শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ২৮ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৫ ১৪:০৩

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১১টি লোহার দানবাক্স থেকে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এবার ৪ মাস ১২ দিন পর শনিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ৭টায় ১১টি লোহার দানবাক্স খোলা হয়।

এ সময় মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাসহ প্রায় ৪০০ জনের একটি দল টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও বিপুলসংখ্যক সেনা সদস্য, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত আছেন।

টাকা গণনায় তদারকি করছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছিসহ মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বরে মসজিদের দশটি দানবাক্স ও একটি ট্যাংক খোলা হয়েছিল, তখন ৩ মাস ১৪ দিনে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।

মসজিদের দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়। এছাড়া করোনাকালে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবককেও অনুদান দেওয়া হয়েছিল এ দানের টাকা থেকে।

মসজিদটিতে এবার আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। যার নামকরণ হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৩০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, এবার ৪ মাস ১২ দিন পর শনিবার সকালে পাগলা মসজিদের ১১টি দানবাক্স খোলা হয়েছে। এতে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দোতালায় এনে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়েছে।

‘তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ৪ মাস ১২ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। আমাদের পাগলা মসজিদের একাউন্টে জমা আছে ৮০ কোটি ৭৫ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৬ টাকা জমা আছে,’ বলেন তিনি।


নির্বাচিত

আসন্ন দুর্গাপূজায় সীমিত আলোকসজ্জার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সভার প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার আলোকসজ্জা সীমিত পরিসরে রাখার আহ্বান জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব পালন করতে পারেন, সে জন্য সরকার সব ধরনের সহায়তা দেবে। অতীতে প্রতিটি মণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হতো, এবার তা বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘‘বিশেষ করে রাতের শেষভাগে বিচ্ছিন্ন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য মণ্ডপ কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ নজরদারির আহ্বান জানানো হয়েছে।’

সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পারাপার, মাদক, অস্ত্র কিংবা পটকাবাজির অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১ অক্টোবর থেকে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহন বিশেষ তল্লাশির নির্দেশের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসক আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংঙ্কর দাস রতন, সাধারণ সম্পাদক তপন ঘোষসহ জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক, সামাজিক এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।


নির্বাচিত

দেবীগঞ্জে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

‘দখল-দূষণমুক্ত, প্রবহমান ও জীবন্ত নদী চাই’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব নদী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে এবং বাপা পঞ্চগড় জেলা শাখার সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা বাপার সাধারণ সম্পাদক নাজমুস শাকিব মুনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুসা মিঞা, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড় জেলা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি এ. কে. এম. আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম জুয়েল।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হরিশ চন্দ্র রায়, দেবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন কবির রাজু, সিনিয়র সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম শহীদসহ বাপার সদস্য ও স্থানীয় নেতারা।

দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার বাপার সভাপতি বলেন, ‘পঞ্চগড় জেলায় প্রায় ৫০-৫৩ টি নদী ছিল বর্তমানে ৩০ -৩২ নদী থাকলেও নদীতে তেমন পানি নাই।’

আয়োজকরা জানান, নদী দখল ও দূষণ রোধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং নদী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

আলোচনা সভায় স্থানীয় নদীগুলোর বর্তমান অবস্থা, দখল-দূষণের কারণ, নদী রক্ষায় প্রশাসন ও জনগণের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎকরণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।


নির্বাচিত

শ্রীমঙ্গলে মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় ১১ নারী প্রশিক্ষককে সম্মাননা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা-বাগান এলাকার নারী ও কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখায় ১১ জন স্থানীয় নারী প্রশিক্ষককে (ট্রেইনার) সনদ ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরের ভানুগাছ সড়কের মহসিন অডিটোরিয়ামের চতুর্থ তলার হলরুমে গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সনদ ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান এলাকায় ১০৫টি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ১ হাজার ৫৮০ জন নারী ও কিশোরীর কাছে মাসিক স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং এ-সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার ও ভুল ধারণা নিয়ে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় ১৭ জন পুরুষ কমিউনিটি সদস্য এবং কালিঘাট চা-বাগান উচ্চবিদ্যালয়ের ৫৮ জন ছাত্রীও অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সিনথিয়া তাসনিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুর নাহার পারভিন, আলোর দিশারীর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি পরিতোষ তাঁতি এবং গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আহমেদ ফাউমি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শারিফা সাম্মি ঐশি।

আয়োজকরা জানান, কর্মসূচির শুরুতে পরিচালিত জরিপে অংশ নেওয়া নারী চা-শ্রমিকদের ৯৩ শতাংশ মাসিকের সময় অস্বাস্থ্যকর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করতেন। মাসিকজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাদের কর্মদিবস হারানোর পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিরও মুখোমুখি হতে হতো।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বর্ষা আহমেদ বলেন, ‘কালিঘাট চা-বাগানের নারীদের নিয়ে আমাদের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রান্তিক নারীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে চলমান কার্যক্রমের একটি অংশ।’

প্রধান অতিথি সিনথিয়া তাসনিম বলেন, ‘তারুণ্যনির্ভর গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের কাজটি সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে একটি সুস্থ ও সচেতন নারী জনগোষ্ঠী গড়ে উঠবে।’ ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগে স্থানীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুর নাহার পারভিন বলেন, ‘মাসিকসংক্রান্ত সমস্যার কারণে নারী চা-শ্রমিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। একই কারণে অনেক নারী শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ে। তাই এ ধরনের উদ্যোগ দেশের সব বিদ্যালয় ও চা-বাগানে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে রিজিক রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মাইনুল ইসলাম সানি, সরকারি কর্মকর্তা ও চা-বাগানের স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিটির আর্থিক অংশীদার ছিল শ্রীমঙ্গলের রিজিক রেস্টুরেন্ট।


নির্বাচিত

বামন্দী-কাজীপুর সড়কে গর্ত আর খানাখন্দ, ভোগান্তিতে মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

কৃষিনির্ভর মেহেরপুরের বাণিজ‍্যিক এলাকা খ্রেত গাংনী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বামন্দী-কাজীপুর সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কিছু স্থানের গর্তের গভিরতা এক থেকে দেড় ফিট পর্যন্ত হবে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির এমন বেহাল দশা হলেও সংস্কারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না সড়ক বিভাগকে। ফলে সময় গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সড়কটি যেন এখন মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। তবে উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর বলছে, বরাদ্দ না থাকায় সংস্কারকাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়রা জানান, বামন্দী-কাজীপুর সড়কটি গাংনী উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এই সড়কটি দুটি জেলার মানুষের সংযোগ সড়ক হিসেবেও পরিচিত। এ পথে বাস, ট্রাক, নসিমন, অটোরিকশা, পাখিভ্যান ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির সময় গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কোথায় গর্ত আর কোথায় সমতল, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে এসড়কটি একটি দুর্ঘটনার ফাঁদে রূপ নিয়েছে।

পথচারী গৃহবধূ শারমিন আক্তার বলেন, ‘এ সড়কটি দিয়ে আমাদের জেলা ও উপজেলা শহরে যাওয়া লাগে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কটি, অথচ এই সড়কে চলাচল করা যায় না। কেন কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিচ্ছে না, সেটাও বুঝতে পারছি না। এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা সব সময় আতঙ্কে থাকেন কখন গাড়ি গর্তে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমার এক চাচাতো বোনের বাচ্চা নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি উল্টে তার হাত ভেঙে গেছে। একটু বৃষ্টি হলে সড়কটিতে পানিতে ডুবে যায়।’

পাখিভ্যানচালক টিটু হোসেন বলেন, ‘আমি ভ‍্যানে করে ইটসহ আড়তের মালামাল নিয়ে ভাড়ায় যায়। বর্তমানে এই রাস্তায় ভাড়া ধরতেও মন চায় না। পরিবারের মুখে একমুঠো ভাত তুলে দেওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় যা আয় হয়, গাড়ি নষ্ট হলে তার চেয়ে বেশি খরচ হয়। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা দরকার। আর কোনোমতে আটকে গেলে পাঁচজন মিলে ধাক্কা দেওয়া লাগে।’

নসিমনচালক আক্কাস আলী বলেন, ‘আমি প্রতিদিন চাউল লোড করে গাংনী যায়। গাংনী উপজেলায় এর চেয়ে খারাপ রাস্তা চোখে পড়ে না। আমাদের গাড়ি প্রায়ই নষ্ট হয়। মেরামত করতে বাড়তি খরচ গুণতে হয়। অনেক দুর্ঘটনাও দেখেছি। বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’

স্কুলশিক্ষক ফারুক আহমদ বলেন, ‘আমাদের বাচ্চাদের স্কুল-কলেজ যাওয়ার প্রধান সড়ক এটি। অথচ বতর্মান সময়ে এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করা একদম অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী এই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় কাদা-পানি লেগে পোশাক নষ্টের পাশাপাশি শারীরিকভাবেও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাই এটি দ্রুত সংস্কারের জন‍্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

বামন্দী পশুহাট ইজারাদার আব্দুল আওয়াল বিশ্বাস বলেন, ‘জেলার সবচেয়ে বড় পশুহাট বামন্দী। যেখান থেকে জেলার সবচেয়ে বেশি অর্থ সরকারি কোষাগারে যায়। অথচ সেই বাজারের সড়কটির এমন বেহাল দশা। ভাবতেই খারাপ লাগে। আমাদের দাবি সড়কটি যেন দ্রুত সংস্কার করা হয়।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান বলেন, ‘বামন্দী-কাজীপুর সড়ক মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’

মেহেরপুর-৭৪/২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘সড়কটি অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এই সড়কসহ উপজেলার অন্যান্য সড়কের বিষয়ে ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়া হয়েছে।’


নির্বাচিত

সুন্দরবনে রয়েছে পর্যটনের সূমহ সম্ভাবনা, উদ্বেগ পর্যটক কমায়

* সুন্দরবনে পর্যটক টানতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সৈকত মোঃ সোহাগ, খুলনা

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব পর্যটন দিবস। এ উপলক্ষ্যে রয়েছে নানা আয়োজন। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সুন্দরবনকে ঘিরে খুলনায় নতুন করে জেগে উঠেছে পর্যটনের সম্ভাবনা। পর্যটকদের জন্য তৈরী হচ্ছে সুন্দরবনমুখী নৌযান, বাড়ছে ট্যুর অপারেটরদের ব্যস্ততা। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সুন্দরবনে পর্যটকের সংখ্যা আশংকাজনকহারে কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পর্যটন ব্যবসায়িরা।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মূলত অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীত মৌসুমে সুন্দরবনে পর্যটকরা আসে। সেইসময়ের সুন্দরবনের নদী এবং খালগুলো যথেষ্ট ঠান্ডা থাকে এবং আবহাওয়া অনুকূল থাকে। গত ৫ অর্থ বছরের সুন্দরবনে দেশি-বিদেশি পর্যটক বাড়লেও গত অর্থবছরে আশংকাজনক হারে কমে যায়।

এদিকে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস) খুলনার উদ্যোগে বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চঘাট থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শহীদ হাদিস পার্ক হয়ে শিববাড়ী মোড় পর্যন্ত বিশেষ রোড শোর আয়োজন করেছে।

সূত্র জানায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে সুন্দরবনে দেশি-বিদেশী পর্যটক এসেছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭০জন। যারমধ্যে দেশি পর্যটক ছিল ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩০৯ জন এবং বিদেশি পর্যটক ২ হাজার ২৬১ জন। এতে রাজস্ব আয় হয় এক কোটি ৫১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯০ টাকা।

২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে সুন্দরবনে এসেছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৭৯ জন পর্যটক। যারমধ্যে দেশি পর্যটক ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৩ জন এবং বিদেশি পর্যটক ২ হাজার ৩১৭ জন। এতে রাজস্ব আয় হয় এক কোটি ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার ৮ টাকা।

২০২০-২০২১ অর্থ বছরে সুন্দরবনে এসেছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২১১ জন পর্যটক। যারমধ্যে দেশি পর্যটক ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯১ জন এবং বিদেশি পর্যটক ৩২০ জন। এতে রাজস্ব আয় হয় এক কোটি ৫৭ লাখ ৫৪ হাজার ১৬৬ টাকা।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরে সুন্দরবনে এসেছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭৭ জন পর্যটক। যারমধ্যে দেশি পর্যটক ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭৪ জন এবং বিদেশি পর্যটক ১ হাজার ১০৩ জন। এতে রাজস্ব আয় হয় ২ কোটি ২৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৮০ টাকা।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরে সুন্দরবনে এসেছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭৭ জন পর্যটক। যারমধ্যে দেশি পর্যটক ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭৪ জন এবং বিদেশি পর্যটক ১ হাজার ১০৩ জন। এতে রাজস্ব আয় হয় ২ কোটি ২৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৮০ টাকা।

এছাড়া ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে সুন্দরবনে এসেছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৪৩ জন পর্যটক। যারমধ্যে দেশি পর্যটক ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার এবং বিদেশি পর্যটক ২ হাজার ১৪৩ জন। এতে রাজস্ব আয় হয় ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৩২ হাজার ৪৮০ টাকা।

তবে গত বছর (২০০২৪-২৫) পর্যটক এসেছে প্রায় ১ লাখ। তবে পর্যটক জাহাজে বনে গিয়েছেন মাত্র ৪০ হাজার পর্যটক।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস) খুলনার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম কচি বলেন, সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। গত বছর ট্যুরিষ্ট জাহাজে করে মাত্র ৪০ হাজার পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমনে গেছেন। আর ছোট ছোট জালি বোর্ডে করমজল স্পটে যাওয়া দর্শনার্থীদের সংখ্যাও কম। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখের বেশী হবেনা।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অক্টোবর মাসে পর্যটন মৌসুম শুরু হয়। কিন্তু এখনও আমরা কোন বুকিং পাইনি। এবছরও আশানুরুপ পর্যটক পাওয়া নিয়ে ব্যবসায়িরা দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন।

মাজহারুল ইসলাম কচির মতে পর্যটক কমে যাওয়ার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে।

প্রথমত, সুন্দরবন কোল ঘেসে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা রিসোর্ট। দ্বিতীয়ত, কক্সবাজারে নেশাজাত দ্রব্য অবাধে পাওয়া যায়, কাজেই যুবসমাজের বড় একটি অংশ সুন্দরবন বাদ দিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণ করে।

সুন্দরবনে পর্যটক টানতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা :

বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে একটি ২০ বছর মেয়াদী সুন্দরবন ইকোট্যুরিজম মাস্টারপ্ল্যান (মহাপরিকল্পনা)। এটি গতানুগতিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দিকে মনোযোগ না দিয়ে, বরং বনের প্রাকৃতিক পরিবেশকে অক্ষুন্ন রেখে কীভাবে টেকসই পর্যটন বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন করা যায় তার একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করা হয়েছে।

এই পুরো প্রক্রিয়াটির ডেপুটি চিফ অব পার্টি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম।

প্রফেসর ওয়াসিউল ইসলাম জানান, এই মহাপরিকল্পনা তৈরিতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে। এই মহাপরিকল্পনাটি মূলত সুন্দরবনের পরিবেশ ও অর্থনীতির সমন্বয়ে একটি টেকনিক্যাল রোডম্যাপ। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশীয় পর্যটন শিল্পের প্রবৃদ্ধি ঘটবে ও স্থানীয়দের অর্থনৈতিক ভিত মজবুত হবে এবং এর মাধ্যমে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

বিদেশি পর্যটকদের কীভাবে আরও সুন্দরবনে আগ্রহী করে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনা যায়, এ বিষয়েও এ প্রকল্পটি কাজ করেছে। দেশের মানুষ ট্যুর করলে টাকা দেশেই থাকে, কিন্তু বিদেশি পর্যটক দেশে এলে নতুন বৈদেশিক মুদ্রা অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


নির্বাচিত

ফরিদপুরে ‘বেতাল সুরে মাটির গান লোক উৎসব-২০২৬’অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর

লোকজ সংস্কৃতি ও বাংলার মাটি, মানুষের গানকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ফরিদপুরে ‘বেতাল সুরে মাটির গান লোক উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ফরিদপুরের অম্বিকাপুর পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি সংলগ্ন কুমার নদীর তীরে-জসীম উদ্যানে এই লোক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

বেতাল ও মাটির গানের আয়োজনে এবং অ্যাব্লুম ক্যাফেটেরিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত উৎসবে লোকসংগীতপ্রেমী দর্শকদের উপস্থিতিতে মেলার মাঠ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

এ অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ।

অ্যাব্লুম ক্যাফেটেরিয়ারের সত্বাধিকারী ও বেতাল ও মাটির গানের সভাপতি মেহেদী হাসন সোহেলের সভাপতিত্বে এ সময় ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুস্মিতা সাহা, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, সিনিয়র সাংবাদিক পান্না বালা সহ গণ্যমান্য।ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করা হয়। পরে অনুষ্ঠানের ভাবনা ও বাংলার লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। এরপর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। পল্লীগীতি, বেতাল গানের দল ও মাটির গানের বিভিন্ন পর্বে শিল্পীরা লোকজ সুরে গান পরিবেশন করেন। এতে বাংলার গ্রামীণ জীবন, মাটি ও মানুষের আবেগ-অনুভূতির নানা দিক ফুটে ওঠে।

উৎসবে গান পরিবেশন করেন প্রখ্যাত বাউল তোফাজ্জেল সরকার. বাউল মো:সাইফুজ্জামান রুপক, শারমিন বাউল, সুমনা বাউল, আর.এম. রনি, সোহেল রানা সবুজ শিকদার ও ফরিদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। তাদের পরিবেশনায় দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে লোকগানের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পী ও দর্শকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পরে সভাপতির বক্তব্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে ‘বেতাল সুরে মাটির গান লোক উৎসব-২০২৬’-এর সমাপ্তি ঘটে।


নির্বাচিত

জামালপুর রেড ক্রিসেন্টের নতুন কমিটি, জিলানী-লিয়ন নেতৃত্বে

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জামালপুর ইউনিটের বিশেষ সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মাহবুবুর রহমান জিলানী সহ-সভাপতি এবং খায়রুল ইসলাম লিয়ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত বিশেষ সাধারণ সভায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জামালপুর ইউনিটের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আজীবন সদস্য ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামীম আহমেদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়া, মাহবুবুর রহমান জিলানী, খায়রুর ইসলাম লিয়ন, রেড ক্রিসেন্টের ইউনিট অফিসার জীবন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

দ্বিতীয় অধিবেশনে বিনা প্রতিদন্দ্বিতায় মাহবুবুর রহমান জিলানী ও খায়রুল ইসলাম লিয়ন সাধারণ সম্পাদকসহ ৭ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে নিলুফার চৌধুরী মনি এমপি, সাবেক যুব প্রধান জিয়াউল হক জিয়া, মোঃ সাইদ- বিন- আনোয়ার সজীব, সাবেক যুব প্রধান মোঃ ইকরামুল হক লিটন, ও সাবেক যুব প্রধান সাইফুল আলম খান লিপন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জামালপুর ইউনিটের নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট ফজলুল হক এই কমিটি ঘোষণা করেন। আগামী দুই বছর এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জামালপুর ইউনিটের আজীবন সদস্য, সিনিয়র আরসিওআইসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পিরোজপুরে ৩ মাসের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​পিরোজপুর প্রতিনিধি

ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মশা নিধন ও একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিন মাসের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) ঘোষণা করেছে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিরোজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে পিরোজপুর পৌরসভা, গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) কার্যালয় সড়ক হয়ে সিও অফিস মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের অবৈধ দখল, পাকা বা সেমিপাকা ভবন ও অবৈধ পার্কিং অপসারণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‎

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পিরোজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের মাধ্যমে কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।

‎​জেলা প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন পিরোজপুর বিনির্মাণে জেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। হাসপাতালসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের জন্য একটি বিশেষ অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে যুক্ত করে দায়িত্ব বণ্টন করা হবে।

‎‎​পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে পিরোজপুর পৌরসভা ও গণপূর্ত বিভাগের চারপাশ হয়ে সিও অফিস মোড় পর্যন্ত পথ স্বশরীরে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ড্রেন ও জমে থাকা নোংরা পানি নিষ্কাশনের নির্দেশনা দেন এবং ফুটপাত ও রাস্তার পাশে দোকানগুলোর যত্রতত্র সাইনবোর্ড বসিয়ে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ‎

‎​অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে জেলা প্রশাসক কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকারি জায়গায় যদি বিল্ডিং বা সেমিপাকা ভবন এক ইঞ্চিও থাকে, তবে কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারের এক ইঞ্চি জায়গাও কারও অবৈধ দখলে রাখতে দেওয়া হবে না। অতিদ্রুত পরিমাপ করে ফুটপাত ও রাস্তার পাশের এসব পাকা ও সেমিপাকা ভবন, অবৈধ দোকানপাট, সাইনবোর্ড উচ্ছেদ এবং যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‎​শহরের পরিবেশ রক্ষা ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সাধারণ নাগরিকদের সহযোগিতা চেয়ে তিনি আরও বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে জনগণের সচেতনতা জরুরি। সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা নিজ নিজ বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখুন। আর সরকারি জায়গায় বা রাস্তার পাশে কারও কোনো বিল্ডিং, সেমিপাকা দোকান বা অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

‎‎​পরিদর্শন ও তদারকিকালে পিরোজপুর স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক (ডিডিএলজি) ও পিরোজপুর পৌরসভার প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন, পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নাশকতার আসামিকে ছাড়াতে থানায় তদবির, জামায়াত নেতাসহ আটক ৮

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলায় আটক এক আসামিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে তদবির করতে গিয়ে জামায়াতের এক নেতা ও বিএনপির দুই কর্মীসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত ২ টার দিকে মিরপুর থানা পুলিশ তাদের আটক করে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম (৪৫), জামায়াত সমর্থক মারুফ (২১), বাশার (৩৫), মফিজুল প্রামাণিক (৪০), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), বাদল প্রামাণিক (৫০), বিএনপি নেতা মেহেরুল ইসলাম (৪৫) এবং বিএনপি সমর্থক শহীদুল ইসলাম (৫৩)।

পুলিশ জানায় , শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিথলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজকে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়। পরে তাকে মিরপুর থানায় নেওয়া হয়।

হাফিজুর রহমানকে আটকের খবর পেয়ে রাত দুইটার দিকে চিথলিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন থানায় আসেন। তারা হাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে তদবির ও চাপ দিতে থাকেন।

এসময় তাদের নিষেধ করা হলেও তারা বারবার নাশকতা মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির করতে থাকেন। একপর্যায়ে সিরাজুল ইসলামসহ আটজনকে আটক করা হয়।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, নিষেধ করার পরও তারা নাশকতা মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তদবির করছিলেন। একপর্যায়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এরপর উভয় দলের নেতাদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

অষ্টগ্রামে বইপাঠ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার পেল ৯ বিজয়ী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অষ্টগ্রাম-মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের নান্নু মিয়া ইসলামী গণগ্রন্থাগারের উদ্যোগে বইপাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গ্রন্থাগারের সভাপতি আবু সাঈদ সালেহীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য খাইরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল হক নজরুল।

​এ ছাড়া অনুষ্ঠানে গ্রন্থাগারের পরিচালনা পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও পাঠক ফোরামের সদস্যরা এবং স্থানীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

​ওই প্রতিযোগিতায় মোট ২১ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে বিজয়ী ৯ জনকে পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।


নির্বাচিত

ফেনীতে ডেঙ্গুর ঊর্ধ্বগতি, ৯ মাসে আক্রান্ত সাড়ে ৬ শতাধিক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আবু তাহের ভূঁইয়া, ফেনী

ফেনীতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসেই জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৬শ’ ছাড়িয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ৪০৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা তিনগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন জেলাবাসী।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য মতে, জেলায় গত ৯ মাসে মোট ৬৫২ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। গত বছর ২০২৫ সালে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২০১ জন।

ফেনী সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬২ ডেঙ্গু পরীক্ষা হলে ২৪ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ এসেছে।

জেলায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে ফেনী সদর উপজেলায়। মোট ৬৫২ জন আক্রান্তের মধ্যে ৪৭৭ জনই এই উপজেলার । বাকি সব অন্যান্য উপজেলায়।

চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলার হাসপাতালগুলোতে ৪৭১জন ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা ছাড়পত্র প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৪৩০ জন। বর্তমানে জেলার হাসপাতালগুলোতে ৪১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছেন, জেলায় ডেঙ্গুর কিট মজুদ আছে ৬৬৯২ টি। এর মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায়- ৫৩৭৭, দাগনভূঞা- ৩৮, সোনাগাজী- ৬৪, ছাগলনাইয়া-৮৩২, পরশুরাম- ৩৪১ ও ফুলগাজী উপজেলায়-৪০টি।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোবারক হোসেন দুলাল বলেন, এখনতো ডেঙ্গুর বিগ সিজন। ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যারা ভর্তি হয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ভালো হয়ে গেছেন। আমাদের হাসপাতালে ডেঙ্গুতে কোন মৃত্যু নেই। আতংক হওয়ার কিছুই নেই। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, বাড়ির আশপাশের আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। খাল-বিল পরিষ্কার রাখতে হবে এবং মশারি ব্যবহার করতে হবে। মানুষ সতর্ক না হলে এ রোগ প্রতিরোধ করা যাবে না। দিন দিন আরও বাড়বে। তাই সতর্ক হওয়ার কোন বিকল্প নেই।

ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ফেনী জেলায় বর্তমানে ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৬৫২ জন ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা আমরা দিয়েছি।

আমাদের ফেনী জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ডেঙ্গুর কিট মজুদ আছে। আমাদের চিকিৎসকগণ এবং আমাদের টিমসমূহ জেনারেল হসপিটাল এবং উপজেলা হসপিটালগুলোতে সার্বক্ষণিকভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ, আমরা আশা করি যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারব।


নির্বাচিত

পার্বত্যাঞ্চলে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন: দীপেন দেওয়ান এমপি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত জোর দিয়েছেন। শিক্ষার ক্ষেত্রে পার্বত্য অঞ্চল অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। তাই পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন। আমরা সেই বরাদ্দকে কাজে লাগাতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত শহিদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপেন দেওয়ান এমপি আরো বলেন, অতীতের সরকার শিক্ষার বরাদ্দের নামে লুটপাট করেছে। শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে যাতে দুর্নীতি না হয় সে ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবো। এক্ষেত্রে কোন আপস করবো না। শিক্ষার ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। সৃজনশীল শিক্ষার প্রসারে শহিদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ যে উদ্যোগ নিয়েছে তার ভুয়ষী প্রশংসা করেন।

শহিদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদ রাঙামাটি জেলা আয়োজিত আলোচনা সভা, সনদ ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শহিদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ রাঙামাটি জেলার উপদেষ্টা মাওলানা আনোয়ারুল মোস্তফা হেজাজী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, শহিদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদের সাবেক কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ আখতার হোসেন চৌধুরী, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইয়াছিন রানা সোহেল, সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন ও রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবির আলম প্রমুখ। শহিদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ রাঙামাটি জেলা সমন্বয়ক হাফেজ তানজিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় পরিচালক নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ খোবাইব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শিক্ষক মোঃ হাসান ও ইসমাঈল হোসেন মুন্না। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শহিদ আবদুল আলী একাডেমির সহকারী শিক্ষক মোঃ আলমগীর, তৈয়বিয়া আইডিয়াল স্কুলের উপাধ্যক্ষ মোঃ মনসুর আলী , শহিদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদ রাঙামাটি জেলার উপদেষ্টা মোঃ আলী খান ও মোঃ শহিদুল ইসলাম।

আলোচনা সভা শেষে শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ, সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।


নির্বাচিত

সুন্দরবন রক্ষায় ক্ষতিকর সবকিছু অপসারণ করা হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখতে ক্ষতিকর সবকিছু অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগামীতে সুন্দরবন এলাকায় গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাগুলোও তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা সোলার পার্কে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ও বিকাশের যৌথ বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সুন্দরবন নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সারা পৃথিবীর জন্যই বৃক্ষায়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশ পৃথিবীর একটি অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার মানুষের জন্য কাজ করছে। এ কাজে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফান্ড ও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। এসব অর্থ ও উদ্যোগ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে প্রতিটি স্কুল-কলেজকে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণমুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বক্তব্য দেন খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মনি, কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাজিব আহমেদ, বিকাশের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রেগুলেটরি এবং করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান হুমায়ুন কবির এবং খুলনার বন সংরক্ষক মো. ইমরান আহমেদ।

অনুষ্ঠান শেষে সোনাডাঙ্গা সোলার পার্কে বৃক্ষরোপণ করা হয়। বিকাশ কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় এ বনায়ন কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close