মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

টেকনাফ সীমান্তে মির্জা ফখরুল

টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: দৈনিক বাংলা
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ১৮:১২

নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টানাপোড়েনের মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার সকালে টেকনাফ সমুদ্রসৈকত-শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গেছে তাকে। সম্প্রতি মির্জা ফখরুলের বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার পরিণত হয়েছে ‘টক অব দ্য কান্ট্রিতে’।

এদিকে, টেকনাফে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসার খবরে নেতাকর্মী নিয়ে ছুটে যান জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। এ সময় টেকনাফ সদর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানসহ নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের নেতা মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। এ সময় তিনি যেকোনও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র, মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতার পাশাপাশি ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া সমুদ্রসৈকতে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।’

জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম শীর্ষ এই রাজনীতিবিদকে এ সময় সস্ত্রীক দেখা গেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই সফর নিয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু না জানানো হলেও দলটির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, এটি মহাসচিবের ব্যক্তিগত সফর। তিনি পরিবারের সঙ্গে অবকাশ যাপনে এসেছেন।


বোনকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ভাইকে মারধর, সংঘর্ষে সাবেক সেনাসদস্যসহ আহত ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বড় বোনকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছে ছোট ভাই। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ দুইজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মিয়া বাড়ির সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, গজারিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারেক বেপারীর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিন (৬৫) এবং একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে তালহা (১৬)। আহতদের মধ্যে তালহাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে নাসির উদ্দিন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সাইফুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিনের ছেলে জেমস। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেমস মাদকাসক্ত এবং তার মাদক সেবনের একাধিক ছবিও রয়েছে। এই বিষয়ে জেমসের মা জামিলা মেম্বার ও বাবা নাসির উদ্দিনের কাছে একাধিকবার বিচার চেয়েও কোনো সুরাহা পায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় মিয়া বাড়ির সামনের রাস্তায় জেমসের বাবা নাসির উদ্দিনের সামনে পড়ে ভুক্তভোগী তরুণীর ছোট ভাই তালহা। সেখানে সে পুনরায় জেমসের আচরণের প্রতিবাদ ও কৈফিয়ত চাইলে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তালহাকে বেদম মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়। এদিকে মারধরে তালহা মারা গেছে এলাকায় এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন নাসির উদ্দিনের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তালহার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

আহত তালহা জানায়, "দীর্ঘদিন ধরে জেমস আমার বড় বোনকে বিরক্ত আসছিল। বিচার দিয়েও লাভ হয়নি। সোমবার জেমসের বাবার কাছে এর প্রতিকার চাইলে তিনি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর শুরু করেন। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে নাসির উদ্দিনকে গণপিটুনি দেয়।"

এদিকে প্রতিপক্ষের আহত নাসির উদ্দিনের দাবি ভিন্ন। হাসপাতাল শয্যায় তিনি অভিযোগ করেন, "এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় প্রভাবশালী সোহেল মিয়া, মনির ও মিলনের সঙ্গে আমার বিরোধ তৈরি হয়। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে বসে থাকার সময় তারা ২০-২২ জনের একটি সশস্ত্র দল নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাকে বাঁচাতে এসে ছেলে জেমসও মারধরের শিকার হয়।"

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আবেদ আহমেদ জানান, আহত দুজনের মধ্যে নাসির উদ্দিনের মাথা ও গালে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তাঁর মাথার দুই জায়গায় ও গালে সেলাই দেওয়া হয়েছে। তাঁকে এই হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। অপরদিকে তালহার হাতে এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে বারবার বমিও করছিল, তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসান আলী জানান, "খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


কালীগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ থানার মামলা নং-২১, তারিখ ১৯ মে ২০২৬ ইং অনুযায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার বাদী এসআই (নিঃ) মিজানুর রহমান।

গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন, মোঃ জসিম উদ্দিন (৩০)। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার ধনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ আব্দুল রশিদ ও মাতার নাম জোসনা বেগম।

পুলিশ জানায়, কালীগঞ্জ থানাধীন মোক্তারপুর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে ২নং সাক্ষী মোঃ তাজুল ইসলাম (২৭) এর ডিজেল ও পেট্রোল তেল বিক্রির দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে মোট ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ১ দশমিক ৪ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ হাজার ২০০ টাকা।

এ ঘটনায় এসআই (নিঃ) এমদাদুল হককে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।


আমতলীতে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে । মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পশ্চিম চিলা গ্রামের মুকুন্দ বাইনের ধানক্ষেতে প্রায় ৫৫ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা আমতলী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয়দের দাবি, মৃত নারীকে এলাকার কেউ চিনতে পারেননি। তিনি কীভাবে ওই এলাকায় এলেন কিংবা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মৃত নারীর শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমতলী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বলেন, ওই নারীকে এলাকার কেউ শনাক্ত করতে পারেননি। তিনি কোথা থেকে এসেছেন, সেটিও জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

এ বিষয়ে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ, সহকারী রেজিস্ট্রার বরখাস্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের ফান্ড থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হানকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফায়েকুজ্জামানের ভাগ্নে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এসএম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাময়িক অব্যাহতির আদেশে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

জানা গেছে, ইউসূফ রায়হান ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ইএমবিএ প্রোগ্রামের আর্থিক কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ডিসিপ্লিন প্রধান ও কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে তিনি ব্যাংক থেকে ইএমবিএ প্রোগ্রামের টাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সেমিস্টার ও পরীক্ষার ফির অর্থও ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গত সোমবার (১১ মে), যখন ইএমবিএ শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখতে পান, তাদের জমা দেওয়া ফি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে প্রদর্শিত হচ্ছে না। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, কয়েকটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অর্থ ব্যাংকে জমা হয়নি।

প্রসঙ্গত, ইউসূফ রায়হান ২০১৭ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান। তার নিয়োগের সময়ও স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।


ফুলবাড়িয়া খাদ্য গুদামে বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে ফুলবাড়িয়া মাছ বাজার সংলগ্ন খাদ্য গুদামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ধান-চাল সংগ্রহ মনিটরিং কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম সোহাগ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিলন এমপি বলেছেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছে। কোন কৃষক যেনো হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারেও অনুরোধ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ শাহনাজ পারভীন,খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ ছাইদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ ,উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো: আবু রায়হান,আলম এশিয়া প্রাঃ লিঃ এর চেয়ারম্যান এস এম শাহজাহান,ব্যবসায়ি আবুল কালাম সরকার, বুলবুল প্রমুখ।

ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ জানান, এবার বোরো মৌসুমে ফুলবাড়িয়া খাদ্যগুদামে

৩ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল এবং ২ হাজার ৯০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হবে। এই সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী একযোগে চলবে।


সাঁথিয়ায় ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এম এ হাই, সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৯ মে) বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

র‌্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হানের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম, সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা মোখলেছুর রহমান, সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল মানিক, সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মীর নজমুল বারী নাহিদ, সাবেক সভাপতি মানিক মিয়া রানা, জয়নুল আবেদীন রানা, সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাবেক সম্পাদক আবুল কাশেম, কোষাধ্যক্ষ আবু ইসহাক, সাংবাদিক মনোয়ার পারভেজ মানিকসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।


ডুমুরিয়ায় ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন ও জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ভূমি অফিসের যৌথ উদ্যোগে ১৯ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আসগার লবী।

তিনি বলেন, ডুমুরিয়ায় ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবায় জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনোভাবেই সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, “ভূমি অফিসে কোনো ধরনের দালালচক্র, সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষ যেন নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানসহ সকল সেবা সহজে ও হয়রানিমুক্তভাবে পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

সরকারের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে সংসদ সদস্য বলেন, অনলাইন ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে জনগণের সময় ও অর্থ দুই-ই সাশ্রয় হচ্ছে। প্রান্তিক জনগণ যেন ঘরে বসেই বা সহজে সেবা কেন্দ্র থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে সেবা নিতে পারেন, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমার জীবন থাকতে এলাকার কোনো মানুষকে হয়রানি হতে দেব না। ভালো মানুষ বা খারাপ মানুষ যে দলেরই হোক না কেন, ডুমুরিয়ার মাটিতে সাধারণ মানুষকে ঠকানো বা হয়রানি করা সহ্য করা হবে না।”

সভায় বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস, ডুমুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আছের আলী, খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি চেয়ারম্যান মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সরোয়ার হোসেন, শেখ শাহিনুর রহমান, শেখ ফহরাদ হোসেন, ডুমুরিয়া উপজেলা কানুনগো মোঃ জাকির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবী খোকা, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, মুফতি আব্দুল মালেক ও সজিব কুমার বিশ্বাস।

মেলায় অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান, ই-নামজারি সহায়তা, ই-পর্চা ও ডিজিটাল মৌজা ম্যাপ সেবা, ডিসিআর ও খতিয়ান সংগ্রহ, স্মার্ট ভূমি রেকর্ড বিতরণ এবং অভিযোগ প্রতিকার ও গণশুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়া মেলায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন ১৬১২২ ও land.gov.bd পোর্টালের ব্যবহার হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সকল নাগরিককে মেলায় এসে আধুনিক ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ নূরুল ইসলাম।


বাজেটে নারীদের সুবিধা বাড়াতে জেলায় জেলায় অবকাঠামো বরাদ্দের দাবি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

বাজেটে নারীদের জন্য জেলায় জেলায় ডে কেয়ার সেন্টার, পাবলিক টয়লেট, কর্মজীবী নারী হোস্টেল ও মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণে পৃথক বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম। পাশাপাশি গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় বরিশাল অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাজেট শুধু অর্থনৈতিক দলিল নয়, এটি সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলনও।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মাফিয়া বেগম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

এছাড়া বক্তব্য দেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন, বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সদস্য শহিদুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম বরিশাল জেলা শাখার ক্রীড়া সম্পাদক খুকুমণি, খান সন্স টেক্সটাইল শ্রমিক ইউনিয়নের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রিজিয়া বেগম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার আহ্বায়ক সুজন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার এবং চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বরিশাল জেলার সংগঠক লামিয়া সায়মন।

বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হলেও বাজেটে তাদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয় না। তারা জানান, গৃহস্থালি ও পরিচর্যামূলক কাজের বড় অংশ নারীরা করলেও তা অর্থনৈতিক হিসেবে গণনায় আসে না। ২০২১ সালের তথ্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারীদের অবৈতনিক গৃহস্থালি ও পরিচর্যা কাজের আর্থিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের জিডিপির প্রায় ১৮.৯ শতাংশ।

তারা আরও বলেন, সন্তান পালন ও গৃহস্থালি দায়িত্বের কারণে নারীরা কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ হিসেবে ডে কেয়ার সেন্টার, নিরাপদ গণপরিবহন, কর্মজীবী নারী হোস্টেল, স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট এবং মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ জরুরি। নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হলে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে এবং এসব পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।


বিআইডব্লিউটিএ দপ্তরে কর্মকর্তা নেই, আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল প্রতিনিধি

আপনারা যা দেখলেন, আমিও তাই দেখলাম। এ ধরনের অভিযান চলবে এমন হুশিয়ারী দিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান।

মঙ্গলবার (১৯ মে ) সকালের দিকে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই বরিশালের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শনে যান তিনি। পরে তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল দপ্তরে যান।

পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী দেখতে পান, দপ্তরে কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত নেই। তবে কয়েকজন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছিলেন। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম ও উপস্থিতি বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

দপ্তরের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন তিনি এবং উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য নথিভুক্ত করেন। এ সময় সরকারি সেবা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রতিমন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের রাজীব আহসান জানান,আপনারা যা দেখলেন, আমিও তাই দেখলাম। এ ধরনের অভিযান চলবে। সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আকস্মিক পরিদর্শন নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।

পরিদর্শন শেষে তিনি স্পিডবোটে করে মেহেন্দীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।


মানবিক সহায়তার আশা ক্যান্সার আক্রান্ত ছাত্র জুনায়েদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর সুফিয়াবাদ ফাজিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র মো. জুনায়েদ আহমেদ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পার করছে। মেধাবী এই ছাত্রের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে জুনায়েদের শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকেই চলছে ব্যয়বহুল চিকিৎসা। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পরিবারের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। দিনমজুর পিতা মো. দুলাল মিয়ার পক্ষে এখন ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জুনায়েদের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলেটা বাঁচতে চায়। কিন্তু টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারছি না। সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি একটু সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে হয়তো আমার ছেলেটা আবার সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।”

স্থানীয়রা জানান, জুনায়েদ অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও মেধাবী ছাত্র। তার এমন করুণ অবস্থায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তারা সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, প্রবাসী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইব্রাহিমপুর সুফিয়াবাদ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মো. এনামুল হক কুতুবী বলেন, “জুনায়েদের চিকিৎসার জন্য সমাজের দানশীল ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সবার সহযোগিতা পেলে হয়তো এই মেধাবী শিক্ষার্থীকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।”


বরিশালে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু

আপডেটেড ১৯ মে, ২০২৬ ১৩:৩২
বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় নতুন করে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু দুটির মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, মৃত শিশুদের একজন পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার সোহাগ খানের দুই বছর বয়সী ছেলে জিহাদ এবং অন্যজন ভোলার চরফ্যাশনের উত্তর চর আইচা গ্রামের হাসানের সাত মাস বয়সী কন্যাশিশু হাবিবা।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, হামজনিত জটিলতা থেকে মারাত্মক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর জানান, হাম থেকে সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার কারণে শিশু দুটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, হাবিবা গত ১৩ মে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৮ মে সকালে মারা যায়। অন্যদিকে জিহাদকে ১৯ মে ভোরে হাসপাতালে আনার কিছু সময় পরই তার মৃত্যু হয়।

চলতি বছরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ২৮৬ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫২ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছে ৪৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৯৮ জন রোগী।

এদিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় জানিয়েছে, বিভাগজুড়ে হামের সংক্রমণ এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, বরিশাল বিভাগে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে ৩৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম রোগে মারা গেছে আরও তিনজন।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ১৪৭ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৪০ জন রোগী।

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯৫০ জনে। এর মধ্যে ১৭৫ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালীতে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ২৮৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ভোলায় ৪৫৮ জন, বরিশালে ৩৬৭ জন, বরগুনায় ৫৩১ জন, পিরোজপুরে ৩৩৭ জন এবং ঝালকাঠিতে ২৫৫ জন রোগী পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


জীবননগর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সালাউদ্দীন কাজল, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

জীবননগরে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত ও কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে দশটায় থেকে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির পাশাপাশি আদালত সহায়তা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ, মানব পাচার প্রতিরোধ, চোরাচালান নিরোধ সমন্বয় কমিটি, অনিষ্পন্ন চোরাচালান মামলাসমূহ বিষয়ে মনিটরিং সেল, জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটি এবং সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের নির্ভুল ও সমন্বিত পরিসংখ্যান প্রণয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাহমিদা আক্তার রুনা, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জুয়েল শেখ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন মোড়ল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান খান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, থানার এস আই খুরশিদ আলমসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময় বক্তারা সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, নিয়মিত মনিটরিং এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।


কালীগঞ্জে জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মোঃ ওমর আলী মোল্যা, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে “জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভূমি সেবা মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় কালীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা।

গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ হুমায়ুন কবির মাস্টার।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনায় অনলাইন সেবা চালু করেছে। ডিজিটাল ভূমি সেবার মাধ্যমে জনগণ এখন ঘরে বসেই বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারছে, ফলে সময় ও হয়রানি দুটোই কমছে।

বক্তারা আরও বলেন, ভূমি সপ্তাহ উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে যদি সাধারণ মানুষের একটি অংশও উপকৃত হয়, তাহলেই এ আয়োজন সফল ও সার্থক হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


banner close