শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
৬ আষাঢ় ১৪৩৩

অপারেশন ডেভিল হান্ট: চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ৪০

আপডেটেড
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
স্পেশাল করসপনডেন্ট (চট্টগ্রাম ব্যুরো)
প্রকাশিত
স্পেশাল করসপনডেন্ট (চট্টগ্রাম ব্যুরো)
প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ২০:২০

দেশব্যাপী ডেভিল হান্ট অপারেশনে চট্টগ্রামে ২৪ ঘন্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিত ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের (সিএমপি)। নাশকতা সৃষ্টির শঙ্কা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন সিএমপির উপপরিদর্শক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. ইমরান হোসেন। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার ওপর হামলাসহ এসব নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এক বা একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দুই কিশোরও রয়েছে বলে জানা গেছে। তারা দুইজন হলেন মো. রবিউল হাসান (১৭), পারভেজ (১৭)। জুলাই আন্দোলনের সংঘাতে জড়িত থাকার কারণে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে কোতোয়ালী থানায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. শাহফাজ মিয়া (৩৪), মো. আবুল কালাম (৫৮), কাজী সালাউদ্দিন লাভলু প্রকাশ সালাউদ্দিন (২৯), ইসতেশাম আলম দোভাষ ইশরাক (২১), মো. হাবিব উল্লাহ (২৮), মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫), মো. শাহাদাত হোসেন জুয়েল (৩২)।

পাঁচলাইশ থানায় তৌহিদুজ্জামান জয় (৩২), মো. ফারুক (৩৫)। চকবাজার থানা এলাকা থেকে মো. রবিউল হোসেন (২৬), বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হারুনুর রশিদ (৪৫), মো. টিটু মাঝী (৪০), তোফাইল আজম তাশকার প্রকাশ আবিদ (২৪), মো. রফিক (৩৫), আকবরশাহের আসামি ফয়সাল(২১), মো. শাকিল(২২), মো. রুবেল (২০), মো. ইব্রাহিম (২০), সদরঘাট থানায় মো. হাবিবুর রহমান মুন্না (৩৮), হালিশহর থানায় মো. হৃদয় (২২), মো. রাব্বি (২৮), বিজ্ঞান কুমার নাথ (৫৬), মফিজ (৩২)।

খুলশী থানার আসামি মো. জাবেদ উদ্দিন (২১), মো. রেজাউল করিম (৩১), ইপিজেড থানায় আরমান মিয়া (২৭), লালন ফকির (২৮), ডবলমুরিং মডেল থানার মো. ইউসুফ শান্ত (২৫), মো. সাদেক (৩৪), পতেঙ্গা মডেল থানার আসামি মো. মুন্না (২০), বন্দর থানার আসামি মো. নুর উদ্দিন (৪০)।

পাহাড়তলী থানার আসামি আব্দুল মালেক বাবুল (৬৪), গোলজার বেগম রুবি (৫৫), চান্দগাঁও থানার আসামি মো. নাছির উদ্দিন (৪০), বাকলিয়া থানার আসামি মো. ইমরান হোসেন ইমন (২৮), সালাউদ্দিন রায়হান (২৫), মো. জুয়েল রানা (৩৪) ও কর্ণফুলী থানায় সরোয়ার আলম বাপ্পি (৩৭)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, উপরোক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর হামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে, সন্ত্রাসী বিরোধী আইনে ও পেনাল কোড আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগেও অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৪৬ ডেভিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

অষ্টগ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শফিক হত্যা: মামলা দায়েরের ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ২

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মো. নজরুল ইসলাম, অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবক শফিক মিয়া (৩১) হত্যাকান্ডের ঘটনায় দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্য এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুকনুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত এ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার আবদুল্লাহপুর মুন্সিবাড়ির মৃত শের আলীর পুত্র হান্নান মিয়া (৪২) ও জামিরা বাড়ির ছিদ্দিকুর রহমানের পুত্র ফরহাদ (৩৫)। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার কালনী নদীর পাড় থেকে মুখমন্ডল থেঁতলানো অবস্থায় শফিক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ জুন (২০২৬) অষ্টগ্রাম থানায় ৩০২/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা (নং-১৩) দায়ের করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শফিক মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ হলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য উদ্যোগ নিয়ে মোহরানা ও ভরন পোষণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কালনী নদীর পাড়ে তার রহস্যজনক ও নৃশংস মৃত্যু এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান বলেন, "ঘটনার পর থেকেই পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের পর দ্রুততম সময়ে দুই আসামি গ্রেপ্তার করায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে ঘটনার পেছনের সম্পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


নির্বাচিত

ভৈরবে ৬ মাসে ২শ ৩৯ কেজি গাঁজা জব্দ, গ্রেপ্তার ১৩৬

ফাইল ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৪১
 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

ট্রেনে বেড়েছে মাদক চোরাচালান। দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি চক্র মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রেনের বগি ও ছাদে গোপনে মাদকপাচার করছে। এসব মাদক চোরাচালান রোধে তৎপর রেলওয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ৬ মাসে ২শ ৩৯ কেজি গাঁজা ও ১০ বোতল মদ জব্দ করাসহ ১৩৬ জন মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।

জানা যায়, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনসহ বিভিন্ন ট্রেনে বিশেষ অভিযান চালায় ভৈরব রেলওয়ে পুলিশ। এর মধ্যে রেলওয়ে পুলিশ এককভাবে ৯৬ কেজি গাজাঁ এবং র‌্যাবের সঙ্গে যৌথ অভিযানে ১শ ৫৩ কেজি গাজাঁ জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ৫০ লাখ টাকা।

এ ছাড়াও এসব মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ১৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে ৭৮ জনকে ভ্র্যাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া ৫৮ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেওয়া হয়েছে।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, এসব মাদক জব্দের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছে।


নির্বাচিত

খুলনায়  বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনার রূপসা উপজেলায় বিদেশি পিস্তলসহ সুলতান মাহমুদ বাপ্পা (৩৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাপ্পা গোপালগঞ্জ জেলার বেতগ্রাম এলাকার শেখ হাফিজুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রূপসা থানার এসআই মশিউর রহমান সরকারি পিকআপে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় নৈহাটি গোডাউন মোড়ে অবস্থানকালে গোপন সূত্রে খবর পান যে, জয়পুর গ্রামে এক ব্যক্তি অবৈধ অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছে।

খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক মীরসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়

সেখানে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে তার পরিহিত ট্রাউজারের পেছনের কোমর থেকে একটি খালি ম্যাগাজিনসহ বাটযুক্ত বিদেশি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

রূপসা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক মীর বলেন, গ্রেপ্তারকৃত সুলতান মাহমুদ বাপ্পাকে খুলনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সম্ভাব্য ব্যবহার সম্পর্কে তদন্ত চলছে।


নির্বাচিত

শিবচরে ট্রেনের ধাক্কায় প্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের শিবচরে ট্রেনের ধাক্কায় শুকরন বেগম (৭৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের পাঁচ্চর তেলের পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শুকরন বেগম দত্তপাড়া ইউনিয়নের বাঁচামারা মোকশেদপুর এলাকার মোঃ মোকশেদ হাওলাদারের স্ত্রী।

মাদবরেরচর ইউনিয়ন মোল্লাবাজার সংলগ্ন রেল লাইনের পাশে এক নারীকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এর আগে শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানান পরিবারের লোকজন।

শিবচর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে এবং এ ব্যাপারে রেল পুলিশ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।


নির্বাচিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টায় বিএসএফ

চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১৭:১৩
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চৌকা সীমান্তে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে ফেরত নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

শনিবার (২০ জুন) বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠকের পর তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সীমান্ত পিলার ১৭৭-এর ২-এস এবং ১৭৮-এর এস-৩ পিলারের কাছে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিএসএফ পুশইন করা ১১ জন নারী, ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন শিশুকে ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

এর আগে শনিবার (২০ জুন) সকালে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ওই ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারনে সেই চেষ্টা বার্থ হয়।


নির্বাচিত

চলতি বাজেট একটি জনবান্ধব বাজেট: দুলু

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

চলতি বাজেটকে একটি জনবান্ধব বাজেট উল্লেখ করে সরকার দলীয় হুইপ ও নাটোর ২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, দেশের তৃনমুল পর্যায়ের মানুষের জন্য যে বাজেট দরকার। ধান, চাল, তেল ও আটা থেকে শুরু করে মসলা পর্যন্ত সমস্ত ক্ষেত্রে কৃষক বান্ধব ও জনবান্ধব বাজেট পেশ করেছে সরকার। গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন সুন্দর বাজেট হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রান্তিক কৃষকদোর মাঝে সার, বীজ ও কীটনাশক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, কৃষক, শ্রমিক রিক্সা চালক থেকে শুরু করে সকল মানুষের জীবনযাত্রা অতিবাহিত করার জন্য যে বাজেট প্রয়োজন সেই বাজেট ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ।


নির্বাচিত

পিরোজপুরে ‘মাদকের বিস্তার-আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
‎​‎এস এস আবু জাফর , পিরোজপুর প্রতিনিধি

মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ, এর কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সুস্থ-স্বচ্ছ যুবসমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে পিরোজপুরে ‘মাদকের বিস্তার-আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই সভার আয়োজন করা হয়।

‎​পিরোজপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে এবং পিরোজপুর জেলা পরিষদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামিম।

‎​সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, "মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা অপরিহার্য। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং মাদকের সাথে সম্পৃক্তদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।" জেলা প্রশাসক মাদকের তালিকা তৈরি করে তা প্রকাশ্যে টানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ তাদের সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।

‎​তিনি আরও জানান, পিরোজপুরে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা জেলা প্রশাসনের রয়েছে এবং দ্রুতই এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

‎​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পান্না লাল রায়, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত এবং চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু।

‎​বক্তারা বলেন, মাদক এখন পরিবারের শান্তি বিনষ্ট করছে, বাবা-ছেলের সম্পর্ক ধ্বংস করছে এবং তরুণ প্রজন্মকে অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

‎​এই আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় সুধীজন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকেই পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

‎​অনুষ্ঠানটিতে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা ভবিষ্যতে পিরোজপুরকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি আল মুজাহিদী মারা গেছেন

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি এবং মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই এই কবি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা ও হৃদরোগে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন।

কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান অপরিসীম। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’ এবং ‘যুদ্ধ নাস্তি’-র মতো কালজয়ী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা তিনি। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।


নির্বাচিত

নতুন যুগের অপেক্ষায় পতেঙ্গা টার্মিনাল

আসছে ৩০ মিলিয়ন ডলারের চার এসটিএস ক্রেন
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। টার্মিনালটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) বাংলাদেশ জানিয়েছে, প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩০০ কোটি টাকার বেশি) মূল্যের চারটি অত্যাধুনিক শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন পৌঁছালে আগামী জুলাই মাস থেকে টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিশেষায়িত ক্রেনগুলো নিয়ে জাহাজ ‘এম.ভি. ল্যান হাই হং ইউন’ টার্মিনালের ভেড়ার অপেক্ষা করছি। নিরাপদ খালাস কার্যক্রম নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ পতেঙ্গা টার্মিনালের আশেপাশে চলাচলকারী সকল সমুদ্রগামী জাহাজ, কোস্টার, ট্যাঙ্কার ও মাছ ধরার ট্রলারসহ সব ধরনের নৌযানকে জেটি থেকে অন্তত ১০০ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বলেছে। এছাড়া কর্ণফুলী চ্যানেলের পূর্ব দিক দিয়ে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চীনের ‘স্যানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি’র তৈরি এই চারটি ক্রেন টার্মিনালের জাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ও কনটেইনার ওঠানো-নামানোর গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে আশা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছর ২৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ১৪টি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহ করেছিল আরএসজিটি।

এ বিষয়ে আরএসজিটি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও জনসংযোগ প্রধান সৈয়দ আরিফ সারোয়ার বলেন, ‘এই ক্রেনগুলো টার্মিনালের জন্য একটি বড় প্রযুক্তিগত মাইলফলক। এটি আমাদের ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান কনটেইনার ট্রাফিক সামলানোর সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।’

বড় জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি: নতুন এই ক্রেনগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা ১৬ সারি কনটেইনার বিশিষ্ট বড় জাহাজ পরিচালনা করতে পারবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে মূলত ১২ থেকে ১৩ সারির জাহাজ বেশি আসে।

সৈয়দ আরিফ সারোয়ার জানান, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যের কথা মাথায় রেখে বড় আধুনিক জাহাজ ভেড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বিনিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্রেন একক কনটেইনার অপারেশনে ৪০ টন, টুইন-লিফট মোডে ৪৫ টন এবং বিশেষায়িত কার্গোর ক্ষেত্রে ৬০ টন পর্যন্ত ওজন তুলতে সক্ষম। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের উচ্চতা সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখেই এগুলো তৈরি করা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও উচ্চ উৎপাদনশীলতা : এই ক্রেনগুলোর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত। আরএসজিটি কর্মকর্তাদের মতে, এই প্রযুক্তির ফলে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় থাকবে, যা পরিবেশ রক্ষায় এবং জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

রেল ট্র্যাকে বসানো এই চারটি ক্রেন ব্যবহার করে টার্মিনালে একসাথে দুটি জাহাজে কাজ করা সম্ভব হবে। জাহাজ জেটিতে ভেড়ার পরপরই খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা সম্পন্ন হতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।

পূর্ণ সক্ষমতায় ফেরার প্রস্তুতি: পতেঙ্গা টার্মিনালটির বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টিইইউস। তবে ২০২৫ সালে এখানে ১৫৪,৫৬৪ টিইইউস কনটেইনার এবং ৭৮টি জাহাজ হ্যান্ডেল করা হয়েছে, যা মূল সক্ষমতার চেয়ে অনেক কম। এর মধ্যে রপ্তানি ছিল ৯৩,৩৪০ টিইইউস এবং আমদানি ছিল ৬১,২২৪ টিইইউস।

২০২৫ সালের শুরুর দিকে আমদানি কনটেইনার পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় স্ক্যানার না থাকায় কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা ছিল। পরবর্তীতে মে মাসে আরএসজিটি নিজস্ব অর্থায়নে ৩ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে স্ক্যানার স্থাপন করলে কার্যক্রমের গতি বাড়ে। এরপর গত বছরের আগস্ট মাসে টার্মিনালটি রেকর্ড ২৪,৫৯৯ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডেল করে।

সৈয়দ আরিফ সারোয়ার বলেন, ‘আমরা ইজারা চুক্তির প্রথম দুই বছর অবকাঠামো উন্নয়ন ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহের পেছনে ব্যয় করেছি যাতে আগামী ২০ বছর টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারে।’

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নতুন এসটিএস ক্রেনগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে টার্মিনালটি তার সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

উল্লেখ্য, ২২ বছরের চুক্তিতে ২০২৪ সালের এপ্রিলে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আরএসজিটি-র কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০২৪ সালের জুন থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।


নির্বাচিত

গাঢ় নীল-খাকি পোশাকে ফিরছে পুলিশ

মহানগরে থাকছে লাইট অলিভ শার্ট
ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী জেলা পুলিশ ও অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যরা গাঢ় নীল রঙের শার্ট এবং খাকি রঙের ট্রাউজার পরবেন। তবে মহানগর পুলিশের (মেট্রোপলিটন) সদস্যদের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে লাইট অলিভ।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ‘পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫’ সংশোধন করে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ১২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এ সংশোধনী অনুমোদন করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটের সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল রঙের শার্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে মহানগর পুলিশের সদস্যরা পরবেন লাইট অলিভ রঙের শার্ট। একই সঙ্গে কফি রঙের ট্রাউজারের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার পরিধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শুধু শার্ট-ট্রাউজার নয়, শীতকালীন পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আয়রন রঙের জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের পরিবর্তে গাঢ় নীল রঙের পোশাক ব্যবহার করা হবে। তবে মহানগর পুলিশের জন্য জ্যাকেটের রংও লাইট অলিভ নির্ধারণ করা হয়েছে।

নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও এসেছে পরিবর্তন। জেলা পুলিশসহ অধিকাংশ ইউনিটের নারী সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল শাড়ি ও গাঢ় নীল ব্লাউজ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর মহানগর পুলিশের নারী সদস্যরা গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ রঙের ব্লাউজ পরবেন। অনুমোদিত হেড কভারও গাঢ় নীল রঙের হতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালায় গ্রীষ্মকালে অর্ধহাতা এবং শীতকালে পূর্ণহাতা শার্ট পরার বিধান বহাল রাখা হয়েছে। এছাড়া গর্ভবতী নারী পুলিশ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের পূর্বানুমোদন নিয়ে সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

হামে মৃত্যু অর্ধেকে নামলেও কমছে না আক্রান্ত

* নতুন মৃত্যু ৪, আক্রান্ত ১১৭৪  * দুশ্চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫০ ভাগ কমলেও কমছে না আক্রান্তের হার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ৪ লাখের বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার পরও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত) হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৪ জন। এতে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৭০ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৭ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৭২ জন। তাদের মধ্যে ৩৬১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (২১৬) ও বরিশাল (১৩২)।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮৯৩ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।

গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৬ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৯০ হাজার ৯৮২ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৫ হাজার ১৫৬ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনের। এ ছাড়া হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯৬ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকেই হামের রোগীর খবর আসতে শুরু করে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং মার্চ থেকে হাম নিয়ে জরুরি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশ।

শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘শরীরে পুষ্টি ও ইমিউন সিস্টেমটা এত উইক যে টিকা দেওয়ার পর ইমিউন সিস্টেম অ্যাক্টিভেটেড হতে সময় লাগছে। সেই সঙ্গে যে অপুষ্টিতে ভুগছে তার হামে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

ভাইরোলজিস্ট ডা. খন্দকার মাহবুবা জামিল বলেন, ‘সব কিছু নির্ভর করবে বাচ্চার পুষ্টির ওপর। অপুষ্টির শিকার বাচ্চার অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সময় লাগবে। এই শিশুদের নিয়ে বাবা–মায়ের পাশাপাশি সরকারও বিপদে আছে।’

মৃত্যু কিছুটা কমলেও সংক্রমণ কেন কমছে না, তা নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। টিকা দেওয়ার পরও কেন শিশুদের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হচ্ছে না এ জন্য গবেষণার তাগিদ তাদের।


নির্বাচিত

সবজি, মুরগি ডিমে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে আটা, চাল-ডালের দাম

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদের আগের তুলনায় রাজধানীর বাজারে সবজি, মুরগি ও ডিমসহ বেশির ভাগ পণ্যের দাম কমলেও চাল-আটা, ডালসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে।

এছাড়া মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ রসুন আদার দাম স্থিতিশীল থাকলেও হলুদ-মরিচের গুঁড়ার দাম বেড়েছে। সব ধরনের সবজির দাম নিম্নমুখী হলেও সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম বেড়েছে। এছাড়া মাছের দামও কিছুটা বাড়তির দিকে। শুক্রবার (১৯ জুন) কারওয়ানবাজার, বাদামতলী, নয়াবাজার ও কেরানীগঞ্জের বৌবাজারসহ রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এবং মফস্বলের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) ইসলামপুর বাদামতলীর মেসার্স ইসলাম রাইস এজেন্সির আমজাদ হোসেন বলেন, গত বছর বোরো মৌসুমের পর বড় বড় করপোরেট হাউসগুলো প্রতিযোগিতা করে বাজার থেকে ধান কিনে নিয়ে যা করেছিল, এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। ঈদের আগের তুলনায় মিনিকেট চালের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এখন তারা বলছে, বাজারে ধানের সরবরাহ কম ও দাম বেশি। তাই চালের দাম বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।

কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের হাজী ইসমাইল রাইস এজেন্সির মইন উদ্দিন বলেন, মিনিকেট চালের দাম বস্তায় ১০০-১৫০ টাকা, নাজিরশাইল ১৫০-২০০ টাকা এবং আটাশ জাতের চালের দাম ১০০ টাকা বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পোলাও চালের দাম; বস্তায় ৯০০ টাকার মতো।

একই মার্কেটের নোয়াখালী রাইস ট্রেডার্সের শাওন বলেন, ঈদের আগের তুলনায় আটাশ ৩-৪ টাকা, মিনিকেট ৪-৫ টাকা, নাজিরশাইল ৫-১০ টাকা আর পোলাও চাল ২৫-৩০ টাকা কেজিপ্রতি বেড়েছে।

দাম বাড়ার কথা জানিয়ে তেজগাঁও এলাকার সবচেয়ে বড় জনতা রাইস এজেন্সিসহ আরো কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে বাজেট ঘোষণার আগেই চালের দাম বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। দাম বেড়ে যাওয়ার পর এখন স্থিতিশীল রয়েছে।

কারওয়ান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ফার্মগেট এলাকার রবিন গোমেজ নামে এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে গিয়ে মন্ত্রীদের কথার বাস্তবতা খুঁজে পাচ্ছি না। সব ধরনের চালের দামই তো বাড়তি। ঈদের পরে পোলাও চালের দাম কেজিতে ২৫ টাকার বেশি বেড়ে যাওয়ার পর বলা হচ্ছে দাম বাড়েনি।

এদিকে বাদামতলী পাইকারি বাজার ও নয়াবাজারের খুচরা বাজার পরিদর্শনের পর বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের জানান, বাজারে চালের দামে বড় কোনো অস্থিতিশীলতা নেই। বাজারে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখিনি। কিছু ক্ষেত্রে মানভেদে ১-২ টাকার হেরফের হতে পারে, যা বাজারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

মন্ত্রী আরো জানান, বাজার অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে কিছু মিলমালিক বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করেছিলেন। তবে বাজারে সেই উদ্যোগের তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি এবং পরবর্তী সময়ে দাম আবার কমে এসেছে। বাজার মনিটরিং ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী আশ্বস্ত করে বলেন, ‘দেশের খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক। বর্তমানে সরকারের গুদামে প্রায় ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে, যা আমাদের আপৎকালীন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে। ধান-চাল সংগ্রহের মাধ্যমে সরকারি মজুত বাড়ানো হচ্ছে। ফলে চালের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজনে সরকার দ্রুত বাজারে হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

এদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চাল, ডাল, তেল ও পেঁয়াজসহ অন্তত ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, এসব পদক্ষেপের ফলে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার নাগালে থাকবে এবং বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।

চাল ছাড়াও ভোগ্যপণ্যের মধ্যে আটা-ময়দার দামও কেজিতে পাঁচ টাকার মতো বেড়ে বর্তমানে দুই কেজির আটার প্যাকেট ১২০ এবং ময়দা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া চিনির দাম পাঁচ টাকা বেড়ে ১১০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ২০ টাকা বেড়ে ১৭০ টাকা, ছোলা ১০ টাকা বেড়ে ৯৫ টাকা, খেসারি ও বুটের ডাল ১০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা, দেশি মুগডাল ১০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা, মোটা মুগডাল ২০ টাকা বেড়ে ১১০ টাকা, গুঁড়া হলুদ ও মরিচ ১০০ টাকা বেড়ে ৩৫০ ও ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের আগেই সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও এখনো সরবরাহ ঠিক নেই বলে জানান কারওয়ান বাজারে মুদি ব্যবসায়ী ইমাম উদ্দিন বাবলু। গতকাল কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগের তুলনায় কোনো কোনো সবজির দাম অর্ধেকেরও বেশি কমেছে।

বাজার ও এলাকাভেদে কিছুটা দামে পার্থক্য থাকলেও বর্তমানে বেশির ভাগ সবজির দাম ৫০ টাকার মধ্যে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি কমেছে কাঁচা পেঁপের দাম। ঈদের আগের ১০০ টাকার পেঁপে এখন ২০-৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচের দামও কমে ৬০-৮০ টাকা হয়েছে। তবে সবজির মধ্যে আলুর দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে এখন ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম কমার প্রভাব পড়েছে ডিম ও মুরগির দামেও। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ২২০-২৪০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দাম এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। গতকাল ১১০-১২০ টাকা ডজন বিক্রি হয়েছে। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানে দাম একটু বেশি।

সবজি, ডিম ও মুরগির দাম কমলেও প্রকারভেদে মাছের দাম কেজিতে ২০-৪০ টাকা বাড়তি বলে জানিয়েছেন মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের। তবে বর্ষায় বৃষ্টি হলে মাছের সরবরাহ বেড়ে কিছুদিন পর দাম কমতে পারে বলে জানান তিনি।


নির্বাচিত

শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ হাতে নিবেন প্রধানমন্ত্রী: পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাদের বলেছেন আপনারা যান এবং এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে আসেন। যে আমি (তারেক রহমান) খুব শিগগিরই এই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ হাতে নেব। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতির অংশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে একথা জানান পানিসম্পদমন্ত্রী। এ সময় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সঙ্গে ছিলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে আজকে এই এলাকায় এসেছি। সরেজমিনে দেখেছি। ইনশাল্লাহ পদ্মা ব্যারেজ যেভাবে একনেকে পাস হয়েছে, খুব শিগগিরই আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করার পর রিপোর্ট দিলে তিস্তা মহপরিকল্পনার কাজ একনেকে পাশ করানো হবে ইনশাআল্লাহ।
উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর করতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প গ্রহণ করার আগে পিছনে অনেক কথা বলতে পারেন। কিন্তু একটা কথাই আমি বলার চেষ্টা করছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি না আগাই তাহলে আমরা হোচট খেতে পারি। যার কারণে বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছেন। আমরা সবার মতামত গ্রহণ করবো। প্রয়োজনে দুই চারটা দেশের বিশেষজ্ঞদেরও।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব শিগগিরই এসে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজটা উদ্বোধন করতে পারেন, সেই কাজটাও সম্পন্ন করা হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে মন্ত্রীরা তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এসময় পানি সম্পদ সচিব ড. এ.কে.এম শাহাবুদ্দিনসহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

banner close