মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২১ মাঘ ১৪৩২

হেরোইন সিন্ডিকেটে জনপ্রতিনিধিরা

শাহরিয়ার হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে ফিরে
প্রকাশিত
শাহরিয়ার হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে ফিরে
প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২২ ১০:১৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদীর পারে ১৩টি গ্রাম নিয়ে ৫০ বছরের পুরোনো চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন সদর থেকে নৌপথে দুই কিলোমিটার ভেতরে বকচর, যার অবস্থান ভারতের সীমান্ত ঘেঁষে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর ও লালগোলা। ভয়ংকর মাদক হেরোইনের প্রধান তিনটি প্রবেশদ্বারের একটি এই বকচর। আফগানিস্তানের তৈরি এই মাদক ইরানের নৌকায় করে ভারত-পাকিস্তান হয়ে ঢুকছে বাংলাদেশে। রুট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী। আর দুই দশক ধরে ব্যাপক হারে হেরোইন-ফেনসিডিল ঢুকছে ওই চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন দিয়ে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে আসা হেরোইনের ৯০ শতাংশই ঢুকছে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দিয়ে। পাশের দেশ থেকে ঢোকা সেই মাদক ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তে মাদকের ব্যবসার সঙ্গে অন্তত ৭৫০ জন জড়িত। তারা ১৮টি সিন্ডিকেটের হয়ে কাজ করেন। এসব সিন্ডিকেটের প্রধান পরপর দুবারের ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ রানা টিপু। যাকে জেলার প্রায় সবাই চেনেন। অভিযোগ আছে, টিপুর ছত্রচ্ছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে এ ব্যবসা।

মাদকের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় দৈনিক বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন টিপু। স্বীকার করেছেন তার এলাকা দিয়ে হেরোইন পাচারের কথা। জানিয়েছেন তিনি নিজেও একসময় এসব কারবারের নেতৃত্ব দিতেন। এমনকি গরু পাচারকাণ্ডে ভারতের কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মুর্শিদাবাদের আলোচিত এনামুল হকও ছিলেন তার সিন্ডিকেটের লোক। তবে টিপুর দাবি, ২০১৪ সালের পর থেকে তিনি মাদক কারবার ছেড়ে দিয়েছেন। এখন এই কারবার নিয়ন্ত্রণ করেন অন্য মানুষ।

যদিও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও র‌্যাব- সবার তালিকাতেই শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে আছে টিপুর নাম। মাদক মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের মুখেও বারবার এসেছে তার নাম। কিন্তু টিপুর নামে কোনো মাদক মামলা নেই।

রাজশাহী বিভাগের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান দৈনিক বাংলাকে বলেন, সিন্ডিকেটগুলো এতটাই শক্তিশালী যে একজন অন্যজনের নামে মুখ খুলতে চায় না। যে কারণে জব্দ হওয়া কোনো চালানের হোতা পর্যন্ত সহজে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব বলেছেন, মাদক কারবারিদের কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। যাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। চলতি বছরও ৫৩৯ জন কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সরেজমিন সীমান্তবর্তী এই জেলাগুলো ঘুরেছেন দৈনিক বাংলার এ প্রতিবেদক। হেরোইন সিন্ডিকেট, মাদকের টাকা লেনদেন, রুটসহ কথা হয়েছে অভিযুক্ত হেরোইন কারবারির সঙ্গেও।

শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান-ভারত হয়ে যেভাবে ঢুকছে দেশে

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক কার্যালয়- ইউএনওডিসির তথ্য অনুযায়ী, আফিমের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ আফগানিস্তান। সারা বিশ্বে আফিম সরবরাহের ৮০ শতাংশের বেশি চাষ হয় আফগানিস্তান ভূখণ্ডে। পপিগাছের নির্যাসে আফিম থেকে হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদক তৈরি করা হয়। তালেবানরা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আফগানিস্তানে এই মাদকের উৎপাদন বহুগুণ বেড়ে গেছে।

ইউএনওডিসির তথ্য বলছে, আফগানিস্তান থেকে হেরোইন মূলত ইরানের পথ ধরে আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের পথ ধরে পাচার হয়। অধিকাংশ সময়ই ইরানি জাহাজের কনটেইনার বা নৌকা ব্যবহার করে হেরোইন পাচার করা হয়। মাদক যাতে নষ্ট না হয় সে জন্য পানি নিরোধক মোড়ক করা হয়। বড় বড় প্যাকেটের ওপর আলাদা চিহ্ন করে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারতের নাম উল্লেখ থাকে। সেখানে অবশ্য বাংলাদেশের নামে কোনো প্যাকেট থাকে না। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান হয়ে শেষ চালান আসে ভারতে। মূলত ভারতের চালান থেকেই খুচরা বিক্রেতারা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনে এই মাদক।

গত অক্টোবরে মাদক পাচারের খুব বড় চক্র ফাঁস করে ভারতীয় নৌসেনা ও নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো। ২০০ কেজির হেরোইনের বড় চালান আটক করে তারা, যার মূল্য আনুমানিক ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মাদক ঢোকে ভারতের মালদহ ও মুর্শিদাবাদ দিয়ে। মাদক সিন্ডিকেটের একটি অংশ মুর্শিদাবাদ ব্যবহার করে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা এলাকার পদ্মারচর, সুলতানগঞ্জ, কোদালকাটি, চরআষাঢ়িয়াদহ, মানিকের চরে চালান পৌঁছে দেয়। অন্য অংশ মালদহ ব্যবহার করে চাঁপাইয়ের সদর থানার চরবাগডাঙ্গা, সুন্দরপুর, শাহজাহানপুর ইউনিয়ন ব্যবহার করে হেরোইন আনে। আরেকটি সিন্ডিকেট মাদক আনে চাঁপাইয়ের চরআলাতুলী দিয়ে। কারবারিরা দেশের ভেতরে এসব জায়গায় ১৫-২০ কেজির বস্তাগুলো ভেঙে ২-৩ কেজির প্যাকেট তৈরি করে পদ্মা পার করে জেলা শহরে পাঠায়।

হেরোইনের চরআলাতুলী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ভারত সীমান্ত ঘেঁষা ইউনিয়ন চরআলাতুলী। জেলা সদর থেকে চরাঞ্চলের সুন্দরপুর, চরবাগডাঙ্গা, দেবীনগর তিনটি ইউনিয়ন পেরিয়ে বিদ্যুৎহীন আলাতুলী যেতে পদ্মা ও শাখা পদ্মা নদী অতিক্রম করতে দিন শেষ। পদ্মা নদী পেরিয়ে রাজশাহী জেলার চরআষাঢ়িয়াদহ ইউনিয়নের ৮-৯ কিলোমিটার ধু-ধু বালুচরে একমাত্র বাহন ভাড়ায় চলাচলকারী মোটরসাইকেল। মাদক নিয়ে কাজ করা বাহিনীগুলো বলছে, চরআলাতুলী ইউনিয়ন হেরোইন পাচারের এক স্বর্গরাজ্য।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন স্বীকার করেন, ওই সীমান্তের অধিকাংশ মানুষই হেরোইন পাচার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এর বাইরে হাতেগোনা দু-একজন ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও একসময় মাদক ব্যবসা করতেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিরণগঞ্জ, ভোলাহাট, কানসাট, আজমতপুর, চাকপাড়া, কামালপুর, শিয়ালমারা, ভাটিয়া বিল, তেলকুপি, রঘুনাথপুর, ওয়াহেদপুর, জহুরপুর টেক ও ফতেহপুর সীমান্ত দিয়েও মাদক ঢোকে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একাধিক চালান অনুসরণ করে তারা জানতে পেরেছেন, মাদকগুলো শহরে এসে পিটিআই মোড়, আরামবাগ, ঝাপাইপাড়া মোড়ে অন্তত চার-পাঁচটি ভাড়া বাসায় রাখা হয়। সেখানে ১০০ গ্রামের ছোট ছোট প্যাকেট করা হয়। পরবর্তী সময়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে ধাপে ধাপে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে দেয়া হয়।

রাজশাহী র‍্যাব-৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, পদ্মার চরগুলো দুর্গম এলাকা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা অনেক সময় কষ্টকর। এ কারণে মাদক চোরাচালান চক্র চর এলাকা মাদকের প্রাথমিক সংরক্ষণের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করছে।

কারা চালাচ্ছেন এই মাদক সিন্ডিকেট

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো বলছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা এলাকার অনেকেই মাদকের সঙ্গে জড়িত। কেউ তথ্য দিয়ে, কেউ হাত বদল করে, কেউ সরাসরি যুক্ত থেকে কোনো না কোনোভাবে এসব চালান পার করতে সহযোগিতা করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শুধু গোদাগাড়ীতেই হেরোইন ব্যবসায়ী রয়েছেন অনন্ত ৪০০ জন। হেরোইনের প্রধান দুই প্রবেশদ্বারে একটি চরবাগডাঙ্গা হলে অন্যটি এই গোদাগাড়ী।

র‌্যাব-পুলিশ ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের হেরোইন কারবারির তালিকায় চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদ রানা বাদেও নতুন নতুন নাম উঠে এসেছে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে একই ইউপির সদস্য জুয়েল ও নুরুলের। তারা এখন আলাদা আলাদা করে সিন্ডিকেট চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবশ্য জুয়েল বা নুরুল কেউই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ রানা দৈনিক বাংলাকে বলেছেন, ‘ওরা আগে যা করার করেছে। আমার ইউপিতে সদস্য হওয়ার পর আমি পরিষ্কার করে বলে দিয়েছি। ওসব কিন্তু আর চলবে না।’

কারবারি তালিকায় আরও আছে সুন্দরপুরের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের নাম। তা ছাড়া রয়েছে মোজাহার, হান্নান কন্ট্রাক্টর, কাশেম, কাজল, গোলাম নবীর নাম। এদের সবার অনন্ত ২০-২৫ জনের একটি করে গ্রুপ আছে। এদের প্রত্যেকের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হয়। তবে কেউই সাড়া দেননি।

কেজিতে লাভ ৭৩ লাখ টাকা, হুন্ডিতে টাকা পাঠান মতি

সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকান হেরোইনের প্রভাব সারা বিশ্বে বাড়তে শুরু করেছে। তবে আফগানি হেরোইনে চাহিদা এখনো বেশি। দামও আকাশছোঁয়া। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, কারবারিরা সীমান্তের চরে হেরোইন ভাগ করে নেন। তখন প্রতি কেজির দাম পড়ে ২৭ লাখ টাকা। পরে সেগুলো ১০০ গ্রামের প্যাকেটে ভাগ করা হয়। তখন কেজিপ্রতি দাম দাঁড়ায় ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে লাভ হয় ৭৩ লাখ টাকা। মাদকের দাম হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাঠানোর আগে মধ্যস্থতাকারী একজনের কাছে টাকা জমা থাকে। চালান পদ্মা নদীতে ধরা পড়লে সেটি ভারতীয় কারবারির ক্ষতি হিসেবে ধরা হয়। আর বাংলাদেশি কারবারির হাতে পৌঁছানোর পর পুলিশ ধরলে সেটি দেশি ব্যবসায়ীর ক্ষতি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের গোয়েন্দারা বলছেন, একাধিক মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তারা জানতে পেরেছেন টাকা জমা রাখা মধ্যস্থতাকারীদের একজন শিবগঞ্জ উপজেলার মতি। মতি তিন কেজি স্বর্ণ চোরাচালান মামলারও একজন ফেরারি আসামি।

হেরোইন সেবনকারীর সংখ্যা বেশি রাজশাহীতে

মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা উদ্ধারের হার বেশি হলেও হেরোইনে আসক্তের সংখ্যাই বেশি। এমন তথ্য উঠে এসেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিসংখ্যানে। সংস্থাটি বলছে, দেশের ভেতর হেরোইনের আধিক্য বেশি রয়েছে রাজশাহীতে, পরের অবস্থানে ঢাকা।

চিকিৎসার জন্য ভর্তি হওয়া মাদকাসক্তদের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশে ২০২১ সালে হেরোইনে আসক্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসাদের সংখ্যা ৩৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

হেরোইনসংক্রান্ত মামলার তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, শনাক্ত ও উদ্ধারের হার রাজশাহী বিভাগে ৪৭ দশমিক ৯৮, ঢাকা বিভাগে ২৫ দশমিক ৬৭, রংপুর বিভাগে ৯ দশমিক ৯১, খুলনা বিভাগে ৩ দশমিক ৩৭, ময়মনসিংহ বিভাগে শূন্য দশমিক ৫১ ও বরিশাল বিভাগে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ।

উদ্ধারও কম না

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরই তারা ৪ কেজি ৮০০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ উদ্ধার করেছে ৪ কেজি ৫৯০ গ্রাম, বিজিবি উদ্ধার করেছে ৪ কেজির মতো। সর্বশেষ ২০২১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিজিবি, র‌্যাব মিলে উদ্ধার করে ৫৪ কেজি ১৮৯ গ্রাম, যার মূল্য ৫৬ কোটি টাকার ওপরে।

সারা দেশে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংস্থার অভিযানে ২০২১ সালে হেরোইন উদ্ধার হয়েছে ৪৪১ কেজি, ২০২০ সালে ২১০ কেজি, ২০১৯ সালে ৩২৩ কেজি ও ২০১৮ সালে ৪৫১ কেজি।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন বলেন, মাদকের সহজলভ্যতা কমাতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে বিষয়টি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে।


হরিরামপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে পাকিস্তানি অবৈধ রিভলবার-বিস্ফোরক উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে যৌথবাহিনী। নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে এক বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারী ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ বাজার এলাকায় ব্রীজের নিচে যৌথবাহিনী একটি সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পাকিস্তানে প্রস্তুতকৃত একটি রিভলবার, পাঁচটি ককটেল বোমা, দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং একটি বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত বোমা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত বৈদ্যুতিক বোমাটি সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল টিম নিরাপদে ধ্বংস করে। অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযানে সেনাবাহিনীর ৫৪ জন সদস্য ও পুলিশের ২১ জন সদস্য অংশ নেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, যৌথবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে অভিযানটি সম্পন্ন করেছে এবং যে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে যৌথবাহিনী সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়। নির্বাচন ঘিরে মানিকগঞ্জ জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হয়েছে।


রাজবাড়ীর খানখানাপুরে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপু ইউনিয়নের মল্লিকপাড়া এলাকা থেকে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওয়ান শুটারগানসহ আকরামুজ্জামান সুমন (৪০) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সে ওই এলাকার মৃত মোস্তফা মাস্টারের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের চৌকস আভিযানিক দল ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৪ টার দিকে রাজবাড়ী সদর খানখানাপুর মল্লিকপাড়া এলাকার একটি বসত বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে হতে ১ টি দেশীয় ওয়ান শুটারগান’সহ একজন আসামী’কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় ১ টি মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার জানান, এই অভিযান প্রমাণ করে যে, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে র‌্যাব সদা প্রস্তুত ও সচেষ্ট। জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রিয় স্বার্থে র‌্যাব ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। র‌্যাব-১০ এর এই সফল অভিযানে দেশের জনগণ আরও একবার আশ্বস্ত হয়েছে যে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে সক্রিয় ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।


দৌলতদিয়ায় পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে এক ব্যক্তি নিখোঁজ, উদ্ধারে মেলেনি খোঁজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নং ফেরিঘাটে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পদ্মা নদীতে মোঃ রেজাউল শিকদার (৩৫) নামে এক ব্যাক্তি নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ ব্যাক্তি বাহিরচর শাহাদাৎ মেম্বার পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় ৩ নম্বর ফেরিঘাট হতে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি। নিখোঁজ ব্যাক্তির সন্ধানে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী রিয়াজুল শেখ নামে একজন জানান, নিখোঁজ রেজাউল ফেরির একজন যাত্রীর সাথে পন্টুনে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে নদীতে লাফ দিলে যাত্রীও সাথে সাথে নদীতে লাফ দেয়। স্থানীয়রা এক পর্যায়ে যাত্রীকে উঠাতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ রেজাউল সাঁতরে পাড়ে উঠতে গিয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা পরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন দেয়। খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মানিকগঞ্জে ডুবুরি দলকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

নিহতের বড় ভাই মোঃ হারুন শিকদার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে হয়ত আমার ভাইকে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে। ভাইকে খুঁজে পাওয়ার পর আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের লিডার মোঃ আব্দুল বাছেদ জানান, খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও আমরা ঘটনাস্থলে এসে মানিকগঞ্জ ডুবুরি দলকে খবর দিলে তারা সন্ধ্যা ৬ টার দিকে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলমান থাকলেও মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাতে উদ্ধার কাজ চলবে কিনা এ বিষয়ে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।


ভাঙ্গুড়ায় ফসলি জমির মাটি কাটায় তিনজনকে কারাদণ্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ফসলি জমির মাটি বিক্রি করার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান আদালত পরিচালনা করে এই রায় দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে ফসলী জমি কেটে মাটি বিক্রি করছেন স্থানীয় বাসিন্দা সুজন খান (২৮) নাইমুল ইসলাম (২৪), মিজানুর রহমান (৪৩) ও ইকবাল হোসেন (৩২)নামে চার ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ফসলি জমি নষ্ট করায় এবং আশেপাশের জমি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় এলাকার অন্যান্য জমির মালিকরা মাটি কাটতে বাধা দিলেও তোয়াক্কা করেনি এই চার ব্যক্তি।

এতে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে অভিযোগ করলে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে সুজনকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা এবং অন্যদেরকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। গত কয়েক দিনে এই চার ব্যক্তি লক্ষাধিক টাকার মাটি বিক্রি করেছেন বলে জানা যায়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় এসব ব্যক্তিদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ফসলি জমি রক্ষায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যার আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্তে রাষ্ট্রীয় অবহেলা ও অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে জাতিসংঘের সরাসরি তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ বিষয়ে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে জাবের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলাকে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মতো বারবার শুনানির তারিখ পেছানো হচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানতে চাই– আর কত দিনে এই মামলার তদন্ত শেষ হবে?’ তিনি আরও অভিযোগ করেন যে মামলার বাদী হওয়া সত্ত্বেও তাকে কোনো অগ্রগতির তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখাসহ স্বাক্ষর জাল হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওসমান হাদিকে গুলির ৫৩ দিন অতিবাহিত হলেও প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত না হওয়ায় তিনি অভিযোগ করেন যে তদন্তের নামে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে এবং এমতাবস্থায় লেবাননের রফিক হারিরি হত্যার নজির অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক তদন্তই একমাত্র সমাধান।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে ব্যর্থতা প্রকাশ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘গত চার দিন ধরে সব ধরনের চেষ্টা করেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়নি। তিনি যদি সত্যিই জনগণের সরকার হন, তাহলে শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এত প্রতিবন্ধকতা কেন?’ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে কেবল সিসি ক্যামেরায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত সম্ভব নয়, বরং ঝুঁকিপূর্ণ ৪৫ হাজার কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বডি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে এবং পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত অস্পষ্ট অবস্থানের সমালোচনা করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন যে হাদি হত্যার বিচার ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত হওয়ার দায়ভার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকেই বহন করতে হবে।


মাগুরায় সরকারি কর্মচারীদের ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবিতে তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা জেলা প্রতিনিধি

সরকারি কর্মচারীদের বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে মাগুরায় তিন দিনের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ মাগুরার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) ও আইটি অ্যান্ড বিএম কলেজের কর্মচারীরা অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে গড়িমসি বন্ধ করে দ্রুত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী স্বপন কুমার, বিভাগীয় প্রধান ফুড ডিপার্টমেন্ট, মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট; মোঃ আওলাদ হোসেন, কেয়ারটেকার মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ। মোঃ হাবিবুর রহমান জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং মাদুলি টুম্পা, প্রভাষক (গণিত), মাগুরা আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ অন্যান্যরা।


সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে যুক্ত হলেন সিনিয়র সচিবসহ সাত কর্মকর্তা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে নতুন সিনিয়র সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এছাড়া এক অতিরিক্ত সচিব, একজন যুগ্ম সচিব, দুজন উপসচিব ও দুজন সিনিয়র সহকারী সচিবকে পদায়ন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব হলেন জেলা ও দায়রা জজ রুহুল আমীন, যুগ্ম সচিব বি এম তারিকুল কবির, উপসচিব পঞ্চগড়ের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুল ইসলাম ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সুব্রত ঘোষ শুভ, সিনিয়র সহকারী সচিব মহসিনা হোসেন তুষি ও সাদিয়া আফরিন।

প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এএফএম গোলজার রহমান।


পিস্তল-গুলিসহ পল্লবীর ‘ভাগিনা মুন্না’ গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবী থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্নাকে (৫৩) বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তার বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা ও ১৭টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে। পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা থেকে সোমবার তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগের হরিরামপুর এলাকার বাংলোবাড়ি থেকে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে র‍্যাব-৪-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার) কে এন রায় নিয়তি জানান, গোয়েন্দা সূত্র ধরে জানা যায়- নির্বাচনকে সামনে রেখে পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্না অস্ত্রসহ নাশকতা করার জন্য এলাকায় প্রবেশ করেছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগের বাংলোবাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিয়তি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না জানান, উদ্ধার করা অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনি রাজধানীর তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক, ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন। এ ছাড়া তিনি পিস্তলটি বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়া দিতেন—যা দিয়ে অপরাধীরা খুন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতেন। গ্রেপ্তার করা শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন থানায় ৩০টির বেশি মামলা ও ১৭টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আশুলিয়ায় দগ্ধ জাবি ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের আশুলিয়ার একটি বাসায় আগুনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ছাত্রদল নেতাসহ চারজন দগ্ধের ঘটনায় সাইফুল ইসলাম রনি (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান তিনি।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, সাইফুলের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। হাসিনুর ১৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছেন।

গত ২৭ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে আগুনে দগ্ধের ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম (২৮), বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের গাড়িচালক মো. হাসিনুর (২৬) এবং আপন দুই ভাই রায়হান ও রাহাত।


নড়াইলে রোটারি চক্ষু হাসপাতাল উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা গ্রাম। গ্রামের কুল ঘেষে বয়ে চলেছে চিত্রা নদী। নদীর তীরে মসজিদ মন্দিরের মাঝে স্থাপিত হলো বাংলাদেশ রোটারি চক্ষু হাসপাতাল। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান অতিথি হয়ে হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন করেন দেশ বরেণ্য রোটারিয়ান পিজিডি কেএম জয়নুল আবেদীন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘ব্যবসায়িক মনোভাব নিয়ে নয়, সেবাই হবে এই হাসপাতালের প্রথম শর্ত। হাসপাতালের এক পাশে মসজিদ অন্য পাশে মন্দির। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য স্থাপন করা এই জেলার হাসপাতাল হবে দেশ সেরা। এই প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে হবে। নড়াইলকে তুলে ধরতে হবে অন্য এক উচ্চতায়।

তিনি বলেন, ‘দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাঝে ডায়াবেটিক হাসপাতাল এবার যুক্ত হলো চক্ষু হাসপাতাল। দেশের কোথাও দেখা যায় না এমন দৃশ্য।’ আবেগ ঘণ বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘অন্তরে মানবতা না থাকলে, প্রকৃত মানুষ হওয়া যায় না। মানুষকে ভালোবাসলে নিজেও ভালো থাকা যায়। এসো বন্ধুর বন্ধনে আবদ্ধ হই।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নড়াইলে এই রোটারি চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হচ্ছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রোটারিয়ান পিজিডি প্রকৌশলী এম, এ ওহাব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএ মতিন,পটুয়াখালি মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রোটারিয়ান ডা. এসএম আবুল হাসান, অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. রেজাউল আলম, সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক, ডা. আশীষ কুমার সাহা প্রমুখ।


দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ক্লিনিক কর্মীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় শ্রী সমেস চন্দ্র নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেবীগঞ্জ–বোদা মহাসড়কের পাকড়িতলা মদিনা কোল্ড স্টোরেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সমেস পামুলী ইউনিয়নের কাটনহারী আরাজী এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই

এলাকার হরি কিশোর বর্মনের ছেলে। পেশায় তিনি দেবীগঞ্জের ‘মায়ের হাসি ক্লিনিক’-এ কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতেও কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন শ্রী সমেস। এ সময় পাকড়িতলা মদিনা কোল্ড স্টোরেজের সামনে পৌঁছালে একটি বালু বোঝাই দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং ট্রাকটি তাকে রাস্তার সঙ্গে পিষে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার আগেই ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা জানান, ওই স্থানে অপরিকল্পিত স্পিড ব্রেকারের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির যানবাহন হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা অবিলম্বে ওই স্থানের স্পিড ব্রেকার অপসারণ বা সঠিকভাবে সংস্কারসহ নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।


আমতলীতে একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে চুরি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলায় একই রাতে দুটি সরকারি কার্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে সংঘটিত এ

ঘটনায় সরকারি দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ফুটেজ অনুযায়ী, চোরেরা অফিস ভবনের দক্ষিণ পাশের গ্রিল ভেঙে আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসে প্রবেশ করে। এরপর তারা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও উচ্চমান সহকারীর কক্ষসহ মোট তিনটি

কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এ সময় আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে একটি ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, গভীর রাতে এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। এতে দাপ্তরিক কাজে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। একই রাতে আমতলী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী

প্রকৌশলীর কার্যালয়েও চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এলোপাথাড়ি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখে। তবে কার্যালয়ে নগদ অর্থ না থাকায় তারা কিছু চুরি করতে পারেনি বলে জানান উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সোহাগ মিয়া।

দুটি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আমতলী থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণসহ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি কার্যালয়গুলোর রাতকালীন নিরাপত্তা দুর্বল থাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত চোর চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সরকারি দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।


পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্য হলেন হাসিনুর রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. হাসিনুর রহমানকে কমিশনের সদস্য (পরিকল্পনা) (চলতি দায়িত্ব) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

এর আগে তিনি কমিশনের পরিচালক (ভৌত বিজ্ঞান) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের বৈজ্ঞানিক তথ্য বিভাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে (BAEC) যোগদানের পর থেকে প্রায় তিন দশক ধরে হাসিনুর রহমান নিউক্লিয়ার ইন্সট্রুমেন্টেশন, এনার্জি অ্যানালাইসিস এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘদিন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন এবং প্রকল্পটির উপপ্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রূপপুর প্রকল্পের সাইট নির্বাচন, ডিজাইন নির্বাচন, সাইট ও ডিজাইন লাইসেন্স অর্জন, জেনারেল কন্ট্রাক্ট আলোচনা ও চূড়ান্তকরণ, কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তিনি অসাধারণ পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন। বর্তমানে তিনি Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO)-এর বাংলাদেশের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবনের অংশ হিসেবে তিনি অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, অস্ট্রিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত (আবুধাবি), মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া ও বেলারুশসহ বহু দেশ সফর করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন মো. হাসিনুর রহমান। তিনি ১৯৬৭ সালে পাবনা জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।


banner close