বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

ছবি: সংগৃহীত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
সারা বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৪ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:৩৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (০৩ অক্টোবর) দিনগত রাত ১টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের এলেঙ্গার কালিহাতী লিংক রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হতাহতদের প‌রিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। এ দিকে এই দুর্ঘটনার পর যমুনা সেতুর সংযোগ সড়কে আজ সকাল পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নান্নু খান জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে মহাসড়কের কালিহাতী লিংক রোডে একটি বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের চার যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।

তিনি আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।


নির্বাচিত

জয়পুরহাটে মাদকসহ স্ত্রী ও জুয়ায় স্বামী গ্রেপ্তার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ স্ত্রীকে ও অনলাইনে জুয়া খেলার অভিযোগে স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় স্বামীর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জয়পুরহাট পৌরসভার পূর্ব ধানমন্ডি এলাকার রিনা আক্তার (২১) ও তার স্বামী মো. পাপ্পু (৩৫)। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে পূর্ব ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অনলাইন জুয়াবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিবির একটি দল। এ সময় পাপ্পুর বসতবাড়ির সামনে থেকে মাদক বিক্রির অভিযোগে রিনা আক্তারকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ১০১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে একই অভিযানে অনলাইনে জুয়া খেলার অভিযোগে রিনা আক্তারের স্বামী পাপ্পুকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানে ডিবির এসআই মো. শাখাওয়াত হোসেন, এসআই মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান, এএসআই মো. সাজেদুর রহমান, এএসআই মো. আসাদুজ্জামান, এএসআই মো. সোহেল রানা ও কনস্টেবল রাকিবুল ইসলাম এবং পারভেজ অংশ নেন।

জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত দুইজনের বিরুদ্ধে পৃথক আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


নির্বাচিত

রাজশাহীতে পরিবেশবান্ধব গ্রীন বিল্ডিং এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন রাসিক প্রশাসক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমিনুল ইসলাম বনি , রাজশাহী ব্যুরো

বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকভারি প্রজেক্ট (এলজিসিআরআরপি) প্রকল্পের আওতায় গ্রীন বিল্ডিং এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ১৮নং ওয়ার্ডের শহীদ জিয়া শিশু পার্ক এর সামনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন প্রধান অতিথি হিসেবে গ্রীন বিল্ডিং এর ফলক উন্মেচন করে নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। ৩ হাজার ৭৫.৪২ বর্গফুট আয়তনে এ গ্রীন বিল্ডিংটি নির্মিত হচ্ছে। উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সোনাদিঘী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ক্বারী মোঃ মামুনুর রশীদ।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বাস্তবায়নে এ ভবনটি নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৩শ ৪৪টাকা। ৫ তলা ফাউন্ডেশনে ২য় তলা বিশিষ্ট গ্রীন বিল্ডিং এর নিচতলায় দোকান ঘর থাকবে। ২য় তলায় হলরুম/কমিউনিটি স্পেস ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণার থাকবে।

প্রকৌশল বিভাগ হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, পরিবেশ বান্ধব হলোব্লক দিয়ে এ বিল্ডিংটি নির্মিত হবে। নিজস্ব সোলার প্যানেল ব্যবহৃত উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে আলোকায়নের ব্যবস্থা করা হবে। উত্তরাঞ্চলে এটিই প্রথম বিল্ডিং। এ বিল্ডিংটিতে বিশেষায়িত গ্লাস ব্যবহৃত করা হবে যা তাপরোধী। বিল্ডিংটির রুফটফে তাপরোধী রংঙের কোটিং ব্যবহৃত হবে। যা বিল্ডিংটিকে শীতল রাখতে সহায়তা করবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য টয়লেট ও লিফটের ব্যবস্থা রাখা হবে। এই ভবনের সম্মুখ অংশে ভার্টিক্যাল গার্ডেনিং করা হবে। যা বিল্ডিংটিকে পরিবেশ বান্ধব রাখতে সহায়তা করবে।

উদ্বোধনকালে রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মোঃ মাহমুদুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী পরিকল্পনা জসীম উদ্দিন আরজু,

নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান সুইট, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শাহেদুজ্জামান জীবন, শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান, ১৭নং পূর্ব ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মেহের আলী, ১৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ বাবু, যুবনেতা তৌফিক আব্দুল্লাহ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

জামালপুরে ধর্মঘটের ৯ ঘণ্টা পর বাস চলাচল স্বাভাবিক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুর জেলা প্রশাসনের সাথে টানা ২ ঘণ্টা বৈঠকের পর জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা পরে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে জামালপুর জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও বিভিন্ন পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ইতোমধ্যে জামালপুর থেকে সারাদেশের সাথে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট রাতে জামালপুর সদর উপজেলার লাহেরীকান্দা এলাকায় রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ৪ জনের মৃত্যু হয় এ সময় আহত হয় অন্তত ১৬ জন। এ ছাড়া জামালপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে রাজিব পরিবহনের বেপোরোয়া গাড়ি চালানোর ফলে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বারবার প্রশাসনকে অভিযোগ করেও এর কোনো প্রতিকার না পেয়ে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকায় রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল ও বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ঢাকা ও জামালপুরগামী রাজিব পরিবহনের দুটি বাস থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেন। পরে নান্দিনা পূর্ববাজার খেলার মাঠে নিয়ে বাস দুটিতে ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার পর ওই সড়কে রাজিব পরিবহনের শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে জামালপুর বাস পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন জামালপুর থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে করে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

এ ব্যাপারে জামালপুর বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শুভ জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও বাস চলাচল নির্বিঘ্ন করতে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনকে ১১টি দাবি জানানো হয়েছে। দাবি পূরণের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়ায় ধর্ষণের পর ৯ বছরের শিশু নাদিয়া সুলতানা ইমুকে হত্যার ঘটনায় আসামি মো. জসিম উদ্দিনকে (২২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মাজহারী।

দণ্ডপ্রাপ্ত জসিম কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভাউকসার ইউনিয়নের গজারীয়া পূর্ব কলনীপাড়া গ্রামের মনোহর আলীর ছেলে। শিশু নাদিয়া সুলতানা ইমু একই গ্রামের মনজুমা বেগমের মেয়ে।

জানা গেছে, ইমু স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। পরীক্ষা শেষে সে পাশের গ্রামের খালার বাড়ি পূর্ব গজারিয়াতে বেড়াতে আসে। ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিকেল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্দেহ হওয়ায় প্রতিবেশী জসিমকে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়া হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে, পাশের বাঁশঝাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মাজহারী বলেন, শিশু ইমুকে বাড়ির পাশের নির্জন স্থানের বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায় জসিম। এ সময় তাকে ধর্ষণের পর শিশু ইমু এ ঘটনা সবাইকে বলে দেওয়ার ভয় দেখালে জসিম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ বাঁশঝাড়ে ফেলে রাখেন। পরে বরুড়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করলে জসিম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’

শিশু নাদিয়া সুলতানা ইমুর মা মনজুমা বেগম বলেন, আমার মেয়েকে জসিম নিষ্ঠুরভাবে দম বন্ধ করিয়ে হত্যা করেছে। ইমু আমার দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছিল। আমার কলিজার ধনকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আমরা আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়েছি। সে আমার মেয়েকে যেভাবে হত্যা করেছে আমিও তার মৃত্যু চাই। আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। তার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করব।


নির্বাচিত

পিরোজপুরে বিএনপি নেতার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম শেখের নিঃশর্ত মুক্তি ও সাজানো মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কদমতলা বাজারে ইউনিয়ন বিএনপি, সহযোগী সংগঠন ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

​কদমতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শেখের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে স্থানীয় নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য প্রদান করেন।

​বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মো. রিয়াজ হোসেন উজ্জ্বল বলেন, আবদুল ছালাম শেখ একজন ত্যাগী নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই সাজানো মামলা প্রত্যাহার ও তার মুক্তি দেওয়া না হলে আমরা রাজপথে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব।

​বিএনপি নেতা মো. ফারুক শেখ বলেন, আমরা বহু ত্যাগ স্বীকার করে আজকের অবস্থানে এসেছি। কিন্তু জামায়াতের কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে আজ আমাদের ত্যাগী নেতা আবদুস ছালাম শেখকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। অনতিবিলম্বে এই মিথ্যা নাটক বন্ধ করে তাকে মুক্তি দিন।

​মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালিকিন তপন, কদমতলা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুকুল শেখ, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহিদ শেখ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মোল্লা, কদমতলা বাজার কমিটির সভাপতি মহসিন মোল্লা এবং নারী প্রতিনিধি সুমি আক্তার।

​মানববন্ধনে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।


নির্বাচিত

চট্টগ্রামে নিজ বাসাতেই ঝুলছিল ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন নিজ বাসা থেকে মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান (৫৫) নামে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে থানার উত্তর আগ্রাবাদ রমনা আবাসিক এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, তিনি ‘আত্মহত্যা’ করে থাকতে পারেন।

ছায়েদুর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক পদে চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। তিনি তিন কন্যাসন্তানের জনক। তাদের মধ্যে দুজন ডাক্তার ও একজন প্রকৌশলী। গত বুধবার রাতে মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান বাসায় একা ছিলেন। ঘটনার সময় তার স্ত্রী নাতিকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন।

হালিশহর থানার ওসি জয়নাল আবেদিন মণ্ডল জানান, বাসায় উনি একা ছিলেন। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষ থেকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় উনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখন পর্যন্ত যতটুকু বুঝা যাচ্ছে, উনি আত্মহত্যা করেছেন। কী কারণে, সেটা এখনো আমরা জানতে পারিনি। জানার চেষ্টা করছি।

নিহতের এক সহকর্মী বলেন, ‘মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান বেশ হাসিখুশি মানুষ ছিলেন। উনার সাথে সবার সম্পর্ক ভালো। গতকালও সন্ধ্যা পর্যন্ত উনি ব্যাংকে সবার সাথে একটা মিটিংয়ে ছিলেন।’

পুলিশ জানায়, মৃত ছায়েদুর রহমানের দুই মেয়ে ডাক্তার, আরেক মেয়ে ইঞ্জিনিয়ার। তাদের দুজন ঢাকায় থাকেন। একজন চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্র্যাকটিস করেন। এ নিয়ে উনি বেশ প্রাউড ফিল করতেন। যতটুকু জেনেছি, রাতে উনি স্ত্রীকে ফোন করে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে বলেছিলেন। এরপর উনার স্ত্রী বাসায় ফিরে উনাকে এ অবস্থায় দেখতে পান।

রমনা আবাসিক এলাকার যে বাড়িটি থেকে মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, সেই বাড়িটি তার নিজের


নির্বাচিত

নেত্রকোনায় বিয়ের চাপে থেমে গেল মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের শ্রীপুর বালী গ্রামে এক মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রলোভন, তথ্য গোপন ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করে বিয়েতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও করেছে তার পরিবার। এতে মেডিকেলে ভর্তি হয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন অনিশ্চয়তায় পড়েছে বলে দাবি স্বজনদের।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের সুন্দর মিয়া ও আবু তাহেরের যোগসাজশে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে বিয়েতে রাজি করানো হয়। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় কাজী আ. আউয়ালের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। সুন্দর মিয়া ও আবু তাহের এতে সাক্ষী ছিলেন বলেও পরিবারের দাবি। কাবিননামায় দেনমোহর ১০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়।

পরিবারের আরও অভিযোগ, বিয়ের সময় পরিচয় ও ঠিকানাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয় এবং তাদের অজ্ঞাতসারে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। বিয়ের পর যৌতুকের জন্য চাপ এবং মারধরসহ নির্যাতনের শিকার হন ওই শিক্ষার্থী।

স্বজনদের দাবি, তিনি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু বিয়ের ঘটনা ও মানসিক চাপের কারণে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

এ ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। মেয়ের নিরাপত্তা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তার বাবা। অভিযুক্ত সুন্দর মিয়া ও আবু তাহেরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


নির্বাচিত

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও সহিংসতা বন্ধে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

তিনি বলেন, ‘শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে পাহাড়ের সশস্ত্র তৎপরতা ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, কৃষি, পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকিসংক্রান্ত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাজনৈতিক নেতারা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যরা, জেলা প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী।

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে মীর হেলাল বলেন, ‘পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন করা হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রেখে প্রকৃতির সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন করতে হবে। অবকাঠামো উন্নয়ন হোক কিংবা পর্যটন বিকাশ, সবকিছুই পরিবেশ অক্ষত রেখে করতে হবে।’

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রাঙামাটির সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিবসহ জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ক্ষেতলালে ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মনোয়ার হোসেন নামের এক ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে শরিফুল ইসলাম সুমন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পৌর এলাকার বটতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত মনোয়ার হোসেন উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি জয়পুরহাট থেকে বেগুন বিক্রি করে ক্ষেতলালের দিকে ফিরছিলেন। বটতলী বাজারে পৌঁছালে তাকে পথরোধ করে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় বলে তার অভিযোগ। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ হামলায় তার ডান পাশের কাঁধ, গলা ও হাতে জখম হয়েছে। এর মধ্যে কাঁধের ক্ষতস্থানে কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে।

মনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। তার দাবি, এর আগেও তাকে দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছিল এবং তিনি বর্তমানে সেসব মামলায় জামিনে রয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

অভিযোগের বিষয়ে শরিফুল ইসলাম সুমনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, ‘ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া গেছে। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


নির্বাচিত

ফুলবাড়িয়ায় জুয়াড়ি ও মাদক কারবারিসহ ১৮ জন আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে নগদ টাকাসহ ১৩ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের মাহার বাজারসংলগ্ন এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় তাস ও নগদ অর্থসহ তাদেরকে আটক করে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের শিবরাপুর গ্রামের ইমান আলী মণ্ডলের ছেলে মো. শহীদুল্লাহ (৬০), বিষ্ণরামপুর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে সুলতান আলী, একই গ্রামের মো. বাবুল হোসেন (৪৫) মো. সিরাজুল ইসলাম (৪৮) মো. জাকির হোসেন (২৮) মো. রুহুল আমীন (৩৭) মো. ইউনুছ আলী (৬৫ তোতা মিয়া (৪৫) মো. তালেব আলী (৪৮) হাবিবুর রহমান (৪০) মজনু (৫৫) শহীদুল্লাহ (৪৬) ও সুরুজ আলী (৫৬)।

অপরদিকে পৃথক অভিযানে এস আই লিটন এদিন পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে জনৈক এনামুলের মুদি দোকানের সামনে থেকে কুখ্যাত মাদক সম্রাট ও একাধিক মাদক মামলার আসামি মনিরুজ্জামান ওরফে চশমা মনিরকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন।

এছাড়াও থানা পুলিশ মেহেদী হাসান নামে আরেক তরুণকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় এনে এক মাসের সাজাপূর্বক তাকে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসান বলেন, বিশেষ অভিযানে নগদ অর্থসহ ১৩ জুয়াড়ি ও ৬টি মাদক মামলার আসামীকে ইয়াবাসহ আরেকজনকে মাদকসেবনরত অবস্থায় এবং পরোয়ানাভুক্ত ৩ জনসহ মোট ১৮জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদেরকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। অপরাধ দমনে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

সাঁথিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সাঁথিয়া উপজেলা ও পৌর যুবদলের আয়োজনে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, কেককাটা, মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াস আহম্মেদ বিপ্লবের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বাবুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক মাসুদ।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান খোকন, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মাহবুব এ হাসান টিটো, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য কণ্ঠশিল্পী মুহিন খান, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান জাহিদুজ্জামান রিপন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন হোসেন রাসেল, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আবু সাঈদ, ধোপাদহ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আশিফ আল আলীম রাজিব, নন্দনপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রাতুল ইসলাম রানা, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান সজল, আতাইকুলা থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব লোকমান হোসেন, ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম রানা মৃধা, গৌরীগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ছাত্রদল নেতা রাফুল ও লিমন প্রমুখ। এ সময় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

গাজীপুরে হত্যার পর লাশের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের পশ্চিম জয়দেবপুর থেকে নিখোঁজের ২৭ দিন পর সৌরভ আহমেদ (২০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কিলিং মিশনে সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুরের রাজৈর থেকে নিহতের কঙ্কালের অংশবিশেষ ও পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ শাহিন।

পুলিশের জানায়, গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৩ আগস্ট পশ্চিম জয়দেবপুর থেকে সৌরভ নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার মা মোছাঃ কাকলী বেগম সদর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ডায়েরির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দীপঙ্কর দত্ত তদন্তে কিছু রহস্যজনক তথ্য পান। পরে ওসি আমিনুল ইসলামের নির্দেশনায় ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও পারিবারিক বিরোধের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে সৌরভের সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে তার মা বাদী হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলা করেন।

মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে মাদারীপুরের টেকেরহাট ও সাতক্ষীরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া শাহিনকে রাজৈরের টেকেরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত সৌরভ ছিলেন রবিউল ইসলামের শ্যালক। প্রায় চার বছর আগে সৌরভের ছোট বোন নুপুরের সঙ্গে রবিউলের বিয়ে হয়। তাদের একটি দুই বছর বয়সী সন্তানও রয়েছে। পরবর্তীতে নুপুরের সঙ্গে সৌরভের বন্ধু জাহাঙ্গীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে নুপুর রবিউলের সংসার ছেড়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে চলে গেলে বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হন রবিউল। এর জের ধরে তিনি শাহিনের সঙ্গে পরামর্শ করে সৌরভকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৩ আগস্ট সৌরভকে কৌশলে গাজীপুর থেকে মাদারীপুরের টেকেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শাহিনকে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে হত্যার চুক্তি দেওয়া হয় বলে পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য ও জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। ওইদিন রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে সৌরভকে রাজৈর থানাধীন হোসেনপুর ইউনিয়নের উত্তর বিদ্যানন্দি এলাকার একটি ডোবার কাছে নিয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে টুকরো করে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরে গ্রেপ্তার রবিউল ইসলাম ও শাহিনের দেখানো মতে ওই ডোবা থেকে সৌরভের কঙ্কালের অংশবিশেষ ও পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করা হয়।


নির্বাচিত

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে মৎস্য পোনা অবমুক্ত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​ লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং দেশীয় প্রোটিন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে লালমনিরহাটের বিভিন্ন জলাশয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা সদর উপজেলার গোকুণ্ডা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সুকানদিঘি ও রাজপুর ইউনিয়নের হীরা মানিক ৬নং ওয়ার্ড বানিয়ার ঘাট সতী নদীসহ স্থানীয় বিভিন্ন জলাশয়ে এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মমিনুল হক।

​কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম সাজু পাটোয়ারী, লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোনীত দাস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার জামান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি বুলু, গোকুণ্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলতাবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক রিপন মাস্টার প্রমুখ।

​সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক, এ কে এম মমিনুল হক বলেন, ‘বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের তিন দিনের কর্মসূচি হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দেশের আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্যপূর্ণ অবমুক্তকরণ, বৃক্ষরোপণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আমিষের ঘাটতি কিছুটা হলেও দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

banner close