শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
৬ আষাঢ় ১৪৩৩

জামালপুরে মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩

জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দুটি ট্রাক ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত
ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ৮ মার্চ, ২০২৫ ১৩:৪৭

জামালপুরে দুটি ট্রাক ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
শনিবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জামালপুর পৌর এলাকার ছনকান্দা গোরস্থানের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সাল মো. আতিক। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর সোয়া ৫টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জামালপুর পৌর এলাকার ছনকান্দা গোরস্থানের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তারা জানায়, দুর্ঘটনার সময় জামালপুর থেকে আসা একটি ট্রাক ময়মনসিংহের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তা পাশে দাঁড় করানো একটি ট্রাককে ধাক্কায় দেয়।
এ সময় ট্রাকটি পরিষ্কার করতে থাকা ট্রাকশ্রমিক জুয়েল আকন্দ (৪৫) ট্রাকের ধাক্কায় দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত এবং ২ জন আহত হন।
একই সময় জামালপুর থেকে নান্দিনাগামী একটি মোটরসাইকেল একজন আরোহী নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে দাঁড়ানো অপর একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক শাওন (৩০) নিহত হন। আর মোটরসাইকেলের অপর আরোহী আহত হয়।
খবর পেয়ে জামালপুর ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।


নির্বাচিত

 ‘ব্রহ্মপুত্র পাড়ে ২০ হাজার মানুষের জীবন ঝুলে আছে নড়বড়ে সাঁকোয়’

* বর্ষায় সাঁকো ডুবে গেলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ৭ গ্রামের মানুষ * স্থায়ী সেতুর আকুতি ব্রহ্মপুত্র তীরের মানুষের
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩০
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ একটি বাঁশের সাঁকো। আর এই সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন ৭ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ। আধুনিক যুগে এসেও একটি মাত্র সেতুর অভাবে ২০ গ্রামের বাসিন্দাদের ভরসা এখনো একটি সাঁকোই। প্রতিশ্রুতি এসেছে বহুবার, কিন্তু এ সাঁকোর জায়গায় সেতু আর হয়নি। তিন দশকের বেশি সময় ধরে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি স্থায়ী সেতুর অপেক্ষায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ৭ গ্রামের মানুষ।

সেতুর অভাবে বছরের পর বছর এ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করেই চলাচল করেছেন তারা। বর্ষা এলেই সেই সাঁকোও পানির নিচে ডুবে যায়। তখন নৌকাই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। চিকিৎসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসা, মাঠের ফসল আনা-নেওয়া ও বাজার-সদাই এসব কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। এতে তারা অসহায় হয়ে আছেন।

সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের গোলনগর এবং সনমান্দী ইউনিয়নের দৌলরদী গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। নদীর দুই তীরের মানুষের যোগাযোগের জন্য নেই কোনো পাকা সেতু। ফলে দৌলরদী, গোলনগর, কুমারচর, জোয়ারদী, মুছারচরসহ আশপাশের সাতটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষকে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের উদ্যোগে প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে চাঁদা তুলে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। কিন্তু বর্ষায় নদীর পানি বাড়লে সাঁকোটি ডুবে যায় বা ভেঙে পড়ে। তাই স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, নারী, রোগী সবারই একমাত্র ভরসা নড়বড়ে এই সাঁকো। তখন তাদের চলাচল পুরোপুরি নির্ভর করে নৌকার ওপর। এদিকে এলাকাবাসী বলছে, এখানে সেতু না থাকায় এ সাত গ্রামের মানুষের সাথে কেউ বিয়ে সাদির সমন্ধ করতে চায় না। এতে বিপাকে পড়ে মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বর্ষার পানিতে সাঁকোর বেশির ভাগ অংশ তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ভেঙেও পড়েছে। ফলে সাঁকো দিয়ে আর চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় লোকজন নৌকায় করে নদী পারাপার করছেন। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। সামান্য অসতর্কতায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।

দৌলরদী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি এই সাঁকো। এখন আমার বয়স ৫০ বছরের বেশি। কিন্তু এত দিনে একটি সেতুও হলো না। নির্বাচন এলেই সবাই প্রতিশ্রুতি দেন, পরে আর কোনো খোঁজ থাকে না।

কুমারচর এলাকার কলেজ ছাত্র সিফাত ও মহিউদ্দিন বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কলেজে যাতায়াত করতে হয়। কয়েক দিন আগে আমাদের এক সহপাঠী সাঁকো থেকে পড়ে আহত হয়েছে। এখন বর্ষার কারণে সাঁকো ডুবে যাওয়ায় নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে। ঝড়-বৃষ্টি হলে ক্লাসে যেতে পারি না। পরীক্ষার সময় এই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় কৃষক সুরুজ আলী জানান, ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে অতিরিক্ত সময় ও খরচ হয়। অনেক সময় মাথায় বা কাঁধে মাল বহন করে পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটে।

গোলনগর গ্রামে ৬০ বছরের সোলায়মান মিয়া জানান, সাদিপুর ও সনমান্দি ইউনিয়নের এ জায়গা একটি সেতু না থাকায় আমরা এখন খুবই কষ্টে আছি। সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো সেতু না থাকায় আমাদের গ্রামসহ সাত গ্রামের মানুষের সাথে দুরের কেউ বিয়ে সাদির সমন্ধ করতে চায় না।

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সাঁকো পারাপারের সময় বহু মানুষ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। কেউ হাত-পা ভেঙেছেন, কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্বও বরণ করেছেন। তবু বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে শুধু যাতায়াতের দুর্ভোগই কমবে না; শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। দুই ইউনিয়নের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি আসবে।

তবে এলাকাবাসীর দাবি, তিন যুগ ধরে যে সেতুর অপেক্ষা, সেই অপেক্ষা আর কত দীর্ঘ হবে? প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হওয়া হাজারো মানুষের এখন একটাই দাবি-আর কোনো আশ্বাস নয়, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটানো হোক।

সোনারগাঁ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন চৌধুরী বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

পাঁচবিবিতে পানি প্রবাহের পথ বন্ধে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের মধ্য বাগুয়ান গ্রামে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। একারণে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাঁটু পানি জমিয়ে গ্রামের শতাধিক মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবেশী জহুরুল ও খায়রুল নামে দুই ব্যক্তি পানি প্রবাহের রাস্তা বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণ করার কারণে এই জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রেশমা বেগম বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাতে হাঁটু পানি জমে থাকে। ছোট বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারে না। নোংড়া, ময়লা পানি দিয়ে যাতায়াত করার কারণে বিভিন্ন ধরনের পানি বাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, একবার ইউপি সদস্য ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বসলেও কেউ জায়গা না দেওয়ায় ড্রেন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে জহুরুলের মা দেলোয়ারা বেগম বলেন, পানি যাওয়ার কারণে মাটি ধুয়ে যায়। এ কারণে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করা হয়েছে। মাটির নিচ দিয়ে পাইপ দিলেই পানি চলে যাবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, এই গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য বাঁধা থাকা স্বত্বেও রাস্তা করে দিয়েছি। তারা ড্রেন করার জায়গা দিলে বরাদ্দ সাপেক্ষে আবারও ড্রেন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।


নির্বাচিত

টঙ্গীতে জাল টাকাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি 

গাজীপুরের টঙ্গীতে জাল টাকার নোটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে টঙ্গীর দক্ষিণ আরিচপুর এলাকার আশরাফ সেতু কমপ্লেক্সের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার শিবনগর গ্রামের মৃত সামাদ বেপারির ছেলে শাহিন আলম (৪৫) এবং টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকার আক্কাস আলীর ছেলে ভাসমান সোহেল (২৪)।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে আশরাফ সেতুর সামনে জাল টাকা নিয়ে দুই ব্যক্তি অবস্থান করার সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার ৫১টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জাল টাকার মূল্য ২০ হাজার ৩০০ টাকা।

আটককৃতদের মধ্যে শাহিন আলমের কাছ থেকে ৫০০ টাকার ২০টি ও ১০০০ টাকার ৮টি জাল নোট এবং সোহেলের কাছ থেকে ১০০ টাকার ২৩টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানায় ওসি আরিফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের শেষে শনিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।


নির্বাচিত

অষ্টগ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শফিক হত্যা: মামলা দায়েরের ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ২

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মো. নজরুল ইসলাম, অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবক শফিক মিয়া (৩১) হত্যাকান্ডের ঘটনায় দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্য এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুকনুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত এ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার আবদুল্লাহপুর মুন্সিবাড়ির মৃত শের আলীর পুত্র হান্নান মিয়া (৪২) ও জামিরা বাড়ির ছিদ্দিকুর রহমানের পুত্র ফরহাদ (৩৫)। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার কালনী নদীর পাড় থেকে মুখমন্ডল থেঁতলানো অবস্থায় শফিক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ জুন (২০২৬) অষ্টগ্রাম থানায় ৩০২/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা (নং-১৩) দায়ের করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শফিক মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ হলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য উদ্যোগ নিয়ে মোহরানা ও ভরন পোষণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কালনী নদীর পাড়ে তার রহস্যজনক ও নৃশংস মৃত্যু এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান বলেন, "ঘটনার পর থেকেই পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের পর দ্রুততম সময়ে দুই আসামি গ্রেপ্তার করায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে ঘটনার পেছনের সম্পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


নির্বাচিত

ভৈরবে ৬ মাসে ২শ ৩৯ কেজি গাঁজা জব্দ, গ্রেপ্তার ১৩৬

ফাইল ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৪১
 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

ট্রেনে বেড়েছে মাদক চোরাচালান। দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি চক্র মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রেনের বগি ও ছাদে গোপনে মাদকপাচার করছে। এসব মাদক চোরাচালান রোধে তৎপর রেলওয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ৬ মাসে ২শ ৩৯ কেজি গাঁজা ও ১০ বোতল মদ জব্দ করাসহ ১৩৬ জন মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।

জানা যায়, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনসহ বিভিন্ন ট্রেনে বিশেষ অভিযান চালায় ভৈরব রেলওয়ে পুলিশ। এর মধ্যে রেলওয়ে পুলিশ এককভাবে ৯৬ কেজি গাজাঁ এবং র‌্যাবের সঙ্গে যৌথ অভিযানে ১শ ৫৩ কেজি গাজাঁ জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ৫০ লাখ টাকা।

এ ছাড়াও এসব মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ১৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে ৭৮ জনকে ভ্র্যাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া ৫৮ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেওয়া হয়েছে।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, এসব মাদক জব্দের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছে।


নির্বাচিত

খুলনায়  বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনার রূপসা উপজেলায় বিদেশি পিস্তলসহ সুলতান মাহমুদ বাপ্পা (৩৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাপ্পা গোপালগঞ্জ জেলার বেতগ্রাম এলাকার শেখ হাফিজুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রূপসা থানার এসআই মশিউর রহমান সরকারি পিকআপে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় নৈহাটি গোডাউন মোড়ে অবস্থানকালে গোপন সূত্রে খবর পান যে, জয়পুর গ্রামে এক ব্যক্তি অবৈধ অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছে।

খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক মীরসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়

সেখানে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে তার পরিহিত ট্রাউজারের পেছনের কোমর থেকে একটি খালি ম্যাগাজিনসহ বাটযুক্ত বিদেশি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

রূপসা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক মীর বলেন, গ্রেপ্তারকৃত সুলতান মাহমুদ বাপ্পাকে খুলনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সম্ভাব্য ব্যবহার সম্পর্কে তদন্ত চলছে।


নির্বাচিত

শিবচরে ট্রেনের ধাক্কায় প্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের শিবচরে ট্রেনের ধাক্কায় শুকরন বেগম (৭৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের পাঁচ্চর তেলের পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শুকরন বেগম দত্তপাড়া ইউনিয়নের বাঁচামারা মোকশেদপুর এলাকার মোঃ মোকশেদ হাওলাদারের স্ত্রী।

মাদবরেরচর ইউনিয়ন মোল্লাবাজার সংলগ্ন রেল লাইনের পাশে এক নারীকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এর আগে শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানান পরিবারের লোকজন।

শিবচর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে এবং এ ব্যাপারে রেল পুলিশ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।


নির্বাচিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টায় বিএসএফ

চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১৭:১৩
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চৌকা সীমান্তে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে ফেরত নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

শনিবার (২০ জুন) বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠকের পর তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সীমান্ত পিলার ১৭৭-এর ২-এস এবং ১৭৮-এর এস-৩ পিলারের কাছে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিএসএফ পুশইন করা ১১ জন নারী, ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন শিশুকে ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

এর আগে শনিবার (২০ জুন) সকালে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ওই ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারনে সেই চেষ্টা বার্থ হয়।


নির্বাচিত

চলতি বাজেট একটি জনবান্ধব বাজেট: দুলু

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

চলতি বাজেটকে একটি জনবান্ধব বাজেট উল্লেখ করে সরকার দলীয় হুইপ ও নাটোর ২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, দেশের তৃনমুল পর্যায়ের মানুষের জন্য যে বাজেট দরকার। ধান, চাল, তেল ও আটা থেকে শুরু করে মসলা পর্যন্ত সমস্ত ক্ষেত্রে কৃষক বান্ধব ও জনবান্ধব বাজেট পেশ করেছে সরকার। গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন সুন্দর বাজেট হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রান্তিক কৃষকদোর মাঝে সার, বীজ ও কীটনাশক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, কৃষক, শ্রমিক রিক্সা চালক থেকে শুরু করে সকল মানুষের জীবনযাত্রা অতিবাহিত করার জন্য যে বাজেট প্রয়োজন সেই বাজেট ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ।


নির্বাচিত

পিরোজপুরে ‘মাদকের বিস্তার-আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
‎​‎এস এস আবু জাফর , পিরোজপুর প্রতিনিধি

মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ, এর কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সুস্থ-স্বচ্ছ যুবসমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে পিরোজপুরে ‘মাদকের বিস্তার-আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই সভার আয়োজন করা হয়।

‎​পিরোজপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে এবং পিরোজপুর জেলা পরিষদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামিম।

‎​সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, "মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা অপরিহার্য। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং মাদকের সাথে সম্পৃক্তদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।" জেলা প্রশাসক মাদকের তালিকা তৈরি করে তা প্রকাশ্যে টানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ তাদের সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।

‎​তিনি আরও জানান, পিরোজপুরে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা জেলা প্রশাসনের রয়েছে এবং দ্রুতই এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

‎​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পান্না লাল রায়, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত এবং চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু।

‎​বক্তারা বলেন, মাদক এখন পরিবারের শান্তি বিনষ্ট করছে, বাবা-ছেলের সম্পর্ক ধ্বংস করছে এবং তরুণ প্রজন্মকে অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

‎​এই আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় সুধীজন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকেই পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

‎​অনুষ্ঠানটিতে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা ভবিষ্যতে পিরোজপুরকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি আল মুজাহিদী মারা গেছেন

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি এবং মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই এই কবি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা ও হৃদরোগে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন।

কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান অপরিসীম। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’ এবং ‘যুদ্ধ নাস্তি’-র মতো কালজয়ী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা তিনি। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।


নির্বাচিত

নতুন যুগের অপেক্ষায় পতেঙ্গা টার্মিনাল

আসছে ৩০ মিলিয়ন ডলারের চার এসটিএস ক্রেন
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। টার্মিনালটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) বাংলাদেশ জানিয়েছে, প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩০০ কোটি টাকার বেশি) মূল্যের চারটি অত্যাধুনিক শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন পৌঁছালে আগামী জুলাই মাস থেকে টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিশেষায়িত ক্রেনগুলো নিয়ে জাহাজ ‘এম.ভি. ল্যান হাই হং ইউন’ টার্মিনালের ভেড়ার অপেক্ষা করছি। নিরাপদ খালাস কার্যক্রম নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ পতেঙ্গা টার্মিনালের আশেপাশে চলাচলকারী সকল সমুদ্রগামী জাহাজ, কোস্টার, ট্যাঙ্কার ও মাছ ধরার ট্রলারসহ সব ধরনের নৌযানকে জেটি থেকে অন্তত ১০০ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বলেছে। এছাড়া কর্ণফুলী চ্যানেলের পূর্ব দিক দিয়ে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চীনের ‘স্যানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি’র তৈরি এই চারটি ক্রেন টার্মিনালের জাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ও কনটেইনার ওঠানো-নামানোর গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে আশা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছর ২৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ১৪টি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহ করেছিল আরএসজিটি।

এ বিষয়ে আরএসজিটি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও জনসংযোগ প্রধান সৈয়দ আরিফ সারোয়ার বলেন, ‘এই ক্রেনগুলো টার্মিনালের জন্য একটি বড় প্রযুক্তিগত মাইলফলক। এটি আমাদের ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান কনটেইনার ট্রাফিক সামলানোর সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।’

বড় জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি: নতুন এই ক্রেনগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা ১৬ সারি কনটেইনার বিশিষ্ট বড় জাহাজ পরিচালনা করতে পারবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে মূলত ১২ থেকে ১৩ সারির জাহাজ বেশি আসে।

সৈয়দ আরিফ সারোয়ার জানান, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যের কথা মাথায় রেখে বড় আধুনিক জাহাজ ভেড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বিনিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্রেন একক কনটেইনার অপারেশনে ৪০ টন, টুইন-লিফট মোডে ৪৫ টন এবং বিশেষায়িত কার্গোর ক্ষেত্রে ৬০ টন পর্যন্ত ওজন তুলতে সক্ষম। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের উচ্চতা সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখেই এগুলো তৈরি করা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও উচ্চ উৎপাদনশীলতা : এই ক্রেনগুলোর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত। আরএসজিটি কর্মকর্তাদের মতে, এই প্রযুক্তির ফলে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় থাকবে, যা পরিবেশ রক্ষায় এবং জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

রেল ট্র্যাকে বসানো এই চারটি ক্রেন ব্যবহার করে টার্মিনালে একসাথে দুটি জাহাজে কাজ করা সম্ভব হবে। জাহাজ জেটিতে ভেড়ার পরপরই খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা সম্পন্ন হতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।

পূর্ণ সক্ষমতায় ফেরার প্রস্তুতি: পতেঙ্গা টার্মিনালটির বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টিইইউস। তবে ২০২৫ সালে এখানে ১৫৪,৫৬৪ টিইইউস কনটেইনার এবং ৭৮টি জাহাজ হ্যান্ডেল করা হয়েছে, যা মূল সক্ষমতার চেয়ে অনেক কম। এর মধ্যে রপ্তানি ছিল ৯৩,৩৪০ টিইইউস এবং আমদানি ছিল ৬১,২২৪ টিইইউস।

২০২৫ সালের শুরুর দিকে আমদানি কনটেইনার পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় স্ক্যানার না থাকায় কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা ছিল। পরবর্তীতে মে মাসে আরএসজিটি নিজস্ব অর্থায়নে ৩ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে স্ক্যানার স্থাপন করলে কার্যক্রমের গতি বাড়ে। এরপর গত বছরের আগস্ট মাসে টার্মিনালটি রেকর্ড ২৪,৫৯৯ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডেল করে।

সৈয়দ আরিফ সারোয়ার বলেন, ‘আমরা ইজারা চুক্তির প্রথম দুই বছর অবকাঠামো উন্নয়ন ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহের পেছনে ব্যয় করেছি যাতে আগামী ২০ বছর টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারে।’

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নতুন এসটিএস ক্রেনগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে টার্মিনালটি তার সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

উল্লেখ্য, ২২ বছরের চুক্তিতে ২০২৪ সালের এপ্রিলে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আরএসজিটি-র কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০২৪ সালের জুন থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।


নির্বাচিত

গাঢ় নীল-খাকি পোশাকে ফিরছে পুলিশ

মহানগরে থাকছে লাইট অলিভ শার্ট
ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী জেলা পুলিশ ও অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যরা গাঢ় নীল রঙের শার্ট এবং খাকি রঙের ট্রাউজার পরবেন। তবে মহানগর পুলিশের (মেট্রোপলিটন) সদস্যদের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে লাইট অলিভ।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ‘পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫’ সংশোধন করে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ১২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এ সংশোধনী অনুমোদন করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটের সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল রঙের শার্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে মহানগর পুলিশের সদস্যরা পরবেন লাইট অলিভ রঙের শার্ট। একই সঙ্গে কফি রঙের ট্রাউজারের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার পরিধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শুধু শার্ট-ট্রাউজার নয়, শীতকালীন পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আয়রন রঙের জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের পরিবর্তে গাঢ় নীল রঙের পোশাক ব্যবহার করা হবে। তবে মহানগর পুলিশের জন্য জ্যাকেটের রংও লাইট অলিভ নির্ধারণ করা হয়েছে।

নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও এসেছে পরিবর্তন। জেলা পুলিশসহ অধিকাংশ ইউনিটের নারী সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল শাড়ি ও গাঢ় নীল ব্লাউজ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর মহানগর পুলিশের নারী সদস্যরা গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ রঙের ব্লাউজ পরবেন। অনুমোদিত হেড কভারও গাঢ় নীল রঙের হতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালায় গ্রীষ্মকালে অর্ধহাতা এবং শীতকালে পূর্ণহাতা শার্ট পরার বিধান বহাল রাখা হয়েছে। এছাড়া গর্ভবতী নারী পুলিশ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের পূর্বানুমোদন নিয়ে সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close