মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০ মাঘ ১৪৩২

‘বাংলা-পার্টি’র অস্ত্র সীমান্তেই বানাচ্ছে মুঙ্গের কারিগররা

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড
১২ নভেম্বর, ২০২২ ১২:৫১
শাহরিয়ার হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে ফিরে
প্রকাশিত
শাহরিয়ার হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে ফিরে
প্রকাশিত : ১২ নভেম্বর, ২০২২ ১০:০৬

ভারত-বাংলাদেশের অবৈধ অস্ত্রের পুরোনো একটি সিন্ডিকেটের ভারতের অংশের সদস্যদের সঙ্গে সেভেন এমএম আগ্নেয়াস্ত্র কেনার চুক্তি করেন এই প্রতিবেদক। ভারতের সীমানা পার করে অস্ত্রটি পৌঁছে দেওয়াসহ মোট খরচ ৩৮ হাজার টাকা। গত ৩০ অক্টোবর ভারতের মালদাহর কালিয়াচক হয়ে ঢুকবে সে অস্ত্র। সেটির জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তের জিরোপয়েন্টের শ্মশানঘাট এলাকায়। এ এলাকাটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫৯ সোনামসজিদ বিওপিতে অবস্থিত। প্রতিবেদকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ছিল নজরদারিতে।

আন্তর্জাতিক এই অস্ত্র চোরাচালান চক্রের ভারত অংশের হোতা মালদাহর রাজু ওরফে পিচ্চি রাজু। এই অস্ত্র কারবারি রাজু নিজেই হোয়াটসঅ্যাপে অস্ত্র বিক্রির চুক্তি করেন। নিজের হাতে ধরে রাখা সেভেন এমএম অস্ত্রের একটি ছবিও পাঠান। বাংলাদেশ থেকে চাহিদা পেলে চুক্তির নাম দেন ‘বাংলা পার্টি’। এরপর ভরদুপুরে শ্মশানঘাটের পাশে আমবাগানে অস্ত্রের জন্য অপেক্ষা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে যতসংখ্যক অবৈধ অস্ত্র ঢোকে তার ৮০ শতাংশ ঢুকে পড়ে এই অঞ্চল দিয়ে। যার সিংহভাগ চালানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পিচ্চি রাজু ও তার ২০-২২ সদস্যের সিন্ডিকেট।

জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন (রহনপুর ব্যাটালিয়ন) অধিনায়ক লে. কর্নেল আমীর হোসেন মোল্লা দৈনিক বাংলাকে বলেন, এখানে এটি নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই সীমন্তবর্তী এসব এলাকা দিয়ে এভাবে অস্ত্র পাচার হচ্ছে। এত অল্প জনবল দিয়ে পুরো সীমান্ত আগলে রাখা সম্ভব না। আর জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, সব তথ্যই জানা আছে তাদের। এবার অস্ত্র কারবারিদের নেটওয়ার্ক ভাঙার পালা।

দেশের সীমানায় ঢুকে কীভাবে এই অস্ত্র চোরাচালান হচ্ছে। কারাইবা করছেন এই কারবার। এসব জানতে অনুসন্ধান চালিয়েছে দৈনিক বাংলা। সেই অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই অঞ্চল দিয়ে অস্ত্র আসার কারণ, পাচারের রুট, দেশি-বিদেশি কারবারির নাম, সীমান্তে দুর্বল নজরদারি আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাফিলতির অভিযোগ।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে দিনদুপুরে বেচাকেনা হয় ভারতীয় সব অস্ত্র। ভারতীয় সীমান্ত পার হয়ে এসে দেশের আমবাগানে ঢুকে হাতবদল হয় তা। এর পেছনে কাজ করে স্থানীয় ও ভারতীয় একাধিক সিন্ডিকেট। এদের নেটওয়ার্ক এতই শক্তিশালী যে দেশের সীমানায় প্রবেশ করার খবর থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ছুঁতেও পারেন না। উল্টো সেসব অস্ত্র হাতে দাপিয়ে বেড়ান তারা। পরে তা টাকার বিনিময়ে ছড়িয়ে দেন দেশের বিভিন্ন এলাকায়।

অবৈধ এই অস্ত্র পাচার চক্রের সদস্যদের বক্তব্য ও অনুসন্ধান বলছে, কয়েক দশক ধরে ভারতের মুঙ্গে শহর থেকে বেআইনি অস্ত্র এনে পাচার করা হতো বাংলাদেশে। এখন কৌশল বদলানো হয়েছে। বাংলাদেশের সীমান্তের পাশেই জায়গায় জায়গায় অস্থায়ী কারখানা খুলে অস্ত্র তৈরি করছেন মুঙ্গেরের কারিগররা। আর তাদের পেছনে আছেন পশ্চিম বাংলার কিছু রাজনৈতিক নেতা।

দৈনিক বাংলার অনুসন্ধান বলছে, ভারতের মালদাহ, চব্বিশ পরগনা, হুগলি, মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি ও ডোমকল লাগোয়া কয়েকটি সীমান্তে বেশ কিছু অস্থায়ী অস্ত্র কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। সাইকেলের পাইপ দিয়ে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে সেখানকার অস্ত্র। বাংলাদেশে যে প্রান্ত থেকেই চাহিদা আসুক না কেন, সেখানে তৈরি অস্ত্র চাহিদা অনুয়ায়ী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক বাংলাকে বলছেন, মুঙ্গের কারিগররা অস্ত্রের সরঞ্জাম আর মেশিন হাতে করেই সীমান্তে আসেন। সেখানে বসান অস্ত্র তৈরির ক্যাম্প। চোখের পলকেই তাদের হাতে তৈরি হয় সেভেন এমএম, নাইন এমএম পিস্তল ও ওয়ান শর্টারের মতো অস্ত্র। পরে সেগুলো চাহিদা অনুযায়ী চক্রের সদস্যদের মাধ্যমে পাচার করেন। দাম দেন ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ ও বিজিবির তথ্য বলছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত তিন বছরে এই পথ দিয়ে আসা অস্ত্র পাচারের সময় বিভিন্ন ধরনের ৫১টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ৪৭ জন কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতীয় পত্রিকা আনন্দবাজার অস্ত্র নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে, সেখানেও রাজ্য পুলিশের এক কর্তার বরাত দিয়ে তারা বলেছেন, ‘দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় অস্থায়ী অস্ত্র কারখানার হদিস মিলেছে। ওই কর্মকর্তা ধারণা করেছেন, গত কয়েক বছরে এভাবে লক্ষাধিক ‘মুঙ্গেরি পিস্তল’ ছড়িয়ে গিয়েছে।

এবার সেই শ্মশানঘাটে ফিরি, সূর্য তখন পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ছে। শিবগঞ্জ থানার জিরোপয়েন্ট পিরোজপুর গ্রামের আমবাগানে অস্ত্রের জন্য অপেক্ষা। আমবাগানটি শ্মশানঘাটের খুব কাছে। চারপাশে আলো থাকলেও এই ঘাটে সন্ধ্যার ছায়া নেমে গেছে ততক্ষণে। এখানে লম্বালম্বি আমের বাগান। বাগানের নিচে খরস্রোতহীন নদী পাগলা। নদীর ঠিক ওপরে ভারতীয় সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়া। এই বেড়ার সঙ্গে মিশে আছে যে গ্রামটি সেটির নাম মিলিক। এই মিলিক গ্রামটি ভারতে মালদার কালিয়াচক এলাকার মধ্যে পড়েছে। দেশের সীমানায় কোনো মানুষ না দেখা গেলেও কাঁটাতারের ওপারে দু-চারজন ভারতীয়র আনাগোনা লক্ষ করা যায়।

ঠিক তখনই +৯১৭৬৭৮০৩৫৯৫৮ ভারতীয় নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপর প্রান্ত থেকে লোক পাঠানোর কথা জানান পিচ্চি রাজু। বলেন, ১৫ মিনিটের মধ্যে বাগানে চলে আসবে তার লোক। কিন্তু সেই ১৫ মিনিট ১ ঘণ্টা হয়ে গেলেও রাজুর লোক অস্ত্র নিয়ে আসে না।

ঘণ্টাখানেক পর আগের নম্বর বাদ দিয়ে নতুন নম্বর +৯১৮৬৭০২০৫৯৫৭ থেকে পিচ্চি রাজুর ফোন। এবার তিনি বললেন, এভাবে তাদের ফাঁসানোর পরিকল্পনা না করলেও পারতেন। এর পরিণতি ভালো হবে না বলেও হুমকি দেন। কারণ তিনি দেশে থাকা তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়েছেন তাকে ধরতে পুলিশ ফাঁদ পেতেছে।

যেভাবে আলোচনায় পিচ্চি রাজু ও তার অস্ত্র সিন্ডিকেট

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশে চলতি বছর অবৈধ অস্ত্রের পাঁচটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে সাতজন। তবে এই অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্তত দেশি-বিদেশি ২৯ জন কারবারির নাম পেয়েছে বাহিনীটি। সেখানে এই অঞ্চলের ভারতীয় অবৈধ অস্ত্র সিন্ডিকেটের প্রধান হিসেবে পিচ্চি রাজুর নামই একাধিকবার এসেছে।

পুলিশ ছাড়া একাধিক বাহিনীর গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও ভারতের এই সিন্ডিকেটের প্রধান পিচ্চি রাজুর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে রাজুর পাশাপাশি তার সহযোগী হিসেবে পাটনার বরুন, মালদাহের আনিকুলের নাম বলা হয়েছে। অল্প বয়সের এই তরুণরা সবাই অস্ত্র ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে পাঁচ বছর ধরে সীমান্তরক্ষীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ অস্ত্র এ দেশে আনার অভিযোগ রয়েছে।

পিচ্চি রাজুর এই সিন্ডিকেটের বাংলাদেশের সদস্যও রয়েছে প্রায় এক ডজন। তারা অবশ্য আগে থেকেই একাধিক মামলার আসামি। সীমান্তে নানা অপরাধের সঙ্গে রয়েছে তাদের নাম। এ-দেশীয় সদস্যরা হলেন শিবগঞ্জের উনিশ বিঘির মার্ডার আলীর ছেলে মিঠুন, বজলুরের ছেলে ভোলা, শাহাবাজপুর ইউনিয়নের নজরুল এমপি। একই এলাকার কাদ্দুর, ফারুক, গিয়াসউদ্দিন, মিজান বাবু, নিজামউদ্দিন। আর চাকপাড়ার আবুল কালাম আজাদ।

সীমান্তে ঢিলেঢালা নজরদারি

সরেজমিন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত ঘুরে দেখা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর সঙ্গে ভারতের সীমান্ত ১৫৫ কিলোমিটার। যার মধ্যে ৮০-৮৫ কিলোমিটার নদী। এই নদীর পথটুকু পুরোটাই অরক্ষিত। মাদক, অস্ত্র, চোরাচালান সবই হচ্ছে এই জায়গা দিয়ে। স্বভাবতই এর দায় আসবে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দুর্বল সীমান্ত নজরদারির দিকে।

সীমান্তে দায়িত্বে থাকা বিজিবির সদর দপ্তর তা অস্বীকার করছে না। সংস্থাটির গোয়েন্দা তথ্য বলছে, শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা রাজশাহী নয়। ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের ৩২৮ কিলোমিটার স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে যশোরের শার্শা, শেরপুর, কুষ্টিয়া, পাবনা, বেনাপোল, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, হিলি, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান রয়েছে। তথ্য বলছে, এই সীমান্তগুলোর অন্তত ৩২ পয়েন্ট দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র ঢোকে।

বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান বলেছেন, ‘প্রতি মুহূর্তে সীমান্তে বিজিবির ছয় হাজার টহল থাকছে। এর মাঝেও অস্ত্র আসছে। উদ্ধারও করছি আমরা।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন দৈনিক বাংলাকে বলেন, অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করতে সীমান্তের দুই পাশে থাকা বাহিনীকেই কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, সমস্যাটা কোনো এক দেশের নয়। দুই দেশকেই এর দায় নিতে হবে। এ ছাড়া ইউনাইটেড ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ক্রাইমের যে আর্মস প্রটোকল আছে, সে অনুযায়ী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।


নড়াইলে রোটারি চক্ষু হাসপাতাল উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা গ্রাম। গ্রামের কুল ঘেষে বয়ে চলেছে চিত্রা নদী। নদীর তীরে মসজিদ মন্দিরের মাঝে স্থাপিত হলো বাংলাদেশ রোটারি চক্ষু হাসপাতাল। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান অতিথি হয়ে হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন করেন দেশ বরেণ্য রোটারিয়ান পিজিডি কেএম জয়নুল আবেদীন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘ব্যবসায়িক মনোভাব নিয়ে নয়, সেবাই হবে এই হাসপাতালের প্রথম শর্ত। হাসপাতালের এক পাশে মসজিদ অন্য পাশে মন্দির। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য স্থাপন করা এই জেলার হাসপাতাল হবে দেশ সেরা। এই প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে হবে। নড়াইলকে তুলে ধরতে হবে অন্য এক উচ্চতায়।

তিনি বলেন, ‘দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাঝে ডায়াবেটিক হাসপাতাল এবার যুক্ত হলো চক্ষু হাসপাতাল। দেশের কোথাও দেখা যায় না এমন দৃশ্য।’ আবেগ ঘণ বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘অন্তরে মানবতা না থাকলে, প্রকৃত মানুষ হওয়া যায় না। মানুষকে ভালোবাসলে নিজেও ভালো থাকা যায়। এসো বন্ধুর বন্ধনে আবদ্ধ হই।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নড়াইলে এই রোটারি চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হচ্ছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রোটারিয়ান পিজিডি প্রকৌশলী এম, এ ওহাব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএ মতিন,পটুয়াখালি মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রোটারিয়ান ডা. এসএম আবুল হাসান, অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. রেজাউল আলম, সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক, ডা. আশীষ কুমার সাহা প্রমুখ।


দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ক্লিনিক কর্মীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় শ্রী সমেস চন্দ্র নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেবীগঞ্জ–বোদা মহাসড়কের পাকড়িতলা মদিনা কোল্ড স্টোরেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সমেস পামুলী ইউনিয়নের কাটনহারী আরাজী এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই

এলাকার হরি কিশোর বর্মনের ছেলে। পেশায় তিনি দেবীগঞ্জের ‘মায়ের হাসি ক্লিনিক’-এ কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতেও কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন শ্রী সমেস। এ সময় পাকড়িতলা মদিনা কোল্ড স্টোরেজের সামনে পৌঁছালে একটি বালু বোঝাই দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং ট্রাকটি তাকে রাস্তার সঙ্গে পিষে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার আগেই ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা জানান, ওই স্থানে অপরিকল্পিত স্পিড ব্রেকারের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির যানবাহন হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা অবিলম্বে ওই স্থানের স্পিড ব্রেকার অপসারণ বা সঠিকভাবে সংস্কারসহ নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।


আমতলীতে একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে চুরি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলায় একই রাতে দুটি সরকারি কার্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে সংঘটিত এ

ঘটনায় সরকারি দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ফুটেজ অনুযায়ী, চোরেরা অফিস ভবনের দক্ষিণ পাশের গ্রিল ভেঙে আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসে প্রবেশ করে। এরপর তারা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও উচ্চমান সহকারীর কক্ষসহ মোট তিনটি

কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এ সময় আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে একটি ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, গভীর রাতে এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। এতে দাপ্তরিক কাজে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। একই রাতে আমতলী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী

প্রকৌশলীর কার্যালয়েও চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এলোপাথাড়ি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখে। তবে কার্যালয়ে নগদ অর্থ না থাকায় তারা কিছু চুরি করতে পারেনি বলে জানান উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সোহাগ মিয়া।

দুটি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আমতলী থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণসহ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি কার্যালয়গুলোর রাতকালীন নিরাপত্তা দুর্বল থাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত চোর চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সরকারি দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।


পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্য হলেন হাসিনুর রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. হাসিনুর রহমানকে কমিশনের সদস্য (পরিকল্পনা) (চলতি দায়িত্ব) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

এর আগে তিনি কমিশনের পরিচালক (ভৌত বিজ্ঞান) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের বৈজ্ঞানিক তথ্য বিভাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে (BAEC) যোগদানের পর থেকে প্রায় তিন দশক ধরে হাসিনুর রহমান নিউক্লিয়ার ইন্সট্রুমেন্টেশন, এনার্জি অ্যানালাইসিস এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘদিন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন এবং প্রকল্পটির উপপ্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রূপপুর প্রকল্পের সাইট নির্বাচন, ডিজাইন নির্বাচন, সাইট ও ডিজাইন লাইসেন্স অর্জন, জেনারেল কন্ট্রাক্ট আলোচনা ও চূড়ান্তকরণ, কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তিনি অসাধারণ পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন। বর্তমানে তিনি Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO)-এর বাংলাদেশের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবনের অংশ হিসেবে তিনি অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, অস্ট্রিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত (আবুধাবি), মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া ও বেলারুশসহ বহু দেশ সফর করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন মো. হাসিনুর রহমান। তিনি ১৯৬৭ সালে পাবনা জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।


নির্বাচনে অপসাংবাদিকতা রোধে দিনাজপুরে প্রেস কাউন্সিলের কর্মশালা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অপসাংবাদিকতা রোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের অঙ্গীকার নিয়ে দিনাজপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জেলা সার্কিট হাউস কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ​তৃণমূল পর্যায়ে সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং নির্বাচনের স্পর্শকাতর সময়ে ভুয়া খবর (ফেইক নিউজ) প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। ​প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি আব্দুল হাকিম বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে।

অপসাংবাদিকতা শুধু একটি পেশাকে কলঙ্কিত করে না, বরং গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। ​উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সাদিয়া আফরিন শেফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের পুলিশ সুপার বজনাব মো. জেদান আল মুসা (পিপিএম) ​কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) জনাব মো. আব্দুস সবুর। তিনি অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট ও আচরণবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। এই দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে।’

​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সব ধরনের তথ্যগত সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন এবং সুস্থ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

​তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আয়োজনে এই কর্মশালায় দিনাজপুরের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় অর্ধশতাধিক সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।


টঙ্গীতে রিভলবারসহ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি রিভলবারসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মহানগর দক্ষিণ (বিভাগ) গোয়েন্দা পুলিশ। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে টঙ্গীর মধ্য আরিচপুর এলাকার থেকে রিভলবারসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম ইজাজুল ইসলাম (৪০)। সে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলা দায়ের শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে টঙ্গীর মধ্য আরিচপুর এলাকার গার্লস স্কুল সড়কে অবৈধ অস্ত্র আদান প্রদানের তথ্য পায় গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইজাজুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করে।পরে তার কাছ থেকে একটি রিভলবার জব্দ করা হয়।

রাতেই গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা দায়ের শেষে আদালতে পাঠানো হয়।

টঙ্গী পূর্ব থানারে ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘থানায় মামলা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আদালতে নিয়ে গেছে।’


 ‘খাদ্য হোক নিরাপদ, সুস্থ থাকুক জনগণ’

আপডেটেড ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
ইবি প্রতিনিধি

স্লোগানকে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ ভবনের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা হয়।

র‌্যালিতে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল, নিরাপদ খাদ্যে তার সমতুল; ভেজালমুক্ত খাদ্য, সুস্থজাতি, নিরাপদ বাংলাদেশ আমাদের লক্ষ্য; ভেজালকে ‘না’ বলুন, নিরাপদ খাদ্য বেছে নিন; জাঙ্ক ফুড বর্জন করি, স্বাস্থ্যকর জীবন গড়ি; খাদ্য হোক নিরাপদ, সুস্থ থাকুক জনগণ’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. এ. এস. এম আয়নুল হক আকন্দ। এ ছাড়া বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শতাধিক শিক্ষার্থীও ছিলেন।

আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি নিরাপদ খাদ্য দিবস পালন করা হয়। এ বছর ‘নিরাপদ খাদ্য হোক সবার জন্য সুস্থতার নিয়ামক’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জনগণের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘একটি জাতির সুস্বাস্থ্য ও টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। ভেজালমুক্ত, ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত খাদ্য নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।’

তিনি আরও বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগ—এই তিন স্তরের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই আজকের এই আয়োজন। নিরাপদ খাদ্য বলতে শুধু ভেজালমুক্ত খাবার নয়, বরং সঠিক স্যানিটেশন ও হাইজেন মেনে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করাও এর অন্তর্ভুক্ত।’

এ ছাড়া তিনি জানান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ বাস্তবায়ন, ব্যবসায়ী ও কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে HACCP, GMP ও ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া জরুরি। তিনি ভেজাল খাদ্যের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


সীতাকুণ্ডে রিকশা গ্যারেজ মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

সীতাকুণ্ডে রিকশার গ্যারেজ থেকে এক মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আব্দুর রহমানের রিকশা গ্যারেজ থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত রিকশা মিস্ত্রির নাম সবুজ (২৫)।

নিহত রিকশা মিস্ত্রি সবুজের মাথায় ধাতব পদার্থের আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ । সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. মহিনুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহত রিকশা মিস্ত্রি সবুজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন থেকে হত্যা হিসেবে বিবেচনা করে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।


কেশবপুরে এনজিও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৩
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুরে মাসিক এনজিও সমন্বয় কমিটির সভা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে এ সভা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সভাপতির বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর সহকারী কমিশনার ভূমি কাজী মেশকাতুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুঃস্থ শিশু শিক্ষা উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মো. হারুনার রশীদ বুলবুল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, কেশবপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মানবাধিকার সুরক্ষা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি সকল এনজিওকে নিয়মিত মাসিক সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের কার্যক্রম তুলে ধরার জন্য অনুরোধ জানান।

দুঃস্থ শিশু শিক্ষা উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক হারুনার রশীদ বুলবুল বলেন, উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জরুরি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের শিক্ষার নিশ্চয়তা, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনর্বাসন এবং দরিদ্র পরিবারের শিশুদের মানসম্মত শিক্ষাসেবা পৌছে দিতে এনজিওদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

সভায় মানবসেবা ও সামাজিক সংস্থা-এর পরিচালক জুবায়ের হাসান রাকিব সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। সংস্থাটি ২০২১ সালে কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি কপোতাক্ষ নদের পাড়ে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সংস্থার স্লোগান: ‘আমরা মানুষের সেবা করি– আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য’। তারা বন্যার্তদের সহায়তা, অসহায় শিশুদের শিক্ষা, নারী পাচার প্রতিরোধ, বৃক্ষরোপণ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং দরিদ্র কৃষকের সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাধান এনজিও’র সিনিয়র ম্যানেজার মুনছুর আলী, রিইব এনজিও’র সমন্বয়ক খালিদ হাসান, সুবোধ মিত্র মেমোরিয়াল অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম, এস আর যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থার পরিচালক গোলাম কিবরিয়া, মায়া পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. মিলন হোসেন, ভাব-এর ফিল্ড অফিসার কামরুজ্জামান রাজু, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচির বুলবুল ইসলামসহ বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তারা।


৭ দফা দাবিতে নওগাঁয় সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ, কর্মবিরতি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবিতে নওগাঁয় বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি করেছেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারিরা। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

এদিকে সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন দপ্তরের ২ ঘণ্টা সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে। ফলে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা সাইফুল ইসলাম জানান, তিনি খাস জমির বন্দোবস্ত কাজ করার জন্য রাজস্ব শাখায় আসেন। আজকে সেই কাজের শেষ তারিখ। কিন্তু তিনি সকালে এসে দেখেন সরকারি কর্মচারীরা পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলন করছেন। কেউ অফিসে নেই।

আদালতে সেবা নিতে আসা রহিদুল সরকার বলেন, ‘দেওয়ানি মামলার আপিল শুনানি ছিল তার। তাই সকল কাগজপত্রাদি ঠিক করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এসে দেখেন কোন কর্মচারী তার অফিসে নেই। আজকে শুনানী না হয় তাহলে অনেক সমস্যায় পড়তে হবে।’

এ সময় আন্দোলকারীরা বলেন, সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যহীন বেতন কাঠামোর দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু এ সরকার পে-স্কেল দিতে নানা টালবাহানা শুরু করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজারে সরকারি কর্মচারীরা যে বেতন পায় দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকার বিভিন্ন দাবি মেনে নিলেও কর্মচারীদের পে-স্কেল দিচ্ছে না। তাই এবার সরকারি কর্মচারীরা দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং বেতন বৈষম্য দূরীকরণ করেই ঘরে ফিরবে। দ্রুত দাবি না মানলে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণার হুশিয়ারি দেন তারা।

আন্দোলকারীরা হাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘নো পে-স্কেল নো ইলেকশন। আমরা কোন নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করব না। আমরা কোন ভোট দেবো না। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাব না।’

আরেক আন্দোলনকারী নাহিদ আল-সালাম বলেন, ‘আমাদেরকে আশ্বাসের নামে মুলা দেখানো হচ্ছে। পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকার কমিশন গঠন করেও বাস্তবায়ন করতে পারছে না। এখন বলা হচ্ছে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব। তাহলে কেন এ সরকার কমিশন গঠন করলো। ৫ আগস্টের পর বৈষম্য দূর করার জন্য আপনাদেরকে বসানো হয়েছে। আবারো যদি বৈষম্য করেন তাহলে একইভাবে টেনেহেঁচড়ে নামাবে মানুষ।’

আন্দোলকারীদের ৭ দফার মধ্যে আছে, ২০১৫ সালের পে-স্কেলের গেজেটে হরণকৃত তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা রক্ষা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তন এবং গ্রাচুইটির হার ৯০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শতাংশ নির্ধারণের দাবি।


বারি―র নতুন মহাপরিচালক ড. আতাউর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

স্বনামধন্য কৃষি বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয় জারিকৃত আদেশ বলে তিনি বারি’র মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এর আগে ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমান বারি’র পরিচালক (গবেষণা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমান ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এরপর তিনি নিয়মিতভাবে

ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন।

তিনি জাপানের কিউসু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপ যোগদানের উদ্দেশ্যে নেপাল, ভারত, ভূটান, জাপান, থাইল্যান্ড, অস্টেলিয়া ও মালেশিয়া ভ্রমণ করেছেন।

এছাড়াও দেশি বিদেশি বিভিন্ন সায়েন্টিফিক জার্নালে নিয়মিতভাবে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমান ১৯৬৭ সালে দিনাজপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে ২ সন্তানের জনক।


নবীনগরে বিতর্ক প্রতিযোগিতা: দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

দুর্নীতি প্রতিরোধে পারিবারিক ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদের পুরনো হলরুমে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক), নবীনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা হয়। এবারের বিতর্কের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য’।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও দুর্নীতিবিরোধী চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিযোগিতায় লটারির মাধ্যমে পক্ষ ও বিপক্ষ দল নির্ধারণ করা হয়। এতে পক্ষে অংশগ্রহণ করে বিটঘর রাধানাথ উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিপক্ষে অংশ নেয় নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এর আগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ক ও খ গ্রুপের বাছাই পর্ব হয়।

দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক), নবীনগর উপজেলা শাখার সভাপতি আবু কামাল খন্দকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দুপ্রকারের উপজেলা শাখার সদস্যসচিব মোহাম্মদ হোসেন শান্তি।

শুরুতেই উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মামুন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম লিটন। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কান্তি কুমার ভট্টাচার্য, মোশাররফ হোসেন ও আশিষ কুমার গুহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্বাস উদ্দিন হেলাল।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।


ভেড়ামারায় কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কৃষি প্রযুক্তি মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর অঞ্চল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ আলমগীর বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃমি সাম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম। এতে আরোও ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম, ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), ডা. গাজী আশিক বাহার, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহমুদা সুলতানা, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. শওকত হোসেন ভূঁইয়া, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদ হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইমদাদুল হক বিশ্বাস প্রমুখ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা বলেন, সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে বুধবার পর্যন্ত। ৩ দিন ব্যাপী এই মেলায় সরকারি দপ্তর ছাড়াও কৃষি উদ্যোক্তাদের স্টল স্থান পেয়েছে। এসব স্টলে কৃষি ও কৃষকের ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক সব প্রযুক্তি ছাড়াও কৃষকদের উৎপাদিত উন্নত ও হাইব্রীড জাতের নানা ফসল প্রদর্শন করা হয়েছে।


banner close