শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
উত্তরবঙ্গে ঈদযাত্রা

গলার কাঁটা এলেঙ্গা-যমুনা সেতুর ১৩ কি.মি মহাসড়ক, যানজটের শঙ্কা

ঈদযাত্রা শুরু হয়ে গেছে। তবে এখনো ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা অংশে ৪ লেনের কাজ চলছে। ফলে এখানে গাড়িজটের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
ফরমান শেখ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)  
প্রকাশিত
ফরমান শেখ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)  
প্রকাশিত : ২২ মার্চ, ২০২৫ ২২:০৪

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথে উত্তরবঙ্গের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক। প্রতি বছর ঈদে এ মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন, যা বছরের অন্য সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। যার কারণে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপে জটলা বাঁধে। অন্যদিকে মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের চার লেনের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন না হওয়ায় গতবারের মতো এবারও তা ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।

তবে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে আন্তরিকতার সঙ্গেই কাজ করছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন। যমুনা সেতু সাইট অফিসের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়ককে ৪টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। এতে মহাসড়কে সাড়ে ৭শ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। লিংক রোডগুলোতে বাঁশকল বসানো হবে। সেখানে পুলিশের পাশাপাশি টাঙ্গাইল শ্রমিক ফেডারেশন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবে।

পরিবহন চালকরা বলছেন, ঈদ এলেই মহাসড়কে তড়িঘড়ি কাজ শুরু হয়। এতে গাড়ির গতি ঠিক থাকে না এবং দেবে যাওয়া রাস্তায় গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। আর মহাসড়কের চার লেনের কাজ শেষ হয়েছে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত ৪ লেনের কাজ এখনও চলমান। এর ফলে মহাসড়কে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, যমুনা সেতুতে টোল আদায় দুই প্রান্তেই হয়। তবে সফটওয়ারে সমস্যার কারণে কোন কোন প্রান্তে টোল আদায় দীর্ঘক্ষণ বন্ধের ঘটনা মাঝে মাঝে ঘটে। ফলে সেতুর ওপর দীর্ঘ সময় গাড়ি আটকা থাকলে যানজট হয়। এবার এসব আশঙ্কা তো আছেই সঙ্গে বড় আশঙ্কা সেতু থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা অংশ পর্যন্ত রাস্তায় চার লেনের উন্নয়ন কাজের জন্য ধীরগতি। ধারনা করা হচ্ছে, ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে ছেড়ে আসা যমুনা সেতু হয়ে উত্তরবঙ্গগামী গাড়ি এলেঙ্গা এলাকায় আসার পর সড়ক সংস্কার কাজের জন্য ধীরগতিতে পড়ায় এর প্রভাব পড়বে পেছনে থাকা টাঙ্গাইল শহর অথবা বাইপাস সড়কে। আর সিরাজগঞ্জ পার হয়ে যমুনা সেতু অতিক্রম করা যাত্রীবাহী বাসগুলোও এলেঙ্গাতে এসে ধীরগতিতে পড়লে তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলে এর প্রভাবে যমুনা সেতুর ওপরেওযানজট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর ওপর যেন কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ও যানজট না হয় সে লক্ষ্যে ১৯টি পদক্ষেপ নিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। সরেজমিনে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়, মহাসড়কের এলেঙ্গার পর থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে উন্নয়ন কাজ চলছে। ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গগামী লেনে পুরোদমে কাজ চলছে। বিশেষ করে এই অংশে থাকা ছোট ছোট সড়ক সেতুর কাজ চলছে দ্রুতগতিতে।

আনালিয়াবাড়ী এলাকায় সেতুর কাজ করা শ্রমিক সেলিম মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের কাজ করা জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। ঈদের আগে সেতুর কাজ শেষ করার তাগিদ রয়েছে। আমরা আট জন শ্রমিক মিলে এখানে সার্বক্ষণিক কাজ করছি। আশা করছি যথা সময়ে কাজ শেষ করতে পারবো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারীর তয়েজ এন্টারপ্রাইজের বাসচালক ইকবাল হোসেন বলেন, মহাসড়কে পুলিশের সঠিক তদারকি প্রয়োজন। এছাড়া এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত কাজ করছে। কাজ শেষ না হলে এবারও মহাসড়কে যানজটের আশঙ্কা করছি। গতবছরও এ মহাসড়কে যানজট হয়েছিল। প্রতিবছরই আমাদের যানজটের কবলে পড়তে হয়।

এ প্রসঙ্গে চার লেন বাস্তবায়ন প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবদুল মোনেম লিমিটেডের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রবিউল আউয়াল জানান, এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত মহাসড়কের সাড়ে ১৩ কিলোমিটারের ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ঈদের আগেই মহাসড়কের এই অংশের কাজ শেষ করে উত্তরবঙ্গগামী পুরো লেন চলাচলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে ১৯টি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য যমুনা সেতু দিয়ে সার্বক্ষণিক টোল চালু রাখার চেষ্টা করা হবে। এবার সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের ১৪টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হবে। এর মধ্যে ৪টি করে উভয় প্রান্তে ৮টি বুথে ফাস্ট ট্রাক লেন এবং মোটরসাইকেলের জন্য ২টি করে আলাদা ৪টি বুথ থাকবে।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। যানজট নিরসনে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের অংশে ৬৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জেলা পুলিশের সাড়ে ৭শ সদস্য দায়িত্ব পালন করাসহ মোবাইল টিম ও প্রিকেট টিম কাজ করবেন। তিনি আরও জানান, আগামী ২৫ মার্চ থেকে পুলিশ মহাসড়কে ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে। ঈদের পরেও যানজট নিরসনে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। তিনি আশা করেন এবার মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হবে না।


নালিতাবাড়ীতে টর্নেডোতে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমানুল্লাহ আসিফ, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মাত্র দেড় থেকে দুই মিনিটের আকস্মিক টর্নেডোতে গাছচাপা পড়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার কয়েকটি গ্রামের অর্ধশতাধিক কাঁচা ও টিনশেড ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা, বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। গতকাল শনিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধার নাম বেগম (৬৫)।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ ঘূর্ণির মতো প্রবল বাতাস কয়েকটি গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। আকস্মিক এ টর্নেডোর সময় উপড়ে পড়া একটি গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বেগম।

ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নন্নী পশ্চিমপাড়া, নন্নী উত্তরবন্দ, যোগানিয়া, ছাইচাকুড়া ও হাতিপাগার এলাকার কয়েকটি গ্রাম। অনেক ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল মালেক বলেন, 'ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।'


টাঙ্গাইলে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শামীম আল মামুন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল শহরের মাহমুদুল হাসান কলেজ মার্কেটের দুটি কসমেটিকস প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল।

তিনি জানান, মাহমুদুল হাসান কলেজ মার্কেটের তুলি ও অন্তু বিউটি কনসেপ্ট নামের দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পণ্যের মূল্যতালিকা সংরক্ষণ না করা, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনবিহীন প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রির অভিযোগসহ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন বিষয় পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান দুটিকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও শহরের রাবনা বাইপাস এলাকায় অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণপরিবহনের চালক ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়। যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে পরিবহন খাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


প্রচন্ড গরমে কদর বেড়েছে তালের শাঁসের

আপডেটেড ২৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫৭
সালাউদ্দীন কাজল, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 
কালের বিবর্তনে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পল্লী অঞ্চল থেকে অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে তালগাছ। তবুও বর্তমানে অনেকেই তালের আঁটি রোপণ করে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে জীবননগর উপজেলার হাট-বাজারে তালের শাঁসের বেশ কদর বেড়েছে। মৌসুমি ফল হিসেবে তালের শাঁস গ্রামীণ অর্থনীতিতেও অবদান রাখছে। জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এবার তালের শাঁসের ব্যাপক কদর বেড়েছে। সেই সঙ্গে বিক্রির হিড়িক পড়েছে।
জীবননগর পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লায় বেশ কিছুদিন ধরে সুস্বাদু তালের শাঁস বিক্রি করে যাচ্ছে বিক্রেতারা। এটি জনপ্রিয় সব মানুষের কাছে। তালের শাঁসে রয়েছে গুণও। শুধু শাঁস নয়, রস, গুড়, পাকা তাল, পিঠা এসব অত্যন্ত মজাদার খাবার। মৌসুমী ফলের মধ্য তাল শাঁসেরও ব্যাপক কদর বেড়েছে। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে, চৌরাস্তার মোড়ে, পৌর শহরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে এবং ফুটপথসহ নানান জায়গায় চোখে পড়ে ধারালো ‘দা’ দিয়ে কেটে শাঁস বের করে দিচ্ছেন বিক্রেতারা। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে দেখা মিললো তালের শাঁস বিক্রেতা আলাউদ্দীনের সাথে। তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি এ মৌসুমে তাল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করছেন। কিন্তু অন্য সময় পেশা হিসেবে বিভিন্ন কাজ করেন।
আলাউদ্দীন জানান, কেউ একটু তরল, আবার কেউ একটু শক্ত শাঁস পছন্দ করেন। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ কাদি তাল বিক্রি হয়। এভাবেই তালের মৌসুম আসলে তার সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে আসে।
বিক্রেতারা আরো জানান, প্রতিটি তালে ২-৩ টি শাঁস থাকে। এটি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়। গরমে শাঁসের কদর একটু ভিন্ন। এসব তালের শাঁস জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে এনে বিক্রি করা হয়। শনিবার জীবননগর উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় কাঁচা তালে ভরা বাজার। বাজারের ধারে, পাঁকা সড়কের পাশে, জনসমাগম বেশি এমন পথের ধারে এখন শোভা পাচ্ছে এ তাল ফল। আবার কোথাও কোথাও ভ্যানযোগে পাড়া-মহল্লাতেও ঘুরে ঘুরে তাল শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে।
বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তালের শাঁস সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। আর পসরা সাজিয়ে বসছে ভ্রাম্যমাণ দোকানীরা। মৌসুমী ফল হিসেবে তালের শাঁসের বেশ চাহিদা থাকায় ক্রেতারা বেশ আগ্রহ ভরে কিনছেন। তালের শাঁস অতি সুস্বাদু হওয়ায় সকল শ্রেণীর মানুষের মাঝে এটি জনপ্রিয় ফল। চাহিদা মাফিক সময় মতো শাঁস কেটে সারতে পারছেন না বিক্রেতারা, তাই তাদের ১-২ জন সহকারীকে সাথে নিয়ে এ কাজ করেন। প্রায় দেড় থেকে দুই মাস চলে এই তালের শাঁস বিক্রি। ক্রেতাদের চাহিদা মফিক প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা এসব স্থানে বসে প্রতিজন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শাঁস বিক্রি করেন। এতে গড়ে প্রায় ৩০০-৩৫০ টাকা পর্যন্ত লাভ করে থাকেন। তাল শাঁস ক্রেতা আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের লিটন মির্জা বলেন, বছরের এ সময়ে তালের শাঁস খুবই ভালো লাগে। বিশেষ করে গরমের দিনে তালের শাঁস খুবই উপকারী। তবে এবার তাল শাঁসের দাম অনেক বেশি।
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এ বছর তালের ভালো ফলন হয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন গাছ থেকে এই তাল সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি আরেও বলেন, এখন অনেকেই বজ্রপাত রোধে তালগাছ রোপণ করে থাকেন বিভিন্ন রাস্তার ধারে ও খালের পাড়ে। কৃষি অফিসসহ সামাজিক ও বিভিন্ন সংগঠনের আলাদা আলাদা দল হিসেবে এই তালের গাছ রোপণ করে আসছে।


নওগাঁয় আদালত থেকে মামলার নথি চুরি, গ্রেপ্তার ৪ 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মো. সবুজ হোসেন, নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া মামলার নথিটি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ( ২৩ মে) দুপুর একটার দিকে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল গ্রুপে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) নওগাঁ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে মামলার নথিগুলো হারিয়ে যায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার শৈলগাছী ইউনিয়নের সিংবাচা বাজার এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে এস এম আকাশ (২৬), সদর উপজেলার খয়রা বাদ এলাকার করিম সরদারের ছেলে ও

জেলা যুগ্ম ও দায়রা জজ আদালত-২ এর পিয়ন পলাশ এবং তার ভাই সাপাহার সাব জজ আদালতের পিয়ন আরিফ এবং রানীনগর উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের আমজাদের ছেলে সবুজ (৪০)।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আমাকে জানায় ৯০৪/২০২২ নং মামালার নথিগুলো হারিয়ে গেছে এবং একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল দিয়ে মামলার নথি ফিরিয়ে দিবে মর্মে আদালতের কর্মচারির নিকট ত্রিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। বিষয়টি জানার পর গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিশেষ এই টিমটি প্রথমে রাজশাহীর বাগমারা এলাকায় অভিযান চালায়। পরে মূল চোরকে সনাক্ত করে সদর উপজেলার সিংবাচা বাজার এলাকা থেকে এসএম আকাশ নামে একজনকে গ্রেপ্তার কর হয়। তাকে জিজ্ঞেসাবাদ করা হলে সে খড়ের একটি পালা থেকে মামলার নথিগুলো বের করে দেয়। আকাশ এই চক্রের সাথে জড়িত বাকিদের নাম জানালে অভিযান চালিয়ে তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা ছিলো। আর কিছুদিন পরেই মামলাটির রায় ঘোষণা করা হবে। নথি চুরির পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা উদঘাটন করা হচ্ছে। তাদের সকলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।


রামিসা হত্যার প্রতিবাদে পাথরঘাটায় মানববন্ধন ও প্রতীকী ফাঁসি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আরিফ তৌহীদ, পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে বরগুনার পাথরঘাটায় মানববন্ধন ও প্রতীকী ফাঁসি কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ১০টায় পাথরঘাটা পৌর শহরের গোলচত্বরে জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ক্লাইমেট এলায়েন্সের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের পাশাপাশি একটি প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর মধ্যে ছিল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস, সিসিডিবি, প্রত্যয়, পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন, ধ্রুবতারা ইউথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, তারুণ্যের বাংলাদেশ যুব সংস্থা, দৃষ্টি মানবকল্যাণ সংস্থা, লোক মোর্চা, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, সোনার বাংলা ব্লাড ফাউন্ডেশন ও এক্টিভিস্টা বরগুনাসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ক্লাইমেট এলায়েন্সের সভাপতি সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সমাজকর্মী মেহেদী সিকদার, উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন এসমে, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর কবির মৃধা, জাকির হোসেন মিরাজ, চিত্ত রঞ্জন শীল এবং পাথরঘাটা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সালেহ জসিমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বক্তারা বলেন, শিশু রামিসার ওপর সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো সমাজকে নাড়া দিয়েছে। এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। একইসঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।





শখ থেকে সৌখিন কৃষি গার্ডেন, আঙুর চাষে সফল হালুয়াঘাটের উদ্যোক্তা সোহাগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সুমন আহম্মেদ, ময়মনসিংহ(হালুয়াঘাট) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ জেলার উত্তর প্রান্তে এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শখের বসে শুরু হওয়া আঙুর চাষ এখন রীতিমতো আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উপজেলার উত্তর খয়রাকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা তরুণ উদ্দ্যোক্তা মনোয়ার হোসেন সোহাগ শখের বশবর্তী হয়ে আঙুর চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন। তার এই উদ্দ্যোগ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আধুনিক কৃষির নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এই আঙুর বাগান দেখতে প্রতিদিনই দূর দূরান্ত হতে নানা শ্রেনী-পেশার কৌতূহলী মানুষের আগমন ঘটছে।

সরেজমিনে দেখা যায় সৌখিন কৃষি গার্ডেন নামে তরুণ এই উদ্দ্যোক্তার পরিপাটি বাগানে সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে নজরকাড়া থোকায় থোকায় আঙুর। মাত্র ১৫ শতক জমিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আঙুর চাষ করে সোহাগ দেখিয়েছেন সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতিকুল পরিবেশেও লাভজনক কৃষিকাজ সম্ভব।

বাজারে আঙুরের চাহিদা থাকায় দেশীয়ভাবে উৎপাদিত আঙুরের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার সুস্বাদু আঙুর আমদানিকৃত আঙুরের তুলনায় মানের দিক থেকেও বেশ সুস্বাদু ও উৎকৃষ্ট। এই বাগানের আঙুর স্বাদে অনন্য। সবুজ ও বেগুনি রঙের আঙুরগুলো যেন নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। আধুনিক কৃষির প্রতি আগ্রহ থেকেই স্বল্প পরিসরে আঙুরের চারা রোপণ করেন মনোয়ার হোসেন সোহাগ।

মনোয়ার হোসেন সোহাগ জানান ২০২২ সালে ঝিনাইদহ থেকে ৬টি চারা এনে পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ শুরু করেছিলেন তিনি। ইউটিউবে আঙুর চাষের ভিডিও দেখে তিনি উদ্ভুদ্ধ হন। জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ, নিয়মিত পানি দেওয়া, নেট, বেষ্টনী ও রশির মাচা তৈরি করে দীর্ঘদিন যাবত চারাগুলোর নিবিড় পরিচর্যা করে। আঙুর ছাড়াও সোহাগের বাগানে রয়েছে আনার, লংগান, আম, জাম, কাঠাল, লিচু, মাল্টা, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, বড়েই, জামরুল, জলপাই, লিচু ও আমলকি।

অনেকেই বলছেন, এ অঞ্চলের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব এ ধারণা আগে তাদের ছিল না। শুরুতে বাগান করার বিষয়টি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর অবগত ছিল না। পরে বিষয়টি জানার পর তারা সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেলে আরও বড় পরিসরে আঙুর চাষ সম্প্রসারণের আশা করছেন মনোয়ার হোসেন সোহাগ। শখের বসে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন এলাকার কৃষিতে নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।


সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২১ জেলে উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রবিউল ইসলাম, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সুন্দরবনের গহিনে পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ২১ জন অপহৃত জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। শুক্রবার (২২ মে) দিনভর সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় কোস্টগার্ডের ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।

শনিবার (২৩ মে) সকালে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্টগার্ড জানায়, খুলনার কয়রা ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকার একদল জেলে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে সুন্দরবনে প্রবেশ করলে জলদস্যু ‘দয়াল বাহিনী’র সদস্যরা ফিরিঙ্গি খাল ও কুনচিরখাল সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করে।

গোপন খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, অপহৃত জেলেদের নিয়ে দস্যুরা কয়রা থানার আন্দারমানিকের টোটা ও কেওড়াতলা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল ভোর ৪টায় কোস্টগার্ড স্টেশন কয়রা ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা বনের গহিনে পালিয়ে গেলে সেখান থেকে জিম্মি থাকা ১০ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, কোস্টগার্ড ও র‌্যাবের যৌথ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র সদস্যরা খুলনার দাকোপ থানার শিবসা নদীর বড় দুদমুখ খাল এলাকায় অবস্থান করছে। গতকাল বিকেল ৫টায় কোস্টগার্ড বেইস মোংলা ওই এলাকায় দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা করে।

এ সময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে কোস্টগার্ডও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে ডাকাত দল পিছু হটে বনের গহিনে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ১টি একনলা বন্দুক, ৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং জিম্মি থাকা ১১ জন জেলেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় বনদস্যু ও ডাকাতদের দমনে কোস্টগার্ডের ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর এবং জব্দকৃত অস্ত্র-গোলাবারুদের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


ঈদের ছুটির আগেই যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরমান শেখ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। আগামী সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের সরকারি ছুটি শুরু হলেও দুই দিন আগেই উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বারখ্যাত টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপার বেড়েছে। ফলে সেতুতে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ যানবাহন চলাচল করছে। তবে এখন পর্যন্ত মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (২২ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ৩৪ হাজার ৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৪০ টাকা।

এর মধ্যে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্তের টোল প্লাজা (উত্তরবঙ্গগামী লেন) দিয়ে পার হয়েছে ১৮ হাজার ৮৫৯টি যানবাহন। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ৪৫০ টাকা।

অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের সেতু পশ্চিম প্রান্তের টোল প্লাজা (ঢাকাগামী লেন) দিয়ে পার হয়েছে ১৬ হাজার ১০৭টি যানবাহন। এখানে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ১ হাজার ৯৫০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদকে সামনে রেখে কয়েক দিন ধরেই সেতু দিয়ে গণপরিবহনের চাপ বাড়ছে। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এবং দ্রুত টোল আদায়ের জন্য মোটরসাইকেলের জন্য দুটি করে মোট ৪টি পৃথক বুথসহ মোট ১৮টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হবে।

তিনি আরও জানান, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মহাসড়কে যানজট নিরসনে সেতু কর্তৃপক্ষসহ কয়েক স্তরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। পাশাপাশি সেতুর উপর যানজটরোধ ও দুর্ঘটনার তথ্য প্রদানে ৩০০ মিটার পর পর সিগন্যালম্যান কাজ করবে।


মৌলভীবাজারে ৭৪ হাজার পশু প্রস্তুত, লাভ নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জায়েদ আহমেদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত সরবরাহ থাকলেও, খামারিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। ফলে পশুর পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও এবার কাঙ্ক্ষিত লাভ করা নিয়ে চরম শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় খামারি ও গৃহস্থরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মৌলভীবাজারের সাতটি উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার ২২৫টি খামার ও গৃহস্থ বাড়িতে মোট ৭৪ হাজার ৫৮৪টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় এবার কোরবানির পশুর সার্বিক চাহিদার তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৮১২টি বেশি।

উপজেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, এবার সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে সদর উপজেলায় এবং সবচেয়ে কম কমলগঞ্জে। সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ১৬ হাজার ১৭৮টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর বাইরে কুলাউড়া ১৪ হাজার ৯৬৪টি, বড়লেখা ১২ হাজার ২৩৯টি, শ্রীমঙ্গল ১০ হাজার ৪৯৪টি, রাজনগর ৮ হাজার ১৬৭টি, জুড়ী ৬ হাজার ৮২৮টি এবং কমলগঞ্জে ৫ হাজার ৭১৩টি পশু প্রস্তুত আছে।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে পশু পরিচর্যায় দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে খড়, ঘাস, ভুসি ও কুঁড়া খাইয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অনেক খামারে পশুর নানা আকর্ষণীয় নামকরণও করা হয়েছে।

তবে এই ব্যস্ততার মাঝেও খামারিদের মুখে হাসির ঝিলিক নেই। সদর উপজেলার কালিয়ারগাঁও গ্রামের খামারি রহিম মিয়া বলেন, “এবার কোরবানির জন্য ১৫টি ষাঁড় প্রস্তুত করেছি। কিন্তু ভুসি, খৈল ও খড়ের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে পশু পালনের খরচ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে। বাজারে ন্যায্য দাম না পেলে বড় লোকসানে পড়তে হবে।”

একই শঙ্কার কথা জানান কমলগঞ্জের খামারি আরিফ মিয়া। তিনি বলেন, “বড় তিনটি মহিষসহ ১০টি গবাদিপশু প্রস্তুত করেছি। খাবারের যে দাম, তাতে আসল উঠবে কি না তা নিয়েই চিন্তায় আছি।”

গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে এবার অনেক খামারি বড় আকৃতির গরু তৈরিতে অনীহা দেখিয়েছেন। শ্রীমঙ্গল অ্যাগ্রো খামারের ম্যানেজার আরিফ হোসেন জানান, গত বছর তাদের ১,১৫০ কেজি ওজনের ‘তুফান’ নামের বিশাল ষাঁড়টির দাম ১৩ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠলেও শেষ মুহূর্তে অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করতে হয়েছিল। সেই লোকসানের ধাক্কা সামলাতে এবার তারা বড় গরু প্রস্তুত করা থেকে বিরত থেকেছেন।

তবে কিছুটা আশার কথা হলো, হাটে ওঠার আগেই অনেক সচেতন ক্রেতা সরাসরি খামারে এসে পছন্দের পশু বুকিং দেওয়া শুরু করেছেন। এতে খামারিদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল খান বলেন, “স্থানীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবার জেলার কোরবানির চাহিদা সম্পূর্ণ পূরণ সম্ভব। আমরা খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছি। আশা করছি, তারা ন্যায্য মূল্য পাবেন। এছাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে যাতে অবৈধভাবে কোনো গরু প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রশাসন কঠোর নজরদারি রাখছে।”

খামারিদের দাবি, পশুর হাটে যেন দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য না থাকে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করে খামারিদের লোকসানের মুখে ঠেলে দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।



বোয়ালখালীতে ১৯ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মো.আবু নাঈম, বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বোয়ালখালী পৌরসভার পূর্ব কালুরঘাটে সিএনজি চালিত একটি অটোরিকশা থেকে প্রায় ৫৯ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৭।

শুক্রবার (২২ মে) রাত ৮ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বসানো র‍্যাবের অস্থায়ী চেকপোস্টে অটোরিকশাটি (চট্টগ্রাম-থ-১৪-৬৪৩৬) ধরা পড়ে।

এসময় তল্লাশী চালিয়ে গাড়ির যাত্রীদের পেছনে মালামাল রাখায় স্থানে ১টি সাদা রংয়ের প্লাষ্টিকের বাজারের ব্যাগে কালো রঙের স্কচটেপ মোড়ানো ১০টি নীল পলিজিপার প্যাকেটে ১৯ হাজার ৬০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় যাত্রী সিটে থাকা নগরীর চান্দগাঁও কে বি আমান আলী রোডের জালাল আহমদ সওদাগর বাড়ীর মৃত কালা মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া (৪৭) এবং কক্সবাজার জেলার উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা মৃত আব্দুল শুক্করের মেয়ে তাহেরা বেগম শমসিদাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার দুইজন ও জব্দ করা ইয়াবা ট্যাবলেট থানায় সোপর্দ করলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আজ শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।


রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আরাফাত হোসাইন, বাকৃবি প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে প্রথমবারের মতো সরাসরি মাঠপর্যায়ে ভেটেরিনারি চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ১৫ শিক্ষার্থী।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ৯টা থেকে থেকে স্বাস্থ্যসম্মত পশু বিক্রয় ও সেবার মান নিশ্চিত করতে ওই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা চলবে আগামী মঙ্গলবার (২৬ মে) পর্যন্ত।

জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় স্থাপিত ১১টি ও উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় স্থাপিত ১৬টি সহ মোট ২৭টি কোরবানির হাটে পশুর প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে বাকৃবি হতে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট ৬টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠের গরুর হাটে ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবা দিতে আসা বাকৃবির শিক্ষার্থী ডা. আসিফ ইকবাল বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাটগুলোতে বিপুল সংখ্যক গবাদিপশু আসছে, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। আমরা মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে অসুস্থ ও দুর্বল পশুগুলোকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছি এবং বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঠিক পরিচর্যা সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুস্থ পশু নিশ্চিত করা এবং কোরবানির জন্য উপযুক্ত প্রাণী নির্বাচন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি, হাটের পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখা ও প্রাণিকল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়েও আমরা কাজ করছি।"

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩ হাজার ৬০০টির বেশি অস্থায়ী ও স্থায়ী পশুর হাট বসানো হবে। এবং এসব হাটে মোট দুই হাজার মোবাইল ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করবে।

উল্লেখ্য, ২১ মে সকালে ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) কোরবানির পশুরহাটে গবাদিপশুর প্রাথমিক চিকিৎসাসেবাসহ হাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকগণের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।


ঝিনাইদহে দিনব্যাপী কারাতে সেমিনার ও বেল্ট পরীক্ষা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

‘নারীদের আত্মরক্ষার্থে কারাতে হোক অন্যতম হাতিয়ার’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে দিনব্যাপী কারাতে প্রশিক্ষণ ও ৪২ তম বেল্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের সোতোকান কারাতে দো স্কুলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সোতোকান কারাতে দো’র পরিচালক কাজী আলী আহম্মেদ লিকু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোতোকান কারাতে দো’র প্রধান উপদেষ্টা মহব্বত হোসেন টিপু, প্রধান প্রশিক্ষক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
দিনব্যাপী সেমিনারে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪০ জন শিক্ষার্থীকে কারাতে প্রশিক্ষণ প্রদাণ করেন জাতীয় কারাতে প্রশিক্ষক জসিম উদ্দিন। পরে বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় বেল পরীক্ষা।


ঝিনাইদহে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঝিনাইদহে ৪ হাজার ৬২৫ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ পৌরসভার পক্ষ থেকে এসব চাল বিতরণ করা হয়। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঝিনাইদহ পৌরসভা চত্বরে চাল বিতরণ শুরু হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সহ সম্পাদক এম শাহজাহান আলী।
এসময় পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামের ৪ হাজার ৬২৫ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি হারে চাল বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীদের মাঝে মোট ৪৬ হাজার ৩২৫ কেজি চাল বিতরণ করা হয়।



banner close