সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
৮ আষাঢ় ১৪৩৩

না.গঞ্জে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৮

ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ৩ মার্চ, ২০২৫ ১২:০১

নারায়ণগঞ্জের ঢাকেশ্বরী ২ নম্বর এলাকায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ জন দগ্ধ হয়েছেন।

রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, দিবাগত রাত ৩টার দিকে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত ৮ জন দগ্ধ হলে তাদের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ঢাকেশ্বরী থেকে দগ্ধ অবস্থায় ৮ জনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। তবে অধিকাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’


নির্বাচিত

অষ্টগ্রামে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে 'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস, ২০২৬' উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন মিলনায়তনে র‌্যালি ও এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আমিনুল ইসলাম। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, বাঙালপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর সহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন এবং তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকারি-বেসরকারি সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

ইতিহাসে প্রথম শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের টাকা প্রকাশ্যে গণনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের আধ্যাত্মিক রাজধানী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে দীর্ঘ ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনা করার এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটা থেকে মাজার প্রাঙ্গণে রক্ষিত সিল করা ডেকচিগুলোর ঢাকনা খুলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ গণনা প্রক্রিয়া উদ্বোধন করা হয়।

সিলেট জেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। টাকা গণনার সময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যকে মাজার এলাকায় সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। নজিরবিহীন এই দৃশ্য দেখার জন্য মাজার প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

প্রত্যাহারকৃত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের এমন স্বচ্ছ ও সাহসী পদক্ষেপকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। গণনার খবরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক পদে বহাল রাখার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, সোমবার দুপুরে দরগাহ মসজিদে নামাজ আদায়ের পর জেলা প্রশাসক মাজারের জামেয়া ও এতিমখানা অফিসে অবস্থান নেন এবং তাঁর উপস্থিতিতেই এই স্বচ্ছতার কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, গণনা শেষে সংগৃহীত দানের মোট অর্থের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এরপর সেই অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এই ঘটনাটি সিলেটের ধর্মীয় ও প্রশাসনিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বলে ধারণা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

খুলনার ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসী ঢাকায় গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো 

খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে খুলনার চিহ্নিত সন্ত্রাসী 'বি' কোম্পানির পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময় তাদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবি মোঃ আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, খুলনা মহানগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেএমপির উদ্যোগে গত ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্য, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে গ্রেপ্তার হলো মো. আবরার ফয়সাল ওরফে বাদিন (২৪), মো. আল-আমিন (২৯), মো. তুষার শিকদার (৩৮), মো. আসিফ (২৫) এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির (১৮)।

ডিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা খুলনার চিহ্নিত ‘বি কোম্পানি’সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আসামিদের দেখানো ও স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং ৭ দশমিক ৬৫ বোরের দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে খুলনায় সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তাদের সহযোগী এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে কেএমপির ডিবি ডিসি বলেন, “খুলনা মহানগরীতে কোনো অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি কিংবা চিহ্নিত অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”


নির্বাচিত

কালীগঞ্জে শিশু তাবাসসুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির ফাঁসির রায়

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু তাবাসসুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুমের অপরাধে পৃথক ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে। তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং নিহত শিশুর পরিবারের পাশের বাড়িতে বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাবাসসুম নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে প্রতিবেশী যুবক আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তদন্ত শেষে গত ২৬ মে পুলিশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করে ঘটনার চার মাসের মধ্যেই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হয়েছে এবং আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় ড্রেনে পড়ে ৮ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা নগরীতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে মায়ের হাত থেকে ছিটকে ড্রেনে পড়ে স্মৃতি (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর ছোটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ এলাকায় ঘটে হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনা।

নিহত স্মৃতি কালিয়াজুড়ি বদরপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের দাওয়াত শেষে রাতে মায়ের সঙ্গে ফুটপাত দিয়ে বাসায় ফিরছিল স্মৃতি।

চারদিকে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়ক ও ড্রেনের পার্থক্য বোঝার উপায় ছিল না। হঠাৎ মায়ের হাত থেকে ছিটকে গিয়ে পানিতে ডুবে থাকা ভাঙা স্ল্যাবের ফাঁক দিয়ে ড্রেনে পড়ে যায় সে। মুহূর্তেই মেয়েকে চোখের সামনে হারিয়ে ফেলেন অসহায় মা।
শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিটের প্রাণপণ চেষ্টার পর কিছুটা সামনে ড্রেনের ভেতরে আটকে থাকা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থলে স্বজনদের আহাজারি ও কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ চলছিল। কয়েকটি স্থানে ড্রেনের ঢাকনা খোলা ছিল এবং অনেক স্ল্যাব ভাঙা অবস্থায় পড়ে ছিল। টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে এসব ঝুঁকিপূর্ণ অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে যে কেউ অসাবধানতাবশত খোলা ড্রেনে পড়ে প্রাণ হারাতে পারে।
এলাকাবাসী জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশে থাকা ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কোথাও স্ল্যাব ভাঙা, কোথাও আবার সম্পূর্ণ খোলা। বারবার অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এসব ড্রেন এখন পথচারীদের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঝুঁকিপূর্ণ ড্রেনগুলো দ্রুত সংস্কার, নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থাপন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। এটি একটি দুর্ঘটনা।


নির্বাচিত

দেশের ১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের ১১টি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এসব এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ওই অঞ্চলের নদী অববাহিকায় চলাচলকারী সকল নৌযান ও অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এর আগে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছিল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।


নির্বাচিত

মৌলভীবাজারে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্যসহ ৮ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের শেরপুরে পৃথক দুটি সফল অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় পণ্যসহ আটজন চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক ও একটি যাত্রীবাহী বাস জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল ও গাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে।

আজ সোমবার (২২ জুন) সকালে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২০ জুন) রাত ১১টার দিকে শেরপুর চত্বর এলাকায় এসআই ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি ট্রাক (যশোর-ট-১১-৫৬৩৭) থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে ট্রাকটি থেকে আনুমানিক ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮২২ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চকোলেট ও মেনটোস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অবৈধ পণ্য পরিবহন করায় ট্রাকটিও জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, গতকাল রবিবার (২১ জুন) সকাল ৮টার দিকে একই এলাকায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়। সিলেট থেকে ঢাকাগামী ‘কাফি ট্রাভেলস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫০৯৫) তল্লাশি চালিয়ে অভিনব উপায়ে লুকিয়ে রাখা ৩৭২টি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে পুলিশ। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাসে থাকা ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বাসটি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায়ও সদর থানায় পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত চোরাই পণ্য এবং গাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লক্ষ টাকারও বেশি। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সীমান্ত জেলা হিসেবে মৌলভীবাজারকে চোরাচালানমুক্ত করতে জেলা পুলিশের এমন কঠোর ও নিয়মিত অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

রায়পুরায় সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪, খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ বুলবুলের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোস্তাফা মিয়া (৪০) মারা গেছেন। রোববার দুপুরে ঢাকার সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ১৬ জুনের ওই সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। ঘটনার পাঁচ দিন পরও বুলবুল মিয়া নামে একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

নিহত মোস্তাফা মিয়া নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের অহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একটি ওয়ার্কশপের কর্মচারী ছিলেন। তিনি নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সমর্থক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুন ভোরে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর, দড়িগাঁ ও আশপাশের এলাকায় স্থানীয় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন এলাকা ছাড়া থাকা আলাল মুন্সি ও জবা মেম্বারের অনুসারীরা স্পিডবোটে এলাকায় প্রবেশ করে ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীদের সহযোগিতায় নাজিম উদ্দিনের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। জবাবে নাজিম উদ্দিনের অনুসারীরাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ব্যবহার করে। ভোর ৪টা থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ কয়েক দফায় সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন মোস্তাফা মিয়া। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আজ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে সংঘর্ষের দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সমর্থক অনিক মিয়া (২০)। ঘটনার পরদিন ১৭ জুন নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদী থানার চরদিঘলদী ইউনিয়নের জিৎরামপুর এলাকার মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় কাউছার মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ১৮ জুন সকালে নিলক্ষার গোবিনাথপুর এলাকার মেঘনা নদীর পাড় থেকে পুলিশের ভেস্ট পরিহিত প্রবাসফেরত আব্দুল লতিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে সংঘর্ষের পর থেকেই নিখোঁজ স্থানীয় মোটরসাইকেল মেকানিক বুলবুল মিয়া। পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও বুলবুল মিয়ার কোনো সন্ধান মেলেনি। তাকে জীবিত বা মৃত উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তার স্বজনরা।

সংঘর্ষের পর এলাকায় উভয় পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও আতঙ্কের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এখনও অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলেও তারা দাবি করেছেন।

রায়পুরা থানায় অনিক হত্যা ঘটনায় নিহতের মা ৩০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বাকি তিনটি মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত পৃথক কোনো মামলা হয়নি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, গুলিবিদ্ধ মোস্তাফা মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা চারজনে দাঁড়িয়েছে। অনিক হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অন্য তিনটি মৃত্যুর ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

ওসি আরও বলেন, এ পর্যন্ত সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।


নির্বাচিত

চট্টগ্রামে ফের প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে ফাঁকা গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্রগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানাধীন বিসিক শিল্প এলাকায় আবারও একদল সশস্ত্র যুবকের মহড়া ও ফাঁকা গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর এক যুবদল নেতাকে মোবাইল ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরে বিসিক শিল্প এলাকার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সামনে পাঁচজনের একটি সশস্ত্র দল অবস্থান নেয়। প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় তারা দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা নিরাপদ স্থানে সরে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গুলির ঘটনার কিছুক্ষণ পর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও এক যুবদল নেতাকে মোবাইল ফোনে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিসিক শিল্প এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন কারখানার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ‘বোরহান বাহিনী’ নামে একটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। দলটির প্রধান বোরহান বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার অনুসারীদের দৌরাত্ম্য আরও বেড়েছে। বোরহানের বিরুদ্ধে কয়েকটি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে বোরহানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে চান্দগাঁও বিসিক শিল্প এলাকায় বেশ কয়েক দফা গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, বিসিক এলাকায় গুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। ভুক্তভোগীদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। পুলিশ জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।


নির্বাচিত

সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। রোববার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আটক সজীবের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’


নির্বাচিত

বেফাঁস মন্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার প্রত্যাহার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা প্রতিনিধি

বেফাঁস মন্তব্যের জেরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত শনিবার পুলিশ সদরদপ্তরে পার্সোনেট ম্যানেজমেন্ট শাখার ১ এর অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের সই এক আদেশে এ প্রত্যাহার করা হয়।

আদেশে ২১ জুন বর্তমান কর্মস্থল থেকে পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়।

এর আগে, গত ১৭ জুন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) লবণচরা থানা এলাকায় আয়োজিত এক সমাবেশে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘কোনো ইনফরমেশন ইন্সপেক্টরকে বলার পর যদি ফাঁস হয়, তবে মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি নিজে ওই ইন্সপেক্টরকে এই গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজে পিটাইয়া মারবেন।’


নির্বাচিত

পিরোজপুরে পুলিশ পরিবারের মিলনমেলা: বর্ণাঢ্য ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
‎​পিরোজপুর প্রতিনিধি

‎​ঈদের আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পিরোজপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ পরিবার ও সুধীজনদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’।শনিবার(২০জুন)পিরোজপুর পুলিশ লাইন্সে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

‎​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন এবং পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) বরিশাল রেঞ্জের সভানেত্রী উম্মে হাসনাত শাহনাজ। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

‎​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল রেঞ্জে ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন - পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “একটি সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার বিকল্প নেই। পুলিশের কর্মব্যস্ত জীবনে মানসিক প্রশান্তির জন্য এই ধরনের বিনোদনমূলক আয়োজন অত্যন্ত জরুরি, যা পুলিশ সদস্যদের কর্মস্পৃহা ও উদ্দীপনা বজায় রাখতে সহায়তা করে”।

‎​এছাড়া তিনি বর্তমান সরকারের খেলাধুলাবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করে উল্লেখ করেন যে, তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত পুলিশের সক্রিয় অংশগ্রহণ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।

‎​আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্য ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। উৎসবের এই আমেজ আরও বাড়িয়ে দেয় নৈশভোজের আয়োজন, যা উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।


নির্বাচিত

ত্রিশালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ইমামকে বিবস্ত্র অবস্থায় আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সাড়ে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের অভিযোগে শাহিনুর ইসলাম নামের এক ইমামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। শনিবার (২০ জুন) রাতে উপজেলার চিকনা মনোহর গ্রাম থেকে তাকে পাকড়াও করা হয়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির মায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার মেয়ে নিয়মিত ওই ইমামের কাছে মসজিদে পড়তে যেত। শনিবার বিকেলে মেয়ের খবর নিতে তিনি মসজিদে প্রবেশ করলে সেখানে অভিযুক্তকে অত্যন্ত আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। মায়ের অভিযোগ, সেই সময় তার শিশু সন্তানটিও সেখানে বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত ইমামকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। এমন পাশবিকতার শিকার হয়ে পরিবারটি এখন শোকাহত ও দিশেহারা। তারা এই ঘটনার পেছনে থাকা প্রকৃত সত্য উদঘাটনসহ দোষীর কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শাহিনুর ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনার কথা শুনে পুলিশ পাঠিয়েছি। তারা ঘুরে আসলে ও অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়া যাবে।”


নির্বাচিত

banner close