বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

উখিয়া টেকনাফের শ্রমবাজার রোহিঙ্গাদের দখলে 

রোহিঙ্গা বিচরণ ঠেকাতে তৎপরতা নেই স্থানীয় প্রশাসনের # অটোরিকশা চালনা থেকে ফিশিং ট্রলারেও রোহিঙ্গা # টেকনাফে বাসা ভাড়া নিচ্ছে নতুন আসা রোহিঙ্গারা
ক্যাম্পের বাইরে নানা ধরণের কাজ করছেন রোহিঙ্গারা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১১ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:১২
রহমত উল্লাহ, টেকনাফ (কক্সবাজার)
প্রকাশিত
রহমত উল্লাহ, টেকনাফ (কক্সবাজার)
প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:১২

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে নির্বিচার গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী নানা অপরাধ শুরু করে দেশটির সামরিক বাহিনী। সে বর্বরতায় টিকতে না পেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে একসঙ্গে ১০ লাখ রোহিঙ্গা। সময়ের পরিক্রমায় সেখানে জান্তাবাহিনীর আক্রমণ আরও বাড়ায় এদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। ১২ লাখ রোহিঙ্গা ঢুকে পড়ায় ও দেশটিতে তাদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে যাওয়ায় ২০২২ সালে আর রোহিঙ্গাকে আশ্রয় না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু, এ বছর মিয়ানমারে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিভিন্ন বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীর যুদ্ধ ও বাংলাদেশে সরকার পতনসহ রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে এদেশে ঢুকে পড়েছে আরও লাখখানেক রোহিঙ্গা। ২০১৭ সালের আগেও এদেশে দেড় লাখ রোহিঙ্গা বসতি গেড়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাস করছে সাড়ে চৌদ্দ লাখ রোহিঙ্গা। শুরুতে মানবিকতা দেখালেও এখন এত বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের। অবস্থা এমনই যে উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় এখন স্থানীয়রাই পড়েছেন হুমকির মুখে। এই দুই উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারাই রোহিঙ্গাদের কারণে নিজেদের ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্ব নিয়ে উদ্বিগ্ন। ওই এলাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে তো বটেই আশপাশের সব জায়গায় এমনকি কক্সবাজারেও ছড়িয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা ছড়িয়ে যাচ্ছে সারা দেশে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উখিয়া-টেকনাফসহ কক্সবাজারে এখন তাদের কাজ পাওয়াই কষ্টকর, তাদের চেয়ে কম মজুরিতে রোহিঙ্গারা কাজ করে বলে শ্রমবাজারের বড় অংশই এখন রোহিঙ্গাদের দখলে। তাদের অভিযোগ,

উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কাজের খোঁজেই প্রতিদিন দুই শতাধিক রোহিঙ্গা বের হয় বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে। বিজিবি চেকপোস্টে কার্ড দেখিয়ে কৌশলে পার হয়ে বিভিন্ন কাজে যোগ দেন দুই শতাধিক রোহিঙ্গা।

এমনকি ক্যাম্পের বসতি ছেড়ে টেকনাফের ভাড়া বাসাগুলোতেও থাকছেন রোহিঙ্গারা।

উখিয়া ও টেকনাফ ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাটারিচালিত টমটম, মাহিন্দ্র গাড়ির চালক, খাবার হোটেল, আবাসিক হোটেল, গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজে, জেলেদের ফিশিং বোটে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উল্লেখযোগ্য কাজ এরইমধ্যে দখল করে নিয়েছে রোহিঙ্গারা। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ টেকনাফের স্থলবন্দরে ও রোহিঙ্গারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে। স্থানীয় শ্রমবাজার চলে গেছে তাদের দখলে। এতে উখিয়া ও টেকনাফসহ আশপাশের স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।

টেকনাফের জেলে আব্দুল হামিদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের উখিয়া টেকনাফের শ্রমিকদের আগে কাজের অভাব ছিল না। এখন কাজে নেয় না আমাদের। রোহিঙ্গাদের মজুরি সস্তা তাই সব কাজ তাদের দখলে এ রোহিঙ্গারা আসার পর থেকে যত বিপত্তি আমাদের। এ রোহিঙ্গা অপহরণে জড়িত। তাদের চলাফেরা দেখলে মনে হয় তারা এ দেশের নাগরিক আমরা অধিবাসী। সর্বত্রই আজও রোহিঙ্গাদের রাজত্ব ও বিচরণ চলছে।

টেকনাফ ও শাহপরীরদ্বীপ জেলে নেতা মো. করিম ও মোহাম্মদ আবদুল গণি জানান, ২০১৭ সালে নাফ নদীতে মাছ ধরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় সরকার। ওই সব বোটের মালিকরা স্থানীয় জেলেদের বাদ দিয়ে রোহিঙ্গা মাঝি-মাল্লাদের দিয়ে মাছ শিকার করছে। এই রোহিঙ্গা মাঝি-মাল্লারা মাছ শিকারের নামে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এবং চোরাচালান ও রোহিঙ্গা এদেশে অনুপ্রবেশ করাই আর স্থানীয় জেলেদের অগ্রিম টাকা দিতে হয় বোট মালিকদের। তাই এ কারণে ফিশিং ট্রলার চলছে রোহিঙ্গা মাঝিমাল্লা দিয়ে। আগে সব ফিশিং ট্রলারে মাঝিমাল্লাদের আইডি কার্ড থাকত। এখন এসব তদারকি করে না কোস্টগার্ড ও বিজিবি। তার কারণে রোহিঙ্গা মাঝিমাল্লা বেড়ে যাচ্ছে।

রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়রাই এখন বিপাকে। আমরা ভবিষ্যতের শঙ্কায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের বাইরে আসার কোনো সুযোগ নেই। ঠিকই তারা বাইরে বের হচ্ছে, নানা কাজে জড়িয়ে পড়ছে। আজ আমরা রোহিঙ্গাদের কারণে বড় বিপদে আছি। পথে-ঘাটে, দোকানে-বাজারে, গাড়িতে সর্বত্রই তাদের দেখা মেলে। শ্রম বাজার দখল করে এখন উখিয়া টেকনাফ রোহিঙ্গাদের জন্য মালয়েশিয়া। রোহিঙ্গারা বিচরণের ক্ষেত্রে চেকপোস্ট যেসব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তাদের গাফিলতি আছে।

টেকনাফ বাজারে দেখা হয় একজন রোহিঙ্গা জেলের সঙ্গে তার নাম মো. তৈয়ব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফিশিং ট্রলারে মাছ শিকার করে আসছেন। সপ্তাহ পর আবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফিরে যান। কীভাবে চেকপোস্ট পার হয়ে আসা যায় প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা যুবক টেকনাফ ফিশিং ট্রলারে মাছ শিকার করে। তাদের মধ্যে অনেক রোহিঙ্গা ভুয়া কার্ড তৈরি করে চেকপোস্ট পার হয়। কিন্তু কার্ড যে ভুয়া তা বোঝা যায় না।

টেকনাফ শাপলা চত্বরে দেখা মেলে রোহিঙ্গা টমটমচালক তার আবু ছৈয়দ। তিনি লেদা ক্যাম্পে থাকেন। টমটমচালক রোহিঙ্গা সৈয়দ আলম বলেন, আমি পাঁচ মাস হয়েছে টেকনাফে টমটম চালাই। টমটম মালিককে দিনে ৭০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। আমার মতো শতাধিক রোহিঙ্গা টমটম চালায়। রাতে মালিককে গাড়ি বুঝিয়ে দিয়ে ক্যাম্পে চলে যায়। মাঝেমধ্যে পুলিশ আটক করলে মালিককে ফোন দিই। মালিক এসে আমাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। টমটম লাইসেন্স মালিকের নামে। পুলিশের কড়াকড়ি হলে সেদিন মালিক না চালাতে নিষেধ করে আমাদের।

টেকনাফের বাসিন্দা মো. আবু তালহার দাবি, দুই-তিনমাস ধরেই টেকনাফে প্রতিটি ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গা রয়েছে। প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না এদের বিরুদ্ধে। নতুন-পুরাতন মিলিয়ে রোহিঙ্গারা নির্বিঘ্নে ঘুরছে। কিন্তু স্থানীয় হলেও আমাদের সবখানে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। সস্তা শ্রম দিয়ে শুধু টেকনাফ নয়- পুরো কক্সবাজারের শ্রমবাজারে রোহিঙ্গারা। এ সুযোগও নিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মাসিক চার-পাঁচ হাজার টাকায় ওরা কাজ করে। যেখানে এক দিনে স্থানীয়দের দিতে হয় ১৫০০ টাকা। আর রোহিঙ্গাদের দিতে ১০০০ টাকা। মিয়ানমারের মুদ্রায় হিসাব করলে দিনে এর পরিমাণ হবে ৫০ হাজার টাকা। তাও রোহিঙ্গাদের জন্য বেশি। এদের কারণে স্থানীয়দের কাজের পথও রুদ্ধ করা হয়েছে।

জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গারা আর ফিরবে না, এটা এক রকম স্পষ্ট। শান্ত টেকনাফ আজ অশান্ত-বিশৃঙ্খল হয়েছে রোহিঙ্গাদের কারণে। শৃঙ্খলা ফেরানোর কোনো উদ্যোগ নেই স্থানীয় প্রশাসনের। ‘আমাদের অনুরোধ, টেকনাফবাসীর জন্য কিছু করুক প্রশাসন। যাতে আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারি। তা না হলে টেকনাফ কেন, এক সময় পুরো কক্সবাজার চলে যাবে রোহিঙ্গাদের কবজায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. সালা উদ্দিন দৈনিক বাংলাকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গাদের বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের বিচরণের ক্ষেত্রে বিজিবি চেকপোস্ট ছাড়া যৌথবাহিনীর চেকপোস্ট ও বসানো হয়েছে। টমটম, সিএনজিচালকসহ ক্যাম্প থেকে বের হয়ে বিভিন্ন কর্মে জড়িত রোহিঙ্গাদের আটক করে সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যেসব ভাড়া বাসার মালিকরা রোহিঙ্গাদের ঘর ভাড়া দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।


নির্বাচিত

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার মারা গেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফেরদৌসি শাহরিয়ার ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সহকারী সচিব হিসেবে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি ব্যাঙ্কক, রোম, ম্যানচেস্টার ও ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রদূত ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, পররাষ্ট্রসচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।


নির্বাচিত

সার্ভিস রুলস কার্যকর না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি মেট্রো রেল কর্মীদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিজস্ব ‘চাকরি-বিধিমালা’ (সার্ভিস রুলস) কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

প্রতিষ্ঠার এক যুগ পার হলেও স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা ও সাংগঠনিক কাঠামো কার্যকর না হওয়ায় এবং দফায় দফায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে ডিএমটিসিএল কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ৯ শতাধিক স্থায়ী কর্মী।

২০১৩ সালে গঠিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানিতে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রো রেল চলাচল শুরু হয়। এরপর থেকে দিন-রাত সেবা দিয়ে এলেও নির্দিষ্ট সার্ভিস রুলস না থাকায় তাদের প্রশাসনিক ও পেশাগত নিরাপত্তা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। চাকরির শৃঙ্খলা, পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় অস্বচ্ছতা ও বৈষম্য বিরাজ করায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি-বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

নির্ধারিত সময়ে তা না হলেও পরবর্তীতে কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে ৭৩তম বোর্ড সভায় সার্ভিস রুল অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানি আইনে পরিচালিত এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বোর্ডেই সার্ভিস রুলস চূড়ান্ত করার এখতিয়ার রয়েছে। অথচ একটি ‘বিশেষ গোষ্ঠীকে অন্যায় সুবিধা দেওয়া ও কালক্ষেপণ করার উদ্দেশ্যে’ তা মতামতের জন্য অর্থ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

সার্ভিস রুলস বোর্ডে অনুমোদিত হওয়ার পর প্রায় সাত মাস পার হয়ে গেছে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর একাধিকবার স্মারকলিপি দেওয়া হলেও আশ্বাস ছাড়া কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

অবস্থান কর্মসূচিতে থাকা কর্মচারীরা বলেন, ‘আমরা এত দিন ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের ক্রমাগত উদাসীনতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গে আমাদের ধৈর্যের সীমা পার হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কর্তৃপক্ষকে সার্ভিস রুলস ও অর্গানোগ্রাম কার্যকরের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। বাধ্য হয়ে আমরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছি।’

বিজ্ঞপ্তিতে কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য পর্ষদ সভায় যদি চাকরি-বিধিমালা কার্যকরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসে, তবে তারা কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন। এর ফলে মেট্রো রেল চলাচলে কোনো ব্যঘাত ঘটলে বা সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হলে তার সমস্ত দায়ভার ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।

মেট্রো রেলের নিরবচ্ছিন্ন সেবা বজায় রাখা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।


নির্বাচিত

নিয়ম না মানলে নার্সিং ও মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে গড়ে ওঠা নার্সিং ও মেডিকেল কলেজগুলো সরকারি নীতিমালা মেনে পরিচালিত না হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের নার্সিং শিক্ষার মান বাড়াতে ফিলিপাইনের সহযোগিতা নেবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের যৌথ উদ্যোগে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় ফিলিপাইন থেকে প্রশিক্ষক এনে দেশের নার্সিং শিক্ষক ও ফ্যাকাল্টিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জানান, চার বছরের মানসম্মত নার্সিং কোর্স চালুর পাশাপাশি ক্লাসরুম আধুনিকায়ন এবং আদর্শ ল্যাব স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং বিপুল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তি বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।


নির্বাচিত

২৫ লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগ, নেপথ্যে বিএনপি নেতা জনি

রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটি (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আলোচিত গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবসায়িক বিরোধ বা চাঁদাবাজি নয়, বরং আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মূল কারণ বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটি (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

হাফিজুল ইসলাম বাবুর দাবি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সাব্বির দেওয়ান জনির কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত প্রায় ১১টা ১০ মিনিটে মিরপুর-১৩ এলাকায় তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এ ঘটনায় কাফরুল থানা যুবদলের কর্মী ইউসুফ নিহত হন এবং দুই ফুটপাত ব্যবসায়ী আহত হন।’

তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

হাফিজুল ইসলাম বাবুর অভিযোগ, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী সাব্বির দেওয়ান জনি। তিনি বলেন, ‘সে-ই অর্থদাতা বলে আমার সন্দেহ। তবে সেটি প্রমাণ করার দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের।’

তিনি আরও দাবি করেন, স্থানীয় একটি মার্কেটের গ্যারেজ অবৈধভাবে ‘সিএনজি হাফিজ’ নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেটি হামলার প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার করা হয়। মার্কেটের সভাপতি হিসেবে সাব্বির দেওয়ান জনি বিষয়টি জেনেশুনেই করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তসংক্রান্ত বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেন যুবদলের এই নেতা। ডিবির পক্ষ থেকে এর আগে দাবি করা হয়েছিল, স্থানীয় আধিপত্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার, ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসা এবং ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

এ বিষয়ে হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘মিরপুর-১৩ এলাকায় তার বা অন্য কারও ডিস-ইন্টারনেট ব্যবসা কিংবা ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট নেই।’ এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকায় এখনো সিটি করপোরেশনের কোনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা টেন্ডার আহ্বান করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, হামলা বাস্তবায়নের জন্য ঢাকার বাইরে থেকে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করা হয়েছিল। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘সিএনজি হাফিজ’ নামে এক ব্যক্তি পুরো অভিযান পরিচালনা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের সামনে অভিযুক্তদের সঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির একাধিক ছবি প্রদর্শন করা হয়। হাফিজুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, গ্রেপ্তার ও পলাতক অভিযুক্তদের সঙ্গে ছবি থাকা সত্ত্বেও কেন সাব্বির দেওয়ান জনিকে এখনো গ্রেপ্তার বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।

নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার চেষ্টা চলছে।’ একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নতুন কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


নির্বাচিত

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কৃষিক্ষেত্রে ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে হবে: বিএডিসি চেয়ারম্যান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের আর্থিক ও ভৌত অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বুধবার (২৯ জুলাই) তারিখে সংস্থার সম্মেলন কক্ষে এডিপি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএডিসি’র চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালক, বিভাগ ও উইং প্রধানগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত কার্যক্রমসমূহের আর্থিক ও ভৌত অগ্রগতি নিয়ে আলোচনায় তুলে ধরা হয় যে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাসমূহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নে বিএডিসি শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে।

এ প্রসঙ্গে বিএডিসি’র চেয়ারম্যান বলেন যে, কৃষি শব্দটির সঙ্গেই বিএডিসি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষিক্ষেত্রে যেকোন পর্যায়ে সভা অনুষ্ঠিত হলে সেখানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিএডিসি’র নামটি আলোচনায় উঠে আসে। এর অর্থ দাঁড়ায় কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিএডিসি’র প্রতি সরকারের গভীর বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। বিএডিসি’র প্রতি সরকারের এই বিশ্বাস ও আস্থা এবং গৌরবময় ঐতিহ্য আমাদেরকে আরো সুচারুরূপে কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে সমুন্নত রাখতে হবে। স্মার্ট ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনয়নে বিএডিসি’র কার্যক্রমের পরিধি আরো বিস্তৃতির ক্ষেত্রে সরকারের গভীর পরিকল্পনা রয়েছে মর্মে তিনি সভায় তুলে ধরেন।

বিএডিসি’র চেয়ারম্যান আরো বলেন যে, কৃষিক্ষেত্রে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক কাজ যেমন: গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পাটবীজ উৎপাদন এবং বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা প্রভৃতি বাস্তবায়নে সুনির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সকলকে অধিক দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে কর্মসম্পাদনেও নির্দেশনা প্রদান করেন।


নির্বাচিত

কেএমপির নতুন কমিশনার হলেন সাজ্জাদুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে মো. সাজ্জাদুর রহমানকে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়নের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তোফায়েল আহমেদ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি পদে কর্মরত বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুর রহমানকে কেএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি পদায়ন করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২১ জুলাই কেএমপির কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন মো. সাজ্জাদুর রহমান।


নির্বাচিত

কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কৃষিজমিতে ধান রোপণ করার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শফিকুল ইসলাম (৪০) সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ গ্রামের সাদুরবাড়ি এলাকার রেজেক মিয়ার ছেলে।

সুখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ টিটু জানান, বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নিজ জমিতে ধান রোপণ করছিলেন শফিকুল ইসলাম। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে অন্যরা বাড়িতে চলে গেলেও তিনি জমিতে ধান রোপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বজ্রপাতে আক্রান্ত হন শফিকুল।

পরে বৃষ্টি থামলে স্থানীয়রা জমিতে গিয়ে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান। পরে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


নির্বাচিত

গাজীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস উদ্বোধন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তার শাপলা ম্যানশনের তৃতীয় তলায় পূবালী ব্যাংক পিএলসির জয়দেবপুর শাখার আয়োজনে ক্যাশলেস জয়দেবপুরের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

মূল প্রতিপাদ্য ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় কেনাকাটায় মোবাইল অ্যাপসের ব্যবহার এক দেশ এক QR লেনদেনে BANGLA QR ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংক পিএলসি জয়দেবপুর শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পূবালী ব্যাংক পিএলসির উপমহাব্যবস্থাপক ও গাজীপুর অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক গাজীপুর অঞ্চলের মো. বিল্লাল হোসেন সেলিম, শাপল ম্যানশন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা প্রমুখ।


নির্বাচিত

মিঠামইনে পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনে পানিতে ডুবে আপন দুই ভাই-বোনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের পুরান বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলো খলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়ার ৪ বছর বয়সি ছেলে রিবান মিয়া ও তার দেড় বছর বয়সি মেয়ে সাফা।

জানা গেছে, দুপুরে বাড়ির উঠোনে খেলার সময় ছোট বোন সাফা অসাবধানতাবশত বাড়ির পাশের একটি ডোবায় পড়ে যায়। বোনকে পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখে তাকে বাঁচাতে বড় ভাই রিবান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সাঁতার না জানার কারণে দুজনেই পানির নিচে তলিয়ে যায়।

অনেকক্ষণ শিশুদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ডোবার পানিতে তাদের দেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্বজনরা। দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।


নির্বাচিত

বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার ধুনটে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় সোহেল রানা (২৫) নামের এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) ধুনট-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই রাব্বী হাসান (১৮) আহত হয়েছেন। নিহত সোহেল রানা শেরপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার রাঙামাটি গ্রামের সোহেল রানা শ্বশুর বাড়ি থেকে ছোট ভাই রাব্বীকে নিয়ে নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বেপরোয়া গতির একটি বালুবাহী ট্রাক চলন্ত মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়।

এ সময় সোহেল রানা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর নিহতের ছোট ভাই রাব্বী আহত হন। আহত রাব্বীকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকের কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত সোহেল রানার মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


নির্বাচিত

রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের হরিণা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ফয়সাল মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফয়সাল মিয়া রূপগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ নবগ্রাম এলাকার সায়েদ আলী মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার (২৯ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের হরিণা এলাকায় ফয়সাল মিয়ার গরুর খামারে অভিযান চালায়। এ সময় ফয়সাল মিয়ার মোটরসাইকেলে বেঁধে রাখা সিমেন্টের বস্তার ভেতর থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেলসহ ফয়সাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস উপহার পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৫৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ৭৮০ কেজি উন্নত ‘কিউ’ জাতের আনারস পাঠিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। বুধবার দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১০০টি কার্টনে মোট ৬২০ পিস আনারস বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়। চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সহকারী কনস্যুলার পঙ্কজ জ্যোতি দাস অনুষ্ঠানিকভাবে এই সৌজন্য উপহার গ্রহণ করেন।

আখাউড়া স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় আয়োজিত এই উপহার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ত্রিপুরার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, পরিচালক ড. ফনি ভূষণ জমাতিয়া এবং উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কনসালটেন্ট ড. রাজীব ঘোষ। ত্রিপুরার কৃষি সচিব অপূর্ব রায় জানান, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই উপহার পাঠানো হয়েছে।

উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কনসালটেন্ট ড. রাজীব ঘোষ উপহার হিসেবে পাঠানো ফলের গুণমান সম্পর্কে বলেন, ‘কিউ জাতের আনারস আকারে বড় ও রসালো। এই সৌজন্য উপহারের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।’ উল্লেখ্য যে, এই সৌজন্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার জন্য আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৬০০ কেজি আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা আম উপহার হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। প্রতিবেশি দুই দেশের মধ্যে ফল বিনিময়ের এই রীতি পারস্পরিক বন্ধনকে আরও মজবুত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


নির্বাচিত

মানিকগঞ্জে ৩ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা ও সীলগালা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ শহরে লাইসেন্স বনায়ন না করা এবং দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিনটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিভিল সার্জন ডাঃ আইভী ফেরদৌসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ মাসুদ আলী শাহরিয়ার এই জরিমানা করেন। একই সঙ্গে একটি ক্লিনিক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সীলগালা করে দেন।

অভিযানে নগর ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা এবং শুশ্রুষা হেলথ কেয়ার সেন্টারকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ সীলগালা ও দারুস সালাম ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ও সীলগালা করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ আইভী ফেরদৌস জানান,লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, ক্লিনিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকাসহ প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক বিভাগে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার স্বাস্থ্যখাতকে জনবান্ধব করে তুলতে এধরনের অভিযান চলমান থাকবে। যেসকল প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধে অভিযোগ বা অনিয়ম পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নির্বাচিত

banner close