকের পাশে ‘জয় বাংলা’ লেখা একটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। বেলা ১০ টার দিকে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ফটকের পাশে সন্দেহজনক বস্তুটি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মৎস্য কমিটির সদস্যদের অবহিত করেন। পরে খবর পেয়ে দর্শনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বস্তুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, হঠাৎ করে জনবহুল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের প্রবেশপথে এ ধরনের বস্তু পড়ে থাকতে দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন, উদ্ধার হওয়া বোমা সদৃশ বস্তুটিতে ‘জয় বাংলা’ লেখা থাকায় তাদের ধারণা, এটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নাশকতামূলক পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমা সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বস্তুটির প্রকৃতি ও এর সঙ্গে কারা জড়িত সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।


নির্বাচিত

গ্রেপ্তারের পর কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার মাত্র একদিনের ব্যবধানে মো. নুরুল আলম (৩৮) নামের এক যুবলীগ নেতার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি মারা যান। মৃত নুরুল আলম সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করে। থানা থেকে দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং আদালতের আদেশে ওইদিনই তাঁকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে জমির দখল নিয়ে প্রতিবেশী আরিফদের সঙ্গে নুরুল আলমের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে প্রভাব খাটিয়ে ডিবি পুলিশকে দিয়ে অন্যায়ভাবে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর প্রতিপক্ষের লোকজনের আনন্দ-উল্লাস ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টের ঘটনাটি পরিবারের এই অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, “চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। থানায় আনার আড়াই ঘণ্টার মাথায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমরা তাকে আদালতে পাঠাই। আমাদের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কোনো ঘটনা ঘটেনি।” তিনি আরও ধারণা করেন, গ্রেপ্তারের পর নুরুল আলম হয়তো মানসিক ট্রমার মধ্যে ছিলেন, যা থেকে তাঁর স্ট্রোক হয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে কারাগারে নিয়ে আসার পর থেকেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন। পরবর্তীতে বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। একজন রাজনৈতিক নেতার গ্রেপ্তারের স্বল্প সময়ের মধ্যে এমন মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

নীলফামারীতে ৩ লক্ষাধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ, নীলফামারী প্রতিনিধি

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নীলফামারীতে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলা ইপিআই ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৬ উপজেলা ও ৪ পৌরসভায় দিনব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার ৩ লাখ ৭ হাজার ২৬২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩১ হাজার ৪০৯ জন শিশুসহ ১০৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৩ জন শিশুসহ ২৭৬ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলার ৬১টি ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় ১ হাজার ৫৯০টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রথম সারির ১৯১ জন সুপারভাইজার ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মনিটরিং টিম কেন্দ্রগুলো তদারকি করবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার আতিউর রহমান শেখ আতিকসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

banner close