বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৬ ফাল্গুন ১৪৩২

কাপ্তাই হ্রদের জলে ভাসল বিজুর ফুল

উৎসবে মাতোয়ারা পার্বত্য চট্টগ্রাম
কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে রাঙ্গামাটিতে শুরু হয়েছে বৈসাবি’র মূল আয়োজন। ছবি: দৈনিক বাংলা
বিজয় ধর, রাঙামাটি
প্রকাশিত
বিজয় ধর, রাঙামাটি
প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৫ ১৪:৫৭

বাংলা বর্ষবিদায় ও বরণ উৎসবে মাতোয়ারা পার্বত্য চট্টগ্রাম। আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের জলে ভাসল বিজুর ফুল।

শনিবার সকালে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে রাঙ্গামাটিতে শুরু হয়েছে বৈসাবি’র মূল আয়োজন। পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই উৎসব ১৯ এপ্রিল মারমা জনগোষ্ঠীর জলকেলি’র মাধ্যমে শেষ হবে পাহাড়ের বৈসাবির আনুষ্ঠানিকতা।

২৯ চৈত্র ১২ এপ্রিল শনিবার সকালে হ্রদের জলে গঙ্গা দেবীর আরাধনায় ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ে শুরু হয়েছে বৈসাবি’র মূল আনুষ্ঠানিকতা। বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভিন্নভাবে দিনটি উদযাপন করে থাকে। তবে এটি ‘ফুল বিজু’ নামে বেশি পরিচিত। রাঙামাটির শহরের গর্জনতলী মধ্যম দ্বীপে কাপ্তাই হ্রদের জলে গঙ্গা দেবীর আরাধনায় ফুল ভাসিয়ে এর উদ্বোধন করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার।

পূর্ণময় এই দিনে দেশ ও দশের মঙ্গল কামনা করছেন পাহাড়িরা। সবেমাত্র পূর্ব আকাশে উঁকি দিয়েছে সূর্য। তার লাল আভা ছড়িয়ে পড়েছে হ্রদের বুকে। সেই ভোরে নানা বয়সি মানুষ ফুল নিয়ে জড়ো হতে থাকে ঘাটে। ডালায় থাকা রক্তজবা, রঙ্গণ গাদাসহ নাম না জানা বুনো ফুল কলা পাতায় সাজাতে ব্যস্ত সবাই। উদ্দেশ্য গঙ্গা দেবীর আরাধনার হ্রদের জলে ফুল নিবেদন। এ উৎসবে নারীরা পরিধান করেছে বাহারি রঙের পিনোন হাদি আর ছেলেরা ধুতি, পাঞ্জাবি/ফতুয়া। দেখে মনে হবে হ্রদের পাড়ে বসেছে রঙের মেলা। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বৃহত্তম এই সামাজিক উৎসবে ব্যস্ত প্রতিটি পল্লী। বাংলাবর্ষ বিদায় ও বরণ উপলক্ষে ত্রিপুরারা বৈসুক, মারমারা সাংগ্রাই, চাকমারা বিজু, তঞ্চঙ্গ্যারা বিষু ও অহমিয়ারা বিহু- এভাবে ভিন্ন ভিন্ন নামে উদযাপন করে। যা বৈসাবি নামে বেশি পরিচিত। পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পুরানো বছরের সব গ্লানি, হিংসা, বিভেদ নদীর জলে ভেসে যাবে। আর নতুন বছর বয়ে আনবে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি- এমন প্রত্যাশায় রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী, রাজবিহার ঘাট, কেরানী পাহাড়ঘাট সহ, বিভিন্ন এলাকায় ভাসানো হয় বিজুর ফুল।

গর্জনতলী ঘাটে ফুল ভাসাতে আসা অমিয় ত্রিপুরা বলেন, ‘সকালে ফুল সংগ্রহ করে ঘর সাজিয়ে এখন ফুল ভাসাতে এসেছি। ফুল ভাসনোর মধ্যে দিয়ে পুোনো বছরের দুঃখ বেদনা গ্লানি পানিতে ভাসিয়ে দিলাম এবং নতুন বছর যেন সুন্দর হয়।’

রাজ বনবিহার ঘাটে ফুল ভাসিয়ে শ্রাবণী চাকমা বলেন, এটি পার্বত্য অঞ্চলের ঐহিত্যবাহী সামাজিক উৎসব। হ্রদে ফুল ভাসিয়ে গঙ্গা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছি, ‘আগামী বছরটা যেন আরও সুখশান্তিতে কাটাতে পারি। পার্বত্য এলাকাসহ সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা হউক’।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার। বলেন, ‘আজকের এই পবিত্র দিনে কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসিয়ে প্রার্থনা করেছি। আমরা যাতে সম্প্রীতির মধ্যদিয়ে সকল জাতিগোষ্ঠী একসঙ্গে বসবাস করতে পারি।’

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। সবার মাঝে সম্প্রীতি অটুট থাকুক। আর আগামী দিনগুলোতে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় এগিয়ে যাক প্রিয় বাংলাদেশ, এটাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা। এসময় অন্যান্যর মধ্যে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ,ত্রিপুড়ার কল্যান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা প্রীতি কান্তি ত্রিপুড়া, ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি শংকর ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজ বনবিহার ঘাটে কাপ্তাই হ্রদের জলে হ্রদের জলে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্য ফুল বাসিয়ে এর উদ্বোধন করেন রাঙামাটির সাবেক সাংসদ উষাতন তালুকদার। তিনি বলেছেন, পাহাড়ে বসবাসরত সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য আজকের দিনটি বিশেষ একটি দিন। কারণ এদিন থেকেই নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এই ফুল ভাসানোটা এখন সম্প্রীতির উৎসবে রুপ নিয়েছে। সবাই একসঙ্গে একত্রিত হয়ে ফুল নিবেদন করে প্রার্থনা করে। আজকের দিনে আমাদের চাওয়া হলো, আগামী দিনেগুলোতে যাতে সবাই মিলেমিশে সুখ-শান্তিতে বসবাস করতে পারি।

এসময় অন্যান্যর মধ্যে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু, চাংক্রান-২০২৫ উদযাপন কমিটির সভাপতি সাবেক উপ সচিব প্রকৃতি রঞ্জন চাকমাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈসাবীর আমেজ পুরো জেলা জুড়ে সাজ সাজ রব।


দৌলতদিয়ায় মহাসড়কে পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে বালুর চাতাল, ভোগান্তিতে মানুষ 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সাত্তার মেম্বার পাড়ায় বালুর চাতালে পানিতে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে প্রায় ১৮ থেকে ২০টি পরিবারের শতাধিক মানুষ। বসতবাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে চলাচলের রাস্তাঘাট, এমনকি টয়লেট ও রান্নাঘর পর্যন্ত পানিতে ডুবে আছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠেছে অবৈধ এসব বালুর চাতাল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তির দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব চাতাল তৈরি করে বালুর ব্যবসা করে আসছে। বালু আনলোডের ফলে বর্ষার শুরুতেই এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে বাইপাস সড়কসহ দৌলতদিয়ার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বালু ব্যবসা জমজমাট ব্যবসা চলছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীরা মহাসড়কের পাশে বালুর চাতাল তৈরি করে অবৈধ বালুর ব্যবসা করে আসছে। ফলে ফেরিতে উঠা ও নামার যানবাহন চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পদ্মা নদী থেকে বালুবাহী বাল্কহেডে ভর্তি করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে মহাসড়কের পাশে এসব বালুর স্তূপ গড়ে উঠেছে। উক্ত চাতাল থেকে বালু নেওয়ার জন্য প্রতিদিন শত শত ড্রাম ট্রাক ব্যবহৃত হচ্ছে। ড্রাম ট্রাকের চাকায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি ড্রেন লাইন ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। ফলে বৃষ্টির পানি সড়ক থেকে ড্রেন দিয়ে নদীতে বের করার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। অপরদিকে লাইসেন্স বিহীন অপ্রাপ্ত চালক দিয়ে চালানো হচ্ছে ড্রামট্রাকগুলো।

তবে বিআইডব্লিউটিএ সূত্র থেকে জানা যায়, এ সমস্ত বালুর চাতাল স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পরিচালিত হয় এগুলো কোন জমিই লিজ নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, রাজনৈতিক পরিচয়সম্পন্ন ব্যক্তিদের চাতাল হওয়ায় সরাসরি প্রতিবাদ করার সাহস পান না অনেকেই। দিনের পর দিন পানিবন্দি অবস্থায় থেকে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে নাভিশ্বাসে।

শ্রমিক দলের সভাপতি ও চাতালের বালু ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, “আমার চাতালে মাঝে মাঝে বালু রাখা হয়। সেখান থেকে পানি জমে না বা সেখান থেকে পানি ঐ সমস্ত বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং জগোদিশ সরকার প্রতিদিন ৫-৭টি বলগেট বালু নামায়। তার চাতালের পানিতেই এই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, কোন অবৈধ ব্যবসা চলতে দেয়া যাবেনা৷ ইতিমধ্যে আমরা মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি, আমরা দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবো।

বিআইডব্লিউটিএর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আরিচা অঞ্চল সুব্রত রায় বলেন, নদীর আশেপাশে কোন অবস্থায় বালুর চাতাল করা যাবে না এবং আমরা কোন রকম অনুমতি দেইনি। গতবছর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে করে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল এবারও খুব শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে আমি গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলবো।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস বলেন, কয়েকদিন আগে আমরা কয়েকটি গাড়ি আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করেছি এবং তারা মুচলেকা দিয়েছে বলেছে খোলা ট্রাকে বালু পরিবহন করবেনা। এছাড়াও গাড়ি চলাচলের নিয়ম, লোড-আনলোডের বিষয়ে সতর্ক করেছিলাম। তিনি আরও বলেন, আজকেও আমি দেখে আসছি সড়কের পাশে ট্রাকগুলো দাঁড়িয়ে ভেকুর সাহায্যে বালু লোড করছে। আমরা খুব দ্রুত তাদেরকে ডেকে বসবো এবং সতর্ক করবো, না শুনলো কঠোর অবস্থানে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


ব্যবসায়ীকে হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হেকমত আলী (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আরও একজনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত হলেন রূপগঞ্জের মোল্লাবাড়ি ইয়াকুব হোসাইনের ছেলে রফিকুল ইসলাম সবুজ (৩০)।

তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সে পলাতক ছিল। তার ভাই মাহফুজুর রহমানকে (২৬) ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সে উপস্থিত ছিল।

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ (পিপিএম) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, হেকমত আলী রূপগঞ্জের কালাদি এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে। তিনি ভুলতা নুর ম্যানশন মার্কেটে মোটর পার্টসের দোকান হাসান এন্টারপ্রাইজের মালিক ছিলেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন হেকমত আলী।

পরে ১৪ এপ্রিল তার দোকানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম সবুজ, তার ভাই মাহফুজুর রহমান, মামুন মিয়া ও বাবা ইয়াকুব মোল্লাকে আসামি করে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেন হেকমতের স্ত্রী রোকসানা বেগম।

আসামিদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম সবুজকে গ্রেপ্তারের পর নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। সবুজ জানায়, শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বস্তাবন্দি লাশ ড্রামের ভেতরে ঢুকিয়ে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সেটি মাছের খামারে ফেলে দেওয়া হয়। তিন মাস পর লাশ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় আদালত সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।


কুষ্টিয়ায় ইউটিউব ভিলেজ থেকে মহাবিপন্ন ঘড়িয়াল উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শিমুলিয়া ইউটিউব ভিলেজ পার্কের চৌবাচ্চা থেকে মহাবিপন্ন প্রাণি ঘড়িয়াল উদ্ধার করা হয়েছে। এটির দৈর্ঘ্য দুই ফুট ৬ ইঞ্চি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে এক সংবাদকর্মীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী ঘড়িয়ালটি উদ্ধার করেন বনবিভাগের কর্মকর্তারা। এছাড়াই একস্থান থেকে তিনটি কাছিম উদ্ধার করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার জগতি বনবিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু বকর সিদ্দিক, খোকসা উপজেলা বনববিভাগের কর্মকর্তা গোলাম কাজী, সাংবাদিক, পার্কের কর্মকর্তা–কর্মচারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত বছরের অক্টোবর মাসে শিমুলিয়ার একটি বিল থেকে এক জেলের মাছ ধরা জালে ঘড়িয়ালটি ধরা পড়ে। এরপর ওই জেলেরা নামমাত্র টাকায় এটিকে খোকসার শিমুলিয়া ইউটিউব ভিলেজ পার্ক মালিক দেলোয়ার হোসেনের কাছে বিক্রি করে দেন। পার্কের মালিক ঘড়িয়ালটিকে পার্কের ভেতরের একটি চৌবাচ্চায় জরাজীর্ণ অবস্থায় রেখে দেন। সম্প্রতি এক দর্শনার্থী ওই পার্কের চৌবাচ্চায় ঘড়িয়ালটিকে দেখে এনটিভি অনলাইনের কুমারখালী ও খোকসা প্রতিনিধি এম আর নয়নকে জানান। খবর পেয়ে নয়ন খোকসা ও কুষ্টিয়া বনবিভাগ কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পার্কটিতে অভিযান চালিয়ে মহাবিপন্ন প্রাণি ঘড়িয়াল ও তিনটি কাছিম উদ্ধার করে বনবিভাগ।

কুষ্টিয়া বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭০ দশক থেকে মহাবিপন্ন প্রায় মিঠাপানির প্রাণি ঘড়িয়াল। বর্তমানে বাংলাদেশে চারটির মতো বড় ঘড়িয়াল নদীতে থাকার সম্ভাবণা রয়েছে।

এ বিষয়ে শিমুলিয়া ইউটিউব ভিলেজ পার্কের মালিক দেলোয়ার হোসেন বলেন, অক্টোবর মাসে জেলের জালে ধরা পড়েছিল ঘড়িয়ালটি। ওই জেলেকে সামন্য কিছু টাকা দিয়ে ঘড়িয়ালটি কিনে পার্কে রেখেছিলাম। তবে এভাবে প্রাণিটিকে রাখা অবৈধ তা জানা ছিলনা।

সাংবাদিক নয়ন বলেন, একজন দর্শনার্থীর দেওয়া তথ্যমতে ঘড়িয়ালটি নিরাপত্তার সার্থে সংবাদ প্রকাশের আগেই বিষয়টি বনবিভাগকে জানানো হয়েছিল। নির্বাচনের কারনে ঘড়িয়ালটি উদ্ধারে কালক্ষেপন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘড়িয়ালটিকে উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ডেপুটি রেঞ্জার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সাংবাদিকদের সহযোগীতায় ইউটিউব ভিলেজ পার্ক থেকে মহাবিপন্ন একটি ঘড়িয়াল ও তিনটি কাছিম উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে। তাঁতা ভাষ্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী ঘড়িয়াল ও কাছিম ধরা, মারা ও সংরক্ষণ করা বেআইনি। পরবর্তীতে বিধিমতে পার্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নেত্রকোনায় পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম।

সভায় লার প্রতিটি থানার অপরাধচিত্র বিশ্লেষণ ও মামলা নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করাসহ থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার, পরোয়ানা তামিল এবং চুরি-ছিনতাই রোধে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পুলিশ সুপার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিতে থানা এলাকায় পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার নির্দেশ প্রদানসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রেজওয়ান আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল স্বজল কুমার সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খালিয়াজুরী সার্কেল সাহিদুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার দূর্গাপুর সার্কেল, আল ইমরানুল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার কেন্দুয়া সার্কেল মো. গোলাম মোস্তফা, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) ফাইয়াজ সার্জিল, নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন সরকার প্রমুখ।


কালীগঞ্জ বাজারে অভিযান, ৪ মামলায় ১৭ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

গাজীপুরের কালীগঞ্জ বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) অভিযান পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।

অভিযানে সর্বমোট ৪টি মামলা করা হয় এবং মোট ১৭,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪০ ধারায় ৩টি মামলায় মোট ১৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯-এর ১০৯ ধারা মোতাবেক ১টি মামলায় ২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

রমজানকে সামনে রেখে বাজারে অস্থিরতা রোধ ও নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্রপক্ষ এবং বেঞ্চ সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহবুবুল ইসলাম।

স্থানীয় ক্রেতারা বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবে।’


নওগাঁয় সাংবাদিককে মারধর করে মোটরসাইকেল ছিনতাই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁয় এক সাংবাদিককে মারধর করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা সাংবাদিককে তার পত্রিকা অফিসে আটকে রেখে বাইরে তালা মেরে দেয়। পরে পুলিশ এসে ওই সাংবাদিককে উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে নওগাঁ শহরের তাজের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রনক (৩২) নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরিফুল ইসলাম দেশ রূপান্তর পত্রিকার রাণীনগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং নওগাঁ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি নওগাঁ শহরের চকরামপুর এলাকায়।

আরিফুল ইসলাম বলেন, নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে আকন্দ মার্কেটে একটি দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রায়হান রানা নামের এক দোকানদারের সঙ্গে শুভ (৪০) নামের এক ব্যক্তির কথা কাটাকাটি শুরু হয়। কথা কাটাকাটি হতে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় আরিফুল ইসলাম আকন্দ মার্কেটে বরেন্দ্র কন্ঠ পত্রিকা অফিসে অবস্থান করছিলেন। গণ্ডগোল শুনে বাইরে এসে গণ্ডগোলের ভিডিও ধারন করে। এ সময় শুভ ও সেতু তার মোবাইল কেড়ে নেয় ও হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে ওই মোটরসাইকেলের মালিক শুভ ও স্থানীয় বাসিন্দা সেতুর নেতৃত্বে ১৫-১৬ জন যুবক সন্ত্রাসী কায়দায় আরিফুল ইসলামের ওপর হামলা চালায়। তারা আরিফুলকে এলোপাতাড়িভাবে কিল-ঘুষি মারে। প্রাণ বাঁচাতে আরিফুল দৌঁড়িয়ে বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকা অফিসে ঢুকে পড়লে হামলাকারিরা বাইরে থেকে পত্রিকা অফিসটি তালা মেরে দেয়। পরে হামলাকারীরা পত্রিকা অফিসের সামনে থাকা আরিফুলের পালসার ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বলেন, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে দোকানদারের সঙ্গে এক যুবকের হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির এই ঘটনা থামাতে গিয়েছিল আমার সহকর্মী আরিফুল ইসলাম রনক। হাতাহাতির এই ঘটনা থেমে যাওয়ার পর ওই দোকানদার দোকান বন্ধ করে চলে যায়। কিন্তু ওই মোটরসাইকেলের মালিক সন্ত্রাসীবাহিনী নিয়ে এসে সংঘবদ্ধভাবে আমার সহকর্মী আরিফুলের ওপর হামলা চালায় এবং তালা ভেঙে তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, তারা আমার সংবাদকর্মীকে ভেতরে আটকে রেখে সংবাদপত্র অফিসে তালা মেরে দেয়। আমার জানা মতে, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তির শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ওসি নিয়ামুল হক বলেন, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে তাজের মোড় আকন্দ মার্কেটে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটে। সেখানে আরিফুল ইসলাম ও শুভ নামের দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।


মাগুরায় গাছের ডালে ঝুলছিল প্রবাসীর মরদেহ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার রাঘবদাইড় ইউনিয়নে গলায় গামছার ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. নজির মন্ডল (৫৫) নামে এক প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাজির মন্ডল দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। তিনি দক্ষিণ মির্জাপুর বাল্য গ্রামের বাসিন্দা এবং ফটিক মন্ডলের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাল্যবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে একটি লিচু বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা প্রথমে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

জানা গেছে, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাননি। সকালে এলাকাবাসীর মাধ্যমে ঝুলন্ত মরদেহের খবর পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একজন গ্রামবাসী প্রথমে লিচু বাগানে গলায় গামছার ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে দেখতে পান। পরে তিনি চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। কেউ এটিকে আত্মহত্যা বলছেন, আবার কেউ হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা করছেন। খবর পেয়ে রাঘবদাইড় লক্ষীপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠান।

রাঘবদাইড় পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মোক্তার বলেন, এখনই কোনো কিছু বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে লাশের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ঘটনা ভিন্ন কিছু।


বঙ্গোপসাগরে বনদস্যুদের হাতে ২০ জেলে অপহৃত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে দুটি স্থান থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সুন্দরবন উপকূলের নারিকেলবাড়ীয়া ও আমবাড়ীয়ার সাগরের খাড়ি এলাকায় মুক্তিপণের দাবিতে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। ‎ বর্তমানে বনদস্যুদের চারটি গ্রুপ সুন্দরবন ও সুন্দরবন-সংলগ বঙ্গোপসাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

‎বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শুঁটকি পল্লী দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মোবাইল ফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাম না জানা বনদস্যু বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে সুন্দরবনে দুবলার উপকূলের নারিকেলবাড়ীয়া এলাকার সাগরে মাছ ধরা জেলে বহরে হানা দেয়। বনদস্যুরা ৮টি ট্রলার থেকে ৮ জেলেকে তাদের ট্রলারে তুলে নিয়ে যায়। অপহৃত জেলেরা হচ্ছেন, হরিদাস বিশ্বাস, গোপাল বিশ্বাস, রমেশ বিশ্বাস, প্রশান্ত বিশ্বাস, শংকর বিশ্বাস, তুষার বিশ্বাস, মনিরুল ও উজ্জল কুমার বিশ্বাস।

‎এদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা এলাকায়। এই ৮ জেলেকে অপহরণের পরপরই সুন্দরবনে দুবলার উপকূলের আমবাড়ীয়ার খাড়ি এলাকার সাগরে মাছ ধরা জেলে বহরে হানা দেয় বনদস্যুরা। এখান থেকে বনদস্যু সুমন জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্রের মুখে ১২টি ট্রলার থেকে আলোরকোল শুঁটকি পল্লীর ১২ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃত জেলেরা হচ্ছে, কালিদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস, শিবপদ বিশ্বাস, রশিদ সরদার, প্রকাশ বিশ্বাস, ইয়াসিন মোড়ল, শিমুল, রুপ কুমার বিশ্বাস, গণেশ বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস।

‎ এ সকল জেলেদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনি এলাকায়।

‎সুন্দরবনের দুবলা ফিসার ম্যান গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, বর্তমানে চারটি বনদস্যু গ্রুপ সুন্দরবন ও সাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা মুক্তিপণের দাবিতে প্রতিনিয়ত জেলেদের অপহরণ করছে। এদের দাপটে জেলেদের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। দ্রুত বনদস্যুদের দমনের দাবি জানান এই মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা।

‎সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম ২০ জেলে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘জেলেদের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড ও র‌্যাবের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বনরক্ষীদের টহল কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’


কুড়িগ্রামে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামেরর নাগেশ্বরী উপজেলায় হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলার আসামি আলতাফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার ঝামুয়াটারি গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলতাফ তার ভাবি নাসরিন জাহান বিলকিসকে হত্যাচেষ্টা মামলার ১ নম্বর আসামি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, আলতাফের বিরুদ্ধে মাদক ও ক্যাশিনো ব্যবসা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযাগে একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি প্রভাবশালী চক্রের নেতৃত্ব নিয়ে এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আলতাফ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড জড়িত থাকার অপরাধে এর আগেও একাধিকবার কারাভোগ করেন। এখনো প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় এখনো মাদককারবারি, জমি দখল, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অসহায় মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানিসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছেন। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। তাকে নাগশ্বরী থানা থেকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান।


প্রথম সিজারিয়ান অপারেশনে উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়া সারিয়াকান্দির ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে প্রথমবারের মতো অপারেশন থিয়েটারে অস্ত্রোপচার চালু করা হয়েছে। গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি সিজারিয়ানের সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বিনামূল্যে অপারেশন সেবা পেয়ে আনন্দিত উপজেলাবাসী। হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি করেছেন উপজেলাবাসী।

জানা গেছে, উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের শুভ মিয়ার স্ত্রী শুভ তারা বেগম (১৮) প্রথম গর্ভবতী হয়েছেন। শুভ রাজমিস্ত্রী কাজের হেলপার হিসেবে কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করছেন। সারাদিন রোদে পুড়ে কাজ করে যা পারিশ্রমিক পান তাই দিয়েই কোনো মতো ডাল ভাত কেনেন। তার গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে তিনি চিন্তায় ছিলেন। বর্তমান সময়ে সাধারণত সিজার ছাড়া সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সিজার অপারেশন করতেও প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এতো টাকা জোগাড় করতে শুভ দুঃশ্চিন্তায় পরে যান। গত সোমবার সকালে যখন তার স্ত্রী শুভ তারার প্রসব বেদনা উঠে, তখন তিনি একেবারেই চোখে সর্ষের ফুল দেখেন। নিরুপায় হয়ে তিনি তার স্ত্রীকে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে এ হাসপাতালে তার স্ত্রীর বিনা খরচে সিজারিয়ান অপারেশন হয়। সফল অস্ত্রোপাচারে তার একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তান পৃথিবীতে আশার সুযোগ হয়েছে। সন্তানের নাম রেখেছেন তাসকিন। হাসপাতালের একটি কেবিন কক্ষে তার স্ত্রীকে রাখা হয়েছে। সেখানে তার স্ত্রী এবং সদ্য ভূমিষ্ট পুত্র সন্তান সুস্থ রয়েছেন। বিনা খরচে এবং সফল অস্ত্রোপচারের মাধ‍্যমে সন্তান ভূমিষ্ঠ এবং সন্তানের মা সুস্থ‍্য থাকায় আনন্দিত শুভ ও তার পরিবারের লোকজন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এর আগে অপারেশন থিয়েটারে শুধুমাত্র নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসব করানো হতো। কিন্তু এই প্রথম এ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন চালু করা হয়েছে এবং এটিই এ হাসপাতালের প্রথম অস্ত্রোপচার। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাহবুব হোসেন সরদারের নেতৃত্বে অপারেশনে সহায়তা করেন, গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. তাসলিমা আবিদ শাপলা, এনেস্থিসিয়া ডা. মনিরা আঞ্জুমান, আরএমও ডা. তানজিম আহমেদ, ডা. মাশকুরুর মোকাররম জিম, ডা. সুবির চন্দ্র মজুমদার এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আব্দুল হাই।

শুভ মিয়া বলেন, তিনি একজন গরিব মানুষ বিনামূল্যে হাসপাতালে তার স্ত্রীকে সিজার অপারেশন করে খুবই খুশি। তার স্ত্রী এবং সন্তান দুজনেই ভালো আছে। তার এ উপকার করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সরকারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

উপজেলাবাসীর পক্ষে মেহেদী হাসান সুফল বলেন, উপজেলা হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন চালু হওয়ায় তারা খুবই আনন্দিত। নদী ভাঙন কবলিত এ এলাকায় এ ধরনের উদ্যোগ এর আগেই নেয়া উচিত ছিল। হাসপাতালটি ৫০ শয্যা হওয়ায় এখানে রোগীদের নানাবিধ সমস্যার শিকার হতে হচ্ছে। তাই এলাকাবাসীর পক্ষে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করতে জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুব হোসেন সরদার বলেন, এটি এ হাসপাতালের প্রথম অস্ত্রোপচার। সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলের এবং গরিব রোগীদের কথা চিন্তা করে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ হাসপাতালে কোনো এনেস্থিসিয়া ডাক্তার নাই, যা সোনাতলা থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে। এছাড়া জনবলের অভাব রয়েছে। উপযুক্ত জনবল কাঠামো পেলে ইনশাআল্লাহ আরও ভালো কিছু করা সম্ভব। এখানে সকল ধরনের গরীব রোগীরা ফ্রী অপারেশন সুবিধা পাবেন।

বগুড়া-১ আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, সারিয়াকান্দি হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা তার নির্বাচনী ইশতেহার। এর জন্য সকল ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে। এ আসনের গরিব মেহনতী মানুষ বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াও সকল ধরনের উন্নত ধরনের চিকিৎসা সুবিধার ব‍্যবস্থা করার আশ্বস্ত করেছেন তিনি।


মীরসরাইয়ে ৫ শতাধিক পরিবারকে রমজানের খাদ্যসামগ্রী দিলেন ব্যবসায়ী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে পুরো রমজান মাসের খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ছোটকমলদহ এলাকায় ট্রান্সপোর্ট নেট কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার ব্যবসায়ী জামশেদ আলমের উদ্যোগে এসব খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

জামশেদ আলম জানান, ২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে নিজ এলাকায় রমজানের আগের দিন পুরো মাসের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারকে দেয়া হচ্ছে চাল, আলু, আটা, তেল, ছোলা, পেঁয়াজ, চিড়া, মুড়িসহ নানা খাদ্যসামগ্রী। এটি ব্যক্তি উদ্যোগে এলাকার সন্তান হিসেবে দায়িত্ব বোধের জায়গা থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াস।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ইমাম হোসেন বাবলু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক এস.এম হারুন, হাইতকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনির, প্রজন্ম মীরসরাইয়ের নির্বাহী পরিচালক নাজিম উদ্দিন, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বয়ক ইলিয়াস হোসেন মাসুদ।


নবীনগরে নিজ বাড়ির সামনে যুবক গুলিবিদ্ধ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইমন (২২) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি (বাদ্যকরপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার জসীম মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর নিজ বাড়ির সামনে কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন ইমন। এ সময় অটোরিকশা করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠান।

নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ইমনের শরীরের পেছনের অংশসহ তিন স্থানে গুলি লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

খবর পেয়ে নবীনগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক, থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা রাজীব নাথ ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ইমন বাড়ির সামনে অবস্থান করছিলেন, এমন সময় দুর্বৃত্তরা সিএনজি অটোরিকশায় এসে গুলি চালায়। শরীরের আঘাতের ধরন দেখে প্রাথমিকভাবে এটি শর্টগানের গুলি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্বশত্রুতার জেরেও এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

স্থানীয়দের দাবি, এর আগে বড়িকান্দির গণিশাহ দরবার শরীফের সামনে একটি হোটেলে সংঘটিত দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইমন সাক্ষী ছিলেন। সেই ঘটনার জের ধরেই তাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলাকার একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বড়িকান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। মাঝেমধ্যেই সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।


রৌমারীতে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্ততি সভা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, পবিত্র মাহে রমজান পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও পবিত্র রমজান পালনের বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আলাউদ্দিন, রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কাওসার অলী,উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগণ,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।


banner close